Tuesday, 1 December 2015

ইতিহাস না জেনে সংসদ তোলপাড় করে লজ্জায় মাথা কাটা গেল,সিপিআইএম সাংসদ মহম্মদ সেলিমের......!!

•►ইতিহাস না জেনে সংসদ তোলপাড় করে লজ্জায় মাথা কাটা গেল,সিপিআইএম সাংসদ মহম্মদ সেলিমের......!! •►অসহিষ্ণুতা বিতর্কে সোমবার সিপিএম সাংসদ মহম্মদ সেলিম এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের তীব্র বাদানুবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ৷ ইংরেজি ম্যাগাজিন ‘আউটলুকে’ প্রকাশিত একটি লেখা তুলে ধরে রাজনাথের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান সেলিম(অথচ কথাটি রাজ নাথ সিং-এর-ই ছিলনা)৷ এর পরই ‘আউটলুকে’র স্বীকারোক্তি, ‘‘ম্যাগাজিনে অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করা হয়েছে৷ওই উদ্ধৃতিটি প্রয়াত বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা অশোক সিঙ্ঘলের। ভুল করে তাঁর জায়গায় রাজনাথ সিং-এর নাম প্রকাশ করা হয়েছে। উদ্ধৃতির সূত্র সঠিকভাবে যাচাই না করে প্রকাশ করায় আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।” → উল্লেখ্য, গতকাল সংসদের আউটলুকে প্রকাশিত একটি লেখা তুলে ধরে রাজনাথের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান মহম্মদ সেলিম৷ ওই ম্যাগাজিনকে উদ্ধৃত করে সেলিম দাবি করেন, নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর জয়ের পর রাজনাথ সিং বলেছিলেন,৮০০ বছর পর প্রথম দেশে ক্ষমতায় এলেন হিন্দু শাসক...! •►সেলিমের দাবি উড়িয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টা দাবি, ****সেলিম আপনি প্রমান করুন যে আমি কোথায় বলেছি এই কথাটা.....? তখন,ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞানশূন্য সেলিম রাজনাথজি কে বলেন আপনি প্রমান করে দেখান যে,এই কথাটা আপনি বলেননি.....! •►এর পরই আউটলুকের স্বীকারোক্তি, ‘‘ইচ্ছাকৃতভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অস্বস্তিতে ফেলার কোনও উদ্দেশ্য আমাদের ছিল না৷ এর জন্য রাজনাথ সিং কে যে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে তার জন্য আমরা দুঃখিত।” •►আউটলুক কর্তৃপক্ষ বলেন,আমাদের ভুল হতেই পারে, মহম্মদ সেলিমের উচিত ছিল খবরের সত্যতা যাচাই করে সংসদে হই হট্টগোল করা......!! ▲এখন দেখাযাক নির্লজ্জ মহম্মদ সেলিম এবং সিপিএম কি করে.......!! https://m.facebook.com/hindu.yoddhablog/photos/a.536050066543316.1073741827.536026079879048/559041897577466/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C8855375658

পুত্রবধূ জয়নবের সঙ্গে নবী মুহাম্মদের স্বর্গীয় বিবাহ ও পুত্র জায়েদের জীবন ধ্বংস।

