Saturday, 6 February 2016

এবার দেশজুড়ে অসহিষ্ণুতার বিতর্কে নিজের মত প্রকাশ করে রাজনৈতিক দলগুলিকেই আক্রমণের নিশানা করলেন শিল্পপতি রতন টাটা৷

এবার দেশজুড়ে অসহিষ্ণুতার বিতর্কে নিজের মত প্রকাশ করে রাজনৈতিক দলগুলিকেই আক্রমণের নিশানা করলেন শিল্পপতি রতন টাটা৷ তাঁর মতে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই ভারতে অসাম্যের পরম্পরা এবং ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে৷ টাটাগোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ এক প্রকাশনা টাটা রিভিউ-তে এক সাক্ষাৎকারে এমনই অভিমত প্রকাশ করেছেন শিল্পপতি রতন টাটা৷ জাত ধর্ম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ ভোটের সময় এটাই বেশ কিছু লোকের সুবিধা করে দেয় অথচ তারা দেশের একতার জন্য কিছুই করেন না৷’’ টাটা গোষ্ঠীর প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেখতে চান ঐক্যের ভারতকে যেখানে সকলের জন্য সমান সুযোগ থাকবে৷ তাঁর কথায়,‘‘ তুমি তোমার যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষা পাবে, কাজ করবে এবং উন্নতি করবে৷ সেক্ষেত্রে তোমার সঙ্গে কার কতটা যোগাযোগ রয়েছে তা বিচার্য হবে না৷ তখনই আমি আমার দেশ সম্পর্কে খুশি হতে পারব৷’’ তিনি মনে করেন ‘‘বর্তমানে ধর্মের ভেদাভেদ এবং অসাম্যের মধ্য দিয়েই আমাদের যেতে হচ্ছে ৷’’ তিনি বলেন,‘‘রাজনৈতিক কারণেই আমদের দেশের মধ্যে জাতপাত ধর্মের ভিত্তিতে গোষ্ঠী গঠিত হয়৷ আমরা নিজেদের ভারতীয় না বলে মারাঠী, পাঞ্জাবী, তামিল বলি৷ যেদিন সকলে আমরা ভারতীয় হতে পারব সেদিন দেশ শক্তিশালি হবে৷’’ ৭৮বছরের এই শিল্পপতি ২০১২ সালে টাটা গোষ্ঠী চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে যান৷ তিনি বলেন, ‘‘ আমি সবসময় মনে করি ভারতে অসাম্যের পরম্পরার পরিবেশ রয়েছে৷ আমি চাই যেন আমি বলতে পারি এই দেশের জন্য আমি গর্বিত কারণ এখানে সকলের জন্য সমান অধিকারের সুযোগ রয়েছে৷’’ ইন্দিরা গান্ধী প্রসঙ্গে্ এই শিল্পপতির বক্তব্য, ‘‘ ভারত একজন মহিলা প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে তবে সেটা একটা ব্যতিক্রম৷

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে – কে উনি ?

