আজ থেকে প্রায় ৬০বছরের অধিক সময় ধরে সংখ্যালঘু তোষন করে ভোট ব্যাঙ্ক মজবুত রাখতে ব্যাস্ত ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলি । ধর্মান্ধদের ইমাম দের খুশি করতে বড়ো বড়ো মসজিদ,মাদ্রাসা গড়ে দিয়ে অনায়াসে মুসলিম ভোট কেড়ে নেওয়া যায়,আবার ভোট কাড়তে ইমামদের ভাতা পর্যন্ত দিতে ভুলেনি ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলেরা । আজকে যারা ধর্মনিরপেক্ষতারকথা বলেন তাদের জন্যই ৬০জন অবৈধ মাদ্রাসার ছাত্রকে আটক করায় অনায়াসে কলকাতা অবরুদ্ধ করে দিলেন মুসলিমরা । প্রেশ্যারাও এই খবর দেখাতে অক্ষম । আজকে কলকাতা অবরুদ্ধ যদি প্রবীন তোগড়িয়া কিংবা তপন ঘোষরা করত তাহলে কি হত কি জানি,লক্ষ লক্ষ ইয়াকুবের অবৈধ সন্তানরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার মিছিল হাঁটত । একটা কথা স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই, যারা ধর্মনিরপেক্ষ ভাবেন নিজেদের এবং শুধু হিন্দুদের খুঁত ধরেন তাদের একবার রক্তটা অবশ্যই পরীক্ষা করা দরকার । রিপোর্ট শেষে ভোটার কার্ড কিংবা আধার কার্ডে নিজের পিতার নাম মুঝে ইয়াকুব মেমনের নাম অবশ্যই লিখতে হবে আপনাদের । যদিও সত্যি কথা তেতো হয় তাও আপনারা হজম করতে পারবেন, কারন আপনারা যে ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদী । সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Tuesday, 4 August 2015
মমতার ধর্মনিরপেক্ষতারবাগানে গোটা মধ্য কলকাতা জুড়ে আজ সম্প্রীতির ফুল ফুটলো
মমতার ধর্মনিরপেক্ষতারবাগানে গোটা মধ্য কলকাতা জুড়ে আজ সম্প্রীতির ফুল ফুটলো। এতদিন যে ফুলের গন্ধে মাতোয়ারা হত গ্রামবাংলা, আজ কলকাতাবাসীও সেই ফুলের সুবাস পেল। বেলা ২টো থেকে শহরের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র শিয়ালদহ অঞ্চলকে অবরোধ করে নিজেদের ক্ষমতার পরিচয় দিল দিদির শান্তিপ্রিয় ভাইয়েরা আর দিদির পুলিশের হিম্মত হলনা যে তাদের গ্রেপ্তার করে বা হটিয়ে দিয়ে কলকাতাবাসীকে একটু স্বস্তি দেবার।
ভারতীয় রেল তথা জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে, গত ২রা আগস্ট কিছু মুসলিম কিশোরকে রেলের পুলিশের আটক করা নিয়ে বিক্ষোভের সুত্রপাত – যা শুরু হয় রাজাবাজার থেকে এবং ক্রমেই তা সম্পুর্ন শিয়ালদহ চত্বরকে গ্রাস করে। যান চলাচল ক্রমেই স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো এলাকায়। অফিসফেরত যাত্রীরা তুমুল হেনস্থার শিকার হন কিন্তু পুলিশের সেই অবরোধ তুলে দেয়ার ক্ষমতা হয়না। নীরব দর্শকের মত তারা দাঁড়িয়ে থাকে।
সন্ধ্যের পর থেকে অবরোধকারীদের আন্দোলনের তীব্রতা বাড়তে থাকে। শিয়ালদহ স্টেশন সংলগ্ন পুলিশের কিয়স্ক ভাঙ্গার পর তারা আক্রমণ করে শিয়ালদহের কাছে শিসির মার্কেট ও ফ্লাইওভারের নিচের দোকানগুলি। এরপর তাদের আক্রমণের বলি হয় চারটি বাস ও একটি ট্রাম। এই সবকিছুই চলতে থাকে পুলিশের সামনে, তবু কেউ বাঁধা দিতে এগিয়ে আসে না। একদল “আল্লাহ হু আকবর” স্লোগান দিতে দিতে শান্তিসৈন্য এগিয়ে চলে মৌলালীর দিকে। যাবার পথে দাড়িয়ে থাকা গাড়ি গুলিকেও তারা ভাঙচুর করতে ছাড়ে না।
এতবড় ঘটনা কেউ জানতে পারল না আমাদের সংবাদমাধ্যমের এক অদ্ভুত নীতির জন্যে। আক্রমনকারী মুসলমান হলে আর আক্রান্ত হিন্দু বা সরকারী সম্পতি হলে সে খবরগুলোকে চেপে রাখাই মিডিয়ার নীতি। তাই মানুষ বিপদ সম্পর্কে অন্ধকারে থাকে। সেই অন্ধকারই তৈরী হচ্ছে ১৯৪৭এর পুনরাবৃত্তি। Tapan Ghosh
পাক সার জমিন সাদ বাদ -- পর্ব ২০
এক অনন্য সাধারন বামপন্থি 'হুমায়ূন আজাদ' এবং বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ
"পাক সার জমিন সাদ বাদ"-- পর্ব ২০
------------------------------------------------------------
পর্ব যত বাড়ছে হিন্দুদের নারীদের উপর ইসলামি জিহাদের বর্বরতার কাহিনী ততই বাড়ছে। তাই পড়ুন, ইসলামি জিহাদ বিষয়ে আগাম সতর্ক হোন...
