জয়শ্রীরাম।সমাজের প্রতিটি হিন্দু প্রত্যেকে পরস্পরের বন্ধু।আমরা হিন্দু সমাজের বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।হয়ত আমাদের মধ্যে অনেকেরই বিভিন্ন কারনে অনেক সময় বন্ধুত্ব থাকে না।পারিবারিক বা বিভিন্ন অর্থ-সম্পদের কারনে অনেক হিন্দুই আবার হিন্দুর শত্রু।এটা হতেই পারে।কিন্তু কাজ করে যাচ্ছি সমাজে হিন্দুদের মধ্যে এই বিভেদটাকে দূর করে সঙ্ঘবদ্ধ শক্তিশালী ভারতীয় সমাজ গড়ে তুলতে যেখানে কোন হিন্দু যদি বিপদে পড়ে ভিনজাতির হাতে তবে তার ঘোর শত্রুও যেন সব শত্রুতা ভুলে অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও নিজ হিন্দু সমাজের জন্য লাঠি ধরতে পারে।গুজরাটে যদি কোন হিন্দু আক্রান্ত হয় বাংলার হিন্দুরা লাঠি ধরবে আবার বাংলার হিন্দু যদি আক্রান্ত হয় গুজরাটের হিন্দুরা গর্জে উঠবে।এভাবে দেশের প্রতিটি রাজ্য পূর্ব থেকে পশ্চিম,উত্তর থেকে দক্ষিণ সব এক হিন্দুত্ববাদের ডাকে সাড়া দিবে।শুধুই ভারত নয়,ভারতের বাইরেও এই হিন্দু ব্রাদারহুড যেদিন ছড়িয়ে পড়বে সেদিন ভারত তো মহাপরাক্রমশালী হবেই সঙ্গে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের হিন্দু মাথা উচূ করে গর্বের সাথে বলবে-আমি হিন্দু।আর ঠিক এটাই ভারত মাতার অখন্ডতা রক্ষার একমাত্র চাবিকাঠি।এটা ছাড়া ভারতীয় সমাজ পাকিস্তানি সমাজে পরিণত হওয়ার দিকে ধাবিত হবে।
ভারতীয় হিন্দু সমাজকে এক করা যেমন আমাদের পবিত্র দায়িত্ব মনে করি ঠিক তেমনি এ সমাজে জোকের মত এঁটে থাকা হিন্দুর শত্রুদের চিনিয়ে দেওয়ায় আমাদের পবিত্র কর্তব্য জ্ঞান করি।তাই-
যে মুমিন বান্দারা বাটি চালান দিয়ে দুই চারটা শান্তির হাদিস আর কোরানের আয়াত উপস্থাপন করছে,তার চেয়ে ঢের বেশি পাওয়া যায় ভায়োলেন্ট আয়াত ও হাদিস।এই যে ধরেন,অমুসলিমদেরসাথে কিরকম ব্যবহার করতে হবে,তার পরিষ্কার উল্লেখ কোরানে আছে–
মুমিনগণ যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কোনো অমুসলিম/কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে।যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না(কূরান-৩:২৮)।
এখন কেউ যদি উপরের এই আয়াতের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অমুসলিমদের বন্ধু হিসেবে না গ্রহণ করেন তাইলে কাকে দোষ দেয়া যায়,বলেন তো?
কিংবা কি বলবেন,কেউ যদি সুরা আল বাকারা থেকে আয়াত তুলে দেখায়–তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরজ করা হয়েছে,অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়।পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোনো একটা বিষয় পছন্দসই নয়,অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর(কূরান-২:২১৬)।
অথবা সুরা আন নিসা থেকে উদ্ধৃত করা যাক–আল্লাহর জন্য যুদ্ধ করতে থাকুন,আপনি নিজের সত্তা ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ের জিম্মাদার নন!আর আপনি অন্য মুসলমানদেরকেও উৎসাহিত করতে থাকুন।শীঘ্রই আল্লাহ কাফেরদের শক্তি-সামর্থ্য খর্ব করে দেবেন।আর আল্লাহ শক্তি-সামর্থ্যের দিক দিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং কঠিন শাস্তিদাতা (৪:৮৪)।
যারা কোরান আগাগোড়া পড়েছেন তারা সকলেই জানেন,পবিত্র কোরানের বেশ অনেকটা জুড়েই রয়েছে উত্তেজক নির্দেশাবলী।এবার আপনারাই বলুন-আমি আমার সন্তানকে কিভাবে একজন মুসলমানের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে বলব যারা নিজেরাই সবসময়ই আমাদের শত্রু ভাবে???