এবার আমাদের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে। তাঁর বিষয়ে অনেকে জানতে চেয়েছেন। এই ব্যক্তির জন্ম ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে। জাতিতে ফরাসী। পেশায় সাংবাদিক ও লেখক। বর্তমানে থাকেন পন্ডিচেরীর অরোভিল-এ। মহর্ষি অরবিন্দ এবং শ্রীশ্রী রবিশংকরজীর অনুগামী। হিন্দু ধর্মের চরম অনুরাগী, ভারতীয় দর্শন ও ইতিহাসের বিশেষজ্ঞ। শুধু বিশেষজ্ঞই নন, তিনি আমাদের একজন জোরালো প্রবক্তা । ভণ্ড সেকুলারিজমের নামে হিন্দুধর্মের ও ভারতের যে চূড়ান্ত শত্রুতা করা হয়, সেই ভন্ডামিকে ভেঙ্গে চূরমার করে দিতে উনি সদা সক্রিয়। বর্তমানে ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে যে কাজটি হাতে নিয়েছেন, তার জন্য ভারত এবং হিন্দুরা ওঁর কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবে। উনি মহারাষ্ট্রের পুনে-তে একটি মিউজিয়াম বা সংগ্রহালয় তৈরী করেছেন। নাম “ছত্রপতি শিবাজী মিউজিয়াম”। উনি এটার নাম রাখতে চেয়েছিলেন “হিন্দু হলোকষ্ট মিউজিয়াম”, অর্থাৎ “হিন্দু গণহত্যা সংগ্রহালয়”। বিশ্ববিখ্যাত ঐতিহাসিক উইল ডুরান্ট (Will Durant) লিখেছেন, “মুসলমানের ভারত বিজয় ইতিহাসের সবথেকে বেশী রক্তাক্ত অধ্যায়।” (The Mohammedan Conquest of India is probably the bloodiest story in history)। অথচ ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা পড়ে- মুসলিম আক্রমণকারীরা ছিল মোলায়েম, মানবিক, শিল্প-সংগীতের গুণগ্রাহী। ইতিহাসের এই বিকৃত পাঠ আমাদের জাতিকে শেষ করে দিয়েছে। তাই একে সংশোধনের জন্য ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে তাঁর সংগ্রহালয়ের নাম “HINDU HOLOCAUST MUSEUM” দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এতটা কড়া সত্য সেকু ভারত হজম করতে পারবে না। তাই তাঁকে নাম পাল্টে “শিবাজী মিউজিয়াম” রাখতে হয়েছে। হাজার বছর পরাধীন থাকার কারণে ভারতের অন্যতম দুর্ভাগ্য হল – আমাদের নিজেদের লেখা ইতিহাস না থাকা। এটা শুধু আমাদের দুর্ভাগ্য নয়, আমাদের আরো বহু দুর্ভাগ্যের মূলও এটা। সাধারণ ভারতবাসী তাদের নিজেদের ইতিহাস জানে না। জানেনা এই দেশ ও জাতির উপর বিদেশী ও বিধর্মী আক্রমণকারীদের কি বীভৎস, কি নৃশংস অত্যাচার হয়েছে। ভারতবাসী জানেনা আমাদের কি বিপুল সম্পদ ছিল, কি বিপুল জ্ঞানভান্ডার ছিল। মুসলিম আক্রমণে কিভাবে সেগুলো লুন্ঠিত ও ধ্বংস হয়েছে। বিদেশীর লেখা ও তাদের পেটোয়া ঐতিহাসিকদের লেখা ইতিহাস পড়ে আমাদের কয়েক প্রজন্মের মানুষ আত্মসম্মান হারিয়ে ফেলেছে। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে চরম হীনমন্যতায় ভুগছে। স্বাধীন ভারতে বিখ্যাত ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের লেখা ইতিহাস বাদ দিয়ে কংগ্রেসী দালাল তারাচাঁদের ইতিহাস ছাত্রদেরকে পড়ানো হয়। শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের লেখা ইতিহাসকে বাদ দিয়ে তৃতীয় শ্রেণীর মার্কসবাদী ঐতিহাসিক ইরফান হাবিব, রোমিলা থাপার, বিপান চন্দ, তপন রায়চৌধুরী-দের লেখা বিকৃত ইতিহাসকে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য করা হয়েছে। কিন্তু এসবের সংশোধন করবে কে ? কেউ এগিয়ে আসেনি। এগিয়ে এসেছেন ওই বিদেশী ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ে। তারই পরিণাম পুনের এই “ছত্রপতি শিবাজী মিউজিয়াম”। চিত্র প্রদর্শনী ও বর্ণনার মাধ্যমে ভারতের সঠিক ইতিহাসকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন ও করে চলেছেন। আমার সঙ্গে ফ্রাসঁওয়া গোটিয়ের পরিচয় অনেকদিনের। আমার কাজে সবসময় তাঁর সোচ্চার সমর্থন পেয়েছি। আমি তাঁর পুনের মিউজিয়ামও দেখে এসেছি। এখানে শিবাজী, রানা প্রতাপ, ঔরঙ্গজেব, কাশ্মীর, বাংলাদেশ ইত্যাদি বিষয়ে একটি করে প্রদর্শনী হল আছে। মাঝে মাঝে ভারতের বিভিন্ন স্থানে এই প্রদর্শনীগুলো তিনি FACT (Forum Against Continuous Terrorism) নামক সংস্থার পক্ষ থেকে দেখানোর আয়োজন করেন। ২০০৮ সালে ঠাকুরনগরে মতুয়া মেলায় FACT-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আমরা হিন্দু সংহতি এরকম একটি বিরাট প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলাম। বিষয় – বাংলাদেশে হিন্দুর উপর অত্যাচার। লক্ষ লক্ষ মানুষ সেই প্রদর্শনী দেখেছিলেন। ফ্রাসঁওয়া তাঁর পুনের মিউজিয়ামকে আরো সমৃদ্ধ করার কাজ তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এবার আমাদের ১৪-ই ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি। https://debtanu1971.wordpress.com/2016/02/04/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a7%ae-%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d/?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C4090523539 tnx to শ্রী তপন কুমার ঘোষ

INA-র গুপ্তধন চোরকে পুরস্কৃত করেন নেহরু?

