Tuesday, 4 August 2015

ISIS ‬আইএস-এর হামলার আশঙ্কা

‪#BaghdadNationalLibrary‬ ‪#ISIS ‬আইএস-এর হামলার আশঙ্কা, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাগদাদ গ্রন্থাগারে চলছে ‘ডিজিটাইজ’ প্রক্রিয়া http://abpananda.abplive.in/incoming/2015/08/04/article673723.ece/Facing- Islamic-State-threat-Iraq-digitises-national-library

কলকাতা গনহত্যা ‌~ হিন্দুবীর গোপাল পাঁঠার স্মৃতিচারন ....................................................... পর্ব-১

কলকাতা গনহত্যা ‌~ হিন্দুবীর গোপাল পাঁঠার স্মৃতিচারন ....................................................... পর্ব-১ আপনার নাম কি?বয়স কত? আমার নাম গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়।বয়স৮৩। উনি অনেকজায়গায় আপনার নাম শুনেছেন।কি করে এত বিখ্যাত হলেন? বিখ্যাতর কিছু নেই।সেই সময়ে একটা কমন ডেনজার এসেছিল।তখন কিছু ইয়ং ছেলে আমার সিকিওর করা ছিল...৪২ এ আন্দোলনের সময়। তাদেরকে ডেকে বললুম কমন ডেঞ্জার একটা সামনে এসেছে সেটা কি করে ফেসকরা হবে।(তারা) বলল তার জন্য কি হয়েছে! আমরা লড়ব।এবং বহু ছেলে ভয়েতে বাইরে বের হতনা।সিক্সটিনথ অগাস্ট ডাইরেক্ট এ্যাকসন যেটা হবে বা হতে চলেছে তার আগে তিনবার থার্ডটাইম কমিশন এসেছে ইংল্যান্ড থেকে।কমিসন এসে ফিরে গেছে।এরা দেশভাগ করতে রাজী হয়নি।লিডাররা...তারপরে লাস্টে গান্ধী ….গান্ধীজীও এর বিরুদ্ধে ছিল।গান্ধীজী রাজি হয়নি দেশভাগ করতে।তখন নেতাজীর আই.এন.এ. লড়তে লড়তে এখানে এসেছে।ইম্ফলে এসেছে।তোমরা দেশভাগ করনা।আমি পৌঁছাচ্ছি।আমরা ফাইট করব।লড়ব....তখনগান্ধীজীকে ওভারটেক করে মানে ওর কথা গ্রাহ্য না করে....তখন ওরা বলল আমরা বহু জেল খেটেছি বহু কিছু করেছি..লিডার দের মধ্যে সব তখনকার যারা কংগ্রেসী লিডার ছিলেন বহু জেল খেটেছি...অনেক কিছু কষ্ট করেছি এখন আমাদের কিছু আরাম করা দরকার.. বলে ওকে বাদ দিয়ে এতে রাজি হয়ে গেল।