ইদে যেখানে সেখানে ত্রিপাল টানিয়ে গো হত্যা করতে মমতাজ বেগমের প্রশাসনের অনুমতি লাগে না। মসজিদে মাইক রোজ বাজিয়ে আজান দিতেও অনুমতির দরকার হয় না। বাইক চালাবেন হেলমেট না থাকলেও ব্যাপার না যদি মাথায় থাকে সাদা টুপি। কিন্তু দুর্গা মায়ের পুজার অনুমতি অতি অবশ্যক। এমনই ঘটনার সাক্ষ্যী রইলাম আজ। কোচবিহারের রাজারহাটে এক নতুন পুজার আয়জন করতে গিয়ে। যদিও অবশেষে অনুমতি দিতে রাজি হয় গ্রামের হিন্দু বন্ধুদের চাপে।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Friday, 11 September 2015
হিন্দু রাষ্ট্র হয়ে ভারত কি করেছে হিন্দুদের জন্য?
হিন্দু রাষ্ট্র হয়ে ভারত কি করেছে
হিন্দুদের
জন্য ?
বরং হিন্দুদের ক্ষতি সাধন করেছে
,সেকুলার
বানিয়েছে ,হিন্দু মেয়েকে মুসলিম দের
সাথে
প্রেমের সম্পর্কে জড়িত হয়ে হিন্দু
থেকে মুসলিম এ
মাইগ্রেশন হওয়ার ফিল্ম তৈরী করেছে
অহরহ
ভারত ।
হিন্দু ধর্ম প্রচারের জন্য কত টাকা
ডোনেট করেছে
ভারত !
ভারত বাহির দেশে কত মন্দির নির্মান
করেছে !
হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কি করেছে
ভারত !
হিন্দুদের মূল স্তম্ভ /অস্তিত্ব
টিকিয়ে রাখতে
কি করেছে ভারত !
বরং ভারত হিন্দুদের জায়গা দিচ্ছে
ভারতে থাকার
জন্য ,এবং নির্যাতীত হিন্দুদের
অস্তীত্বকে
বিলুপ্ত করছে । ।
ভারত থেকে মুসলিম অন্য দেশে যায় না
।
পাকিস্থান ,আফগানিস্থান ,বিডির
হিন্দু রা
কেন যায় !
ভারতের উচিত অন্যদেশের সংখ্যালঘু
হিন্দুদের উপর
সুখ শান্তি নির্যাতনের উপর নির্ভর
করবে ভারত
এর মুসলমানের ভাগ্য ।
কিন্তু ভারত তা করে নি ।
কিন্তু মুসলিম কান্ট্রি গুলো
প্রতিনিয়ত
অন্যদেশে ইসলাম প্রচারে জন্য মসজিদ
নির্মানের
জন্য অর্থ ডোনেট করছে ।
সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ সৃষ্টির জন্য
মুসলিম দেশ
গুলোই মুসলিম শরনার্থিদের আশ্রয়
দিচ্ছে না
,দিচ্ছে কাফের /ইসলাম ব্যতীত অন্য
ধর্মের দেশ ।
ভারত হিন্দুদের জন্য কিছুই করে নি ।
বরং হিন্দু
সংখ্যালঘু দেশে হিন্দুদের পাশে না
দাড়িয়ে সে সব
দেশের হিন্দুদের বিলুপ্ত করছে অভিনব
কায়দায় ।
আর এভাবেই হিন্দুরা প্রতিবাদি না হয়ে
দূর্বল
হচ্ছে । কারণ হিন্দুরা ভাবে ভারত
গেলেই তো
আশ্রয় পাবো ।
যদি ভারত সংখ্যালঘু হিন্দু দেশের
হিন্দুদের পাশে
থাকত ,তাহলে কি কাট মোল্লা
আততায়ী মুসলমান
আদ্য হিন্দুদের নির্যাতন করতে
পারত ?