আইএনএ-র সম্পত্তি লুঠ হয়েছিল এবং লুন্ঠনকারীকে পুরস্কৃত করেছিল স্বাধীন ভারতের নেহরু সরকার। চাঞ্চল্যকর এমনই তথ্যের হদিশ মিলল সদ্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রকাশিত নেতাজি সম্পর্কিত গোপন নথিতে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার প্রকাশিত জাতীয় সংরক্ষণাগারে রাখা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু সম্পর্কিত গোপন ফাইলে পাওয়া গিয়েছে আইএনএ-র গুপ্তধনের উল্লেখ। ১৯৫১-১৯৫৫ সালের মধ্যে টোকিও ও নয়াদিল্লির মধ্যে চিঠি আদানপ্রদান সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের সরকারি আধিকারিকদের সন্দেহ ছিল যে ওই সম্পত্তি সরানোর পিছনে দুই নেতাজি ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। শুধু তাই নয়, বিষয়টি সেই সময় কেন্দ্রে আসীন জওহরলাল নেহরু সরকারের বিলক্ষণ জানা থাকলেও এড়িয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীকালে ওই দুই সন্দেহভাজনের একজনকে প্রধানমন্ত্রী নেহরুর স্বপ্নের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রচার বিভাগের পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করে সরকার। জানা গিয়েছে, আইএনএ-র লুন্ঠিত সম্পত্তির তত্কালীন মূল্য ছিল ৭ লক্ষ ডলার। গোপন ফাইলে রাখা নথি জানাচ্ছে, ১৯৫১ সালের ২১ মে টোকিও মিশন প্রধান কে কে চেত্তুর কমনওয়েলথ রিলেশনস সচিব বি এন চক্রবর্তীকে জানিয়েছিলেন, সুভাষচন্দ্রের দুই বিশ্বস্ত সঙ্গী-- প্রাক্তন ভারতীয় স্বাধীনতা লিগ প্রধান মুঙ্গা রামমূর্তি এবং তত্কালীন কেন্দ্রীয় প্রচারমন্ত্রী এস এ আয়ারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। চিঠিতে চেত্তুর জানান, 'আপনি নিশ্চয় জানেন যে রামমূর্তির বিরুদ্ধে আইএনএ-র তহবিল এবং সুভাষচন্দ্র বসুর ব্যক্তিগত সম্পত্তি তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। সুভাষচন্দ্রের ব্যক্তিগত সম্পত্তির মধ্যে ছিল বেশ কিছু হিরে, গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী। সত্যি হোক বা মিথ্যে, এই ব্যাপারে আয়ারের নামও জড়িয়েছে...।' ১৯৫১ সালের ২০ অক্টোবর চেত্তুর আরও জানিয়েছিলেন, 'সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে অনেক জিনিসপত্র থাকলেও অভিশপ্ত সেই উড়ানে তাঁকে মাত্র ২টি স্যুটকেস সঙ্গে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। বিমান দুর্ঘটনার পর মূর্তি ও আয়ার আমাদের যা কিছু হস্তান্তর করেছেন, তার চেয়ে অনেক বেশি ঐশ্বর্য বহন করছিলেন বসু।' টোকিও মিশন প্রধান জানিয়েছেন, 'নেতাজির সঙ্গে তাঁর দেহের ওজনের চেয়ে বেশি ঐশ্বর্য ছিল। এখানে একজন আছেন যিনি গুপ্তধনের বাক্স আয়ারের ঘরে দেখতে পেয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকটি বাক্সে থাকা জিনিসপত্র তিনি কেনার পরিকল্পনা করেছেন। তবে পরবর্তীকালে সেই বাক্সগুলির কী গতি হল তা জানা যায়নি কারণ বিমান দুর্ঘটনার পর আয়ার আমাদের হাতে মাত্র ৩০০ গ্রাম সোনা এবং নগদ ২৬০ টাকা জমা দেন।' ১৯৫৫ সালের ১ নভেম্বর বিদেশ মন্ত্রক এবং সেই সূত্রে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে পাঠানো হয় 'আইএনএ গুপ্তধন এবং শ্রী আয়ার ও রামমূর্তির দ্বারা তার হস্তান্তর'শীর্ষক গোপন রিপোর্ট। রিপোর্টের লেখক আর ডি সাঠে মন্তব্য করেন, 'জাপানে শ্রী আয়ারের গতিবিধি যথেষ্ট সন্দেহজনক। সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয় যখন টোকিওতে প্রবাসী ভারতীয়রা চরম আর্থিক সঙ্কটে ভুগছিলেন, সেই সময় শ্রী রামমূর্তি তুলনামূলক ভাবে যথেষ্ট সচ্ছ্বল ছিলেন বলে। রহস্য দানা বাঁধে যখন হঠাত্ ব্রিটিশ মিশনের জনৈক অ্যাটাশে কর্নেল ফিগ্‌স প্রতীচ্য বিশারদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি রামমূর্তিকে ব্রিটেনে বসবাস করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।' এই গোপন রিপোর্টটি যে প্রধানমন্ত্রী দেখেছিলেন তার সাক্ষ্য বহন করছে তাঁর স্বাক্ষরযুক্ত একটি নোট যার তারিখ ১৯৫১ সালের ৫ নভেম্বর। ওই রিপোর্ট এরপর বিদেশ সচিবের কাছে যায়। উল্লেখ্য, এরপর জাপানে রামমূর্তির আর্থিক সচ্ছলতা আরও বৃদ্ধি পায় আর দিল্লিতে ফেরার পর আয়ারকে সাদরে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নেহরু। আয়ারের বিরুদ্ধে আইএনএ-র সম্পত্তি তছরূপের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে নিজের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রচার বিভাগীয় পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করেন জওহরলাল। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে প্রকাশিত অনুজ ধরের 'ইন্ডিয়াজ বিগেস্ট কভার-আপ' বইয়ে আইএনএ-র গুপ্তধন লুন্ঠনের বিষয়টি এর আগেই বিশদে প্রকাশ পায়। http://m.eisamay.com/nation/netaji-files-nehru-awarded-man-who-stole-inas-treasure/articleshow/50862236.cms

