Saturday, 25 July 2015

বাংলাদেশেহিন্দু বৌদ্ধরা বাস করতে চাইলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে

সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এই খালেদাজিয়া এবং বর্তমানে বাংলাদেশের অধিকাংশ মসলমানের প্রিয় নেত্রী বলেছে-বাংলাদেশেহিন্দু বৌদ্ধরা বাস করতে চাইলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে।তাই আজ আমরা দেখাব এপার বাংলার মমতা বেগম তথা আহমেদ হাসান ইমরানদের দোসর এই মহিলার হিন্দু র রক্ত খাওয়ার ইতিহাস।যদিও হাসিনার আম্লীগও খুব একটা ভালো নয়। "খালেদা জিয়ার কোন হিন্দু বিদ্বেষ নাই??? রসুনের কোয়াগুলো ছড়ানো ছিটানো থাকলেও শিকড় এক জায়গায় থাকে।"২০০১ সালের মাত্র এক সপ্তাহের নিউজ হেডলাইনগুলিদেখেনেই -০১ অক্টোবর, ২০০১-- দৈনিক সংবাদঃ((ক. নলছিটি গ্রামে ০৭ সংখ্যালঘুকে পিটিয়ে আহত। খ.মুন্সীগঞ্জে সংখ্যালঘুদেরউপরসন্ত্রাসী হামলা। গ. কুমিল্লায় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা:দুই সংখ্যালঘু নিহত। ঘ. নরসিংদীতে সংখ্যালুঘদের উপর হামলা:৫০টি বাড়িধ্বংস ও লুটপাট। ঙ.৩৩ জেলায় সংখ্যালঘুরা চাপের মুখে। চ.চট্টগ্রামের রাউজানে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা। দৈনিক জনকন্ঠ- ক.সংখ্যালঘুদের ভোটদানে বাঁধা। খ.চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় সংখ্যালঘুদের ভোটাধিকার হরণ। গ.কুমিল্লায় সংখ্যালঘুদের উপর বোমা হামলায় দুইজন নিহত। ঘ.অধ্যাপক সনৎ কুমারের প্রাণনাশের চেষ্টা। দৈনিক আজকের কাগজ- ক.বানারীপাড়ারসংখ্যালঘুরা বিচ্ছু বাহিনীর হাতে জিম্মি ০২ অক্টোবর,২০০১-- দৈনিক ভোরের কাগজ- ক.ফেনীতে ষাট হাজার সংখ্যালঘু ভোট দিতে পারেনি। দৈনিক জনকন্ঠ: ক. সিলেটে ১৫ টি সংখ্যালঘু পরিবারের ঘরে তালা। ০৩ অক্টোবর,২০০১--- দৈনিক মুক্তকন্ঠ- ক.খুলনায় জামায়াতের মিছিল থেকে মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুর। খ.রাজধানীতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উপর জামাত-শিবিরের হামলা। দৈনিক প্রথম আলো- ক.ভোলায় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা:আতঙ্কে কাটছে দিন-রাত্রি। খ.সংখ্যালঘুদের ভোটদানে বাঁধা। দৈনিক আজকের কাগজ- ক. পিরোজপুরে সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উপর জামাত-শিবিরের হামলা। দৈনিক জনকন্ঠ- ক.পাইকগাছায় তিনটি মন্দিরে হামলা;প্রতিমা ভাঙচুর। ০৪ অক্টোবর,২০০১--- দৈনিক ভোরের কাগজ- ক.ভোলায় চারটি আসনের এক লক্ষ সংখ্যালঘু ভোটার ভোট দিতে পারেনি। খ.নারায়ণগঞ্জে হিন্দু মন্দিরে হামলা। গ.উখিয়ায় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা। দৈনিক আজকের কাগজ- ক.বান্দরবানে বৌদ্ধ মন্দিরে হামলা। খ.যশোরে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা:আহত ০৮ জন। গ.নরসিংদীতে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা। দৈনিক সংবাদ- ক.রাষ্ট্রপতির কাছে জাতীয় হিন্দু পরিষদের আবেদন। খ. মুন্সীগঞ্জ,বাগেরহাট,যশোর, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম,রাজশাহী ও গফরগাঁওয়ে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা করা হয়েছে:আহত ৩৭১ জন। দৈনিক জনকন্ঠ- ক.বরিশালে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা। খ.বান্দরবানে উপজাতিদের উপর হামলা। দৈনিক প্রথম আলো- ক.নৌকায় ভোট দেয়ার কারণে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা। খ.