Friday, 31 July 2015

ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি নিয়ে নাকি মুম্বাই বিচলিত নয়

টাইমস অফ ইন্ডিয়া গ্রুপের বাংলা সংবাদপত্র এই সময়ের সাংবাদিক চিত্রদীপ চক্রবর্তীর মতে ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি নিয়ে নাকি মুম্বাই বিচলিত নয়। তার কল্পনার দুনিয়ায় রহমত আলী নামের এক ট্যাক্সিচালক ইয়াকুবকে শত্রু হিসাবে চিহ্নিত করে আর তার ফাঁসির কামনা করে কিন্তু বাস্তব ছবি কি একই কথা বলে? গতকাল মুম্বাইয়ের রাজপথে সন্ত্রাসবাদী ইয়াকুব মেমনের লাশ নিয়ে লক্ষাধিক মুসলিমদের যে জমায়েত হয়েছিল তারা কি মুম্বাইয়ের নয়? আজকের সংবাদপত্রগুলি কেন সেই ছবি প্রকাশ করলো না? কেন ছাপলো না সেই ছবি যেখানে মুসলিমরা ইয়াকুবের ফাঁসির জন্যে, তার সন্ত্রাসবাদী পরিচয়কে নয়, কেবল তার মুসলিম হওয়াকেই চিহ্নিত করছে? করবেই বা কি করে, তাহলে যে বহুদিন ধরে আগলে রাখা সত্যটা প্রকাশ হয়ে যেত। তাহলে স্বীকার করতে হত যে আমাদের আশেপাশে বসবাসকারী সেইসব মুসলমান, যাদের আমরা সেকুলারিজমের দোহাই দিয়ে ভাইজান বলে ভেবে এসেছি, তাদের প্রকৃত ভালবাসা আমাদের প্রতি নয়, আমাদের হত্যাকারী ইয়াকুব মেমনের প্রতি। এতদিন ধরে ফুলিয়ে রাখা ধর্মনিরপেক্ষতারবেলুনটা তাহলে যে নিমিষে চুপসে যেত। তাই ইয়াকুব মেমন বা ওসামা বিন লাদেনের সমর্থনে লক্ষ লক্ষ মুসলিম জমায়েত হলেও সেই খবর প্রকাশ করা হয়না বরং তার বদলে "রহমত আলী"র গল্প ফাঁদা হয়। আর আমরাও সেই গল্প বিশ্বাস করে "সন্ত্রাসবাদের কোন ধর্ম হয়না" এই খোঁয়ারিতে বুঁদ হয়ে থাকি।

Indian Republican Army

মাস্টারদা সূর্য সেন যখন Indian Republican Army তৈরী করেছিলেন, তখন চট্টগ্রাম জেলায় ২০ শতাংশ হিন্দু আর ৮০ শতাংশ মুসলমান ছিল। কোন একটি জায়গায় যে কোন আন্দোলনে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যোগদান করবেন, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটু লক্ষ করলেই বোঝা যাবে যে, তাঁর সেই বিপ্লবী দলের সমস্ত যুবক-যুবতীরাই ছিল হিন্দু। ১ জনও মুসলমান ছিল না! সেই দুর্গম চট্টগ্রামে বসে মাস্টারদা সাত সাগর পাড়ের ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই-এর প্রস্তুতি করলেন। তাদেরকে শত্রু চিহ্নিত করলেন। কিন্তু তাঁর প্রতিবেশী বহুসংখ্যক মানুষ্ (৮০%) কেন তাঁর সঙ্গে যোগ দিল না - তা বোঝার একটুও চেষ্টা করলেন না! ওই বহুসংখ্যক মানুষ তাঁদেরকে (হিন্দুদের) কী চোখে দেখে তা জানার চেষ্টা করলেন না! তারা তাঁদেরকে বন্ধুরূপে দ্যাখে না শত্রুরূপে দ্যাখে, - তা অনুসন্ধান করার চেষ্টা করলেন না! পরাধীন ভারতে বৃটিশের ডান্ডার নীচে হিন্দু-মুসলমান সবাই সমান ছিল। কিন্তু... সেই ব্রিটিশ চলে গেলে, ২০% সংখ্যালঘু হিসাবে ৮০% সংখ্যাগুরু মুসলমানের পাশে তাঁরা কিরকম থাকবেন তা অনুধাবন করার চেষ্টা করলেন না! ফলে যা হবার তাই হল। সূর্য সেন ফাঁসি পড়ে শহীদ হলেন। আর তাঁর বংশধররা হলেন রিফিউজি। .... শ্রী তপন ঘোষ .... —

সাইক্লোন বিধ্বস্ত হাবড়া, অশোকনগর ফেরালো রূপাকে

http://zeenews.india.com/bengali/zila/rupa-ganguly-unwelcome-in-habra-ashoknagar_130084.html

