যারা পৃথিবীতে যুগ যুগ ধরে অহিংসার কথা বলে এসেছেন.... সেই তারাই আজ কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে........ উলটো সুরে কথা বলতে শুরু করেছেন ....... অথচ এই বোকা নির্লজ্জ হিন্দুজাতি আজও সেই বাস্তবটাকে বুঝতে পারেনি। ...........
________________________________________________
** সুদীর্ঘ 2500 বছর পরে 17 জানুয়ারী, 2009 দিল্লীতে এক ভাষনে বৌদ্ধ ধর্মগুরু চতুর্দশ দালাই লামা বলেছেন, ‘'অহিংসা দ্বারা সন্ত্রাসবাদ দমন করা সম্ভব নয়। সন্ত্রাসীরা মেধাবী এবং শিক্ষিত, কিন্তু তাদের মনের দ্বার অবরুদ্ধ হয়ে আছে।'’ অহিংসবাদী বৌদ্ধ, জৈন ও বৈষ্ণব দলভুক্ত এক বিরাট সংখ্যক ভারতীয় হিন্দু ভক্তিবাদ আর অদৃষ্টবাদের উপর নির্ভরশীল হয়ে আত্মরক্ষায় অক্ষম হয়ে পড়েছে। এরা দেশরক্ষার কথা একটুও ভাবেন না। সেই কারনে পূর্ববঙ্গ থেকে হিন্দুরা 1946 থেকে শুরু করে আজও জন্মভূমি ত্যাগ করছে। 47 এর দেশভাগের পর পাকিস্তান থেকেও হিন্দুরা ভারতে চলে আসছে। পাকিস্তান-আফগানিস্তান আজ হিন্দু শূন্য যদিও স্বাধীনতার সময় সেখানে প্রায় 25 % ও ইসলামিক বাংলাদেশে 30 % হিন্দু ছিলেন যা মোটেই আত্মরক্ষার প্রয়োজনে কম নয়। ইউরোপের বলকান অঞ্চলে 12% সার্ব ক্রোয়েশিয়ায়,17% ক্রোট বসনিয়ায় ও 8% আরমেনীয় আজারবাইজানে নিজস্ব রাজ্য গঠন করেছে। দক্ষিনপূর্ব সিন্ধু (পাকিস্তান), পশ্চিম বাংলাদেশ, উত্তর শ্রীলংকা এবং দক্ষিন ভূটানে বেশ কিছু জায়গা হিন্দু অধ্যুষিত হওয়া সত্ত্বেও সেসব স্থান এমনকি বৌদ্ধ ভূটান ও শ্রীলংকা থেকেও লক্ষ লক্ষ হিন্দু বিতাড়িত হয়ে ভারতের বিভিন্ন উদ্বাস্তু শিবিরে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। দক্ষিন ভূটান থেকে ভূটানী সেনা দিয়ে বহিষ্কৃত লক্ষাধিক হিন্দু এখন ভারতের উদ্বাস্তু শিবিরে আছেন। স্বাধীনতার সময় 30% থেকে হিন্দুর সংখ্যা শ্রীলংকায় কমে এখন মাত্র 15% কারন বেশীরভাগ হয় খুন হয়েছেন নয় চেন্নাই সহ তামিল নাড়ুর রিফিউজী ক্যাম্পে দিন কাটাচ্ছেন অথচ দক্ষিন ভূটানের মত উত্তরপূর্ব শ্রীলংকাও হিন্দু সংখ্যাগুরু অঞ্চল। আজকাল আবার হিন্দু প্রধান নেপাল পর্যন্ত চিনের দালাল মাওবাদীদের খপ্পরে পড়ে হিন্দু রাষ্ট্রের ইতি ঘটিয়ে ভারতের সাথে শত্রুতা শুরু করেছে। সর্বহারা ছিন্নমূল মানুষেরা পর্যন্ত ধর্ম এবং আত্মরক্ষার্থে আজীবন ধর্মযোদ্ধা সুদর্শনধারী শ্রীকৃষ্ণকে ভুলে শুধুই কেন বংশীধারী শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করেন? অশুভশক্তির বিরুদ্ধে শুভশক্তির সংগ্রাম ও বিজয়ই মহাভারত তথা হিন্দুধর্মের পবিত্রতম গ্রন্থ “ভগবৎ গীতা”র সার।
হিন্দুদের দুর্দশার প্রধান কারন ছিল অনৈক্য ও জাতিভেদ এবং সুখের কথা জাত-পাতের মাধ্যমে যে একতার অভাব তা অনেকাংশে কমেছে। তবে আত্মকেন্দ্রিকতাও সামাজিক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটায় অনৈক্য এখনো প্রকট। বাবা রামদেব, আন্না হাজারে, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ প্রভৃতি এব্যাপারে চেষ্টা চালাচ্ছেন।
