গোধরা দাঙ্গার মূলচক্রী কুতুবউদ্দিনের হাতে রাখী পরিয়ে যে মহিলাটি নরেন্দ্র মোদীকে দাঙ্গাবাজ বলে গালি গালাজ করেছিলেন সেই মহিলাই আজ নাকি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিজেপির রাজ্য সভাপতি হতে চলেছেন সূত্রের খবর । মুসলিম তোষনকারী এই মহিলাটি রাজ্য সভাপতি হলে অচিরেই হারিয়ে যাবে হিন্দুদের ভবিষ্যত । পশ্চিমবঙ্গের সকল হিন্দুত্ববাদী মানুষকে আহ্বান জানাই শিবসেনার সাথে যুক্ত হয়ে বাংলার হিন্দুদের রক্ষা করুন ।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 13 July 2015
Shiv Sena West Bengal
‘কেউ ভিন্নমত পোষণ করলেই নেমে
আসছে খড়গ’
শিবসেনার রাজ়্য কমিটির সদস্য শ্রী
সর্নেন্দু বিশ্বাস বলেছেন, রাজ়্যে
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা না থাকায় দুর্নীতি,
অন্যায় অনাচার ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা
এমন একটি রাজ়্যে বাস করছি যেখানে
জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো সরকার
নেই। গণতন্ত্র আজ মৃত। রাজ়্যের বর্তমান
অবস্থায় সুস্থ রাজনীতি করা সম্ভব নয়। এ
অবস্থা থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে হবে।
এ রাজ়্যে এখন কেউ ভিন্ন মত পোষণ করতে
পারে না। কেউ ভিন্নমত পোষণ করলে
তার ওপর নেমে আসে খড়গ।
আজ কোলকাতায় শিবসেনার এক সভাই
তিনি এসব বলেন।
রাজ়্যে বর্তমান পরিস্থিতিতে সু্স্থ
রাজনীতি করা সম্ভব নয় এমন মন্তব্য করে
শ্রী বিশ্বাস বলেন, শিবসেনা
শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করে।
যে কারণে সরকারের সন্ত্রাসী
কর্মকাণ্ডের জবাব আমরা
শান্তিপূর্ণভাবেই দিচ্ছি এবং দেব।
তিনি বলেন, সরকার কোনো হিন্দুত্ব
মূল্যবোধে বিশ্বাস করে না। তারা
মুসলিম তোষন বিশ্বাস করে। সরকার দলীয়
লোকেরা বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু
ভাইদের অধীকার কেড়ে নিচ্ছে।
তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে
দেখেছি গণতন্ত্র হত্যা করে
সেনাবাহিনী। কিন্তু আমাদের
পশ্চিমবঙ্গ এ গণতন্ত্র হত্যা করেছে
মুসলিম তোষনকারী সর্বভারতীয় তৃণমূল
কংগ্রেসে সরকার। বালাসাহেব ঠাকরের
মতাদর্শ এই মৃত গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত
করবে। বালাসাহেব ঠাকরের নাম এদেশের
প্রতিটি মানুষের হূদয়ে লেখা আছে।
ইতিহাস বদলিয়ে তার নাম মুছে দেয়া
যাবে না।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বর্তমানে রাজ়্যে
এমনিতেই বাক স্বাধীনতা, মানবাধিকার
ও গণতন্ত্র নেই।রাজ়্যের বিভিন্ন স্থানে
হিন্দুদের উপর হামলা করছে সরকারের
লোকজন। ধর্মীয় কাজকর্মও বিঘি্নত হচ্ছে।
অনেকেই বলছেন আমরা হতাশ হয়ে গেছি,
ভয় পেয়েছি। কিন্তু আমরা হতাশ নই।
বরং সরকার এবং হামলাকারীরাই হতাশ।
তাদের অঙ্গভঙ্গিতেই হতাশার প্রমাণ
স্পষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, এমতাবস্থায়
বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে
ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে হবে। মুক্তির
সংগ্রামে অংশ নিতে হবে।
Good News
~~~ সুখবর ~~~
নয় মাস ধর্মান্তরিত অবস্থায় থেকে
এবং প্রতারিত হয়ে ফিরে এসেছে
এক অভাগীনি ও অন্ধ, অসম প্রেমে
নিমজ্জিত মেয়ে.......
