পবিত্র বেদের রচনাকাল ঠিক কতো এ ব্যাপারে অনেকে অনেক ধরনের মত দেন। কেউ বলেন বেদ অনন্তকাল ধরে আছে,কেউ বলেন কয়েক লক্ষ,কেউ বা বলেন দশ হাজার। কিন্তু দুঃখের কথা হলো পাঠ্য পুস্তকসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিকদের মতামত ঋগ্বেদের রচনাকাল খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০-১২০০ অব্দ। এই তারিখটাই বর্তমানে সার্বজনীনভাবে গৃহীত। সমস্যা হলো,এই তারিখের পেছনে যে গভীর ষড়যন্ত্র লুকিয়ে আছে তা অনেকেই জানেন না।
'আর্য আগমন তত্ত্বে'র সাথে এই তারিখের গভীর সম্পর্ক আছে। এ তত্ত্ব মতে আমাদের পূর্ব পুরুষ আর্যরা মধ্য এশিয়া থেকে ভারতবর্ষে বসতি স্থাপন করেছিলেন। আবার আরেক মত বলে আর্যরা ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষে এসে দ্রাবিড়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এখানে বসতি স্থাপন করেন। তত্ত্বদাতা আর গবেষকরা কনফিউশনে আছেন। যাই হোক,এই তত্ত্বের কারণে আর্যদেরকে বিভিন্ন জায়গায় বহিরাগত উপাধি দেওয়া হয়। কিন্তু 'আর্য আগমন তত্ত্ব' বা আর্যদের বহিরাগত বলা আর বেদের এই তারিখ দেওয়াটা যে কতো বড়ো ষড়যন্ত্র,মিথ্যাকল্পনা তা বিজ্ঞান আর গবেষণা প্রমাণ করে দিয়েছে। কিছু উদাহরণ:-
প্রথমত,জেনেটিক রিসার্চ। ২০০৯-২০১১ সালে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা ভারত জুড়ে ৩ বছরব্যাপী একটি গবেষণা করেন। ভারতের বিভিন্ন জায়গার মানুষের ডিএনএ নিয়ে পরীক্ষা করেন তাঁরা।
ভারত দলের অন্যতম সদস্য ডঃ জ্ঞানেশ্বর চৌবে বলেন,'আমরা প্রমাণ করেছি যে সমগ্র ভারতবাসীর জিন একই বৈশিষ্ট্য এবং একই উৎস সম্পন্ন। গত ৬০০০০ বছর ধরে ভারতের মূল স্রোতে কোনো বিদেশী জিন প্রবেশ করেনি। 'আর্য আগমন তত্ত্ব মতে আর্যরা খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দের মধ্যে ভারতবর্ষে প্রবেশ করেন যা ডঃ চৌবের কথায় ও তাদের গবেষণায় সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হলো। এতে বোঝা যায় আর্যরা শুরু থেকেই ভারতবর্ষে আছেন এবং বেদের রচনাকাল অনেক আগেই।
দ্বিতীয়ত,পবিত্রবেদে এমন কোনো মন্ত্র নেই,যেখানে বলা হয়েছে আর্যরা বিদেশ থেকে এসেছেন। বরং বৈদিক ঋষিদের ভারতবর্ষের প্রতি ভালবাসা প্রকাশ পেয়েছে এবং এটা বোঝা যায় যে,আর্যরা আদি থেকেই এখানে আছেন।
তৃতীয়ত,বেদের প্রাচীনত্ব এবং আর্যদের আদিবাসী হওয়ার আরেকটা প্রমাণ হল সরস্বতী নদী। বেদে অনেকবার সরস্বতীকে দেবী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে এবং এটা বোঝা যায় যে বেদ রচনার সময় সরস্বতী পূর্ণ নদী ছিল অর্থাৎ শুকানো বা এ জাতীয় কোনো লক্ষণ ছিলনা। স্যাটেলাইট দিয়ে প্রাচীন মৃত সরস্বতী নদীর গতিপথ আবিষ্কৃত হয়েছে এবং জানা গেছে যে,সরস্বতী নদী খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে শুকানো হতে শুরু করে এবং খ্রিষ্টপূর্ব ১৯০০ অব্দে সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়। এখন এটা প্রমাণ করে যে বেদ পরবর্তী যেসব গ্রন্থে সরস্বতী নদীর কথা বলা হয়েছে,সেই সব গ্রন্থ খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের আগে রচিত। তাহলে বেদ অবশ্যই আরো অনেক আগে রচিত এবং আর্যরা অবশ্যই আগে থেকেই ভারতবর্ষে ছিলেন।
