Thursday, 6 August 2015

কোথায় ফাক রয়েছে?

একের পর এক হিন্দু মেয়ে, মুসলমান ছেলের হাত ধরে হিন্দু সমাজ থেকে চলে যাচ্ছে, আমরা কেন কিছু করতে পারছি না; কোথায় ফাক রয়েছে? সেই নিয়ে আবার ভাবতে হবে।। আমার প্রথম যৌবনে আমি উল্টো অবস্থা দেখেছি আর এখন দেখছি তখনকার বিপরীত চিত্র। আসলে হিন্দু মেয়েরা মুসলিম ছেলেদের কে বিয়ে করে হিজাবাবৃত হয় সে কী শুধু সেক্সের জন্য? আসলে কী মুসলিম ছেলেদের সেক্স পাওয়ার হিন্দু ছেলেদের তুলনায় বেশি? আগের দিনের মুসলিমরা ভালো করে কথাও বলতে পারত না। যেমন আমাদের এলাকায় প্রচলিত ছিলো," আম্মা কয় রুন, আব্বা কয় রবন আমি রজ্জায় মরে যাই?" এ ধরণের অনেক উক্তি প্রচলিত ছিলো। সংগীত, সাহিত্যে মুসলিম ছেলেরা হিন্দু ছেলেদের কাছেই দাঁড়াতে পারবে না। তা'হলে শুধুমাত্র অর্থ? ভালো হোটেল, ভালো পোষাক, ভালো হাত খরচ এ ছাড়া আমিতো আর কিছুই দেখতে পারছি না যার দ্বারা একটা শিক্ষিতা হিন্দু মেয়ে মুসলিম ছেলে দ্বারা আকৃষ্ট হবে। বাংলাদেশে হিন্দুরা মুসলিমদের তুলনায় অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল কিন্তু ইন্য়িাতেও কী তাই? এরা কী ভিখারীর জাত? না কী মুসলিম ছেলেরা দেখতে হ্যান্ডসাম কোনটা? সবাই কারনটা খুঁজে বের করুন। না হলে কিন্তু নিজের, অথবা নিজের ছেলের বৌ খুঁজে পাবেন না আর কিছুদিন পরে। প্লিজ ভাবুন এবং সমাধান বের করুন। ....লিখেছেন- স্বপন সরকার..

Presstitute Media

‪‬যখব মেদিনীপুরে আভিষেক চড় মারার পর দেবাশীষ আচার্য্য বলেছিল - হিন্দু ধর্মের রক্ষার্থে আমি আবার ফিরে আসবো, তখন প্রতিটা খবরের চেনেল হিন্দু সংগঠন গুলির ঘাড় টেনেছিল। আর এখন একজন সন্ত্রাসবাদী সে গর্ভের সাথে বলছে আমি হিন্দুদের মারতে এসেছি, এদের মারতে আমার খুব মজা লাগে, এটা বলার পরেও মিডিয়া কোন মুসলিম সংগঠনের নাম তো দূরের কথা, সন্ত্রাসবাদী কুত্তাটা যা বোলেছে সেটা তো দেখানো দূরের কথা, মিড়িয়া নতুন সংযোজন করে নিজের মতো করে যা খুশি দেখাছে।।। এমন কি কাল শহীদ ২ জন bsf আর্মি কোন খবর বাদ দিয়ে, সেই সন্ত্রাসবাদীকেইনায়ক করে দেখাছে!"!!!!

