Sunday, 31 January 2016

৫ বছর ধরে সাইবাবার মন্দিরে ভিখিরি সেজে তথ্য পাচার করত ISI চর !!!

৫ বছর ধরে সাইবাবার মন্দিরে ভিখিরি সেজে তথ্য পাচার করত ISI চর !!! জাতীয় সড়কের ওপর মন্দিরের আশেপাশে রোজই ভিড় করে ভিখিরির দল। ভক্তদের দয়া-দাক্ষিণ্যে তাদের দিন গুজরান হয়। কিন্তু সেই দলেই মিশে গিয়েছিল আইএসআই গুপ্তচর। টানা ৫ বছরে পুলিশ তার হদিশই পায়নি। সম্প্রতি হরিয়ানার অম্বালা জেলা থেকে ধরা পড়েছে কুখ্যাত পাক চর আসলাম। জেরায় গোয়েন্দার জানতে পেরেছেন, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে রাজকোট-জামনগর জাতীয় সড়কের ওপর সাঁইবাবার মন্দিরে ভিখিরিদের দলের সঙ্গে মিশে গা-ঢাকা দিয়েছিল এই দুষ্কৃতী। ছদ্মবেশ ধরে ভিক্ষে করার ছলে আসলে নানান গোপন তথ্য জোগাড় করাই তার কাজ ছিল। পুলিশ আধিকারিকদের দাবি, এই কয়েক বছরে বেশ কয়েক বার সে রাজকোট, আহমেদাবাদ ও জামনগরে যাতায়াত করেছিল। আসলামের কাছ থেকে জামনগরে বায়ুসেনার বিমানঘাঁটি এবং সেনা শিবিরের নকশা উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া পাওয়া গিয়েছে চিনের তৈরি দূরবীন ও টর্চ। ধৃত পাক চর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জোগাড় করতে গুজরাট এটিএস-কে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। গুজরাট এটিএস-এর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ২০১৫ সাল পর্যন্ত রেলওেয়ে স্টেশনে আসনাম সংবাদপত্র বিক্রির কাজও করত। স্টেশনের আশেপাশের দোকানদাররা ছবি দেখে আসলামকে শনাক্ত করেছেন। ভিখিরির ভেক ধরায় তাকে কেউই সন্দেহ করেনি। জানা গিয়েছে, সকালে সংবাদপত্র বিক্রি করার পর সাঁইবাবার মন্দিরে সারা দিন সে ভিক্ষে করত। রাতে মন্দিরের কাছে ফুটপাথের ওপরই সে ঘুমোত। পুলিশের হাতে রাজকোট বায়ুসেনা ঘাঁটির কাছে আসলামের নমাজ পড়ার ছবি এসেছে। গোয়েন্দাদের দাবি, ছবির আলোকচিত্রীও আইএসআই-এর সঙ্গে জড়িত। আপাতত সেই সম্পর্কে অনুসন্ধান করছে পুলিশ। সৌজন্যে : এই সময়

টিভি শোয়ে জুতো পরে মন্দিরে ঢুকে আইনি বিপাকে শাহরুখ, সলমন | 24Ghanta.com

http://zeenews.india.com/bengali/entertainment/salman-shah-rukh-in-trouble-for-entering-sets-of-temple-with-shoes-on_135611.html

মানবাধিকার কর্মী

আমি আগেও বলেছি .... আর এখনও আরেকবার বলছি। ... দেশ ও বিদেশের অধিকাংশ মানবাধিকার কর্মী ই মানবাধিকার রক্ষার নামে ... পৃথিবীর সর্বাধিক অমানবিক কাজগুলি করে থাকেন। আমাদের দেশেও এমন স্যাম্পেলের কোন অভাব নেই।তাদের মাঝে এমনই একজন হলেন মানবাধিকার কর্মী ... শ্রী সুজাত ভদ্র। যদিও বিভিন্ন সময়ে বিবিধ কাজের নমুনারাজি তাকে বরং একটি বিশেষ অভদ্রীয় গোত্রের সমকক্ষ করে তোলে। এদের কাজ কি জানেন ...? চোরকে বলা ... চুরি কর.. আর ... গৃহস্থকে বলা ....সজাগ থাক। সে যাই হোক, মদ্দা কথা হল এই যে, .... সুজাত নামের এই (অ)ভদ্র ব্যাক্তিটি এর মধ্যেই কিন্তু ফাঁসির বিরুদ্ধে চলে গেছেন। তাই.... পরিশেষে সুজাত বাবুদের কাছে জিজ্ঞাসা করি ..... আচ্ছা .... আপনারা মানুষ...? না শুধুই মানবাধিকার কর্মী ??

