ভারতীয় পিকে
সিনেমায় দেবদেবীকে
মানহানী করা হয়েছে
এই মর্মে অভিযোগ
করে আদালতে
গিয়েছিল কিছু
দেবদেবী প্রেমি হিন্দু
ধার্মীক। ভারতীয়
আদালত অবশ্য সাফ
জানিয়ে দিয়েছিলো
যে, তারা সিনেমায়
মানহানীকর বা
আপত্তিকর কিছু
দেখতে পাননি।
ভারতীয় আদালত
সম্ভবত ধর্মীয়
অনুভূতি দ্বারা
প্রভাবিত হয় না। বা
পাবলিক সেন্টিমেন্ট
দ্বারাও প্রভাবিত হয়
না। পিকে ইস্যুতে
অবশ্য পাবলিক
সেন্টিমেন্ট
সিনেমাটির পক্ষেই
ছিল। প্রমাণ স্বরূপ
শেষপর্যন্ত ৬০০
কোটি রুপি ব্যবসা
করে ফেলেছে ধর্মীয়
বিশ্বাসকে নিয়ে
কমেডি করা এই
সিনেমাটি! তার মানে
দর্শকদের
ধর্মানুভূতিতে আঘাত
লাগেনি সিনেমাটি
দেখে। আমাদের ধর্মীয়
মৌলবাদী নেতাদের
অভিজ্ঞতা বিজেপি
নেতা লালকৃষ্ণ
আদভানী’র পিকের
প্রশংসা করাকে
বিস্মিত করেছে!
ভারতে পিকের মত
সিনেমা হিন্দু
ধর্মানুভূতিতে কোন
রূপ আঘাত লাগার ঘটনা
তো ঘটেইনি উল্টো
ছবিটি ভারতীয়
সিনেমার ইতিহাসে
অন্যতম ব্যবসা সফল
ছবির মর্যাদা লাভ
করেছে। বাংলাদেশে
পিকে’র মত ছবি তৈরি
(মুসলিম বিশ্বাস নিয়ে
কমেডি) আগামী দুইশো
বছরেও সম্ভব হবে না।
ইসলাম স্যাটায়ার
করার জিনিস না।
ইসলাম বাকী
দুনিয়াকে নিয়ে
স্যাটায়ার করতে
পারবে কিন্তু ইসলাম
নিয়ে স্যাটায়ার
ইসলাম কোনদিন মেনে
নিবে না। এসব
আমাদের সবারই জানা
কথা। আমরা সেভাবেই
চলি। আমাদের
সিনেমা, নাটক, গল্প,
উপন্যাস সব সময়
ইসলাম, নবী, সাহাবী
ইত্যাদি বিষয়ে ভুলেও
“মজা” করার কথা
ভাবতেই পারি না। ধর্ম
নিয়ে স্যাটায়ার
মুসলিম বোধের বাইরে।
পুরো বিশ্ব জেনে গেছে
ইসলাম নিয়ে
স্যাটায়ার মুসলিমদের
কতটা ক্ষুব্ধ করে। এর
ফল কতটা ভয়াবহন
হতে পারে গোটা
বিশ্বের অজানা নয়।
ইসলাম নিয়ে
রশিকতার বদলা নিতে
খুন করতে দ্বিধা করে
না ইসলাম ও নবী
প্রেমি জিহাদীরা।
বাকী মুসলিম সমাজ
সেই খুনের সমর্থন
করতে প্রকাশ্যে
দাঁড়ায়। আর আছে
কিছু ভদ্রগোছের
আধুনিক লেবাসের
মুসলিম, তারা
“স্যাটায়ার করাও
খারাপ হয়েছে, খুন
করাটাও খারাপ হয়েছে”
বলে ইসলামকেই
ডিফেন্স করে। কাজেই
আপনাকে মানতেই হবে
ইসলাম নিয়ে হাস্যরস
করলে তার পরিণতিটা
আপনাকে আগেই ভেবে
নিতে হবে। আপনি কি
দাঙ্গা চান? আপনি কি
এই রিস্ক নিবেন যে
আপনার ঠাট্টা-
তামাশার বলি হোক
কিছু নিরহ মানুষ?