এক ইসলামী ব্যাক্তি কী করে গাজী উপাধি লাভ করে আপনাদের কারো জানা আছে?

আপনাদের মধ্যে অনেকেই যাওয়ার পথে যদি কোন গাজী বাবার থান পড়ে পেন্নাম ঠুকে দু দশ টাকা দান করে দিয়ে যান।কিন্তু এক ইসলামী ব্যাক্তি কী করে গাজী উপাধি লাভ করে আপনাদের কারো জানা আছে? না....নেই। যদি জানা না থাকে জানে নিন....।। মোগল আমলে বা তারপর বৃটিশ আমলেই হয়েছে এ যাবৎ যত গাজীবাবার থানের উৎপত্তি। ভারত যখন স্বাধীন হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্টিত হয়, তার পর থেকে কিন্তু আর কোন গাজীবাবার থানের উৎপত্তি হয় নি।... কারণ কী জানেন? ইসলামী রীতি অনুসারে আপনার জানা উচিৎ যে কোন মুসলিম গাজী উপাধি তখনই লাভ করে যখন সে অন্তত 100জন কাফের হত্যা করেছে। (কাফের মানে~ যে ইসলাম বা নবীকে মানে না বা মানতে অস্বিকার করে বা যে মানুষ মুর্তিপুজা করে সে অতি নিকৃষ্ট মানের মানুষ বা কাফের)। সুতরাং আপনি একবার ভাবুন প্রকৃত ইসলামি নায়ক সে,..... যে আমার আপনার মত 100জন প্রতিমা পুজকদের হত্যা করেছে! এখন ভাবতে কষ্ট হয় যে কী করে আমরা এসব হত্যাকারীকে না জেনে,... না শুনে পুজো করি? ঠিক এই কারণে বিবেকানন্দ বলেছিলেন কোন কিছুকে না জেনে তার প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো পাপ। .... আর.... তাই আমরা পাপি। সুতরাং আমাদের দুরবস্থা খন্ডাবে কে?? সৌজন্যঃ....শ্রীপঙ্কজ দেবনাথ....।।