পুত্রবধূ জয়নবের সঙ্গে নবী মুহাম্মদের স্বর্গীয় বিবাহ ও পুত্র জায়েদের জীবন ধ্বংস। মহানবী (সঃ)-র স্ত্রী জয়নব অহংকার করতঃ অন্য স্ত্রীদেরকে (সতীনদেরকে) বলতেন, “তোমাদের বিবাহের ব্যবস্থা করেছিলেন তোমাদের পিতারা, কিন্তু আমার জন্য বিবাহ ঠিক করেছিলেন সাত আসমানের উপর থেকে আল্লাহ্। ” উপরোক্ত উক্তির মাধ্যমে জয়নবের মহানবীর অন্যান্য উপর নিজ শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করতেন। মূলকথা ছিলঃ আল্লাহ্ জয়নবের বিবাহ ও পারিবারিক জীবন নিয়ে নিজ দায়িত্বে যেরূপ পরিকল্পনা করেছিলেন মুহাম্মদের অন্য স্ত্রীগণ সে অভাবনীয় সুযোগ পান নি। মহানবীর সাথে জয়নবের বিবাহের ঘটনাটি ফলক ও পবিত্র কোরানে সযত্নে লিপিবদ্ধ আছে। জয়নবের স্বর্গীয় বিবাহ ব্যক্তিগত ব্যাপার মাত্র ছিল না। এবং তা আজও মুসলিম সমাজকে বিশেষ প্রভাবিত করে যাচ্ছে। জয়নবের প্রতি নবী মুহাম্মদের যৌন-বাসনাকে পরিতৃপ্ত করার নিমিত্তে দত্তক গ্রহণের মত অত্যন্ত উন্নত এক আরব প্রথাকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল আল্লাহ্। তার পরিবর্তে নৈতিকভাবে এক নিকৃষ্ট বিধান চালু করতে হয়েছিল, যাতে করে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ নারীর বক্ষদুগ্ধ পান করতে পারে। এই কাহিনীর আরেকটি ফল হচ্ছে, মুসলমানরা আজও কোরানের “পর্দা (হিজাব) বিধান” সম্পর্কে হতবুদ্ধি ও বিভক্ত, যা নারীদেরকে ইসলামের অন্ধকার গহ্বরে আবদ্ধ রেখেছে। কোরান ও নবীর বিখ্যাত জীবনীগুলিতে যে ঐতিহাসিক ঘটনাগুলি ভালভাবে লিপিবদ্ধ আছে এবং যেগুলির যথার্থতা সম্পর্কে কোন মুসলমান প্রশ্ন করতে পারে না, এ নিবন্ধে সেসব সূত্র থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া হবে। তবে বিশ্লেষণটা আমার ব্যক্তিগত। রচনাটি এক ইসলামী বিখ্যাত প্রেম কাহিনী, আরও ভালভাবে বললে, ইসলামী যৌন- লালসাকে স্বরূপ উপলব্ধির চেষ্টা। জয়নব বিন্তে জাহ্শ তার মায়ের দিক থেকে মুহাম্মদের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিলেন। জয়নব মুহাম্মদের চাইতে তেইশ বৎসরের ছোট ছিলেন। মক্কায় থাকাকালীন মুহাম্মদ তাকে অল্প বয়স থেকেই দেখে আসছিলেন এবং তার সৌন্দর্য লক্ষ্য করেছিলেন। এ কারণেই মুহাম্মদ তাকে পুত্র জায়েদের স্ত্রী হিসাবে পছন্দ করেছিলেন বলে মনে হয়। জায়েদ ইব্ন হারিথা ছিলেন মুহাম্মদের প্রথম স্ত্রী খাদিজার একজন সিরীয় আরব দাস। বিয়ের পর খাদিজা জায়েদকে মুহাম্মদের হাতে তুলে দেন, এবং জায়েদকে খুব পছন্দ করতেন বিধায় পৌত্তলিক মুহাম্মদ জায়েদকে দত্তক পুত্র হিসাবে গ্রহণ করেন। দত্তক প্রথাকে আরবরা খুব সম্মানের চোখে দেখত। আরব প্রথানুযায়ী দত্তক সন্তানরা পিতা-মাতার আপন সন্তানদের ন্যায় অধিকার ভোগ করত। জায়েদ তার প্রভুর প্রতি দৃষ্টান্তমূলক বাধ্যতা ও আনুগত্য প্রদর্শন করেছিলেন এবং তার সেবায় অসাধারণভাবে নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। বিনিময়ে মুহাম্মদও জায়েদের প্রতি সদয় ছিলেন, এবং এই সদয়তার পরিমাণ এত বেশী ছিল যে পরিণতিতে মুহাম্মদ তাকে নিজ পুত্র হিসাবে গ্রহণ করেন। ৬২৯ খ্রীষ্টাব্দের দিকে মদীনায় মহানবীর মধ্যস্থতায় জায়েদ ও জয়নবের বিবাহ হয়। সে সময় মুহাম্মদ আরবের এক বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা কিছু কাহিনীতে দাবী করা হয় যে, জয়নব ও তার ভাই জায়েদের তুলনায় জয়নবের শ্রেণী-অবস্থানগত শ্রেষ্ঠত্বের কারণে জায়েদের সঙ্গে জয়নবের বিবাহে আপত্তি জানিয়েছিলেন। এমনও দাবী করা হয় যে, জয়নব প্রকৃতপক্ষে জায়েদের পরিবর্তে মুহাম্মদের সঙ্গে বিবাহে আগ্রহী ছিলেন। মদীনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসাবে মুহাম্মদের সঙ্গে বিবাহে জয়নবের এরূপ আগ্রহ যে থাকতে পারে, সেটা বোধগম্য। কিন্তু শ্রেণীগত বিষয়টি সম্পর্কে সন্দেহের অবকাশ আছে। কারণ দত্তক হবার সঙ্গে সঙ্গে জায়েদ আপনাআপনি তার পালক পিতার সামাজিক শ্রেণী মর্যাদা লাভ করেছিলেন। উপরন্তু জায়েদ আফ্রিকান দাস ছিলেন না, বরং ছিলেন একজন আরব যুদ্ধবন্দী। জায়েদ ও জয়নবের বিবাহ সম্পন্ন হবার পর স্বামী-স্ত্রী মদীনায় তাদের নিজ বাসগৃহে বাস করতেন। একদিন জায়েদ যখন বাড়ীর বাইরে ছিলেন, তখন অপ্রত্যাশিতভাবেমুহাম্মদ তাদের বাসগৃহে আসেন। ঘরের ভিতর জায়েদ আছে কিনা দেখার জন্য দরজার ফাক দিয়ে মুহাম্মদ উকি মারলে ঘরের ভিতরে থাকা প্রায়-নগ্ন জয়নবের দেহ দেখতে পান। মুহাম্মদ প্রায়-উলঙ্গ পরিপূর্ণ -যৌবনা সুন্দরী জয়নবের দেহসৌষ্ঠব দেখে হতচকিত হন এবং তাঁর মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসেঃ “সকল প্রশংসা আল্লাহ্র, হৃদয় যেভাবে চায় তিনি সেভাবে বদলে দিতে পারেন। ” তারপর তিনি ফিরে যান। মুহাম্মদ যখন জয়নবকে জায়েদকে বিবাহ করতে বলেছিলেন সে সময়ে মুহাম্মদের অনুভব থেকে এই ‘প্রার্থনা’র অর্থ ভিন্ন। অন্যকথায় আগে তিনি জয়নবের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন না, কিন্তু এখন আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। প্রশ্ন হচ্ছেঃ জয়নবের মাঝে হঠাৎ কী পরিবর্তন এসেছিল, যা এখন মুহাম্মদকে আকৃষ্ট করল? এটা স্পষ্টত যে, মুহাম্মদ ঘরের ভিতর উঁকি মেরে জয়নবের অবশ্যই তার ব্যক্তিত্বের কোন পরিবর্তন দেখেন নাই, দেখেছিলেন যৌন আবেদনময় দেহসৌষ্ঠবের অধিকারী এক অর্ধনগ্ন নারীকে। জয়নবকে দেখে মুহাম্মদের মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসা উক্তি-সহ পুরো ঘটনা জয়নব স্বামী জায়েদকে বলেছিলেন। বেশীর ভাগ সংসারে একই পরিবারের নারী ও পুরুষ সদস্যরা কখনো কখনো একে অন্যকে বিব্রতকর অবস্থায় দেখে ফেলে। এ ধরনের ঘটনা দেখার তারা সাধারণত তা উপেক্ষা করে, বা সম্পূর্ণরূপে ভুলে যাবার চেষ্টা করে – যাতে তা কোন ক্ষতিকর প্রভাব না ফেলে পারিবারিক জীবনে। জয়নবের দরজায় ঘটিত সে ঘটনায় মুহাম্মদ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি হলে দূর-প্রসারী কোন ফলাফল ছাড়াই সেখানেই তার সমাপ্তি ঘটত। আরব্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলিতে এবং অন্যান্য কিছু মুসলিম রাষ্ট্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে মেলামেশার পথ কঠোরভাবে বন্ধ করে রাখার ফলে কিছু সংখ্যক মুসলমান যৌনতার ব্যাপারে বন্য জানোয়ারের মত আচরণ করে। উদাহরণস্বরূপ সৌদী আরবে কোন নারীর পা দেখেই পুরুষরা যৌন-উত্তেজনা বোধ করতে পারে। অস্ট্রেলীয় ইমাম তাজ আল-হিলালী সারা শরীর কাপড় দিয়ে না-ঢাকা নারীদেরকে খুলে রাখা মাংস হিসাবে বর্ণনা করেছেন। অন্য কথায় তারা হচ্ছে শিকারীর জন্য লোভনীয় খাদ্য।