________________________________________________
পশ্চিমবঙ্গে বাম সরকার সাড়ে তিন দশকে পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক নষ্ট করে দিয়েছে। অপরদিকে পরবর্তী সরকার নির্বাচনে ভোটব্যাঙ্কের লোভে উন্নয়নের নামকরে মাত্রাতিরিক্ত মুসলিম তোষন শুরু করেছে। দশ হাজার অবৈধ মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে যা সেখানে ছাত্র সংখ্যা বাড়াতে ও কেন্দ্রীয় অনুদান পেতে সাহায্য করবে। প্রতিটিতে গড়ে একশ ছাত্র হলেও দশ বছরে এই খন্ডিত বাংলা নতুন করে এক কোটি জেহাদী পাবে। বহুদিন ধরেই গোয়েন্দা ও বিভিন্ন সরকারী বিভাগ প্রমান দিয়ে চলেছে যে বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত নতুন গজিয়ে উঠা মাদ্রাসা ও মসজিদ গুলো জিহাদী তৈরী এবং ভারতবিরোধী চক্রান্তের আঁতুড়ঘর হিসেবে গড়ে উঠেছে।
শুধু এই ধর্মনিরপেক্ষ পশ্চিম বাংলাতেই পাশের ইসলামিক বাংলা (বাংলাদেশ) থেকে 2011এর মধ্যে দু-কোটির উপর অবৈধ বাংলাদেশী মুসলমান ঢুকে পড়েছে, সারা ভারতে যাদের সংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি। বাংলাদেশ থেকে হিন্দু শরনার্থী আত্মরক্ষার্থে ভারতে এলে তাদের বি এস এফ দিয়ে ফের ওপারে তাড়িয়ে দেয়া হয়, ভারতে ঢুকতে দেয়না। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী মুসলিম এলে সিপিএম ভোটার তালিকায় নাম তুলে দেয় তো কংগ্রেস রেশন কার্ড বানিয়ে দেয়। বাংলাদেশের জনগননার সাথে যুক্ত সরকারী সংস্থা বি বি এস জানিয়েছে যে তাদের দেশ থেকে এক কোটি লোক শুধুমাত্র দশ বছরে 1981-1991 এর মধ্যে বেপাত্তা হয়ে গেছে যারা প্রায় সবাই বিনা ভিসায় ভারতে ঢুকে পড়েছে। কিছু পাসপোর্ট নিয়ে এসেছে চিকিৎসা, ভ্রমন বা আত্মীয়ের সাথে দেখা করার নামে কিন্তু ফিরে যায়নি ও তাদের সংখ্যাও লক্ষ লক্ষ, তবু নির্বোধ নেতাদের কথায় ভারত সরকার এখনও ওদেশের মুসলমানদের ভিসা দিচ্ছে। প্রতি বছর শুধু মেদিনীপুর শহরে উরস করতে এক ট্রেন মুসলিম বাংলাদেশী আসে কিন্তু ট্রেনটা প্রায় খালি ফিরে যায়। এদের বসবাসের ফলে যে শুধু পশ্চিম বাংলার ৭-৮টি সীমান্তবর্তী জেলায় ভূমিপুত্র হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে গেছে তাই নয় জনবিন্যাস বদলে দিয়ে তারা দেশের সুরক্ষার অন্তরায় হয়ে উঠেছে। গোহত্যা, নারী ও শিশু পাচার এবং চোরাচালান এদের পেশা। অনতিবিলম্বে সরকার আইনসম্মতভাবে এদের সেনা দিয়ে ঘার ধাক্কা