Monday, 27 July 2015

ভারত সরকারের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মন্ত্রক কতৃক এক বছরে বিজেপি সরকারের সাফল্যের খতিয়ান

ভারত সরকারের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মন্ত্রক কতৃক এক বছরে বিজেপি সরকারের সাফল্যের খতিয়ান:- ★"Seekho Aur Kamao " প্রজেক্টে ৪৫০০০ সংখ্যালঘু যুবকের স্কিলড ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ★"Nai Manzil "প্রকল্পে ৩০০০ মাদ্রাসাকে মুলস্রোতে ফেরানোর লক্ষ্যে নামীদামি বিদ্যায়তন গুলোর সঙ্গে সেগুলির পাঠ্যক্রম কে যুক্ত করা হয়েছে। ★"Upgradation of the Skill and Training in Traditional Arts/ Crafts " প্রকল্পে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় কে প্রথাগত কারিগর ও শিক্ষানবিশ তৈরির জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ★ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিক্যল এন্ট্রান্স পরিক্ষায় ভাল ফল করবার লক্ষ্যে ১১৫০ জনকে সম্পুর্ন বিনামুল্যে ট্রেনিং করানো হয়েছে। ★"Cyber Gram Yojona " প্রকল্পে ১০০ টি মাদ্রাসায় ডিজিট্যল শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ★"Waqf Property Lease Rule' 2014" সংশোধিত করে তা জনগনের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। ★"Hamari Dharohor "প্রকল্পে সংখ্যালঘুদের পুরোন ঐতিহ্যগুলোকে সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ★"National Waqf Development Corporation" রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের সঙ্গে মিলে Land Bank তৈরির কাজ শুরু করেছে। ★আজমেরে "Khwaja Garib Nawaz Senior Secondary School " তৈরি করে সংখ্যালঘুদের শিক্ষার হার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।এধরনের আরোও প্রচুর বিদ্যালয় তৈরির কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। ★প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরে সংখ্যালঘুদের বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। Biman Chaki

পঞ্জাবে গুরুদাসপুরে পুলিস থানায় ভয়াবহ জঙ্গি হানা

পঞ্জাবে গুরুদাসপুরে পুলিস থানায় ভয়াবহ জঙ্গি হানা, মৃত অন্তত ৮, আরও অনেক মৃত্যুর আশঙ্কা.... ‪#মুসলমান‬=‪#সন্ত্রাসবাদী‬ এরপরও সেকুরা চিল্লাবে ‪#সন্ত্রাসবাদীর‬কোনোধর্মহয়না । কিছু আবাল হিন্দুও তাদের সাথে গলা মেলাবে।। বলি, এইভাবে আর কতদিন চলবে? যখন নিজের চোখেই দেখছেন পৃথিবীর সব সন্ত্রাসবাদীই মুসলমান, তাও কিভাবে বলেন যে সন্ত্রাসবাদীদেরধর্ম হয় না? নিজের বাড়িতে হামলা হলে, কি কাছের কেউ নিহত হলে তবে শিখবেন, তবে কি আপনাদের চোখ খুলবে?? http://zeenews.india.com/bengali/nation/gunmen-in-army-uniform-attack-police-station-in-gurdaspur_129940.html

পাচারের জন্যে নিয়ে যাওয়া গরু ভর্তি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে

স্থান- বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ে। সময়- ২৬শে জুলাই, রাত ১২:১০। পাচারের জন্যে নিয়ে যাওয়া গরু ভর্তি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে সামনে চলা ওয়াগন-আর গাড়িতে। সংঘর্ষের ফলে গাড়িটি এগিয়ে গিয়ে ধাক্কা মারে তার সামনের ট্রলারে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গাড়ির চালক ও পিছনের সিটের আরোহী মহিলা আহত হন। ঘটনার প্রায় আধঘণ্টা পরে ঘটনাস্থলে পৌছেও কোন পুলিশের দেখা পাইনি। স্থানীয় দোকানদারদের বক্তব্য যে গরুপাচারকারী ট্রাকের নিয়ন্ত্রনহীন ড্রাইভিং-এর ফলে এরকম অ্যাক্সিডেন্ট এক্সপ্রেসওয়েতে প্রায় নিয়মিত ঘটনা কিন্তু তারপরেও পুলিশ এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। ট্রাকের চালক ও সহকারী পলাতক।