---------------------------------------------------------
আমার পছন্দের উর্বশীরা(হিন্দুযুবতীরা) কুমারী।
আসলে তারা সেই কাজ করেছে কি না জানি না, মালাউনগুলো(হিন্দুরা) কি না করে পারে? এটাই ত ওদের প্রিয় খেলা। তবে বিয়ে হয়নি, আর সতীচ্ছেদের ও বিছানায় রক্তপাতের প্রতিও আমার মোহ নেই; আমি তো সতীচ্ছেদ ভাতে মেখে খাব না, আর অনেক রক্ত আমি দেখেছি, একটু খানি পর্দা ছেঁড়া রক্ত দেখার সাধ আমার নেই। দেহখানি, স্তনগুচ্ছ, আর মুখখানি সুন্দর হলেই হয়, আমি যোনী নিয়ে সতীচ্ছেদ নিয়ে মাথা ঘামাই না; আমার মাথার ঘাম পায়ে ফেলার অসংখ্য কর্মকান্ড রয়েছে।
তাদের পিতারা মাথা নীচু করে থাকে, এটা অভিনব কিছু নয়। নীচু মাথাই আমি পছন্দ করি, এতে আমি আমার মহিমা পরিমাপ করতে পারি। নিজের সামনে অন্যের নীচু মাথা দেখলে আমার মাথাটি আকাশে ঠেকে।
পিতাদের বলি, ‘আপনাদের জানমাল আমার হেফাজতে, আপনাদের একুটুও ক্ষতি কেউ করতে পারবে না, আপনাদের টাকা পয়সাও নেব না’।
তারা পায়ে এসে পড়ে বলে ‘হুজুর’।
আমি একেকজনের জন্য একেকটি দিন ঠিক করে দিই।
কমলকলি, মাধুরিলতা,সুবর্ণলেখা, রাজলক্ষ্মী, মায়ারানী, চম্পাবতী, মঞ্জুরানী এই ধরনের নাম তাদের; তাদের দেখার সময়ই আমি সুগন্ধ পাই, তারা জিনিশ খুব ভালো, সোভানাল্লা। মঞ্জুরানীটা আবার এম.এ পাশ, শুনেছি চাকুরির নামে শহরে খানিকিগিরি করে, চাকুরিও করে, এতে আমি দোষ দেখি না, একটু বাড়তি আয়ের ব্যবস্থা সবারই থাকা দরকার; একটা এম.এ পাশ জিনিশ চাখার ইচ্ছে আমার অনেকদিনের, ওই টিকেই আমি প্রথম আপায়েনমেন্ট দিই। কিন্তু দেখি পাশ হলেই জিনিশ ভালো হয় না।
পিতাদের বলি, ফজরের আগেই একেকজনকে আমার গোলাপ-ই-সাহারায়পৌঁছে দিতে হবে, কেউ জানবে না। সম্ভবত আরব্যরজনীর আমর কাহানী আমার মাথায় তখন কাজ করছিলো, তবে ফজরে গর্দান নেওয়ার বা রাতের শাহেরজাদির গল্প শোনার কোনো ইচ্ছে আমার ছিল না; কাজ না করে রাতভর যে গল্প শোনে সে অবশ্য স্টুপিড।
উর্বশীদের পিতা হওয়ার জন্য তারা আমার কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা পায়, দু-একটি গ্রাম আমি তাদের দান করতে পারি না, তবে তাদের টাকা পয়সা আমি নিই না, বাড়িঘর জমি আমি দখল আমি করি না; এটা তাদের প্রাপ্য; এজন্য তাদের আমার কাছে কৃতজ্ঞ থাকার কথা।
তবে ইহুদি আর মালাউনরা কবে কৃতজ্ঞ থেকেছে, ওরা মোনাফেক।
ওই মালাউন উর্বশীগুলো আমাকে অপছন্দ করেনি।
আমি তাদের সুখ দিয়েছি, জিহাদিদের মত আমি পুরোপুরি বর্বর বেদুইন হয়ে উঠতে পারিনি, তারাও আমাকে সুখ দিয়েছে; তাদের ঘরবাড়িগুলো আমি বাঁচিয়েছি। ঘরবাড়ি বড় না দেহের একটু ছোট্ট জায়গা বড়ো? আমি অবশ্য একটু ছোটো জমিতে, এক কাঠা জমিতে চাষ করতে পছন্দ করি না। আমি চাষ করি সারা দেহ জমি ভরে, এটা তারা পছন্দ করে, সোভানাল্লা।
আজব দেশের আজব কান্ড
