Tuesday, 8 December 2015

মুসলিম মতে তাদের নবী মুহাম্মদ মহামানব ছিলেন।

মুসলিম মতে তাদের নবী মুহাম্মদ মহামানব ছিলেন। কিন্তু, মুহাম্মদের মুখে মাঝে মধ্যে শয়তান এসে মিথ্যা বলে যেত.... তারপরও তিনি বেহেস্তে চলে গেলেন। . আর, সনাতন মহান মহারাজ ধর্মরাজ যুধিষ্ঠীর মাত্র একটি কথা মিথ্যা বলার কারণে নরক একবার দর্শন করতে হয়েছে... . এখানে মহা মানব কে???

মুসলমান জিহাদ করে কেন?

মুসলমান জিহাদ করে কেন? সহজ এবং একমাত্র উত্তর - আল্লা আর নবীর আদেশ আছে, তাই। আল্লা-নবীর নির্দেশ না থাকলে তালেবান বা আইএস-এর জন্ম হতো না। এই সমস্ত সংগঠন গড়ে উঠে সমগ্র বিশ্বকে ইসলামী ছায়াতলে আনার ঐশী নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য। মুসলিম-অমুসলিম অনেক জ্ঞানী-গুণী মনীষী বোঝাতে চেষ্টা করেন, জিহাদের অর্থ খুন-ধর্ষণ নয়, নফসের সাথে যুদ্ধ করা। অন্তরের কালিমার সাথে যুদ্ধ করে নিজেকে শুদ্ধ করার নাম জিহাদ। বেশ সুন্দর অর্থ। বেশ আধ্যাত্মিক ভাব আছে। কিন্তু যদি মহানবীর আমলের দিকে আবার ফিরে তাকাই? সে এবং তার সাহাবারা কীভাবে নফসের সাথে যুদ্ধ করেছে? কীভাবে নিজেরা শুদ্ধ হয়েছে জানার জন্য? অসংখ্যবার তারা তাদের তলোয়ার রাঙিয়েছে মানুষের রক্তে। হাজার হাজার নারী এবং শিশুকে দাস বানিয়েছে। নিত্য নতুন যৌনদাসী ভোগ করতে পেরেছে। একের পর এক যুদ্ধ আর লুট করেছে। মক্কা-মদিনা কাফের-শূন্য করেছে। এই হচ্ছে প্রকৃত জিহাদ। আধ্যাত্মিক উৎকর্ষতা লাভের জন্য যে-যুদ্ধ, তার জন্য কি আল্লা কোরআনে ধমকিয়েছে মুসলামদের তাদের সম্পদ জিহাদের রাস্তায় ব্যয় করার জন্য? আধ্যাত্মিক উৎকর্ষতা লাভের জন্য কি দুধের ড্রেইন, সুমিষ্ট পানির ড্রেইন, মদের ড্রেইন আর পতিতালয়ের লোভ দেখাতে হয়? আধ্যাত্মিক জগতে নিমগ্ন কোনো ব্যক্তির কি পরস্ত্রী দেখলেই সেক্স করার ইচ্ছে জাগে? আধ্যাত্মিকভাবে উন্নত কোনো ব্যক্তি কি পারে অন্যের পূজার মূর্তি ভাঙতে? অন্যের ঈশ্বরকে অপমান করতে? জিহাদের অর্থ এবং জিহাদের নির্দেশ মুসলমানের কাছে খুব স্পষ্ট। সারা বিশ্বে আল্লার আইন প্রতিষ্ঠা করার নাম জিহাদ। আল্লার আইন প্রতিষ্ঠা করার জন্য শাসনব্যবস্থা মুসলমানের হাতে আসা প্রয়োজন। শাসনক্ষমতা নিজের দখলে আনার জন্য প্রয়োজন খুন, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, ভয় দেখানো। ইসলামী জঙ্গিরা তাই করে যাচ্ছে। ধরুন, আপনি কোনো বাচ্চাকে বললেন বাগানটা পাখিশূন্য করতে এবং এর জন্য যা কিছু করা হবে, তার সব কিছুকে আপনি বৈধ করে দিলেন। বাচ্চাটি তখন অনেকগুলো পদ্ধতি অনুসরণ করবে। সে গুলতি দিয়ে মারবে, ঢিল ছূড়ে তাড়াবে, গাছে আগুন লাগিয়ে দিতে পারে, পারলে এয়ার-গান নিয়ে আসবে। "যা পাখি ঊড়ে যা" বললেই কি পাখি উড়ে যাবে? পাখিশূন্য না করা পর্যন্ত সে তার কাজ চালিয়ে যাবে। তাকে থামানোর জন্য দু'টি পথ খোলা থাকে। আপনি যদি আপনার নির্দেশ তুলে নেন অথবা বাচ্চাটি যদি বুঝতে পারে, সে যা করছে তা অন্যায় এবং আপনার নির্দেশ অমান্য করে। জিহাদের হাজারটা অর্থ বের করে, হাজার মাইল ত্যানা পেঁচিয়ে দুনিয়ার কী উপকারটা হবে? কোরআন-হাদিস রিভাইস করা সম্ভব নয়। মুসলমানদেরকে তাদের হাদিস-কোরআনের নির্দেশ অমান্য করতে হবে। বিবেকবান হওয়াতে, মানবিক মানুষ হওয়াতে কোনো পাপ নেই। মুসলমানের উচিত একসাথে এক সিদ্ধান্তে আসা যে, তাঁরা জিহাদকে অস্বীকার করে। জিহাদকে অস্বীকার না করা পর্যন্ত বিশ্ব ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদমুক্ত হবে না। লিখেছেনঃ পুতুল হক