একটা দাঙ্গায় প্রাণ
যাক অগুণতি সাধারণ
মানুষের যারা হয়ত
নবী মুহাম্মদ সর্বমোট
কয়টি বিয়ে করেছেন
সেই তথ্যটিই জানেন
না! তাই, আমরাও চাই
না এই মুহূর্তে “পিকে”
তৈরি হোক আমাদের
এখানে। ভারতে হিন্দুরা
সিনেমা হলে বসে
পিকে দেখতে বসে
হাসতে হাসতে
পপকনের বাটিই উলটে
ফেলে দিয়েছে। একবার
দেখে বন্ধুকে নিয়ে
দু’বার দেখতে গেছে।
আমরা আমাদের
সিনেমা হলে এরকম
কোন স্যাটায়ার তিন
ঘন্টা ধরে সহ্য করার
ক্ষমতা নিয়ে
জন্মাইনি। পর্দায়
আগুন দিয়ে, সিনেমা
হলকে পুড়িয়ে,
প্রযোজক, পরিচালক,
অভিনেতাদেরকে
মেরেধরে, ফাঁসি চেয়ে
দেশ থেকে বিতাড়িত
করেই তবে ক্ষ্যান্ত
হবো! তাই অনুভূতির
জ্বালা আর শান্তির
স্বার্থে আমরাও
আপাতত চাই না
ইসলাম নিয়ে কোন
স্যাটায়ার, কমেডি,
বিদ্রুপ, ঠাট্টা,
রসিকতা হোক…।
কিন্তু নবী জীবনী
কি নবীকে নিয়ে
স্যাটায়ার? দুনিয়ার
সমস্ত ইসলামী
স্কলার, যুগ যুগ ধরে
অত্যন্ত শ্রদ্ধা আর
সম্মানের সঙ্গে যাদের
স্মরণ করা হয় নবী
জীবনীকার হিসেবে,
কুরআনের সঠিক ও
সর্বসম্মত
ব্যাখ্যাকারী হিসেবে
“ইবনে হিশাম”, “ইবনে
ইসহাক”, “ইবনে
কাথির”…প্রমুখদের কি
নবী কুৎসা রটনাকারী
বলতে হবে? আজ
তাদের লিখিত নবী
জীবনের কোন
অধ্যায়কে যদি নিজের
ভাষা শৈলীতে প্রকাশ
করা হয়- কেন তা “নবী
অবমাননা” হবে?
এতগুলো বছর, এতগুলো
যুগ চলে গেলো কখনো
কোন ইসলামী স্কলার
এই সমস্ত বইগুলোকে
নিষিদ্ধ করার দাবী
করেননি। মুসলিমদের
বইগুলো এড়িয়ে যাবারও
আহ্বান জানাননি।
বলেননি গ্রন্থগুলো
দুর্বল বা
বিশ্বাসযোগ্য নয়। বরং
তারা নিজেরা বার বার
নবী মুহাম্মদকে
জানতে ইবনে হিশাম,
ইবনে ইসহাককে
পড়তে পরামর্শ
দিয়েছেন। আজ নবী
মুহাম্মদকে জানতে
আমাদের হাদিস,
সিরাত ছাড়া আর কোন
উৎস আছে কি?
একজন মুসলিম কেমন
করে তার প্রিয়
নবীজিকে জানার
কৌতূহলকে মেটাবে?
ইরানী লেখক আলি
দস্তির “টুয়েন্টি থ্রি
ইয়ারসঃ এ স্টাডি অফ
দ্যা প্রফেটিক
ক্যারিয়ার অফ
মুহাম্মদ” পড়ে যদি
আমাদের মনে হয় যে
একজন মুসলিম তার
নবীকে খারাপ হিসেবে
ভাবতে পারে তাহলে
ইবনে ইসহাক পড়ে
একজন বিশ্বাসী
মুসলিমের তার নবী
সম্পর্কে কি ধারনা
জন্মাবে? আজকের
যুগের একজন বোধ
সম্পন্ন শিক্ষিত ভদ্র
মানবিক মুসলিম তার
নবীকে কি চোখে
দেখবে?