Collected by....Anojit Ray
নাইন ইলেভেনের ১৪তম বর্ষপূর্তিতেও বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক | নাইন ইলেভেন | ডিডাব্লিউ.ডিই | 11.09.2014
২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ ১৪ বছর আগের ঠিক এই দিনেই যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এক যোগে চালানো হয়েছিল চার-চারটি আত্মঘাতি বিমান হামলা৷ হামলায় নিহত হয় প্রায় ৩ হাজার মানুষ৷ চারটি মার্কিন যাত্রিবাহী বিমান ছিনতাই করে নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ৯টার দিকে চালানো হয় এই হামলা৷ দুটি বিমান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উত্তর ও দক্ষিণ টাওয়ারে আঘাত হানে৷ নিমেষে ধসে পড়ে ভবন দুটি৷ আরেকটি বিমান নিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ তবে চতুর্থ বিমানটি নিয়ে জঙ্গিরা পূর্ব নির্ধারিত স্থানে হামলা চালাতে চাইলেও যাত্রীদের প্রতিরোধের মুখে সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়৷ পেনসিলভেনিয়ার আকাশে বিধ্বস্ত হয় সেই বিমান৷
.
পরিকল্পিতভাবে চালানো নারকীয় এ ধ্বংস ও হত্যাযজ্ঞের জন্য ইসলামি জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদাকে দায়ী করে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা বিভাগ৷ গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল-কায়েদার তখনকার নেতা ওসামা বিন লাদেনই ছিলেন হামলার রূপকার৷ ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে আত্মগোপন করে থাকা লাদেনকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী ‘নেভি সিল'৷
.
জঙ্গি গোষ্ঠী আল-কায়েদা দৃশ্যত কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়লেও আফ্রিকায় স্কুল থেকে দুই শতাধিক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে বোকো হারাম৷ বাণিজ্যিক বিপনীতে অতর্কিত হামলায় প্রাণ যাচ্ছে মানুষের৷ ইরাকের বেশ বড় একটা অংশ দখল করে নিয়ে বিশ্বজুড়ে ইসলামি খেলাফত কায়েমের ঘোষণা দিচ্ছে ইসলামিক স্টেট (আইএস বা আইসিস)৷ আইএস-এর বিরুদ্ধেও ‘যুদ্ধ পরিকল্পনা' প্রণয়ন করতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে৷
সব মিলিয়ে নতুন এক বাতাবরণেই নাইন ইলেভেনের ১৩তম বার্ষীকিতে ৩ হাজার নিহত, অসংখ্য আহত এবং তাদের পরিবার-পরিজনের প্রতি শ্রদ্ধা, সমবেদনা জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র৷ নিউ ইয়র্কের ‘দ্য ন্যাশনাল সেপ্টেম্বর ইলেভেন মেমোরিয়াল মিউজিয়াম' -এ জমবে হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়৷ এবারই প্রথম ৯/১১-র বর্ষপূর্তির দিনেও খোলা থাকবে এই জাদুঘর৷ গত মে মাস থেকে উন্মুক্ত করে দেয়া ‘সেপ্টেম্বর ইলেভেন মেমোরিয়াল মিউজিয়াম'-এ গিয়ে এ পর্যন্ত নয় লাখেরও বেশি দর্শনার্থী ১৪ বছর আগে নিহত হওয়া মানুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন৷ আজ দর্শনার্থীর সংখ্যা দশ লক্ষ হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ http://www.dw.com/bn/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AA%E0%A6%A4%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A7%9C%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%A4%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95/a-17912797
হিন্দুস্থানে মুসলমানের বিবাহ আইন পৃথক
হিন্দুস্থানে মুসলমানের বিবাহ আইন পৃথক। হিন্দু একটার বেশী বিয়ে করতে পারবে না কিন্তু মুসলমান পুরুষ চারটে বিয়ে করতে পারবে। তাদের স্লোগান হাম পাঁচ (বর ও চার বউ), হামারে পঁচিশ। এই ব্যবস্থা পাশাপাশি আর চলতে দেওয়া উচিত নয়। ভারতে স্যেকুলারিজিমেরআরো মহিমা হচ্ছে, কোন হিন্দু লোক বিশেষ কারনে যদি দুটো বিয়ে করতে যায় তাকে গ্রেফতার করতে পারে, তিন বিবি রাখা কোন মুসলিম পুলিশ অফিসারকে বিচার করে সাত বছরের দন্ড দিতে পারে চার বেগামের মালিক কোন মুসলমান জজসাহেব ?? পাকিস্তান, বাংলাদেশে বাধ্যতামূলকভাবেমুসলমানের জন্মনিয়ন্ত্রণ হচ্ছে, একের বেশী স্ত্রী রাখা যায়না, এখানে কি শুধু তাদের হাতে দেশকে তুলে দিতে হবে বলে এমন সর্বনাশা আইন?