[অনেকেই বলবেন তারা আসল মসলমান নয়।আমরা বলব আপনি ভুল।তারাই নকল মসলমান যারা হিন্দু দের বন্ধু ভাবে।কারন কূরান যে মানে সে মসলমান কখনো হিন্দুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে পারে না।]
# RSS
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 13 July 2015
Sunday, 12 July 2015
হাওড়ার ব্রীজের মাঝেই বাস দাঁড় করিয়ে নমাজ পড়তে লাগল ড্রাইভার
সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য
হাওড়া থেকে বাস ছেড়েছে হঠাৎ জ্যামের মাঝেই আচমকা ব্রেক কষে হাওড়া ব্রীজের মাঝে দাঁড়িয়ে গেল খিদিরপুরগামী মিনিবাস । অবাক হয়ে জানলার দিকে মুখ বের করে দেখলে হাওড়ার ব্রীজের মাঝেই বাস দাঁড় করিয়ে নমাজ পড়তে লাগল ড্রাইভার। এমনই ঘটনার সাক্ষী হল অনেক পথচারী। প্রশ্ন শুধু একটাই যদি কোন হিন্দু এই ঘটনা ঘটাতেন তাহলে তার যাবজ্জীবন সাজা ঘোষনা করে দিত প্রশাসন । মিডিয়া আজ কোথায়? কোথায় চিত্র সাংবাদিকরা? কেউ নেই আজ কারন আমরা আজ মুসলিমদের কাছে পরাধীন । আজকে হাওড়া ব্রীজে নমাজ পড়ছে প্রশাসন চুপ, কাল বাড়ীতে ঢুকে ধর্ষন করবে তখনও প্রশাসন চুপ । এবার ভাবুন হাতে অস্ত্র তুলবেন নাকি মাথাতে টুপি? https://m.facebook.com/photo.php?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C5115802996
Name of the Poem কবিতার নাম- 'ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি'
মাথায় টুপি পরে ইফতারে সবাই,ভর্ত্তি চারিদিক । তিলক লাগালেই অমনি আমি সাম্প্রদায়িক ।। গো হত্যার প্রতিবাদ করলে আমি দাঙ্গাবাজ । কসাই খানা খুলছে যারা,করছে মহৎ কাজ ।। ভেকধারী সব হিন্দু সেজে ছুটে যায় মাদ্রাসায় । টুকটুকি আজও ফেরেনি ঘরে,পথে চেয়ে আছি আশায় ।। মুসলিমদের জন্য ছুটে যায় সবাই,হিন্দুর কেউ নাই । ভোটের জন্য সন্ত্রাসবাদীরা আজকে ওদের ভাই ।। হিন্দু মরুক,মন্দির ভাঙ্গুক,আসবেনা ওরা কেউ । চার্চে যেই ঢিল পড়বে করবে ওরা ঘেউ ঘেউ ।। ইফতারে আজ ব্যাস্ত ওরা,শক্ত করছে হাত । বলতে পারো দুর্গাপুজোতে কেউ হিন্দুকে দাও ভাত ।। রোহিঙ্গাদের জন্য আন্দোলন করলে মুসলিমদের কিছু হয়না । টুকটুকির জন্য প্রতিবাদ মিছিল কেন আজ করা যায়না ।। রাজনীতির কোপে শেষ হতে চলেছি, আমরা বিন্দু বিন্দু । ধর্মনিরপেক্ষতা শুধু মুসলিমদের জন্য,আমরা নাকি হিন্দু ।। written by-sabyasachi www.facebook.com/namosabyasachi পেজটি লাইক করুন ।
সাম্প্রদায়িকতা
সাম্প্রদায়িকতাহলো সকল সম্প্রদায়ককে বাদ দিয়ে কোন নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতি অধিক সহানুভূতি দেখানো বা সুযোগ সুবিধা দেয়া!!
