|| Chakulia update || ভাঙা হল মুসলিম জেহাদিদের দ্বারা হনুমান মন্দির । 24 শে জুলাই রাতের অন্ধকারকে হাতিয়ার করে কিছু মুসলিম (জেহাদি)-দের দল আক্রমন করল কানকি অঞ্চলের বসতপুর গ্রামের নতুনহাট (কেডিয়া মার্কেট)এর হনুমান মন্দির । ইতিপূর্বেই চাকুলিয়া থানা থেকে দুই কিমি র মধ্যে শিরশি গ্রামের 10 টি আদিবাসি (হিন্দু) পরিবারের সর্বস্ব লুঠ এবং বাড়িতে আগুন লাগিয়ে ঐ 10 টি পরিবারকে সর্বহারা করে কিছু উগ্র মুসলিম (ভাটিয়া) -র দল । পর পর এই ধরনের জেহাদি আক্রমন ঠিক কী ইঙ্গিত বহন করে ??????? হিন্দু সমাজের কি এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে না ??? ..... কৃতজ্ঞতাঃ ঝড়ু রায়.....
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 29 July 2015
উড়তে ভয় পেলে পাখি একা থাকলেও উড়তে পারবে না
উড়তে ভয় পেলে পাখি একা থাকলেও উড়তে পারবে না, আবার জোট বাঁধলেও উড়তে পারবে না৷ সাঁতার কাটতে না জেনে নদীতে ঝাপ দিলে তুমি একাও যেমন জলে ডুবে মরবে, দশজন লোক থাকলেও সবাই জলে ডুবে মরবে৷ তাই জোট বাঁধাটা সমস্যার সমাধান নয়৷ যে কাজটা করতে হবে, যারা জোটবদ্ধ হচ্ছে তারা ব্যক্তিগত ভাবে সেই কাজটা করতে পারে কি না, সেটাই আসল৷ মোল্লার ভয়ে হিন্দুর জোটবাঁধা বা সংগঠিত হওয়ার ইচ্ছা জেগে ওঠাটা হল আসলে ফাঁকিবাজীর কল! এ হল দুধের পুকুর তৈরী করতে গিয়ে রাতের অন্ধকারে দুধের পরিবর্তে জল ঢেলে আসার সেই চিরন্তন মনোবৃত্তি! অন্যায়ের বিরুদ্ধে একা রুখে দাঁড়ানোর সাহস নেই, দশজনকে জোগার করে 'তাদেরই দলের পিছনে আমিও আছি' - গান গেয়ে নিজেকে বাঁচানোর ধান্দা৷ আমিও সংগঠনের গুরুত্বকে অস্বীকার করি না৷ কিন্তু সম্পূর্ণ হিন্দুু সমাজকে সংগঠিত করার পরিবর্তে হিন্দু সমাজের মধ্যে যারা সাহসী ও লড়াই করতে পারে, আমি তাদেরকে সংগঠিত করতেই আগ্রহী৷ আর সেই সংগঠন গড়ে তোলার জন্য কোন কৃত্রিম পদ্ধতি আবিষ্কার করার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না৷ সেই সংগঠন প্রাকৃতিক কারণে স্বাভাবিক ভাবেই গড়ে উঠবে, যখন আমরা ব্যক্তিগত ভাবে মুসলিম আগ্রাসনের হাত থেকে আমার পায়ের তলার মাটি, মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা করার জন্য রুখে দাঁড়াবো, আমার সাথে কে কে এই লড়াইয়ে যোগদান করল বা করল না, তাদের মাথা গুনে সময় কাটাবো না আর আক্ষেপ করবো না৷
হিন্দুর দলগড়ার পিছনে উদ্দেশ্য হচ্ছে ভিড়ের মাঝে নিজেকে লুকিয়ে রাখা
