হিন্দুস্থানের জাতীয় লজ্জার দিন .. !!
.... যে দিনে এক শ্রেষ্ঠ "ভারত সন্তান"কে এই স্বাধীন ভারতের বুকেই ফাঁসিতে ঝলানো হয়েছিল।
তার দোষ ...??
- তিনি শাস্তি দিয়েছিলেন এমন একজন বিশিষ্ট মানুষকে, যিনি স্বহস্তে ভারত মাতার অঙ্গচ্ছেদনের জন্যে দায়ী।
- তিনি শাস্তি দিয়েছিলেন এমন একজন বিশিষ্ট মানুষকে, যিনি কয়েক কোটি উদ্বাস্তু হিন্দু ও শিখের দুর্গতির জন্যে দায়ী।
- তিনি শাস্তি দিয়েছিলেন এমন একজন বিশিষ্ট মানুষকে, যিনি কয়েক লক্ষ হিন্দু ও শিখ মহিলার সম্ভ্রম লুন্ঠনের জন্যে দায়ী।
- তিনি শাস্তি দিয়েছিলেন এমন একজন বিশিষ্ট মানুষকে, যিনি ভারতবর্ষকে শুধু খন্ডিত করেই ক্ষান্ত হন নি, বরং ভবিষ্যতে অবশিষ্ট ভারতবর্ষকেও যাতে আরব সাম্রাজ্যবাদীদের হাতে পাকাপাকি তুলে দেওয়া যায়, তার ব্যবস্থা করতে ড: বি আর আম্বেডকর কথা মতন "হিন্দুস্থান ও পাকিস্থানের মধ্যে চিরস্থায়ী হিন্দু ও মুসলমান সম্পুর্ন জন-বিনিময় নীতি" মেনে নেন নাই।
- তিনি শাস্তি দিয়েছিলেন এমন একজন বিশিষ্ট মানুষকে, যিনি তৎকালীন পুর্ব ও পশ্চিম পাকিস্থানের কয়েক কোটি হিন্দু ও শিখকে ক্ষুধার্থ নেকড়ের মুখে নিরস্ত্র অবস্থায় ছেড়ে দিয়ে দিল্লীর আম্ফ্যিথিয়েটারে বসে সে মজাদার দৃশ্য অবলোকন করতেন ও সকাল সন্ধ্যে নাতনীর বয়সী মেয়েদের সঙ্গে ব্রহ্মচর্য্যের পরীক্ষা ও ছাগলের দুধ সেবন সহ ... "রঘুপতি রাঘব রাজা রাম..." নামক বিখ্যাত রামধুনের সুরে গলা ভাঁজতেন ...!
- তিনি শাস্তি দিয়েছিলেন এমন একজন বিশিষ্ট মানুষকে, যিনি আজও বাংলাদেশ ও পাকিস্থানে বসবাসকারী কয়েক কোটি হিন্দু ও শিখের চোখের জল ও অহর্নিশি চিরস্থায়ী দীর্ঘশ্বাসের কারন।
- তিনি শাস্তি দিয়েছিলেন এমন একজন বিশিষ্ট মানুষকে, যার নিজের নামটিই তাকে চিরকাল বিদ্রুপ করে যাবে।
বিংশ শতাব্দীর এই শ্রেষ্ঠ "ভারত সন্তান" হলেন শ্রী নাথুরাম গডসেজী।
- আর তিনি হত্যা করেছিলেন এমন একজন বিশিষ্ট মানুষকে, ... যার নাম আর আমি এখানে মুখে উচ্চারন করতেই চাই না !
এই মহামানব কে তার ৬৬তম তিরোধান দিবসে জানাই এক নির্লজ্জ আত্মঘাতী জাতীর পক্ষে নীরব শ্রদ্ধাঞ্জলি।
প্রনাম মহাশয়, আপনাকে শত কোটী প্রণাম।
- দহেয়ং সর্ব গাত্রানি, দিব্যান লোকান স গচ্ছতু ।
.... যেখানেই থাকুন,.... যেন ভালো থাকবেন...।।
বন্দে মাতরম....। ভারত মাতা কি জয় ..... ।। গডসে জী অমর রহে....।।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 24 December 2015
ইসলামে মুর্তিপুজা নিষিদ্ধ..