শ্রী শব্দের অর্থ

ছোট বেলায় নামের পূর্বে শ্রী লিখতাম। কিন্তু অধুনিকতার প্রভাবে আজকে শ্রী আর কেউ লেখে না। আমি নিজেই লেখি না কেননা যখন আমি নবম শ্রেণীতে রেজিষ্টেশন করি তখন এগুলো জানতাম না স্যার বলল যত নাম ছোট হয় তত ভালো। তুমি শ্রী লেখ না। সেই যে নামের আগে শ্রী লেখা তুলে দিলাম তা আজও চলছে। আজ শ্রী শব্দের অর্থ আপনাদের বলছি। শ্রী হল সংস্কৃত ভাষার সবচেয়ে ছোট শ্লোক। কেউ শ্রী কে অক্ষর ভাবেন তাহলে সবচেয়ে বড় ভুল হবে। শ্রী অর্থ হল ঐশ্বয্য, সৌভাগ্য, সৌন্দর্য, শোভা ইত্যাদি বুঝায়। নামের আগে শ্রী লেখার অর্থ আপনি এসব বিশেষনে ভূষিত। শ্রদ্ধা ভক্তি প্রকাশের ক্ষেত্রে ধর্মীয় গ্রন্থের পূর্বে শ্রী যুক্ত করা হয়। আমরা সনাতনধর্মের মানুষেরা সবারই সৌভাগ্য কামনা করি। জীবিত লোকের নামের পূর্বে শ্রী লেখা দেখেছি কিন্তু মৃত লোকের নামের আগে লেখা ঁ। কিন্তু আমার নামের আগে দুটোই নাই আমি জীবত বা মৃত নয় তবে আমি কি? জীবত এবং মৃত মানুষের মাঝের রোগগ্রস্ত চেতনাহীন এক অথর জ্ঞানের অধিকারী মানুুষ। যার দিব্য জ্ঞান বা কান্ডজ্ঞান দুটোই নাই । দুটোর একটা অনন্ত থাকলে আমি নিজেই নামের আগে শ্রী লিখতাম। কিছুদিন আগে ভূমি অফিসে গিয়ে দেখেছিলাম জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার নামের আগে শ্রী লেখা। কিন্তু আজ আমি হিন্দু আমি নিজেই নিজের সংস্কৃতির শ্রী লেখি না। সত্যিই আজ আমি জীবিত না মৃত তা নিয়েই সন্দেহ হয়। Kartik Krishna Roy

