Monday, 27 July 2015

What is Kashmir Problem? কাশ্মীর সমস্যা কী ?

•☆☆☆☆ইতিহাস••••---------------------ভারতের উওরে অবস্থিত 84,471 বর্গমাইল এলাকা বিশিষ্ট কাশ্মীর রাজ্যটি আন্তর্জাতিক দিক থেকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।এই রাজ্যটির পশ্চিমে পাকিস্তান,দক্ষিনে ভারত,উওর পূর্বে তিব্বত,উওরে চীনা তুর্কীস্থান এবং উওর পশ্চিমে সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বারা পরিবেষ্টিত।এই রাজ্যের শাসক হিন্দু কিন্তু প্রজাদের অধিকাংশ মুসলিম ধর্মাবলম্বী।ইঙ্গো শিখ যুদ্ধের ফলে ব্রিটিশ অধিকারে আসে অঞ্চল টি রণজিৎ সিং এর কাছ থেকে।অত্যন্ত দূর্গম ও উপজাতি প্রধান এলাকা বলে ব্রিটিশরা এ অঞ্চল গুলাব সিং নামে এক জনৈক কে এক কোটি টাকার বিনিময়ে বেচে দেয়।ব্রিটিশরা চুক্তি করে নেয় এটি ব্রিটিশ অধীনস্থ রাজ্য বলে পরিগণিত হবে। ••☆☆প্রাচীন শাস্ত্রে কাশ্মীর------------- "কাশ্মীর" মানে হল "শুষ্ক ভূমি"(সংস্কৃতেঃকা = জল এবং শীমিরা = শুষ্ক)। দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে কলহন-এর লেখা কাশ্মীরের ইতিহাস "রাজতরঙ্গিণী" থেকে জানা যায় যে কাশ্মীর উপত্যকা পূর্বে একটি হ্রদ ছিলো। হিন্দু পুরাণে বর্ণনা করা আছে সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মার পৌত্র মহাঋষি কশ্যপ বারামূলা(বরাহমূল) পাহাড়ের একাংশ কেটে হ্রদের জল নিষ্কাশন করেন। কাশ্মীর সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়ার পর কশ্যপ ব্রাহ্মণদের সেখনে বসতি স্থাপন করা্র জন্য আমন্ত্রণ করেন। এই কাহিনী স্থানীয় ঐতিহ্যে আজও রয়ে গেছে, এবং এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থাও অনেকটাই সমর্থন করে । কশ্যপের সাথে হ্রদ নিষ্কাশণের যোগাযোগ ঐতিহ্যগত ইতিহাসেও পাওয়া যায়,যা বোঝা যায় উপত্যকায় বসবাসকারীদের প্রধান শহরের নাম "কশ্যপ-পুরা" থেকে, যার উল্লেখ আছে হেকাটেউস লেখায় কাস্পাপাইরস বা হেরোডোটাসের লেখায় কাস্পাটাইরস নামে। টলেমি তাঁর লেখা কাশ্মীরকে "কাস্পেইরিয়া" নামে নির্দেশ করেছেন। ষষ্ঠ শতাব্দীতে ভারতে আসা চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর লেখা জানতে পারা "কাশ-মি-লো" রাজ্যের কথা যার অস্তিত্ব ছিল প্রথম শতাব্দী থেকে । ○○•☆☆•কাশ্মীর নিয়ে পরস্পর বিরোধী প্রস্তাব--------------------পাক-ভারতের স্বাধীনতার প্রাক্কালে লর্ড মাউন্টব্যাটেন কাশ্মীরের তৎকালীন শাসক মহারাজা হরি সিং কে ভারত বা পাকিস্তান কোন একটি রাষ্ট্রে যোগদান করার পরামর্শ দেয়।উভয় রাষ্ট্র থেকেই অনুরূপ আবেদন আসে।কাশ্মীরের প্রধান রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স এর সভাপতি শেখ আবদুল্লা কাশ্মীরের ভারত ভুক্তির পক্ষে জনমত গঠন করতে থাকেন।মহারাজা হরি সিং মনে করতেন -কাশ্মীর যেহেতু ভারত পাকিস্থান সীমান্তে অবস্থিত তাই কাশ্মীর স্বাধীন ও স্বতন্ত্র থাকলে উভয় দেশেরই ভৌগলিক অখণ্ডতা বা সংহতিতে বাধা হবে না। ○○○•••☆☆কাশ্মীরে পাকিস্থানী আক্রমন------------1947 খ্রীষ্টাব্দে 22 শে অক্টোবর পাক- মদতপুষ্ট পাঠান ও অন্যান্য উপজাতিদের নিয়ে গঠিত হানাদার বাহিনী কাশ্মীরে ঢুকে পরে ব্যপক গনহত্যা,লুণ্ঠন ও নারী নির্যাতন চালাতে থাকে।তাদের সাথে একযোগে পাকিস্তান সেনাবাহিনীও কাশ্মীরে ঢুকে পড়ে।