আইএসআইয়ের চর সন্দেহে বিএসএফ কর্মীসহ দুজনকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিস | 24Ghanta.com

সন্ত্রাসীদের কোন জাত নেই---- যদি সন্ত্রাসীদের কোন জাত থাকে ----তা অবশ্যই মোল্লা। ধৃত বিএসএফ কর্মীর নাম আবদুল রাশেদ। http://zeenews.india.com/bengali/nation/delhi-police-arrested-bsf-jawan_133872.html

আইএসআইয়ের চর সন্দেহে বিএসএফ কর্মীসহ দুজনকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিস | 24Ghanta.com

সন্ত্রাসীদের কোন জাত নেই---- যদি সন্ত্রাসীদের কোন জাত থাকে ----তা অবশ্যই মোল্লা। ধৃত বিএসএফ কর্মীর নাম আবদুল রাশেদ। http://zeenews.india.com/bengali/nation/delhi-police-arrested-bsf-jawan_133872.html

এটাই 'ভারত' ও 'মহাভারত'।

দুর্যোধন ও রাহুল গান্ধী - দুজনেই প্রতিভাহীন হয়েও উত্তরাধিকার সুত্রে শাসক হতে চায় । ভীষ্ম ও আদবানি - দুজনেই কখনো সিংহাসনে বসেননি কিন্তু সম্মানীয় এবং জীবনের শেষ পর্বে এসে খুব অসহায় বোধ করছেন। অর্জুন ও নরেন্দ্র মোদী - দুজনেই ধর্মের পক্ষে থেকে সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে পা রেখেছে, কিন্তু বুঝতে পারছে সেটাকে মানা ও পালন করা কতটা কঠিন। কর্ণ ও মনমোহন সিং - দুজনেই প্রতিভাবান কিন্তু অধর্মের পক্ষে থাকার জন্যে কখনো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। অভিমন্যূ ও কেজরিওয়াল - দুজনেই যুদ্ধে নবাগত এবং জানেনা চক্রবূহ ভেদ কিভাবে করতে হয়। তাই ফেঁসে আছে। শকুনি ও দিগ্বিজয় - তাঁবেদারি তে শীর্ষ স্থান ধরে রাখে এবং সর্বদা প্রভুকে খুশি রাখতে চায় । ধৃতরাষ্ট্র ও সোনিয়া - দুজনেই সন্তান স্নেহে একেবারে অন্ধ। এবং শেষে কৃষ্ণ ও আব্দুল কালাম ... আমরা সবাই তাদের দুজনকে মানি, গুনি, পূজো করি কিন্তু তাদের আদর্শ ও শিক্ষাকে মেনে চলিনা। এটাই 'ভারত' ও 'মহাভারত'। . অসাধারণ এই লেখাটার জন্য আরো একবার কূর্ণিশ সাংবাদিক সুমন চট্টোপাধ্যায়কে।

