Sunday, 12 July 2015

Rss সঙ্ঘের আদর্শে দীক্ষিত মানুষেরা সৎ ও সাহসী হয়

সঙ্ঘ মানুষের মত মানুষ তৈরী করে,সঙ্ঘের আদর্শে দীক্ষিত মানুষেরা সৎ ও সাহসী হয়,সঙ্ঘের মানুষের সংগঠন গড়তে জানে এর হাজারো প্রমান রয়েছে । একজন ক্ষুদ্র চা-ওয়ালাকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসাতে সক্ষম সঙ্ঘ । একজন ক্ষুদ্র সংয়সেবক হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্ঘ প্রধানকে একটা প্রশ্ন- আজ বহু বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের বুকে সঙ্ঘের শাখাতে ভারতমাতার পুজো করে সঙ্ঘের আদর্শে দীক্ষিত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ তার মধ্যে একজনও কি রাজ্য বিজেপির সভাপতি হওয়ার যোগ্য নয়? যে একজন সেকুলার বামপন্থীকে রাজ্য সভাপতি করার সম্মতি দিলেন আপনারা । যদি এই সিদ্ধান্ত আপনাদের সঠিক বলে মনে হয় তাহলে আমাদের কে হিন্দুরাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কেন? কেনই বা বলেছিলেন শাখা মানুষ তৈরীর কারখানা । তাহলে এতবছর ধরে রাজ্য চালানোর একজন মানুষ তৈরী করতে কি আপনারা ব্যার্থ হলেন? আপনাদের উওরের আশায় থাকলাম ।

গাভীর বাচ্ছা প্রস্রব ঐক্য পরিষদের বিবৃতি:

মন্ত্রীর হিন্দু বাড়ী দখলের নিন্দা-প্রতিবাদ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ রাইটস ওয়াচ ইন্টারন্যাশানাল, বাংলাদেশ মাইনরিটি ফোরাম, ও বাংলাদেশ হিন্দু ফোরাম এবং আরো কিছু সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে প্রবাস কল্যাণমন্ত্রী মোশারফ হোসেন তার পাশের হিন্দু বাড়িটি জোর করে দখল করে নিয়েছেন বলে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও ইন্টারনেটে প্রকাশিত একটি খবরে গভীর দু:খ প্রকাশ করে এব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, মোশারফ হোসেন একইভাবে ফরিদপুরে অনেকগুলো হিন্দু বাড়ী জবর দখল করেছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। নেতৃবৃন্দ একই সাথে অভিযোগ করেন, মোশারফ হোসেন ফরিদপুরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। তারা অবরুদ্ধ পরিবারটিকে বাচানোর জন্যে আহবান জানান। উল্লেখ্য, ইন্টারনেট ও কনফারেন্স কলে এসব স্বাক্ষর নেয়া হয়। বাংলাদেশের অনেকে এতে স্বাক্ষর করেছেন, কিন্তু নিরাপত্তার খাতিরে তাদের নামগুলো বাদ দেয়া হয়েছে, কারণ মোশারফ সাহেবের হাত অনেক লম্বা। সামাজিক মাধ্যমে হিন্দু বাড়ী জবরদখলের এই সংবাদ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এবং কানাডার শুধুমাত্র একজনের ফেসবুকে ৫৫০-এর বেশি শেয়ার হয়েছে। এতকিছুর পরও সরকার বা সংশ্লিস্ট মন্ত্রীর পক্ষ থেকে কিছু বলা হচ্ছেনা। অথচ দুইবার এই আবেদন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। এমনকি মন্ত্রী মোশাররফ সাহেবের কাছেও পাঠানো হয়েছে । বিব্র্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, শিতাংশু গুহ, যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদ; তরুণ চৌধুরী, সভাপতি, ইউরোপীয় ঐক্য পরিষদ; উদয়ন বড়ুয়া, সভাপতি, ইউরোপীয় ঐক্য পরিষদ; অরুণ বড়ুয়া, বাংলাদেশ মাইনরিটি ফোরাম, জেনেভা; চিত্রা পাল, হিন্দু ফোরাম, সুইডেন; দিলীপ কর্মকার, ঐক্য পরিষদ, কানাডা; স্বদেশ বড়ুয়া, সভাপতি, ফ্রান্স ঐক্য পরিষদ; ড: সান্তায়ন কবিরাজ, বাংলাদেশ রাইটস ওয়াচ ইন্টারন্যাশানাল, লন্ডন; ড: মোহিত রয়, ক্যাম্ব, কলকাতা; রবিন গুহ, রাশিয়া; ডাক্তার রবীন্দ্রনাথ দাশ, মরিশাস; কার্তিক ঘোষ, ইতালী; মৃনাল মজুমদার, জার্মানি; পুস্পিতা গুপ্ত, লন্ডন, তুষার কান্তি সরকার, ফিনল্যান্ড; সুরঞ্জিত গুপ্ত, লোকনাথ মিশন, লন্ডন; প্রবীর মৈত্র, সভাপতি, অস্ট্রেলিয়ান ফোরাম ফর মায়নরিটিজ ইন বাংলাদেশ; মানস রয়, ক্যালিফোর্নিয়া;পবিত্র চৌধুরী, নিউইয়র্ক; সুভাষ রায়, নয়াদিল্লী; কবিতা চাকমা, অস্ট্রেলিয়া, শশাঙ্ক দাশগুপ্ত, আমেরিকা, শিবাজী রায় ও ভবানী কাশ্যপ, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইট কাউন্সিল ওয়ার্ল্ড চ্যাপ্টার, তুলসী রায়, বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ পরিষদ, ফ্রান্স; দূর্গা ভট্টাচায্য, আমেরিকা; যয়েল কর্মকার প্রমুখ। খবরটি নিন্মরূপ: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই পরিবারটিকে বাঁচান বাড়িটি ফারিদপুরের ঝিলটুলিতে রাজেন্দ্র কলেজ হিন্দু হোস্টেলের বিপরীতে অবস্থিত যা প্রবাস কল্যাণমন্ত্রী মোশারফ হোসেন-র বাড়ীর সাথে লাগোয়া। ওই বাড়ীটির নাম দয়াময়ী আশ্রম যা ভাজনডাঙার জমিদার সতিশচন্দ্র গুহ মজুমদার-এর, যিনি রাজন্দ্র কলেজের উদ্যোক্তাদের অন্যতম। উক্ত জমিদার পরিবারের একমাত্র সদস্য অরুণ গুহ মজুমদারের পরিবার এবং একমাত্র মেয়ে তুলি মজুমদার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছে। অরুণবাবু-মোশারফরা বাল্যবন্ধু! বাড়িটি বর্তমানে অর্পিত সম্পত্তি, যা অনেক আগেই মোশারফ সাহেব নিজেই করিয়ে রেখেছিলেন। বর্তমান অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যাবর্তন আইন আংশিক কার্যকর হবার কারণে বাড়িটি আরুন বাবু পেতে যাচ্ছেন। বাড়িটি প্রায় ৩ একর জায়গা জুড়ে যার বর্তমান দাম কয়েক কোটি টাকা, যাতে একটি দ্বিতল পুরাতন ভবন আর একটি পুরান মন্দির রয়েছে। গত ক’দিন আগে মোশারফ হোসেন-র উকিল অরুণ বাবুর কাছ থেকে জোর করে মোশারফ সাহেবের নামে করা একটা বায়নানামা দলিলে সাক্ষর করিয়ে নেয়, আদালত প্রাঙ্গনেই এবং সবার সামনে, কেউ কিছু বলার সাহস পায়নি। গত ১৩ এপ্রিল সকালে মোশারফ সাহেব নিজে তার দলবল নিয়ে এসে আরুনবাবু কে বাড়ি ছেড়ে যেতে বললে সে অনেক কান্নকাটি করে কিন্তু তাতে কাজ হয়না। মোশারফ হোসেন অরুণ বাবুর পরিবারের সবাইকে জোর করে তারই এক বাড়িতে রাখেন, অভিযোগ রয়েছে, ঐ বাড়িটিও তিনি ক’দিন আগে দখল করে নিয়েছেন আর এক হিন্দুর কাছ থেকে। অরুণ বাবুকে বাড়ি থেকে বের করার সময় তার সামনে মোশারফ সাহেবের লোকজন মন্দিরটি ভেঙ্গে ফেলে। অরুন গুহবাবুর পরিবারটি-কে মোশারফ হোসেন ফরিদপুরের ভাজন্দাঙ্গার এক বাড়িতে গৃহ বন্দী করে রেখে তার নিজের গুন্ডা পাণ্ডা দিয়ে ঘিরে রেখেছেন, এমনকি ফোনেও কথা বলতে গেলে তার লোক এসে দাড়িয়ে থেকে কার সাথে কি বলছে টা মনিটরিং করছে। ওনার বয়স্ক মেয়েটাকেও বের হতে দিচ্ছে না , মোশারফ সাহেব কি করতে চাইছে তা স্পস্ট নয়। সম্ভবত: বাড়িটির আইনি প্রক্রিয়ার জন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে। এরপর অরুণবাবুর কি হবে তা কেউ জানেনা। মোশারফ সাহেব সম্ভবত বলতে চাইবে আরুনবাবু তার কাছে বাড়ি বিক্রি করে চলে গেছেন। অরুনবাবু কারো কাছ থেকে কোন টাকা নেননি। যখন আরুন বাবু কান্না কাটি করে বাড়ি ছাড়তে চাইছিল না তখন মোশারফ সাহেব বলেছিলেন, আমাকে যত ভাল মনে কর আমি তত ভাল না।