শুধুমাত্র নিম্নাঙ্গের
চুল গজিয়েছে এরকম
বালকদেরকে
ষড়যন্ত্রকারী আখ্যা
দিয়ে হাত পিঠ মুড়া
পরিখা খনন করে হত্যা
করা হচ্ছে নবীর
নেতৃত্বে! রায়ের
বাজার বধ্যভূমির ছবি
দেখে আমরা শিউরে
উঠি। ইবনে ইসহাক
বর্ণিত এই নবীজির
ছবি কি কিছুতেই
“ইহুদীদের হাতে
অত্যাচারিত নবী
মুহাম্মদকে” মেলানো
যায়? আমাদের শেখানো
হয়েছে নবী
কাফেরদের কাছে মার
খেয়ে তাদের জন্যই
দোয়া করছেন “প্রভু
এরা জানে না এর কি
করছে, এদের তুমি
ক্ষমতা করো”!
আমাদের শেখানো
হয়েছে কল্পিত ইহুদী
বুড়ির কাঁটা পুঁতে রেখে
নবীকে কষ্ট দেয়া আর
নবীর সেই বুড়িকে
প্রতিশোধ না নিয়ে
উল্টো তার সেবা করা!
“নবী মুহাম্মদের ২৩
বছর” আসলেই
অস্বস্তিকর। অন্তত
মদিনা গমনের
পরেরটুকু। বাল্যকাল
থেকে দেখা আসা
মুহাম্মদ যেন পাল্টে
গিয়েছিল আরবদের
কাছে! তার প্রমাণ
কুরআনের মক্কী আর
মাদানী সুরার সুর
পাল্টে যাওয়া। কুরআন
তাই কোথাও উদার,
সহনশীলতার বাণী,
আবার সেই একই
বিষয়ে প্রতিশোধ,
হত্যা, রক্ত, লোভ,
লালসা আর লাম্পট্যের
ফ্রি লাইসেন্স দেয়ার
ঘোষণা!
রোজকার মুসলিমদের
ধর্মকর্ম, একজন
মুসলিমের লেবাস-
ছুরত, চিন্তা-চেতনা
সমস্ত কিছু নির্ভর
করে
হাদিসগ্রন্থগুলোর
উপর। প্রত্যহ
মুসলিমরা যে পাঁচ
ওয়াক্ত নামাজ আদায়
করে সেই উঠবস, যে
নির্দিষ্ট শারীরিক
কসরত তার
সমস্তটাই হাদিস
থেকে, কুরআনে
এসবের কোন বর্ণনা
নেই।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 9 August 2015
আমেরিকা,রাশিয়া,চীন,ফ্রান্স-এরসেনাবাহিনী, NASA-কে পিছনে ফেলে শীর্ষে Indian Army
►আমেরিকা,রাশিয়া,চীন,ফ্রান্স-এরসেনাবাহিনী, NASA-কে পিছনে ফেলে শীর্ষে Indian Army"...|
► বিদেশের জনপ্রিয় সব সংস্থাকে পিছনে ফেলে তালিকার শীর্ষে উঠে এল ভারতীয় সেনা। ফেসবুকে সবথেকে বেশি চর্চিত বিষয় হিসেবে নাম উঠে এসেছে ভারতীয় সেনার। পিছনে ফেলে দিয়েছে সিআইএ, এফবিআই, নাসা'র মত সংস্থাকে।
ইন্ডিয়ান আর্মির ফেসবুক পেজই আলোচনার শীর্ষে। People Talking About That (PTAT)-এর তালিকায় শীর্ষে নাম এই পেজের। আর্মি সূত্রে জানানো হয়েছে, 'এটা তাদের কাছে খুবই আনন্দের। যে পেজ নিয়ে ফেসবুকে মানুষ বেশি কথা বলেন, সেই পেজই এই তালিকায় জায়গা করে নেয়। শুধুমাত্র ফেসবুক পেজই নয়, ইন্ডিয়ান আর্মির ওয়েবসাইট প্রতি সপ্তাহে ২৫ লক্ষ 'হিটস' পায়। ২০১৩-র ১ জুন প্রথম ফেসবুক পেজ খোলে ভারতীয় সেনা। এখনও পর্যন্ত মোট 'like'-এর সংখ্যা ২.৯ মিলিয়ন।