আসুন সবাই-মোদীকে তাড়াই।

আসুন সবাই-মোদীকে তাড়াই। সারা ভারতে সকল 'সেকুলারদের' মুখে মুখে ফিরছে এই কথা। পূর্বপাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে মার খেয়ে যারা গিয়েছিলেন তারাও কেউ পিছিয়ে নেই। মোদীকে সরাতে হবে। অবস্থাটা এমন পর্যায়ে গেছে যেন মোদী তাদের কন্ঠনালীতে পা চেপে ধরেছেন! মোদী কি অন্যায় করেছেন? যে ব্যাক্তি সংসারধর্ম সব ছেড়ে দেশের জন্য করতে চাচ্ছেন তার বিরূদ্ধে এতো ষড়যন্ত্র কিসের জন্য? ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটা ব্যবহার করে যে রাজনীতি ও ভন্ডামী এতোকাল চলছিল তার গায়ে মোদী কূড়াল হানবেন এই ভয়ে এই সেকুলাররা এতো উদ্বিগ্ন। যাদের মন-জগতে সামান্যতম মানবিকতার অস্তিত্ব নাই তারাই ভন্ডামী করে ধর্মনিরপেক্ষতারপ্রলেপ দিয়ে নিজের অন্তরের বিকারকে ঢাকতে চায়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতারকথা বলছেন তারা কি কেউ ধর্মনিরপেক্ষ? জওহরলাল নেহেরু কি ইন্দিরা গান্ধীকে ফিরোজ গান্ধীর সাথে বিয়ে দিতে সম্মত ছিলেন? ইন্দিরাগান্ধী তার বাবাকে ইউরোপীয় ধ্যান ধারনার মানুষ বলেই জানতেন তাই নেহেরু দেরাদুনের জেল থেকে ছাড়া পাবার পর ইন্দিরা তার বাবাকে গিয়ে বলেন --বাবা তোমাকে একটা খবর দেব বলে অপেক্ষা করছিলাম। এর পর যখন আহ্লাদিত চোখ মুখ নিয়ে ইন্দিরা গান্ধী জানালেন যে তিনি ফিরোজকে বিয়ে করতে চান তখন সাথে সাথে জহরলাল নেহেরুর মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেল। নেহেরু মেয়েকে এই ইচ্ছা পরিত্যাগ করাতে কম চেষ্টা করেন নি। এর মুলে ছিল তারা উচ্চবিত্ত কাশ্মীরী ব্রাহ্মন আর ফিরোজ নিম্ন মধ্যবিত্ত পার্সীয়ান বা ইয়াজিদি। একে 'বেজাত' তাতে আবার গরীব এ বিয়ে জহরলাল কখনও মেনে নিতে পারেননি। ইন্দিরার বলেছিলেন "তুমি রাজী না হলে কোনদিন তোমার সাথে আমার যোগাযোগই থাকবেনা"। বাধ্য হয়ে হিন্দুয়ানী মতেই বিয়ে দিয়েছিলেন বৈদিক মন্ত্র দিয়ে। আজ যারা হিন্দু উগ্র সেকুলার তারা কি কেউ মুসলমান ঘরে ছেলে মেয়েকে বিয়ে দিচ্ছেন? যারা আন্তধর্মীয় বিয়ে করছে তারা স্বেচ্ছায় করছে-- নেহেরুর সেকুলারিজম ছিল বাইরের, যেমন আছে আমাদের সমাজের এই সকল সেকুলারদের। কেন বোম্বে ফিল্মের খানেরা হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করেন? তাদের ছেলেমেয়েরা কেন হিন্দু হতে পারেনা? হিন্দু সুমন চ্যাটার্জী কেন সাবিনাকে বিয়ে করে মুসলমান হলেন-এই প্রশ্নগুলি এই সমাজের বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে। সুমন হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করলেন কেন? তিনিতো নিম্নবর্ণের অছ্যুত ছিলেননা। নামী দামী শিল্পী কেন এমন করলেন? এর জবাব আর যাই হোক সুন্দর কিছু হবেনা। হয় তিনি বলবেন হিন্দু ধর্ম নিকৃষ্ট বলেই ছেড়ে সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম নিয়েছি; নয়ত বিয়ে করতে ছেড়েছি। এতে কি স্পষ্ট প্রমানিত হয়না এরা আসলে হয় নোংরা