http://sonatonvabona.blogspot.in/2015/04/blog-post_66.html
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Friday, 7 August 2015
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপক মিশ্রকে হুমকি চিঠি
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপক মিশ্রকে হুমকি চিঠি। পুলিশের অনুমান, ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি রদ ও শাস্তি পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করার জন্যই বিচারপতিকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দুদিন আগে এই চিঠি পাঠানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তুঘলক রোড থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে বিচারপতি দীপক মিশ্র, বিচারপতি প্রফুল পন্থ ও বিচারপতি অমিতাভ রায়ের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ ইয়াকুবের ফাঁসি রদ ও শাস্তি পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে। ৩০ জুলাই ফাঁসি হয় '৯৩ মুম্বই বিস্ফোরণ মামলার অন্যতম চক্রী ইয়াকুব মেমনের।
http://abpananda.abplive.in/national/2015/08/07/article676541.ece/Justice-Dipak-Mishra-got-a-death-threatening-letter
লাভ জিহাদ
আজ পর্যন্ত যেসব মেয়ে (বা ছেলে ) লাভ জিহাদের ফাদে পড়ে মুসলিম হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে একটি স্টাডিতে কয়েকটি কারণ দেখা গেছে :
১. পরিবারটি অতিমাত্রায় বামপন্থী বা সেক্যুলার।
২.ছোট বেলায় তাদেরকে উপযুক্ত ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া হয়নি।
৩. ছোট বেলায় তাদেরকে মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়নি।
৪. মুসলিম ফ্রেন্ডদের সাথে অবাদে মেলামেশার সুযোগ।
... আর এই সামান্য কয়েকটি ভুলের জন্য সে "ব্রেনওয়াশ" এর সুযোগ্য হয়ে ওঠে যা একটি হিন্দু পরিবারের সারা জীবনের কান্না !
তাই নিজেকে ও নিজের পরিবারকে উপযুক্ত সময়ে সুধরে নিন : নিজ বাচ্চাকে ছোট বেলায় মন্দিরে নেয়ার অভ্যাস করুন_লাভ জিহাদের হাত থেকে পরিত্রান পান !
অনুগ্রহপূর্বক পড়ে দেখবেন সবাই.........
১।আমি কে.......??????
উঃ....... আমি চিন্ময় আত্মা, স্থুল জড়
দেহ নই।
২।আত্মার নিত্যধর্ম কি.........????
??
উঃ.........ভগবান পূর্ণ, আত্মা তার
অংশ,জীবাত্মার নিত্যধর্ম
হচ্ছে ভগবানের সেবা করা। ৩।
জীবের মৃত্যুর পর তার
কি হবে.......??????
উঃ.........জীবের মৃত্যুর পর দুই প্রকার
গতি হয়। এক __যে সমস্ত জীব ভগোবান
শ্রীকৃষ্ণের নিকট আত্মসমর্পন করে,
তারা ভগবদ্ভজনের প্রভাবে সমস্ত জড়
কলুষ থেকে মুক্ত হয়ে নিত্য আলয়
ভগবদ্ভামে গমন করে।
সেকানে তারা দিব্য শরীর প্রাপ্ত
হয়ে নিত্যকালের জন্য ভগবানের
সেবায় নিযুক্ত হয়।(দুই)__ যাদের
জড়জাগতিক
কামনা বাসনা আছে, তারা মৃত্যুর
মাধ্যমে ক্ষিতি, অপ,তেজ, মরুৎ ও
ব্যোমা দিয়ে তৈরি স্থুল
শরীরকে পরিত্যাগ করে।কিন্তু মন,
বুদ্ধি ও অহংকার নির্মিত সূক্ষ্ম শরীর
তাদের পাপ ও পূণ্য কর্মফল বহন করে।
পাপকর্মের ফলস্বরুপ
তারা যমযাতনা ভোগ করে আর
পুণ্যকর্মের ফলস্বরুপ স্বর্গসুখ ভোগ
করে থাকে।এই ভোগের পর তাদের
নিজ নিজ কর্ম ও
চেতনা অনুসারে তারা আর
একটি স্থুল
জড় শরীর প্রাপ্ত হয়।এভাবে ৮৪ লক্ষ
জীব পজাতির যে কোন
একটি প্রজাতিতে তাদের জন্মগ্রহণ
করতে হয়।
৪।দেহ ও আত্মার পার্থক্য
কি......??????
