কবিতার নাম- "লন্ডনে ডিডি" দিদি বলতে সবাই ডিডি বলে,টানটান উত্তেজনা লন্ডনে । ডিডি এসেছে শিল্প গড়তে পুরো লন্ডন জানে ।। তেলভাজার দোকান হবে,সাথে তাপস পালের ল্যাংচা । রানাঘাটের মিস্ত্রী যাবে লন্ডন তৈরী হবে গজা ।। বার্কিংহামে হবে বিড়ির কারখানা,উপরে বাঁধবে বোমা । বিগ বেনের নিচে শোরুম হবে বোমা থাকবে জমা ।। টেমস নদীতে হবে ট্যাংরার চাষ,সাথে তেলাপিয়া । চপ ফুলরির ষ্টল বসবে থাকবে জয় নগরের মোয়া ।। ঝালমুড়ি খেয়ে ডেভিড ক্যামরুন,কিনবে একটা ঠেলা । টেমসের ধারে পার্কে বসে বেচবে দুই বেলা ।। এলিজাবেথও নাকি গড়বে ক্যুইন বিড়ির ফ্যাক্টারী । লন্ডন ভেঙে হবে তৈরী এবার টালীর বাড়ি ।। লন্ডনটাই এবার কলকাতা হবে,জ্বলবে ত্রিফলা । বিকিনি পরে ডিডি ডিডি বলে ফাটায় সবাই গলা ।। নীল সাদা রং এ রাঙবে লন্ডন,খুলবে হলদিরামের দোকান । ট্রাফিক সিগন্যালে বাজবে এবার টুনির মায়ের গান ।। ডিডির ডাকে লন্ডনে গরম,দেখতে আসছে হাওয়াই চটি । লন্ডনে গিয়ে হারাবে আবার ডিডি ঘটী ।। শিল্প এসেছে লন্ডনের বুকে,তেলেভাজায় বিনিয়োগ । তেলেভাজা খেয়ে লন্ডনে এবার আসবে পেটের রোগ ।। written by-sabyasachi
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 29 July 2015
20 signs that psychopath Muslims do:
. 1] Kill any one who insults Islam or Moham-mad. (Koran.33;57-61). 2) Kill all Muslims who leave Islam. (Koran.2;217/4;89/Bukhari.9;84-57). 3) Koran can not be doubted. (Koran.2;1). 4) Islam is the only acceptable religion. (Koran.3;85). 5) Muslims must fight (jihad) to non-Muslims, even if they don't want to. (Koran.2;216). 6) We the non-Muslims are pigs and apes. (Koran. 2;62-65/Koran.5;59-60/ Koran.7;166). 7) We the non-Muslims cannot be friends with Muslims. (Koran.5;51). 8)We the non-Muslims sworn enemies of Muslims and Islam. (Koran.4;101). 9) We the non-Muslims can be raped as sex slave. (Koran.4;3 & 24/5;89/23;5/ 33;50/58;3/70;30). 10) We the non-Muslims the vilest of creatures deserving no mercy. (Koran.98;6). 11) Muslim must terrorized us (non-Muslims). (Koran.8;12 &59-60/Bukhari.4;52;220). 12) Muslims must strike terror into non-Muslims hearts. (Koran.8;60). 13) Muslims must lie to us (non-Muslims) to strengthen and spread Islam. (Koran.3;28?16;106). 14) Muslims are allowed to behead us (non_Muslims) (Koran.47;4). 15) Muslims are guaranteed to go to heaven if they kill us (non-Muslims). (Koran.9;111). 16) Marrying and divorcing pre-pubescent children is OK. (Koran.65;4). 17) Wife beating is OK. (Koran.4;34). 18) Raping wives is OK. (Koran.2;223). 19) Proving rape requires 4 (four) male Muslim witnesses. (Koran.24;13). 20) Muslims are allowed to crucify and amputate us (non-Muslims). Koran.8;12/ 47;4).
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কোথায়?
পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামে এক হিন্দু পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখল করে চাষ করেছে প্রতিপক্ষ। চাষের সময় যাতে বাধা দিতে না পারে সে জন্য প্রায় ২৫-৩০ জন সন্ত্রাসী দিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ওই হিন্দু পরিবারটিকে জিম্মি করে রাখা হয়। গত বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনা জানার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ঘটনাস্থলে তার প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন। সূত্র জানায়, কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর মৌজার ১৫৮১নং খতিয়ানের ৬০৫২নং দাগের ৪১ শতাংশ জমি নিয়ে শংকর ধূপির সঙ্গে প্রতিপক্ষ হাবিবুর রহমান সিকদার ও আমির হোসেন মোল্লাদের দীর্ঘদিন ধরে মামলা চলে আসছিল। সর্বশেষ চলতি বছরের ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি আ.ওয়াহাবের নেতৃত্বে বিচারপতি সামসুদ্দিন মানিক ও বিচারপতি ঈমান আলীর সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ শংকর ধূপির পক্ষে রায় দেন। ওই রায় পাওয়ার পর প্রতিপক্ষরা নানাভাবে শংকর ধূপিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দেশ ত্যাগের জন্য হুমকি দিয়ে আসছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে হাবিবুর রহমান সিকদারের ছেলে আনোয়ার সিকদার ও আমির হোসেন মোল্লার ছেলে রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শংকর ধূপির পরিবারের লোকদের জিম্মি করে দুটি ট্রাক্টর দিয়ে ওই জমি চাষ করে। শংকর ধূপি মোবাইল ফোনে এ ঘটনা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করলে তিনি ঘটনা পর্যবেক্ষণের জন্য সেখানে প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন বলে জানান। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলা নির্বাহী কমকর্তার প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে আসার আগেই তারা জমি চাষ করে ফেলেন। উল্লেখ্য, শংকর ধূপির প্রায় ৪ একর জমি দখল করার জন্য স্বাধীনতার পর থেকেই প্রতিপক্ষরা শংকর ধূপিসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা- মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। প্রতিপক্ষের লোকজন জামায়াত- শিবিরের সমর্থক হয়েও ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আবার, দেবহাটার পারুলিয়াতে প্রকাশ্যে তপন কুমার বিশ্বাস নামের এক সংখ্যালঘূ পরিবারের মালিকানাধীন ও দখলীয় কোটি টাকার সম্পত্তিতে সাইনবোর্ড ও তালা ঝুলিয়ে জবরদখল করেছে এলাকার প্রভাবশালী সন্ত্রাসীরা। ভুক্তভোগী তপন কুমার বিশ্বাস পারুলিয়া বাসস্ট্যান্ডের রুচিরা রেষ্টুরেন্টের মালিক। বৃহষ্পতিবার সকালে জনসমাগম পারুলিয়া বাসষ্ট্যান্ড সম্মূখের কোটি টাকা মূল্যের জমিটি সদলবলে দখল করে নেয় এসব সন্ত্রাসীরা। এঘটনায় রোববার দেবহাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী তপন কুমার বিশ্বাস। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে পারুলিয়া বাসষ্ট্যান্ড সম্মূখের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রুচিরা রেষ্টুরেন্ট সংলঘœ পারুলিয়া মৌজার এসএ ৩৭৬৪ খতিয়ানের ৩৬৫২ দাগের কোটি টাকা মূল্যের ৪শতক জমি রেকর্ড সূত্রে মালিকানাপ্রাপ্তহয়ে গোডাউন ঘর নির্মাণ ও ভাড়া দিয়ে (বর্তমান এমআর ফিস) ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন তপন কুমার বিশ্বাস। কিন্তু গত বৃহষ্পতিবার আকস্মিকভাবে সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র শেখ মেহেদী হাসান উত্তম ও পারুলিয়ায় স্থানীয় আবুল হোসেন ওরফে খোকন শেখের পুত্র পলাশ, মৃত এনায়েত আলীর পুত্র শেখ আবুল হোসেন, মৃত আশু মাষ্টারের পুত্র শেখ তাজুল ইসলাম, মৃত কালিপদ ঘোষের পুত্র চিত্ত ঘোষ ওরফে চিত্ত আমিন, নূর আলী কারিকরের পুত্র নূরজামান ওরফে হোলা, মৃত রুস্তম গাজীর পুত্র ও চাঁদাবাজীসহ বহু অভিযোগে অভিযুক্ত খায়রুল ইসলাম ওরফে কাটা খায়রুলসহ অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ী তপন কুমারের উক্ত কোটি টাকার সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ পূর্বক দরজায় তালা ও সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে জবর দখল করে নেয়। পাশাপাশি সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করলে ব্যবসায়ী তপন কুমার ও তার পরিবারের সদস্যদের খুন জখম করা হবে বলেও হুমকি দিতে থাকে। কিন্তু দখলকারী এসব সন্ত্রাসীরা প্রভাবশালী হওয়ায় নিজের রেকর্ডীয় ও মালিকানাধীন কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তিটি দখলমুক্ত করতেও ব্যপকভাবে বাঁধা ও হুমকির সম্মূখীন হচ্ছে সংখ্যালঘু এ পরিবারটি। তাছাড়া এসকল এসব দখলকারীদের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে এধরণের বহু অভিযোগ রয়েছে বলেও একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু ব্যবসায়ী তপন কুমার বিশ্বাস বাদী হয়ে বিষয়টির আইনী প্রতিকার চেয়ে রোববার এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। তাছাড়া যাতে করে তার মালিকানাধীন কোটি টাকা মূল্যের রেকর্ডীয় এ সম্পত্তিটি পুনরুদ্ধার ও এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় সেজন্য সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে দাবি জানায় ভুক্তভোগী পরিবারটি। খবরসূত্রঃ bd times 24
চোরের মায়ের বড় গলা
চোরের মায়ের বড় গলা। এরা আবার গণতন্ত্রের কথা বলে ! ইমার্জেন্সী-র কথা ভুলবেন না। ইন্দিরা গান্ধীর স্বৈরতান্ত্রিক জরুরী অবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যখন জয়প্রকাশ নারায়ন, মোরারজি দেশাই, বাজপেয়ী, আদবানি থেকে শুরু করে প্রফুল্ল সেন, সুশীল ধাড়া, বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী থেকে শুরু করে, বরুণ সেনগুপ্ত, গৌরকিশোর ঘোষ থেকে শুরু করে আমার মত কলেজ ছাত্রকে পর্যন্ত ইন্দিরা -সিদ্ধার্থরা জেলে ঢুকিয়েছিল, তখন ছিপিএমের একজন নেতাকেও জেলে ঢোকানো হয় নি। সুরজিত, জ্যোতি বসু, বুদ্ধু ভটচাজ, প্রমোদ দাশগুপ্ত, অনিল বিশ্বাস, বিমান বসু - একজন ও ছিপিএম নেতাকে ইন্দিরা -সিদ্ধার্থরা