Monday, 7 December 2015

২৭ শে মার্চ ১৯৭১ না কি ৬ ই ডিসেম্বর ১৯৯২, -- হ্যাঁ কোনটা হওয়া উচিৎ কলঙ্ক দিবস

২৭ শে মার্চ ১৯৭১ না কি ৬ ই ডিসেম্বর ১৯৯২, -- হ্যাঁ কোনটা হওয়া উচিৎ কলঙ্ক দিবস ------------------------------------------------------------------------------------- প্রায় ছয় কোটি ( ৩.৫ কোটি বাঙ্গাল + ২.৫ কোটি ঘটি ) বাঙ্গালী হিন্দুর কাছে কোনটা কলঙ্ক দিবস হওয়া উচিৎ ?? এই প্রশ্ন আমি সকল বাঙালি হিন্দুর কাছে ছুঁড়ে দিচ্ছি -- হ্যাঁ সকল বাঙ্গালী হিন্দু বলতে আমাদের মতন প্রবল হিন্দুত্ববাদীদের কাছে , সেকু, মাকু , ভিকু , কুকু ( কংগ্রেস ) , নাকু ( নাস্তিক) , ত্রিকু সহ সকল বাংলার হিন্দুর কাছে এই প্রশ্ন রাখছি ?? আর কয়েক ঘন্টা বাকি ৬ ই ডিসেম্বর ২০১৫ আসার। এই দিনে বাংলার কিছু হিন্দু রাস্তায় নামে কারন এটা নাকি কলঙ্ক দিবস !!!!!! আমি নিজে দেখেছি যারা এতে নেতৃত্ব দেয় তাদের মধ্যে ৯০ % হিন্দু থাকে আর তাদের পূর্বপুরুষ হয় ১৯৪৬-৪৭ এ পুর্বপাকিস্তান থেকে এসেছে নয় ১৯৫২ এর ভয়ঙ্কর হিন্দু নিধন যজ্ঞের সময় এসেছে নতুবা ১৯৬৪ এর কাশ্মীরের হজরত বাল মসজিদের ভিতরের চুল চুরির সময় ভয়ঙ্কর হিন্দু নিধন যজ্ঞের সময় এসেছে নতুবা ১৯৭১ এর রাজাকার বাহিনীর দ্বারা বেছে বেছে অত্যাচারিত হিন্দু পরিবার সেই কারনে এসেছে অথবা ১৯৯২ এর ৬ ই ডিসেম্বরের পরে সারা বাংলাদেশ জুরে প্রায় ৫ হাজার বড় ছোট মন্দির ভাঙ্গার পরের কয় মাসে এসেছে। ------------------------------------------------------------------------------------ এই অতাচারিত হিন্দুদের পরবর্তী প্রজন্ম এই বাংলায় এসে ৬ ই ডিসেম্বর কলঙ্ক দিবস সেটার নেতৃত্ব দেয়। এদের কাছে আমাদের প্রশ্ন ----- আপনাদের কি কোনো দিনও একবারের জন্যও মনে আসে না ??? যে আমাদের বাপ ঠাকুরদার দেশে একটা মন্দির ছিল নাম ঢাকার রমনা কালিবাড়ি --- অত্যন্ত বিখ্যাত আর খুবই শ্রদ্ধার জায়গা ছিল ঢাকার রমনা কালিমন্দির। সেই মন্দির ১৯৭১ এর ২৭ শে মার্চ পাক হানাদার বাহিনী মেশিনগানের গুলি দিয়ে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয় বাংলাদেশের লোকেদের সহায়তায় । এর আগে ১৯৪৬ এর ১০ ই অক্টোবর ভয়ঙ্কর হিন্দু নিধন যজ্ঞ শুরু হয় নোয়াখালীতে এর আগে ১৯৪৬ এর ১৬ ই অক্টোবর কোলকাতায় ভয়ঙ্কর হিন্দু নিধন যজ্ঞ হয় যার ফলেই এতো রক্ত দেখে কংগ্রেস নেতৃত্ব ভয় পেয়ে পাকিস্তান দাবী মেনে নিতে বাধ্য হন। ------------------------------------------------------------------------------------- আচ্ছা ১৬ অগাস্ট , ১০ ই অক্টোবর , বা ২৭ শে মার্চ এই দিন গুলিকে আপনাদের কলঙ্কদিবস বলে মনে হয় না -- তাই না ???? হিন্দুদের আর কত সর্বনাশ হলে আপনাদের কাছে সেটা কলঙ্ক দিবস হবে সেটা একটু বলবেন কি ?????? আইসিস জঙ্গীরা গত কয়েকদিন আগে ১৩০ পাতার একটা ম্যানিফেস্টো জারি করেছে -- তাতে ভারতকে টার্গেট করেছে , মাননীয় নরেন্দ্র মোদিজীকে টার্গেট করেছে - " বলা হয়েছে নরেন্দ্র মোদী অস্ত্র পূজা করেন তাই উনাকে শেষ করে দিতে হবে ? " তাই সাবধান সকলে সাবধান --------------------- বন্ধুরা -- আমার কাছে ৬ ই ডিসেম্বর শৌর্য দিবস - বিজয়ের দিবস - ১৫ ই অগাস্টের পরে আর একটা আনন্দের দিন যেদিন ভারতমাতার ৪৫০ বছরের কলঙ্ক চিহ্ন মুছে দিয়েছিল এই সব দামাল ভারতমায়ের সন্তানেরা। লিখেছেন সঞ্জয় চৌধুরী।। https://m.facebook.com/hindu.yoddhablog/photos/pcb.560816474066675/560816444066678/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C7407073736 https://m.facebook.com/hindu.yoddhablog/photos/pcb.560816474066675/560816447400011/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C1204149318

আজ ৬ই ডিসেম্বর...

আজ ৬ই ডিসেম্বর... কেউ বলে "শৌর্য দিবস" তো কেউ আবার বলে "সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দিবস" হিসাবে পালন করে । ১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর রামজন্মভূমির উপর অবৈধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা বাবরী মসজিদকে ধংস করে হিন্দুরা, এই ঘটনাকে কলঙ্কের দিন বলে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনৈতিকরা অভিহত করেন, তাদের পথে কিছু চীনের দালাল সহ জারজ হিন্দুরাও বাবরী ধংসকে কলঙ্ক বলে কটাক্ষ করে । ইতিহাসের পাতাতে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা আছে ভারতের একাধিক বৃহৎ মন্দির মুসলিমরা ধংস করে যেমন গুজরাটের সোমনাথ মন্দির,কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির থেকে অক্ষরধাম মন্দির আক্রমন করা হয় এই ঘটনাগুলিকে কেউ জানার চেষ্টা অবধি করে না । ভারতবর্ষের মতো হিন্দুপ্রধান দেশে যদি একটা রাম মন্দির আমরা নির্মান করতে না পারি তাহলে সহিষ্ণুনতা পরিচয় দিয়ে কি লাভ?? সবাই যখন বলছে ভারতবর্ষে অসহিষ্ণুনতা চলছে তখন মাত্র একদিনের জন্য আমরা যদি অসহিষ্ণু হয়ে যায় তাহলে রাম মন্দির অযোধ্যাতে একদিনেই তৈরী হবে । এই মোদী সরকারের আমলেই আমাদের রাম মন্দির গড়তেই হবে । ..জয় শ্রী রাম�.. via- সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য