উঃ........ জড় বস্তু দ্বারা নির্মিত
শরীর
সদা পরিবর্তনশীল, নশ্বর বিনাশশীল,
অনিত্য, স্থুল, ভহিরঙ্গা জড়া প্রকৃতির
সৃস্টি। জড় দেহ অচেতন, পরিমাপযোগ্য,
তাকে কাটা যায় শুকানো যায়,
পোড়ানো যায়,ভেজানো যায়,তা দুঃখ
ক্লেশের আধাঁর স্বরুপ।
আত্মা অপরিবর্তনিয়, অব্যয়, অক্ষয়,
অবিনশ্বর, নিত্য,সনাতন,সূক্ষ্ম
অপরিমেয়,
ভগবানের অবিচ্ছেদ্য অংশ, চেতন,
অচ্ছেদ্য, অদাহ্য, অাক্লেদ্য, অশোষ্য,
সর্বব্যাপ্ত, অানন্দময়। ৫।এই জড়
জগতে কত
প্রকার জীব প্রজাতি রয়েছে.....????
এবং তাদের বর্ণনা......
উঃএই জড়জগতে ৮৪ লক্ষ জীব
যোনি রয়েছে। এদের মধ্যে ৯ লক্ষ
জলচর, ২০ লক্ষ উদ্ভিদ, ১১ লক্ষ
ক্রিমিকিট, ১০ লক্ষ পাখি, ৩০ লক্ষ
পশু ও
৪ লক্ষ মানুষ। ৬।জীবের প্রকৃত সমস্যা বা দুঃখ
কি.......?????
উঃ..........জীবের প্রকৃত
সমস্যা বা দুঃখ হচ্ছে __ জন্ম, মৃত্যু,
জড়া ও ব্যাধি।
৭।ত্রিতাপ ক্লেশ কি......?????
উঃ জড় জগতে অবস্থান
কালে জীবাত্মা যে তিন রকম
অবশ্যম্ভাবী দুঃখ ভোগ
করে তাকে বলা হয় ত্রিতাপ ক্লেশ।
সেগুলো হচ্ছে (১)অাধিভৌতিক
ক্লেশ (২) অাধিদৈবিক ক্লেশ ও (৩)
অাধ্যাত্মিক ক্লেশ। জীব তার
নিজের মন ও শরীর থেকে যে ক্লেশ
প্রাপ্ত হয় তা অাধ্যাত্মিক ক্লেশ।
যেমনঃ মানসিক কস্ট, রোগ
ব্যাধি ইত্যাদি। অন্য জীব
থেকে প্রাপ্ত ক্লেশ
কে অাধিভৌতিক ক্লেশ বলা হয়।
যেমনঃ সাপের কামড়, মশা মাছি,
চোর গুন্ডার উপদ্রব ইইত্যাদি।
দৈবক্রমে অর্থ্যাৎ দেবতাদের
দ্বারা প্রদত্ত যে ক্লেশ,
তাকে অাধিদৈবিক ক্লেশ বলা হয়।
যেমনঃঅনাবৃষ্টি,ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প
ইত্যাদি।
৮।পুনর্জন্ম কি.........???????
উঃ জীবাত্মা যে শরীরের
মধ্যে অবস্থান করে সেই শরীর কৌমার
থেকে যৌবন অবস্থায়
ক্রমান্বয়ে পরিবর্তিত হতে থাকে।
কিন্তু দেহস্থ অাত্মার কোন পরিবর্তন
হয় না।ঠিক যেমন পুরানো কাপড়
পরিত্যাগ করে নতুন কাপড় পরিধান
করা হয়, তেমনি জীবাত্মা ব্যবহার
অযোগ্য জরাজীর্ণ শরীর পরিত্যাগ
করে।তার কর্ম
এবং বাসনা অনুসারে অারেকটি নতুন
শরীর গ্রহণ করে। অাত্মার এই নতুন
শরীর
ধারণকে বলা হয় পুনর্জন্ম। ৯।
কর্মবন্ধন
কি............???????