ইসলামে মুর্তিপুজা নিষিদ্ধ.. তাই তারা হিন্দুদের মুর্তিপুজাকে 'পুতুল পূজা' বলে উপহাস করে ও বিভিন্ন রকম তির্যক মন্তব্য করতে থাকে..।।
না না, এটা মৌলবাদী মুসলমানরা শুধুমাত্র করে না , ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী যে কোনো মুসলমানই হিন্দুদের মূর্তিপূজাকে, পুতুল পূজা বলে.. এটা সম্পূর্ন সহিষ্ণুতা.. কিন্তু কমলেশ তিওয়ারি মোহাম্মদ সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করলেই সেটা অসহিষ্ণুতার মধ্যে পড়ে যায়.. ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের এরকম দ্বিচারিতা কেন বুঝিনা..।
টলিউড অভিনেত্রী Ena Saha গতকাল একটি কালী মায়ের ছবি শেয়ার করেছেন তার পেজে, একবার গিয়ে দেখে আসুন 'শান্তির ছেলেরা' কিরকম অশ্লীল গালাগাল করেছে..। হাতে নাতে প্রমান পেয়ে যাবেন যে ইসলামের সাথে অন্য ধর্মের সহাবস্থান কেন সম্ভব নয়..।।শান্তির ধর্ম বলে কথা, অন্য ধর্মকে গালাগাল দিয়েই আসল শান্তি।।
Kaaba, a Hindu Temple, Stolen by Muslims
Kaaba, a Hindu Temple, Stolen by Muslims | Radhe Radhe | HariBhakt.com http://haribhakt.com/kaaba-a-hindu-temple-stolen-by-muslims/
Kaaba, a Hindu Temple, Stolen by Muslims | Radhe Radhe | HariBhakt.com
Kaaba, a Hindu Temple, Stolen by Muslims | Radhe Radhe | HariBhakt.com http://haribhakt.com/kaaba-a-hindu-temple-stolen-by-muslims/
এবার আইন অমান্য অধীর দুর্গে, সামনে দ্রৌপদী
এবার আইন অমান্য অধীর দুর্গে, সামনে দ্রৌপদী | Kolkata24x7| Latest News Headlines, Current Live Breaking News from India & World http://www.bengali.kolkata24x7.com/murshidabad-law-violetaion.html
পুজার পদ্ধতি
আপনি দুটি ইসু তে বলেছেন- ১ ইস্বার অ দুই পুজার পদ্ধতি-
আপনায় বলি- ইস্বার ১ আমরা মানি- আপনাই প্রথমে বুঝতে হবে ধর্ম তে কি বলা হয়েছে- আমাদের ধর্ম আসলে কি? হিন্দু? সেটা ত নাম মাত্র- আমাদের এই বিশ্বাস বা ধর্মের নাম আর্জ-সনাতন- আপনি অস্বিকার করলেউ সত্যি টা পালটাই না- যে আপনিও একদিন এই ধর্মের ছিলান- আপনার পদবি থেকে পরিস্কার- আর শুধু আপনি কেন? ভারতের সবচেয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলিম মহাম্মাদ আলি জিন্না-তাহার পিতা জিন্নাহভাই পুঞ্জাউ এক হিন্দু গুকুলদাস মেঘজির সন্তান- আদি বাড়ি গুজ্রাথের গন্দালে- গুগল করতে পারেন