চতুর্থত,খ্রিষ্টপূর্ব ৭০০০ অব্দের পুরনো শহর মেহেড়গড়,এতে প্রত্নতাত্ত্বিকগবেষণায় যেসব নির্মানাদি পাওয়া গেছে,দেখা গেছে যে সেগুলো বৈদিক স্থাপত্য বিধি অনুযায়ী রচিত। এটা প্রমাণ করে এ শহরের আগেও মানুষ বৈদিক রীতি মেনে চলতো।
পঞ্চমত,নক্ষত্রের অবস্থান। এক বৈদিক ব্রাহ্মণ গ্রন্থে নক্ষত্রের এমন এক অবস্থানের কথা বলা হয়েছে যার সময় হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০০ অব্দ। আবার তৈত্তিরীয় সংহিতায় নক্ষত্রের এমন এক অবস্থানের কথা বলা হয়েছে যার সময় হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৮৫০০ অব্দ। এই গ্রন্থগুলো যেহেতু ঋগ্বেদ সংহিতা পরবর্তীতে রচিত,সেহেতু ঋগ্বেদ সংহিতার রচনাকাল খ্রিষ্টপূর্ব ৮৫০০ এর অনেক আগে। আরো অনেক ছোট বড়ো গবেষণা প্রমাণ করে যে বেদ অনেক প্রাচীন আর আর্যরা ভারতবর্ষের আদিম অধিবাসী। এখন কথা ওঠে আর্য আগমন তত্ত্বের বিরুদ্ধে এতো প্রমাণ দ্বারা এটি ফাউল প্রমাণিত হওয়ার পরেও কেন জ্ঞানীগুণীরা এ তত্ত্ব দিলেন? কেন এ তত্ত্ব বেশি প্রচলিত?-
প্রথমত,ইংরেজদেরশাসন-শোষণের একটা কৌশল ছিল 'divide and rule'.তারা উত্তর এবং দক্ষিণ ভারতের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য আর্য আর দ্রাবিড় আলাদা জাতি-এ তত্ত্বের সূচনা করে। আর্য আগমন তত্ত্ব দিয়ে তারা মানুষকে বোঝাতে চায় যে,দ্রাবিড় আদিম অধিবাসী আর আর্যরা বিদেশী আক্রমণকারী। এক্ষেত্রে মেকলেসহ অনেকে আর্য আগমন তত্ত্ব দেওয়ার জন্য ইংরেজ পন্ডিতদের সাথে ষড়যন্ত্র করেন।
দ্বিতীয়ত,এ তত্ত্বের মূল হোতা ম্যাক্সমূলার অবৈজ্ঞানিক ধর্মগ্রন্থ বাইবেলে পুরোপুরি বিশ্বাস করতেন যেখানে বলা হয়েছে মানুষের সৃষ্টি খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে আর মহাপ্লাবন হয় খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ অব্দের পর। এ অনুযায়ী তিনি তত্ত্ব দেন যে,খ্রিষ্টপূর্ব১৫০০ অব্দে আর্যরা বাইরে থেকে এখানে আসেন। এর পিছনে কোনো প্রমাণ নেই। এটা ষড়যন্ত্রের অংশ। দুঃখের বিষয় হলো,আর্য আগমন তত্ত্ব ভুল প্রমাণিত হওয়ার পরেও বর্তমানে স্কুল কলেজে পড়ানো হয় যে,আর্যরা বহিরাগত। আর্য শব্দে কোনো জাতি বোঝায় না। আর্য বলতে বোঝায় সম্মানিত,জ্ঞানীব্যক্তি। আমাদের সবার আর্য হয়ে ওঠা উচিত। —
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 9 July 2015
সলমন, শাহরুখ কিংবা আমির খানের সাথে অভিনয় করতে মুখিয়ে থাকেন বলিউডের অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী। অথচ জ্যাকি শ্রফ পুত্র টাইগার শ্রফ নাকি এই তিন খানের সাথে অভিনয় করতে মোটেও আগ্রহী নন! হ্যাঁ, বলিউডের সবাই খানদের নিয়ে মেতে থাকলেও জ্যাকি শ্রফ পুত্র টাইগার শ্রফ বলিউডের তিন স্তম্ভের সাথে কখনোই অভিনয় করতে চান না বলে জানা গেছে। সম্প্রতি একটি ফ্যাশন স্টোরের ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন 'হিরোপন্তি'র এই উঠতি অভিনেতা। সেখানে তাকে খানদের সাথে অভিনয় করতে আগ্রহ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি 'না' বলে দেন। টাইগার শ্রফ বলেন, 'তিন খানের কারো সাথেই অভিনয় করতে চাই না', পর্দায় তাহলে আমাকে কে দেখবে! উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে 'হিরোপন্তি'নামের একটি ছবির মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে টাইগার শ্রফের। এরপর সাব্বির খানের 'বাগি' এ রিবেল ফর লাভ' নামের একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হযেছেন তিনি। আগামী বছরে ছবিটি মুক্তির কথা রযেছে।
