Tuesday, 30 June 2015

Same sex love সমকামীরা দুনিয়াশুদ্ধ সবাইকে সমকামী বনে যেতে কখনোই বলেনি

"সমকামীরা দুনিয়াশুদ্ধ সবাইকে সমকামী বনে যেতে কখনোই বলেনি, তারা কেবল নিজের সঙ্গীকে ভালবাসার এবং একসাথে থাকার অধিকার চাইছে। যখন কালো মানুষদের সমানাধিকার মেনে নেয়া হয়েছিল তখন সব সাদা চামড়ার মানুষেরা দল বেঁধে কালো হয়ে যায়নি। সাদারা সাদাদের জায়গায় আছে, কালোরা কালোদের জায়গায়। কেবল তাদের আইনি এবং সামাজিক অধিকার স্বীকৃতি পেয়েছে বিশ্বজুড়ে। এই যে বাংলাদেশে ‘হিজড়া’রা তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে, তা বলে কি নারী-পুরুষ সবাই দল বেঁধে ‘হিজড়া’ হয়ে যাচ্ছে? না তা হচ্ছেনা। কাজেই, সমকামীদের অধিকার দেওয়া হলে সবাই সমকামী হওয়া শুরু করবে, কিংবা এর মাধ্যমে সমকামী প্রবণতাকে উৎসাহিত করা হবে এটা ভাবার কোন কারণ নেই।"-- অভিজিৎ রায়। এতো গেলো সমকামিতা নিয়ে বিজ্ঞানের বয়ান। এবার পশুকামিতা নিয়া ইসলামের বয়ান শোনা যাক-- দাউদ , বই -৩৮, হাদিস নং-৪৪৪৯ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণিত - নবি বললেন , যে কেউ কোন পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করবে তাকে ও সেই পশুকে হত্যা কর। আমি বললাম , আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম , পশুর প্রতি কি অপরাধ আরোপিত হবে ? তিনি উত্তর দিলেন - আমি মনে করি , নবী সেই পশুর মাংস খাওয়ার ব্যাপারে নিষেধ করেছিলেন। অর্থাত, তার মানে কেউ পশুর সাথে সেক্স করলে সেই লোক এবং পশুকে হত্যা করতে হবে, এবং সেই পশুর মাংস খাওয়া যাবে না। ঠিক পরের হাদিসেই আবার ডিগবাজি: দাউদ , বই -৩৮, হাদিস নং-৪৪৫০ আব্দুল্লা ইবনে আব্বাস বর্ণিত - পশুদের সাথে কেউ যৌন সঙ্গম করলে তার জন্য কোন নির্ধারিত শাস্তি নেই। শাস্তি নাই, মানে পশু সেক্স নিষিদ্ধ না। ইসলামে এরকম ব্যাপার, মানে কোনো কিছুতে স্ববিরোধিতা থাকলেই তখন দরকার হয় ইসলামিক স্কলারদের ফতোয়া। মহামান্য খোমেনি এর সমাধান দিয়েছেন এভাবে-- মুসলমানরা গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, কেঁচো-অজগর, গোলাপি-লইট্টা-ফিস, বাঘ-ভাল্লুক, উট-ভেড়া, ইত্যাদি পশুপক্ষীর সাথে ছহবত করতেই পারে। তবে কাম শেষ হইলে উক্ত পশুপক্ষীটারে হত্যা করতে হবে। আর তার মাংস নিজ গ্রামবাসীদের কাছে বিক্রি করা যাবে না, তবে পাশের গ্রামে বিক্রি করলে সমস্যা নাই। (উইকি) ======================== যে কোন প্রাণীদের মধ্যেই নাকি প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ সমকামী হয়ে থাকে। তার মানে কোনো এলাকায় ১০০% মুসলমান হলে তার মধ্যে প্রাকৃতিক ভাবেই ১০ থেকে ১৫% মুসলমান সমকামী হবেই। ওদিকে বাকি ৮৫ থেকে ৯০% মুসলমান প্রাকৃতিক ভাবে না হলেও ধর্মীয় ভাবে পশুকামী হতে পারে। এবার বলুন কোনটিকে আপনার কাছে মানসিক বিকৃতি বলে মনে হচ্ছে--প্রাকৃতিক ভাবে ১০-১৫%-এর সমকাম, নাকি ধর্মীয় ভাবে ৮৫-৯০%-এর পশুকাম?

