Wednesday, 18 May 2016

২০১৭ সালেই কাশ্মীর থেকে উঠছে ৩৭০ধারা

আগামী বছরের শেষের দিকে কাশ্মীর থেকে তুলে নেওয়া হবে ৩৭০ ধারা। আর চলতি বছরের শেষের দিকেই অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে। টেলিভিশনে আয়োজিত একটি বিতর্কের অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। বিতর্কের বিষয় ছিল, ‘মুসলিমরা কী ভারতে নিরাপদ?’ উক্ত বিতর্ক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইএমআইএম সাংসদ আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। তাকে উদ্দেশ্য করে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী বলেন, “চলতি বছরের শেষের দিকে আমরা রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করব। আমি নিশ্চিত এই নিয়ে আদালতে মামলা হবে। ওয়াইসি এই মামলায় বিশেষ সুবিধা পাবেন।” এই বিষয়ে আসাদুদ্দিন ওয়াইসি জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে মসজিদ হওয়ার কথা। এরপরেই সুব্রহ্মণ্যম স্বামী টলেন কাশ্মীরের পণ্ডিতদের কথা। তিনি বলেন, “আমরা কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিজেদের ভিটেতে ফেরাতে বিশেষ আগ্রহী। আমি আসাদুদ্দিন সাহেবের কাছে অনুরোধ করব কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের বিষয়ে উকিল নিয়োগ করুন। তাহলেই আমরা পরের দিনেই কাশ্মীরের পণ্ডিতদের ফের নিজের ভূমি ফিরিয়ে দেব।” ৩৭০ ধারা প্রয়োগ না করলে কাশ্মীর নিজেদের দখলে রাখা ভারতের পক্ষে সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। এরপরেই নিশ্চিতভাবে সুব্রহ্মণ্যম স্বামী জানিয়ে দেন যে ২০১৭ সালের শেষের দিকে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ধারা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।kolkata24x7

বামপন্থীরা নাকি আধুনিক মানুষ?

বামপন্থীরা নাকি আধুনিক মানুষ? ওরা কথায় কথায় বলে আমরা নাকি ধর্ম নিয়ে থাকতে চাই আর ওরা চাঁদে যেতে চাই, আমরা নাকি ধর্মীয় গোঁড়ামীতেই পড়ে আছি আধুনিকতা বলে কিছু নেই আমাদের? তবে বামপন্থীরা শুধুমাত্র হিন্দু ধর্মকেই অপমান করার জন্য টার্গেট করে অথচ মাদ্রাসাতে ইংরেজী,অঙ্ক,ভূগোল,বিজ্ঞান পড়ানো হয় না তবুও মাদ্রাসাকে আধুনিক করার জন্য ওদের প্রচেষ্টা লক্ষ্য করিনি আজও । বামপন্থীরা হিন্দুদের গরু মাংস খেতে উৎসাহ দেয় অথচ মুসলিমদের শুয়র মাংস খেতে বলে না কেন? বামপন্থীরাই একমাত্র হিন্দুদের শত্রু, ভারতবর্ষ থেকে বামপন্থীদের না তাড়ালে হিন্দুদের ভবিষ্যত অন্ধকার । চীনের আদর্শ ভারতের বুকে কি করছে? অবিলম্বে ভারতবর্ষ থেকে লেনিন মার্ক্সসের ষ্ট্যাচু গুলো ভেঙে দেওয়া হোক, নিশ্চিহ্ন করা হোক বামপন্থীদের । ১৯ তারিখের পর চড়াম চড়াম ঢাক বাজিয়ে দল মত নির্বিশেষে বামপন্থীদের চীনের প্রাচীর টপকে দেওয়া হোক, কারন ভারতবিরোধী দলকে কুকুরের মত তাড়িয়ে দেশের মাটিকে পবিত্র করা হোক । লেনিন মার্ক্স কোথাকার কে তাদের জন্য আবার মাথা ব্যাথা? � সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য

Tuesday, 17 May 2016

যে সাদা অংশটা আছে, কাশ্মীরের ওইটুকু জায়গাতেই খালি অশান্তি

ভালো করে খেয়াল করে দেখুন। যে সাদা অংশটা আছে, কাশ্মীরের ওইটুকু জায়গাতেই খালি অশান্তি। বাকি গোটা কাশ্মীর পুরো শান্ত, সেই শান্তিটাই পাকিস্তান নষ্ট করতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে আর পাকিস্তানের কর্মযজ্ঞে হাতে হাত মিলিয়েছে দেশের সমস্ত বিজেপি বিদ্রোহী দল। কারন বিজেপি এই দেশদ্রোহী কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। সংখ্যালঘুদের তোষণ করতে দিচ্ছে না। যেটা না করলে বিজেপি ছাড়া কোন দলেরই পেটের ভাত ঠিক হজম হয় না।