এরকম সাম্প্রদায়িকতাচলছে ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে!!!!!!!
তেলেঙ্গানায় পূজা,দিওয়ালী, বৌদ্ধ পূর্ণিমা বা ক্রিসমাসের কোন হিন্দু,বৌদ্ধ বা খ্রিস্টানকে উপহার না দেয়া হলেও আজ তেলেঙ্গানার সাম্প্রদায়িক রাজ্য সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে শুধুমাত্র ঈদে মুসলিম সম্প্রদায়কে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উপহার দেয়া হচ্ছে!!!!!!!
আজ সুশীলদের কাছে জানতে চাই এটা কেমন সাম্প্রদায়িকতা?????
যেখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কাউকেও উপহার দেয়া হয় না,সেখানে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে উপহার দিয়ে কোন সাম্প্রদায়িকতার খেলায় মেতেছে তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকার?????
সত্যি বড় বিচিত্র এ দেশ!!!!যেখানে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে সকল সুযোগ সুবিধা দিলেই অসাম্প্রদায়িক,সেকুলার ট্যাগ পাওয়া যায়!!!!!!!
আমরা হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান,শিখরা কি আয়কর দেই না?????
তবে কেন আমাদের প্রতি এ অবহেলা????
সংগৃহীত
আওয়ামীলীগ নেতাদের অত্যাচারে আতঙ্কিত যশোরের হিন্দুরা!!!!!!
আওয়ামীলীগ নেতাদের অত্যাচারে আতঙ্কিত যশোরের হিন্দুরা!!!!!!
চলতি ছয় মাসে যশোরে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বেশ কয়েকটি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যেকটি ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। সম্প্রতি বাঁওড় দখলে নিতে চৌগাছায় আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি মেম্বার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু পরিবারের দু’জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তেরজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর আগে সদর উপজেলার বুকভরা ও শার্শার বাহাদুরপুর গ্রামে আরও দুটি নির্যাতনের ঘটনায় ১১৬টি হিন্দু পরিবার জিম্মি ও ৩১টি পরিবার দেশ ছাড়া হয়েছেন। এমন অভিযোগ নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর। প্রত্যেকটি ঘটনার পর গণমাধ্যম সোচ্চার হলেও শেষ পর্যন্ত ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যায় অভিযুক্তরা। এতে হিন্দুপল্লীতে আতংক বিরাজ করছে। জানা গেছে, ১ জুলাই চৌগাছায় আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি মেম্বার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে বল্লভপুর বাঁওড় অফিস থেকে দু’জনকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আহতরা হলেন- বল্লভপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি ও নিমাই বিশ্বাসের ছেলে কার্তিক বিশ্বাস এবং সমিতির সম্পাদক ও বল্লভপুর গ্রামের হরিপদ রায়ের ছেলে সরজিত রায়।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কার্তিক বিশ্বাস শনিবার সকালে বলেন, ‘বল্লভপুর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নামে আমরা জেলা প্রশাসন থেকে বাঁওড় তিন বছরের জন্য ইজারা নিয়েছি। বুধবার মাছের পোনা ছাড়ার (অবমুক্ত) জন্য এক গাড়ি মাছ নিয়ে বাঁওড়ে যাই।’ এ সময় সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বর সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে তোতা মিয়া, আইজেল হক, মোহাম্মদ আলী বাটুল, হাসেম আলী, আবদুল মাজিদ, আরশাদ আলী, আব্দার, সরজেদ, আবদুল খালেক, আলমগীর হোসেন, সাহাঙ্গীর আলমসহ একদল দুর্বৃত্ত বাঁওড়ের অফিসে হামলা চালায়।তিনি বলেন, ‘এ সময় তারা সরজিতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও আমাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত অবস্থায় আমাদেরকে মেম্বারের বাড়িতে আটকে রেখে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে বাঁওড় লিখে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। আমরা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে রাজি না হওয়ায় আরও বেশি নির্যাতন চালানো হয়। পরে পুলিশ আমাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।’এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে চৌগাছা থানায় মামলা হয়েছে। এখনও পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি। উল্টো সন্ত্রাসীদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাঁওড়পারের হিন্দুপরিবারগুলো।এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি যশোর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা জানান, সদর উপজেলার ঝাউদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের মেম্বর আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা ও সবুজের নির্যাতনে চান্দুটিয়া গ্রামের ১১৬টি হিন্দু পরিবার জিম্মি হয়ে পড়েছে। ১৯ ফেব্র”য়ারি বুকভরা বাঁওড়ের ইজারাদার রবিন বিশ্বাস ও সঞ্জয় বিশ্বাসকে ধরে নিয়ে রাস্তার পাশের বাগানে আটকে মারধর করে মেম্বার মোস্তফা ও তার বাহিনী। বাঁওড় দখলে নিতে তারা এ নির্যাতন চালায়। এছাড়া শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান ও তার বাহিনীর অত্যাচারে পাঁচ বছরে শাখারিপোতা গ্রামের ৩১টি হিন্দু পরিবার দেশ ছাড়া হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এখন তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকার আরও ২০০ মানুষ। তার বাহিনীর লোকজন কয়েক মাস আগে শাখারিপোতা গ্রামের রবীন্দ্রনাথকে (রবেন) তুলে নিয়ে যায়। এসময় রবীন্দ্রনাথের স্ত্রী ও মেয়ে তার পায়ে পড়লে নির্যাতন করে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। জন্মাষ্টমীর দিন রবীন্দ্রনাথ তার পরিবারের সবাইকে নিয়ে বেনাপোল পাটবাড়ি মন্দিরে যাওয়ার কথা বলে সবকিছু ফেলে রেখে ভারতে পালিয়ে যায়। শুধু রবীন্দ্রনাথই নয় তার মতো নির্যাতনের শিকার পরিতোষ দাস, গোপীনাথ দাস, গদাই দাস, শীতল পাত্র, রেপকী দাস, সাধন কুমার, সোনাচাঁদ, মনোহর বিশ্বাস, খিতিব চন্দ্র, দুলাল, কানাইসহ ৩১ পরিবার দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, মফিজুর রহমান ও তার বাহিনীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কথা লিখে প্রধানমন্ত্রী, পুলিশের আইজিপি, ডিআইজি, র্যাব সদর দফতর ও পুলিশ সুপার বরাবর পাঠানো হয়েছে। কিন্তু প্রতিকার হয়নি। যশোর জেলা সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি প্রসেনজিৎ ঠাকুর বলেন, ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা প্রতিনিয়ত হামলা-দখল করছে। ভয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘটনাগুলো ধাপাচাপা পড়ে যায়। যে ঘটনাগুলো গণমাধ্যমে আসে সেগুলোও থমকে যায় ক্ষমতাসীনদের চাপে। ফলে আপসের নামে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষগুলো।