কক্সবাজারে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা। দৈনিক ইত্তেফাক- ক.সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা। ০৫ অক্টোবর,২০০১--- দৈনিক সংবাদ- ক.সংখ্যালঘু ও অন্য দলের উপর হামলাকারীদের গ্রেফ্তার করুন:মান্নান ভূঁইয়া। খ.নির্বাচনোত্তরসন্ত্রাসে সংখ্যালঘু নিহত ০৫,আহত কয়েক শত। গ.বাগেরহাটে সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগ কর্মী-সমর্থকদেরউপর হামলা।নিহত ০২,আহত ১০।আতংকিত মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে। ঘ.নাটোর ও নঁওগায় সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগ কর্মী-সমর্থকদেরউপর হামলা।নিহত ০১,আহত ১০। দৈনিক ইত্তেফাক- ক.খুলনায় সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় মূর্তি ভাঙচুর ও নির্মাতাকে হুমকি প্রদান। দৈনিক জনকন্ঠ- ক.নারায়ণগঞ্জ,বরিশাল, কুমিল্লা,রাজশাহীতে সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগকর্মী-সমর্থকদেরউপর হামলা।আতংকিত মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে। ০৬ অক্টোবর,২০০১---- দৈনিক জনকন্ঠ- ক.সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বন্ধ করো:সর্বস্তরের মানুষের প্রতিবাদ। খ.দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগ কর্মী-সমর্থকরা ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে।পুলিশের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীরা হামলা করছে। গ.উজিরপুরে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা।গণধর্ষণেরপ্রচুর অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। দৈনিক ভোরের কাগজ- ক.সংখ্যালঘু নির্যাতন প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট নাগরিকদের ক্ষোভ প্রকাশ। খ.গাজীপুর, ভোলা ও আশুগঞ্জে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা,সর্বত্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। গ.সাতক্ষীরায় হিন্দু তরুণী ধর্ষিত। ঘ.বাউফলে সংখ্যালঘুদের উপাসনালয়ে হামলা। ঙ.বরিশাল ও স্বরূপকাঠিতে সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগ কর্মী-সমর্থকদেরউপর হামলা। ০৭ অক্টোবর,২০০১-- দৈনিক ইত্তেফাক- ক. চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, সিরাজগঞ্জ,নাটোর, কালিয়াকৈর ও ঝিনাইদহে সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগ কর্মী-সমর্থকদেরউপর হামলা; নিহত ০৪। দৈনিক প্রথম আলো- ক. সারাদেশে সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগ কর্মী-সমর্থকদেরউপর হামলা করা হচ্ছে। খ.সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বন্ধ হোক। গ.কুমিল্লায় সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগ কর্মী- সমর্থকদেরউপর ব্যাপক হামলা। কুমিল্লার গ্রামগুলো হিন্দুশূণ্য হয়ে যাচ্ছে। দৈনিক আজকের কাগজ- ক.ফরিদপুরে সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগ কর্মী-সমর্থকদেরউপর হামলা। দৈনিক যুগান্তর- ক. সংখ্যালঘু ও আওয়ামীলীগ কর্মী-সমর্থকরা আতঙ্কে। ০৫ জেলায় নিহত ০৫। দৈনিক জনকন্ঠ- ক. সংখ্যালঘুদের উপর হামলা:নিহত আরো ০৮ জন। খ.পিরোজপুর(সাঈদীর এলাকা) সংখ্যালঘু ও আওয়ামী সমর্থকদের জন্য মৃত্যুপুরী। সবই তো দেখলেন।এবার আপনারাই মন্তব্য করুন।আর লিখতে পারছি না!কলম থেমে যাচ্ছে হিন্দুর কান্না দেখে। [শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন বাংলাদেশি মসলমানদের এই হিন্দু প্রীতির কথা!] ‪#‎ RSS