বাংলাদেশের নাগরিক হতে রাজি নন ছিটমহলের বাসিন্দারা- সময়ের কন্ঠস্বর | সময়ের কন্ঠস্বর

‘বাংলাদেশের নাগরিক হতে রাজি নন ছিটমহলের বাসিন্দারা’ বাংলাদেশের নাগরিক হতে রাজি নন ছিটমহলের বাসিন্দারা। সম্প্রতি ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থিত বাংলাদেশি ছিটমহলের ১৪ হাজার ২১৫ জন সরাসরি এই মত জানিয়েছেন। ‘পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশে’র চেয়ে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচিত হতে চান তারা। আজ এই খবর দিয়েছে ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া গ্রুপের বাংলা দৈনিক এই সময়। মঙ্গলবার ছিটমহলের বাসিন্দারা কোন দেশের নাগরিক হতে ইচ্ছুক, তা জানতে শিবিরের আয়োজন করে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ গণনাকারী কমিটি। পুয়াতুরকোঠির ওই শিবিরে হাজিরা দেওয়া একজন বাসিন্দাও বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডে ফিরতে রাজি নন বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দা ২২৩টি পরিবারের মোট ১০৫৭ জন সদস্যও মূল ভারতীয় ভূখণ্ডে পাকাপাকি বসবাস করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন। যৌথ সমন্বয় কমিটির আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ছিটমহলের ভারতীয় অংশে বর্তমানে ৩৭,৩৬৯ জন বাসিন্দা রয়েছেন। এই তথ্য মিলেছে ২০১৪-১৫ সালের সমীক্ষায়। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ছিটমহলের সর্বশেষ জনগণনার পর ফের গত ৬ জুলাই থেকে নতুন গণনা শুরু হয়েছে। সোমবার ১৭ শতাংশ এবং মঙ্গলবার ১৫ শতাংশ মানুষ তাদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। দুই দেশের কর্মকর্তাদের সামনে তারা সকলেই ভারতে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু কী কারণে বাংলাদেশে বসবাসের প্রতি এই অনীহা? ছিটমহলের বাসিন্দারা সাফ জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশের চেয়ে ভারতীয় নাগরিক হওয়া লাভজনক। তাই আগামী প্রজন্মের কথা ভেবে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া ভারতীয়দের সঙ্গে বিবাহ-বন্ধনে বাঁধা পড়ার পর নিজেদের ভারতীয় ভাবতেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন তারা। ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির কর্তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরেই ভারতীয় পরিচয় পাওয়ার দাবি জানিয়ে এসেছিলেন ছিটমহলের বাসিন্দারা। প্রসঙ্গত, ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত ভারতের অভ্যন্তরে ৫১টি বাংলাদেশি ছিটমহল এবং বাংলাদেশি ভূখণ্ডে অবস্থিত ১১১টি ছিটমহলে চূড়ান্ত জনগণনার কাজ চলবে। ভারত-বাংলাদেশ সরকারের যৌথ প্রতিনিধি দল জনগণনা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি কে কোন দেশের নাগরিক হিসাবে থাকতে চাইছেন, সেই সিদ্ধান্তেও সিলমোহর দেবে। অর্থাৎ এই ১০ দিনের শিবিরের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে বাংলাদেশি ছিটমহলের ১৪,২১৫ জন এবং ভারতীয় ছিটমহলের ৩৭,৩৬৯ জন বাসিন্দার মনোভাব জানা সম্ভব হবে। চূড়ান্ত তালিকা অনুসারে বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে দুই দেশের প্রশাসন। জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলার দিনহাটা, মাথাভাঙা এবং মেখলিগঞ্জের তিনটি অস্থায়ী শিবিরে বাংলাদেশ থেকে আসা ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দাদের রাখা হবে। প্রত্যেক পরিবারকে দুই বছরের জন্য ২০০ বর্গফিট জমিতে টিনের চালাযুক্ত বাড়ি দেওয়া হবে। ঠিক হয়েছে, ৩টি সীমান্ত দিয়ে ছিটমহলের বাসিন্দাদের ভারতে আনা হবে। সীমান্তে তাদের বায়োমেট্রিক ব্যবস্থায় ছবি, আঙুলের ছাপ নথিভুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে টিকাকরণের কাজও সম্পন্ন হবে। কোচবিহারের জেলাশাসক পি উলাগানাথন জানিয়েছেন, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ে ইচ্ছুকদের পাকাপাকি চলে আসতে হবে। ৩১ জুলাই মধ্যরাত থেকে ভারত ও বাংলাদেশে কোনো ছিটের অস্তিত্ব থাকবে না। http://www.somoyerkonthosor.com/news/259152