উভয় বাহিনী উরী,বারমূলা প্রভৃতি স্থান দখল করে 26 শে অক্টোবরের মধ্যে রাজধানী শ্রীনগরের 40 মাইলের মধ্যে এসে পৌছায়।কেবলমাএ এই নয়-------কাশ্মীরের উপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে পাকিস্তান থেকে সকল পণ্য সরবরাহ নিষিদ্ধ হয়।তখন একমাএ পাকিস্থানের সাথে কাশ্মীরের সড়ক যোগাযোগ ছিল।যাই হোক পাক হানাদারদের আক্রমনে কাশ্মীরে চূড়ান্ত অব্যবস্থা দেখা যায়,প্রশাসন ভেঙে পড়ে এবং মহারাজা নিজেই পলায়ন করে রাজধানী শ্রীনগর থেকে। ○○○○☆☆ভারতভুক্তিতে মতামত---------------কাশ্মীরের ভারতভুক্তির আবশ্যিকতা সম্পর্কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভাতে দ্বিমত ছিল। বল্লভভাই প্যাটেল কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আগ্রহী ছিল না।কিন্তু নেহেরু মনে করতেন ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতার জন্য কাশ্মীরকেও ভারতের সাথে যুক্ত করা আবশ্যিক। ☆☆☆☆কাশ্মীরের ভারত ভুক্তি------------------এমত কাশ্মীরের উওপ্ত অবস্থায় মহারাজ হরি সিং 24 শে অক্টোবর ভারতের কাছে সামরিক সাহায্য প্রার্থনা করলে ভারত সরকার জানায়,মহারাজ "ভারত ভুক্তির দলিলে " স্বাক্ষর করলে তবেই ভারত কাশ্মীরে সেনা পাঠাতে পারে-অন্যথায় নয়।26 শে অক্টোবর মহারাজ হরি সিং ভারত ভুক্তির দলিলে স্বাক্ষর করে এবং শেখ আবদুল্লার নেতৃত্বে কাশ্মীরের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় দল ন্যাশনাল কনফারেন্স তা সমর্থন করে। 27 শে অক্টোবর প্রায় 100 টি বিমানে ভারতীয় সেনাবাহিনী শ্রীনগরে অবতরণ করে।মাএ 2 দিনে পাক হানাদার ও পাক সেনাবাহিনী কে চুড়ান্ত ভাবে পরাস্ত করে ভারতীয় সেনা।কাশ্মীরের দুই তৃতীয়াংশ দখল করে ভারতীয় সেনা।31 শে অক্টোবর ভারতীয় বাহিনীর ছএছায়ায় কাশ্মীরে আপৎকালীন শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠীত হয়।শেখ আবদুল্লা সরকারের বিরোধীতা করে পাকিস্থান তার দখলিকৃত কাশ্মীরে " আজাদ কাশ্মীর" নামে একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করে এবং ভারত ভুক্ত কাশ্মীরের উপর নানাভাবে সামরিক আক্রমণ চালাতে থাকে।শুরু হয় কাশ্মীর সমস্যা। ☆☆☆☆জাতিপুঞ্জে কাশ্মীর সমস্যা------------- সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য লর্ড মাউন্টব্যাটেনেরপরামর্শে জওহরলাল নেহেরু রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন এবং কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেন।ভারতের যুক্তি ছিল---------------------°°°°°°° ●●হানাদার রা পাকিস্থান থেকে কাশ্মীরে প্রবেশ করেছে।তাই তাদের নারস্ত্র করার দায়িত্ব পাকিস্থানের। ●●কাশ্মীরের মহারাজা ভারত ভুক্তির দলিলে স্বাক্ষর করে ভারত রাষ্ট্রে যোগ দিয়েছেন।তাই কাশ্মীরের উপর পাকিস্থানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যেকোন রকম হস্তক্ষেপ অবৈধ। ●●ভারত মনে করে যে কাশ্মীরের জনসমর্থন ভারতের পক্ষেই আছে।কারন কাশ্মীরের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স ভারত ভুক্তির সমর্থক। ●●ধর্মনিরপেক্ষ ভারত রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কোন দেশীয় রাজ্যের ধর্মীয় ভিত্তি বিচার করা অবাঞ্ছনীয়।অবশ্যপাকিস্থানের প্রতিনিধি জাফরুল্লা খাঁ ভারতের সকল যুক্তি নাসাৎ করে দেন এবং মুসলিম এলাকা কাশ্মীর কে হিন্দু প্রধান ভারত রাষ্ট্রের অধিকার অন্যায্য বলে দাবি করেন।