সলমন, শাহরুখ কিংবা আমির খানের সাথে অভিনয় করতে মুখিয়ে থাকেন বলিউডের অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী। অথচ জ্যাকি শ্রফ পুত্র টাইগার শ্রফ নাকি এই তিন খানের সাথে অভিনয় করতে মোটেও আগ্রহী নন!
হ্যাঁ, বলিউডের সবাই খানদের নিয়ে মেতে থাকলেও জ্যাকি শ্রফ পুত্র টাইগার শ্রফ বলিউডের তিন স্তম্ভের সাথে কখনোই অভিনয় করতে চান না বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি একটি ফ্যাশন স্টোরের ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন 'হিরোপন্তি'র এই উঠতি অভিনেতা। সেখানে তাকে খানদের সাথে অভিনয় করতে আগ্রহ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি 'না' বলে দেন। টাইগার শ্রফ বলেন, 'তিন খানের কারো সাথেই অভিনয় করতে চাই না', পর্দায় তাহলে আমাকে কে দেখবে!
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে 'হিরোপন্তি'নামের একটি ছবির মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে টাইগার শ্রফের। এরপর সাব্বির খানের 'বাগি' এ রিবেল ফর লাভ' নামের একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হযেছেন তিনি। আগামী বছরে ছবিটি মুক্তির কথা রযেছে।
HINDU and WEST BENGAL
-------HINDU and WEST BENGAL -----------
Are Hindu Bengalies happy in the West Bengal? Separately everybody will say no. Collectively they be silent. Why? Appeasement to Muslims from long time damage their backbone. Every day they observe injustice to the Hindus. Still silent. Why? If they try to protest, their Intellectual friends will say them, "Communal ". Only for the fear Hindus are silent.
Secondly if we see the names of the Goondas /Mastans from the British India we will see three groups. Gopalda, Nepalda, Ramda. Next panditji,Sunghji,Uphadhyaji and now Ali, Murad, Arab. Obviously political backing is also there.
When communal Muslims harrse some Hindus then Media, Administration and Hindu Community everybody are silent. Hindus waiting for RSS and BJP. At the time of voting they forgot their bitter experience. Then the community divided into Corrupt Congress, Communist and TMC. Started blaming BJP and RSS. Is it not your experience my dear Hindu brothers and sisters? If yes be alart. Dr.Shyama Prasad Mukherjee divided Pakistan and donate us this land. He hoped that Hindus life and property will save here. Actually what is going on here today?
হিন্দু জাতিকে সতর্ক করা
[এই পোস্টটি কোন ধর্মকে বা সেই ধর্মের অনুসারীদের ছোট করার জন্য নয়।এটা শুধুই হিন্দু জাতিকে সতর্ক করার জন্য।মসলমান ভাইয়েরা কষ্ট পেলে আমরা দুঃখিত!]