United Hindu বিশ্বের হিন্দু এক হও

বিশ্বের হিন্দু এক হও পৃথিবীর. সকল. হিন্দুর কাছে এক নগন্য হিন্দু সন্যাসীর এই আবেদন। কোনও আন্দোলনের স্লোগান নয় ,কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত আবেদন নয়। শুধু লক্ষ লক্ষ সম্প্রদায়ে বিভক্ত হিন্দুদের পরস্পরের মধ্যে বিদ্যমান সংকীর্ণতার গণ্ডী ভেঙ্গে প্রসারতার দিকে অগ্রসর হবার জন্য সস্নেহ আহ্বান। মতুয়ার বুদ্ধি বা সংকীর্ণ গণ্ডীবদ্ধ ধ্যানধারণা হিন্দু নামে পরিচিত এই মহাজাতিকে বহুধা বিভক্ত করে রেখেছে। বিভক্ত থাকার ফলে দূর্বল হয়েছে জাতীয়তা,বিপন্নহয়েছে আত্মপরিচয়,এমনকি অবলুপ্তির পথে এগিয়ে চলেছে সমগ্র হিন্দু সমাজ।আধ্যাত্মিক জগতে ঐক্যভূমিনির্মাণ ব্যতিত হিন্দুগণ উপলব্ধি করতে পারবে না পূর্ণতার আনন্দ ,ভূমার আনন্দ ,নিশ্চিত নির্ভরতার আনন্দ। যে জাতি আত্মপরিচয়,নিরাপ ত্তা এবং অস্তিতই বিপন্ন,তার অন্তরে পরমানন্দ স্ফূর্ত হবে কেমন করে, কেমন ক‘রে সে বিশ্ববাসীকে দেখাবে শ্বাশত. শান্তির আপন? আর্যজনোচিত সমন্নুত দিব্যজীবন লাভ ক‘রে সেই দিব্যজীবনের আপন বিশ্ববাসীকে দেখাবার জন্য হিন্দুজাতিকে উঠে দাঁড়াতে হবে আত্মপ্রত্যয়ের শক্ত মাটিতে। পরস্পর কলহে রত,গণ্ডীতে আবদ্ধ জীবন নিশ্চয়ই হিন্দুর পক্ষে মহনীয় অন,বরণীয় নয়।পরন্তু পরস্পরের প্রতি,শ্রদ্ধা,সহানুভূতিযুক্ত ধর্মনিষ্ঠজীবন,উদারতার সংঙ্গে সংহতির প্রকাশ এবং নিজের ব্যক্তিগত অস্তিত্বের. সঙ্গে স্বদেশ-স্বজাতির অস্তিত্বকে অক ক‘রে অনুভব করা, নিশ্চয়ই হিন্দুর পক্ষে মহনীয়ও বরণীয়।তাই এক নগণ্য হিন্দুর ব্যাথা ভরা অন্তরের অন্তস্তল থেকে উঠেছে এই সাদর আহ্বান-‘বিশ্বেরহিন্দু এক হও‘ । হিন্দুধর্মের সব মতপথের মুখ্য উদ্দেশ্য ব্রহ্মোপলব্ধি বা ঈশ্বরলাভ। ব্রহ্ম,পরমাত্মা,ভগবান,ঈশ্বর কিংবা আদ্যাশক্তিস্বরু পা চিন্ময়ী জননী সবই সেই ভুমার স্বরুপ।এইভূমাই পরম আনন্দ ।এর কমে পূর্ণানন্দ নেই। ‘ভূমৈব সখম্ নাল্পে সুখমস্তি‘-ঋষিদের শাশ্বত বাণী।শ্রী ঠাকুর সদ্যানন্দ বললেন-‘‘পশু সিদ্ধি বর্তমানকে নিয়ে ,মানবের সিদ্ধি বর্তমানকে অতিক্রম ক‘রে, অতি মানবের দৃষ্টি অতি প্রসারিত,ব্রহ্মভ্ঘের দৃষ্টি -সিদ্ধ ভূমাতে,অ-সীমাতে।তাই প্রসারতা ব্রহ্মগেয়ানের সহায়। হিন্দু সন্নসী স্বামীবিবেকানন্দ অনুভব করেছিলেন এপ্রসারতার চরম অবস্থা।বলেছিলেন-‘হরিভাই,ঈশ্বর লাভ বলতে কিবুঝায় জানিনা , তবেআমার বুকটা বড় হয়ে গেছে। সারা বিশ্বকে বুকে জড়িয় ধরতে ইচ্ছে করছে। সমস্তসংকীর্ণতারঊর্ধ্বে না উঠলে এ অবস্থা হয় না, আত্মকেন্দ্রিকতার সমস্ত গণ্ডী না ভাঙলে এই উদারতা আসেনা , সর্বভূতে বাসুদেব দর্শন না হ‘লে এই দুর্লভ অভিঙ্ঘতা হয় না। বাসুদেব সর্বমিতি স মহাত্মা সুদুর্লভ:‘