বৌদ্ধ বিহারে ইফতার প্রতিদিন

বৌদ্ধ বিহারে ইফতার প্রতিদিন ======================= সারাদিন রোজা থেকে ভাল খাবার দিয়ে ইফতার করতে পারেন না রাজধানীতে এমন মানুষের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। রমজান মাসে সওয়াবের আশায় অনেকেই গরীব-দুঃখীদের ইফতার করান। কিন্তু সব ঘটনাকে পেছনে ফেলে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে রাজধানীর বাসাবোর ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের নিয়মিত ইফতার আয়োজন। সম্প্রীতির এই অনন্য নজির স্থাপন করেছেন সিঙ্গাপুরের নাগরিক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ব্যবসায়ী মি. ভিক্টর লি।1 জানা গেছে, তিনি এই বৌদ্ধ মহাবিহারে মাঝেমধ্যেই আসেন। বিহারের এতিম শিক্ষার্থী ও এলাকার দরিদ্র মানুষের জন্য তিনি চাল, ডালসহ নানা খাদ্যদ্রব্য দানও করেন। তার এ কাজে সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি বাবু প্রমথ বড়ুয়া। প্রতিদিন বিকেলে এই এলাকার গরীব রোজাদার ব্যক্তিরা এসে সারি ধরে ইফতারের প্যাকেট নিয়ে যান সানন্দে। আর তাদের হাতে ইফতারের প্যাকেট তুলে দেন বৌদ্ধ ধর্মগুরু সংঘনায়ক শুদ্ধানন্দ মহাথের। মাসব্যাপী এই বণ্টনের দায়িত্ব তিনিই নিজে হাতে পালন করেন। তাকে এ কাজে সাহায্য করেন বিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের। ১ রমজান থেকেই প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে দায়িত্বে ইফতার বণ্টন করা হয় এখানে। এরকম গড়ে পুরো রমজান মাসের জন্যই ইফতার বণ্টনের ব্যবস্থা করে দেশে ফিরেছেন মি. ভিক্টর লি। খবরঃ বাংলামেইল২৪ ========================== এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এর বিনিময়ে কিছুদিন পর পর বাদে বৌদ্ধদের মা বোন ধর্ষণ, বাড়িঘর-উপাসনালয়ভাঙচুর করা, তাতে আগুন দেয়া ছাড়া মুসলমানরা বৌদ্ধদের আর কী কী দিয়ে থাকে?

Amir khan রমজান মাস চলছে আমির খানের কি খবর?

রমজান মাস চলছে আমির খানের কি খবর? রোজা রাখছেন? Pk তে বললেন ভগবানের জন্য উপবাস করা অনুচিত,আচ্ছা মেনে নিলাম, কিন্তু রমজানে রোজা রাখা?? আসলে এই সব বক্তব্য গুলো শুধুমাত্র সং্খ্যাগুরু হিন্দুদের কাছে প্রযোজ্য, মুসলমানদের কাছে বললে আপনার কল্লা নিয়ে নেওয়া হবে,আমির খান যদি মুসলমানদের রোজা রাখা উচিত নয় বলতো তাহলে এতোদিনে কিছুতো একটা হয়ে যেতই।। কিন্তু হিন্দুদের কাছে বললে আপনার প্রশংসা করা হবে।। কারন হিন্দু সমাজ উদার, মুসলিম সমাজের মত গোড়া নয়, এই পার্থক্যটা বুঝতে হবে। হিন্দু সমাজ সবাইকে আপন করে নিতে শেখায়, কিন্তু মুসলিম সমাজ শুধু মাত্র মুসলমানদেরই আপন করতে শেখায়। ইসলামি সৌভ্রাতৃতব শুধু মুসলমানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। হিন্দু সমাজের এই উদারতার সুযোগ নিয়ে মুসলিম সমাজ হিন্দুদের অনেক ক্ষতিসাধন করেছে সেই মধ্যযুগ থেকে,করে চলেছে আর ভবিষ্যৎ এও করবে যতদিন না হিন্দু সমাজ এই অতিরিক্ত উদারতা বর্জন করছে। অনেক খেসারত দিতে হয়েছে এবং দিয়ে যেতে হবে।।