কি সুন্দর যুক্তি তাদের

বাহ কি সুন্দর যুক্তি তাদের । বার্মাইয়ারা বার্মায় রোহিঙ্গা মারতেছে, তাই তারা বাংলাদেশে বৌদ্ধ মারবে । ইসরায়েল গাজায় ফিলিস্তিনী মারে, তাই তারা বাংলাদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ আর খ্রিস্টান মারে । বার্মায়ইয়ারা রোহিঙ্গাদের উপর গনহত্যা চালায় তাই বাংলাদেশের পাহাড়ে বৌদ্ধদের উপর গনহত্যা চালানো তাদের জন্য জায়েজ । শোনো ভাই সব যুদ্ধে মরা আর মারার নাম তোমরাই দিয়েছো অর্থাৎ মরলে শহীদ আর বাঁচলে গাজি । আমেরিকার মারা আর হিটলার মারার সাথে তোমাদের কৃতকর্মকে ডিফেন্ড করো কোন যুক্তিতে ?আমেরিকাও মারছে যুদ্ধে আর হিটলারও মেরেছে যুদ্ধে আর রোহিঙ্গাদেরও মারা হচ্ছে সেই যুদ্ধের প্রেক্ষাপথ নিয়েই যখন রোহিঙ্গারা ইংরেজদের সাথে দল বেঁধে বার্মাইয়াদের বিপক্ষে লড়াই করেছিল । কিন্তু তোমরা যাকে মারছো সে একজন নিরীহ বৌদ্ধ ভিক্ষু, অবলা নিরস্ত্র । সিরিয়ার কথা নাইবা বললাম যেহেতু সেটি একটি যুদ্ধ কবলিত এলাকা, কিন্তু বোকা হারাম কেন নাইজেরিয়ায় শত শত খ্রিস্টান নারীকে অপহরণ করলো ? রাশিয়ার বেস্লিন স্কুলে ৩০০ শিশু কি অপরাধ করলো, পাকিস্তানে শতের অধিক শিশু কে মারল ? প্যারিসে কনসার্ট দেখতে যাওয়া নিরীহ পাবলিকদের কে মারল ? পৃথিবী তোদের কাছে কতটা নিরাপদ নির্ণয় করার দায়িত্ব এবার তোদের নিজেদের ! তোমরা নিজেদের শান্তিবাদী দাবি করাটা কতটা যৌক্তিক মনে কর তোমরাই বল ? CHT-jummaland fb PAGE

মাস্টারদা সূর্য্য সেন ফাঁসীতে যাবার আগে চট্টগ্রামের বিপ্লবীদের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন এই চিঠি।