ভারতে কমরেড কাদের বলে?

ভারতে কমরেড কাদের বলে? ১/ যারা সিপিএম পার্টি করে, কমিউনিস্ট তত্ত্বে আধা-বিশ্বাসী, তাদের কমরেড বলে। ২/ যারা খায় ভারতের কিন্তু দালালি করে চীনের, তাদের কমরেড বলে। ৩/যারা মাও-সে-তুং,লেনিন,চে এর নাম মুখে নেয় কিন্তু তাদের তত্ত্বই সঠিকভাবে জানে না, তাদের কমরেড বলে। ৪/ যারা দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি কার্যকলাপ কে সমর্থন করে এবং পরোক্ষভাবে মদত দেয় তাদের কমরেড বলে। ৫/ যারা এক বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষকে সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেয়, কিন্তু মুখে শ্রেনীহীন সমাজের কথা বলে, তাদের কমরেড বলে। ৬/ যারা বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী মুসলিমদের পুলিশে দেওয়ার বদলে তাদের ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড করে দেয়, তাদের কমরেড বলে। ৭/ যারা নাস্তিকতায় বিশ্বাস করে কিন্তু ভোটের টানে ফুরফুরায় ছোটে তাদের কমরেড বলে। ৮/ যারা হিন্দু নির্যাতন নিয়ে চুপ থাকে কিন্তু মুসলিমদের গায়ে ঢিল পড়লে রাস্তা অবরোধ করে তাদের, কমরেড বলে। ৯/যারা ISIS এর মানবতা বিরোধী নৃশংস কার্যকলাপের বিরুদ্ধে মুখ খোলে না, কিন্তু গাজায় ইসরায়েল তাদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে পাল্টা আঘাত হানলে কেঁদে ভাসায় তাদের কমরেড বলে। কমরেড আমি তোমাদের পাশে আছি, বাল বাল বাল সেলাম কমরেড।।

অন্যধর্ম থেকে হিন্দুধর্মে ধর্মান্তরিত কয়েকজন ব্যক্তির নাম

অন্যধর্ম থেকে হিন্দুধর্মে ধর্মান্তরিত কয়েকজন ব্যক্তির নাম জানতে চাই। উত্তর: ১. জর্জ হ্যারিসন - জনপ্রিয় ইংরেজি সুরকার, বিটলস ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগিতার জন্য কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন। তিনি একজন কৃষ্ণভক্ত বৈষ্ণব, হিন্দুধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ধর্মান্তরিত হন। ২. জব চার্নক - ব্রিটিশ বাণিজ্য এজেন্ট কলকাতার প্রতিষ্ঠাতা (বিতর্কিত) হিসাবে বলা হয়। ৩. জুলিয়া রবার্টস- একজন বিখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী। এরিন ব্রোকোভিচ চলচ্চিত্রে কাজের জন্য ২০০১ সালে জুলিয়া রবার্টস অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস ফর বেস্ট অ্যাক্ট্রেস অর্জন করেন। ২০১০ সালে হিন্দুধর্ম গ্রহণ করেন। ৪. আলফ্রেড ফোর্ড- ফোর্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা তিনি Ambarish das নামেও পরিচিত। ৫. মাইকেল Cremo - আমেরিকান বিখ্যাত লেখক। ধর্মান্তরিত হয়ে তার নাম হয় দ্রুতকর্মা দাস। এছাড়াও ।পৃথিবীতে ৩টি হিন্দুপ্রধান রাষ্ট্র আছে ,পৃথিবীতে ৩য় বৃহত্তম ধর্ম হিন্দু । ২।পৃথিবীতে ৪টি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিন্দু । ৩। ইন্দোনেশিয়াতে হিন্দুরাজ্য বালি আছে । ৪। ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে হিন্দু প্রধানমন্ত্রী।(বর্তমান ,প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি কমলা প্রসাদ বিশ্বেশ্বর) ৫। আমেরিকাতে হিন্দুরা সিনেট সদস্য(বর্তমান, শ্রীমতি তুলসি গার্ব্বাদ) ৬। সুরিনামে হিন্দুরা রাষ্ট্রপতি(১৯৯৯-২০১১সাল,শ্রী ভার্যাত জাগদেও ) ৭।ইন্দোনেশিয়াতে হিন্দুরা প্রধানবিচারপতি (বিগত, শ্রীমতি ইফা সুদেয়ী) ৮।শ্রীলঙ্কাতে হিন্দুরা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি (বর্তমান,শ্রী কানাগাসাবাপাতি জে শ্রীপাবান) ৯।বাংলাদেশে হিন্দু সুপ্রিমকোর্টে প্রধানবিচারপতি(বর্তমান, শ্রী সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ) ১০।পাকিস্তানে হিন্দুরা সুপ্রিমকোর্টের প্রধানবিচারপতি হয়েছে ।(২০০৭সাল,শ্রী রানা ভাগোওয়ান দাস) ১১। আফগানিস্তানে হিন্দুরা আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত (বর্তমান, কানাডায় আফগানিস্তানী রাষ্ট্রদূত শ্রী শ্যাম লাল বাতিজা) এছাড়া অন্য ধর্ম থেকে হিন্দু ধর্মে আসা ব্যাক্তিবর্গের তালিকা দেখে নিন, https://en.m.wikipedia.org/wi…/List_of_converts_to_Hinduism… শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