লেডী মাউন্টব্যাটেন এসে জওহরলালকে রাজী করাল। আপনি ডাক্তার বি.সি.রায়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন।আপনি কংগ্রেসের সাথে কাজ করেছেন? আমি কোন পার্টির নই।আমি মানুষের সাহায্য করি।আমি কোন পার্টি করিনা।কোন পার্টিতে নেই।মানুষ বিপদে পড়লে পাশে গিয়ে দাড়াই।আমার কোন পার্টি নেই।পার্টি মেম্বার নেই। ১৬ই অগাষ্টে যখন ক্যালকাটা কিলিং শুরু হল তখন আপনি এবং আপনার যে ছেলেরা....তারা হিন্দুদের সাহায্য করার জন্য কি করেছিল ? ১৬ ই অগাষ্টে.....আমার মিটশপ আছে। কলেজস্ট্রীটে অনুকুল মুখার্জীর পাঁঠার দোকান...মাংসের দোকান মেডিক্যাল কলেজের উল্টোদিকে? হ্যাঁ,ওইখানে। সকাল...সকাল থেকে বসে আছি।আর কিছু সংখ্যক ভলান্টিয়ার ...লীগের ভলান্টিয়ার লাঠি নিয়ে মার্চ করছে..আপটু বৌবাজার মোড় টু হ্যারিসন রোড আর স্লোগান হচ্ছে...লড়কে লেগা পাকিস্তান। এইটা শুনছি। শুনতে শুনতে খবর এল যে বেলেঘাটাতে দুটো গোয়ালাকে কেটে ফেলেছে...বেলেঘাটা ….বেলেঘাটা ব্রীজের ওপারে...সেই শুনে বৌবাজারের রায়ট মানে হিন্দুমুসলমানেরলড়াই শুরু হয়ে গেছে...দোকান বন্ধ করে দিলুম....দিয়ে আমি বের হলুম।সেন্ট্রাল ক্যালকাটার মধ্যে যে সব ছেলেরা আছে তাদের ডাক দিলাম...তারা এসে বলল এটাকে থামাতে হবে .....তার কারন হচ্ছে ওটা হিন্দু এরিয়া (হিন্দু)বেশী মুসলিম কম...যাতে এটা না হয় সেই জন্য আমি এটা চেষ্টা করেছি যে এটাকে স্টপ কর..... আচ্ছা তারপর বেলা ওখানে বেলা তিনটে অবধি আমি রাউন্ড দিয়েছি...থামিয়েছি... থামিয়ে বেরিয়ে এসেছি....তখন লুঠতরাজের টেন্ডেন্সিটা একটু বেশী....আমি বললুম দেখ তোমরা কারো কোন জিনিষ লুঠতরাজ করোনা.....তোমরা….যাতে মারামারি না হয় লোক জখম না হয় ..খুন...খুনটুন..না হয় তার জন্য চেষ্টা কর...এটিকে থামাতেই হবে।... (১৯৯৭ সালে এ্যান্ড্রু হোয়াইটহেড গৃহীত সাক্ষাৎকারের শ্রুতিলিখন) ....অনুলিখনে--জয় রাজ...