প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদে ভরপুর ভারত কেনো দিনের পর দিন দুর্বল থেকে দুর্বলতর হচ্ছে এখন তা ভাবার সময় এসেছে। বৈদিক যুগে কর্ম ও গুনভিত্তিক চতুর্বর্ণ ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল ভারতে। প্রতি চার বছর অন্তর কর্ম ও গুনের নিরিখে প্রত্যেকের বর্ণ যাচাই হত। কিছু ব্রাহ্মণ এর বিরোধিতা করে জন্মভিত্তিক জাতব্যবস্থায় বিশ্বাসী হয়ে উঠেন। এমতোবস্থায়ঃ অজ্ঞেয়বাদী প্রতিবাদী আন্দোলন বৌদ্ধ ও জৈনরা শুরু করে, যার প্রায় চারশ বছর পর আস্তিক্য দর্শনে বিশ্বাসী কিছু ব্রাহ্মন আরেক প্রতিবাদী বৈষ্ণব আন্দোলন শুরু করেন খৃষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে। একে অপরের দ্বারা প্রভাবিত এরা সবাই অহিংসার ওপর অতিমাত্রায় গুরুত্ব দিয়ে থাকে যা ভারতীয় সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে। যার ফলে আমরা দিনে দিনে দুর্বল থেকে দুর্বলতর হচ্ছি। আজ আমরা আত্মরক্ষায় এতটাই অক্ষম যে দেশরক্ষার কথা চিন্তাই করি না। এই মতবাদ্গুলো যখন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন পরমত অসহিষ্ণুতা ও হিংসাকে সম্বল করে বিদেশী আব্রাহামিক ধর্মগুলো যথা ইসলাম বা খৃষ্টানিটির স্থাপনা হয়নি কিন্তু এখন অবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বিগত হাজার বছর ভারত বিদেশীদের পদানত ছিল মূলতঃ এই সব কারনেই, তাই স্বামী বিবেকানন্দ শক্তি উপাসনার কথা বলেছেন। এর মধ্যে আটশ বছর মুসলমান শাসন চলেছে, যা পশ্চিম বাংলায় প্রায় 560 বছর এবং পূর্ব বাংলায় এখনো চলছে। তবু অনেক হিন্দু নামধারী কবি-সাহিত্যিক এমনকি সাধু-সন্তরা বিন্দুমাত্র কোরান না পড়েই ইসলামের গুনগানে মূখর হচ্ছেন, কোন যুক্তি-তথ্যের ধার না ধরেই।
তুর্কিস্তান থেকে আগত মুসলমান অনুপ্রবেশকারী ইখতিয়ারুদ্দিন বখতিয়ার খিলজী 1196 তে বিশ্ব সভ্যতার গৌরব নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করে। হাজার হাজার নিরস্ত্র বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে জীবন্ত দগ্ধ করা হয় ও বাকি বেশ কয়েক হাজারকে কেটে ফেলা হয়। পারস্যের ঐতিহাসিক "মিনহাজের" মতে, 'আগুন ধরিয়ে দেওয়া ওখানকার বিশাল পাঠাগারের ধোঁয়া কয়েকমাস ধরে পাশের ছোট পাহাড়গুলো ঢেকে রেখেছিল'। ১২০৩ এ অশ্বব্যবসায়ীর ছদ্মবেশে রাতের দিকে আচমকা হানায় প্রায় বিনা বাধায় বাংলার তৎকালীন রাজধানী নদীয়া জয় করে। সেই সময় থেকে থেকে সিরাজউদ্দৌলার শাসনকাল পর্যন্ত এপার বাংলায় মুসলমানদের তান্ডব চলতে থাকে, যা ওপার বাংলায় এখনো বিনা বাধায় চলছে এবং পশ্চিম বঙ্গেও নতুন করে শুরু হচ্ছে। মাঝখানে রাজা গনেশ ও তাঁর দ্বিতীয় পুত্র মহেন্দ্রদেব কয়েকবছরের জন্য অনেক কষ্টে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছিল। ইতিহাস বলে একসময় পৃথিবীর ৩৩% মানুষ বৌদ্ধ হয়েছিলেন যা বর্তমানে মাত্র সাড়ে পাঁচ শতাংশ কারন