দিয়ে সীমান্ত পার না করে দিলে এরা বৃহত্তর ইসলামিক বাংলাদেশ গড়েই ছাড়বে কোটি কোটি হিন্দুর প্রান-মান-ইজ্জতএবং ভারতমাতার অখন্ডতা ও সম্ভ্রমের বিনিময়ে। সরকারের খাতায় শুধু কলকাতায় ২০ লক্ষ বিদেশী মুসলমানের হিসেব আছে। নেতাদের শুধু লক্ষ্য সামনের নির্বাচন। জ্যোতি বসুর সিপিএম সরকার অপারেশন সানসাইন নামে কলকাতায় হকার উচ্ছেদ করতে গিয়ে পূর্ববঙ্গ থেকে আসা সব হিন্দু হকারদের তুলে দিলেন কিন্তু বাংলাদেশ থেকে আসা উর্দুভাষী হকারদের ছেড়ে দিলেন কারন তাদের পিছনে ছিল ডেপুটি স্পীকার তথা ফরয়োর্ড ব্লকের খাদ্য মন্ত্রী কলিমুদ্দিন শামস যিনি প্রত্যেক মিটিংএ বলতেন, ‘আমি আগে মুসলমান পরে ভারতীয়।’ আমাদের সাংবাদিকরা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হলে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের জন্য লেখে '‘দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ’',
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Wednesday, 9 September 2015
ভারতবর্ষের মাটিতে পুরোপুরিভাবে বন্ধ হতে চলেছে গো হত্যা
গো মাংস আহারকারীরা তাদের বিকল্প
খুঁজে নিন এবার কারন ভারতবর্ষের
মাটিতে পুরোপুরিভাবে বন্ধ হতে চলেছে
গো হত্যা। মুসলিম ধর্মগুরু মহম্মদ
ইলিয়াস স্বীকার করলেন হাদিসে পানীয়
দুধ উৎপাদনকারী প্রানী হত্যা নিষেধ
আছে । ইসলামে কুরবানীর জন্য প্রথম
পছন্দ "ডম্বু" যেহেতু ডম্বু (উটজাতীয়
প্রানী) ভারতবর্ষে নেই তাই গরুকেই
বেছে নিয়েছিলেন তারা । ধর্মগুরু এইও
জানালেন গো হত্যা যদি হিন্দু ধর্মকে
আঘাত করে তাহলে আইন পাশ করে
গরুর বিকল্প কুরবানির জন্য যেন ঠিক
করা হয় । গুজরাত সরকারের গো হত্যা
বিরোধী পোষ্টার বাবুনগরে দেওয়ার
পরই এই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে ।
আশাদউদ্দিন ওয়েশীও গোহত্যা বন্ধের
আইনের কথা বলেছেন,তিনি জানান
মোষের মাংসকে বিফ বলে আর গরু
মাংসকেই বিফ বলে তাহলে সরকারের
উচিত মোষ ও গরুর মর্মকে বুঝিয়ে
গোহত্যা বন্ধের আইন পাশ করানো ।
source-zee news
ভারতবর্ষের মাটিতে পুরোপুরিভাবে বন্ধ হতে চলেছে গো হত্যা
গো মাংস আহারকারীরা তাদের বিকল্প
খুঁজে নিন এবার কারন ভারতবর্ষের
মাটিতে পুরোপুরিভাবে বন্ধ হতে চলেছে
গো হত্যা। মুসলিম ধর্মগুরু মহম্মদ
ইলিয়াস স্বীকার করলেন হাদিসে পানীয়
দুধ উৎপাদনকারী প্রানী হত্যা নিষেধ
আছে । ইসলামে কুরবানীর জন্য প্রথম
পছন্দ "ডম্বু" যেহেতু ডম্বু (উটজাতীয়
প্রানী) ভারতবর্ষে নেই তাই গরুকেই
বেছে নিয়েছিলেন তারা । ধর্মগুরু এইও
জানালেন গো হত্যা যদি হিন্দু ধর্মকে
আঘাত করে তাহলে আইন পাশ করে
গরুর বিকল্প কুরবানির জন্য যেন ঠিক
করা হয় । গুজরাত সরকারের গো হত্যা
বিরোধী পোষ্টার বাবুনগরে দেওয়ার