Name of The Poem কবিতার নাম:-

কবিতার নাম:- "টুপি পরা হিন্দু" টুপি পরলেই নেতা হওয়া যায়,তিলক কাটলেই ভয় । টুপি পরে তোমরা করবে বাংলাকে জয় ।। তিলক কাটতে ভয় কিসের আজ,কেন আজ টুপি পরো । ভোটের থেকে হিন্দুত্ববাদ অনেক বেশী বড় ।। ধর্মনিরপেক্ষ সেজে কি হবে আর,মুসলিমরাই সাম্প্রদায়িক । ভরে গেছে দ্যাখো জেহাদে বাংলার চারিদিক ।। মসজিদ আজ উঠছে গুড়ে,ভেঙে যাবে সব মন্দির । তবুও কেন আজ টুপিতে ঢাকো নিজের শির ।। জেহাদের কবলে আজ বঙ্গমাতা,তবুও তোমরা ধর্মনিরপেক্ষ কেন সাজো । ক্ষমতা,অর্থ,ভোটের কথা শুধুই কি বোঝো ।। দাড়ি টুপিতে আজ ভর্ত্তি বাংলা,জেহাদীদেরআশ্রয়স্থল । ভোটের জন্য তোমরা আজকে এতোটাই দুর্বল ।। টুপি পরা হিন্দু,হিন্দুর শত্রু,সাজতে চাইছে নেতা । ভুলে গেল আজ আদর্শবান হিন্দুত্ববাদের কথা ।। একদিন সব শেষ হয়ে যাবে,যদি হিন্দু এখনও ঘুমিয়ে থাকো । হিন্দু হয়েও কি করে তোমরা,মাথাতে টুপি পরো ।। written by-sabyasachi প্রতিদিন কবিতা পড়তে www.facebook.co m/ namosabyasachiপেজটি লাইক করুন

সনাতন ধর্মের শাঁখা ও সিঁদুর কেন ব্যাবহার করা হয়?

সনাতন ধর্মের শাঁখা ও সিঁদুর কেন ব্যাবহার করা হয়? (শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন) যারা সনাতন ধর্মের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্যঙ্গ করে তারা না জেনেই করে। এমনকি আমরা সনাতনীরা ও না জানার কারনে ধর্মকে কটূক্তি করার সময় ও মৌন থাকি। সনাতন ধর্মের প্রতিটি বিষয়ের পেছনেই কোন না কোন নিগুঢ় অর্থ বিদ্যমান। তেমনি শাঁখা সিঁদুর ও আমাদের ধর্মের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। শাঁখা সিঁদুর আমাদের হিন্দু বিবাহিত নারীরা পরে আসছে অনেক আগে থেকে ।। তবে বর্তমানে এগুলা না পরা অনেকটা আধুনিকতার স্বরুপ হয়ে দাড়াচ্ছে কারো কারো কাছে। তাই আসুন আজ আমরা দেখে নেই শাঁখা সিঁদুর পরার কারন আর কেন এটা পরা উচিত.. শাঁখা, সিঁদুর ও লোহা ব্যবহারের তিনটি কারণ আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক। আধ্যাত্মিক কারণঃ- শাঁখার সাদা রং- সত্ত্ব, সিঁদুরের লাল রং -রজঃ এবং লোহার কাল রং- তম গুণের প্রতীক। সংসারী লোকেরা তিনটি গুণের অধীন হয়ে সংসারধর্ম পালন করে। সামাজিক কারণঃ- তিনটি জিনিস পরিধান করলে প্রথম দৃষ্টিতেই জানিয়ে দেয় ঐ রমণী একজন পুরুষের অভিভাবকত্বে আছেন। সে কারণেই অন্য পুরুষের লোভাতুর, লোলুপ দৃষ্টি প্রতিহত হয়। স্বামীর মঙ্গল চিহ্ন তো অবশ্যই। { যখন কোন মেলায় বা অনুষ্টানে যান, কোন সুন্দরী মেয়ে দেখলে প্রায়ই ছেলেরা পিছু নেয়, কিন্তু যখন দেখা যায় মেয়েটির কপালে সিধুর ও হাতে শাখা রয়েছে, তখন বুঝে নেয় যে সে বিবাহিতা, তাই ঘুরে লাভ নেই। এই ক্ষেত্রে মেয়েটি কূদৃস্টি থেকে রক্ষা পেল। এবং শাখা ও সিধুর তার অস্তিত্ব বহন করে। } বৈজ্ঞানিক কারণঃ- রক্তের ৩টি উপাদান শাঁখায় ক্যালসিয়াম, সিঁদুরে মার্কারি বা পারদ এবং লোহায় আয়রণ আছে। রক্তের ৩টি উপাদান মায়েদের মাসিক রজঃস্রাবের সাথে বের হয়ে যায়। তিনটি জিনিস নিয়মিত পরিধানে রক্তের সে ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। আর্য ঋষিগণ সনাতন ধর্মের প্রতিটি আচার অনুষ্ঠানেই বৈজ্ঞানিক প্রয়োজনীয়তাকেপ্রাধান্য দিয়ে আচার বা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছেন। বাহ্যিক সামাজিক গুনাবলীঃ- কোন শাখা সিধুর পরিহিত মহিলা দেখলে সবাই বুঝে যে, সে বিবাহিত, সেই ক্ষেত্রে তার সাথে সুশ্রী আচরণ করা হয়। নারীদেরও শাখা সিধুরের প্রতি আলাদা স্প্রহা থাকে, কেননা এটি তার জীবনের মিলবন্ধনে প্রতি মুহুতে জ্ঞাত করে। অন্যদিকে, মুসলিম নারীরা বোরকা পরে বাপ, ভাই, স্বামীর সম্মুখে ও পরকীয়ার লিপ্ত হতে পারে, বুঝার কোন সিস্টেম নাই, যে এটা কোন দুনিয়ার মাল, এছাড়াও আজকাল বোরকা পতিতাদের জন্য জনপ্রিয় পোশাকে পরিনত হয়েছে, ভার্সিটির মেয়েরাও এখন বোরকা পড়ে দেহ ব্যবসায় জড়িত হচ্ছে, যারা ঢাকা চট্টগ্রাম, থাকেন, তারা এটা জেনে থাকবেন আশা করি। এতে করে তাদের বুঝার কোন উপায় নাই। বাহ :পর্দার ফাঁকে যৌনবিলাস। একটি বিষয় লক্ষ্য করবেন :- * সিঁদুর দেয়ার সময় মায়েরা নিচের দিকে নয়, ঊর্ধ্বায়ণ করে। কেন? সিঁদুর ঊর্ধ্বায়ণের মাধ্যমে রমণীগণ নিয়ত তার স্বামীর আয়ু বৃদ্ধির প্রার্থনা করে। * শুভ বিজয়াতে বা বিভিন্ন পূজা পার্বণে মায়ের দেবী দুর্গাকে সিঁদুর ছোঁয়ান বা একে অন্যে সিঁদুর পড়ান। কেন? দুর্গা দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন সিঁথির সিঁদুর যেন অক্ষয় থাকে। একে অন্যকে পরিয়ে দেন সে বাসনাতেই। নমস্কার । মোল্লারা কেন শাখাঁ সিদুঁর নিয়ে কুৎসা রটায়।