ওয়েসি কুত্তা কি বলেছে শুনেছেন ??

ওয়েসি কুত্তা কি বলেছে শুনেছেন ?? বলেছে অযোধ্যাতে রাম মন্দির নয় বাবরি মসজিদ হবে. এত রাগ হচ্ছে গালি কি দেব বুঝে পাচ্ছি না।জাগো হিন্দু আর কতদিন সেক্যুলারিসম দেখাবে ? এত কিছুর পরও যদি গর্জে না ওঠো তাহলে এই দেশ মুসলিম সাম্রাজ্য হলে করবে প্রতিবাদ ? https://twitter.com/asadowaisi https://www.facebook.com/ALHAJASADUDDINOWAISI দেখুন>>> https://www.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=CZtJWrkMKnQ

বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার জল ধুয়ে আর কত দিন মুসলিম ও সেকুলাররা তাবিজের জল খাবে???

বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার জল ধুয়ে আর কত দিন মুসলিম ও সেকুলাররা তাবিজের জল খাবে??? সেকুলাররা কি ইতাহাস পড়ে না..? যত টুক যানি তারা তও বিপ্র.. হাজার হাজার মন্দির ভেঙ্গেছে মুসলিমরা... কোটি কোটি হিন্দুদের প্রাণ নিয়েছে মুসলিমরা. আর, মাত্র একটি মসজিদ ভেঙ্গেছে হিন্দুরা।. হাজার হাজার মন্দিরের বিনিময়ে একটি মসজিদ.... কত নগন্য.... তার পরও সেকু আপনাদের মনে হয় হিন্দু উগ্র। আসলে, আপনারা সেই পাগল যে, আধুনিক যুগেও মুসলিমের তাবিজের জল খান... .... আর, মুসলিমদের কি বলব... তোরা তও জাত গাদ্দার। যে পাত্রে ভাত খাও সে পাত্র ফোঁট করে দেও। তদের পর্ব পুরুষদের ভারতবর্ষ স্থান দিয়েছে। তোরা দ্বিজাতিতত্ত্ব কথা তুলে দেশ ভাগ করলি। যেরা তদের ভাত খাইয়েছে তাদের ঘরেই আগুন দিলি। জাত নিমকহারাম তোরা....