প্রাই দের বছর আইনি লড়াই শেষ করে শেষ পর্যন্ত
ডিভোর্স সম্পন্ন করতে পেরেছে।
অন্ধ আবেগে প্রেমের ডাকে বিয়ে
করার জন্য মুসলিম প্রেমিকের হাত ধরে
উঠেছিলো হোটেলে। ছেলে
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো যার যার ধর্ম
সে সে পালন করবে, ধর্ম নিয়ে তার
কোন আপত্তি নেই। মেয়ে উদার মনা
প্রেমিককে বিশ্বাস করে তিন দিন
হোটেলে থাকে। এর পর ছেলে
জানালো তার বাবা মা বিয়েতে
রাজি হচ্ছে না। ইসলাম গ্রহণ না করলে
বিয়ে করা যাবে না। এখন তিন দিন
তিন রাত হোটেলে থেকে এই মেয়ে
ফিরে যাবে কি করে? এই তিন দিন
তিন রাতে ঐ ছেলে দুর্বল মুহূর্তের ছবি
ও তুলে রেখেছিলো !!
শেষ পর্যন্ত বিয়ে করলো ধরমান্তরি
হয়ে। শশুর বাড়িতে গিয়ে দেখে
ছেলের বাবা মোল্লা এবং তিন
বিয়ে !!
প্রথম রাতেই গরুর মাংশ খেতে বাধ্য
করে। খাচ্ছে না এবং প্রতিবাদ
করাতে তিন শাশুড়ি মিলে চুল ধরে
জোর পূর্বক মুখে ঢুকিয়ে দেয়। এর পর
নামাজ পরা শেখানো হয়। নামাজে
ভুল করলে শশুর নিজে মারতো। মোল্লার
ছেলে ৪ মাস খুব আদর যন্ত করেছে। এর পর
শুরু হয়েছিলো অত্যাচার। বিয়ের পর
দিন থেকেই বোরখা ও পর্দার আড়ালে
আবদ্ধ থাকতে হয়েছে।
এখনো যারা অন্ধ আবেগে মোহগ্রস্থ
আছেন এবং যার যার ধর্ম সে সে
মানবে এমন প্রতিজ্ঞায় সম্মতি
দিচ্ছেন। বা ছেলে ধর্ম মানেনা তাই
তাঁকে বিয়ে করতে অসুবিধা নেই
ভাবছেন তাঁরা আরেকবার ভেবে
দেখবেন।
(( কৃপা করে এই নির্যাতিত বোনটির কথা স্মরন করে সকলে সাবধান হোন..... এবং অন্যদের সর্তক করতে শেয়ার করুন.....))
কপিপোষ্ট: কুমার চৌধুরী
হিন্দু ছেলে-মেয়েরা জন্মগত ভাবে শিক্ষা পায় যে সব ধর্ম সমান
হিন্দু ছেলে-মেয়েরা জন্মগত ভাবে শিক্ষা পায় যে সব ধর্ম সমান
আমাদের বাবা-মা' সব সময় আমাদের শিক্ষিত করার চিন্তা ভাবনা করেন
আমরা যেন বড় হয়ে ডাক্তার ,মাস্টার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রফেসার ,বিচারপতি
ইত্যাদি ইত্যাদি হতে পারি
কিন্তু কখন ও কি আমাদের বাবা-মা আমাদের ধর্মীয় শিক্ষা দিয়েছেন ????
ধর্মীয় শিক্ষা না পেলে আমরা এত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে কি করব ????
এখন যদি আমাদের সনাতন ধর্মের ছেলে-মেয়েরা অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়
তাহলে ভুল কাদের ???????
এই ভুলের জন্য কি সনাতন সমাজ দায়ি নয়???
আসুন আমারা এই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে
ঐক্য ,ভ্রাত্রিত্ব , সমৃদ্ধশালি সনাতনী সমাজ গড়ে তুলি
আর সেই লক্ষে কাজ করছে শারদাঞ্জলি ফোরাম বাংলাদেশ
শারদাঞ্জলি ফোরাম বাংলাদেশের সারথি হউন
নিজেকে গর্বিত সনাতনী করে গড়ে তুলুন
জয় শারদাঞ্জলি ফোরাম বাংলাদেশ এর জয়
জয় মানবতার জয়
জয় সনাতনের জয়
প্রচারে
মহাদেব রায়
সহসাংগঠনিক সম্পাদক
কার্যনির্বাহী কমিটি শারদাঞ্জলিফোরামবাংলাদেশ
ভারতের ভবিষ্যত কোনটা?
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি তূর্কিমিনিস্তানসফরে গিয়ে ইসলামি সংস্কৃতির মধ্যে থেকেও কিন্তু দুই হাত তুলে মোনাজাত ধরেননি।বরং তিনি গর্বিত হিন্দু হিসেবে বিরত ছিলেন।
আর অন্যদিকে মমতা বেগম তার সমস্ত মমতা দিয়ে ইফতারে বসে আল্লার দরবারে দুই হাত তুলে সমগ্র মুসলিম জাহানের জন্য দোয়া করলেন!