হিন্দুর দলগড়ার পিছনে উদ্দেশ্য হচ্ছে ভিড়ের মাঝে নিজেকে লুকিয়ে রাখা! কিছু পেতে হলে তার উপযুক্ত মূল্য দিতে হয়৷ ব্যক্তিগত ভাবে যারা মূল্য দিতে প্রস্তুত, তারা সংগঠিত হলে সেখানে শক্তি তৈরী হয়৷ কিন্তু বিপদের সময় আমার সামনে দশজন লোক দাড়িয়ে থাকুক, যাতে আঁচটা আমার গায়ে না লাগে-এই মানসিকতা নিয়ে জোটবদ্ধ হতে চাইলে কারো কোন লাভ হবে না৷ যারা সংগঠনের কথা বলে তাদের বেশীর ভাগেরই সঙ্ঘর্ষের প্রস্তুতি বা সাহস নেই৷ বাঘের হাত থেকে বাঁচার জন্য হরিণের জোট বাঁধা আর মোল্লার হাত থেকে বাঁচার জন্য হিন্দুর জোট বাঁধা প্রায় একই রকম৷ হরিণের দলের মধ্য থেকে একটা দুটোকে টার্গেট করে বাঘ যখন তাদের শিকার করে, তখন বাকীরা তাদেরকে বাঁচানোর জন্য ঝাপিয়ে পড়ে কি? বরং নিজেদের ভাগ্যবান মনে করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়৷ হিন্দুদের ক্ষেত্রেও একই রকম৷ মোল্লার আক্রমণ প্রতিহত করতে জোট বাঁধার দৃশ্য খুব কম চোখে পড়ে কিন্তু মার খেয়ে পার্শবর্তী কোন নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়ে শ'য়ে শ'য়ে লোকের সমবেত ক্রন্দন শোনার অভিজ্ঞতা প্রচুর হয়েছে৷ বিপদে পড়ল এইভাবে জোটবাঁধার অঙ্কটা হল - টার্গেটের সংখ্যা যত বেড়ে যাবে, নিজে hit হওয়ার probability তত কমে যাবে! তাই সিংহ একটার জায়গায় দশটা হলে সাধু! কিন্তু ভেড়া একটাও যা, একশটাও তাই৷ বরং একটার জায়গায় একশটা ভেড়া থাকলে শিকারীর আনন্দ একশ গুন বৃদ্ধি পায়!
পার্কে বিকিনি পরার অপরাধে
পার্কে বিকিনি পরার অপরাধে উত্তর ফ্রানসের এক জন মেয়েকে বোরকা পরিহিতা এক দল মুসলিম ছাগলী প্রচণ্ড মারধর করেছে। ফ্রান্সেও মুসলিম ছাগলীরা আল্লাহর আইন চায়। বোরকা পরিহিতা এই সব মুসলিম ছাগলীদের বস্তাবন্দি করে পিটানো দরকার। নিউজ লিংক কমেন্ট বক্সে
সিককুলার ভাম
পাড়ার সিককুলার ভাম কাকুর একটি মেয়ে আছে, মোটামুটি স্বাধীন ভাবেই চলাফেরা করতো। সে যখন ক্লাস এইটে পড়ে, পাশের পাড়ার দশম শ্রেনীতে পড়া বিষ্ণুপদ বাগ্দীর সাথে প্রেম হয়, ভালো ছেলে, বেশ বুদ্ধিমান। কিন্তু বাধ সাধল তার বাবা। ছোট জাতের সাথে সম্পর্ক মেনে নিতে পারলেন না তিনি। অনেক বাধা দানের পরও যখন, মেয়ে-ছেলে কেউই কথা না শুনে লুকিয়ে চুরিয়ে দেখা করতে লাগল,... তখন তিনি তার গুণমুগ্ধ কয়েক জন কর্মী দিয়ে তাদেরকে বেদম প্রহার করান, এবং এরপর দেখা করলে বাড়ির সকলকে সটান মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। থানাতে অভিযোগ জানানোরও সব পথ বন্ধ করা হয়। এখানেই তাদের প্রেমের ইতি ঘটে। সে বছর কেন, আর কোনদিনই সেই উজ্জ্বল ছেলেটির আর মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। কিছুদিন পরে ভাম কাকুর মেয়ের দিকে, তার এক চ্যালার নজর পড়ে। সুযোগের অপেক্ষায় ঘুর ঘুর করে, বাড়ি আসে যায়। এর মধ্যেই একদিন সুযোগ জুটে যায়, মা নেই, দাদা কলেজ গেছে, ভামকাকু পার্টি অফিসে আর দাদু-ঠাকুমা! সে তো পৈতৃক বাড়ীর কাকুদের কাছে। সেদিনেই ধর্ষন করে তার যুবতী মেয়েকে। পাড়ার ছেলে-ছোকরারা ধরেও ফেলে কিন্তু ভামকাকু এসে পড়ায়, উত্তম-মধ্যম থেকে বেঁচে যায়। ভাম কাকু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের ভয়ে ব্যাপারটা