মিত্রগণ,প্রথমেইঅনুরোধ রইল-পোস্টটি দেখামাত্রই নিজ দায়িত্বে প্রচুর শেয়ার করবেন

মিত্রগণ,প্রথমেইঅনুরোধ রইল-পোস্টটি দেখামাত্রই নিজ দায়িত্বে প্রচুর শেয়ার করবেন।মসলমান ভাইরা কষ্ট পেলে কিছু করার নেই।আমরা sorry!এটা শুধুই হিন্দুদের মাঝে সত্যকে ছড়িয়ে দিয়ে পাপ কাজ থেকে সতর্ক করার প্রচেষ্টা। ছবিতে একটি শ্লোক আছে পবিত্র গীতা থেকে।ভগবান গীতার ৩য় অধ্যায়ের ৩৫ নং শ্লোকে স্পষ্ট বলে দিয়েছেন-বিধর্মীদের অনুষ্ঠান বা উৎসব করা পাপ।তার থেকে নিজের ধর্মই শ্রেয়।এ শ্লোক যদি আপনারা একটু গভীরভাবে বিশ্লষণ করেন তবে দেখবনেন-ভগবান সেইসময়ই একটা জিনিস স্পষ্ট করেছিলেন যে,এ যুগে হিন্দু বাদেও আরও কিছু নষ্ট ধর্ম আসবে যা ধার্মিকদের ভুল পথে পরিচালিত করবে।আজ আমরা এর সত্যতা দেখতে পাচ্ছি।ইসলাম,খ্রিস্টানসহ নানা ভ্রান্ত ধর্ম মতবাদ এসেছে।ভগবান তাই এ যুগে হিন্দুদের ঐসব ভ্রান্ত নষ্ট শয়তানি মতবাদ থেকে দূরে রাখতে এ শ্লোকটি বর্ণনা করেছিলেন পবিত্র গীতায়। আমার এতসময়ের ব্যাখ্যার কারন একটাই,আর কদিন পড়েই মসলমানদের ঈদ।দেখাযাবে অনেক হিন্দু না বুঝেই তার মসলমান বন্ধুর(যদিও কোরানমতে হিন্দু কখনো মসলমানের বন্ধু নয়,জাস্ট কাফের!) সাথে ঈদের উৎসবে মাতবে,তাদের বাড়িতে খাবে।এসব মহাপাপ একজন হিন্দুর জন্য।এসব করলে সে আর হিন্দু থাকবে না।তাই পবিত্র গীতার আলোকে মসলমানদের ঈদ আসার আগেই সব হিন্দুদের এ বিষয়ে সতর্ক করার জন্যই এ পোস্ট।নিজেকে গর্বিত হিন্দু ভাবলে আর ভগবানের পবিত্র গীতায় বিশ্বাস করলে-কোন হিন্দু মসলমানদের ঈদের অনুষ্ঠানে যাবেন না। ধন্যবাদ। হরেকৃষ্ণ। [সবাই শেয়ার করুন পোস্টটি।হিন্দুদের পাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে সতর্ক করুন।] হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়। ‪#RSS

