Monday, 13 July 2015

প্রতিটি হিন্দু প্রত্যেকে পরস্পরের বন্ধু

জয়শ্রীরাম।সমাজের প্রতিটি হিন্দু প্রত্যেকে পরস্পরের বন্ধু।আমরা হিন্দু সমাজের বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।হয়ত আমাদের মধ্যে অনেকেরই বিভিন্ন কারনে অনেক সময় বন্ধুত্ব থাকে না।পারিবারিক বা বিভিন্ন অর্থ-সম্পদের কারনে অনেক হিন্দুই আবার হিন্দুর শত্রু।এটা হতেই পারে।কিন্তু কাজ করে যাচ্ছি সমাজে হিন্দুদের মধ্যে এই বিভেদটাকে দূর করে সঙ্ঘবদ্ধ শক্তিশালী ভারতীয় সমাজ গড়ে তুলতে যেখানে কোন হিন্দু যদি বিপদে পড়ে ভিনজাতির হাতে তবে তার ঘোর শত্রুও যেন সব শত্রুতা ভুলে অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও নিজ হিন্দু সমাজের জন্য লাঠি ধরতে পারে।গুজরাটে যদি কোন হিন্দু আক্রান্ত হয় বাংলার হিন্দুরা লাঠি ধরবে আবার বাংলার হিন্দু যদি আক্রান্ত হয় গুজরাটের হিন্দুরা গর্জে উঠবে।এভাবে দেশের প্রতিটি রাজ্য পূর্ব থেকে পশ্চিম,উত্তর থেকে দক্ষিণ সব এক হিন্দুত্ববাদের ডাকে সাড়া দিবে।শুধুই ভারত নয়,ভারতের বাইরেও এই হিন্দু ব্রাদারহুড যেদিন ছড়িয়ে পড়বে সেদিন ভারত তো মহাপরাক্রমশালী হবেই সঙ্গে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের হিন্দু মাথা উচূ করে গর্বের সাথে বলবে-আমি হিন্দু।আর ঠিক এটাই ভারত মাতার অখন্ডতা রক্ষার একমাত্র চাবিকাঠি।এটা ছাড়া ভারতীয় সমাজ পাকিস্তানি সমাজে পরিণত হওয়ার দিকে ধাবিত হবে। ভারতীয় হিন্দু সমাজকে এক করা যেমন আমাদের পবিত্র দায়িত্ব মনে করি ঠিক তেমনি এ সমাজে জোকের মত এঁটে থাকা হিন্দুর শত্রুদের চিনিয়ে দেওয়ায় আমাদের পবিত্র কর্তব্য জ্ঞান করি।তাই- যে মুমিন বান্দারা বাটি চালান দিয়ে দুই চারটা শান্তির হাদিস আর কোরানের আয়াত উপস্থাপন করছে,তার চেয়ে ঢের বেশি পাওয়া যায় ভায়োলেন্ট আয়াত ও হাদিস।এই যে ধরেন,অমুসলিমদেরসাথে কিরকম ব্যবহার করতে হবে,তার পরিষ্কার উল্লেখ কোরানে আছে– মুমিনগণ যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কোনো অমুসলিম/কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে।যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না(কূরান-৩:২৮)। এখন কেউ যদি উপরের এই আয়াতের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অমুসলিমদের বন্ধু হিসেবে না গ্রহণ করেন তাইলে কাকে দোষ দেয়া যায়,বলেন তো? কিংবা কি বলবেন,কেউ যদি সুরা আল বাকারা থেকে আয়াত তুলে দেখায়–তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরজ করা হয়েছে,অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়।পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোনো একটা বিষয় পছন্দসই নয়,অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর(কূরান-২:২১৬)। অথবা সুরা আন নিসা থেকে উদ্ধৃত করা যাক–আল্লাহর জন্য যুদ্ধ করতে থাকুন,আপনি নিজের সত্তা ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ের জিম্মাদার নন!আর আপনি অন্য মুসলমানদেরকেও উৎসাহিত করতে থাকুন।শীঘ্রই আল্লাহ কাফেরদের শক্তি-সামর্থ্য খর্ব করে দেবেন।আর আল্লাহ শক্তি-সামর্থ্যের দিক দিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং কঠিন শাস্তিদাতা (৪:৮৪)। যারা কোরান আগাগোড়া পড়েছেন তারা সকলেই জানেন,পবিত্র কোরানের বেশ অনেকটা জুড়েই রয়েছে উত্তেজক নির্দেশাবলী।এবার আপনারাই বলুন-আমি আমার সন্তানকে কিভাবে একজন মুসলমানের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে বলব যারা নিজেরাই সবসময়ই আমাদের শত্রু ভাবে??? [অনেকেই বলবেন তারা আসল মসলমান নয়।আমরা বলব আপনি ভুল।তারাই নকল মসলমান যারা হিন্দু দের বন্ধু ভাবে।কারন কূরান যে মানে সে মসলমান কখনো হিন্দুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে পারে না।] ‪#‎ RSS‬

No comments:

Post a Comment