Wednesday, 29 July 2015

কংগ্রেস আর বিজেপি কালাম কে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সমর্থন করেছিল

পরস্পর বিপরীত মেরুতে অবস্থান করেও কংগ্রেস আর বিজেপি কালাম স্যার কে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সমর্থন করেছিল। একমাত্র কমিউনিস্ট রা কালাম স্যার এর বিরোধিতা করে ছিল, তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমন পর্যন্ত করছিল । কমিউনিস্ট পার্টির এই নোংরা চরিত্র অবশ্য বরাবরই আছে । কমিউনিস্ট দের চোখে নেতাজি হলেন তোজোর কুকুর , আর বিবেকানন্দ হলেন " চাকরি না পাওয়া বেকার " । এতে একটা বিষয় পরিষ্কার কমিউনিস্ট রা যাকে অপমান করে সারা দেশ তাঁদের কে জীবন্ত ভগবান মনে করে পুজো করে । আর কমিউনিস্ট রা যাকে সমর্থন করে সারা দেশ তাকে ঘৃণা করে যেমন ইয়াকুব মেনন । সন্ত্রাস বাদী দের থেকেও ভারতের বড় শত্রু হলো কমিউনিজম । সন্ত্রাসবাদী দের সাথে কমিউনিস্ট দের ও ফাঁসি দেওয়া হোক , দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর কৃষ্টির স্বার্থে । তুলসী তলায় দিয়ে বাতি / কমিউনিস্ট বলে আমিই সতী ।

বিদ্যাসাগরের প্রয়ান দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি

বিদ্যাসাগরের প্রয়ান দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি ******************************************* ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (জন্ম-২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ –মৃত্যু ২৯ জুলাই ১৮৯১) ঊনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই লাভ করেন বিদ্যাসাগর উপাধি। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল তাঁর। তিনিই প্রথম বাংলা লিপি সংস্কার করে তাকে যুক্তিবহ করে তোলেন ও অপরবোধ্য করে তোলেন।বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার তিনিই। রচনা করেছেন জনপ্রিয় শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয় সহ, একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ। সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করেছেন সাহিত্য ও জ্ঞানবিজ্ঞান সংক্রান্ত বহু রচনা।

বিশ্বে জঙ্গীবাদের যে মেরুকরণ ঘটেছে

সারা বিশ্বে জঙ্গীবাদের যে মেরুকরণ ঘটেছে তাতে বাংলাদেশের জঙ্গী সংগঠনগুলো নতুন করে অনুপ্রাণিত হচ্ছে এবং আল্লাফাকের নামে সংগঠিত হচ্ছে। দেশের মসজিদ, মাদ্রাসা, শহরের বিভিন্ন হোটেল এবং পতিতালয় গুলতে এইদের প্রধান ঘাঁটি। আজও গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জঙ্গী সংগঠন জেএমবির ভারপ্রাপ্ত প্রধানসহ ৮ ব্যক্তিকে আটক করেছে।

Name of The Poem "লন্ডনে ডিডি"