According to Media

মিডিয়ায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে বঙ্গ বিজেপির পরবর্তী সভানেত্রী হিসাবে রুপা গাঙ্গুলীকে মেনে নিতে এই রাজ্যের আরএসএসের কোনো আপত্তি নেই। এই রিপোর্ট সত্যি না মিথ্যা সেটা সময়ই বলবে তবে এই রিপোর্ট পরে যারা বিজেপি বা আরএসএসের মুন্ডুপাত করছেন, আমি তাদের দলে নই। আমি বরং বিজেপি ও আরএসএসের এই সিদ্ধান্তে খুশীই হয়েছি। ২০১১ জনগণনা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২৭%। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষন স্থির করা সংক্রান্ত মামলায় স্বয়ং রাজ্য সরকার সুপ্রীম কোর্টে হলপনামা দিয়ে বলেছিল যে রাজ্যের এক তৃতীয়াংশ লোকের ভাবাবেগকে আহত করে রমজান মাসের সময় ভোট নেয়া সমীচীন হবে না। এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৩৩%। তারমানে ২০১১ থেকে ২০১৩ - এই দুই বছরের মধ্যে রাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যার হার বেড়েছে প্রায় ৬% অর্থাৎ ফি বছর ৩% হারে। এই অনুপাতে, আজ রাজ্যে মুসলিম জনসংখ্যার হার প্রায় ৪০ শতাংশের কাছাকাছি, তাই নয় কি? এমতাবস্থায়, এই রাজ্য মুসলিমবহুল হতে আর মাত্র তিন থেকে চার বছর বাকি। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের আরএসএস ও বিজেপি যে গুজরাট দাঙ্গার মুখ কুতুবুদ্দিনের হাতে রাখী বেঁধে দেয়া রুপা গাঙ্গুলীকেই দলীয় মুখ হিসাবে তুলে ধরবে এটাই তো স্বাভাবিক। মাসখানেক আগে আরএসএসের পক্ষ থেকে মুসলিমদের বাড়ি বাড়ি চিঠি পাঠিয়ে আরএসএসে সম্পর্কে তাদের ধারণা বদলানোর যে কর্মসূচি নেয়া হয়েছিল সেটাও তো আগামী দিনের পরিস্থিতির কথা ভেবেই। এই কারণেই রুপা গাঙ্গুলীকে গত ১০ই জুলাই টুকটুকি মন্ডলের উদ্ধারের দাবীতে জন অধিকার মঞ্চ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে যোগদান করার আমন্ত্রণ জানালে তিনি সেটা গ্রহণ করেন না, কারণ টুকটুকির অপহরণকারীর নাম যে বাবুসোনা গাজী। তাই তিনি মল্লিকপুর, কালীগঞ্জ, সমুদ্রগড় বা পঞ্চগ্রাম না গিয়ে ছুটে যান পাড়ুই বা সাত্তোরে। আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি কি হবে সেটা ভেবে বঙ্গ আরএসএস ও বিজেপি যে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে সবার উচিত সেটাকে সাধুবাদ জানানো। টুকটুকি মন্ডল উদ্ধারের মত ছোটখাটো বিষয়ে নিজের সাংগঠনিক ক্ষমতার অপচয় না করার জন্যে আরএসএসের দুরদৃষ্টির প্রশংসা করা উচিত কারণ এই রাজ্যে সেই দিন আর বেশী দূরে নয় যখন প্রতিটা হিন্দু বাড়িতেই টুকটুকির জন্ম হবে।