স্তিমিত বিজেপি হাওয়াতেও নিচুতলার কর্মীদের উাসের আঁচ পেলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা

স্তিমিত বিজেপি হাওয়াতেও নিচুতলার কর্মীদের উাসের আঁচ পেলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা৷ কলকাতা থেকে ৭৪ কিলোমিটার দূরে শমীক ভট্টাচার্যের বিধানসভা কেন্দ্র , বসিরহাট দক্ষিণে বিজেপির কর্মিসভায় শনিবার দলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে দেখা গেল নজিরবিহীন উাস৷ গত এক মাসে দফায় দফায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলীয় জনসভা করে গিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ -সহ বিজেপির তাবড় নেতারা৷ তবে এ দিন শমীক ভট্টাচার্যের বিধানসভা কেন্দ্রের কর্মী সম্মেলনে যে উচ্ছাস নেতাদের চোখে পড়েছে , তা দেখে ফের নতুন করে চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন তাঁরা৷ বসিহরাটের রবীন্দ্রভবনে ভিড়ে ঠাসা কর্মী সম্মেলনে তাই উাস চেপে রাখেননি দলের কেন্দ্রীয় নেতা সিদ্ধার্থনাথ সিং৷ তাঁর মতে , বিধানসভা ভোটে শমীক ৫০ হাজারেরও বেশি মার্জিনে জিততে চলেছেন৷ দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের শমীকের উপর ‘আস্থা ’ দেখে বলেই ফেললেন , ‘আমি এখানে শমীক তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রে কী কী কাজ করেছেন , তা বলতে আসিনি৷ কারণ , শমীক এমনিও জিতবেন ওমনিও জিতবেন৷ তা নিয়ে আরও কোনও সন্দেহ নেই৷ ’ বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি৷ কোনও রাজনৈতিক দলই এখনও প্রার্থী তালিকা চড়ান্ত করেনি৷ তবে বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী দামামা বেজে গিয়েছে৷ ওই বিধানসভা কেন্দ্র দলীয় পতাকায় মুড়ে দিয়েছে তৃণমূল৷ ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসই যে শমীক ভট্টাচার্যের মোকাবিলা করতে বসিরহাট দক্ষিণ থেকে ফের ভোটে দাঁড়াচ্ছেন , সে বার্তাও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের কাছে৷ নিয়ম করে নির্বাচনী সভা -মিছিল শুরু করে দিয়েছে শাসকদল৷ সেখানে শমীককে ‘সাময়িকী ভট্টাচার্য’ বলে আক্রমণও করা হচ্ছে৷ এ দিন কর্মী সম্মেলনে সেই আক্রমণের জবাবে শমীক বলেন , ‘আমাকে বসিরহাটের মানুষ প্রতিদিন দেখতে পান না ঠিকই৷ কিন্ত্ত পাশাপাশি , এটাও ঠিক আমি বিধায়ক হওয়ার পর থেকে গোরু পাচারের লরিগুলিও আর দেখা যায় না৷ সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান অনেক কমে গিয়েছে৷ অনেক চোরাচালানকারী আমার সঙ্গে লুকিয়ে দেখা করতে এসেছিল৷ ’ এই প্রসঙ্গে তাঁর সংযোজন , ‘সবাইকে মুড়ি -মুড়কির মতো কেনা যায় না৷ শমীক ভট্টাচার্য নট ফর সেল৷ ’ সিদ্ধার্থনাথ সিং বলেন , ‘উপ -নির্বাচনে শাসকদলের প্রার্থীরাই জয় লাভ করেন৷ বঙ্গ রাজনীতিতে এটাই দস্ত্তর৷ কিন্ত্ত শমীক উপ -নির্বাচনে জিতে সব হিসেব পাল্টে দিয়েছিলেন৷ দলীয় কর্মীদের মধ্যে যে উাস দেখছি , তাতে শমীককে হারানো কঠিনই নয় , কার্যত অসম্ভব৷ ’ স্থানীয় বিজেপি নেতাদের অভিযোগ , বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যালঘু ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল৷ এ দিনের কর্মী সম্মেলনে শমীক তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়ে বলেন , ‘আজকের পৃথিবীতে গোরু -শুয়োর নিয়ে রাজনীতি চলে না৷ কালীপুজো আর নামাজ নিয়েও রাজনীতি করার মানে হয় না৷ বিভাজনের রাজনীতি বন্ধ হওয়া উচিত৷ রাজনীতির একটিই ভাষা৷ সেটা হল উন্নয়ন৷ ’ তবে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্য তৃণমূলের কয়েকজন মন্ত্রীর প্রশংসা করতেও কোনও কার্পণ্য করেননি৷ তিনি বলেন , ‘আমি নিজের কেন্দ্রে সারাদিন পড়ে না থাকলেও কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রীর দরবারে ছুটে বেড়াই৷ পার্থ চট্টোপাধ্যায় , ফিরহাদ হাকিম , সুব্রত মুখোপাধ্যায়দের মতো মন্ত্রীদের সহযোগিতা পেয়েছি এলাকার উন্নয়নের জন্য৷ ’বসিরহাট দক্ষিণ৷