পূর্ব্বাংলা, তুর্কিস্তান, গান্ধার, পাকিস্তান, কাশ্মীর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি অহিংস বৌদ্ধ প্রধান হওয়ায় যুদ্ধে ঘৃণ্য ভাবে পরাজিত হয়ে আজ সহজেই মুসলমান হয়েছে। তাই নেড়া মাথা বৌদ্ধ ধর্মগুরুদের জোর করে মুসলমান করায় তাদের বাংলায় নেড়া মুসলমান বলে যাদের সামান্য কিছু বিদেশী মুসলমানদের খানদানি বংশধররা অত্যন্ত নিচু চোখে দেখে এবং এটাই বাংলাদেশ যুদ্ধের কারন। যে বৌদ্ধ সহজিয়া-তান্ত্রিকরা অনুরূপভাবে বৈষ্ণব হয়ে যায় তাদেরও পুরোন হিন্দুরা নেড়া-নেড়ি বলে থাকে। বাংলায় এইসব জাতপাত ও অসপৃশ্যতার উচ্ছেদের জন্যই মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের গৌড়ীয় বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের উদ্ভব। তিনি অত্যাচারী নবাব হোসেন শাহের কাজীর নির্দেশ অমান্য করে কৃষ্ণনাম কীর্তন করেছিলেন। শুধু তাই নয় হাজার হাজার ভক্ত নিয়ে হিন্দুবিদ্বেষী কাজীর অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রথম বাঙ্গালী হিসেবে মিছিল করেছিলেন, নিরামিশ না মশাল মিছিল। নবদ্বীপের মুসলমান কাজী কোরান মেনে চৈতন্যের কীর্তন নিষিদ্ধ করায় অনেক বৈষ্ণব ভয়ে আসাম ও ওড়িশা পালিয়ে গেল কিন্তু বাকীদের মহাপ্রভু নিজে অভয় দিয়ে বল্লেন কাজীর আদেশ অমান্য করে নিজভূমিতে থেকে নগর সংকীর্তন করবেনঃ
“ভাঙ্গিব কাজীর ঘর কাজীর দুয়ারে।
কীর্তন করিব দেখি কোন কর্ম করে।।
তিলার্ধেকো ভয় কেহ না করিও মনে।”
সুবিশাল জনসমুদ্র মার মার কাট কাট করে কাজীর বাড়ির দিকে অগ্রসর হচ্ছে দেখে বাধা দেওয়ার কথা ভুলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে কাজী প্রানভয়ে পালিয়েছিল। মহাপ্রভুর এই পৌরুষের কথা ভুলে গিয়ে বর্তমান ভক্তরা তাই শহরজুড়ে নামকীর্তন করে কিন্তু ভয়ে মুসলমান পাড়া বা মসজিদের সামনের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় নামগান বন্ধ করে দেন। কিছু হিন্দু অবশ্য আজকের মতো সেই তখনো হোসেন শাহের দালালী করেছে। হিন্দু মন্দির ধ্বংসকারী হোসেনকে কবি যশোরাজ খান ‘জগৎ ভূষণ’ এবং কবীন্দ্র পরমেশ্বর‘কলিযুগের কৃষ্ণ উপাধি দিয়েছিলেন। ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার একে মধ্যযুগের বাঙ্গালী কবির দীর্ঘ দাসত্বজনিত নৈতিক অধঃপতন বলে বর্ণনা করেছেন। --- বাংলাদেশের ইতিহাস, দ্বিতীয় খন্ড।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানীআম্বেদকরজী এও লিখেছেন যে একসময় এশিয়ার সর্বত্র এমনকি বৃটেনের কেল্টরাও বৌদ্ধ হয়েছিলেন এবং ইসলামের এই হিংসাত্মক আবির্ভাবের কারনেই বহির্বিশ্বে বৌদ্ধ ধর্ম আজ নিশ্চিহ্ন প্রায়। আবার শিখ সম্প্রদায়ের সময়ও অহিংসা মন্ত্র ছিল তাদের অন্যতম "স্তম্ভ", যার সুযোগে মোগলরা তাদের কচুকাটা করতে পেরেছিল। তখন গুরু গোবিন্দ সিং হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে বলেছিলেন, “তরবারিই ভগবান, ভগবানই তরবারি” --- ভারত কোষ, ৩/১৬৩।
আপনি কোনটা করেন?
সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য
আপনি কোনটা করেন? ১.হিন্দুত্বের প্রয়োজনে বিজেপি ২. বিজেপির প্রয়োজনে হিন্দুত্ব । কি দাদা দ্বিতীয় নম্বর অপশনটা দেখে গায়ে লাগল নাকি? দেখুন বিজেপিকে এমনিতেও সাম্প্রদায়িক বলবে,আর এমনিতেও মোদীজীকে দাঙ্গাবাজ বলবে, তাহলে বাংলার বুকে সংখ্যালঘু নিয়ে এত মাতামাতি করার কি আছে? কিছু বামপন্থী এখন স্বার্থের টানে রাম বলতে এসেছে তাদের সেকুলার মনোভাব হিন্দুত্বের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে । বিজেপি হিন্দুত্ববাদী দল তাই বাংলার সেকু মাকুদের উচিত এই দলে থেকে ধর্মনিরপেক্ষ না সাজা । কপালে তিলক কেটে যেদিন দেশদ্রোহীদের কেটে পাকিস্তান পাঠানোর কথা বলতে পারবেন সেদিন ক্ষমতার গদি পাবেন তাছাড়া যতই আন্দোলন করুন না কেন কিছুই হবে না ।
স্কুল কলেজের পাঠ্যক্রমে রামায়ন,মহাভারতকে যুক্ত করে ছাত্রদের উন্নতি করতে চাইছে কেন্দ্র সরকার
স্কুল কলেজের পাঠ্যক্রমে রামায়ন,মহাভারতকে যুক্ত করে ছাত্রদের উন্নতি করতে চাইছে কেন্দ্র সরকার । সেই ভাবনার বিরোধীতা করে পথে নেমেছে বিরোধীরা । শিক্ষাক্ষেত্র সাম্প্রদায়িকতারঅভিযোগে পথে নামতে চলেছে ভারতের সেকুলার রাজনৈতিক দলগুলি । একবার ভাবুন ভারতবর্ষের বুকে যদি রামায়ন,মহাভারত পাঠে বাধা প্রদান করা হয় তাহলে হিন্দুদের স্বাধীনতা কোথায়? সব কি মুসলিমদের মতামতেই চলবে নাকি? ভারতের বুকে রামায়ন পাঠ হবে,ভারতের বুকে এবার রামমন্দিরও হবে পারলে মোদীকে আটকান ।
Thursday, 10 September 2015
Girl Soilder
ইসরাইল একমাত্র দেশ যেখানে সৈন্যদলে বাধ্যতামূলকভাবেনারীদের নিযুক্ত করতে হবে এবং পদাতিক যোদ্ধার সেবার তাদের কিছু দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ১৮ বছর বয়স হলে সমস্ত ইজরায়েলি ন্যাশনাল সার্ভিস করাতে বাধ্য হয়। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী ইসরাইলের শতকরা ৩১ জন নারী যা যুক্তরাজ্যের চেয়ে চেয়ে তিন গুণ বেশি। তাই ইসরাইলের বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় সশস্ত্র বাহিনী আছে বলে মনে করা হয়।
তবে পূর্ব ইউরোপের দেশ রোমানিয়া সর্বাধিক আকর্ষণীয় মহিলা সামরিক বাহিনীর তালিকায় প্রথম স্থানে অবস্থান করছে। এখানে আপনি খুঁজে পাবেন পৃথিবীর সবচেয়ে আকর্শনিয় নারী সেনা। তারা যেমন সুন্দরী তেমন ক্ষমতাবান ও আক্রমনাত্মক। তাই তারা অনায়েসে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে।
Subscribe to:
Comments (Atom)