১.প্রশ্নঃ আমরা শুনেছি যে ঈশ্বর অতীত বর্তমান, বর্তমান এবং এমনকি ভবিষ্যতে কি ঘটবে তা সব তিনি আগে থেকেই জানেন। তাই তিনি যা জানেন প্রতিটি আত্মা সেভাবেই সে অনুসারেই কাজ করে। সুতরাং প্রতি আত্মা মুক্ত নয় কর্ম করার ক্ষেত্রে এবং তারা ঈশ্বরের চাবি দেয়া পুতুল মাত্র। তার পরেও ঈশ্বর আত্মাকে শাস্তি দেবেন এটাতো অন্যা।
২.উত্তরঃ এই ধরনের অভিযোগ ঐ সকল সম্প্রদায়ের (CULTS) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কারন তারা মনে করে সকলের ভাগ্য, অদৃষ্ট সবই নাকি তার জন্মের আগে লিখিত হয়ে গেছে। উদাহরন স্বরূপ অনেক মুসলিম কুরআন এবং হাদিসের উপর ভিত্তি করে দাবী করে যে আল্লাহ্ ইতমধ্যে লোহে মেহ্ফুজে ভবিষ্যতের সকল ঘটনা লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন এবং তার সিংহাসনের নিচে রেখে দিয়েছেন। এভাবেই তারা আল্লাহ্কে একজন psychopathic dictator বা স্বৈরাচারী বানিয়ে ফেলেছে যিনি আত্মা সৃষ্টি করেন আবার তাদেরকে বাধ্য করে তার ইচ্ছানুযায়ী কাজ করতে। সে কাউকে শাস্তি দেয়, পাপ করার জন্য প্ররোচিত করে এবং বৈধহীন ভাবে কাউকে সুবিধা প্রদান করেন। যদি এই ধরনের পুস্তক আসলেই থাকত তাহলে তা হতো ঈশ্বরের প্রতি চরম অপমান জনক। কারন এই পুস্তকে ঈশ্বরকে উন্মত্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে!!! অধিকন্তু যদি আল্লাহ্, সবই জানে তাহলে এই ধরনের পুস্তক ( লোহে মেহ্ফুজ) সৃষ্টি করার কারন কি যা কেবল তিনিই পড়তে পারেন? তিনি হয়তো ভুলে যেতে পারেন, এই ভয় থেকে তিনি এই কাজটি করেছেন? নাকি আল্লাহ্ যে পুস্তকটি লিখেছেন সেটি তিনি ভবিষ্যতেও লিখবেন? এই রকম ধারণা একেবারেই ছেলে মানুষ এবং স্থূল সমস্যায় পূর্ণ। কিন্তু এই ধরনের কাল্পনিক ধারণা বৈদ্যিক ঈশ্বরে পাওয়া যাবে না। অতীত বলতে বুঝায় যা বর্তমা্নে কোন অস্তিত্ব নেই এবং ভবিষ্যৎ হচ্ছে যা এখন নেই। কিন্তু ঈশ্বরের জ্ঞান সর্বদা এক, অভিন্ন এবং সত্য। অন্যভাবে বলা হয় যা কিছু অস্তিত্বহীন তা ঈশ্বরের জ্ঞানের রাজ্যে ও অস্তিত্বহীন। ভবিষ্যৎ ও অতীত এই দুটো বিষয় শুধু মাত্র আত্মার জন্য ঈশ্বরের জন্য নয় যিনি সময়ের সীমারেখায় আবদ্ধ নন। শ্রদ্ধার সাথে কেউ বলতে পারে যা আত্মার সকল কর্মের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ তিনি জানেন কিন্তু তা অসংলগ্ন ভাবে নয় বা প্রকৃতিজাত নয়। অন্য ভাবে বলা যায় যে আত্মা যে কর্ম করেন এবং যথাযথভাবে কি ফল হবে তা ঈশ্বর জানেন। কিন্তু ইতিহাস জানার জন্য ঈশ্বরকে অতীতে যেতে হবে আবার কি ঘটতে যাচ্ছে তা জানার জন্য তাকে ভবিষ্যতেও যেতে হবে না। তিনি সকল সময়ই বর্তমান এবং সকল কর্ম ও কর্মফলের ব্যাপারের তিনি সর্বদা সত্য স্বাধীন জ্ঞান ধারন করেন।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 5 October 2015
দিব্যজ্ঞান নয় কাণ্ডজ্ঞান চাই
হাজার হাজার বছর ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে অনন্ত
ব্রহ্মজ্ঞ ঋষি, মহাঋষি আবির্ভূত হয়েছেন। তাদের
অত্যাশ্চর্য প্রজ্ঞা পৃথিবীকে করে তুলেছে
সমৃদ্ধ ও অনাবদ্য। এক ঈশ্বরবাদ, দ্বৈতবাদ, অদ্বৈতবাদ,
বস্তুবাদসহ অসংখ্য মতবাদ। কিন্তু প্রশ্ন হল এত ব্রহ্মজ্ঞান
ও দিব্যজ্ঞান সম্পন্ন ঋষি-মহাঋষি থাকতে
কেন আজ হিন্দুদের এত করুন পরিণতি? কেন
শত শত বছর ধরে আমরা অত্যাচারিত, নিপীড়িত হয়ে
আসছি? কেন এত ঋষি- মহাঋষি, সাধুসন্ত,ব্ রহ্মজ্ঞানী,
ত্রিকালজ্ঞ, সর্বজ্ঞানী, গুরু মহারাজদের
জ্ঞান সাধনা আমাদের রক্ষা করতে ব্যর্থ
হয়েছে?