ইসলামি উত্তরাধিকার আইনে নারীর প্রতি রয়েছে চরম বৈষম্য

http://giasuddinonline.blogspot.in/2016/01/blog-post_19.html?spref=fb

নিজেকে হিন্দু বলতেই ভয় করে৷

এতদিন বলিপাড়ায় অসহিষ্ণুতা বিতর্কে নাম জড়িয়েছিল খান নায়কদের৷ কিন্তু এ বার সে তালিকায় নিজের নামটিও জুড়ে দিলেন অনুপম খের৷ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানালেন, এখন এমন অবস্থা যে নিজেকে হিন্দু বলতেই ভয় করে৷ বরাবর সহিষ্ণুতার পক্ষেই সওয়াল করেছেন তিনি৷ আমির খান যখন স্ত্রীর দেশ ছাড়ার আশঙ্কার কথা প্রকাশ্যে বলেছিলেন, তখন সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি৷ জানিয়েছিলেন, এই দেশই আমিরকে হিরো বানিয়েছে৷ সুতরাং সে কথা তাঁর স্ত্রীকে জানানো উচিত৷ এহেন অনুপম খেরই কেন উলটো অবস্থান নিলেন? আসলে হিন্দু বলতে ভয় করা নিয়ে তিনি যা বলতে চেয়েছেন তার মধ্যে লুকিয়ে আছে অনেকখানি শ্লেষ৷ সম্প্রতি তাঁর পদ্ম সম্মান পাওয়া নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে৷ কোনও কোনও মহলের ধারনা সরকারপক্ষ সমর্থনের জন্যই তাঁর এই সম্মানপ্রাপ্তি৷ আর তাই তাঁর বক্তব্য, দেশের এখন এমন অবস্থা যে নিজেকে হিন্দু বলতে ভয় হয়৷ কেননা তাঁর মতে হিন্দুদের হয়ে কথা বললেই আরএসস কিংবা বিজেপি সমর্থক বলে দেগে দেওয়ার সমূহ সম্ভাবনা৷ অভিনয় জগতের আরও অনেকেই যে এমন ভয়ে আছেন, এমনটাই মনে করেন তিনি৷ অতীতে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির সঙ্গে অনেকাংশেই বক্তব্যে সহমত হতে দেখা গিয়েছে তাঁকে৷ আর তাই সমালোচনার শিকারও হয়েছেন দেশের অন্যতম সেরা এই অভিনেতা৷ সেই প্রেক্ষিতেই শ্লেষ করে এমন আশঙ্কার কথা জানালেন তিনি৷ http://www.bengali.kolkata24x7.com/anupam-kher-scared-to-say-himself-hindu.html