কথাগুলো অপ্রিয় হলে ও সত্য

কথাগুলো অপ্রিয় হলে ও সত্য<<<<<<<<<<<<<<<<আধুনিক মুসলিমরা নামাজ পড়তে পছন্দ করে¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দুরা পূজা করতে লজ্জাবোধ করে!!! আধুনিক মুসলিমরা রোজা রাখতে পছন্দ করে¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দুরা একাদশী করতে অপছন্দ করে!!!! আধুনিক মুসলিম মেয়েরা বোরখা আর নামাজ পড়তে পছন্দ করে¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দু মেয়েরা বৈদিক পোশাক আর পূজা করতে দ্বিধাবোধ করে!!!! আধুনিক মুসলিমরা তাদের সন্তানকে বাসাতে টাকা দিয়ে হুজুর রেখে কোরান পড়ান¤¤¤¤অপরদিকেআধুনিক হিন্দুরা টাকা তো দূরের কথা বিনা পয়সায় মন্দিরে গিয়ে গীতাও পড়ান না বরং মেয়েকে ভর্তি করান নাচানাচির স্কুলে!!!! আধুনিক মুসলিম মেয়েরা কোরানের কথা শুনলে অনেক শান্তি অনুভব করে ¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দু ছেলে মেয়েরা গীতার কথা শুনলে মনে হয় তাদের গায়ে জ্বর আসে!!!! আধুনিক হুজুররা নিজের ধর্মকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মসজিদে বসে অন্য মোসল্লিকে শিক্ষা দেন কি করে এবং কোন ছলনা প্রয়োগ করে কাফের অর্থাৎ হিন্দুকে মুসলিম বানানো যায়¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক মন্দিরের ব্রাহ্মন পূজারিরা শুধু মায়ের মন্দিরের পাঠা বলি আর প্রণামির বাক্সের উপর নজর ছাড়া হিন্দু অধিকার রক্ষা তো দূরে থাকুক ধর্মান্তরিত হওয়ার পথে চলে যাওয়া হিন্দু মেয়েকে পর্যন্ত বাঁধা দিতে উদাসিন তবে এরা পুরোহিত!!!! আধুনিক মুসলিমদের একজনকে কোন হিন্দু যদি কিছু ভূলেও বলে তবে এরা মসজিদে গিয়ে দল বেঁধে বলে নাওরায়ে তাকবির আল্লাহ ওয়াক বর অর্থাৎ আল্লাহ আমি তোমার নামে কাফের তথা হিন্দু হত্যায় নামছি¤¤¤¤অপরদিকে আধুনিক হিন্দু সমাজে এক হিন্দুকে কোন মুসলিম মারলে অন্য হিন্দু কাপুরুষের মত চুপ করে থাকে আর সমাজ আর মন্দিরের পুরোহিত কর্তা বাবু তো সকলকে মন্দিরে জমায়েত না করে নিজেই মোল্লার গোলাম হয়ে যান!!!! এইভাবে চলতে থাকলে ভীতু হিন্দু ছেলেকে এরিয়ে হিন্দু মেয়েরা মুসলিমকে বিয়ে করবে এটাতো স্বাভাবিক। আর হিন্দুরা মুসলিমদের বলির পাঠা হবে এটাই স্বাভাবিক ।ইস্কন ও প্রযুক্তি তথা ফেইসবুক,ব্লগার ও পেইজ এগুলো যদি উদ্ভাবন না হতো বর্তমানে হিন্দু বলতে যে একটা ধর্ম আছে সেটা দেখতে বোধয় যাদু ঘরে মানুষ জমায়েত হতো !!! আসুন প্রত্যেকে প্রত্যেকর জায়গা থেকে হিন্দুত্ববাদ আর হিন্দু ঐক্য গঠন করি আর যেখানে ও যেই অবস্থায় হিন্দু মেয়েকে ধর্মান্তরিত হতে দেখবেন তাকে ছল বল ও কৌশলে বাঁধা প্রদান করবেন । মনে রাখবেন হিন্দু বাঁচলে দেশ বাঁচবে আর দেশ বাঁচলে ধর্ম বাঁচবে ।