উগ্রবাদী জিহাদী মুসলিম

গত কয়েক বছর যাবত লক্ষ্য করছি কিছু উগ্রবাদী জিহাদী মুসলিমরা ছলে বলে কৌশলে হিন্দু ও উপজাতি মেয়েদেরকে তাদের বিষাক্ত ছোবলে ফেলে তাদের সর্বস্ব কেড়ে নিচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে এইদেশ আগামী দশ বছরে আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তান হতে বেশি দেরি নেই । পূর্ণিমা রাণীকে ধর্ষণের ঘটনা নিশ্চয় সকলে সংবাদ পত্রে পেয়েছেন । পত্রিকার ভাষ্যমতে ১১জন মানুষরূপী অসুর তার মায়ের সামনে তাকে ধর্ষন করল । মা অনেক বাঁধা দিয়ে ও পারেনি এবং মা এই নরপশুদের জাতিগত বিদ্ধেষ সহ্য করতে না পেরে বলল বাবা তোমরা একজন একজন করে যাও অন্যত আমার ছোট মেয়ে কিছু বুঝেনা ও যে মারা যাবে কিন্তু উগ্রবাদী মুসলিমরা কানেই নিলো না যেহেতু পূর্ণিমা রাণী কাফের তথা হিন্দু অথচ এদের মাথায় টুপি ও মুখে গোঁফ ছিল এবং বলে বেরায় তারাই নাকি শান্তির ধর্মের অনুসারী । আজো কি পূর্ণিমা তার উপযুক্ত বিচার পেয়েছে কিনা আমার জানা নেই যাহোক সনাতনী মেয়েরা সাবধান আর শুধু আইন নয় বরং নিজেদের মধ্যে একতা তৈরি করে এসব কুলাঙ্গারদেরকে ছলে বলে কৌশলে এমন শাস্তিই দেওয়া উচিত । বিঃদ্রঃ লেখাটি সম্পূর্ণ সত্য এবং সনাতনী বিবেককে সচেতন করতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস দয়াকরে কোন ভাই কিংবা বোন খারাপ ভাববেন না ।

২১য়ে জুলাই ধর্মতলা

২১য়ে জুলাই ধর্মতলাতে গবিন্দভোগের ভাত,সোনা মুগের ডাল,চানা মসালা,কাৎলা মাছের ঝাল,চাটনি ইত্যাদি সহযোগে ভোজোন, তার পর নতুন তথ্য আবিষ্কার(ভাইপো দ্বারা)"মমতা আষ্টধাতুতে গড়া" এবং এটি শুনে জনতা র করতালিতে আকাশ বাতাস মুখরিত হতে দেখে একটা গানের দুটি কলি মনে আসে " ওরে বাজিয়ে তালি লোক হাঁসালি কূটকচালি পাড়াময়ে(রাজ্যময়ে) আমার দিদি ভালো দিদি নয়" মুশকিল হলো এই অষ্টধাতুর সাথে প্রত্যয় একটা ও নেই তাই বাংলার আজ এই হাঁড়ির হাল