দশরাথ কেলা

দশরাথ কেলা। পাকিস্তানে ডাক্তারি পড়ে এখন জুতা বিক্রি করছেন ভারতে। শুধু কেলা নয়, প্রায় ২০০ পাকিস্তানি হিন্দু ডাক্তারের কপালে জুটেছে এমন নির্মম পরিহাস। জুতোর দোকান, মোবাইল স্টোর, ফার্মেসি বা হাসপাতালে মানব হিতৈষী কাজ করে কোনোরকম জীবনযাপন করছেন হতভাগা ডাক্তাররা। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, পাকিস্তানে পারিবারের নিরাপত্তা হীনতার কারণে তারা পালিয়ে এসেছে ভারতের গুজরাটে। তারা জানায়, হিন্দু মেয়েদের অপহরণ ও সমাজবিরোধী কাজের আখড়ায় পরিণত হয়েছে সিন্ধু প্রদেশ। পালিয়ে আসা জয়রাম লোহানার ভাষায়, আমরা সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বেঁচে এসেছি কিন্তু জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারছিনা। দশরাথ কেলা (৩৮) ২০০১ সালে ২৫ হাজার রুপি বেতনে ডাক্তারি পেশা শুরু করেছিলেন পাকিস্তানের সিন্ধু অঞ্চলে। এখন নয় বছর পর মানিয়ানগরে কাকাতো ভাইয়ের জুতার দোকানে কাজ করছেন তিনি। বেতন পান সর্বসাকুল্যে ১৫ হাজার রুপি। কেলা করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি নিয়েছিলেন। পরিবারের নিরাপত্তার অভাবে ২০০৬ সালে পালিয়ে আসেন এলাহাবাদে। তিনি চিকিৎসা সেবা দিতে পারছেন না এখানে। কারণ মেডিকেল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (এমসিআই) অনুমোদন ছাড়া চিকিৎসাসেবা দেয়ার সুযোগ নেই। কেলার মতো আর একজন ড. জয়রাম লোহানা। তিনি সিন্ধুতে মাসে ১ লাখ রুপি আয় করতেন। ৪৬ বছরের লোহানা জানান, পাকিস্তানে রোগীদের কাছে আমরা ছিলাম দেবতুল্য। কিন্তু এখানে ভারতের নাগরিক না হওয়ায় তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে মেডিকেল কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (এমসিআই)।
আজ ৩০শে জুন ঐতিহাসিক "হুল দিবস" । সাঁওতালরা যেভাবে ইংরেজদের শোষনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে জঙ্গলের বুকে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের আগুন জ্বালিয়েছিল যা ইতিহাসের পাতাতে আজও স্বর্নাক্ষরে লেখা আছে । সাঁওতালদের এই আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিয়েছিল বীর সিধু,কানহু ও চান্দো ভাইরা । তীর ধনুককে হাতিয়ার করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল সাঁওতালরা । আজ সেই ঐতিহাসিক হুল দিবসে সিধু.কানহু ও সমস্ত শহীদ সাঁওতাল বিপ্লবীদের প্রনাম জানাই ।