একটু আগে কাকভেজা হয়ে বাড়ী ফিরলাম । এই দুর্যোগের মাঝেই দেখছি শুশুনিয়ার ঝরনার জল কাঁধে নিয়ে অনেক ভক্ত গেরুয়া পোশাক পরে 'হর হর মহাদেব' ধ্বনি দিয়ে মসজিদ কাঁপিয়ে যাচ্ছে,বাদ যায়নি মেয়ে রাও । এই দুর্যোগে ভিজে যারা পায়ে হেঁটে শিবের মাথায় জল ঢালতে যাচ্ছে তাদের ভেতর অর্ধেক হিন্দুত্ববাদী আর অর্ধেক সুপ্ত হিন্দুত্ববাদী । আজকে তারা হিন্দুত্ববাদীদের সংস্পর্শে এসে সাম্প্রদায়িক ভেবেছে নিজেদের । এই মুহুর্তে যদি হিন্দু সংগঠন গুলো শিব মন্দির গুলিতে ক্যাম্প করে হিন্দুত্ববাদ প্রচার করে তাহলে মনে হয় ধর্মনিরপেক্ষদেরবিনাশ হবে এবং হিন্দুত্ববাদ জাগ্রত হবে । এই ব্যাপারটা একবার মাঠে চেষ্টা করে দেখি ফলাফল কি হয় । এখনও তিনটে রবিবার বাকি আছে বাঁকুড়ার এক্তেশ্বর শিব মন্দিরের কাছে যদি কোন অনুষ্ঠান করতে পারি । লিফলেট তৈরী করে গো হত্যা বন্ধ,লাভ জিহাদ,জনসংখ্যা বৃদ্ধি এগুলো নিয়ে প্রচার করব ভাবছি । রথ দেখা কলাবেচা দুটোই হবে ।
No comments:
Post a Comment