দীপাবলি আসলেই সোশাল মিডিয়ায় কিছু মানবতাবাদী পশু প্রেমী দের ভিড় পরে যায়, তাঁরা তখন সোশাল মিডিয়ার দ্বারা সবার কাছে অনুরোধ করে দীপাবলি তে শব্দবাজি না ফাটানোর জন্য। কারণ শব্দবাজির শব্দে নাকি তাদের প্রীয় সারমেয়র খুব অসুবিধে হয়, এমনকি শব্দবাজির ফলে সারমেয়র কানের পর্দাও নাকি ফেটে যাওয়ার উপক্রম হয়ে পরে। তাঁরা এই অনুরোধের ফলে প্রচুর লাইক শেয়ার আর কমেন্ট তো পায় আর তার সাথে পায় প্রচুর মানুষের Sympathy। কিন্তু দীপাবলি যেতে না যেতেই সেই সব মানুষের সারমেয় দের প্রতি প্রেম কমে যায়। কারণ দীপাবলির কয়েক মাস পরেই আসে শবেবরাত, আর শবেবরাতে ও প্রচুর শব্দবাজি ব্যাবহার হয়। কিন্তু তখন সেই পশু প্রেমী দের দেখা যায়না কাওর কাছে অনুরোধ করতে যে দয়া করে বাজি ফাটাবেন না।
আসলে এসব প্রেম ফ্রেম কিছুই না
হিন্দুরা কিছু করলেই তার বিরোধীতা করার নতুন ট্রেন্ড হয়ে গেছে এখন, আর হিন্দু বিরোধীতা করলেই যে মহান মানুষের তকমা গায়ে লেগে যায় এটা তাঁরা ভাল মতই জানেন।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 23 May 2016
Sunday, 22 May 2016
ইতালির সান সেভেরিন অঞ্চলে এক নান যে কিনা পুরো মহিলাবদ্ধ প্রজাসভাতেই থাকতেন জন্ম দিলেন এক পুত্র সন্তানের
ইতালির সান সেভেরিন অঞ্চলে এক নান যে কিনা পুরো মহিলাবদ্ধ প্রজাসভাতেই থাকতেন জন্ম দিলেন এক পুত্র সন্তানের। ২০০০ বছর আগে পৃথিবীর মানুষকে বোকা বানানোর কাজ শুরু করেছিলো, সেটা কম্পিউটার আর মহাকাশ যানের যুগেও চালিয়ে যাছে। আর মানুষও উজবুকের মতো সেই গল্পে মজে যাছে। এই ভণ্ডের দল একদিন বলেছিল হিন্দুদের উড়ন্ত হনুমানের গল্প নাকি পাগলামি আর কখনই সম্ভব নয়।
অ্যাডমিনঃ নিশিজিবি
http://www.express.co.uk/news/world/553920/Virgin-Birth-Nun-From-Female-Closed-Commune-Gives-Birth
রুস রাষ্ট্রপতি ভ্লাদ্মির পুতিনের মতবাদ অবিশাসকর হতে পারে কিন্তু ফলপ্রসূও বটে।
রুস রাষ্ট্রপতি ভ্লাদ্মির পুতিনের মতবাদ অবিশাসকর হতে পারে কিন্তু ফলপ্রসূও বটে। স্তালিনের গর্ব ও সেই জামানায় রাশিয়ার আতঙ্ক এন-কে-ভি-দির পুলিশ বাহিনীর মতো সশস্ত্র সেনাবাহিনী পুতিন তৈরি করে ফেলেছে। এবার এই বাহিনী হবে দুনিয়ার অতঙ্কবাদিদের দুঃস্বপ্ন। যে যেখানেই থাকুক না কেন একবার ধরা পড়লে আর নিস্তার নেই।
ভারতে যত উমার খালিদ আছে তাঁদের জন্য এই বাহিনী উপযুক্ত জবাব।
অ্যাডমিনঃ নিশিজিবি
http://www.express.co.uk/news/world/671966/Vladimir-Putin-creating-SUPER-ARMY-tackle-terrorism-Russia
আমেরিকা ভারতবর্ষের জন্য ন্যাটোতে জায়গা করে দিচ্ছে
আমেরিকা ভারতবর্ষের জন্য ন্যাটোতে জায়গা করে দিচ্ছে, তাও আবার সদিচ্ছায়। এটা অকল্পনীয় সুধু নয় অভূতপূর্বও বটে। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতকে চীন জায়গা না দিলেও এখন আর কিছু আসে যায় না। যখন সময় হবে তখন ন্যাটো অন্তর্গত সব দেশ একসাথে চীন আর পাকিস্তানকে এক হাত নেবে।
অ্যাডমিনঃ নিশিজিবি
http://www.defencenews.in/article/The-US-now-hates-Pakistan,-wants-NATO-ally-status-for-India-5298
প্রধানমন্ত্রী মোদিজির সাথে যাঁকে দেখা যাচ্ছে তাঁকে কেউ চেনেন কি ?