পরই এই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে ।
আশাদউদ্দিন ওয়েশীও গোহত্যা বন্ধের
আইনের কথা বলেছেন,তিনি জানান
মোষের মাংসকে বিফ বলে আর গরু
মাংসকেই বিফ বলে তাহলে সরকারের
উচিত মোষ ও গরুর মর্মকে বুঝিয়ে
গোহত্যা বন্ধের আইন পাশ করানো ।
source-zee news
বামপন্থার মতো উগ্র মৌলবাদ
পৃথিবীর বুকে আর কখনো জন্মায়নি।
ইসলাম যেমন অন্য ধর্ম মত কে
স্বীকার করেনা, অন্য ধর্মাবলম্বী
দের যেভাবে কাফের আখ্যা দিয়ে নিধন
করে তেমন বামপন্থাও অন্য কোন
রাজনৈতিক বা ধর্ম মত এর প্রতি
চরম বিদ্বেষ পোষণ করে এবং সেই
মতাবলম্বী নিধন এর মাধ্যমে নিজেদের
সাম্রাজ্য অক্ষুন্য রাখা এবং বাকিদের
বামপন্থার প্রতি অনুগত রাখার
প্রমান আমরা ইতিহাসে বার বার
পেয়েছি, সেটা চীনের তথাকথিত
বুর্জোয়া হত্যা হোক, স্তালিন এর
গনহত্যা হোক, আর পল পট থেকে শুরু
করে আমাদের দেশের মাওবাদি, বিজন
সেতু, নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর কাণ্ড হোক।
ঠিক যেন গাব্বার সিংহের মতো ''জো
জাদা বোলা, সমঝো মার ডালা''। তবে
ব্যাক্তিগত ভাবে আমাকে সব থেকে
বেশী ভাবায় সেটা হল টিয়ানেন্মেন
স্কয়ার এর ঘটনা। নিজেদের প্রতিবাদী,
বিপ্লবী বলে যতই জাহির করুক
বামপন্থীরা , তিয়ানেন্মেন স্কয়ার এই
কিন্তু বিপ্লব এর বেলুনটা খুব সজোরে
ফেটেছিল। নিজেদের প্রতিবাদী বল্লেও
সেদিন সামান্য ছাত্রদের প্রতিবাদ
সহ্য করতে পারেনি। গুলি করে ছিন্ন
ভিন্ন করেছিল ছাত্রদের শরীর। এটাই
প্রমান করে তারা কত উগ্র মৌলবাদী।
নিজেরা করলে বিপ্লব, প্রতিবাদ,
কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে বিপ্লব হলে
কপালে জোটে গুলি। আবার সেই
বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস।
হিন্দু সেকুলার!
হিন্দু সেকুলার!
বড় আজব এক প্রাণী ! দেখতে মানুষের মত কিন্তু মাথায় সমস্যা আছে তবে একেবারেও পাগলও না, আবার একেবারেই নির্বোধও না।এনারা হাবাগোবা ও না আবার প্রতিবন্ধী শ্রেণীরও না।এই প্রাণী কূলের নিকট কিছু প্রশ্ন করব সাথে প্রস্তাব রাখবো।আচ্ছা আপনারা তো বলেন সবধর্ম সমান।তা আপনারা গীতা আর কোরানের বাংলা পড়ে দেখেছেন ? আপনারা কি কখনো মুসলিমদের বলতে শুনেছেন পৃথিবীর সকল প্রাণী সুখী হোক।আপনারা বলেন সব ধর্মের মানুষই সমান,আচ্ছা আপনার প্রানপ্রিয় মুসলিম বন্ধুদের একথা বলতে শুনেছেন ? আপনারা বলেন ইসলাম শান্তির ধর্ম। কোথায় পেলেন এই কথা? ইসলাম আরবী শব্দ যার অর্থ আত্মসমর্পন করা। আর শান্তির আরবী শব্দ হচ্ছে সালাম।পৃথিবীর যত ইসলামিক দেশ আছে কোন দেশে শান্তি আছে? যত নিরীহ মানুষ মারা সংগঠন তা সব আপনার শান্তির ধর্মের মধ্যে।আপনারা ইফতার পার্টিতে মাথায় কাপড় দিয়ে শরিক হোন ভালো কথা আপনি কি দেখাতে পারবেন কোন মুসলিম লোককে পূজার সময় কপালে তিলক নিয়ে উপাসনার বসতে।