Poem 'Nabanna'

কবিতার নাম- 'নবান্ন থেকে আসছি' গঙ্গার তীরে নীল সাদা প্রাসাদ,জানিনা ওখানে কি হয় । নাম শুনলেই গা ছমছম করে লাগে যে দিদিকে ভয় ।। একদিন আমি গাড়িতে চড়ে,নবান্নের কাছে গেলাম । চড় খাওয়া পুলিশ ভর্তি সেখানে,আমি এগিয়েই চললাম ।। নবান্নে ঢুকতেই আটকে দিল পুলিশ,ধমক দিল জোরে । আমি বললাম বাঁকুড়া থেকে আসছি বেরিয়েছি কোন ভোরে ।। বলল পুলিশ কি দরকার,দিদি আসতে অনেক দেরী । আমি বললাম,আমি কবিতা লিখি নিতে এসেছি 'বঙ্গশ্রী' ।। ছেড়ে দিল পুলিশ,লিফটে চড়ে উঠলাম দো তলায় । আমাকে দেখে অনেকেই দেখি জোরে জোরে চিল্লায় ।। বললাম আমি বাঁকুড়ার লোক,চাই দিদির সাথে দেখা । কবিতা লিখি ফেসবুকে আমি,আছে দিদির সাথে কথা ।। দেবের সাথে সেলফি তুলে,মুনমুনের হাতে খেলাম চুমু । হঠাৎ দেখি চেয়ারে বসে পার্থদা করে ঘুমু ।। ঢুকলাম আমি দিদির ঘরে,করলাম হাওয়াই চটিতে প্রনাম । দিদি তখন আমাকে দেখেই চালালো কথার কামান ।। বলল দিদি ওরে পাগলা তুই যে আমার লোক । ভালো কথা কি পারিসনে লিখতে,লিখস আমাকে নিয়ে জোকস ।। পরিবর্তনের লেখ কবিতা,উন্নয়নের কবিতা লেখ । এই বলেই দিদি আমার হাতে ধরাল ব্ল্যাঙ্ক চেক ।। চেক নিয়ে আমি বেরিয়ে গেলাম,ফিরলাম নিজের বাড়ি । দিদির টাকায় করব আমি এবার বাড়ি গাড়ি ।। ব্যাঙ্কে সেই চেক বাউন্স হল,বাড়িতে করল ছিঃ ছিঃ । কোন সাহসে বলব এবার-'আমি নবান্ন থেকে আসছি' ।। written by-sabyasachi

http://www.rokomari.com/book/48821

মিসর, বসরা ও কুফার বিদ্রোহী গোষ্ঠী একাট্টা হয়ে ৬৫৬ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় সমবেত হয়ে খলিফা ওসমানের পদত্যাগ দাবি করে। হজ উপলক্ষে অধিকাংশ মদিনাবাসী মক্কা গমন করায় তারা এ সময়কেই মোক্ষম সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে। খলিফা ওসমান পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানালে তারা হত্যার হুমকি দিয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখে। হজরত ওসমান (রা.) রক্তপাতের সম্পূর্ণ বিরোধী ছিলেন। বিশাল মুসলিম জাহানের খলিফা হিসেবে মুষ্টিমেয় বিদ্রোহীর কঠোর শাস্তিদানের পরিবর্তে তিনি তাদের দ্বারা অবরুদ্ধ হয়ে থাকলেন। হজরত আলী, তালহা ও জুবাইর (রা.)-এর ছেলেদের দ্বারা গঠিত ১৮ নিরাপত্তারক্ষী বিপথগামী বিদ্রোহীদের মোকাবিলায় ব্যর্থ হন। অবশেষে তারা ৬৫৬ খ্রিস্টাব্দের ১৭ জুন হিজরি ৩৫ সনের ১৮ জিলহজ্জ শুক্রবার আসরের নামাজের পর ৮২ বছর বয়স্ক বৃদ্ধ খলিফাকে অত্যন্ত বর্বরভাবে হত্যা করে। তিনি ১২ দিন কম ১২ বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেন। জুুবাইর ইবনে মুতইম (রা.) তাঁর জানাজায় ইমামতি করেন। জান্নাতুল বাকিতে তাঁকে দাফন করা হয়। http://www.rokomari.com/book/48821