প্রধানমন্ত্রী মোদিজির সাথে যাঁকে দেখা যাচ্ছে তাঁকে কেউ চেনেন কি ?
ইনি হলেন সম্ভাজিরাও গুরুজি | এনার বয়স ৮৬ বছর | শিক্ষাগত যোগ্যতা : এমএসসি (অ্যাটমিক এনার্জি), গোল্ড মেডালিস্ট | পুনের বিখ্যাত ফার্গুসন কলেজের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক ছিলেন | একজন একনিষ্ঠ স্বয়ং সেবক | ১৯৮০ র দশকে ইনি "শ্রী শিব প্রতিষ্ঠান হিন্দুস্থান" -এর প্রতিষ্ঠা করেন | মহারাষ্ট্রতে এনার প্রায় দশ লক্ষ শিষ্য আছেন | এনার আরো একটি বিশেষ পরিচয় আছে | ইনি দেশে যত দুর্গ, কেল্লা আছে তার সংরক্ষণ এবং সাফসাফাই করেন | যুবকদের রাষ্ট্র সেবার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন | রাষ্ট্রধর্মের প্রসার করেন | ৮৬ বছর বয়সেও যেকোনো উচ্চতার দুর্গ বা কেল্লাতে অনায়াসে উঠতে পারেন | ইনি কোনো দিন জুতো পড়েন না | আর সবসময় এই রকমেরই বেশভূষায় থাকেন | এনার নিজের নামে কোনো ঘর বাড়ি আর অন্যান্য সম্পত্তি নেই |
আমরা আন্না হাজারের মত একজন ভন্ডকে নিয়ে অনেক আদিখ্যেতা করেছি বা এখনো করি | এনার শিষ্যের সংখ্যা আনা হাজারের থেকে অনেক গুন বেশী | কিন্তু ইনি কোন দিন আন্নার মত তার রাজনৈতিক ফায়দা নেন নি | রাষ্ট্রধর্মে বলীয়ান সত্যিকারের এই দেশভক্তকে আমার শত শত প্রনাম |
*(google এ সার্চ করেও জানতে পারবেন) *
হত্যাকান্ড কে যেসব মর্ডারেটমুসলিমরা সহিহ ইসলাম নয় বলেচালাতে চাইছেন তাদের জন্য এইপোষ্ট
হত্যাকান্ড কে যেসব মর্ডারেট
মুসলিমরা সহিহ ইসলাম নয় বলে
চালাতে চাইছেন তাদের জন্য এই
পোষ্ট। সবাই পড়ুন এবং জানুন
কোরান কতটা সন্ত্রাসমূলক গ্রন্থ, সম্ভব
হলে শেয়ার করুন_
আমি আল-কোরান থেকে
আপনাদের জন্য ৪০ টির মতো আয়াত
পরিবেশন করছি যেখানে খুব
পরিষ্কার ভাষায় ৮০ ভাগ মানে
ইসলামে অবিশ্বাসী মানুষকে কতল
করার কথা বলা হয়েছে।
নিচে দেখুন এরকম ৪০ টি আয়াত:
-আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে
পাও সেখানেই এবং তাদেরকে
বের করে দাও সেখান থেকে
যেখান থেকে তারা বের করেছে
তোমাদেরকে| বস্তুত: ফেতনা
ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা
সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন
অপরাধ| আর তাদের সাথে লড়াই
করো না মসজিদুল হারামের নিকটে
যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে
সেখানে লড়াই করে| অবশ্য যদি
তারা নিজেরাই তোমাদের
সাথে লড়াই করে| তাহলে
তাদেরকে হত্যা কর| এই হল
কাফেরদের শাস্তি| ২-১৯১ (কোরান
মতে সকল অমুসলিমই কাফের)
-আর তারা যদি বিরত থাকে,
তাহলে আল্লাহ্ অত্যন্ত দয়ালু| ২-১৯২
-আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই
কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয়
এবং আল্লাহ্র দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়|
অত:পর যদি তারা নিবৃত হয়ে যায়
তাহলে কারো প্রতি কোন
জবরদস্তি নেই, কিন্তু যারা যালেম
(তাদের ব্যাপারে আলাদা)|২-১৯৩
-তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা
হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে
অপছন্দনীয়| পক্ষান্তরে তোমাদের
কাছে হয়তো কোন একটা বিষয়
পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য