আপনারা কি দেখেন না হাজার হাজার হিন্দু অত্যাচারিত আর লাঞ্চিত হয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তান হতে ভারতে আসছে অসহায়েরর মতো।আপনারা কি দেখাতে পারবেন ভারত হতে কোন মুসলিম অত্যাচারিত হয়ে বাংলাদেশ বা পাকিস্থানে যাচ্ছে? বরং জামাই আদর দেখে মুসলিমরা বাংলাদেশ হতে ভারতে যাচ্ছে।বাংলাদেশের পাকিস্থানের হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ইতিহাস বড় করুন।এখানকার হিন্দুদের ওরা মানুষই ভাবে না,মূর্তি ভাঙ্গা,বিধর্মী হত্যা,দেশ হতে তাড়ানো শান্তির ধর্মের লোকেদের ইমানী দায়িত্ব। পশ্চিমবাংলার মুসলিমরা হজ্বের জন্য অনুদান পায়,মাদ্রাসাশিক্ষা ব্যবস্থা আছে,চাকুরিকোঠা,জমি ক্রয় বিক্রয় আলাদা আইন,৪-৫ বিয়ের সুযোগ সব পাচ্ছে আর বাংলাদেশের হিন্দুর সম্পত্তি শত্রু সম্পত্তি,বড় মন্দির গুলো পুরাতত্ত্ববিভাগের দখলে,হিন্দু বিবাহ আইন পরিবর্তনের চেষ্ঠা,মন্দিরেরজায়গা দখল,হিন্দু মেয়ে জোর করে ধর্মান্তর ইত্যাদি সুযোগ সুবিধা বাংলাদেশের হিন্দুরা সর্বদা নির্যাতন কোঠার সুবাদে পাচ্ছে।সেকুলার গিরি কি শুধু একতরফা? নাকি আপনারা অন্য ধরনের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী? আমার সন্দেহ আছে।একজন মুসলিম আগে চিন্তা করে সে মুসলিম তার পর সে মানুষ আর আপনারা তাদের কাছে ভালো মানুষ সাজতে গিয়ে এ কোন ভং ধরেছেন।ইতিহাস পড়ে দেখুন সেকুলার আর মুসলিম তোষনকারীদের জীবনে ফল কখনো ভালো হয়নি।তারাই আগে কাটা পড়েছে।তাই এখনো সময় আছে ভালো মন্দ চিন্তা করার ক্ষমতা ঈশ্বর সবাইকে দিয়েছেন, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী না সেজে হিন্দু হোন,নিজের হিন্দুত্বকে জাগ্রত করুন।না হলে সামনে আপনাদের খুব বিপদ হিন্দুরাও মারবে আর মুসলিমরাতো মারবেই।দু দলের চাপে পড়ে চিড়ে চ্যাপটা হবেন কারণ হিন্দুরা জাগতে শুরু করেছে।সুতরাং সাবধান! সংশোধন করুন নিজেকে আর হিন্দু ধর্ম রক্ষার কাজে নেমে পড়ুন। দেখবেন জয় হবে আমাদেরই।
হিন্দু ছেলে মেয়েরা একটু বিদ্বান হলে ধর্মকি? ভগবান কে?
হিন্দু ছেলে মেয়েরা একটু বিদ্বান হলে ধর্মকি? ভগবান কে? এসব বিশ্বাস করিনা,সবধর্ম সমান,সব ধর্মের মানুষ সমান প্রভৃতি আবুল মার্কা কথা করে।নিজেকে মুসলিমদের কাছে প্রিয় পাত্র করার জন্য তাদের কাছে নিজ ধর্মের সমালোচনা করে।নিজে কখনো গীতা,রামায়ন,মহাভারত,বেদ না পড়েই ধর্ম সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করে।অন্য দিকে তাকান আলকায়দার প্রধান লাদেন ছিল ইঞ্জিনিয়ার আরবের ধনাট্য পরিবারের ছেলে,বাংলাদেশে ব্লগার হত্যার জন্য যার দিকে প্রধান সন্দেহ করা হচ্ছে সেই ফারাবি বুয়েটের স্টুডেন্ট। isis এর সংগঠনে আছে ইংলান্ডসহ প্রাচ্যের অনেকধনী পরিবারের শিক্ষিত ছেলে।