হুমায়ুন আজাদ

আমরা নিজেদের যতই বাঙ্গালি বলি, ভেতরে ভেতরে আসলে তো আমরা মুসলমান এবং মুসলমানদের পক্ষে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠ ও রক্ষা করা খুবই অসম্ভব ব্যাপার। কোন মুসলমান রাষ্ট্রেই গণতন্ত্র নেই, আছে একনায়ক, স্বৈরাচার, কোথাও রাজা, কোথাও তথাকথিত নির্বাচিত, যা চমৎকার কৌতুক। - হুমায়ুন আজাদ

পাক সার জমিন সাদ বাদ -- (পর্ব - ১৬)

এই শতাব্দীর এক অকুতোভয় অনন্য সাধারন বামপন্থী কথা সাহিত্যিক 'হুমায়ূন আজাদ' ও বাংলাদেশের হিন্দু নিপীড়নের উপর তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ" -- (পর্ব - ১৬) ------------------------------------------------------------ পর্ব যত বাড়ছে জিহাদের নৃশংসতা,নারীদেরউপর ইসলামী বর্বর অত্যাচারের কাহানী ততোই বাড়ছে। তাই পড়ুন। ----------------------------------------------------------- প্রতিটা পাড়ায় গেলেই প্রথমে জরাজীর্ন বুড়িরা বেরিয়ে আসে। আমরা জানতাম তারাই আসবে, আমরা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যুবতীরা বুকের কাপড় খুলে পাছা দুলিয়ে নাচতে নাচতে স্বাগতম জানানর জন্য আসবে না। তবে ওদের আসতে হবে, এটা অরাও জানে, তাদের পিতারাও জানে, ভাইয়েরাও জানে, আর ভাঙ্গাচোরা পতিদেবতারাও জানে। এটাও জানে দেবতার ওপরেও দেবতা আছে, একদল দেবতার পর আরেকদল দেবতা আসে; আকাশে আসে, মাটিতেও আসে। তারা কি জানেনা আমরা নতুন দেবতা হয়ে দেখা দিয়েছি? আমাদের পুজো করা তাদের কর্তব্য? আমি কৌশল পছন্দ করি, কৌশল হচ্ছে আমার কাছে মালাউন যুবতীদের মত, তাদের গন্ধের মত, তাদের ঠোঁটের মত। অবশ্য আমি কৌশল শিখি আমাদের পাক ধর্মের ইতিহাস পড়ে; ওইসব কৌশলে আমি মুগ্ধ হই, হোলি টেররে ওগুলো অতুলনীয়। কৌশল ছাড়া সফল হওয়া যায় না, সন্ধি করতে হয়, সময় বুঝে সন্ধি ভেঙ্গে ফেলতে হয়; সময় বুঝে করুনাময় হতে হয়, সময় বুঝে হতে হয় বাঘ, একপ্টু রক্ত খেতে হয়। আমি বলি, ‘আপনারা কেমন আছেন?’ তারা বলে, ‘আল্লার দোয়ায় ভালো আছি হুজুর’। আমি বলি, ‘আল্লার রহমতে আপনারা ভালো থাকেন, আমরা তাই চাই, আল্লাতালাও তাই চান। আপনাদের ভাল রাখার জন্যই আমরা এসেছি’। তারা বলে, ‘হুজুর, আপনের দয়া’। আমি বলি, ‘আপনারা কিরকম আগুন পছন্দ করেন? ঠান্ডা না গরম?’ খুব ভয় পায় ওরা, এতো ভয় পায় যে ওদের মুখ থেকে ভয়ের চিহ্ন দেখাতেও ভয় পায়; কার মুখে ভয় দেখলে আমি পুলক বোধ করি। তারা বলে, ‘হুজুর আপনের কতা বুঝতে পারতেছি না, একটু বুজাই বলেন। ঠাণ্ডা আগুন আবার কেমন?’ আমি বলি, ‘ঠাণ্ডা আগুন শীতল, নিঃশব্দ, কেউ বুঝবে না যে পুড়ে গেছে, পুড়ে যাওয়ার পরও আগের মতই সুন্দর দেখাবে’। তারা কথা বলে না, ঠান্ডা আগুনে পুড়তে থাকে। আমি বলি, ‘আমার জিহাদিরা এসেছে একটু বিজয় উতসব করার জন্য, বিজয়ের পর বিজয় উতসব করার নিয়ম আছে, আপনারা জানেন, তাদের একটু উতসব করতে দিন। তারা বলে, ‘হ.., জয়ের পর ত উতসব করতেই হয়। তাইলে আমরা বাইদ্যকরগো লইয়া আহি’। আমি বলি, ‘বাদ্যকর লাগবে না, জিহাদিরা একটু উতসব করবে, একটু দোল যাত্রা আর একটু ঝুলন পূর্নিমা করবে, বাধাটাধা দিয়েন না, তাহলে পাঁচ দশটা লাশ পড়বে আর আপনাদের মেয়েদের জিহাদিরা ধর্ষন করেছে, এটা জানাজানি হলে আপনারা মুখ দেখাতে পারবেন না’। তারা বলে, ‘হুজুর, আমাগো মাফ করেন, আমাগো টাকা পয়সা যা আছে লইয়া যান, খালি আমাগো মাইয়াগুলিরে মাফ করেন’। আমি বলি, ‘জিহাদিরা ধর্ষন করবে না, জেনা করা হারাম, তারা বিছমিল্লা বলে একটু ছহবত করবে, তাতে গুনাহ হবে না’। তারা কাঁদতেও ভুলে যায়, পায়ে পড়তেও ভুলে যায়। তারা তাদের টাকাপয়সা সোনারুপা এনে জড়ো করে আমাদের সামনে, জিহাদিরাও খুঁজে বের করে নানা বিস্ময়কর স্থান থেকে। মালাউনগুলো জিনিশপত্র লুকোত্তে বেশ দক্ষ, তাই আমরা হই দক্ষতর; হয়তো ওরা মেয়েদের নরম ফাঁকে ফাঁকে আর নিজেদের পাছায়ও জিনিশপত্র লুকয়ে রেখেছে। তাই প্রতিটি গর্ত পরীক্ষা করে দেখতে হবে। ক্রমশ...