কবিতার নাম- "লন্ডনে ডিডি" দিদি বলতে সবাই ডিডি বলে,টানটান উত্তেজনা লন্ডনে । ডিডি এসেছে শিল্প গড়তে পুরো লন্ডন জানে ।। তেলভাজার দোকান হবে,সাথে তাপস পালের ল্যাংচা । রানাঘাটের মিস্ত্রী যাবে লন্ডন তৈরী হবে গজা ।। বার্কিংহামে হবে বিড়ির কারখানা,উপরে বাঁধবে বোমা । বিগ বেনের নিচে শোরুম হবে বোমা থাকবে জমা ।। টেমস নদীতে হবে ট্যাংরার চাষ,সাথে তেলাপিয়া । চপ ফুলরির ষ্টল বসবে থাকবে জয় নগরের মোয়া ।। ঝালমুড়ি খেয়ে ডেভিড ক্যামরুন,কিনবে একটা ঠেলা । টেমসের ধারে পার্কে বসে বেচবে দুই বেলা ।। এলিজাবেথও নাকি গড়বে ক্যুইন বিড়ির ফ্যাক্টারী । লন্ডন ভেঙে হবে তৈরী এবার টালীর বাড়ি ।। লন্ডনটাই এবার কলকাতা হবে,জ্বলবে ত্রিফলা । বিকিনি পরে ডিডি ডিডি বলে ফাটায় সবাই গলা ।। নীল সাদা রং এ রাঙবে লন্ডন,খুলবে হলদিরামের দোকান । ট্রাফিক সিগন্যালে বাজবে এবার টুনির মায়ের গান ।। ডিডির ডাকে লন্ডনে গরম,দেখতে আসছে হাওয়াই চটি । লন্ডনে গিয়ে হারাবে আবার ডিডি ঘটী ।। শিল্প এসেছে লন্ডনের বুকে,তেলেভাজায় বিনিয়োগ । তেলেভাজা খেয়ে লন্ডনে এবার আসবে পেটের রোগ ।। written by-sabyasachi

20 signs that psychopath Muslims do:

. 1] Kill any one who insults Islam or Moham-mad. (Koran.33;57-61). 2) Kill all Muslims who leave Islam. (Koran.2;217/4;89/Bukhari.9;84-57). 3) Koran can not be doubted. (Koran.2;1). 4) Islam is the only acceptable religion. (Koran.3;85). 5) Muslims must fight (jihad) to non-Muslims, even if they don't want to. (Koran.2;216). 6) We the non-Muslims are pigs and apes. (Koran. 2;62-65/Koran.5;59-60/ Koran.7;166). 7) We the non-Muslims cannot be friends with Muslims. (Koran.5;51). 8)We the non-Muslims sworn enemies of Muslims and Islam. (Koran.4;101). 9) We the non-Muslims can be raped as sex slave. (Koran.4;3 & 24/5;89/23;5/ 33;50/58;3/70;30). 10) We the non-Muslims the vilest of creatures deserving no mercy. (Koran.98;6). 11) Muslim must terrorized us (non-Muslims). (Koran.8;12 &59-60/Bukhari.4;52;220). 12) Muslims must strike terror into non-Muslims hearts. (Koran.8;60). 13) Muslims must lie to us (non-Muslims) to strengthen and spread Islam. (Koran.3;28?16;106). 14) Muslims are allowed to behead us (non_Muslims) (Koran.47;4). 15) Muslims are guaranteed to go to heaven if they kill us (non-Muslims). (Koran.9;111). 16) Marrying and divorcing pre-pubescent children is OK. (Koran.65;4). 17) Wife beating is OK. (Koran.4;34). 18) Raping wives is OK. (Koran.2;223). 19) Proving rape requires 4 (four) male Muslim witnesses. (Koran.24;13). 20) Muslims are allowed to crucify and amputate us (non-Muslims). Koran.8;12/ 47;4).

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোথায়?

পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে এক হিন্দু পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখল করে চাষ করেছে প্রতিপক্ষ। চাষের সময় যাতে বাধা দিতে না পারে সে জন্য প্রায় ২৫-৩০ জন সন্ত্রাসী দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ওই হিন্দু পরিবারটিকে জিম্মি করে রাখা হয়। গত বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনা জানার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ঘটনাস্থলে তার প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন। সূত্র জানায়, কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর মৌজার ১৫৮১নং খতিয়ানের ৬০৫২নং দাগের ৪১ শতাংশ জমি নিয়ে শংকর ধূপির সঙ্গে প্রতিপক্ষ হাবিবুর রহমান সিকদার ও আমির হোসেন মোল্লাদের দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলে আসছিল। সর্বশেষ চলতি বছরের ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি আ.ওয়াহাবের নেতৃত্বে বিচারপতি সামসুদ্দিন মানিক ও বিচারপতি ঈমান আলীর সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ শংকর ধূপির পক্ষে রায় দেন। ওই রায় পাওয়ার পর প্রতিপক্ষরা নানাভাবে শংকর ধূপিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দেশ ত্যাগের জন্য হুমকি দিয়ে আসছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে হাবিবুর রহমান সিকদারের ছেলে আনোয়ার সিকদার ও আমির হোসেন মোল্লার ছেলে রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শংকর ধূপির পরিবারের লোকদের জিম্মি করে দুটি ট্রাক্টর দিয়ে ওই জমি চাষ করে। শংকর ধূপি মোবাইল ফোনে এ ঘটনা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করলে তিনি ঘটনা পর্যবেক্ষণের জন্য সেখানে প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন বলে জানান। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলা নির্বাহী কমকর্তার প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে আসার আগেই তারা জমি চাষ করে ফেলেন। উল্লেখ্য, শংকর ধূপির প্রায় ৪ একর জমি দখল করার জন্য স্বাধীনতার পর থেকেই প্রতিপক্ষরা শংকর ধূপিসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা- মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। প্রতিপক্ষের লোকজন জামায়াত- শিবিরের সমর্থক হয়েও ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আবার, দেবহাটার পারুলিয়াতে প্রকাশ্যে তপন কুমার বিশ্বাস নামের এক সংখ্যালঘূ পরিবারের মালিকানাধীন ও দখলীয় কোটি টাকার সম্পত্তিতে সাইনবোর্ড ও তালা ঝুলিয়ে জবরদখল করেছে এলাকার প্রভাবশালী সন্ত্রাসীরা। ভুক্তভোগী তপন কুমার বিশ্বাস পারুলিয়া বাসস্ট্যান্ডের রুচিরা রেষ্টুরেন্টের মালিক। বৃহষ্পতিবার সকালে জনসমাগম পারুলিয়া বাসষ্ট্যান্ড সম্মূখের কোটি টাকা মূল্যের জমিটি সদলবলে দখল করে নেয় এসব সন্ত্রাসীরা। এঘটনায় রোববার দেবহাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী তপন কুমার বিশ্বাস। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে পারুলিয়া বাসষ্ট্যান্ড সম্মূখের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রুচিরা রেষ্টুরেন্ট সংলঘœ পারুলিয়া মৌজার এসএ ৩৭৬৪ খতিয়ানের ৩৬৫২ দাগের কোটি টাকা মূল্যের ৪শতক জমি রেকর্ড সূত্রে মালিকানাপ্রাপ্তহয়ে গোডাউন ঘর নির্মাণ ও ভাড়া দিয়ে (বর্তমান এমআর ফিস) ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন তপন কুমার বিশ্বাস। কিন্তু গত বৃহষ্পতিবার আকস্মিকভাবে সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র শেখ মেহেদী হাসান উত্তম ও পারুলিয়ায় স্থানীয় আবুল হোসেন ওরফে খোকন শেখের পুত্র পলাশ, মৃত এনায়েত আলীর পুত্র শেখ আবুল হোসেন, মৃত আশু মাষ্টারের পুত্র শেখ তাজুল ইসলাম, মৃত কালিপদ ঘোষের পুত্র চিত্ত ঘোষ ওরফে চিত্ত আমিন, নূর আলী কারিকরের পুত্র নূরজামান ওরফে হোলা, মৃত রুস্তম গাজীর পুত্র ও চাঁদাবাজীসহ বহু অভিযোগে অভিযুক্ত খায়রুল ইসলাম ওরফে কাটা খায়রুলসহ অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ী তপন কুমারের উক্ত কোটি টাকার সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ পূর্বক দরজায় তালা ও সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে জবর দখল করে নেয়। পাশাপাশি সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করলে ব্যবসায়ী তপন কুমার ও তার পরিবারের সদস্যদের খুন জখম করা হবে বলেও হুমকি দিতে থাকে। কিন্তু দখলকারী এসব সন্ত্রাসীরা প্রভাবশালী হওয়ায় নিজের রেকর্ডীয় ও মালিকানাধীন কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তিটি দখলমুক্ত করতেও ব্যপকভাবে বাঁধা ও হুমকির সম্মূখীন হচ্ছে সংখ্যালঘু এ পরিবারটি। তাছাড়া এসকল এসব দখলকারীদের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে এধরণের বহু অভিযোগ রয়েছে বলেও একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু ব্যবসায়ী তপন কুমার বিশ্বাস বাদী হয়ে বিষয়টির আইনী প্রতিকার চেয়ে রোববার এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। তাছাড়া যাতে করে তার মালিকানাধীন কোটি টাকা মূল্যের রেকর্ডীয় এ সম্পত্তিটি পুনরুদ্ধার ও এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় সেজন্য সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে দাবি জানায় ভুক্তভোগী পরিবারটি। খবরসূত্রঃ bd times 24