"আজব দেশের আজব কান্ড".... কান্ড শুধু একটাই ধর্মনিরপেক্ষতা । আজকে শিয়ালদহ ষ্টেশনে বৈধ নথি না থাকায় ২০জন মাদ্রাসার ছাত্রকে গ্রেফতার করে আরপিএফ । সাথে সাথেই টুপি দাড়িওয়ালারা নারকেলডাঙা ও রাজাবাজার থেকে এসেই শিয়ালদহ মেন রোড আটকে দিল তুবুও প্রেশ্যাদের কথা নেই । অধিকার দিয়ে দিয়ে যারা এদের মাথায় তুলছে একদিন তাদের বাড়িতে ঢুকেই তাদের কন্যাকেই ধর্ষন করবে সেদিন ধর্মনিরপেক্ষতা যেন আপনাদের বজায় থাকে । আপনারা যদি ভাবেন এটা একটা আন্দোলন করছে মাদ্রাসার ছাত্ররা তাহলে ভুল করবেন, এটাই ব কলমে ইয়াকুবের ফাঁসীর বদলা নিতে চাইছে ।
একটি বিশেষ ঘোষণা:
একটি বিশেষ ঘোষণা:
আপনারা জানেন যে এটা আগষ্ট মাস চলছে। আগষ্ট মাস মানে স্বাধীনতার মাস। ১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগষ্ট আমাদের জন্মভূমি আমাদের প্রাণপ্রিয় দেশ ভারতবর্ষ স্বাধীনতা লাভ করে। কয়েক কোটি মানুষের রক্তের বিনিময়ে দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আমাদের বিনীত অনুরোধ, আসুন জাতি,ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই দেশ মাতা, দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী নেতা-নেত্রী, বীর শহীদবর্গ এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য সকল বীর দেশপেমিক-দেশপ্রেমিকাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের ফেসবুকের প্রোফাইল পিকচার, কভার পিকচার এবং টুইটার সহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলি ভারতের জাতীয় পতাকা দিয়ে ভরিয়ে দিই। আসুন আমরা সবাই দেশমাতৃকার আরাধনা সঞ্চারে ব্রতী হই।
আসুন আমরা সবাই সমবেত কণ্ঠে বলি, জয় হিন্দ! বন্দে মাতরম্! মেরা ভারত মহান!
Monday, 3 August 2015
দেশদ্রোহিদের শনাক্ত করতে চান????
দেশদ্রোহিদের শনাক্ত করতে চান????
বেশি কিছু নয়, একটা জঙ্গিকে ফাঁসী দিয়ে দিন, দেখবেন দেশের মধ্যে যত দেশদ্রোহী লুকিয়ে ছিল সবাই বেরিয়ে এসেছে...
এই যে ইয়াকুব মেনন এর ফাঁসীতে , লাখের ওপর দাড়ি টুপি ওয়ালা মুসলমানের মিছিল, এরা কারা?? এরা হল আমাদের প্রিয় সংখ্যালঘু ভাইরা , যারা এদেশের খায়, এদেশের পরে, আর গুণ গায় পাকিস্তানের, গুণ গায় সন্ত্রাসবাদী জঙ্গিদের...
ইয়াকুব মেননের ফাঁসী নিয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তানের সাথে ভারতের মুসলমানরাও খুব প্রতিবাদী, একটা মুসলিমকেও খুঁজে পাওয়া গেল না, যারা বলল যে ইয়াকুবের ফাঁসী হওয়াতে তারা খুশি.. অথচ তাকে সাপোর্ট করে তারা কলকাতার বহু জায়গায় রাস্তা অবরোধ , সমাবেশ পর্যন্ত ও করল।
অপরদিকে সেদিন শেষকৃত্য হল আরেক মুসলমানের, যিনি আমাদের ভারতের গর্ব... dr. Apj abdul kalam এর। অথচ তার মৃত্যুতে এর ১/১০ ভাগ লোক ও উপস্থিত হয়নি...
গোটা ভারতের লোক যখন ড: কালামের মৃত্যুতে দুখ করছে, তখন ই একটা বিশেষ জাতি দুঃখিত এক সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যুতে... ধন্য ইসলামের শিক্ষা, ধন্য মুসলিম জাতি..
কে বলে, ''terror has na religion'' ?? আসলেই ''terror has no other religion except islam''
Subscribe to:
Comments (Atom)