►প্রসঙ্গত, ফেসবুক পেজ নিয়েও যুদ্ধ রয়েছে ভারত-পাকিস্তানের। দু'দেশ দু'দেশের ফেসবুক 'জিও লোকেশন' পেজ ব্লক করে দিয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তানের কোনও মানুষ ভারতীয় সেনার ফেসবুক পেজ খুলতে পারবে না। ট্যুইটারে ভারতীয় সেনার ৪৪৭ হাজার ফলোয়ার রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয় বলেই জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। —
হিন্দু জাতি
১) হিন্দু কি একটি নষ্ট জাতি।
(২) ধ্বংসই কি হিন্দুর একমাত্র গন্তব্য।
প্রিয় সনাতনের পরম বন্ধু ভাই-বোনেরা,
আমি নিজে কোন পরম ভক্ত বা স্বিদ্ধ পুরুষ নই।
নই কোন নামি দামী ধর্ম নেতা।
সমালোচনায় আকন্ঠ নিমজ্জিত হতে আমার কোন ভয় নেই।
যাহারা ঈশ্বরের পরম ভক্ত,
তাদের কি সমালোচনা করতে পারি ক্ষুদ্র পাপি আমি ?
তবু পুন্যের নেশা আমার নেই,
পাপ থেকে মুক্তির নেশা আমার নেই।
বরং সকল সনাতন হিন্দুর সম্মিলিত
পাপের সমুদ্রের অতলে তলিয়েযেতে
আমার আপত্তি নেই একতিল মাত্র,
যদি হিন্দু সমাজ তার ক্ষয়ীষ্ণু শক্তিকে
পদাঘাত করে সত্য-ন্যায়ের প্রতিষ্ঠায়- ঝাঁপিয়ে পরে ততোধিক হিংস্রতায়।
যদি হিংস্র ধর্মিয় মতবাদের বিনাশ সাধনে হিংস্রতা প্রয়োগে পাপ হয়,
সে পাপের পূর্নপ্রাপ্তি কেবলই আমার,
পুন্যের যে টুকুন সব তাদের নিজেদের।
ওরে অন্ধ সনাতন হিন্দুর বাচ্চারা,১০
পুন্যের লোভে মালা টপ-টপাস ?
তোর মন্দির থাকে না, তোর সমাজ থাকে না,
তোর মায়ের জাত থাকে না,
তো ভিটে-মাটি থাকে না, তোরা পুন্যি মারাস ?
আর কতকাল এই মালা টিপে,
লাল সালু পেচানো সাস্ত্রে চুমা দিয়ে,
গুরুর এটো-কাঁটা খেয়ে, আর গঙ্গা স্নানে পুন্য মারাবী ?
আমি আমার রক্তের সপথে, সকল সাস্ত্রের দোহাই দিয়ে বলছি,
পৃথিবীর তাবত্ সনাতনের পাপের বোঝা আমার।
সম্মিলিত অন্তহীন পাপের গর্ভে হারিয়ে যেতে আমার কোন রকম দ্বিধা নেই।
কেউ আমার জন্যে ঈশ্বরের কাছে এক ফোঁটা
চোখের জল ফেলার প্রয়োজন নেই। আমার শুধুই কাম্য,
তোরা সনাতনের "সত্য-ন্যায়ে"র আলো ফুটিয়ে তুলতে,
ধর্ম নামক হিংস্র পশুত্ত্বের হাত থেকে মানব সভ্যতাকে বাঁচাতে,
হিংস্রতাকে মানব সভ্যতাথেকে বিষর্জন দিতে,
এইবার ততোধিক হিংস্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে,
ধর্ম নামের বিস্তারনশীল হিংস্রতার বিলুপ্তি ঘটা।
আমার এই আহ্বান, মানবিক গুন সম্পন্ন,
মানবিক সচেতন সকল মানুষের প্রতি।
বিজ্ঞানের ভাষায়ঃ (১) "Servibal for the feetest" "
যোগ্যতমের উর্ধ্বতন" অর্থাৎ একমাত্র যোগ্য তম টিকে থাকবে।
(২) "Every action has an equal and opposite reaction"
সকল ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত ক্রিয়া আছে।