চোরের মায়ের বড় গলা

চোরের মায়ের বড় গলা। এরা আবার গণতন্ত্রের কথা বলে ! ইমার্জেন্সী-র কথা ভুলবেন না। ইন্দিরা গান্ধীর স্বৈরতান্ত্রিক জরুরী অবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যখন জয়প্রকাশ নারায়ন, মোরারজি দেশাই, বাজপেয়ী, আদবানি থেকে শুরু করে প্রফুল্ল সেন, সুশীল ধাড়া, বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী থেকে শুরু করে, বরুণ সেনগুপ্ত, গৌরকিশোর ঘোষ থেকে শুরু করে আমার মত কলেজ ছাত্রকে পর্যন্ত ইন্দিরা -সিদ্ধার্থরা জেলে ঢুকিয়েছিল, তখন ছিপিএমের একজন নেতাকেও জেলে ঢোকানো হয় নি। সুরজিত, জ্যোতি বসু, বুদ্ধু ভটচাজ, প্রমোদ দাশগুপ্ত, অনিল বিশ্বাস, বিমান বসু - একজন ও ছিপিএম নেতাকে ইন্দিরা -সিদ্ধার্থরা জেলে ঢোকায়নি। কেন ? আজকের অশিক্ষিত কমরেড রা জানে না। ওই তাবড় তাবড় বিপ্লবী নেতারা সেদিন ইন্দিরার কাছে নিশর্ত আত্মসমর্পণ করেছিলেন। ইন্দিরা তাদেরকে বলেছিলেন, প্রতিদিন সকালে সিদ্ধার্থশংকর রায়ের পা ধোয়া চরনামৃত পান করতে। জ্যোতিবাবু-প্রমোদ দাশগুপ্তরা তাই করতেন। তাই তাদেরকে জেলে ঢুকতে হয় নি। এরা দুকান কাটা। তাই এখন এত বড় বড় কথা বলছে। গোটা পৃথিবী এই মাকুদের কে জঞ্জালের আস্তাকুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। তোমাদের সাধের রাশিয়া ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। সেখানকার মানুষ লেনিনের মূর্তিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছে। রাশিয়া ও চীন দুদেশই মার্কসবাদকে কুলোর হাওয়া দিয়ে বিদায় করে দিয়েছে। চিন পুঁজিবাদী তত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। কিন্তু এখানকার ৩৪ বছর ধরে কমিয়ে খাওয়া অশিক্ষিত কমরেডরা এসব কথা জানে না বলে আলিমুদ্দিনের দোকান এখনো চলছে। আর বেশিদিন চলবে না। কমরেড, তোমাদের বিদায় হয়ে গিয়েছে। বাংলা আর তোমাদের গ্রহণ করবে না। তোমরা দেওয়ালের লিখন পড়তে পারছ না।