মহাবিজ্ঞানী আল্লা ও তার সাগরেদ গবেষক মোহাম্মাদ

মহাবিজ্ঞানী আল্লা ও তার সাগরেদ গবেষক মোহাম্মাদের গবেষণালব্ধ অসীম জ্ঞানভাণ্ডারের পরিধি এতটাই দুস্পরিপাচ্য যে হজমিগুলি ব্যবহার করেও হজম করা সম্ভব নয়। যেমন, আল কোরআন ৩৬:৩৭, ৩৮: আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন রাত। আমি তার উপর থেকে দিনকে অপসারিত করি, ফলে তত্ক্ষণাত্ তারা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। আর সূর্য স্বীয় গন্তব্যস্হানের দিকে চলতে থাকে । এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ। উক্ত আয়াতের তাফসীরে নিমোক্ত হাদিসটি আসে: আবু দার থেকে বর্নিতঃ আল্লার রসুল একদিন সূর্যাস্তের সময় আমাকে জিজ্ঞেস করলেন- তুমি কি জান অস্ত যাওয়ার পর সূর্য কোথায় যায় ? আমি উত্তর দিলাম- আল্লাহ আর তার রসুল ভাল জানেন। তখন আল্লাহর রসুল বললেন- এটা চলতে থাকে যতক্ষন না আল্লাহর সিংহাসনের নীচে পৌছে। সেখানে সে সিজদা দেয় আর আল্লাহর কাছে পূনরায় উদিত হওয়ার অনুমতি চায়। যতক্ষন অনুমতি না দেয়া হয় ততক্ষন সে সিজদা দিতেই থাকে। পরে তাকে যেখানে সে উদিত হয়েছিল সেখানে ফিরে গিয়ে পূনরায় উদিত হওয়ার জন্য অনুমতি দেয়া হয়। বুখারী শরিফ, খন্ড-৪. বই-৫৪, হাদিস নং- ৪২১। প্রমাণিত তথ্যানুসারে সূর্যকে কেন্দ্র করে ৯টি (প্লুটোকে বাদ দিলে ৮টি) গ্রহ অনবরত ঘুরে চলেছে,পৃথিবীও সৌরজগৎ-এর অন্তর্গত একটি অন্যতম গ্রহ, সেই সুত্রেই পৃথিবী সূর্য কেন্দ্রিক ঘুর্নায়মান, সম্পূর্ন এক পাক ঘুরে আসতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা। আর যেহেতু পৃথিবী তার কক্ষপথে ঘোরার সময় নিজ অক্ষে লাট্টুর মত পাক(আহ্নিকগতি) খেতে থাকে, তদীয় কারনেই পৃথিবীর কোন নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে সূর্য কখনই উদিত বা অস্তমিত হয় না। পৃথিবীর আহ্নিকগতির জন্যই পৃথিবী কোন নির্দিষ্ট স্থানে দিন-রাত্রি সংঘটিত হয়ে থাকে। এক পৃষ্ঠে দিন হলে অপর পৃষ্ঠে হয় রাত। সেই কারনবশতইই পৃথিবীর সমস্ত অংশে একই সময় দিন-রাত্রি হয়না। আহ্নিকগতি সাপেক্ষে সর্বত্রব্যাপী দিন ও রাত যুগপৎ ভাবেই বিরাজ করে। সসাগরা পৃথিবীতে কোথাও কখনই সম্পূর্ন দিন অথবা সম্পুর্ন রাত্রি বিরাজমান থাকেনা ।। কিন্তু দিন-রাত্রির বৈজ্ঞানিকী ব্যাক্ষ্যা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে কোরানের বুলিই যথেষ্ট নয় কি? বর্ত্তমান সভ্যতার বিজ্ঞানবিদদের প্রমানিত তথ্যাদি সম্ভবত পাগলের পাগলামি ছাড়া অন্যকিছু নয়, কারন সর্বশ্রেষ্ট বিজ্ঞানী মোহাম্মদের বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা প্রমান করে,পৃথিবীতে যখন রাত বা দিন সংঘটিত হয় তখন যুগপৎভাবে পৃথিবীর সমস্ত অংশব্যপী হয়। আবার পৃথিবীতে যখন রাত নামে তখন সূর্য আল্লাহর আরশের নীচে গিয়ে জিকির করতে থাকে, পুনরায় উদিত হওয়ার অনুমতি আল্লার কাছে ভিক্ষা করে। আল্লাহ দয়া পরবশ হয়ে তাকে অনুমতি দিলেই তবে সে পূনরায় উদিত হতে পারে ও যথারীতি পৃথিবীতে দিনের সুচনা হয়ে থাকে, যা বলা বাহুল্য আল্লাহর অমোঘ বিধাণও বটে। মানব জাতির প্রতি আল্লাহর অপরিসীম করুনার নিদর্শনও বটে,কারন তিনি দয়া করে সূর্যকে উদিত হওয়ার অনুমতি দেন বলেই পৃথিবীর অস্তিত্ব আছে, যদি তিনি অনুমতি না দেন তবে ------------?