এবার আপনার প্রথম বিশয়ে আসি- আর্জ ধর্ম- বৈদিক ধর্ম- এতে- 'আধ্যাত্মিকতা' বেশী- স্বামি দয়ানন্দ- সংকারাচার্জ এই চিন্তার নতুন ভাব দেন- এবং স্বামি বিবেকানন্দ একদিন আলমরা উত্তারখান্ডে এক আধ্যাতিক আশ্রম বানান- এই নিয়মে 'মূর্তি' বাঁ বিগ্রহ পুজার রীতি নাই- এই চিন্তা অনুযায়ী- ইস্বার OMNIPRESENT OMNIPOTENT ও OMNISCIENT অর্থাৎ সর্ব স্থানে আছেন- তার কোন রুপ নাই- তার কোন আকার নাই- শেষ নেই শুরু নেই- অনেকটা ইসলামে 'আল্লাহ'কে যেরকম বোঝানো হয়- এই চিন্তা প্রাচীন আর্জ শাস্ত্র থেকে ব্রাহ্ম সমাজেও রাজা রামমহান রায় আনেন-
আরেক দিক হোল- সনাতন- এই রীতি কে প্রবর্তন করেছিলেন বলা যায় না- কিন্তু এর শুরু হয়- শ্রী কৃষ্ণের পৃথিবির ভুমি ত্যাগের পর- বলা হয়, ভগবান কৃষ্ণের ভক্তরা- এই রীতি শুরু করে গোপালের এক প্রতিচ্ছবি সামনে রাখার জন্য- বিগ্যান মতে- মানুষের দৃষ্টি সক্তি অন্যান্য সেন্স গুলির থেকে বেশী- তাই এই প্রভাভের ফলে মানুষের সাধারন মনে হয়- তিনি বুঝি আমার সামনে আছেন- এতে কারুর কোন ক্ষতি তহ হই না- উল্টে যিনি এই বিশ্বাস করছেন তার মনে এক শক্তির সঞ্চার হয়-
এবার ব্যাপার হোল- এই দুইয়ের মধ্যেও অনেক সময় মন মালিন্যা দেখা দিয়েছে- আর এই সমস্যার সমাধান ঘটিয়েছেন স্বামি ভিভেকানন্দ- আপনাই আগেই বলেছি তিনি 'মূর্তি বিহীন আশ্রম' বানিয়েছিলেন- কোন মুর্তি ছারা সামনে- সারা ভারত ভ্রমন শেষে এই দেশের কথা ভেবে আদ্যাতিক গ্যান অর্জন করেছিলেন কন্ন্যাকুমারির মাঝ সমুদ্রের পাথরে বসে-( যা আজ বিবেকানন্দ মেমরিয়াল)।
এই সময় স্বামী বিবেকানন্দ একবার রাজস্থান এর এক অঞ্চল এ গিয়ছিলেন।সেখানকার রাজা আসলেন স্বামীজির সাথে দেখা করতে।কথার এক পর্যায়ে রাজা স্বামীজিকে বললেন সনাতন অনুসারিদের মূর্তির প্রতি তার কোন ভক্তি নেই।কেন তিনি একটি মাটির অথবা পাথর অথবা কাঠ দিয়ে বানানো মূর্তির পুজা করবেন?সত্যি কি কোন মূর্তি মানুষের কথা শুনতে পারে??আরও ভারতীয় “পি কে” সিনেমাতে আমিরখান যেসব প্রশ্ন করেছিলেন দোকানিকে সেরম প্রশ্ন করলেন।তো রাজার প্রশ্ন শুনে স্বামীজি হাসলেন এবং রাজার সহকারীকে বললেন রাজার একটি ছবি আনতে।যখন সহকারি ছবি আনলেন তখন স্বামীজি বললেন রাজার ছবি তে থু থু ফেলতে।স্বাভাবিকভাবেই রাজার সহকারীটি স্বামীজির কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে রইলেন।স্বামীজি আবার বললেন রাজার ছবি তে থু থু ফেলতে।সহকারি এবার ও স্তম্ভিত হয়ে রইলেন।শেষ পর্যন্ত সহকারী চিৎকার করে বললেন “আমি কিভাবে থু থু ফেলব রাজার ছবিতে তিনি তো আমাদের রাজা।“ তখন স্বামীজি বললেন “তোমার রাজা তোমার সামনে বসে আছেন। এই ছবি তো একটা কাগজ,না এই কাগজ শুনতে পারে,না বুজতে পারে,না এ কাগজ বলতে পারে তবুও তুমি এই একটা কাগজে থু থু ফেলতে পারছ না কারন এখানে তোমার রাজার একটা ছায়া আছে তাই ছবি টা তোমার কাছে রাজার সমতুল্য।