Thursday, 30 July 2015

সংখ্যালঘুদের জমি দখলে নেমেছেন সাংসদ ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ দবিরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মাজহারুল ইসলাম

ওরফে সুজনের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখল, তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিত ব্যক্তিদের মধ্যে ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের এক নেতার পরিবারও আছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন; হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে সাংসদ দবিরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মাজহারুল জমি দখল, নির্যাতন বা হুমকি দেওয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি বলে প্রথম আলোর কাছে দাবি করেছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদন ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, সাংসদ দবিরুল ইসলাম তাঁর সংসদীয় আসনের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের রনবাগ নামক স্থানে রনবাগ ইসলামী টি এস্টেট কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি চা-বাগান গড়ে তুলেছেন। ১০৬ একর আয়তনের ওই বাগানের মাঝখানে অকুল চন্দ্র সিংয়ের ২১ বিঘা জমি, ভাকারাম সিং ও জনক চন্দ্র সিংয়ের ২৭ বিঘা জমি, থোনরাম সিংয়ের ২৪ বিঘা, ক্ষুদনলালের ২৪ বিঘা চা-বাগানসহ ১০টি হিন্দু পরিবারের চা-বাগান ও আবাদি জমি রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এর মধ্যে অকুল চন্দ্র সিংয়ের এক বিঘা জমি অন্য সংখ্যালঘুদের জমিতে যাওয়ার পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। করিডোরের মতো এই এক বিঘা জমি দখল হয়ে গেলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন তাঁদের নিজ জমিতে যাওয়ার আর কোনো পথ পাবেন না। কারণ, তাঁদের জমি ও বাগানের চারপাশ ঘিরে আছে সাংসদের চা-বাগান। অকুল চন্দ্রের এই এক বিঘাসহ বাগানের জমি দখল করতে পারলে সংখ্যালঘু ১০ পরিবারের সব জমি কবজা করা সহজ হবে সাংসদের জন্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংসদের মদদে তাঁর ছেলে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোকে চা-বাগানের ১৫০ থেকে ২০০ বিঘা জমি সাংসদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য করতে চাইছেন। এ জন্য দীর্ঘদিন ধরে তাদের হুমকি দেওয়া ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। সর্বশেষ তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ জুন অকুল চন্দ্র সিং তাঁর এক বিঘা জমির অর্ধেকে চাগাছের চারা রোপণ করেন। কিন্তু সাংসদের লোকজন ওই দিন বিকেলেই হাল চষে চারাগুলো নষ্ট করে দেন। ১৭ জুন সাংসদের ছেলে মাজহারুল ইসলাম গিয়ে অকুল চন্দ্রকে শাসিয়ে আসেন। ১৯ জুন সাংসদের ছেলের নেতৃত্বে রনবাগ ইসলামী টি এস্টেট কোম্পানি লিমিটেডের তত্ত্বাবধায়ক একরামুল হক এবং স্থানীয় মোহাম্মদ আলী, শওকত আলী, আশরাফুল ইসলাম, এরশাদ আলী, বাবু, মিনিসহ ২৫ থেকে ৩০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অকুল চন্দ্র সিং, ভাকারাম সিং ও জনক চন্দ্র সিংয়ের ওপর হামলা চালায়। এতে ভাকারাম সিংসহ আট-দশজন আহত হন। সন্ত্রাসীরা চা-বাগানের জমি সাংসদপুত্র মাজহারুল ইসলামের নামে লিখে দেওয়ার জন্য জোর করে স্ট্যাম্পে অকুল চন্দ্রের সই নেওয়ার চেষ্টা করে। ঠাকুরগাঁও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বলরাম গুহ প্রথম আলোকে বলেন, জমি দখলের জন্যই হামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে, কিন্তু ভয়ে তারা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরা আওয়ামী লীগকেই ভোট দেয়, আর