আরব সাগরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মূল দ্বারকা নগরীর সন্ধান লাভ

ॐॐॐআরব সাগরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মূল দ্বারকা নগরীর সন্ধান লাভॐॐॐ দ্বাপর যুগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দ্বারকার রাজা ছিলেন।বর্তমান ভারতের গুজরাট প্রদেশে জামনগর জেলার গোমতি নদীর তীরে দ্বারকা নগরী অবস্থিত এবং এখানে প্রায় ৮০০শত বছরের অধিক সময় পূর্বে নির্মিত ৫৭ মিটার উঁচু ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মন্দির রয়েছে।এটাই সমস্থ সন্ন্যাসী ও পন্ডিতদের কাছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দ্বারকা বলে স্বীকৃত(আর্য ও আর্য ১৯৯৪)।অন্যদিকে মহাভারতে বলা হয়েছে যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কিংবদন্তীর দ্বারকা সাগরে নিমজ্জিত হয়েছিল।এই গ্রন্থের পরিশিষ্ট হরিবংশে বলা হয়েছে যে,এই সমৃদ্ধ নগরী ভারতের পশ্চিম উপকূলে যেখানে গোমতী এসে সাগরে মিলেছে সেখানে অবস্থিত। বাংলাদেশের ঢাকা থেকে প্রকাশিত ভারত বিচিত্রার পঞ্চদশ বর্ষ মার্চ ১৯৯৮ ফাল্গুন চৈত্র ১৩৯৪,পৃষ্টা ২৪-২৮ তে গোয়াস্থ ন্যাশানাল ইন্সটিটিউট অব অসেনোগ্রাফি এর মেরিন আরকিওলজি সেন্টারের প্রজেক্ট ডাইরেক্ট্রর ডঃ এস আর রাও এর লিখিত ও শ্রী নান্টু রায়ের অনুবাদকৃত "সমুদ্র প্রত্নতত্ত্বের বিস্ময় জলধি নিমগ্ন মন্দিরময় শহর দ্বারকাকে খুঁজে পাওয়া গেছে" র্শীষক এক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।এ প্রবন্ধে উক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বহু চেষ্টা করে জলমগ্ন ও ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধারের মাধ্যমে পুরানো সময়ের সমুদ্র তীরবর্তী জাহাজ নির্মাণ ও তাত্কালীন শিল্প সংস্কৃতির ওপর ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে দ্বারকা নগরীর সন্ধান লাভের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উপস্থাপন করতে সমর্থ হয়েছে।এই ডুবন্ত জাহাজ ও জলমগ্ন শহর সমুদ্রতলে টাইম স্কেল (Time Scale) হিসেবে কাজ করেছে।প্রায় ২১০টি জাহাজের ভগ্নাবশেষ এ পর্যন্ত পাওয়া গেছে এবং এর মধ্যে ৩২টি ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।লাক্ষাদ্বীপের কাছে নিমজ্জিত রত্নবাহী একটি জাহাজের উপর ওপর প্রাথমিকপরীক্ষানিরীক্ষা চালানো হয়েছে। ভূপদার্থিক জরিপ (Geological Survey) করে দেখা গেছে যে,দ্বীপেও জাহাজের ভগ্নাবশেষ রয়েছে।প্রত্নতাত্ত্বিক আবিস্কারের মধ্যে ডুবে যাওয়া প্রাচীন বন্দর আবিস্কার হচ্ছে সবচেয়ে বিস্ময়কর ঘটনা।ভারতীয় সমুদ্র উপকূলে অনেক প্রাচীন বন্দর ডুবে গেছে,আর এর মধ্যে দ্বারকা হচ্ছে একটি।দূর নিয়ন্ত্রিত (Remote Controlled) সাইডস্কান সোনার (Sonar) ও সাব এটম প্রোফাইলারের সাহায্যে সমুদ্র পৃষ্ঠের প্রায় ৪০০০মিটার নিচে টাইটানিকের অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব হলেও অগভীর জলে খোঁজাখুজি করে দ্বারকা নগরীর সমুদয় লুপ্ত নিদর্শন উদ্ধার করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়েছে।কেননা ৫-৮ মিটার নীচে সমুদ্র বক্ষে অজমাটবদ্ধ ও চলনশীল বালুকনারাশি ভূ-পদার্থিক জরীপ কাজে বেশ অন্তয়ায় সৃষ্টি করে।এছাড়া সমুদ্রে অবিরাম ঢেউ ও তীব্র স্রোত।লক্ষ্যবস্তুর ছবি তোলা ও খনন কাজ করা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।তবুও ডুবরীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও বিভিন্ন অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে বালুকারাশি সরিয়ে অবশেষে বিশেষ এক ধরনের ফিল্মে ঐসব নকশা ও কাঠামোর ছবি তুলে আনা হয়।