যে মুমিন বান্দারা বাটি চালান দিয়ে দুই চারটা শান্তির হাদিস আর কোরানের আয়াত উপস্থাপন করছে,তার চেয়ে ঢের বেশি পাওয়া যায় ভায়োলেন্ট আয়াত ও হাদিস।এই যে ধরেন,অমুসলিমদেরসাথে কিরকম ব্যবহার করতে হবে,তার পরিষ্কার উল্লেখ কোরানে আছে–
মুমিনগণ যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কোনো অমুসলিম/কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে।যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না(কূরান-৩:২৮)।
এখন কেউ যদি উপরের এই আয়াতের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অমুসলিমদের বন্ধু হিসেবে না গ্রহণ করেন তাইলে কাকে দোষ দেয়া যায়,বলেন তো?
কিংবা কি বলবেন,কেউ যদি সুরা আল বাকারা থেকে আয়াত তুলে দেখায়–তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরজ করা হয়েছে,অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়।পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোনো একটা বিষয় পছন্দসই নয়,অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর(কূরান-২:২১৬)।
অথবা সুরা আন নিসা থেকে উদ্ধৃত করা যাক–আল্লাহর জন্য যুদ্ধ করতে থাকুন,আপনি নিজের সত্তা ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ের জিম্মাদার নন!আর আপনি অন্য মুসলমানদেরকেও উৎসাহিত করতে থাকুন।শীঘ্রই আল্লাহ কাফেরদের শক্তি-সামর্থ্য খর্ব করে দেবেন।আর আল্লাহ শক্তি-সামর্থ্যের দিক দিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং কঠিন শাস্তিদাতা (৪:৮৪)।
যারা কোরান আগাগোড়া পড়েছেন তারা সকলেই জানেন,পবিত্র কোরানের বেশ অনেকটা জুড়েই রয়েছে উত্তেজক নির্দেশাবলী।এবার আপনারাই বলুন-আমি আমার সন্তানকে কিভাবে একজন মুসলমানের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে বলব যারা নিজেরাই সবসময়ই আমাদের শত্রু ভাবে???
[অনেকেই বলবেন তারা আসল মসলমান নয়।আমরা বলব আপনি ভুল।তারাই নকল মসলমান যারা হিন্দু দের বন্ধু ভাবে।কারন কূরান যে মানে সে মসলমান কখনো হিন্দুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে পারে না।]
সাইবার-৭১ হ্যাকড!/সাইবার-৭১ হ্যাকড! সাইবার-৭১ হ্যাকড!
RSS কে হুমকি ও ভারতের প্রতি অপমান সূচক মন্তব্য করার সাহস দেখানোর অপরাধে বাংলাদেশী "হকার" টিম ছাইভাঁড় একাত্তর (সাইবার ৭১) এর ওয়েবসাইট হ্যাক করা হল|
ম্যাঙ্গ পিপল এই হ্যাকিং এর দায় স্বীকার করে এটি উৎসর্গ করেছে বাংলাদেস সাইবার আর্মি, এক্সপায়ার সাইবার আর্মি, বাংলাদেশ ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারস, বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস, সাইবার শোড, ব্ল্যাক স্মিথ হ্যাকারস টিমের প্রতি।
(প্রিয় টেক)দেশে নানান সময়ে আলোচিত বাংলাদেশি হ্যাকার টিম সাইবার-৭১ হ্যাকিং এর শিকার হয়েছে। ম্যাঙ্গ পিপল এই হ্যাকিং এর দায় স্বীকার করে এটি উৎসর্গ করেছে বাংলাদেস সাইবার আর্মি, এক্সপায়ার সাইবার আর্মি, বাংলাদেশ ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারস, বাংলাদেশ গ্রে হ্যাট হ্যাকারস, সাইবার শোড, ব্ল্যাক স্মিথ হ্যাকারস টিমের প্রতি। একই সাথে বলা হয়েছে যারা 'লেমিং' বিরোধী তাঁদের সকলের প্রতি উৎসর্গ করা হলো।