Saturday, 5 December 2015

ফেরত এলো ৬ই ডিসেম্বর- অভিযোগের দিন। আমি ক্লান্ত।

১; "মুসলিমদের নূন্যতম অধিকার নেই বাবরী মসজিদ ধ্বংস সম্পর্কে অভিযোগ করার।১০০০ খ্রিষ্টাব্দ হতে কাথিওয়ার থেকে বিহার,হিমালয় থেকে বিন্ধ্যাচল পর্যন্ত প্রতিটি মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে।উত্তর ভারতের একটি মন্দিরও ধ্বংস থেকে বাঁচেনি।যে কয়েকটি বেঁচেছিল সেগুলো এইকারনেই যে প্রতিকূল ভৌগলিক অবস্থানের কারনে মুসলিম বাহিনী সেখানে পৌঁছতে পারেনি।অন্যথা এটা ছিল ধ্বংসের এক বিরামহীন যজ্ঞ।আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন কোন জাতি ই এটা ক্ষমা করবেনা।অযোধ্যারঘটনা কখনোই ঘটতো না যদিনা মুসলিমরা(রাম মন্দির ভেঙ্গে মসজিদ করার) ঐতিহাসিক সত্যটাকে স্বীকার করত।" -নিরোদ সি চৌধুরী,(তথাকথিত) শান্তির ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় গোঁড়ামী ও নিগ্রহের সংস্কৃতি সম্বন্ধে। ২; এক বাবরী মসজিদ ভাঙ্গার আগে ও পরে ১৯৮৯,১৯৯০,১৯৯২,১৯৯৩ সালে বাংলাদেশে যে হাজার হাজার মন্দির ভাঙ্গা হয় তখন কই ছিলেন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশীরা? আপনাদের নূন্যতম অধিকার নেই বাবরী মসজিদ ধ্বংস সম্পর্কে অভিযোগ করার। ৩; মাইনোরিটি ওয়াচের সমীক্ষা অনুযায়ী শুধুমাত্র ২৮/০২/২০১৩ইং থেকে ২৮/০৩/২০১৩ইং পর্যন্ত এদেশে সম্পূর্নভাবে ধ্বংস করা হয়েছে ১৮০টি মন্দির, আংশিক ধ্বংস করা হয়েছে ১৫৪টি, সম্পূর্ন ধ্বংস করা হয়েছে ২৭৭টি বসত বাড়ি এবং আংশিক ধ্বংস করা হয়েছে ২১২টি, লুটপাট ,অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে ৫৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে , নারীর সম্ভ্রম হানি হয়েছে ৯ জনের, দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছে ২০১২টি পরিবার, নিহতের সংখ্যা ৩, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন ২৮জন, খোলা আকাশের নীচে বসাবাস করছেন ২৯০টি পরিবার, আর্থিক ক্ষতি আনুমানিক ১৭০ কোটি। দেইল্যা রাজাকারের রায় দেওয়ার পর পরেই কি জানি কি কারনে হিন্দুদের মন্দির ধ্বংস করা শুরু করে এক দল নর পিশাচের দল . চট্টগ্রামের সাতকাহানিয়াতে চলে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ। এরপরও এটাকে বলবেন আপনারা বিছিন্ন ঘটনা? ৪; শান্তিপূর্ণভাবেদুর্গাপূজার কথা বলেন? বুকে হাত দিয়ে বলেন সারা বাংলাদেশে এমন কোন বছর কি আছে যেখানে দুর্গাপূজায় প্রতিমা ভাঙচুর হয় নাই? গুগলে মন্দির ভাঙচুর, মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর দিয়ে সার্চ দিলেই আপনাদের অস্মাপ্রদায়িক চেহারা বের হয়ে আসবে। তারা এভাবেই প্রতিদিন এক বাবরী মসজিদের কথা স্মরন করবে কিন্তু হাজারো সোমনাথ মন্দিরের দীর্ঘশ্বাস পেছনে রয়ে যাবে,আর থেকে যাবে তাদের ধ্বংসের এই সংস্কৃতি... এবার দেখুন বাংলাদেশের চিত্র। যারা বলে এদেশে হিন্দু নির্যাতন হয় না বা এদেশের হিন্দুরা অন্যান্য দেশের সংখ্যালঘুদের থেকে ভাল আছে তাদের মুখের উপর এগুলো ছুড়ে দেবেন। ১। http:// bangalihindupost .blogspot.com/ 2013/05/ blog-post_2047.h tml ২। http:// bangalihindupost .blogspot.com/ 2013/05/ blog-post_2861.h tml ৩। http:// bangalihindupost .blogspot.com/ 2013/05/ blog-post_653.ht ml ৪। http:// bangalihindupost .blogspot.com/ 2013/05/ blog-post_21.htm l ৫। http:// bangalihindupost .blogspot.com/ search/label/ হিন্দু%20নির্যাত ন ৬। http:// bangalihindupost .blogspot.com/ 2013/08/ blog-post.html?u tm_source=BP_re cent ৭। http:// www.prothom-alo. com/detail/ date/2012-09-22/ news/291536 ৮। http:// www.newspoint24. com/ details.php?nid= 1056 ৯। http:// www.prothom-alo. com/detail/ date/2011-04-26/ news/149608 ১০। http:// bdhindu.blogspot .com/2011/06/ blog-post.html ১১। http:// www.barisaltoday .com/1081 ১২। http:// bangalihindupost .blogspot.com/ search/label/ বাঁশখালী কয়েক দিন আগের ঘটনা (কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে শপিংমলে মুসলিম জঙ্গি সংগঠন কত্রিক হামলার ঘটনা) http:// bd24live.com/4/ হজরত-মুহম্মদের-ম ায়ের-নাম/ #.UkOURIYp_fI ”হজরত মুহম্মদের মায়ের নাম জানিস না? তবে গুলি খা” ”হজরত মুহম্মদের মায়ের নাম কী?” বলতে না পারায় গুলি করা হল এক ভারতীয়কে | নাইরোবির শপিং মল-এ | ৬৮ জনকে মেরে ফেলার পরে অনেক জনকে বন্দি করেছিল সোমালি জঙ্গি গোষ্ঠী আল-শাবাব | তাদের কবল থেকে বেঁচে পালিয়ে আসা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা | বন্দিদের মধ্যে বেছে বেছে অ-মুসলিমদের খুঁজছিল জঙ্গিরা | বলছিল,শাহাদা থেকে বলার জন্য | যাঁরা উত্তর দিতে পারছিলেন তাঁদের রেহাই দেওয়া হচ্ছিল | কিন্তু যাঁরা পারছিলেন না, তাঁদের টার্গেট করা হচ্ছিল | জঙ্গিদের হাত থেকে বেঁচে ফেরা একজন হলেন যোশুয়া হাকিম | তাঁর কথায়, জঙ্গিদের বেশির ভাগ টিন এজার | তারা মলের দোতলায় বন্দি করে অনেকজনকে | সেখানেই ছিলেন যোশুয়া | তিনি আই-কার্ডে খ্রিস্টান নাম ”যোশুয়া” আঙুল দিয়ে ঢেকে শুধু ”হাকিম” কথাটা জঙ্গিদের দেখান | ফলে রেহাই পান | কিন্তু তাঁর পাশেই হজরত মুহম্মদের মায়ের নাম বলতে না পেরে লুটিয়ে পড়েন এক ভারতীয় | তবে তিনি আহত হয়েছেন না প্রাণ হারিয়েছেন, তা স্পষ্ট করে জানা যায়নি | আল কায়দা ঘনিষ্ঠ এই জঙ্গিদের হানায় দুই ভারতীয়-সহ ৬৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন | আহত ২০০ জনের মধ্যেও আছেন চারজন ভারতীয় | তাঁদের মধ্যে দুজন মহিলা এবং একজন বালিকা | অন্তত ঈশ্বরের নামে জোরে জোরে চিৎকার করতে করতে নীরিহ মানুষ হত্যা করতে শিখিনি আমি । অন্যের উপাসনালয় ভেঙ্গে বা দখল করে আমার ঈশ্বরের মন্দির গড়তেও শিখিনি আমি । ভিণধর্মি নারীকে ফ্রি ভোগ করবার অনুমতি দেয়নি আমাকে আমার ঈশ্বর । আমার ধর্মগুরুরা সহস্র মানুষের সামনে আমার ধর্মানুষ্ঠানে অন্যধর্মীদের গালিগালাজ করে না, আমাকে গালিগালাজে উৎসাহও দেয় না । আমি যখন প্রার্থণা করি, সমগ্র পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকুলের জন্য প্রার্থণা করি ।শুধুমাত্র নির্দিষ্ট এক সম্প্রদায়ের জন্য প্রার্থণা করে আজন্ম সাম্প্রদায়িকতালালন করি না । কাউকে জোর করে ধর্মান্তর করবার মত কুমন্ত্রও শেখানো হয়নি আমায় । শুধুমাত্র হিন্দু বলে যা যা করিনা আমি, যা যা শিখিনি তার জন্য নিশ্চিত করেই গর্বিত আমি । নিশ্চিত করেই হিন্দু পরিবারে জন্মেছি বলে এতগুলো অপকর্ম আমাকে স্পর্শ করবে না কোনদিন.