(সমান ও বিপরীত ক্রিয়ায় সাম্যতা আসে।
অর্থাৎ আরোপিত ক্রিয়া বা শক্তি বিদুরিত হয়।
(৩) বেদের ভাষাঃ "সমং সমতি"।
বেদের এই তত্ত্ব থেকে বিজ্ঞানের তত্ত্ব
"Every action has an equal and opposite reaction" ।
বিপরীত ক্রিয়া ব্যাতীত কোন অপকর্ম কোন কালে বন্ধ হয়নি,
এবং ভবিষ্যতেও হবে না , ইহা বিজ্ঞানের ধ্রুব সত্য।
ইহা ধর্মের সত্য।
বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যে কোন বিভেদ নেই।
মালা টিপে, কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে, হরি হরি বলে, মুক্তি অসম্ভব।
মালা টেপা, কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলা, হরি হরি বলার অর্থ,
শুধু কৃষ্ণের সাথেই আছি, শুধু হরির সাথেই আছি,
সেই থাকা কি কেবলই মুখে মুখে? না অন্তরে বাহিরে কাজে ও কর্মে।
এছাড়া আপন মুক্তির স্বার্থপরতা
যেখানে, কৃষ্ণ বলো, হরি বলো, শিব বলো,
কালি বলো, দূর্গা বলো- কোন রুপ কি সে ডাকে শারা দিবেন ?
ব্যাক্তি সাধক কি নিজের স্বার্থে ঈশ্বরকে খুশি করতে পারেন ?
ঈশ্বর কি স্বার্থ পরতা পছন্দ করেন ?
আছে কি এমন নজির ?
অবতার রুপে ঈশ্বরকি এমন শিক্ষাই দিয়েছেন ?
ঈশ্বর সেই সাধকের ডাকেই সারা দেন,
যিনি তার সমগ্র সৃষ্টির সান্তি চান,
যিনি সত্য-ন্যায়ের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন।
স্বার্থ যাহার কাছে বিষতুল্য।
অতিতে যাহারা স্বাধন মার্গে ব্রতি ছিলেন,
তাহারা কি স্বার্থের পরকাষ্টা দেখিয়েছেন ?
বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন সাধন পথের বিবেচনা করুন।
অবতারের আচরন বিবেচনা করুন।
কোন সামাজিক অবস্থায় কোনটা প্রকৃত সাধপথ,
তার নিদর্শন কি ঈশ্বর দেখান নাই ?
আপনারা শিব সাধক, কালি সাধক, দূর্গার সাধক,
কৃষ্ণের সাধক; আপনারা কি সে রুপের,
সে সাধনের নির্দেশ পথ দেখতে পান নাই।
কিসের সাধন করেন আপনারা ধিক আপনাদের।
আপনারা সনাতনের কলংক।
সনাতনতো সকল সময় "সত্য-ন্যায়"কে টিকিয়ে রাখার যুদ্ধ শিখায়।
নিজেকে উৎস্বর্গ করতে শিখায়।
শ্রীকৃষ্ণ তার বংশকে পর্যন্ত উৎস্বর্গ করেছে।
আপনারা কি চোখে ঠুঁসি পরে আছেন ?
শিবের কর্ম দেখুন, কালির কর্ম দেখুন, দূর্গার কর্ম দেখুন।
সনাতনের জ্ঞজাল, শোষক শ্রেনী আপনাদের যে বিভেদের বীজ দিয়েছে,
যে আত্মমর্যদাহীন পশু হিসেবে বেঁচে থাকার পদ্ধতি তৈরী করে দিয়েছে,
সেই পথে মর্যদাহীন পশুর মত বাঁচেন, আর ঈশ্বর ঈশ্বর মারান।
এভাবে স্বার্থপর, অন্ধ, নির্বোধ,
আত্মমর্যদা হীন পশু হইয়ে পরে থাকলে ঈশ্বর আপনাদের বাঁচাবে ?