VEDA, The infallible word of GOD

কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল এ পৃথিবী? আদিকাল থেকে এখনো পর্যন্ত এ যেন মানুষের এক অনন্ত জিজ্ঞাসা। সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বেদ এর বিখ্যাত নাসাদিয় সুক্ত এবং হিরন্যগর্ভ সুক্ত এর কথা অনেকেই জানেন।ধর্মবিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানী মহলে বহুল আলোচিত এই দুটি সুক্তের আলোকে সৃষ্টিতত্ত্ব সংক্ষেপে আলোচনা করা হল- ঋগবেদ ১০/১২৯/১ "নাসাদাসিস নঃ সদাসিত্ তদানীম নাসিদ রজ ন ব্যামাপ্রো যৎ..." "শুরুতে কোন অস্তিত্ব(সৎ) বা অনস্তিত্ব(অসৎ) ছিলনা।সেখানে ছিলনা কোন বায়ুমন্ডল" ঋগবেদ ১০/১২৯/৩ "তম অসিৎ তমস... তপসস্তন্মহিনাজায়াতৈকম” "চারদিক ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন।সমস্ত জিনিস একত্রে পুন্জীভুত ছিল।সেখান থেকে প্রচন্ড তাপের সৃষ্টি হল" একইভাবে ঋগবেদ ১০/১২১/১ "হিরন্যগর্ভ সামাভরতাগ্রে.." "প্রথমেই হিরন্যগর্ভ সৃষ্টি হল" ঋগবেদ ১০/১২১/৭ "আপ হ য়দ বৃহাতিরিবিশ্বমায়ান গর্ভম..." "সেই হিরন্যগের্ভ ছিল উত্তপ্ত তরল যাতে ছিল সৃষ্টির সমস্ত বীজ" একই ধরনের কথা বলছে শতপথ ব্রাক্ষ্মন ১১.১.৬.১ "হিরন্যগর্ভানি অপঃ তে সলিলা..." "প্রথমে হিরন্যগর্ভ সৃষ্টিহল।সেখানেছিল উত্তপ্ত গলিত তরল।এটি ছিল মহাশুন্যে ভাসমান।বছরের পরবছর এই অবস্থায় অতিক্রান্ত হয়।" ঋগবেদ ১০.৭২.২ "তারপর যেখানে বিস্ফোরন ঘটল গলিত পদার্থ থেকে,বিন্দু থেকে যেন সব প্রসারিত হতে শুরু হল" ঋগবেদ ১০.৭২.৩ "সেই বিস্ফোরিত অংশসমূহ থেকে বিভিন্ন গ্রহ,নক্ষত্র তৈরী হল" ঋগবেদ ১০.৭২.৪ "তার এক জীবনপ্রদ অংশ থেকে পৃথিবী সৃষ্টি হল" ঋগবেদ ১০.৭২.৮-৯ "তারপর সৃষ্ট ক্ষেত্রে সাতধাপে সংকোচন-প্রসারন সম্পন্ন হল।তারপর সৃষ্টি হল ভারসাম্যের।" এই অংশটুকু পরলেই স্পষ্ট বোঝা যায় বেদের সৃষ্টিতত্ত আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ।সৃষ্টিতত্তের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মডেল “Lambda-CDM Concordance Model” অনুযায়ী “the evolution of the UNIVERSE from a very uniform, hot, dense primordial state to its present অর্থাৎ একটি উত্তপ্ত, কেন্দ্রীভূত আদি অবস্থা থেকেই বর্তমান অবস্থার উত্থান।”এছাড়া বেদ এ উল্লেখিত বিস্ফোরণ বর্তমান বিশ্বের বহুল আলোচিত বিগ ব্যাংগ তত্তের সাথে প্রায় পুরোপুরি মিলে যায়। আশ্চর্যের এখানেই শেষ নয়।বেদ এর মতে সৃষ্টির শুরুতেই ওঁম উচ্চারিত হয় আর এর প্রভাবেই হয় বিস্ফোরন । বেদান্ত সূত্র(4/22) "অনাবৃতিঃ শব্দহম" অর্থাৎ শব্দের মাধ্যমেই সৃষ্টির শুরু যা মাত্র দুই বছর আগে বিজ্ঞানীরা আবিস্কার করেছেন। বিজ্ঞানীদের দেয়া নতুন STRING THEORY অনুযায়ী প্রথমেই একটা অতি নিম্ন তড়ঙ্গ দৈর্ঘ্য এর শব্দ তড়ঙ্গ তৈরী হয় যার ধাক্কায় বিস্ফোরণ শুরু হয়! তাই বেদের সৃষ্টিতত্ত পড়ে ক্যালিফোর্নিয়াবিশ্ববিদ্যালয় এর Dr. Kevin Hurley বলেছিলেন "How could Aryan sages have known all this 6000 years ago, when scientists have only recently discovered this using advanced equipments which didn't EXIST that time!" তথ্যসূত্র VEDA, The infallible word of GOD Read more: http://sonatonvabona.blogspot.com/2015/04/blog-post_66.html … FX-Mrithunjoy Roy Sarker

দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে আইসিসে যোগ দিতে চাওয়া সাংবাদিকের খোঁজে পুলিস

ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির পর সে লিখেছিল দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে এবার আইসিস (ISIS) জঙ্গিগোষ্ঠীর হয়ে নাম লেখাব। নিজেকে জুবের আমেদ খান পরিচয় দেওয়া সেই ব্যক্তি নিজেকে সাংবাদিক বলে দাবি করেন। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ইয়াকুব মেমনকে শহীদ বলেছিলেন। আইসিস প্রধান আবু বকর আল- বাগাদাদিকে তার পোস্ট শেয়ারও করেন সেই সাংবাদিক। মুম্বই পুলিস এই সাংবাদিককে খুঁজে পেতে জোর তল্লাসি শুরু করেছে। http://zeenews.india.com/bengali/nation/journalist-wants-to-joint-isis-police-searching-him_130311.html