কল্যাণকর| আর হয়তোবা কোন একটি
বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয়
অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর|
বস্তুত:আল্লাহ্ইজানেন, তোমরা
জান না| ২-২১৬
-আল্লাহ্র পথে লড়াই কর এবং জেনে
রাখ, নি:সন্দেহে আল্লাহ্ সবকিছু
জানেন, সবকিছু শুনেন|২-২৪৪
-অতএব যারা কাফের হয়েছে,
তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি
দেবো দুনিয়াতে এবং
আখেরাতে-তাদের কোন
সাহায্যকারী নেই| ৩-৫৬
-খুব শীঘ্রই আমি কাফেরদের মনে
ভীতির সঞ্চার করবো| কারণ, ওরা
আল্লাহ্র সাথে অংশীদার সাব্যস্ত
করে যে সম্পর্কে কোন সনদ অবতীর্ণ
করা হয়নি| আর ওদের ঠিকানা হলো
দোযখের আগুন| বস্তুত: জালেমদের
ঠিকানা অত্যন্ত
নিকৃষ্ট| ৩-১৫১
-কাজেই আল্লাহর কাছে যারা
পার্থিব জীবনকে আখেরাতের
পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের
জেহাদ করাই কর্তব্য| বস্তুত: যারা
আল্লাহ্র রাহে লড়াই করে এবং
অত:পর মৃত্যুবরণ করে কিংবা বিজয়
অর্জন করে, আমি তাদেরকে
মহাপুর্ণ্য দান করব| ৪-৭৪
-তারা চায় যে, তারা যেমন
কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের
হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং
তারা সব সমান হয়ে যাও| অতএব,
তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ
করো না, যে পর্যন্ত না তারা
আল্লাহ্র পথে হিজরত করে চলে
আসে| অত:পর যদি তারা বিমুখ হয়,
তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং
যেখানে পাও হত্যা কর| তাদের
মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না
এবং সাহায্যকারী বানিও না|
৪-৮৯
-গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদের কোন
সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা
জান ও মাল
দ্বারা আল্লাহ্র পথে জেহাদ করে,-
সমান নয়| যারা জান ও মাল দ্বারা
জেহাদ করে, আল্লাহ্ তাদের
পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন
গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং
প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ্
কল্যাণের ওয়াদা করেছেন| আল্লাহ্
মুজাহেদীনকে উপবিষ্টদের উপর
মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন|
৪-৯৫
-যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের সাথে
সংগ্রাম করে এবং দেশে
হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়,
তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে,
তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা
শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের
হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে
কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ
থেকে বহিষ্কার করা হবে| এটি হল
তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর
পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে
কঠোর শাস্তি| ৫-৩৩
-যখন নির্দেশ দান করেন
ফেরেশতাদিগকে তোমাদের
পরওয়ারদেগার যে, আমি সাথে
রয়েছি তোমাদের, সুতরাং
তোমরা মুসলমানদের চিত্তসমূহকে
ধীরস্খির করে রাখ| আমি
কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার
করে দেব| কাজেই গর্দানের উপর
আঘাত হান এবং তাদেরকে কাট
জোড়ায় জোড়ায়| ৮-১২
-হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন
কাফেরদের সাথে মুখোমুখী হবে,
তখন পশ্চাদপসরণ করবে না| ৮-১৫
-আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাক
যতক্ষণ না ভ্রান্তি শেষ হয়ে যায়;
এবং আল্লাহ্র সমস্ত হুকুম প্রতিষ্ঠিত
হয়ে যায়| তারপর যদি তারা বিরত
হয়ে যায়, তবে আল্লাহ্ তাদের
কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন|৮-৩৯
-
সুতরাং যদি কখনো তুমি তাদেরকে
যুদ্ধে পেয়ে যাও, তবে তাদের এমন
শাস্তি দাও, যেন তাদের
উত্তরসূরিরা তাই দেখে পালিয়ে
যায়; তাদেরও যেন শিক্ষা হয়| ৮-৫৭
-আর কাফেররা যেন একা যা মনে
না করে যে, তারা বেঁচে গেছে;
কখনও এরা আমাকে পরিশ্রান্ত করতে
পারবে না|৮-৫৯
-আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের
জন্য যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার
নিজের শক্তি সামর্থ্যরে মধ্যে
থেকে এবং পালিত ঘোড়া
থেকে, যেন প্রভাব পড়ে আল্লাহ্র
শুত্রুদের উপর এবং তোমাদের
শত্রুদের উপর আর তাদেরকে ছাড়া
অন্যান্যদের উপর ও যাদেরকে
তোমরা জান না; আল্লাহ্
তাদেরকে চেনেন| বস্তুত: যা কিছু
তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহ্র রাহে,
তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে
পাবে এবং তোমাদের কোন হক
অপূর্ণ থাকবে না ৮-৬০
-অত:পর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত
হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে
তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং
অবরোধ কর| আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে
তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে
থাক| কিন্তু যদি তারা তওবা করে,
নামায কায়েম করে, যাকাত আদায়
করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও|
নিশ্চয় আল্লাহ্ অতি ক্ষমাশীল, পরম
দয়ালু| ৯-৫
-যুদ্ধ কর ওদের সাথে, আল্লাহ্
তোমাদের হস্তে তাদের শাস্তি
দেবেন| তাদের লাঞ্ছিত করবেন,
তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের জয়ী
করবেন এবং মুসলমানদের অন্তরসমূহ
শান্ত করবেন| ৯-১৪
-যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ
করেছে এবং আল্লাহ্র রাহে
নিজেদের জান ও মাল দিয়ে
জেহাদ করেছে, তাদের বড় মর্যাদা
রয়েছে আল্লাহ্র কাছে আর তারাই
সফলকাম| ৯-২০
-তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ
লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ্ ও
রোজ হাশরে ঈমান রাখে না,
আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে
দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং
গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না
করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান
করে|৯-২৯
-ইহুদীরা বলে ওযাইর আল্লাহর পুত্র
এবং নাসারারা বলে ‘মসীহ
আল্লাহর পুত্র| এ হচ্ছে তাদের মুখের
কথা| এরা পূর্ববর্তী কাফেরদের মত
কথা বলে| আল্লাহ্ এদের ধ্বংস করুন,
এরা কোন উল্টা পথে চলে যা....!!
Subscribe to:
Comments (Atom)