বেট দ্বারকার (Bet Dwarka) আশেপাশে এখনো ভয়ঙ্কর সব অক্টোপাসের বাস করছে যা ডুবরীদের জন্য বেশ বিপজ্জনক।এসব অসুবিধে ও বাধা অতিক্রম করে সমুদ্র প্রত্নতত্ত্ব অভিযানের বিজ্ঞানী ও ডুবরীরা দুর্গপ্রাচীর ও অন্যান্য ভবন পাথরের তৈরি বিভিন্ন স্থাপত্য নিদর্শন,লোহার নোঙ্গর,বিভিন্ন মুদ্রা,পট,পুঁতির মালা আবিস্কার করতে পেরেছেন।ডুবন্ত দ্বারকা ও বেট দ্বারকায় ১৯৮২থেকে ১৯৮৬ এই চার বছরে সর্বমোট ৫ ধরনের অভিযান চালানো হয়েছে। আরব সাগরে থেকে সমুদ্র নারায়ণের যে মন্দির দেখা যায় সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ডমার্ক।কারন এখানেই প্রাচীনকালে সমুদ্র দেবতা (Sea God) মন্দির নির্মিত হয়েছিল।৫৭৪ খ্রীস্টাব্দে রাজা গরুলকের (Garulaka King) নানা উত্কর্ণ লিপি থেকে পূর্বোল্লেখিত দ্বারকার কথা জানা যায়।যদিও পুরানো দ্বারকার ওপরেই নতুন দ্বারকা অবস্থিত তবুও এর প্রকৃত পরিচয় ১৯৭৯-৮০ সালের আগে জানতে পারা যায়নি।এ সময় দ্বারকাধীশ মন্দিরের সন্মুখে ভূমি খুঁড়ে খ্রিষ্টপূর্ব ১৪-১৫ শতকের ৩টি মন্দিরের ধ্বংসাবশেষে ডুবন্ত নগরীটির বাস্তুধ্বংস আবিষ্কার করা হয়।এর মাধ্যে খ্রীষ্টপূর্ব নবম শতকে নির্মিত বিষ্ণু মন্দির সবচেয়ে কম পুরোনো।এখানে বিষ্ণু,শিব ও অন্যান্য দেবদেবীর চমৎকার সব ছবি উৎকীর্ণ রয়েছে।প্রথম দিকের মৃত্তিকাস্তরে একটি উজ্জ্বল লাল বর্ণের মৃৎ পণ্য পাওয়া গেছে।এটি প্রভাসক্ষেত্রেরএবং বয়স ১৫শ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ( কার্বন-১৪ প্রণালীতে বয়স পরিমাণ করা হয়েছে)।প্রভাস হচ্ছে,আরেকটি মহাভারতীয় তীর্থক্ষেত্র যেটি সৌরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় সমুদ্র্র উপকূলে অবস্থিত।দ্বারকার সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে বসতি ছিল এমন প্রমান পাওয়ার পর ডুবন্ত দ্বারকা নগরী খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি বেড়ে গিয়েছিল।দূর উপকূলে (Off shore) অনুসন্ধান চালানোর আগে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওসানোগ্রাফীর বিজ্ঞানীরা ভালভাবে কচ্ছ (Kntch) উপসাগরীয় অঞ্চলের ভূমিরূপ পরীক্ষা করে নিয়েছিলেন।তাঁদের পরীক্ষা থেকে জানা যায় যে ১০,০০০ বছর আগে এই কচ্ছ উপসাগরীয় অঞ্চল ৬০ মিটার নিচু ছিল।এখানে উঁচু সমতল ভূমি দিয়ে বিভক্ত কয়েকটি মিনার ও রয়েছে।দ্বারকার সঠিক অবস্থান সর্ম্পকে নিশ্চিত হতে পুরানো পাঠ্য পুস্তকে কিংবদন্তীর দ্বারকার যে বিশদ বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাও বিবেচনা করা হয়েছিল। হরিবংশে (বিষ্ণুপর্ব- ৫৭-৫) দ্বারকাকে জলের ভেতরে দূর্গ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে এবং একই পর্বের আরেক জায়গায় (৫৭-১০৩) একে সমুদ্রের ভেতরে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সবদিক বিবেচনা করে দি মেরিন আর্কিওলোজী সেন্টার ইন দি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ওসানোগ্রাফীর বিজ্ঞানীরা দ্বারকার ৩২ কিমি দুরে বেট দ্বারকা নামক দ্বীপে অনুসন্ধান কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন।বেট দ্বারকাও একটি পবিত্র স্থান।দ্বীপটির পূর্ব উপকূলে অনুসন্ধান করতে গিয়ে ১৯৮২সালে তারা ৫০০মিটার লম্বা একটি বিরাট দুর্গ প্রাচীর আবিস্কার করেন।এই বেট দ্বারকাতেই পাওয়া গেছে হরপ্পা যুগের পুতির মালা,হাড়ি পাতিল এবং পলা আকৃতির বিরাট দালানের খন্ডাংশ।এগুলো অনেক প্রাচীন বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন।