Hirosima History

হিরোশিমা শহরটি জাপানের রাজধানী টোকিও শহর থেকে ৫০০ মাইল দূরে। ৬ আগষ্ট সকাল বেলা তখনো হিরোশিমা জনপথ কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেনি, জীবিকার সন্ধ্যানে কিছু মানুষ ছুটে চলছিল। সকাল ৮.১৫ । হঠাৎ হিরোশিমা শহরের আকাশে দেখা দিলো দৈত্য বিমান বি-২৯ ইনোলো গে । হিরোশিমা নগরীর উপরে ছুড়ে মারলো আনবিক বোমা "লিটল বয়"। মূহুর্তের মাঝে সব কিছু লন্ড ভন্ড হয়ে গেল। ধ্বংস লীলায় পরিনত হলো গোটা শহর। বিষ্ফোরনের সাথে সাথে ৫০০ মিটার বৃত্তের মাঝে আলীশান দালান চোখের পলকে নেতিয়ে পড়ে। ৫ বর্গমাইল এলাকা ছাই ও ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়। বিস্ফোরনের সময় নগরীতে লোকসংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ৫০ হাজার। যার মাঝে সেই সময় থেকে ১০ আগষ্ট পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৬৬১ জন। যার মাঝে সামরিক লোক মৃত্যুবরন করে প্রায় ২০,০০০ জন।

বেশিরভাগ লোকের ধারনা এই যে, কোনো মেয়েকে হিন্দু শাস্ত্র পড়ালে বা ধর্মীয় জ্ঞান দিলেই লাভ জিহাদ বন্ধ হয়ে যাবে

Biltu Mondal বেশিরভাগ লোকের ধারনা এই যে, কোনো মেয়েকে হিন্দু শাস্ত্র পড়ালে বা ধর্মীয় জ্ঞান দিলেই লাভ জিহাদ বন্ধ হয়ে যাবে। আমি এই মতাদর্শে বিশ্বাসী নই। ধর্মীয় জ্ঞান থাকলেই সে অন্য ধর্মে বিয়ে করবে না, এটা ভুল ধারনা, কারন সে- 'যত মত তত পথ'এ বিশ্বাসী। সাধারন হিন্দু মেয়েরা নাস্তিকবাদী নয়, তারা ভগবানে বিশ্বাসী, তারা মায়ের সাথে দিব্যি কালী পূজায়, একাদশীতে উপবাস রাখে, শিবের মাথায় জল ঢালে, কিন্তু প্রেমের জালে ফাসে মুসলমান ছেলেদের সাথে। কোথাও তো একটা ফাক আছেই। বর্তমানে হিন্দু ধর্মে দূর্গাপূজা, কালীপূজা, ও অন্যান্য পূজা আর পূজা নেই, একটা আনন্দ উপভোগের দিনে পরিনত হয়েছে, মজার দিনে পরিনত হয়েছে, ঘোরার দিনে পরিনত হয়েছে। তাই হিন্দু সংস্কৃতি একটি ভিন্ন পথে চলছে। আর তার থেকেও বড় ব্যাপার বর্তমান যুগের হিন্দু মেয়েরা ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে অপারগ। কোনো মেয়েই ধর্মীয় জ্ঞান জানতে চায় না, আর ধর্মীয় নিয়ম কানুন পালন করতে চায় না, শিবের মাথায় জল ঢালা এবং উপবাস নিছকই মা করতে বলেছে তাই বাধ্য হয়ে করছে এরকম অবস্থা; এই পরিস্থিতিতে যদি কারোর উপর জোর করে ধর্মীয় জ্ঞান দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয় বা জোর করে তাকে ধর্মের জ্ঞান শোনানো হয়, তাহলে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে।। ধর্মীয় বেড়াজালে বাধা নিষেধে বর্তমান কেউ আটকে থাকতে চায় না। তাই, এই মেয়েগুলোর মাথার উপর জোর করে হিন্দু শাস্ত্র চাপিয়ে দিলে তা আরো ভয়ংকর হয়ে যাবে, তারা এই থেকে আরো পালাতে চাইবে এবং হিন্দু বিদ্দেষী হয়ে উঠবে।। তাই বিকল্প পথের সন্ধান দরকার...