ক্ষমতায় এলে ওই আওয়ামী লীগের নেতারাই তাদের সঙ্গে অন্যায় করে। ভাকারাম সিং প্রথম আলোকে জানান, সাংসদের সমর্থকেরা তাঁকে মারধর করার পর তিনি গত ২০ জুন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। জানতে চাইলে ভুক্তভোগী অকুল চন্দ্র সিং প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাংসদ তাঁর ক্যাডার বাহিনী দিয়ে আমাদের পাঁচ বিঘা জমি ইতিমধ্যে দখল করেছেন। ক্যাডার বাহিনী আমাদের মারধরও করেছে। কয়েকজন নারী-পুরুষকে গুরুতর আহত করেছে। নির্যাতনের ভয়ে কয়েকটি পরিবার ঘর ছেড়ে চলেও গেছে।’ অকুল চন্দ্র সিং বলেন, তিনি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বেশ কয়েকবার সাংসদের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি দেখা করেননি। অনেক ভয়ের মধ্যে দিন পার করছেন বলে জানান তিনি। সাংসদ দবিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনা সঠিক নয়। এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। মন্ত্রিসভা রদবদলের সময় আমার নাম এসেছিল যে আমি মন্ত্রী হব। আবার আমি জেলা আওয়ামী লীগেরও সভাপতি। এটা সহ্য করতে না পেরে সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন চক্রান্ত করে এসব গুজব রটিয়েছেন।’ কিন্তু সাংসদপুত্র মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক উপজেলা চেয়ারম্যান আয়ূব আলী ফায়দা নেওয়ার জন্য এসব রটাচ্ছে। সাংসদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘যে দিন হামলা হয়েছে বলে বলা হচ্ছে, সেদিন আমার ছেলেকে টেলিফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর আমার ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়। ও কিছুই জানত না।’ আর সাংসদপুত্র প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি ওই দিন কোথাও যাইনি। ওই হামলার কথাও জানি না। বাসায় ঘুমিয়ে ছিলাম।’ অকুল চন্দ্র সিং কি তাহলে অন্য কারও হয়ে অভিযোগ করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মাজহারুল বলেন, অকুল চন্দ্র সিং শিষ্টাচার জানেন না। সবকিছুতে উত্তেজিত হয়ে যান। আর সাংসদের সঙ্গে অকুল চন্দ্র সিংয়ের দেখা করার চেষ্টার বিষয়ে জানতে চাইলে দবিরুল ইসলাম বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কেউ এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যায়নি। সাংসদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাংসদের লোকজনের হামলার পর সংখ্যালঘুরা আমার বাড়িতে অভিযোগ নিয়ে এসেছিল। আমি জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম।’ তেভাগা আন্দোলনের নেতা হেলকেতু সিংয়ের ছেলে বধু সিং প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইতিমধ্যে সাংসদ আমার চা-বাগানের ২৭ শতাংশ জমি দখল করেছেন। জমি না দিলে আমার বাগান জ্বালিয়ে দেবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও বিষয়টি জানে। কিন্তু কারও সাহায্য পাই না।’ হেলকেতু সিং কমিউনিস্ট পার্টির নেতা এবং এই অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকও ছিলেন। জনক সিংয়ের ছেলে ধরেন সিং বলেন, ‘সাংসদের ছেলে প্রতি বিঘা জমির জন্য আমাদেরকে ৭০ হাজার টাকা দিতে চায়। জমি বিক্রি করব না বললে ক্যাডার বাহিনী জোর করে আমার কাছ থেকে স্টাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করে।’

পেটে হেরোইনসহ হজযাত্রী আটক

পেটে হেরোইনসহ হজযাত্রী আটক! ---- সৌদি বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পেটে ৯৩ ক্যাপসুল হেরোইন বহনকারী একজন হজযাত্রীকে গ্রেফতার করেছে। স্ক্যানিং এর ছবিতে বিষয়টি ধরা পড়ে। নাম প্রকাশ না করে এমিরেটস অনলাইন জানায় --- somoyerkonthos o r.org/ international/ 746/