যে যে কারনে ভারতকে শত্রু মনে করে এশিয়ার ধর্মপন্থী দেশগুলি

------------------------- তৃতীয় বিশ্ব ও জোটনিরপেক্ষ দেশ হলেও ভারত বর্তমানে প্রথম বিশ্বের সাথে তুলনাযোগ্য। ■■ভৌগলিক•••••••• ☆ভারতের উওরে হিমালয়।পূর্বে বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমে আরবসাগর।দক্ষিণেভারত মহাসাগর।সবমিলিয়ে চারিদিকে সমুদ্র ধর্মনিরপেক্ষ ভারতকে বহিরাগত আক্রমন থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে। ■■অর্থনৈতিক••••••••বিশ্বে ইকোনামিক গ্রোথে চীন,আমেরিকার পর ভারত। ■■সামাজিক•••••••••বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে 6 টি ধর্মের মানুষ বসবাস করে। ■■ঐতিহাসিক স্থান••••••••ভারতে ঐতিহাসিক স্থান অজশ্র তবে সবথেকে নজর কাড়ে বিশ্বের অষ্টম আশ্চর্যের মধ্যে একটি তাজমহল। ■■ধর্মীয় ভূমি--•••••••••বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে 4 টি ধর্মের সৃষ্টি।হিন্দু-বৌদ্ধ-শিখ-জৈন ■■সামরিক শক্তি------------জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ভারত কখনো তার পারমানবিক অস্ত্রের সংখ্যা জনসামক্ষে আনেনি।তবে বিভিন্ন বিদেশী সমীক্ষা অনুযায়ী ভারত বিশ্বের চতুর্থ সামরিক শক্তিশালী দেশ। ☆ভারতে প্রায় 50 এর বেশী কমন্ডো ফোর্স আছে যা অত্যাধুনিক সাজে সজ্জিত।জল-স্থল-বায়ু সকল বিভাগের স্পেশাল অপারসেনে এদের কদর বেশী। (ছবি তে) ■■প্রযুক্তিগত দিক ••••~•••☆ বিশ্বের সবথেকে বেশী ইন্টারনেট গ্রাহক ভারতে। ☆মাইক্রোমেক্স,কারবন এর ভারতীয় কোম্পানীরা বেশ কতৃত্ব রাখছে বিশ্বে।কারবন প্রথম মোবাইল কোম্পানি যারা এনরয়েড ফোন ভারতে আনে। ☆মাইক্রোসফ্ট এর দ্বিতীয় বৃহত্তম শাখা ভারতে। ☆নাসা তে 40% ভারতীয় যুক্ত থাকে। ☆ইসরো( ভারতীয় গবেষনা কেন্দ্র) বর্তমানে নাসার থেকে কম খরচে মহাকাশযান পাঠাতে স্বক্ষম। ☆আমেরিকার সেরা 10 টা স্টুডেন্ট এ 3 জন অবশ্যই ভারতীয়। ☆বিশ্বের সমস্ত নামী আই আই টি কোম্পানী তে ভারতীয় দের সংখ্যাটা বেশী। ■■সঙ্গীত-----••••••বিশ্বের দ্বিতীয় জনপ্রিয় গান ॐ卐বন্দেমাতরমॐ卐 ভারতে সৃষ্টি ও জাতীয় স্তোত্র ভারতের। ☆কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সঙ্গীত 3 টি দেশে গাওয়া হয়।ভারত-বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤¤দুই পাকিস্তান থেকে ভারতের সংস্কৃতি সম্পর্কে যে অপপ্রচার চালানো হয় তার জবাব দিন। ॐ卐সত্যের জয় হোকॐ卐

প্রাচীন ভারতের বিমানবিদ্যা

■■■■ শিবকর বাপুজী তালপেড়ে কলা এবং সংস্কৃত এর বিদ্বান তথা আধুনিক সময়ের বিজ্ঞানের প্রথম আবিস্কারক।1864 তে মুম্বই, মহারাষ্ট্র তে তিনি জন্মগ্রহন করেন। "জে জে স্কুল অফ আর্ট মুম্বই" এ পড়াশোনা শেষ করে তিনি সেখানেই শিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হন।শিক্ষার্থী অবস্থায় গুরুশ্রী চিরঞ্জীলাল বার্মা র কাছ থেকে তিনি বেদে বর্ণিত জ্ঞানের সম্পর্কে জানেন।শিবাকর জী স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী র কাছ থেকে "ঋকবেদাদিভাষ্যভূমিকা" এবং "ঋকবেদ এবং যর্জুবেদ ভাষ্য" গ্রন্থ পড়ে প্রাচীন ভারতের বিমানবিদ্যা সম্পর্কে কাজ করার মনস্থির করেন।এর জন্য উনি সংস্কৃত শিখে বৈদিক বিমানবিদ্যা সম্পর্কে অনুসন্ধান শুরু করেন। ☆☆☆☆আসলে আমরা পাশ্চাত্য শিক্ষার অনুকরণ বা সূএ ধরে সবাই শিখেছি হাওয়াজাহাজ বা এরোপ্লেন এর আবিস্কারক আমেরিকার রাইট ভাতৃদ্বয়।