সাম্প্রদায়িক নতুবা সাম্প্রদায়িকতার শিকার? যদি ধর্মান্তরিত না হয়ে ধর্মীয় পরিচয় তুলে দিতেন তবে তা যুক্তিযুক্ত হত কিন্তু একটি ছেড়ে আরেকটি কেন? আসলে বহু স্ত্রী গ্রহনের পথ তাতে তিনি উন্মুক্ত করেছিলেন সাথে পেয়েছিলেন ডাবল বেনেফিট। একদল যদি ধর্মের ব্যাপারে অনড় থাকে তবে অপর কি তা মেনে চললেই তাকে ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে হবে? এ অন্যায় চলতে পারেনা। মিশতেই যদি হয় তবে সমান সমান অধিকার। মুসলমান কাউকে বিয়ে করতে যদি হিন্দুকে মুসলমান হতে হয় তবে অবশ্যই হিন্দুকে বিয়ে করতে একজন মুসলমানকেও হিন্দু হতে হবে। যদি এমন প্রসস্ত মানসিকতা কোনদিন হিন্দু মুসলিম সকলের হয় সেদিনই কেবল ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠিত হবে এর আগ পর্যন্ত যা সেকুলারিষ্টরা করছেন সবই বজ্জাতি। তাদের কাছে মোদী মানেই আতঙ্ক! মোদী-আতঙ্ক।। জলাতঙ্কের রোগী জল দেখলে কেমন করে যারা দেখেননি তারা এই ভয়ানক রোগটি আসলেই কেমন তা জানেননা। জলাতঙ্কের রেবিস ভাইরাস মস্তিস্ককে আক্রমন করে এবং মস্তিস্কের মধ্যে এমন এক ভয়ানক তরঙ্গের সৃষ্টি করে যে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রচন্ড অস্থির এবং ভয়ার্থ হয়ে উঠে। তবে সবচেয়ে ভয় তার জলকে দেখলে। রোগী প্রচন্ড জলপিপাসা থাকে কিন্তু মুখ দিয়ে এই জল শব্দটাও উচ্চারন করতে পারেনা। জল দেখলে, জলের শব্দ শুনলেও ভয়ে পালাতে থাকে। জল শব্দটি তার সামনে উচ্চারন করা যাবেনা করলে রোগী কামড় দেবে এবং সেই কামড় আরেকজনকে সঙ্ক্রমিত করবে। সে এক করুন দৃশ্য এবং এরা আজ পর্যন্ত কোন চিকিতসায় বাচেনি। কেবল কামড় খেলে টিকা দ্বারা প্রতিরোধ করা যায়, প্রতিকার করার কিছুই নেই। ভারতের মোদী-আতঙ্ক দেখে মনে হচ্ছে এদের মাথায় গো-ভাইরাস আক্রমন করেছে। যারা মোদী আসায় আক্রান্ত হয়েছেন তাদের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে ভারতের যারা এখনও এই ব্যধিতে আক্রান্ত হননি তারা কোন প্রতিরোধক নিবেন এবং আক্রান্তদের কাছ থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখবেন।

বিচিত্র সব প্রতিবাদ

প্রতিবাদ প্রতিবাদ প্রতিবাদ বিচিত্র সব প্রতিবাদ, হোক কলরব, কলকাতা পথ চুম্বন, ব্রা-প্যান্টি... অসহিষ্ণুতার প্রতিবাদে ভারতের ২/৩ অংশের জনগণের আস্থার উপর বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ধর্মতলায় সর্বজনসমক্ষে " গো - মাংস ভক্ষণ " । আহা আহা বিহারে মদ্যপান নিষিদ্ধ, তবে তো এবার ধর্মতলায় সর্ব জনসমক্ষে মদ্যপান করে এর প্রতিবাদ হবে... ফ্রী তে মদ পাবে, অনেক মদ্যপায়ী জড় হবে... খুব অভিনব ব্যাপার হবে... হ্যাঁ আতঙ্কবাদীরা তো অনেক গ্রেফতার হচ্ছে, দয়া করে আবার গোলা বারুদ নিয়ে ঐ প্রতিবাদ সভায় হাজির হবেন না... যা বিচিত্র আপনাদের চাড্ডি মতাদর্শ... প্রতিবাদ চালিয়ে যান... ভামপন্থার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে... copied from - Prince Dey