তখন রাজা বুজতে পারলেন স্বামীজি আসলে কি বোঝাতে চেয়েছেন।স্বামীজি বোঝালেন - 'ভক্তি' বড় কথা- আপনার পুজার রীতি নয়- আপনার মনে ভক্তি যদি ঠিক থাকে- আপনার পুজার ফলে যদি কেউ দুঃখ কষ্ট না পাই- সে এক মানুষ হোক বা এক সামান্য প্রাণী (বলে রাখি বলিদান প্রথা কিন্তু তিনি চাননি- তাই তাহার রামকৃষ্ণ মিশনে বলিদানের রীতি নাই- কারণ প্রকৃত প্রাণদাতাকে কখনই তাঁর সৃষ্টির প্রাণনাশ করে খুশি করা যাই না)- এবং গুরুত্বপুর্ন ভাবে আপনার মানবসেবায় যেন ত্রুটী না থাকে তাহলে আপনার ধর্ম সার্থক যেমন শিবার মাথায় মুল্যবান দুধ ধালতে তিনি বারন করেন নি- কিন্তু নিজের হাথে চণ্ডালকে পেট ভরে খাইয়ে বললেন- "জীবে প্রেম করে যেই জন; সেই জন সেবিচে ঈস্বার"- এবং তারপর তাকে বুকে নিয়ে ঘোষণা করলেন- দরিদ্র ভারতবাসী চণ্ডাল ভারতবাসী আমার ভাই"- এই আমাদের আদর্শ আমরা আর এস এস বা যে কোন প্রকৃত আর্জ সনাতন এই রীতি মেনে চলে- আমার দেশ ও আমার ধর্ম দুই আমার কাছে সমান।
আমি তো জানি যে ওই সামান্য তুলসি গাছটি ব্রহ্মাণ্ড বানাই নি- জানি তো ওই সামান্য শিলটির কোন ক্ষমতা নেই- জানি যে ওই মৃত্তিকার নির্মিত বিগ্রহ এক বস্তু মাত্র- কিন্তু এই ছোট্ট জিনিসটিকে সম্মান কেন জানায়? কৃতোজ্ঞতা থেকে- যে এই উপহার আমার ঈস্বার আমায় দিয়েছেন- যে ভাবে আপনার প্রিয়জনের সামনে না থাকার অভাব তাঁর দেওউয়া কোন উপহার দেখে আপনি মনে করেন সেরকম- যেমন এক কালো পাথর আপনার কাছে এক আল্লাহর প্রেরিত এক নিশান সেইরকম। এই সুর্জ আমায় রশ্মি দেয় প্রাণ দেয়- ওই গঙ্গা হাজার বছর ধরে আমার তেষ্টা মেটাই- ওই হিমালয় আমার সুজলা সুফলা বাড়ী রক্ষা করে চলেছে চিরকাল- আমার বিধাতার এই আমার জন্য দান করা এক একটি প্রতিক এগুলি- আমার প্রাণ আমার ভালোবাসা আমি আপনার মধ্যে- আমার আশে পাসের মানুষের মধ্যে পায়- কারণ আপনিও আমার সৃষ্টিকর্তার এক প্রতিক-
মারবো দিল্লীতে, লাশ পড়বে কালীঘাটে
মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারলাম যে টি.এম.সি নেতা সাংসদ সুদিপ বন্দোপাধ্যাকে কেউ বা কারা হত্যা করার চক্রান্ত করছে.... এই নিয়ে উনার কাছে ফোনে একটা মেসেজ এসেছে যার মূল বক্তব্য হল "মারবো দিল্লীতে, লাশ পড়বে কালীঘাটে। যাই হোক উনার সুরক্ষা আরো জোরদার করা হোক আর ভগবানের কাছে উনার দীর্ঘযু কামনা করি। দিদি এই ঘটনাটিকে আর ছোট্টো ঘটনা বলে সম্বোধোন করেননি... কিন্তু বাংলার সাধারণ মেয়েরা ধর্ষিতা হলে, কলেজে ছাত্র খুন হলে, প্রতিবাদীরা খুন হলে তখন সেটি হয়ে য়ায ছোট্টো ঘটনা.....?
কোনো.....? কারণ তারা সাধারণ জনতা। তাই তো....?
যে ভাবে খুনের হুমকি দেওয়া হল এতে তো ডাল মে কুছ কালা হে মনে হয়
Subscribe to:
Posts (Atom)