নমস্কার কি? নমস্কার কি সকলকে জানানো যায়? নমস্কার জানাতে হাত জোড় করা হয় কেন ?
নমস্কার বা নমস্তুতেবাঃ সংক্ষেপে নমস্তে হচ্ছে বৈদিকযুগ হতে প্রচলিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কর্তৃক ব্যবহৃত অভিবাদনসূচক শব্দ। সাধারণত দুই হাত জোড় করে ‘নমস্কার’ শব্দটি উচ্চারণ করা হয়ে থাকে বলে একে অঞ্জলি মুদ্রা বা প্রণামও বলা হয়।
‘নমস্কার’ শব্দটি এসেছে মূল সংস্কৃত শব্দ ‘নমঃ’থেকে যার আভিধানিক অর্থ সম্মানজ্ঞাপনপূর্বকঅবনত হওয়া।
ইদানিং সনাতন ধর্ম বিরোধী নানা কুপ্রচারণার অংশ হিসেবে একশ্রেণীর কুচক্রী মহল প্রচার করে চলেছে যে , যেহেতু,নমস্কার শব্দটি অবনত হওয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট তাই সাধারণ জনগণকে নমস্কার জানানো উচিত নয় ।
দেখা যাক,এ সম্পর্কে বৈদিক শাস্ত্র কি বলে !
“যো দেবো অগ্নৌ যো অপসু যো বিশ্বং ভূবনাবিবেশ য ওষধীষু যো বনস্পতি তস্মৈ দেবায় নমো নমঃ॥”(শ্বেতাশ্ব তর উপনিষদ ২-১৭)
“যোগ যেমন পরমাত্মার দর্শনের সাধন বা উপায় ,নমস্কারাদিও অনুরূপ বলিয়া তাঁহাকে নমস্কার জানাই।”
তিনি কিরুপে?তিনি দেব অর্থাত্ পরমাত্মার প্রকাশভাব । তিনি কোথায়? তিনি আছেন অগ্নিতে,জলে,তৃণ -লতাদিতে, অশ্বাথাদি বৃক্ষে,তিনি এই বিশ্বভুবনে অন্তর্যামীরুপে অণুপ্রবিষ্ট হইয়া আছেন।”
তাই যখন কাউকে নমস্কার জানানো হয় তখন মূলত সর্বজীবে অন্তর্যামীরুপে অবস্থিত পরমাত্মাকেই প্রণতি নিবেদন করা হয় ,কোন মনুষ্যদেহকে নয় । সুতরাং,নমস্কার সকলকেই জানানো যায়।
দুইহাত জোড় মূলত অহম্ ত্যাগ পূর্বক বিনয়ভাব প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
সংস্কৃতিভেদে করজোড়ে কিছুটা বৈচিত্র্য দেখা যায় যেমন দেবতাদের উদ্দেশ্যে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করতে সাধকরা মাথার উপরে দু’হাত জোড় করে থাকেআবার কোন ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাতে নমস্কার জানাতে বুকের বরাবর হাত জোড় করা একই সাথে পরমাত্মাকে প্রণতি ও আয়ুষ্মান (i.e.দীর্ঘায়ু কামনা) -কে নির্দেশ করে।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 6 July 2015
জন্মনিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব বুঝতে হবে, মুসলিমদের বলুন মোদী, বলল শিবসেনা
মুসলিমদের জন্মনিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে বলল শিবসেনা। মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে বলে দাবি করেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা।
শিবসেনা মুখপত্র ‘সামনা’-র সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ২০০১ থেকে ২০১১-র মধ্যে দেশে মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-য় এ পর্যন্ত নিশ্চয়ই আরও ৫-১০ শতাংশ বেড়েছে ওদের সংখ্যা। এভাবে মুসলিম জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকলে ভাষাগত, ভৌগোলিক ভারসাম্য ক্ষুন্ন হবে, ধর্মীয় বিপন্নতা বোধ তৈরি হবে, দেশের ঐক্যে ফাটল ধরবে। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে শিবসেনা অবশ্য বলেছে, মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে বলে পালটা হিন্দুদের সংখ্যা বাড়ানো সমাধান নয়। বরং তাদের দাবি, সব ধর্মের মধ্যেই পরিবার পরিকল্পনা নীতি কঠোরভাবে চালু করতে হবে। এ ব্যাপারে যাতে সব ধর্মের লোকজনকে বাধ্য করা হয়, সেজন্য সরকারকে চাপ দিক সংঘ পরিবার।
পাশাপাশি শিবসেনা বলেছে, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় মুসলিমদের এ কথাটা বলুন যে, দেশের আইন মেনে চলতে হবে, পরিবার পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তো ওদের আশ্বাস দিয়েছেন, মাঝরাতে তাঁর দরজায় কড়া নাড়লেও তিনি ওদের সমস্যা মেটানোর উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু মুসলিমরাও দেশ চালাতে একইরকম সদিচ্ছা দেখাবে কি?