বাংলার মিডিয়া এবং খবরের কাগজ গুলোকে প্রেশ্যা বলা হচ্ছে কারণ --

বাংলার মিডিয়া এবং খবরের কাগজ গুলোকে প্রেশ্যা বলা হচ্ছে কারণ -- (লিখেছেন মান্যবর.. শ্রী সঞ্জয় চৌধুরী) বেশ্যাদেরও একটু দায়বদ্ধতা থাকে তাঁর খরিদ্দারের প্রতি। যার সঙ্গে সে শুয়ে পরে টাকা নেবে বলে ঠিক সেই সময়ে যদি পুলিশ এসে দরজা কট কট করে তবে সেই বেশ্যা মহিলা তাঁর খরিদ্দারকে বাঁচানোর জন্য হয়তো খাটের তলায় লুকিয়ে রাখে অথবা বাথ রুমে লুকিয়ে রেখে খরিদ্দারকে বাঁচিয়ে রেখে খরিদ্দারের ঋন মেটায়। কারণ সেই টাকায় সে বেঁচে থাকে । তাঁর ছেলে মেয়ে বেঁচে থাকে। অথচ --------------- এখানকার খবরের কাগজের এবং মিডিয়া চ্যানেল গুলোর ৯০ % গ্রাহক আমরা অর্থাৎ হিন্দুরা। অথচ হিন্দুরা কোথাও মার খেলে - কোথাও অত্যাচারিত হলে - কোথাও হিন্দুর মেয়ে কে তুলে নিয়ে গিয়ে ৭৫ দিন আটকে রাখলে - অথবা হিন্দুর কলেজ ছাত্রী মেয়েকে ধর্ষন করে দুই পা চিরে ফেলে মেরে ফেললেও ------------- মিডিয়া এবং প্রেস এর কোন হেল দোল হয় না । কিন্তু এরা কি আমাদের টাকায় চলে না ???? আমরা কি ৪-৫ টাকা দিয়ে একটা করে খবরের কাগজ পড়িনা ???? আমাদের ৩০০ টাকার কেবল লাইনের কিছুটা টাকাও কি মিডিয়া খবরের চ্যানেল গুলো পায় না ???????? অথচ এরা আমাদের হিন্দুদের উপর কোনো অত্যাচারের কাহিনী তুলে ধরে না। কিছুই বলে না। সুতরাং আমরা প্রেসের প্রথম অক্ষর " প্রে " এবং বেশ্যার শেষ অক্ষর " শ্যা " র থেকে তুলে নিয়ে এদের নাম করন করেছি নুতন টার্ম --- " প্রেশ্যা " - কারণ এদের বেশ্যা বললে বেশ্যাদের অপমান করা হয় । কারণ ওরাও নুন খেয়ে সেই ঋন শোধ করে খরিদ্দারদের বিপদে পাশে দাঁড়িয়ে।

It's official. Government has banned these 857 porn sites

http://indiatoday.intoday.in/story/its-official-government-has-banned-these-857-porn-sites/1/455899.html

গতকাল যা ঘটল, যে কারনে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় আটকে গেলাম তার জন্য কি মহাত্মা গান্ধী দায়ী নয় ??