জেলে ঢোকায়নি। কেন ? আজকের অশিক্ষিত কমরেড রা জানে না। ওই তাবড় তাবড় বিপ্লবী নেতারা সেদিন ইন্দিরার কাছে নিশর্ত আত্মসমর্পণ করেছিলেন। ইন্দিরা তাদেরকে বলেছিলেন, প্রতিদিন সকালে সিদ্ধার্থশংকর রায়ের পা ধোয়া চরনামৃত পান করতে। জ্যোতিবাবু-প্রমোদ দাশগুপ্তরা তাই করতেন। তাই তাদেরকে জেলে ঢুকতে হয় নি। এরা দুকান কাটা। তাই এখন এত বড় বড় কথা বলছে। গোটা পৃথিবী এই মাকুদের কে জঞ্জালের আস্তাকুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। তোমাদের সাধের রাশিয়া ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। সেখানকার মানুষ লেনিনের মূর্তিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছে। রাশিয়া ও চীন দুদেশই মার্কসবাদকে কুলোর হাওয়া দিয়ে বিদায় করে দিয়েছে। চিন পুঁজিবাদী তত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। কিন্তু এখানকার ৩৪ বছর ধরে কমিয়ে খাওয়া অশিক্ষিত কমরেডরা এসব কথা জানে না বলে আলিমুদ্দিনের দোকান এখনো চলছে। আর বেশিদিন চলবে না। কমরেড, তোমাদের বিদায় হয়ে গিয়েছে। বাংলা আর তোমাদের গ্রহণ করবে না। তোমরা দেওয়ালের লিখন পড়তে পারছ না।
চীনের তৈরি কৃত্রিম ডিম ঢুকছে বাংলাদেশে যা মানব দেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর
ব্যবসায়ী ভাইয়েরা আমাদের অন্তত সুস্থ ভাবে বাঁচতে দিন। অনেকে এটাকে হক্স বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সি সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে এ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ইয়াঙ্গুনসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চীন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হয়ে আসছে। যা দেখতে অবিকল হাঁস মুরগির ডিমের মতো। , ‘২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিশ্লেষণধর্মী তথ্য প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম ডিমে কোনো খাদ্যগুন ও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। কিভাবে তৈরি হয় কৃত্রিম ডিম ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত প্রস্তুতপ্রনালীতে দেখা যায়, কুসুম ও সাদা অংশের সমন্বয়ে কৃত্রিম ডিম তৈরি করতে প্লাস্টিকের ছাঁচ ব্যবহৃত হয়। তবে তার আগে কুসম তৈরি করা হয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে। সরাসরি ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ও কালারিং ডাই দিয়ে লাল বা গাঢ় হলুদ রংয়ের কুসুম তৈরি করা হয়। তার ওপর অতি পাতলা স্বচ্ছ রাসায়নিকের আবরণ তৈরি করা হয়। যাতে কুসুম ও সাদা অংশ এক না হয়ে যায়। সাদা অংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রিজিন জিলাটিন ও এলাম। প্লাস্টিকের ছঁচ ডিমের সাদা অংশ তৈরি করে তার মাঝখানে ডিমের কুসুম তৈরি করা হয়। শেষ ধাপে ডিমের উপরের শক্ত খোলস তৈরিতে করা হয়। এর জন্য ব্যবহার করা হয় ওয়াক্স এর মিশনখানে ব্যবহার করা হয় প্যারাফিন, বেনজয়িক এসিড, বেকিং পাউডার, ক্যালসিয়াম কার্বাইড। সাদা অংশকে ওয়াক্সের দ্রবণে কিছুক্ষণ নাড়ানো