সংকল্প উচ্চতর শক্তিকে আকর্ষন করে

সংকল্প উচ্চতর শক্তিকে আকর্ষন করে একদা এক চড়–ই পাখি ছিল যে সমুদ্রের তীরে তার ড়িম পেড়েছিল। তার অবর্তমানে সমুদ্র তার ডিম চুরি করেছিল। তার ডিমগুলো না পেয়ে, সে সমুদ্রকে হুমকি দিয়েছিল, তার ডিমগুলো ফেরত দেবার জন্য। সমুদ্রের কাছ থেকে কোন প্রত্যুত্তর না পেয়ে চড়–ই পাখিটি সমুদ্রকে শুকিয়ে দেবার পণ করেছিল। নিশ্চিতভাবে, সমুদ্র চড়–ই পাখির হুমকিকে গুরুত্ব সহকারে নেয় নাই। তার লক্ষ্য অর্জনের জন্য দৃঢ়সংকল্প হয়ে চড়–ই পাখি তার ছোট্ট ঠোটে করে এক এক বিন্দু জল নিতে লাগল এবং দূরবর্তী স্থানে বহন করে রাখা শুরু করলো। সমস্ত বাধা-বিপত্তির বিরুদ্ধে দৃঢ় সংকল্প হয়ে সে তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে লাগল এবং তার এই দৃঢ় সংকল্প সমস্ত পাখিদের রাজা, ভগবান বিষ্ণুর বাহন গরুড়কে আকর্ষণ করেছিল। গরুড় সমুদ্রকে আদেশ দিয়েছিল চড়–ই পাখির ডিম ফেরত দেওয়ার জন্য এবং সেই শক্তিশালী পাখির আদেশে ভীত হয়ে সমুদ্র চড়–ই পাখির ডিমগুলো ফেরত দিয়েছিল। আমাদের ভগবৎ চেতনা- বিনয়, ভক্তি এবং ভগবানের প্রতি ভালোবাসা হচ্ছে ডিমগুলোর মতো যা আমাদের গর্ব, অহংকার এবং আধ্যাত্মিক জীবনের প্রতি অনাগ্রহরূপ বিশাল সমুদ্রের মধ্যে ডুবে গিয়েছে। মা চড়–ই পাখির মতো, আমাদের কোন আশা নেই সেগুলো থেকে মুক্তি পাওয়ার। কিন্তু যদি সেই ছোট্ট পাখির মতো সংকল্প নিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিই, “যাই হোক আমি এটা করবোই” তখন ভগবান সেই কার্যটিকে নিজের কাঁধে তুলে নেবেন। অজ্ঞতা, গর্ব, অহংকার এবং অলসতার সমুদ্র থেকে তিনি আমাদের আত্মাগুলোকে উদ্ধার করবেন। তো আমাদের অবশ্যই প্রয়াস করতে হবে। হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপের প্রয়াস। হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে / হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।

হিন্দু জনগোষ্টি ঐক্য

হিন্দু জনগোষ্টি ঐক্য করনে জাগো হিন্দু পরিযদ পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলায় কমিটি গঠন | বাংলাদেশের হিন্দুদের ঐক্যের হাতকে জড়ালো করার লক্ষ্যে জাগো হিন্দু পরিষদ এখন ছড়িয়ে পড়ছে দেশের সকল কোনায়।গতকাল জাগো হিন্দু পরিযদ,আটোয়ারী উপজেলায় সম্পুর্ন হল আলোচনা সভা ও কমিটি গঠন। এসময় সভায় উপস্হিত ছিলেন আটোয়ারী উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মীরা রানী, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিযদের সভাপতি এবং নীলফামারী, ডোমার,দেবীগঞ্জ, বোদা, ঠাকুরগাঁও জেলার জাগো হিন্দু পরিষদের নেত্রিবৃন্দ। সভায় আটোয়ারী উপজেলায় হিন্দুদের মাঝে ঐক্যতা বাড়ানো সেই সাথে অর্থনৈতিক,সামাজিকভাবে আরো সুসংগঠিত হওয়ার ব্যাপারে আলোকপাত করার হয়। ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে আটোয়ারী উপজেলায় খুব শীগ্রই ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মীরা রানী কাছে সহযোগীতা চাওয়া হয় এবং তিনি এতে সারা দিয়ে সকল প্রকার সহযোগীতার আশ্বাষ প্রদান করেন।