তারা 17ই ডিসেম্বর 1903 সালে হাওয়াই জাহাজ উড়ায়।কিন্তু এর থেকেও 8 সাল আগে 1895 এ মুম্বইয়ে গিরিরাম চৌপাটি তে সংস্কৃত সংকলক শিবকর বাপুজী তালপেড়ে এক বিমান উড়িয়েছিলেন আকাশে যার নাম উনি "মরুৎসখা" রেখেছিলেন। ☆☆মারুৎ শব্দটি সংস্কৃত যার অর্থ বায়ু।সখা শব্দটির অর্থ বন্ধু।পুরো কথাটির অর্থ বায়ুর বন্ধু। ☆☆ডেকান হেরাণ্ড নামক খবরের কাগজে খবরটি ছাপা হয়------1885 সালে জুন মাসে (দুর্ভাগ্যবশত সঠিক তারিখ জানা যায়নি কারণ পুনে থেকে প্রকাশিত হওয়া বালগঙ্গাধর তিলক দ্বারা সম্পাদিত পএ "কেশরী" যে এই খবরটি তৎকালীন সময়ে প্রকাশ করে কোন তারিখ লেখা ছিল না) মহাদেব গোবিন্দ রানাডে,বরোদার মহারাজ সিয়াজি রাও গায়কোয়াড় এর সামনে শিবারকর মহাশয় গিরিরাম চৌপাটি তে "মরুত শক্তি" নামে এক মানবরহিত বিমান ওড়ায়।এটা 1500 ফুট উঁচু অব্দি উড়ে এবং পরে জমিতে পড়ে যায়। ☆☆বিমান আর ইঞ্জিনের ছবিটি টি এলপ্পা করেছিলেন।কেশরী মারাঠা ভাষায় রচিত বাল গঙ্গাধর তিলকের দ্বারা সম্পাদিত খবরের কাগজ।অনেকে বলেন তখন যেহেতু বাল গঙ্গাধর তিলক কেশরী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন তাই এই খবর অবাস্তবিক নয়।অনেকে বলেন শিবাকরের বিমান কেবল 21 মিটার উঁচুতে উড়েছিল আর 7 মিনিটের মধ্যে দূর্ঘটনাগ্রস্ত হয়েছিল।এরজন্য এককথায় এক বিফলতা রূপে ধরা হয়েছিল।ব্রিটিশ সরকার যদি উনাকে আরও অনুসন্ধান ও বিকাশের ক্ষেত্রে অর্থ সাহায্য করত তাহলে হয়ত তার প্রচেষ্টা টি বহু আগেই সাফল্য দেখত।তাই এক ভারতীয়র তৈরী বিমান উড়ানের কাহিনী একপ্রকার প্রমানের অভাবে প্রচারে আসেনি। ☆☆☆☆ ■■■■শিবাকর তালপেড়ে মহাশয় যে কয়েকটি বই লিখে গেছেন---------- ☆প্রাচীন বিমান কলা কা সৌধ। ☆ঋকবেদ প্রথম সুক্ত ও উসকা অর্থ। ☆পাতঞ্জলী যোগদর্শনান্তগত শব্দো কা ভূতত্ব দর্শন। ☆মন অউর উসকা বল । ☆গুরুমন্ত্র মহিমা। বলিউডে হাওয়াইজাদা (Hawaizaada) নামে একটি মুভি বানানো হয়েছে তার জীবনী নিয়েই। ☆☆কালিদাসের রচিত কুমারসম্ভব এ--------আকাশে ইন্দ্রর রথ উড়ছে এবং এখান থেকে পৃথিবীর বর্ণনা আছে।রথে চেপে থাকা মথালি কতৃক পৃথিবীর বর্ণনা আছে "आहो उदाग्रा रमनीया पृथ्वी" পৃথিবীকে এখান থেকে সুন্দর লাগছে। ☆☆☆☆এই ঘটনার রহস্য অবশ্যই খোজা দরকার।ভারত সরকারের উচিত এই ঘটনাকে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরা।আমরা পাশ্চাত্য শিক্ষার নামযপ করতে করতে ভুলে গেছি আমাদের কীর্তি -সংস্কৃতি কে।পাশের দুই দেশ আমাদের সংস্কৃতি সভ্যতা কে নিয়ে সোশাল সাইটে অপমানজনক কথাবার্তার জন্য এই সত্য তথ্য তুলে ধরলাম। ॐ卐সত্যের জয় হোকॐ卐

হিন্দুধর্মে বহুবিবাহ

●●●● জাকির নায়েকসহ ইসলামিক ও অন্যান্য ধর্মের অনেক অপপ্রচারকারীরাই নিজেদেরকে বাঁচানোর জন্য দাবী করে যে হিন্দুধর্মে বহুবিবাহ অনুমোদিত।এর মাধ্যমে তাদের নিজেদের ধর্মগুলোতে বহুবিবাহের অনুমোদনের পক্ষে একটি সমর্থন পাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালায় তারা।প্রকৃত সত্য দেখে নেয়া যাক-------------------- ॐ卐 ঋগবেদ এর তিনটি মন্ত্র যথাক্রমে ১.২৪.৭,৪.৩.২ ও ১০.৭১.৪ এ বলা হয়েছে "যায়েব পত্য উষতে সুভাসহ অর্থাত্ যেভাবে জ্ঞানীগন জ্ঞানপ্রাপ্ত হন ঠিক সেভাবে একক পতি-পত্নীযুক্ত সংসার আনন্দ ও সুখ লাভ করে। ॐ卐 ঋগবেদ ১০.