চেপে যায়। এতো গুলো ভোটের কি হবে, এই আশঙ্কাতেই বোধ হয়! অন্যদিকে তার ছেলেও প্রেমে পড়ে গ্রামেরই এক বিধর্মী মেয়ের সাথে, একদিন চুমোচুমির সময় পাড়ার গলিতে ধরা পড়ে, পাড়ার ছেলেরা হাত-পা ভেঙে দিলে, পাড়ার কিছু ভালো ছেলে তাকে হসপিটালাইজড করে, বাড়িতে খবর দেয়, সবাই তো আর সমান নয়। পরে পোগতীশীল, অসাম্প্রদায়িক ভামকাকু মেয়ের পাড়াতে গিয়ে ছেলের অপকর্ম ও বিধর্মীদের ইজ্জতে হাত দেওয়ার অপরাধে ক্ষমা চেয়ে আসে। যদিও পরবতী সময়ে তার সেই কুসংস্কার মুক্ত ছেলে সেই মেয়েকে নিয়ে ভাগে কিন্তু কিছুদিন পর সেই মেয়ে ফিরে এলেও ছেলে আর কোনদিন ফেরেনি। ভামকাকু এখন বদ্ধ পাগল, বিড়বিড় করে সারাদিন ধরে কি যেন বকে! ..... সুমন মন্ডল.......
Gita-প্রেসিডেন্ট স্বর্গীয় কালামজী
শ্রীমদ্ভগবদগীতাআমার জীবনকে বদলে দিয়েছে-আত্মজীবনীতে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট স্বর্গীয় কালামজী। যে ব্যক্তি জীবনে কখনো নামায পড়েনি,ইসলামের ধারে কাছেও তার জন্য মসলমানরা যেন ইন্না ইল্লাহি রাজিউন না বলে-মসলমানদের কাছে এই অনুরোধ করছি।এবং কর্তপক্ষের নিকট আবেদন জানাচ্ছি-চিরকালহিন্দু রীতি মেনে চলা প্রাণপ্রিয় কালামজীকে যেন শ্মশানে অন্তেষ্টিক্রিয়া করা হয়। (দিব্যান লোকান সঃ গচ্ছেতুঃ) # RSS
হিন্দু নেতাদের হিন্দু বললে হিন্দু ধর্মের অপমান
হিন্দু নেতাদের হিন্দু বললে হিন্দু ধর্মের অপমান মনে করি ।মুসলমান নেতাদের দেখবেন তারা নিয়মিত মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে ।অন্যদিকে হিন্দু নেতারা মন্দিরে কতদিন পর পর যায় ভগবান জানেন ।আমার মনে হয় হিন্দু নেতাদেরকে যদি বলেন- গীতার কয়টি অধ্যায় ও কি কি?গীতার অষ্টাদশ অধ্যায়ের 66 নং শ্লোকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কি বলেছেন?উত্তর পারবে না শতকরা 95 ভাগ হিন্দু নেতা । বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত হিন্দু নির্যাতন হয় অথচ তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না । অন্যদিকে সাধারণ হিন্দুরা মাঠে নেমে বৃষ্টিতে ভিজে আন্দোলন করে হিন্দু এমপি ও মন্ত্রী চাই । ক্ষমতা একবার হাতে পেয়ে গেলে চোখে সর্ষে ফুল দেখে ।এদেশে সব কয়টা হিন্দু নেতা মুসলমানদের বাল ছাঁটে । একটা হিন্দু নেতা নেই জোর গলায় প্রতিবাদ করার মত ।একজন ছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত অথচ সরকার তাকে একটা সিস্টেমে সরিয়ে ফেললেন ।বর্তমানে হিন্দু সোনার ছেলে কয়েকটা আছে যারা ছাত্রলীগ কিংবা ছাত্রদলে যোগ দিলেন ।আসল কথা এদেরকে মুসলমান নেতা যাই বলে তাই কানে ধরে করে ।তাই আমাদের উচিত প্রত্যেক হিন্দু পরিবার থেকে টাকা তুলে হিন্দু নেতাদের দান করা ।কেননা তারা টাকার লোভে এসব করছে ।এখনি তাদের ফিরিয়ে আনতে হবে
Subscribe to:
Comments (Atom)