,
কারণ এসব সাধুসন্ত, গুরু মহারাজদের দিব্যজ্ঞান ছিল প্রখর
সুউচ্চ। কিন্তু তারা
তাদের শিষ্য পরম্পরায় একটি বিশেষ ধরণের জ্ঞানেরর
সঞ্চার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তা হলো কাণ্ডজ্ঞান।
যা কিনা
জগতের রূড় বাস্তবতার মুখোমুখি করে পৃথিবীতে
মানুষের মাথা উঁচু করে বাচবার
মত জ্ঞান ও শক্তি জোগায়।
,
আজকাল হিন্দুদের মধ্যে দেখছি দুইটি শব্দ
খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আর তা হল মানবতা ও সর্বধর্ম
সমন্বয়। মানবতার জোয়ারে গা ভাসাতে ভাসাতে
যে এদের
সব কিছু ভেসে যাচ্ছে সেদিকে এদের খেয়ালই
নেই।
,
একজন মুসলিমকে যদি প্রশ্ন করা হয় তোমার ধর্ম কি?
সে সাথে সাথে উত্তর
দেবে ইসলাম। একজন খৃষ্টান বা বৌদ্ধকে প্রশ্ন করলে
তারাও যথারীতি নিজেকে
খৃষ্টান বা বৌদ্ধ বলে পরিচয় দেবে। কিন্তু
একজন হিন্দুকে যদি বলা হয় তোমার ধর্ম কি? সে উত্তর
দেবে তার ধর্ম মানবতা। নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয়
দিতে এদের
লজ্জা হয়। কারণ এরা দিব্যজ্ঞান সম্পন্ন এবং
কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে। হিন্দুদের সম্পূর্ণতা ও
শ্রেষ্ঠত্ব সম্বন্ধে কোন ধারণায় এদের নেই।
,
পৃথিবীতে কেউ সর্বধর্ম সমন্বয়ের কথা বলেনা। শুধু
হিন্দুরা বলে। কিন্তু সেটা বলতে গেলেও যে আগে
ভূমির দরকার, হিন্দু
জনসংখ্যার দরকার এই কাণ্ডজ্ঞানটুকুও এদের নেই ।
বাস্তবতাবর্জিত দিব্যভাব, দূরিয় ভাব, দাঁড়িয়ে গেছে
ভণ্ডামি,মিথ্যাচার আর আত্মপ্রবঞ্চনায়। এই ভাবের ঘরের
লুকোচুরি গোটা হিন্দু জাতটাকে মেরুদণ্ডহীন,
আত্মরক্ষায় অসমর্থ করে দিয়েছে। তাই অতীতে,
বর্তমানে শুধু দেখি হিন্দু মার খায়, কাঁদে,
পালায়, ধর্মান্তরিত হয়। একটি জাতের যদি আত্মরক্ষার শক্তিই
না থাকে তার উচ্চ দর্শন সহস্র মহাপুরুষ থেকেই বা কি
লাভ? এই রকম দুর্বল জাতকে কেউ শ্রদ্ধা করেনা, করুণা
করে। এখন হিন্দুদের কেউ করুণাও করেনা, শিকার বলে
মনে করে। সব
শিকারীর লক্ষ্য এখন হিন্দু সমাজ। .
আমরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে ননীচোরা,
বস্ত্রহরণকারী, রাধারমন, বংশীবাদক প্রেমিক করে
রেখেছি। অথচ তিনি যে
সুদর্শনচক্র হাতে সমগ্র পৃথিবীতে ধর্মের স্হাপনা
করেছিলেন সে কথাটা ভুলেই গেছি।
.
গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু আামাদের হরিনাম করতে বললেন। আমরা
হরিনামে মেতে গেলাম। তিনি বললেন "সঙ্ঘ শক্তি কলৌঃ
যুগে।" কলি যুগে সঙ্ঘ শক্তি ছাড়া বাঁচা
যাবে না। সে কথাটা সযত্নে বাদ দিলাম।
আমাদের এমন কোন দেবতা নেই যার হাতে
অস্ত্র নেই। অথচ হিন্দু বাড়িতে ঘরভর্তি ঠাকুর দেবতা
আছে,কিন্তু আত্মরক্ষার জন্য
একগোছা লাঠি নেই।
.
এভাবে চললে কত দিনই বা সময় লাগবে হিন্দু বিলুপ্ত
হওয়ার? তাই এখনো সময় আছে
আসুন সংগঠিত হই, ঐক্যবদ্ধ হই। নতুবা আফসোস করা ছাড়া
আর কোন উপায় থাকবেনা।
.
--- দিব্যজ্ঞান নয় কাণ্ডজ্ঞান চাই
রাশিয়ার হামলায় দিশেহারা আইএস আমেরিকার ক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া - Bangladeshnews
http://bdn24x7.com/?p=276082
সিরিয়ার সন্ত্রাসীদের সমর্থন দিত সৌদি ওহাবি ধর্ম প্রচারকদের আহবান - Bangladeshnews
http://bdn24x7.com/?p=276391
সিরিয়ায় ১০ নতুন টার্গেট ধ্বংস আইএস সন্ত্রাসীরা তুরস্কে ঢুকছে - Bangladeshnews
http://bdn24x7.com/?p=276368
Subscribe to:
Comments (Atom)