আরও লেখা হয়েছে, "Stop laming, or bamboo will be ON for you". হ্যাকাররা হ্যাক করার প্রমাণ দিতে মিরর জনের ঠিকানা দিয়েছ। http://mirror-zone.org/mirror/id/227237 এই ঠিকানায় গিয়ে হ্যাকিং এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।
ত্রিপুরায় RSS এর উপর চীনা দালাল শয়তান বাম CPIM এর হামলা
********ব্রেকিংনিউজ*******
ত্রিপুরায় RSS এর উপর চীনা দালাল শয়তান বাম CPIM এর হামলা।দ্রুত শেয়ার করুন সবাই।কংগ্রেসকে হটিয়ে ত্রিপুরায় গেরুয়া শক্তির উত্থানে পাগলপ্রায় নাস্তিক বামেরা।
আরএসএসের বেশ কিছু সর্বক্ষণের স্বেচ্ছা সেবী রাজ্যে এসেছে৷তারা রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছে৷কার্যত সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে রাজ্যে বিজেপির ভিত শক্তিশালী করতে চাইছে তারা৷এরই অঙ্গ হিসেবে আজ মেলাঘরের একটি সুকলে সকালে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা যোগা কর্মসূচী শুরু করে৷
এখবর পাওয়ার সাথে সাথেই বিধায়ক তপন চন্দ্র দাস তার কিছু অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছেন৷আরএসএসেরস্বেচ্ছাসেবকদেররীতিমত জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন৷এনিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷এমনকি আরএসএসের দুইজন সর্বক্ষণের স্বেচ্ছাসেবীকে বাইকে তুলে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়৷ শেষ পর্যন্ত খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে৷
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়৷এব্যাপারে আরএসএস রাজ্য শাখার তরফে মেলাঘর থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়৷অবশ্য এখনো পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি৷এর জল বহুদূর পর্যন্ত প্রসারিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ কারণ,আরএসএস গোটা রাজ্যেই তাদের সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর যে প্রয়াস নিয়েছে তাতে শাসকদল রীতিমত বিপাকে পড়েছে৷বিজেপির উত্থান ও আরএসএসের তৎপরতা বৃদ্ধি নেতাদের চোখের ঘুম কেড়ে নিচ্ছে৷
দেখুন- http:// www.jagarantripu ra.com/news/ 2015/07 /10034
টার্গেট-২০১৮ সাল।নাস্তিক মুক্ত,চীনের দালাল মুক্ত ত্রিপুরা।
# জয়শ্রীরাম
হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।।
# RSS
Happy birth day Dada হ্যাপি বার্থডে দাদা
****হ্যাপি বার্থডে দাদা***
কার কার মনে আছে এ দৃশ্যটা?যে সাম্রাজ্যবাদী শয়তান বৃটিশরা আমার ভারত মাতাকে 200 বছর ধরে ক্ষত-বিক্ষত করেছিল,দাদা একনিমিষেই তার জবাব দিয়েছিলেন ঠিক এভাবেই।এ ছবিটা দেখলে তাই আজও অনেক বৃটিশের জ্বলে।
আবার বাংলাদেশিরা আমাদের উপহাস করে যে পশ্চিমবঙ্গ নাকি দিল্লির দাস!পশ্চিমবঙ্গ পরাধীন!তাই আমারা অবহেলিত।আমরা বলি কি-ওহে বাংলাদেশ তোমাদের কথিত পরাধীন থেকেও অনেক আগেই এ পশ্চিমবঙ্গ থেকেই সৌরভ দাদা উঠে এসেছে।সামলেছে সারা দেশ।আর তোমরা তথাকথিত স্বাধীন হয়েও এখন পর্যন্ত সৌরভ দাদার পা ধোয়ার যোগ্য এমন একজনকে জন্মও দিতে পারোনি।
যাই হোক আর কথা নয়।আবারো শুভ জন্মদিন দাদা।
দাদার জন্য আজ কতটি লাইক হবে মিত্র?
#RSS
Subscribe to:
Posts (Atom)