মাস্টারদা সূর্য্য সেন ফাঁসীতে যাবার আগে চট্টগ্রামের বিপ্লবীদের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন এই চিঠি। .. '' আমার শেষ বাণী-আদর্শ ও একতা। ফাঁসির রজ্জু আমার মাথার উপর ঝুলছে। মৃত্যু আমার দরজায় করাঘাত করছে। মন আমার অসীমের পানে ছুটে চলছে। এই ত’ সাধনার সময়। বন্ধুরূপে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার এই ত সময়। ফেলে আসা দিনগুলোকেও স্মরণ করার এই ত সময়। কত মধুর তোমাদের সকলের স্মৃতি। তোমরা আমার ভাইবোনেরা, তোমাদের মধুর স্মৃতি বৈচিএ্যহীন আমার এই জীবনের একঘেঁয়েমিকে ভেঙ্গে দেয়। উৎসাহ দেয় আমাকে। এই সুন্দর পরম মুহুর্তে আমি তোমাদের জন্য দিয়ে গেলাম স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন। আমার জীবনের এক শুভ মুহুর্তে এই স্বপ্ন আমাকে অনুপ্রাণিত করছিল। জীবনভর উৎসাহ ভরে ও অক্লান্তভাবে পাগলের মত সেই স্বপ্নের পিছনে আমি ছুটেছি। জানিনা কোথায় আজ আমাকে থেমে যেতে হচ্ছে। লক্ষে পৌছানোর আগে মৃত্যুর হিমশীতল হাত আমার মত তোমাদের স্পর্শ করলে তোমরাও তোমাদের অনুগামীদের হাতে এই ভার তুলে দেবে, আজ যেমন আমি তোমাদের হাতে তুলে দিয়ে যাচ্ছি। আমার বন্ধু্রা- এগিয়ে চল। এগিয়ে চল- কখনো পিছিয়ে যেও না। পরাধীনতার অন্ধকার দূরে সরে যাচ্ছে। ঐ দেখা যাচ্ছে স্বাধীনতার নবারুন। কখনো হতাশ হয়ো না। সাফল্য আমাদের হবেই। ভগবান তোমাদের আশির্বাদ করুন। ১৯৩০ সালের ১৮ই এপ্রিল চট্টগ্রাম ইস্টার বিদ্রোহের কথা কোন দিনই ভুলে যেও না। জালালাবাদ, জুলধা, চন্দননগর ও ধলঘাটের সংগ্রামের কথা সব সময় মনে রেখো। ভারতের স্বাধীনতার বেদীমূলে যে সব দেশপ্রেমিক জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের নাম রক্তাক্ষরে অন্তরের অন্তরতম প্রদেশে লিখে রেখো। আমাদের সংগঠনে বিভেদ না আসে- এই আমার একান্ত আবেদন। যারা কারাগারের ভিতরে ও বাইরে রয়েছে, তাদের সকলকে জানাই আমার আশির্বাদ। বিদায় নিলাম তোমাদের কাছ থেকে। বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক বন্দে মাতরম্। '' __________________ (মাস্টারদা সূর্য্য সেন ফাঁসীতে যাবার আগে চট্টগ্রামের বিপ্লবীদের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন এই চিঠি। ফাঁসীর মঞ্চে ওঠানোর আগে ব্রিটিশরা হাতুরী দিয়ে তাঁর দাঁত ভেঙ্গে দেয় এবং তাঁর হাড় ও ভেঙ্গে দেয়। হাতুরী দিয়ে নির্মম ভাবে পিটিয়ে অত্যাচার করা হয়। এরপর তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। সূর্য সেন ও তারকেশ্বর দস্তিদারের লাশ আত্মীয়দের হাতে হস্তান্তর করা হয়নি এবং হিন্দু সংস্কার অনুযায়ী পোড়ানো হয়নি।ফাঁসীর পর লাশদুটো জেলখানা থেকে ট্রাকে করে ৪ নম্বর স্টীমার ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর মৃতদেহ দুটোকে ব্রিটিশ ক্রুজার 'দ্যা রিনাওন; এ তুলে নিয়ে বুকে লোহার টুকরা বেঁধে বঙ্গোপসাগর আর ভারত মহাসাগরের সংলগ্ন একটা জায়গায় ফেলে দেয়া হয়। তাঁর মৃত শবটাকেও এত ভয় পেয়েছিল কাপুরুষ বৃটিশ সরকার! আমাদের ক্ষমা কর না # হে মহানায়ক! স্বাধীনতার নামে আমরা তোমাকে প্রহসন আর জ্বালাময় অপমান ছাড়া কিছু দিতে পারিনি।) আমাদের মত বিশ্বাসঘাতক, লোভীদের জন্য পরাধীনতাই সঠিক। (সংগৃহীত ) → সব্যসাচী চক্রবর্তী।