৮৫.২৩ এ বলা হয়েছে স্বামী ও স্ত্রীর সবসময় উচিত পুনরায় বিয়ে না করার ব্যপারে সংযমী হওয়া। ॐ卐 অথর্ববেদ ৭.৩৮.৪ বলেছে "স্বামীর উচিত শুধু একমাত্র স্ত্রীর প্রতি অনুরক্ত থাকা।দ্বিতীয় কোন নারীর প্রতি অনুরাগ তো দুরে থাক,অন্যকোন নারী সম্বন্ধে তার আলোচনাও করা উচিত নয়।" বহুবিবাহ নিষিদ্ধের এর চেয়ে স্পষ্ট নিদর্শন আর কি থাকতে পারে। ॐ卐 ঋগবেদ ১০.১০৫.৮ বলেছে যে একাধিক স্ত্রীর অস্তিত্ব মানেই জাগতিক সকল দুঃখের আনায়ন। ॐ卐 ঋগবেদ ১০.১০১.১১ বলেছে দুই স্ত্রীযুক্ত ব্যক্তিকে সেভাবেই কাঁদতে হয় ঠিক যেভাবে চলমান রথের ঘোড়া উভয় দিক থেকে চাবুক এর আঘাতে হ্রেষা রব করে । ॐ卐 ঋগবেদ ১০.১০১.১১ এও বলেছে যে একাধিক স্ত্রী জীবনকে লক্ষহীন করে তোলে। ॐ卐 অথর্ববেদ ৩.১৮.২ বলেছে একজন নারীর কখনো যেন কোন সতীন(Co-wife) না হয়। ●●●● এখন আসা যাক জাকির নায়েক এর দ্বিতীয় ভন্ডামী যুক্তি যা তিনি দিয়েছেন যোগেশ্বর শ্রীকৃষ্ণ ও অতুলনীয় শ্রীরামচন্দ্রকেনিয়ে।তিনি দাবী করেছেন যে মহাভারত অনুযায়ী শ্রীকৃষ্ণের স্ত্রীসংখ্যা নাকি ১৬১০৮ এবং শ্রীকৃষ্ণ যদি বহুবিবাহ করতে পারে তাহলে সাধারন হিন্দুদের সমস্যা কি! উত্তরে বলা যেতে পারে যে সব জায়গায় ইসলামিক তাকিয়ার ভন্ডামী চলেনা জাকির সাহেব----------- ॐ卐 শ্রীকৃষ্ণের বহুবিবাহের এই ভূল তথ্যটি পাওয়া যায় দুইভাই জয়দেব এর লেখা গীতগোবিন্দ ও বোপদেব এর লেখা ভাগবতাম নামক একটি গ্রন্থে যা কোনভাবেই বৈদিক কোন গ্রন্থ নয় এবং শ্রীকৃষ্ণের জীবনী সম্বন্ধে একমাত্র গ্রহনযোগ্য গ্রন্থ ব্যসদেব এর মহাভারত।সেই ব্যসদেব মহাভারতে তাঁর সম্বন্ধে কি লেখা আছে দেখা যাক- "শ্রীকৃষ্ণের একমাত্র স্ত্রী ছিলেন রুক্সিনীদেবী যিনি ছিলেন পরম ধার্মিক,বিদূষী ও পতিব্রতা।সন্তান জন্মদানের পূর্বে তাঁরা উভয়েই বদরিকাশ্রমে যান ও দীর্ঘ বারবছর কঠোর ব্রহ্মচর্য পালন করেন।এরপর রুক্সিনীদেবী এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন যার নাম রাখা হয় প্রদ্যুম্ন।" [ব্যসকৃত মহাভারত,সৌপ্তিকাপর্ব, ২/২৯-৩০,তথ্যসূত্র-শ্রীকৃষ্ণের জীবনী নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর ৩৬ বছরের সুদীর্ঘ গবেষনালব্ধ ফলাফল] ●● এখন আসা যাক শ্রীরামচন্দ্রের ব্যপারে তার দাবী নিয়ে।অজ্ঞ জাকির দাবী করেছেন যে যেহেতু শ্রীরামচন্দ্রেরপিতা রাজা দশরথ চারটি বিয়ে করেছিলেন সেহেতু হিন্দুধর্মে চারটি বিয়ে অনুমোদিত (লজিক না মামারবাড়ির আবদার) এক্ষনে প্রমানিত হল যে হিন্দুধর্ম সম্বন্ধে জাকিরের নূন্যতম জ্ঞান ও নেই! রামায়ন ও মহাভারতকে বলা হয় হিন্দুধর্মের প্রামান্য ধর্মশাস্ত্র অর্থাত্ এই দুটি শাস্ত্রে বর্ণিত ঘটনা ও তাদের ফলাফলগুলোকে পর্যবেক্ষন করে একজন হিন্দু তার জীবনবিধি সম্বন্ধে দিকনির্দেশনা পেতে পারে।বেদে যেসকল জীবনবিধি দেয়া হয়েছে সেগুলো মানা বা না মানার বাস্তব ফলাফল প্রতিফলিত হয়েছে এই গ্রন্থ দুটিতে। ○○ রাজা দশরথের ক্ষেত্রে কি দেখতে পাই?অলঙ্ঘনীয় বেদ নির্দেশিত এককবিবাহ না মেনে তিনি একাধিক বিয়ে করেন আর ফলশ্রুতিতে দুঃখময় অকালমৃত্যু,ছেলের বনবাস,রাজ্যময় শোক এর মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।এ থেকে একজন হিন্দু বুঝতে পারেন যে বেদে বহুবিবাহের নিষেধাজ্ঞা কতটা যুক্তিসংগত । ● বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে আপনারা সকলেই জানেন যে বহুবিবাহের ক্ষতিকর দিকের শেষ নেই।