http://thebdtimes24.com/যশোরে-আওয়ামী-লীগ-নেতাদের#.VZtz9dBxVzR
পাক সার জমিন সাদ বাদ --হুমায়ন আজাদ
"পাক সার জমিন সাদ বাদ" --হুমায়ন আজাদ (পর্ব ১)
----------------------------------------------------------
আমরা ইছলামি জিহাদে বিশ্বাস করি। সব মুছলমানের জন্য এটা ফরজ।
আমরা বিশ্বাস করি যতদিন না পৃথিবীর সমস্ত কাফের ইছলামে ইমান আনবে, ততদিন আমাদের জিহাদ চালিয়ে যেতে হবে; জিহাদ পরম রহমানির রহিম আল্লার নির্দেশ, তা আমরা হরফে হরফে পালন করব; নিজেদের বুকের খুন দিয়ে, কাফেরদের বুকের খুন নিয়ে। আমরা কোনো ভন্ডামোতে বিশ্বাস করি না; ভন্ডামো হচ্ছে নাছারাদের, মালাউনদের ধর্ম ও কর্ম; তবে অনেক ভন্ড আছে, যারা মুসলমানের ছদ্মবেশ পরে আছে, তারা মহান আল্লার বানীর ব্যাখ্যা দেয় শয়তানের মত,-- তারা শয়তান, তারা শয়তানের ছহবতে উতপন্ন ; তারা বলে, ইছলামে আর গনতন্ত্রে কোনো বিরোধ নাই। যারা একথা বলে তারা কাফের, তারা মুর্তাদ। ইছলাম হচ্ছে আল্লার, গনতন্ত্র সমাজতন্ত্র নামের খানকিবৃত্তি হচ্ছে কাফেরদের,নাছারাদের, ইহুদিদের,খ্রীস্টানদের; কাফেরদের ধ্বংস করা হচ্ছে রাহমানির রহিম আল্লাতালার অকাট্য নির্দেশ। ধ্বংস করতে হবে নিরন্তর, নিদ্রাহীন,বিরামহীন জেহাদের মাধ্যমে। আল্লা-রছুলের বানী সঠিক বুঝেছিলেন হজরত আবু আলা মওদুদি ও আয়াতুল্লা খোমেনি, বেহেশতে তারা শ্রেস্ট স্থান পাবেন। একসময় আমি সাম্যবাদ ও সর্বহারা করেছি-- নাউজুবিল্লা,-- মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন-ট্রটস্কি-স্ট্যালিন-মাওসেতুং নামের কতকগুলি ইবলিশ,শয়তান,ডেভিলের,মেফিস্তোর বই পড়েছি; মনে করেছি শ্রেনী সংগ্রামই আসল কথা,সর্বহারার একনায়কতন্ত্র স্থাপনই ইতিহাসের বিজ্ঞান-- নাউজুবিল্লা; তারপর পাক ইছলামের পবিত্র কিতাবগুলো পড়ে বুঝতে পারি আমি কাফের হয়ে গিয়েছিলাম, মুর্তাদ হয়ে গিয়েছিলাম,চরম ভুল পথে চলে গিয়েছিলাম। এই বইগুলো পড়া সহজ বোঝাও সহজ; কোনো কচাকচি নেই, আছে চরম সত্য, আছে চরম নির্দেশ; আমি তাওবা করে ইছলামে ফিরে আসি, যেমন ফিরে এসেছেন আমার অনেক নেতা, প্রায় সব নেতা, যারা সাম্যবাদের জন্য নিজেদের কোরবানি করেছিলেন, এখন তারা অন্যরকমে বলি হয়ে গেছেন। ওই কুফরি থেকে আমাকে উদ্ধার করে ' জামাঈ জিহাদে ইছলাম পার্টি '। হজরত আবু আলা মাওদুদি ও আয়াতুল্লা রুহুল্লা খোমেনির কিতাব পড়ে আমি বুঝতে পারি খাটি ইছলামকে; আমার দিল বদলে যায়, আমি পাক হয়ে উঠি, জিহাদি হয়ে উঠি।।
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত
বাংলাদেশে ভারতীয় সঙ্গীতকে কলারটিউন রাখা চলবে না এমনই রায় দিয়েছে বাংলাদেশের হাইকোর্ট । বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তর প্রতিবাদ করছে ভারতবাসীরা । ভারতবাসীরা যেহেতু দাবী তুলছে তাহলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীত বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত থাকবে কেন? এই প্রশ্নের জবাব হিসাবে বাংলাদেশ হাইকোর্ট "টুনির মা" সঙ্গীতকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষনা করতে চলেছে খুব শ্রীঘ্রই ।
Subscribe to:
Posts (Atom)