Monday, 16 May 2016

হিন্দু ধর্মের থেকে বেশী জাত-পাতের বৈষম্য লক্ষ্য করা যায় ইসলাম ধর্মে।

হিন্দু ধর্মের থেকে বেশী জাত-পাতের বৈষম্য লক্ষ্য করা যায় ইসলাম ধর্মে। মুসলমানদের মধ্যে শিয়া, সুন্নি, আহমদিয়া, কাজী, সুফি, দরবেশ, ফকির...... ইত্যাদি ৭২ টি সম্প্রদায় পরিলক্ষিত হয়। ভারতবর্ষ ছাড়া, এই পৃথিবীর আর সব জায়গাতেই বিশেষত ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিতেই তাদের কুস্তাকুস্তি সব থেকে বেশিমাত্রায় চলে..! অথচ তারাই আবার যুক্তি দেখায়, নিম্নবর্নের হিন্দুরা নাকি জাত-পাতের দ্বন্ধেই সব মুসলমান হয়ে গেছে ... ঠিক যেন চালুনি হয়ে ছুঁচের পিছনের ছিদ্রানুসন্ধানের দুঃপ্রয়াস...!! মজার বিষয় এই যে, ... একমাত্র হিন্দুস্থান ছাড়া, মুসলমান ধর্মের এতগুলি সম্প্রদায়ের একত্র শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আপনি আর কোথাও খুঁজে পাবেন না ...!! ...... কারন কি জানেন ????? - এখনও ভারতবর্ষে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ রয়েছে বলে......। হায় ভগবান ! আর কিনা সেই হিন্দুকেই শিখতে হবে ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ ????? আহম্মকি আর কাকে বলে? ...... জলের ধারা যেমন নিম্নমুখী, পশুরা যেমন জন্মানোর পর পরই সহজাত সাঁতারে পারঙ্গম। ঠিক তেমনি একটি হিন্দু শিশুর জন্মগত প্রবৃত্তি হল "ধর্মনিরপেক্ষতা এবং পরধর্ম সহিষ্ণুতা" - যা তাকে না শেখালেও চলে। → সব্যসাচী চক্রবর্তী ।

ইতিহাসে তুরস্কের কিছু বর্বরতা ( দেখুন ছবিতে)!




দিনটা ছিল ১৯১৫ সালের ২৪ এপ্রিল। এই দিনটাকে ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্যতম ও বর্বরতার দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ ১৯১৫-১৭ এই দুই বছরে তুরস্কের অটোমান তুর্কিরা আর্মেনীয়ার প্রায় ১৫ লাখ মানুষকে হত্যা করে।আর্মেনীয়রা একে গণহত্যা আখ্যায়িত করলেও তুরস্ক এ ব্যাপারে বরাবর তীব্র আপত্তি জানিয়ে আসছে। আগামী ২৪ এপ্রিল আর্মেনীয় গণহত্যার ১০২ বছর পালন করবে দেশটি। পাঠকদের জন্য আর্মেনীয়ানদের উপর তুর্কি অটোমানদের বর্বরতার কিছু ছবিসহ তুলে ধরা হলে। ১. তুর্কিদের অত্যাচারে পলায়ন অটোমান তুর্কিরা যখন বর্বরতা চালিয়ে যাচ্ছে তখন সেই মুহূর্তে আর্মেনীয়ান এক মহিলা তার সদ্যোজাত শিশুকে নিয়ে নিজের গৃহস্থল ত্যাগ করে নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় মরুভুমি দিয়ে অন্যস্থানে যাচ্ছেন। ২. ক্ষুধার্ত শিশুদের খাবার দেখিয়ে তামাশা অটোমান তুর্কিরা যে কতটা বর্বর ও নির্মম তা এ ছবিতেই বুঝা যায়। চলমান এই গণহত্যায় যখন ছোট ছেলে-মেয়েরা তাদের মা-বাবাকে হারিয়ে এক টুকরো খাবারের আশায় এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করছে ঠিক সেই মুহূর্তে এক তুর্কি সরকারি কর্মকর্তা ক্ষুধার্ত শিশুদের রুটি দেখিয়া তামাশা করছে। আর খাবার চেয়ে ক্লান্ত ক্ষুধার্ত শিশুরা। ৩. মহিলাদের উলঙ্গ করা হত্যা তুরস্কের আরেকটি বর্বরতার উদাহরণ হল এই ছবিটি। গণহত্যার সময় অটোমান তুর্কিরা আর্মেনীয় মহিলাদের উলঙ্গ করে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্মমভাবে হত্যা করে। ৪. পুড়িয়ে হত্যা করে গনকবর তৈরি নারকীয় বরবতার আরেকটি উদাহরণ হল আর্মেনীয়ার মানুষদের পুড়িয়ে হত্যা করা। অটোমান তুর্কিরা ১৯১৫ সালে বহু মানুষকে এক সাথে পুড়িয়ে মেরে মৃতদের জন্য বড় কবর খুঁড়ছে। ৫. পুরুষদের সারিবদ্ধ করে প্রকাশ্যে ফাঁসি দিয়ে হত্যা ১৯১৫ সালে শুরু হওয়া তুর্কিদের বর্বরতার আরেকটি উদাহরণ হল এই ছবিটি। অটোমান তুর্কিরা এভাবে আর্মেনীয়ার পুরুষদের গলায় ফাঁসি দিয়ে প্রকাশ্যে হত্যা করে। তথ্য উৎসঃ উইকিপিডিয়া