জনসংখ্যা বিস্ফোরন, সামাজিক বিশৃঙ্খলা,সেক্স ট্রান্সমিটেড ও কমুনিকেবল ডিসিস এর প্রাদুর্ভাবসহ অসংখ্য ক্ষতিকর প্রভাব আছে এর।বর্তমান যুগে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা রোধে যেখানে সভ্য দেশগুলো বহুবিবাহকে নিরুত্সাহিত করছে সেখানে এইসব অজ্ঞ ও উগ্র ধর্মান্ধরা তাদের মধ্যযুগীয় এ বর্বর সভ্যতাকে অন্যদের উপর চাপানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে! ॐ卐 ভারত সরকার এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে ১৯৫৪ সালে আইন করে হিন্দুদের বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করে।সুতরাং এইসব ভন্ডদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান।ছড়িয়ে দিন বৈদিক সত্যের এই বানীকে। ॐ卐সত্যের জয় হোকॐ卐

বিবাহ সম্পর্কে কিছু জেনে নিই বৈদিক ইতিহাসের আলোকে

■•••••••••••• “বিবাহ” শব্দটি বি-পূর্বক বহ্ ধাতু ও ঘঞ্ প্রত্যয়যোগে গঠিত। বহ্ধাতুর অর্থ বহন করা এবং “বি” উপসর্গের অর্থ বিশেষরুপে। সুতরাং বিবাহ শব্দের অর্থ বিষেশ রুপে বহন করা। বিবাহের ফলে পুরুষ স্ত্রীর ভরণ-পোষণ এবং মানসম্ভ্রমরক্ষার সার্বিক ভার বহন করতে হয়। ●●বৈদিক দর্শন অনুযায়ী বিবাহ প্রধানত ১০ ধরনের- ১) ব্রহ্ম বিবাহঃ------- সবচেয়ে পবিত্র ও প্রসিদ্ধ বিবাহ। এই বিবাহে কন্যার পিতা সৎ, চরিত্রবান, বুদ্ধিমান, বিদ্বান পাত্রকে আমন্ত্রন জানান, সালঙ্কারা কন্যাদান ও দক্ষিনার মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন হয়। ২) দৈব বিবাহঃ ------এই বিবাহ পদ্ধতিতে পিতা নিরালঙ্কারা কন্যাকে যজ্ঞের অগ্নির সম্মুখে কোন সাধুসন্ন্যাসীকেদান করে।যদিও এটি প্রশংসনীয়, কিন্তু এটি ব্রহ্ম বিবাহ অপেক্ষা নিম্ন। ৩)আর্য বিবাহঃ -------বিভিন্ন ধর্মীয় আচার রীতি ( যজ্ঞ) করার উদ্দেশে পিতা কন্যার বিবাহ দেন গাভি ও ষাঁড়ের বিনিময়ে। ৪) প্রজাপত্য বিবাহঃ যখন পাত্র, কন্যার পানিপ্রার্থি হয়, তখম কন্যার পিতা এই শর্তে বিবাহে সম্মতি দেন যে “ তোমরা সর্বদা ধর্ম, কর্ম ও কর্তব্যের পথে চলবে।“ ৫) অসুর বিবাহঃ কন্যার পিতাকে পন/ যৌতুক প্রদান করে পাত্র যদি বিবাহ করে তাকে অসুর বিবাহ বলে। ৬) গন্ধর্ব বিবাহঃ কন্যা ও পাএ একে অপরকে চেনা জানা থাকলে তাদের সম্মতিতে বিবাহ কে গান্ধর্ব বিবাহ বলে। নারী- পুরুষ পরস্পর শপথ করে মাল্যবিনিময়ের মাধ্যমে এই বিবাহ হয়। এর উদাহরণ, মহাভারতে দুষ্মন্ত ও শকুন্তলার বিবাহ গাদ্ধর্ব বিবাহ ছিল। ৭) রাক্ষস বিবাহঃ আত্মীয় পরিজন দের মারধর করে, ক্রন্দনরতা কন্যাকে জোরপুর্বক অপহরন করে যে বিবাহ করা হয়। ৮) পৈশাচ বিবাহঃ ঘুমন্ত, অচেতন, মানসিক ভাবে অসুস্থ কন্যাকে বিবাহ করলে। ৯) অনুলোম বিবাহঃ উচ্চবর্নের পুরুষ যদি নিম্নবর্নের নারী বিবাহ করে। ১০) প্রতিলোম বিবাহঃ নিম্নবর্নের পুরুষ যদি উচ্চবর্নের নারী বিবাহ করে। ৯ ও ১০ এর বংশধর অনুলোম প্রতিলোম প্রজাতি বিবেচিত হয়। প্রকৃত অর্থে ধর্ম অনুযায়ী অনুলোম প্রতিলোম বিবাহ স্বীকৃত নয়, যদিও সকল সন্তানই ভগবানের সৃষ্টি। শুক্রাচার্যের একনিষ্ঠ শিষ্য ছিলেন সূত। তার মা ছিল ক্ষত্রিয়, পিতা ব্রাহ্মন। সূত গীতা, পুরান সহ নানা গ্রন্থবিশারদ ছিলেন, কিন্তু নিজের অনুলোম জন্মহেতু নিজেকে শূদ্র বলে পরিচয় দিতেন। ♡বেদে বিবাহ সম্পর্কে বলা হয়েছেঃ------- উদীর্স্বাতো বিশ্বাবাসো নমসেলামহে ত্বা । অন্যামিচ্ছ প্রফর্ব্যং সং জায়াং পত্যা সৃজ ।।