ফেসবুকে প্রথম একাউন্ট

ফেসবুকে প্রথম একাউন্ট খুলি 2010-11 সালের দিকে। ধর্মপ্রচারের কোনো উদ্দেশ্য কিংবা ইচ্ছা ছিল না তখন। শুধু ফেসবুকের বিভিন্ন পেজে ঘোরাঘুরি করতাম। তখনও আজকের মত হিন্দুবিরোধীতায়পরিপূর্ণ ছিল ফেসবুক। মালু, মালাউন, আকাটা, চাড়াল, কাফির ইত্যাদি বিশ্রী গালিগালাজ ছাড়া কিছু চোখে পড়ত না। এরপর কিছু পেজের সন্ধান পেলাম যেখানে হিন্দুধর্মীয় দেবদেবী নিয়ে রীতিমতো চটি লেখা হচ্ছিল। এরপর একদিন 'দস্তার রাজদরবার' নামক একটি আইডি থেকে কিছু মন্তব্য চোখে পড়তে ওর প্রফাইলে ঢুকলাম। সেখানে একের পর এক চরম হিন্দুবিদ্বেষী উস্কানিমূলক লেখাগুলি পড়ে আর সহ্য করতে পারলাম না। তখন আজকের মত এত হিন্দুত্ববাদী পেজ ছিল না। গুটিকয়েক দিব্যজ্ঞান প্রচারের পেজ ছিল মাত্র। তাই নিজেই লড়বার চিন্তা করলাম। নতুন আইডি বানালাম 'হিন্দু যোদ্ধা' নামে। আবেগের বশবর্তী হয়ে হিন্দুবিদ্বেষী মুসলমানদের মত আক্রমণাত্মক পোষ্ট করতাম। মুসলিমরা যেভাবে মন্দির ভাঙার হুমকি দিত, হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ করবার হুমকি দিত সেভাবে আমিও পাল্টা জবাব দিতাম বোকার মত! এভাবে লেখালেখি করে দশজন হিন্দুর সমর্থন পেতাম তো একশো জনের তিরস্কার জুটতো। মুসলিমদের থেকে হত্যার হুমকি পেতাম প্রতিদিন। এভাবে চলতে চলতে একসময় অনুধাবন করলাম, মুসলমানরা তো জন্ম থেকে শিক্ষা পায় হিন্দুবিদ্বেষীতার। একবার পায় পরিবার থেকে তো আরেকবার পায় তাদের ধর্ম থেকে। কিন্তু হিন্দুরা তো পরিবার এবং ধর্ম থেকে ঠিক তার বিপরীত শিক্ষায় পেয়ে থাকে। মুসলমানদের যা তা বলে হিন্দুদের বিরুদ্ধে উস্কে দেওয়া সহজ কিন্তু হিন্দুদের মধ্যে সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান যোগান দেওয়াও ততটা সহজ নয়। তাই কোনো হিন্দুকে বাস্তববোধ শেখাতে গেলে উগ্রতা পুরোপুরি ত্যাগ করতে হবে। যুক্তিপ্রমাণাদিদিয়েও যেখানে হিন্দুর মনে কাণ্ডজ্ঞানের সঞ্চার ঘটানো যায়না সেখানে উগ্রতা দিয়ে হিন্দুত্ববাদ শেখানো অসম্ভব। এতকিছু বললাম এই জন্য যে, আজ অনেকেই হিন্দুত্ববাদ প্রচারে সময় দিচ্ছেন ফেসবুকে। এদের অধিকাংশের লেখায় উগ্রভাব এবং ধর্মান্ধতার ছাঁপ পাওয়া যায়। আমার পরামর্শ থাকবে, আপনাদের লেখা থেকে উগ্রতা পরিহারের চেষ্টা করুন এবং যুক্তিমূলক লেখার চর্চা করুন। তথ্যপ্রমাণ সহ লেখার চেষ্টা করুন। লেখার মধ্যে ম্যাচুরিটি আনুন। তবে কেবল লাইকের পিছে ছুটলে কিন্তু পরিপক্বতা আসবে না কোনোদিন! Arya Kumar Judah