বাংলার ভবিষ্যত কি তাহলে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের দিকে?যেখানে ওপারে মসলমানরা হাসিনা জিতলে মসজিদে উলূ ধ্বনি হবে বলে সেখানে এপারে মমতা বেগম কোন সেকুলারিজমের দোহাই দিয়ে আল্লার দরবারে হাত তোলে?
না,পশ্চিমবঙ্গকেইসলামী শাসন কায়েম করার জন্য মসলমানের দরকার নাই।এই হিন্দু নামধারীরাই যথেষ্ট।আজ ঠিকই এই জামাতি ইমরান-সিদ্দিকূল্লারা বেগানা নারী মমতা বেগমের সাথে বসে ইফতার করবে।কিন্তু যখনই এরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যাবে তখনই মমতা বেগমরা বেগানা নারী ঘোষিত হবে।মমতা বেগমরা কিন্তু তখন এই সাদা শাড়ি পড়ে আর ইফতারে বসতে পারবে না।তখন কালো বোরখা পড়ে পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীকে দেখা যাবে ইফতারে যেমনটা কিছু দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের সরকারী ওয়েবসাইট 'বাংলার মুখে' বোরখার বিজ্ঞাপন দেখেছেন।ওহ,ভুল বলছি আসলে তখন মমতা বেগমদের দুটো চোখ ছাড়া আর কিছু দেখতে পাবেন না।
তাই বাংলার 75% হিন্দু জনতা এখনই ঠিক করুন ছবির কোন অংশটাকে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যত দেখতে চান?-ত্রিপুরার বাঙালিরা প্রথমটা বেছে নিচ্ছে।পশ্চিমবঙ্গ কোনটা নিবে?
# RSS
হিন্দু সংহতি
‘হিন্দু সংহতি’র মাননীয় প্রেসিডেন্ট হিন্দু নয়নমনি শ্রী তপন কুমার ঘোষ মহাশয়ের মাথার মুকুটে আরও একটি মহার্ঘ পালক সংযোজিত হল।
গত ১১ই জুলাই,২০১৫ পুনের সাভারকার স্মৃতি প্রতিষ্ঠান (Savarkar Memorial Trust) এবং পুনে নগর হিন্দু সভা কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত বিপ্লবী বীরসাভারকারের পুণ্য স্মৃতির উদ্দেশ্যে, পুনের কেশরি ভাদা লোকমান্য সভাগৃহে বিকাল ৫টা থেকে রাত্রি ৯টা পর্যন্ত হিন্দুত্ববিষয়ক একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হল। উক্ত অনুষ্ঠানে ভিড়ে ঠাসা সভাগৃহে সন্মানিত প্রধান অতিথি রূপে শ্রী ঘোষকে “হিন্দু সংগঠক সাভারকার সাহস পুরষ্কারে”(Courage Award) পুরস্কৃত করলেন অনুষ্ঠান কতৃপক্ষ।
হিন্দু সংহতির একজন সমর্থক হিসেবে তাঁর এই বিরল কৃতিত্বে আমরা সকলেই আজ গর্বিত। পাশাপাশি তাঁকে এই অনন্য সম্মানে সম্মানিত করার কারনে, সমগ্র হিন্দু সমাজের পক্ষ থেকে আয়োজক সংস্থাদ্বয়কে জানাই অকুন্ঠ অভিনন্দন।
..... গুণীজনেদের ভিড়ে লোকমান্য সভাগৃহে অনুষ্ঠানটি'র ফিরে দেখা কিছু দুর্লভ মুহূর্ত.....
IS শাসনের কালো থাবা
IS শাসনের কালো থাবার দিকে এগোচ্ছে আমাদের সাধের বাঙালি হিন্দুর হোমগ্রাউন্ড পশ্চিমবঙ্গ।যে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী একজন হিন্দু হয়ে(আসলে নামধারী) মসলমানদের সাথে বসে ঠিক ওদের মত আল্লার দরবারে হাত তুলে কাফের নিধনের জন্য দোয়া করতে পারে বুঝতে হবে সে রাজ্যের অন্ধকার যুগে প্রবেশের বেশি দেরি নেই।ছবির কথাগুলো 100% সত্য।বিশ্বাস না হয় কোন ইমাম বা মৌলবীদের নিকট গিয়ে শুনে আসুন।চ্যালেঞ্জ করছি ভুল প্রমাণ করতে পারবেন না আমাদের।
ছিঃ মমতা বেগম ছিঃ শেষ পর্যন্ত হিন্দুর রক্তে(প্রতীকী) ইফতার করতে বিবেকে বাধল না।এ রাজ্যের 75% জনগোষ্ঠীকে কাফের হিসেবে হত্যা করে আপনি কাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চান???
আপনার এই চক্রান্তকে আমরা ধূলিস্ম্যাৎ করে দেব।
# জয়শ্রীরাম
হিন্দু রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ কি-জয়।
# RSS
Subscribe to:
Posts (Atom)