চাড়ানো হয়। বাইরে থেকে স্বল্প তাপ প্রয়োগ করা হয়। এতেই তৈরি হয়ে যায় হুবহু ডিমের মতো দেখতে একটি বস্তু। আসল ডিম থেকে নকল ডিম আলাদা করার উপায়ঃ - কৃত্রিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। অল্প চাপে ভেঙ্গে যায়। - এ ডিম সিদ্ধ করলে এর কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়। ভাঙ্গার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। -কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড় এবং এর খোলস মসৃণ। ইন্টারনেট-এর বিভিন্ন সাইট থেকে আরো জানা যায়, চীনে তৈরী হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এ ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।
200 yrs Revenge
বেল্লাল আলি :- গতবছরে সিঙ্গাপুরে করা শিল্প সম্মেলনের অভূতপূর্ব সাফল্যের পর এবছর তিনি যাচ্ছেন লন্ডন। সিঙ্গাপুর থেকে আমদানিকৃত কলাশিল্পের জন্য আজ অনেক বেকার সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়েছে। লন্ডনে তোলা শিল্প, ধর্ষণ শিল্প, চিটফান্ড শিল্প, সিন্ডিকেট শিল্প, খাদান শিল্প, চাকরি শিল্প, শিলা শিল্প ইত্যাদি শিল্পের বেহাল দশায় তিনি অনেকদিন আগে থেকেই ব্যথিত ছিলেন। এইসব শিল্পের পুনর্জীবন এর জন্য সেখানকার বিভিন্ন শিল্পপতি ও বানিজ্যগোষ্ঠীর সাথে তিনি আলোচনা করবেন। টেমস নদীর দুইপাশে সৌন্দর্যায়িত গঙ্গাতীরের মত সুন্দর কিভাবে করা যাবে এবং টিউবরেলকে কলকাতা মেট্রোর সমকক্ষ কিভাবে করা যায় সে সম্পর্কেও তিনি বিশেষজ্ঞ মতামত দেবেন। এদিকে লন্ডনের বিজনেস স্কুলে তার বক্তব্য দেওয়ার কথা শুনে সেখানকার পড়ুয়ারা স্কুল তো দুর, লন্ডন, ইংল্যান্ড এমনকি পৃথিবী ছেড়ে সদ্য আবিষ্কৃত কেপলার - ৪৫২ বি গ্রহ অভিমুখে যাত্রা শুরু করে দিয়েছে। বাক্স, প্যাঁটরা গুটিয়ে পলায়নরতা এমন এক ছাত্রী কেলি ফ্লাইংকে পালানোর কারণ জিজ্ঞেস করায় সে বলে - Man, it would be a catastrophe! we've got only 1.5 kg brains & she is like an ocean of knowledge..our brains would'nt b able 2 hold her highness's gyan! it may explode! So, Time to leave the earth..." এদিকে বাজারি আনন্দ সূত্রে গোপনে জানা গেছে যে, তিনি যখন বিভিন্ন বনিকসভা ও মন্ত্রীদের সাথে শিল্প সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনায় ব্যস্ত থাকবেন, তার সাথে যাওয়া মন্ত্রী, আমলা, কোটাল, সেপাই, সান্ত্রী, পাগলুর এই বিশাল বাহিনী তখন লন্ডন তথা ইংল্যান্ডের গদি দখল করতে ব্যস্ত থাকবে! ৩৪ বছরের বাম জমানার বদলা প্রায় শেষের পথে, এবার দুশো বছরের পুরানো বদলা নেওয়ার পালা। বনিকের মানদন্ড এবার রাজদন্ড রূপে দেখা যাবে! এবং তার দীর্ঘদিনের কলকাতাকে লন্ডন বানানোর স্বপ্ন সফল না হওয়ায় এবার লন্ডনকেই তিনি কলকাতা বানিয়ে ছাড়বেন!
Islam min Blood War