1993 মুম্বাই হামলা

১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ পশ্চিম ভারতের বন্দরনগরী মুম্বাইয়ে সিরিজ বোমা হামলা চালানো হয়। এতে নিহত হন ২৫৭ জন। ঘটনার চার দিন পর বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি সড়কের পাশ দিয়ে যাচ্ছে একটি বাস। মুসলিম তোষণের নির্লজ্জ নজির স্থাপন করলো ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিএম। ** আগামী ৩০ জুলাই ভারতের মুম্বাইয়ে ১৯৯৩ সালে ধারাবাহিক বোমা হামলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি কার্যকর হবে। ২১ জুলাই শীর্ষ আদালত ইয়াকুবের শেষ কিউরেটিভ পিটিশনে সাড়া না দিলে ৩০ জুলাই সকাল ৭টায় নাগপুর সেন্ট্রাল জেলে ফাঁসি হবে তার। নাগপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে টাডা আদালতের পক্ষ থেকে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মেননের পরিবারকে ফাঁসি কার্যকর করার বিষয়ে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। ইয়াকুব মেমন বর্তমানে নাগপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী রয়েছে। মুম্বাইয়ে ধারাবাহিক বোমা হামলার ঘটনায় এই প্রথম কোনো দোষী ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর হতে যাচ্ছে।১৯৯৩ সালের ১২ মার্চে মুম্বাইতে বড় ধরনের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ২৫৭ জন মানুষ মারা যাওয়ার পাশাপাশি ৭১৩ জন আহত হন। এ ঘটনায় ১২টি স্থানে মোট ১৩টি বোমা বিস্ফোরণ হয়। এতে প্রায় ২৭ কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়। এই মামলায় টাডা আদালত ২০০৭ সালের ২৭ জুলাই ইয়াকুব মেমনকে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির সাজা ঘোষণা করে। টাডা আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে মুম্বাই হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে সাজা মওকুফের আবেদন জানালেও তা গ্রাহ্য হয়নি। ৫৩ বছর বয়সী ইয়াকুব মেমনের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করে দেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ও। ** কিন্তু সি পি এম দাবি জানিয়েছে ইয়াকুব মেমনের সাজা লঘু করা হোক। অনেকের সঙ্গেই ভিন্নবিবৃতিতে সি পি এম বলে, ন্যায়বিচারের স্বার্থ পূরণ হবে মেমনকে মৃত্যুদণ্ডের বদলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হলে। বলা হয়, নীতিগতভাবে মৃত্যুদণ্ড তুলে দেওয়ার জন্য সি পি এম দাবি জানিয়ে আসছে। সি পি এমের দাবি, ইয়াকুব মেমনের ক্ষমার আর্জি মেনে নিয়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাবাস দেওয়া হোক। কমিউনিস্টদের এই ‘ক্ষমাশীল’ প্রকৃতি অবশ্য খুব বেশি দেখেনি ইতিহাস। বিরোধিতার শাস্তি বরাবার বুলেটেই দিতে পছন্দ করতেন কমিউনিস্টরা । বামফ্রন্ট জমানাতেই ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়কেফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তখন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ‘ধর্ষকের’ ফাঁসি চেয়ে সে দিন রাস্তায় নেমেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী-জায়া