১০/৮৫/২২।। —অর্থাত্ তুমি যাও ও অবিবাহিত নারীকে তোমার অর্ধাঙ্গিণী কর এবং তাকে সমান অধিকার প্রদান কর। আমাদের সনাতন বিবাহে কত গুলো বিধিবিধান শাস্ত্রীয়, কিছু অনুষ্ঠান আচার রয়েছে। শুভলগ্নে নারায়ণ, অগ্নি, শিব, দূর্গা, গুরু ইত্যাদি দেবতাকে আহবান করে এবং পুরোহিত আত্মীয় স্বজনদের সাক্ষী করে মঙ্গল মন্ত্রের উচ্চারণ, উলুধ্বনি ও শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে বিবাহনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বিয়ের মন্ত্রের শেষ হয় যজ্ঞের মাধ্যমে। ■♡♡♡♡ বিবাহের মূল মন্ত্র যা স্বামী স্ত্রীরা প্রতিজ্ঞা করে থাকে : “যদেতত্ হৃদয়ং তব তদস্তু হৃদয়ং মম । যদিদং হৃদয়ং মম, তদস্তু হৃদয়ং তব ।।” —তোমার এই হৃদয় আমার হোক আমার এইহৃদয় তোমার হোক। বিবাহের মাধ্যমে একজন নারীপুরুষ চীর জীবন একসাথে সুখে দুঃখে থাকবার প্রতিজ্ঞা করে। বিবাহ আমাদের সনাতন ধর্মের একটি অন্যতম অংশ। প্রত্যেকেরই জীবনকে পরিপূর্ণ করতে বিবাহ করা আবশ্যক। ■■■■■■বাঙালি হিন্দু বিবাহের লৌকিক আচার বহুবিধ।কিছু নিয়ম জানালাম----------------- ■ পাটিপত্র ••••••••পাটিপত্র বাঙালি হিন্দু বিবাহের প্রথম আচার। এই আচার লগ্নপত্র বা মঙ্গলাচরণ নামেও পরিচিত। ঘটকের মাধ্যমে সম্বন্ধ করে বিবাহ স্থির হলে নগদ বা গহনাপত্রে যৌতুক ও অন্যান্য দেনাপাওনা চূড়ান্তভাবে স্থির করার জন্য যে অনুষ্ঠান হয়, তাকেই পাটিপত্র বলে। এই আচারের মাধ্যমেই বিবাহের অন্যান্য আচারের সূচনা ঘটে। ■ পানখিল•••••••••• পানখিল বাঙালি হিন্দু বিবাহের দ্বিতীয় আচার। এটি পাটিপত্রের ঠিক পরেই পালিত হয়। পানখিলের অর্থ পান পাতায় আনুষ্ঠানিকভাবে খিল দেওয়া বা খড়কে বেঁধানো। এই আচারটি প্রথমে বরের বাড়িতে এবং পরে কনের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়। পানখিল আচারে বাড়ির মেয়েরা এবং প্রতিবেশিনীরা বিয়ের গান গেয়ে থাকে। এই গানের বিষয়বস্তু হল রাম ও সীতার বিবাহ। ■ দধি মঙ্গল••••••••••••• দধি মঙ্গল বিবাহের দিন বর ও কন্যার উপবাস। তবে উপবাস নির্জলা নয়। জল মিষ্টি খাওয়ার বিধান আছে। তাই সারাদিনের জন্য সূর্য্যোদয়ের আগে বর ও কন্যাকে চিড়ে ও দৈ খাওয়ানো হয়। ■ গায়ে হলুদ•••••••• গায়ে হলুদ : সংস্কৃত ভাষায় এই রীতিকে বলা হয় গাত্রহরিদ্রা। হিন্দু ধর্মে কয়েকটি জিনিসকে শুভ বলা হয়। যেমন শঙ্খধ্বনি, হলুদ ইত্যাদি। প্রথমে বরকে ও নিতবরকে সারা গায়ে হলুদ মাখানো হয়। পরে সেই হলুদ কন্যার বাড়ী পাঠানো হয়। কন্যাকে সেই হলুদ মাখানো হয়। ■ শঙ্খ কঙ্কন•••••••••••••••শঙ্খ কঙ্কন : কন্যাকে শাঁখা পরানো হয়। এরপর বিকালে বিবাহের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। ■ বর বরণ••••••••••বরবরণ : বর বিবাহ করতে এলে তাকে স্বাগত জানান কন্যাপক্ষ। সাধাবনত: কন্যার মা তার জামাতাকে একটি থালায় প্রদীপ, ধান দুর্ব্ব ও অন্যান্য কিছু বরণ সামগ্রী নিয়ে বরণ করেন। এরপর বরকে বাড়ীর ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয় ও দুধ এবং মিষ্টি খাওয়ানো হয় । ■ সাত পাক•••••••••••••• সাত পাক : বিবাহের মণ্ন্ডপে প্রথমে বরকে আনা হয়। এরপর কন্যাকে পিঁড়িতে বসিয়ে আনা হয়। সাধারণত: কন্যার জামাইবাবুরা পিঁড়ি ধরে থাকেন। কন্যা পান পাতা দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে রাখেন। কন্যাকে পিঁড়িতে করে বরের চারপাশে সাতপাক ঘোরানো হয়। ■ শুভদৃষ্টি ••••••••••••শুভদৃষ্টি : বিবাহের মন্ডপে জনসমক্ষে বর ও কন্যা একে অপরের দিকে চেয়ে দেখন। ■ মালা বদল••••••••• মালা বদল : কন্যা ও বর মালাবদল করেন। এই রীতির অর্থ হচ্ছে দুজন একে অন্যকে জীবনসঙ্গী হিসাবে মেনে নিলেন। মুসলমান মতে একই ভাবে কন্যাকে বলতে হয় "কবুল"। আবার ঠিক এই রকমই খৃষ্টান মতে চার্চের ফাদারের সামনে বর ও কন্যা বিবাহে সন্মতি জানান।

Hang Yakub Menon‬

চোখে জল ধরে রাখা যায় ন।এরপরও মসলমানরা সাথে সব সেকুলার এক হয়েছে ইয়াকুবের ফাসির বিরুদ্ধে!কিন্তুআমরা কথা দিচ্ছি দীদা আর কদিন পরেই তোমার চোখের সামনে নিয়ে ফেলব ইয়াকুবের লাশ**** আগামী ৩০ জুলাই ফাঁসি হবে ইয়াকুব মেমনের।আর এই ঘোষণায় শেষ হল এক শতায়ু বৃদ্ধার অপেক্ষা।বিচারেরআশায় বাইশ বছর অপেক্ষা করছেন বিস্ফোরণে আহত বিন্দুর মিরচন্দানি। মার্চ ১৯৯৩।বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল সেঞ্চুরিয়ন বাজার।RDX-এর অভিঘাতে তছনছ হয়েছিল গিয়েছিল গোটা এলাকা।বাজারের পাশেই মালকানি মহলে তখন নাতিকে খাওয়াচ্ছিলেন ৭৮ বছরের বৃদ্ধা বিন্দুর মিরচন্দানি। বিস্ফোরণ ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল তাঁর শরীর। দীর্ঘদিন অচৈতন্য পড়ে ছিলেন হাসপাতালে। শরীরের বত্রিশটি ক্ষতস্থান থেকে বের করা হয় স্প্লিন্টার। কিন্তু, জীবনের লড়াই ছাড়েননি।দীর্ঘ ২২ বছর ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করেছে। ইয়াকুব মেমনের ফাঁসিতেই তাঁর শান্তি। ওই আবাসনেরই আরেকটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা কমলা মালকানি।আবাসনেরনীচে ছিল তাঁর বিউটি পার্লার। সেঞ্চুরি বাজারের বিস্ফোরণে ঘটেছিল তাঁর স্বপ্নের অকালমৃত্যু। তারপর হাসপাতালের বেডে শুয়ে অপেক্ষা করেছেন। একটু একটু করে জীবনে ফেরার লড়াইয়েও অপেক্ষা করেছেন। ইয়াকুব মেমনের ফাঁসিতে তাঁরও অপেক্ষার পরিসমাপ্তি। দেখুন- http://zeenews.india.com/bengali/nation/bindur-mirchandani-awaits-yaqub-memons-sentence-at-100_129806.html ভিডিওতে দেখুন তার মুখে- https://www.youtube.com/watch?v=Pn_ZkS4w-oo&feature=youtu.be তোমার চোখের জলের প্রতিশোধ নিব আমরা। ‪#RSS‬

পতিতা নারী

"পতিতা নারীকে দেখিয়া আমাকে নাসিকা কুঞ্চিত করিতে হয়, কারণ সমাজ তাই চায়, যদিও সে আমার ত্রাণকর্ত্রী, যদিও তাহার পতিতাবৃত্তির ফলে অপর স্ত্রীলোকের সতীত্ব রক্ষা পাইতেছে। কথাটি ভাবিয়া দেখ। স্ত্রী-পুরুষ সকলেই মনে মনে কথাটি ভাল করিয়া বিচার করিয়া দেখ। কথাটি সত্য-নিরাবরণ, নির্ভীক সত্য। আমি যত বেশী করিয়া জগৎকে দেখিতেছি, যত বেশী সংখ্যক নরনারীর সম্পর্কে আসিতেছি, আমার এই বিশ্বাস ততই দৃঢ়তর হইতেছে। কার দোষ দিব? কার প্রশংসা করিব? সব কিছুর দুটি দিকই দেখিতে হইবে। সম্মুখে যে কাজ রহিয়াছে, তাহা বিপুল; আমাদের অবচেতন স্তরে যেসব অসংখ্য চিন্তা ডুবিয়া রহিয়াছে, আমাদের জ্ঞান-নিরপেক্ষ হইয়াই যেগুলি নিজে নিজে কাজ করিয়া চলে, সেগুলিকে স্ববশে আনিতে চাওয়াই হইল আমাদের সর্বপ্রথম কাজ। খারাপ কাজটি অবশ্য চেতনস্তরেই ঘটে, কিন্তু যে কারণ কাজটিকে ঘটাইল, তাহা ছিল আমাদের অগোচরে বহুদূপে-অবচেতনার রাজ্যে; সেজন্য তাহার শক্তিও বেশী।" - স্বামী বিবেকানন্দ