উঃ জীব এই জড়াজগতে বিভিন্ন
কামনা বাসনা নিয়ে কর্ম
করে থাকে। ফলে সে তার
প্রতিটি কৃতকর্মের ফল ভোগ
করতে বাধ্য থাকে।সেই কর্ম
অনুসারে তাকে বার বার জড় শরীর
ধারণ করতে হয়। নতুন শরীরে সে নতুন
কর্ম
করে এবং ঐসব কর্মের ফল ভোগের জন্য
অাবার ত্কে জন্ম নিতে হয়, এরকম
চলতেই থাকে। এইরুপ বদ্ধ
অবস্থাকে বলা হয় কর্মবন্ধন। ১০।
জীবের
চরম লক্ষ্য কি........????
উঃ.........জীবের
চরম লক্ষ্য হচ্ছে - পরমেশ্বর
ভগবানের
সঙ্গে তার
হারানো সম্পর্ককে পুনঃস্থাপন
করে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ভক্তি মূলক
সেবায় নিযুক্ত হওয়া, অর্থ্যাৎ কৃষ্ণ
প্রেম লাভ করা।
১১।প্রেয় ও শ্রেয় কি......????
জীবনে প্রেয় না শ্রেয় লাভ
করা শ্রেষ্ঠ......?????
উঃ......... যা অল্প সময়ের মধ্যে
প্রাপ্ত
হওয়া যায় ও আপাত মধুর, কিন্তু
ক্ষণস্থায়ী এবং অন্তিমে দুঃখ জনক
তাকে বলা হয় প্রেয়। যা লাভ
করা পরিশ্রম সাপেক্ষ, কিন্তু
চিরস্থায়ী ও সুখদায়ক, তাকে বলা হয়
শ্রেয়। অামাদের জীবনে শ্রেয় লাভ
করা শ্রেষ্ঠ বা উচিত।
১২। ভগবান কে......??????
উঃ.......... ভগবান কথাটি বিশ্লেষণ
করে পরাশর মুনি বলেছেন যে, সমগ্র
ঐশ্বর্য, সমগ্র বীর্য, সমগ্র শ্রী,
সমগ্র
বৈরাগ্য __ এই ছয়টি ঐশ্বর্য যার
মধ্যে পূর্ণরুপে বর্তমান, সেই পরম
পুরুষ
হচ্ছেন ভগবান.। মানুষের
মধ্যে অনেককে খুব ধনী, যশস্বী ও
জ্ঞানী হতে দেখা যায়, কিন্তু
জগতে এমন কেউ নেই যার মধ্যে উক্ত
ছয়টি গুণ পূর্ণ রুপে বিদ্যমান। এমন
কি ব্রম্মা, শিব আদি দেবতাদের
মধ্যে ও তা আংশিকভাবে রয়েছে।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছে পূর্ণ ষড়ৈশ্বর্য
সম্পন্ন। তাই তার সমকক্ষ কেউ নেই,
তার
চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ নেই।
১৩। ভগবান যে আছেন তার প্রমাণ
কি.....???????
উঃ............ ভগবানের অস্তিত্বের
প্রমাণ লাভ করবার জন্য আমাদের
শাস্ত্রেরর সাহায্য গ্রহণ করতে হবে।
শাস্ত্র
থেকে আমরা বুঝতে পারবো যে ভগবান
আছেন। ভগবান হচ্ছেন তিনি যিনি এই
বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সৃস্টি ,
স্থিতি এবং প্রলয়ের কারণ।
যিনি সবকিছু সৃস্টি করেছেন।
দৃস্টান্তস্বরুপএ
জগতে আমরা দেখতে পাচ্ছি ---
একটি বাড়ি আপনা থেকে তৈরি হয়ে
যায়
না। বাড়িটি তৈরী করার জন্য
ইঞ্জিনিয়ার বুদ্ধি দিয়
থাকে এবং মিস্ত্রিরা ইট, বালি,
পাথর
দিয়ে বাড়িটি তৈরী করে থাকে।
ঠিক সেই রকম এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড
আপনা থেকেই এমন
শৃঙ্খলভাবে হয়ে যায় না। সৃস্টির
পেছনে কারো না করো হাত থাকে।
যিনি বুদ্ধি প্রদান করেছেন, এই
সমস্ত
উপাদান প্রদান করেছেন
এবং যিনি এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড
সৃস্টি করেছেন তিনিই হচ্ছেন ভগবান।
১৪।ভগবানের সঙ্গে জীবের সম্পর্ক
কি.....??????