ইসলাম মানেই রক্ত-রক্ত খেলাঃ নবীর প্রথম স্ত্রী খাদিজার মেয়ের নাম ফাতেমা। ফাতেমার স্বামীর নাম আলী। মুহাম্মদের মৃত্যুর পর যারা ইসলাম রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছিলেন, তাঁদের বলা হয় খলিফা। আলী হলেন তাঁদের একজন এবং তিনি ছিলেন ইসলামের চতুর্থ খলিফা। ইসলামের প্রথম খলিফার নাম আবু বকর এবং তিনি ছিলেন মুহাম্মদের ছোট স্ত্রী আয়েশার পিতা। প্রসঙ্গত বলে রাখি, খলিফা শব্দের অর্থ - রাষ্ট্রপ্রধান এবং হযরত শব্দের অর্থ - সম্মানিত ব্যক্তি। মুহাম্মদের মৃত্যুর পরের দিন থেকেই খলিফা নির্বাচনে বিরাট সমস্যা দেখা দেয়। নবীর মেয়ে ফাতেমার স্বামী আলী ছিলেন খলিফা হওয়ার অন্যতম দাবিদার। আবার মুহাম্মদের অন্য দুই মেয়ে রোকেয়া এবং কুলসুমকে বিয়ে করেছিলেন উসমান। তাই উসমানও খলিফা হওয়ার দাবি রেখেছিলেন। ঘটনা এতই জটিল হয়ে ওঠে যে, হযরত মুহাম্মদ মারা গেলেন - এই কষ্টের ঘটনা থেকেও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠল, কে হবে খলিফা অর্থাৎ রাষ্ট্রের প্রধান। এমন সময় উমর ঘোষণা দেন, আবু বকর হবেন ইসলামের প্রথম খলিফা। উমরের আবু বকরকে খলিফা ঘোষণার বিষয়টির চরম বিরোধিতা করল অনেকেই, যাদের দু'জন হলেন নবীর মেয়ে ফাতেমা এবং তার স্বামী আলী। মূলত এই বিরোধিতা থেকেই জন্ম নেয় শিয়া-সুন্নি মতবাদ। আলীর পক্ষে যারা ছিলেন, তাঁরা হলেন শিয়া। অন্যরা সুন্নি । নবীর সব থেকে কনিষ্ঠ স্ত্রী আয়েশার পিতা অর্থাৎ ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকর রাষ্ট্রের প্রধান হওয়ার পর নির্দেশ দিলেন নবীর মেয়ে ফাতেমা এবং তার স্বামী আলীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের। আলী পালিয়ে ছিলেন, কিন্তু আহত হয়ে মারা গেলেন ফাতেমা। প্রিয় পাঠক, প্রসঙ্গত বলে রাখি, এই ঘটনা ঘটেছিল নবীর মৃত্যুর এক বছরের মধ্যে। তাহলে দেখুন, ইসলামের প্রথম থেকেই নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা ছিল। ইসলামের প্রথম চার খলিফার মধ্যে তিনজন নিহত হয় নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলার কারণে। এমনকি মজার বিষয় হল, ইসলামে উটের যুদ্ধ নামে একটি যুদ্ধের ইতিহাস আছে। এই যুদ্ধটি হয়েছিল নবীর ছোট স্ত্রী আয়েশা এবং নবীর মেয়ের জামাই আলীর মধ্যে। খলিফা আলী, খলিফা উসমান, খলিফা উমর সবাই নিজেদের মধ্যে কোন্দলের ফলে খুন হন। মুহাম্মদের সব থেকে কাছের মানুষ ছিলেন মুয়াবিয়া, তাঁর পুত্রের নাম ইয়াজিদ। তিনিও মুসলমান ছিলেন, অথচ নির্মম সত্য হলো - মুহাম্মদের বংশের সবাই মারা যায় মুসলমানদের ( ইয়াজিদ) হাতে। ইসলামের বিশাল ইতিহাসের এই কথাগুলি সহজভাবে বলার চেষ্টার কারন হল, যাঁরা মনে করেন, দেশে ইসলামী শাসন কয়েম হলেই দেশ সম্পূর্ণ শান্তিতে থাকবে, তাঁরা আসলে বিশাল ভুলের মধ্যেই আছেন। ইসলামের ইতিহাসের শুরু থেকেই এক ইসলামী জাত অন্য ইসলামী জাতকে পছন্দ করতো না, যা আজও আছে। যে কারণে আজও পাকিস্তানে, ইরাকে, সিরিয়ায় শিয়া মসজিদে সুন্নি বোমা ফাটায়, সুন্নি মসজিদে ওয়াবি তাণ্ডব চালায়। এমনকি সৌদি আরবেও বোমা হামলা হয়। বাংলাতেও সেইদিন খুব দূরে নয়। একধিক মতাদর্শের জঙ্গি বাংলাতে আছে। একদল চাইবে অন্যদল থেকে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে। তবে আমার মনে হয়, বাংলার জন্য খুব খারাপ দিন আসছে। খুবই খারাপ দিন... ...... স্বর্নেন্দু বিশ্বাস......
Subscribe to:
Posts (Atom)