অর্বাচীনের ডায়েরীঃ

অর্বাচীনের ডায়েরীঃ হাবলু, লাবলু আর মফিজ আড্ডা দিচ্ছিলো। হঠাৎ হম্বিতম্বি করে আড্ডায় কদরের আগমন। -"চল দোস্ত। আজকে মালাউনগো পাড়ায় আগুন দিমু। ছাই কইরা ফেলামু সব।" হাবলুঃ কেন দোস্ত, কি হয়েছে? কদর আলীঃ আরে ওপাড়ার মালুর বেটা রমেইশ্যা কুরানের উপর পা তুলে ছবি দিয়ে ফেসবুকে আপলোড দিয়েছে। লাবলুঃ কস কি? তুই কেমনে জানলি? কদর আলীঃ আরে সবাই বলতেছে। আমিও শুনছি হেগোর মুখে। পাড়ার বেবাক মুরব্বি আর মোল্লারা মিটিং করছে,'আমাগো এসলামের এমন অবমাননা মেনে নেওয়া যায় না। এ কোরান আমাগো পেয়ারে নবী আল্লাহর নবী আনছে। মালুদের একটা শাস্তি দেওয়া চাই-ই চাই।' আর তোরা এখানে বইয়া রইয়া আড্ডা মারস? চল যাই। আজকে মালাউনগো খেদানি দিমু একটা। শালা মালুদের গতরে তেল বাড়ছে অনেক। এসলামের অবমাননা মানি নেওন যায় না। তারপর লাবলু, হাবলু, মফিজ, কদর, আবুল, জসিম, করিম, রহিম, মোজাম্মেলেরা হাজার হাজার মানুষ মিলে হামলে পড়লো পাশের গ্রামের মালুদের ওপর। কেউই একবারও যাচাই করে দেখলো না, দেখার প্রয়োজনও মনে করলো না ঘটনা আসলেই সত্য কিনা? ফলাফলে আমরা দেখতে পেলাম রামু, পাবনার সাঁথিয়া আর বরিশালের চর কাউইয়া। মন্দির পুড়লো..... ভরতচন্দ্র রায় গুণাকর বলেছেন,'নগর পুড়িলে কি দেবালয় এড়ায়?' সেই পোড়া মন্দিরে আধাপোড়া দেবতার মূর্তি গড়াগড়ি খেলো। লুটপাট চললো। গণিমতের মালে সওয়াব আছে। যাওয়া আগে বাড়ি পুড়িয়ে দিলো, ফলে খোলা আকাশই একমাত্র আত্মীয় হয়ে থাকলো বাংলাদেশে জন্মানো অভাগা সেই বঙ্গমাতার সন্তান সংখ্যালঘুদের। ধর্ষিত হলো পূর্ণিমা, ছবি কিংবা সদ্য সন্তান জন্ম দেওয়া গৃহবধূটি। অথচ কেউই কোরান অবমাননা করেনি। পুরোটাই গুজব ছিলো। মালাউন হিন্দু-বৌদ্ধ নাম শুনেই গায়ে ইমানি জোশ এসে গিয়েছিল মুমিন বান্দাদের। কেউ একবার খোঁজ নিয়ে দেখারও প্রয়োজন অনুভব করেনি,'আসলেই কেউ কোরান অবমাননা করেছে কিনা!' গল্পের এই অংশটুকু রামুর উত্তম বড়ুয়া নামের সেই হতভাগা ব্যক্তিটাকে উৎসর্গ করলাম। যাঁর নামে মিথ্যা গুজব রটিয়ে রামুতে ইতিহাসের ভয়াবহতম, জঘন্যতম সেই সাম্প্রদায়িক নির্যাতন চালানো হয়েছিল। এবার যবনিকাপাত করি। হাবলু, লাবলু, মফিজ আর আবুল আড্ডা দিচ্ছে। এবার তাড়াহুড়ো নয়, আস্তেধীরে কদর আলী আসলো আড্ডায়। দোস্ত,'সাতকানিয়াতে জামাতের কর্মীরা কোরান শরীফ ছিঁড়ে ফেলেছে।হাতেনাতে ধরা পড়েছে।" হাবলু জিজ্ঞাসা করলো,'পাড়ায় কোন মিটিং হচ্ছে না এবার? মোল্লারা এক হচ্ছে না? মুরব্বিরা কই গেলেন?' কদর বললো,'না রে দোস্ত। এবার সবাই চুপ।' কদর আরও বললো,'চাইপা যা দোস্ত। মুসলমান মুসলমানগো মারুক, কাটুক, কোরানে আগুন দেক কিংবা ছিঁড়ে ফেলুক। কোনও সমস্যা নেই। আমরা মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই! ভাই হয়ে ভাইয়ের দোষ ধরতে নেই।' ওপাড়ার রমেইশ্যাদের বাড়ির মন্দিরের মাইকটার আওয়াজ আমাগো পাড়ায় আসতেছে। ছুতা একটা পাওয়া গেছে। রমেইশ্যার বোনটা ডাঙর হয়েছে। গা'টা ম্যাজম্যাজ করতেছে। চল যাই। .... সংগৃহীত....