আসমানি কিতাবের ঐশী নির্দেশে সসাগরা পৃথিবীকে ইসলামিক শাসনের ছত্রছায়ায় আনায়নের জন্য মুসলিম সাহাবীরা বেপরোয়াভাবে বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছে। ১৪০০ পুর্বের আল্লাহর পেয়ারের বান্দার মনসিজ "গাযওয়াতুল হিন্দ"কেও বাস্তবায়নের জন্য ভারতীয় উপমহাদেশীয় মুসলিম সম্প্রদায়,তাদের প্রত্যক্ষীভূত জাজ্বল্যমান দুরদৃষ্টিতে ভারতভূমিতে কল্পকথিত "গাযওতুল হিন্দ"এর উপযোগী সময় আসন্ন, ফলস্বরুপ মুসলিম সম্প্রদায়ের বহুকাংখিত এই সুপ্তবাসনাকে চুড়ান্ত রুপ দেওয়ার লক্ষ্যে একে অপরকে উদ্বুদ্ধ করে উপদেশীয় মুসলিমদের মধ্যে সঞ্চারিত করার মরীয়া প্রয়াস চলছে,এরা ভালোভবেই অবগত আছে যে অযাচিতভাবেই ভারতভেদী ঘরশত্রুরা তাদের সঙ্গ অবশ্যই দেবে।
"মুসনাদে আহমদ" ২/২২৮,"মুস্তাদরকে হাকিম" ৩/৫১৪, "হিলইয়াতুল আওলিয়া" ৮/৩১৬ হাদীসগুলিতে "হিন্দুস্তান" তথা ভারতের জিহাদের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এই জিহাদের এতোই গুরুত্ব যে, স্বয়ং হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমদের থেকে এই জিহাদের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছেন। হিন্দুস্তান তথা ভারতের মুশরিকদের সাথে যেই জিহাদ হবে সেই জিহাদ-এ যাঁরা শহীদ হবেন তারা হবেন সর্বশ্রেষ্ঠ শহীদ। সুতরাং এই জিহাদ-এ অবশ্যই মুসলমানগম মহাবিজয় অর্জন করবেন। সুবহানাল্লাহ! আর যাঁরা বিজয়ী বেশে এই জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তন করবেন তাদেরকে আল্লাহ পাক জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্ত করবেন। অর্থাৎ তারা সুনিশ্চিত জান্নাতী হবেন।
আপরিনামদর্শী এই জীঘাংসার বিপরীত প্রতিক্রিয়া এবং তার প্রত্যাঘাত কতটা সুদুরপ্রসারী হতে পারে তা মুমিনদের কাছে বিচার্য নয়,তাদের একমাত্র লক্ষ্য ভারতে "গাজওয়াতুল হিন্দ"যেকোনভাবেকার্যকর করা,কেননা তারা ইতিমধ্যে ইরাক,সিরিয়া ও অন্যান্য কয়েকটি দেশে আসমানি কিতাবে উল্লেখিত আল্লাহর বান্দাদের জিহাদি ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করে অনুপ্রাণিত হয়েছে,এতএব লোহা গরম আছে হাতুরি চালানোর এইত উপযুক্ত সময়।।
বেশকিছুদিন ধরে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদীরা হিংসাত্মক উগ্রবাদী কার্যকলাপে ভারতে প্রানহানি ও সম্পত্তিহানির একের পর এক ধ্বংসলীলায় ভারতকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছে, নপুংসক ভারত সরকারের অসহায়তা ও দুর্বলতা ভারতীয় জনমানষে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, ভারতীয়দের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে বর্তমান আবহে লোহা গরম হওয়ার পুর্বেই লোহাকে সম্পুর্ন বিনাশকরণ কার্য একান্তই আবশ্যক,পরিনামে অদুর ভবিষতেও গাযওয়াতুল হিন্দ কোনভাবেই আর মাথাচাড়া দিতে সক্ষম হবেনা। জানিনা ভারত সরকার ও বিভিন্ন রাজনৈতিকদলের নেতা-নেত্রীদের বোধদোয় কবে হবে?
No comments:
Post a Comment