উঃ............ ভগবানের সঙ্গে জীবের
সম্পর্ক হচ্ছে -- ভগবান নিত্য প্রভু
এবং জীব তার নিত্য দাস।
মুসলমান ও হিন্দুর মধ্যে বিয়ে কি ইসলাম সমর্থন করে?
খ্রীষ্ঠান বা ইহুদী নারীরা স্ত্রী হলেও একজন হিন্দুনারী ইসলামের দৃষ্টিতে কখনোই কোন মুসলমানের স্ত্রী নয়
.....................
.....................
মুসলমান ও হিন্দুর মধ্যে বিয়ে কি ইসলাম সমর্থন করে?
ইসলাম নারী-পুরুষের মধ্যে বিবাহ বন্ধনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। ইসলাম ধর্মে বিয়ে করা এত বেশি জরুরি যে, এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, বিয়ে আমার সুন্নত এবং যে এ বিষয়কে এড়িয়ে যাবে (অর্থাৎ বিয়ে করবে না) সে আমার উম্মত নয়।
বিবাহ বন্ধনের মাধ্যমে নারী ও পুরুষ তাদের জীবন সঙ্গী বেছে নেন এবং এর মাধ্যমে একটি পরিবার গঠিত হয়। এই পরিবারে ছায়াতলেই নীতি-নৈতিকতা ও গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে বেড়ে ওঠে ভবিষ্যত প্রজন্ম।
আর ইসলাম যেহেতু পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, তাই পরিবার গঠনের ক্ষেত্রে তার রয়েছে সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা। যে নারী ও পুরুষের মিলনে পরিবার গঠিত হবে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর ইসলাম বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। অর্থাৎ জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনী বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে ‘ইসলাম ধর্মে গভীর বিশ্বাস থাকা’ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বিষয়টি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেছেন:
وَلاَ تَنكِحُواْ الْمُشْرِكَاتِ حَتَّى يُؤْمِنَّ وَلأَمَةٌ مُّؤْمِنَةٌ خَيْرٌ مِّن مُّشْرِكَةٍ ([1])
“আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। মুশরিক নারী তোমাদের দৃষ্টিতে সুন্দরী মনে হলেও মু’মিন ক্রীতদাসী মুশরিক নারীর চেয়ে উত্তম।” (সুরা বাকারা-২২১)
এ আয়াতে মহান আল্লাহ মু’মিন নারীকে বিয়ে করার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, যদি ঈমানদার নারী পাওয়া না যায় তাহলে মু’মিন দাসীকে বিয়ে করতে হবে। কারণ, মুশরিক নারীর চেয়ে মু’মিন দাসী উত্তম। এর কারণ হচ্ছে, মুশরিক কিংবা মুর্তিপুজক নারীর সঙ্গে পরিবার গঠন করে ওই পরিবার থেকে নেক সন্তান আশা করা যায় না।
হিন্দু বা মুশরিক নারী শিশুকাল থেকে তার পরিবারে মুর্তিপূজার যে প্রচলন দেখে এসেছে তা তার জীবনের অংশ হয়ে গেছে। মনে-প্রাণে সে ওই ধর্মবিশ্বাসকে ধারণ করেছে। ওই বাতিল বা মিথ্যা বিশ্বাস তার চোখের সামনে এমন একটি আবরণ তৈরি করে দিয়েছে যার ফলে তার পক্ষে সত্য এবং ইসলামের আবেদন উপলব্ধি করা কঠিন।
এমন একজন নারী তার কথা-বার্তা, আচার-আচরণ দিয়ে তার আশপাশের লোকজনকে নিজের ধর্মবিশ্বাসের দিকে টেনে নেয়ার চেষ্টা করে; যে বিশ্বাস মানুষকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। এ বিষয়টি একজন মুসলমানের জন্য কোনো অবস্থায়ই কাম্য হতে পারে না।
পক্ষান্তরে একজন মুসলিম পুরুষ আল্লাহকে মেনে চলে এবং তাকে ভয় করে। এ ছাড়া, একজন প্রকৃত মুসলমানের কাজ হচ্ছে নিজের আচার-আচরণের মাধ্যমে মুশরিকদেরকে ইসলামের পথে দাওয়াত দেয়া।