মীরা ভট্টাচার্য। অথচ আজ সেই সিপিএম নেতৃত্বই ইয়াকুবের ফাঁসি নিয়ে উল্টো সুরে গাইছেন। সুপ্রিম কোর্টে গতকালই খারিজ হয়ে গিয়েছে তার সংশোধনী আর্জি। তার ফাঁসি ৩০ জুলাই নির্ধারিত। এর মাঝে সে অসুস্থ হলে অবশ্য আলাদা কথা। ** সিপিএম চাইছে, ফাঁসির আদেশই রদ করা হোক। পলিটব্যুরোর দাবি, রাজীব গাঁধীর হত্যায় দোষীদের ফাঁসির বদলে যাবজ্জীবন হয়েছে। ইয়াকুবের ক্ষেত্রেও তাই হোক। হঠাৎ এই হৃদয় পরিবর্তনের কারণ? সিপিএম নেতৃত্বের যুক্তি, দু’বছর আগে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকেই ঠিক হয়েছে, তাঁরা আর প্রাণদণ্ডের পক্ষে নন। নারকীয় অপরাধের ক্ষেত্রে দোষীর আমৃত্যু কারাদণ্ডই সর্বোচ্চ শাস্তি হোক। আজমল কসাব ও আফজল গুরুর ফাঁসির পরেই এই সিদ্ধান্ত নেয় দল। ** আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ পি শাহ সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন, এ দেশে গরিবেরই ফাঁসি হয়। সিপিএমের দাবি, তারাও সেই মতের শরিক এবং প্রাণদণ্ডের বিরোধী। তা হলে সে বার ধনঞ্জয়ের ফাঁসি চেয়ে মীরা ভট্টাচার্য কেন রাস্তায় নেমেছিলেন? দলীয় নেতৃত্বের একাংশের দাবি, ‘‘দলের হয়ে নয়, উনি এক জন ‘মা’ হিসেবেই ধর্ষকের ফাঁসি চেয়েছিলেন।’’ নিন্দুকেরা অবশ্য বলছেন, ক্ষমতায় থাকলে খুনি-ধর্ষণকারী বা সন্ত্রাসবাদীদেরফাঁসিতে ঝোলানোর মতো সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। আর ক্ষমতার বাইরে থাকলে? কিন্তু আসল কথা যে মুসলিম তোষণ তা কি আর বলে দিতে হয়? অবশ্য ভারতের মুসলিমরাও ফেসবুকে এবং ব্লগে মেমনের পক্ষে প্রচারণায় নেমেছে। তাদের যুক্তি ১৯৯২ এর দাঙ্গার প্রতিশোধ নিতেই মেমন হামলা করেছিলেন। তাই তাকে ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু মুম্বাই হামলা যে ভারত এবং পাকিস্তানের মুসলিমরা মিলে এক সাথে করেছিল তা কে না জানে। ভারতের বেশির ভাগ মুসলিম শুরু থেকেই পাকিস্তানের সমর্থক। ** শেষ হল এক শতায়ু বৃদ্ধার অপেক্ষাঃ বিচারের আশায় বাইশ বছর অপেক্ষা করছেন বিস্ফোরণে আহত বিন্দুর মিরচন্দানি। মার্চ ১৯৯৩। বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল সেঞ্চুরিয়ন বাজার। RDX-এর অভিঘাতে তছনছ হয়েছিল গিয়েছিল গোটা এলাকা। বাজারের পাশেই মালকানি মহলে তখন নাতিকে খাওয়াচ্ছিলেন ৭৮ বছরের বৃদ্ধা বিন্দুর মিরচন্দানি। বিস্ফোরণ ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল তাঁর শরীর। দীর্ঘদিন অচৈতন্য পড়ে ছিলেন হাসপাতালে। শরীরের বত্রিশটি ক্ষতস্থান থেকে বের করা হয় স্প্লিন্টার। কিন্তু, জীবনের লড়াই ছাড়েননি। দীর্ঘ ২২ বছর ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করেছে। ইয়াকুব মেমনের ফাঁসিতেই তাঁর শান্তি। ** ওই আবাসনেরই আরেকটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা কমলা মালকানি। আবাসনের নীচে ছিল তাঁর বিউটি পার্লার। সেঞ্চুরি বাজারের বিস্ফোরণে ঘটেছিল তাঁর স্বপ্নের অকালমৃত্যু। তারপর হাসপাতালের বেডে শুয়ে অপেক্ষা করেছেন। একটু একটু করে জীবনে ফেরার লড়াইয়েও অপেক্ষা করেছেন। ইয়াকুব মেমনের ফাঁসিতে তাঁরও অপেক্ষার পরিসমাপ্তি। ........ 7/22/2015 ......।