১৬ই আগস্ট হিন্দু সংহতির মহা মিছিল ... এক সাফল্যের সঙ্গীত... দিন বদলের ইঙ্গিত...।
স্বর্গীয় হিন্দু সূরবীর শ্রী গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়, যিনি ১৯৪৬’র ১৬ই আগস্ট ‘জিন্না’ ও ‘সুরাবর্দী’র প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসে কলকাতার হিন্দু পরিত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন, মূলত যার কৃতিত্বেই আজকের এই কলকাতা পুর্ব পাকিস্থান বা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির হাত থেকে রেহাই পেয়েছিল,...তার স্মরণে আজ ৭০ বছর পর ‘হিন্দু সংহতি’ কত্তৃক আয়োজিত মহা মিছিলটি অত্যন্ত সুষ্ঠ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে বিকেল ৩টে’র সময় শুরু হয়। এবং শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়। সমগ্র বিষয়ে পুলিশ তথা প্রশাসনিক তৎপরতা ও সহযোগিতা ছিল চোখে পড়ার মত।
স্বর্গীয় শ্রী মুখোপাধ্যায়ের প্রপৌত্র , শ্রী শান্তনু মুখোপাধ্যায় মিছিলটির শুভারম্ভ করেন।
উক্ত পদযাত্রার মুখ্য অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন দিল্লীর সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদী হিন্দু সংবাদ মাধ্যম ‘সুদর্শন টি ভি চ্যানেলে’র CEO শ্রী সুরেশ চাভাঙ্কে মহাশয়। বিশেষ অতিথির আসন অলংকৃত করেছিলেন সর্বভারতীয় ক্ষত্রিয় সমাজের ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্রী এস এস রাজপুত মহাশয়। মূল আকর্ষণ ও সভার প্রধান বক্তা হিসেবে অবশ্যই উপস্থিত ছিলেন সমসাময়িক ভারতবর্ষের আপামর হিন্দু নয়ন মণি ও ‘হিন্দু সংহতি’র মাননীয় প্রেসিডেন্ট শ্রী তপন কুমার ঘোষ মহাশয়।
বক্তারা তাদের বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে স্বর্গীয় হিন্দু ত্রাতা শ্রী গোপাল চন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ সহ ভারতবর্ষ তথা এই পশ্চিমবঙ্গের ক্রমবর্ধমান ইসলামিক আগ্রাসনের বিপদ ও তার প্রতিকারের বিভিন্ন পথনির্দেশিকার সন্ধান দেন।
পাশাপাশি দর্শকাশনে উপবিষ্ট বিবিধ গুণী জনের শিরোমণি স্বরূপ উপস্থিত ছিলেন ‘নিঃশব্দ সন্ত্রাস’ সহ বহু বিখ্যাত গ্রন্থের রচয়িতা তথা ১৯৪৬ এর নোয়াখালি হিন্দু গনহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী তথা উদ্ধারকর্মী, এক চলন্ত ইতিহাস ... নবুতিপর চির যুবক শ্রী রবীন্দ্র নাথ দত্ত মহাশয়।
শ্রী ঘোষের জ্বালাময়ি বক্তৃতা ও তৎসহ মুহুর্মুহু সমবেত হিন্দুকন্ঠের গগনবিদারী বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস, শঙ্খধ্বনি... বার বার যেন তুবড়িতে আগ্নিসংযোগের উদাহরণ মনে করিয়ে দিচ্ছিল। ... নেতাজী সুভাষচন্দ্রের মূর্তি শোভিত সমগ্র শ্যামবাজার চত্বর যেন আজ হিন্দু-গেরুয়ার ত্যাগ-তপস্যা ও শাশ্বত বলিদানের এক আদর্শ ধাত্রীভুমি হয়ে দাঁড়িয়েছে...।।
পরিশেষে পাকিস্থান ও আইসিসের পতাকা সহ হিন্দু খাদক জিন্না, সুরাবর্দি ও দাউদ ইব্রাহীমের ছবিও আগুনে পোড়ানো হয়।
সম্পুর্ন অরাজনৈতিক ভাবে আয়োজিত প্রায় ১৫ হাজার বিভিন্ন বয়েসের তরুনহৃদয়ের এই মহা মিছিল ছিল সম্পুর্ন ভারতবর্ষ তথা এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে জেহাদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক স্বতঃস্ফুর্ত ও তেজোদীপ্ত বহিঃপ্রকাশ মাত্র। পাশাপাশি এই মহা মিছিলে যোগদানকারিণী যুবতী ও মহিলাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি সম্পুর্ন বিষয়টিকে একটি ভিন্ন মাত্রা প্রদান করে। ... যা অত্যন্ত যুগোপযোগী এবং প্রাসঙ্গিকও বটে।
No comments:
Post a Comment