কোনো মুসলিম পুরুষ যদি হিন্দু নারীকে বিয়ে করে তাহলে তাদের দু’জনের মধ্যে এই চিন্তা ও আচার-আচরণগত বিশাল পার্থক্য তাদের মধ্যে চরম মতানৈক্য সৃষ্টি করবে। তাদের মধ্যকার এ মতপার্থক্য দিন দিন বেড়ে যাবে এবং তা ঝগড়া-বিবাদে রূপ নেবে। এ অবস্থায় পারিবারিক অশান্তি ও কলহ অনিবার্য হয়ে পড়বে। এ ধরনের একটি পরিবারে যে সন্তান বেড়ে উঠবে সে কোনো অবস্থায়ই মু’মিন কিংবা আল্লাহর নেক বান্দা হতে পারবে না।
এ কারণে, ইসলামের বিশিষ্ট ফকীহগণ হিন্দুসহ সব মুশরিক নারী ও পুরুষের সঙ্গে মু’মিন পুরুষ ও নারীর বিয়েকে হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
অবশ্য এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট আর তা হলো, একজন মুসলমানের কাছে তার ধর্মীয় বিশ্বাস এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে, সে পার্থিব জীবনের জন্য যা কিছু চায় তার সবকিছুই ওই ধর্মবিশ্বাসকে বিকশিত করার পাথেয় হিসেবে চায়। সে ইসলামের জন্য সবকিছু বিলিয়ে দেয় এবং যে কোন মূল্যে দ্বীন ইসলাম প্রচার করে। এ ধরনের কোনো ব্যক্তি যদি কোনো হিন্দু বা মুশরিক নারীকে ভালোবেসে থাকে তাহলে তাকেও ইসলামের দাওয়াত দেয়া তার কর্তব্য।
এ অবস্থায় ওই নারী যদি ইসলামের সুমহান আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুসলমান হয়ে যায়, তাহলে সে একদিকে একজন মুশরিককে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করার সওয়াব পাবে এবং অন্যদিকে তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতেও তার আর কোন বাধা থাকবে না। http://papers24.net/bangla/religion/1566
নারী নির্যাতন
মণিপুরি না হওয়া সত্ত্বেও মণিপুরে থাকার অপরাধে এক মনিপুরী মহিলা অন্য মহিলার চুল কেটে, মাথা মুড়িয়ে, বেধড়ক লাঠিপেটা করলেন।
ইহা কি নারী নির্যাতন নয় ? নারী সংগঠন গুলো চুপ কেন ?
নিজেদের মধ্যে হিংসামো করে নারী নির্যাতন নারীরা করলে এঞ্জয় আর পুরুষেরা নিজের অধিকার রক্ষার্থে করলে ধনঞ্জয় ? কি বলবেন আপনারা ?
.
.
.
.
.
.
.
.
আপনার মূল্যবান মতামত কাম্য !
[ বিঃ দ্র : ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে
সামাজিক অবক্ষয় দমনে বাঙালিপেইজ এর
পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট
না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর
দেখতে পাবেন
না।। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়ে পেজে একটিভ থাকুন ]
অনুগ্রহ করে এর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য নিচের লিঙ্কটি পরুন ..
http:// eisamay.indiatim es.com/nation/ helpless- non-man ipuri-woman-bea ten-mercilessly /articleshow/ 48380928.cms —
ধর্মপচারক
Bivas Mondal
জুম্মাবারে ছুম্মা আমিনঃ
-ধর্মপচারক
১.
নবীজির ধাঁচে তাণ্ডব করে মুছলিম বলে, "খোদা
করছি এসব, চাওয়া একটাই - আখিরাতে হুরী সোদা।"
২.
জানিস, কী হলে ফের অজু করে? বলেছে বুখারি হাদিস
মসজিদে বসে গন্ধ ছড়িয়ে সশব্দে যদি পাদিস।
৩.
নামাজ ও রোজা করি না তো ক্কাযা, করি নিয়মিত দোয়া
মঞ্জুর কিছু হয় না, আল্যা মেরে চলে মোর গোয়া।
Subscribe to:
Posts (Atom)