গতকাল যা ঘটল, যে কারনে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় আটকে গেলাম তার জন্য কি মহাত্মা গান্ধী দায়ী নয় ?????????????????????????????????? এর পরেও কেন আমি নাথুরাম গডসের সমর্থক হব না !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! (লিখেছেন ... বন্ধুবর সঞ্জয় চৌধুরী.... ) গতকাল রাত ৯.২০ এর আশপাশে অনেক কষ্টে শিয়ালদাহ স্টেশনে পা রেখেছি ঠিক সেই সময় শিয়ালদাহ স্টেশনের ১ নং প্ল্যাটফর্মের দিক থেকে জনা কুড়ি উন্মুক্ত দেশদ্রোহী যুবক লাঠি উঁচিয়ে সাধারন মানুষকে ভয় দেখাতে দেখাতে রেলের সরকারী সম্পত্তি ভাংচুর করতে করতে এগিয়ে গেল সাউথ রেলস্টেশনের দিকে সঙ্গে সঙ্গেই আবার তারা ফিরে এল এবং ঐ ১ নং প্ল্যাটফর্মের গেট দিয়ে বিনা বাধায় অনায়াসে রেল পুলিশের এবং আমাদের মতন হাজার হাজার মানুষের চোখের সামনে দিয়ে বের হয়ে গেল। গতকাল যা যা ঘটল সেই সব কিছুর জন্য কি মহাত্মা গান্ধী দায়ী নয় ?????? কারণ ১৯৪৬ এর ১৬ অগাস্টের ভয়ানক হিন্দু নিধন যজ্ঞের পরে দেশ ভাগ অবশ্যম্ভাবী হয়ে পরে। এর ফলে কলকাতা সহ সমস্ত পশ্চিমবাংলার শান্তির দূতেরা তাঁদের ব্যাগ পত্র তল্পি তল্পা গুটিয়ে পরিবার নিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে চলে যাওয়ার মনস্থির করে। ঠিক তখন থেকেই মহাত্মা গান্ধী ঘাঁটি গাড়েন বেলেঘাটার সেই কুখ্যাত বাড়িতে। ১৯৪৭ এর মে -জুন জুলাই -অগাস্ট মাস তিনি ঘাঁটি গেঁড়ে পরে থাকেন কোলকাতা আর সোদপুরের আশ্রমে। তিনি কোলকাতার প্রতিটি মহল্লায় মহল্লায় গিয়ে বোঝান , " ওহে শান্তির দূতেরা তোমরা কেন ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য মনস্থির করেছ ?????? আমি তো আছি । কেউ কি তোমাদের চলে যেতে বলেছে ????? এই দেশটা যতটা হিন্দুর ঠিক ততটাই তোমাদের মতন শান্তির দূতেদেরও । " সকলে ইতিহাস পড়ে দেখো -- যেই দিন দেশ স্বাধীন হয় সেই দিন হ্যাঁ ১৯৪৭ এর ১৫ অগাস্ট গান্ধীজী কোলকাতার বেলেঘাটার গান্ধী ভবনে ছিলেন এবং থেকে সর্ব ধর্মের পাঠ পড়াচ্ছিলেন বাঙালী হিন্দুদের কে। ১৯৪৭ এর ১৭ ই অগাস্ট গান্ধীজী দিল্লী হয়ে অমৃতসর যাবেন বলে হাওড়া স্টেশনে যাবেন বলে ঠিক করেন। তিনি বেলেঘাটা হয়ে মহাত্মা গান্ধী রোড ধরে হাওড়া স্টেশনে যাবেন বলে ঠিক করেন। ইংরেজ পুলিশের ইন্টেলেজেন্স দপ্তর খবর পায় পথিমধ্যে কলেজস্ট্রিটের কলাবাগানের কাছে শান্তির দূতেরা মহাত্মা গান্ধীর গান্ধীগীরি আর সর্ব ধর্ম মিশনের পাঠ চুকাবে বলে স্থির করে রেখেছে। এর পরে উনার যাত্রা পথ পালটানো হয়। উনি বিটি রোড ধরে দক্ষিনেশ্বর হয়ে বালি ব্রিজের উপর দিয়ে গিয়ে বেলুড় স্টেশনে গিয়ে সেই ট্রেনটাই ধরেন। সর্বধর্মের পাঠ পড়ানো গান্ধীজীকেও শান্তির দূতেরা রেয়াত করেনি। ইতিহাস তাই বলছে। তাই আমি কালকের ঘটনায় ভুক্তভূগি এবং যখন চোখের সামনে এই ঘটনা দেখছিলাম বার বার মনে হচ্ছিল এর জন্য মহাত্মা গান্ধী দায়ী। উনার বড় ছেলে শান্তির দূত হয়েছিল । ঊনার সফট কর্নার থাকতে পারে শান্তির দূতেদের প্রতি। কিন্তু আমাদের নেই -- মিডিয়া মেট্রো রেলে কোনো মেয়ের বুকে কেউ হাত দিলে ভীরের মধ্যে সে্টা ঠিকই দেখতে পেয়ে যায় আর এতো বড় ঘটনা দেখতেই পেল না !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! আশ্চর্য তো??

Bangali Hindu Post(বাঙ্গালি হিন্দু পোস্ট): সাইদির ফাঁসির রায় পরবর্তী বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও মন্দির ধ্বংসের খতিয়ান

http://bangalihindupost.blogspot.in/2013/05/blog-post_653.html