লোকপাল ের চেয়েও দেশের বেশি প্রয়োজন একটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধির, এও বলেছে শিবসেনা।পাশাপাশি তাদের বক্তব্য, যারা ঘর ওয়াপসি করাতে চায়, তারা করুক। আমরা আপত্তি করব না। কিন্তু এ দেশে ইসলামের আগ্রাসন ঠেকানোর সমাধান নয় এটা। পাকিস্তানে ইসলাম সরকার। ইরাকের মতো দেশেও ইসলাম সরকার। কিন্তু ওসব দেশে মানব জীবনের তেমন মর্যাদা নেই। বিপরীতে তুর্কমেনিস্তানের মতো যেসব দেশ আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে, তারা ইউরোপ, আমেরিকাকে সমানে টক্কর দিচ্ছে। মোদী সরকার এ দেশের মুসলিমদের কাছে গিয়ে এটা বোঝাক।
শিবসেনা র দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে আপনি কি সহমত পোষণ করেন? নীচের কমেন্ট বক্স-এ আপনার মতামত জানান। http://abpananda.abplive.in/national/2015/07/06/article641209.ece/Sena-wants-Muslims-to-realise-the-necessity-of-family-planning
আর রক্ষা নাই আসামবাসীর
আর রক্ষা নাই আসামবাসীর।বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নামক পাপ আজ আসামকে শেষ করে দিচ্ছে।এটা যতটা না দোষ অবৈধ বাংলাদেশিদের তার থেকেও বেশি দোষ আসামবাসীর।এতবছরধরে খানগ্রের মদতে আসাম যে পাপ পুষেছে তার ফল পাচ্ছে এখন আসামবাসী।এখনো সময় আছে আসামবাসী,এই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে বিজেপিকে ভোট দাও।নয়ত........কাশ্মীর অতি সন্নিকটে।
আরে এটা কি বললাম শুধু আসামকেই পাপী বললাম!ওরে এই বাংলাও যে ঐ একই পাপে সমানভাবে পাপী!না জানি কত হিন্দুর প্রাণ আর হিন্দু নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে এ পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হব! —
India-Israel friendship
:::Long live India-Israel friendship:::
জাতিসঙ্ঘে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভোট দিল না ভারত।ভারতকে ধন্যবাদ জানাল ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।
আজ যীশূ আর হযরতের শিষ্যরা সব এক হয়েছিল নিপীড়িত ইহুদি মিত্রদের বিরুদ্ধে।কিন্তুতাতে জল ঢেলে দিল ভারত।
আমরা চিরকাল ইসরায়েলর পাশে আছি।এতদিন কংগ্রেসি দালাল সরকার থাকার কারনে যা সম্ভব হয়ে ওঠেনি যা আজ মোদিজীর জন্যই সম্ভব হল।
:::Long live India-Israel friendship:::
# RSS
ISIS
আচ্ছা সত্যিই কি ISIS এর সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই?
ইসলামের সাথে ISIS এর সম্পর্ক যদি নাই থাকে, তাহলে তারা এইভাবে মানুষ হত্যা করছে কেন? তারা কি কোরানের ভুল ব্যাখ্যা করছে? না তারা কোরান সম্পর্কে অজ্ঞ?
যদি ISIS এর সাথে ইসলামের সম্পর্ক থাকে তাহলে ইসলাম ব্যান করে দেওয়াই তো সমাজের পক্ষে মংগল।।
বাঙ্গালী হিন্দুরা যে মেরুদণ্ডহীন
বাঙ্গালী হিন্দুরা যে মেরুদণ্ডহীন
সেটা আজ পাকিস্তানের হিন্দুরাই
চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে
দিলো।
,
তারা পাকিস্তানের মত উগ্র ইসলাম
পন্থী রাষ্ট্রে বসবাস করেও হিন্দু
বিদ্বেষ ছড়ানোর দায়ে ইমান কে
পর্যন্ত সাজার আওতায় আনলো।
,
অথচ আমরা সংসদের মত জায়গায়
হিন্দুদের আপমান করলেও সেটা না
শোনার ভান করি। রাস্তায় ওয়াজে
হিন্দু মা বোনদের নিয়ে অশ্রাব্য
ভাষায় গালাগাল দিলেও তা শুনেও
কানে আঙ্গুল দিয়ে তার পাশ
কাটিয়ে চলে যাই।
,
ওর থেকে একটু দুরে গিয়েই বড় গলায়
বক্তৃতা দেই "বাংলাদেশ একটি
আসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এখানে
আমরা হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই"।
হিন্দু রাষ্ট্র
"জিহ্না তুই ভারতবর্ষ ভেঙেছিস আর আমি পাকিস্তান ভেঙে দিলাম"-বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ হিন্দু বীর পশ্চিমবঙ্গের সৃষ্টিকর্তা ভারত কেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি।(বিস্তারিত নেক্সট পোস্টে)
আজ 6th July শ্যামাপ্রসাদজীরআবির্ভাব দিবসে জানাই শতকোটি প্রণাম।
# জয়শ্রীরাম
গর্বের সাথে বলুন-আমি বাঙালি হিন্দু।
হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।
# RSS
Subscribe to:
Comments (Atom)