মার্ক্সবাদী মৌলবাদ ধর্মীয় মৌলবাদের চেয়েও ভয়ঙ্কর..


মার্ক্সবাদী মৌলবাদ ধর্মীয় মৌলবাদের চেয়েও ভয়ঙ্কর.. মার্ক্সবাদী মৌলবাদ, মুসলীম মৌলবাদের গতি ত্বরান্বিত করে.. বামপন্থি + জামাতি (বিক্রিয়া হয়ে উতপন্ন হয়েছে)= বামাতি ওরফে কমরেড.. রাজনৈতিক দল CPIM 

Lord Shiva's mount kailash view from satellite map in Google Earth - story - sangbadpratidin.in স্যাটেলাইট ম্যাপে ধরা দিল দেবাদিদেব শিবের বাসস্থান!

#Har_Har_Mahadev 'একশৃঙ্গ অভিযান' উপন্যাসে প্রফেসর শঙ্কু তাঁর প্রতিবেশী অবিনাশবাবু এবং দলবলের সঙ্গে গিয়েছিলেন কৈলাসে। বইয়ের এক জায়গায় শঙ্কুর বকলমে সত্যজিৎ রায় লিখেছেন, ''আজ বারবার উনি আমার কানের কাছে এসে বিড়বিড় করে গেছেন- ‘কৈলাস ভূধর অতি মনোহর, কোটি শশী পরকাশ, গন্ধর্ব কিন্নর যক্ষ্ম বিদ্যাধর অপ্সরাগণের বাস।' কৈলাস সম্বন্ধে পৌরাণিক ধারণাটা অবিনাশবাবু এখনো বিশ্বাস করে বসে আছেন। আসল কৈলাসের সাক্ষাৎ পেয়ে ভদ্রলোককে কিঞ্চিৎ হতাশ হতে হবে।'' কাংড়া চিত্রে কৈলাস কিন্তু, গুগল আর্থ-এর স্যাটেলাইট ম্যাপে 'আসল কৈলাস' সম্পর্কে যা দেখা যাচ্ছে, তাও কিছু কম বিস্ময়কর নয়! কৈলাস আসলে বরাবরই ভারতীয় ধর্মকৃত্যে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রয়েছে। পুরাণ থেকে শুরু করে মহাকাব্য- সবার মতে এই কৈলাস পর্বতের শিখরে বাস করেন দেবাদিদেব শিব। শিব, তাঁর জায়া পার্বতী এবং দুই পুত্র গণেশ-কার্তিকের নিত্যলীলা দেখতে তাই দেবতা, গন্ধর্ব, যক্ষ, ঋষি সবাই নিত্য ভিড় করেন কৈলাস শিখরে। স্যাটেলাইট ম্যাপে বলাই বাহুল্য দেব-পরিবারকে দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু, দেখা যাচ্ছে কৈলাস শিখরের এক 'অতি মনোহর' ছবি। দেখে চমকে উঠতে হয়, শিখরে ওঠার জন্য ধাপে ধাপে সিঁড়ি রয়েছে পাহাড়ের গায়ে! ঠিক যেন কেউ রোজ ওঠা-নামার জন্য কেটে রেখেছে সেই সিঁড়ি! আরও আশ্চর্য ব্যাপার- কৈলাস শিখরের দিকে তাকালে মনে হয়, সাক্ষাৎ শিব যেন প্রসন্ন হাস্যে তাকিয়ে রয়েছেন ভক্তের দিকে! বিশ্বাস না হলে নিজেই দেখে নিন নিচের এই ভিডিওয়। http://sangbadpratidin.in/web/guest/story/-/asset_publisher/dbQQWH2f26c3/content/lord-shiva-s-mount-kailash-view-from-satellite-map-in-google-earth