মুসলিমরাযতশিক্ষিত হয় তত ধর্ম ভীরু হয়।আমাদের হয় সেকু,ভেকু, ভাম, বাম,নাস্তিক,সাম্যবাদী, মুসলিম দরদী।ধর্মের জন্য তারা নিজের জীবন হাসি মুখে দিয়ে দিচ্ছে।সারা বিশ্বে ইসলামী শাসন প্রতিষঠার নিরন্তন চেষ্ঠা। হিন্দুরা অত্যাচারিত হয়,পালায়,ধর্ম পরিবর্তন করে,ভালো মানুষ হওয়ার জন্য সেকু, ভাম সাজে।কখনো অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রচেষ্ঠা করে না।হিন্দু ছেলে মেয়েদের ধর্ম কর্ম করার সময় কই,সারা দিন মদ,গাঁজা, খৈনে,প্রেম নিয়ে আছে আর একটা মুসলিম ছেলে সপ্তাহে ৭ দিনের প্রত্যেক দিন ৫বার করে নামাজ পড়ে।সারা সপ্তাহে ধর্মের জন্য ব্যয় হয় ৫*৩০=১৫০*৭= ১০৫০ 60মিনিট =১১১০মিনিট। ব্যাখ্যা করি ৫ ওয়াক্ত মসজিদেযাওয়া আসা ও রেডি হওয়া=১৫০ মিনিটপ্রতিদিন।সপ্তাহে=১০৫০ মিনিট।শুক্রবার ১ঘন্টা বেশি মোট ১১১০মিনিট।একদিকে আমাদের ধর্ম উদাসী নির্বোদ হিন্দু লোকজন অন্য দিকে আগ্রাসী ভয়ংকর সন্ত্রাসী ধর্ম।একবার পড়ুন বাংলা কোরান,হাদিস অন্যদিকে পড়ুন গীতার বাংলা।চেষ্ঠা করুন বুঝতে দেখবেন আপনি কত কিছু জানেন না।তখন হয়তো বলবেন নাসব ধর্ম সমান,সবাই সমান,হিন্দু মুসলিম সমান,নাস্তিকতা,সেকু সব দূর হবে।চারিদকে শুধু চোখ কান খোলা রাখুন বুঝতে পারবেন।আপনার মুসলিম বন্ধু আপনার সামনে ভালো কথা বলছে,কিন্তু আপনার আড়ালে চাড়াল বলে গালি দিচ্ছে আপনাকে।আপনার বোনকে বিয়ে করে বিনা বিচারে বেহেশত যাওয়ার মতলব করছে।চিন্তা করছে আপনাকে দাওয়াত করে গরুর মাংস খাওয়ানোর কথা।আপনাকে তাদের ধর্মে নেওয়ার কথা ভাবছে।আপনার মুসলিম বন্ধুই বর্বর মুসলিম জগ্ঙি সংগঠনের লোক,কাফের নিধনের মুল ইন্দোনদাতা,মন্দিরে আগুন দেওয়া,দেবদেবীর মুর্তি ভাঙ্গার প্রধান নেতা।ভেবে দেখুন ভগবানের অশেষ কৃপায় হিন্দুর ঘরে জন্মেছেন কিন্তু আপনি করছেনটা কি?কি উত্তর দেবেন ঈশ্বরের কাছে,মানব জীবনে সময় খুবঅল্প।ভগবান শুধু আপনাকে খেয়েপরে আখের গোছানোর জন্য পৃথিবীতে পাঠাননি।মৃত্যুরসময় কোন কিছু সাথে নিয়ে যেতে পারবেন না,আর মৃত্যুর পর আপনার আত্মীয় স্বজন আপনাকে মনে রাখবে না।পৃথিবীতে ধর্ম আর ধর্মের মানুষের জন্য কাজ করুন,ধর্ম আপনাকে বাচিয়ে রাখবে অনন্তকাল।বিনয়,বাদল,দিনেশ,সূর্যসেন,ক্ষুদিরাম সবাই মরেছে অনেক আগে কিন্তু তারা আজও মানুষের অন্তরে।একবারের জন্য হলেও চিন্তা করুন।ঈশ্বর অবশ্যই আপনার ভালো করবেন।জয় সনাতনের জয়।
আইএস-এর বিরুদ্ধে বিশ্বের বৃহত্তম ফতোয়া ভারতীয় মুসলিম ধর্মগুরুদের
http://abpananda.abplive.in/national/2015/09/09/article709265.ece/Over-1000-Indian-Islamic-scholars-issue-worlds-biggest-fatwa-against-ISIS
Subscribe to:
Posts (Atom)