ঈশ্বর কি আপনাদের এই শিক্ষা দিয়েছেন ?
ঘরের নারী নিয়ে যায়, মন্দির ভাঙ্গে, মাটি থেকে উচ্ছেদ করে,
আর আপনারা ঈশ্বর ঈশ্বর মারান, আর পালায়ন করেন।
নিজেরা মরেন, বংশ মরে। হিংস্র পশুরা উল্লাস করে।
ঘুরে দাঁড়ান।
হিংস্রতার প্রতিবাদে হিংস্রতা।
আমি সমস্ত সাস্ত্রের দোহাই দিয়ে বলছি, নিজের রক্ত ছুঁয়ে বলছি,
সনাতনের দোহাই দিয়ে বলছি, সত্য-ন্যায়ের যুদ্ধে যদি কোন পাপ থাকে,
সে সম্মিলিত পাপের সমুদ্রে আমি হারিয়ে যাবার সপথ নিলাম।
পুন্য যহাকিছু আপনাদের অর্জন।
"সত্যম শিবম সুন্দরম"।
বাংলাদেশে গরুর মাংসের দাম বাড়ায় খুশি রাজনাথ
http://www.bbc.com/bengali/news/2015/08/150809_sa_beef_india_bangladesh
1947 সালে তদানীন্তন পূর্ব-পাকিস্তানে হিন্দুর সংখ্যা
1947 সালে তদানীন্তন পূর্ব-পাকিস্তানে হিন্দুর সংখ্যা ছিল 30%; 1971 সালে 19.6%। অর্থাৎ পাকিস্তান আমলের পঁচিশ বছরে কমেছে প্রায় 10%। বাংলাদেশ আমলে এখন বলা হচ্ছে হিন্দুর সংখ্যা 9%। তাহলে চার দশকে কমেছে 10%। এভাবে অঙ্ক কষলে দেখা যাবে 2050-এর দিকে বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে। পাকিস্তান একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র, তদুপরি পাক-ভারত জনসংখ্যা বিনিময়, হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা ইত্যাদি কারণে হিন্দু কমে যাওয়াটা তেমন বেমানান ছিল না। পক্ষান্তরে বাংলাদেশে হিন্দু কমে যাওয়ার গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ নেই, অন্তত থাকার কথাও ছিল না, তবুও বাংলাদেশে হিন্দু কমছে তো কমছেই...... কারন একটাই হিন্দুদের উপর নির্যাতন ।
** ঢালাওভাবে অনেকে বলে থাকেন যে, কোনো মুসলমান দেশে অমুসলমানরা থাকতে পারে না। মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে কথাটা তেমন অযৌক্তিক বলেও মনে হয় না। নিউইয়র্কে জন্মভূমির সম্পাদক রতন তালুকদার প্রায়শ বলে থাকেন, ‘বাংলাদেশে যখন হিন্দু থাকবে না, তখন মুসলমানরা পাকিস্তানের মতো নিজেদের মধ্যে মারামারি করবে। কথাটা একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতোও নয়। কারন ইরাক, সিরিয়া বা আফ্রিকার দিকে তাকালে এই কথাটা বাস্তবসম্মত বলেই মনে হয়। এমনিতে বিশ্বব্যাপী শিয়া-সুন্নি বিরোধ আগামী দিনগুলোতে জ্যামিতিক হারে বাড়বে। বাংলাদেশের হিন্দু না থাকলে নিজেদের মধ্যে ফাইট অনিবার্য। কারণ মৌলবাদের ধর্মই হচ্ছে, বিভেদ সৃষ্টি করে অন্যকে নিয়ন্ত্রণে রাখা। ইসলাম ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র এ জন্যই বিপজ্জনক।
** বাংলাদেশের দেশের বর্তমান সরকার ধর্মনিরপেক্ষতায় চ্যাম্পিয়ন বলে দাবি করে থাকে, কিন্তু আদোও এই দাবী কতটা বাস্তব সম্মত ...সেটাও প্রশ্নাতীত। বর্তমান সরকার বলে থাকে যে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করবেন অপরদিকে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি বলছে, ২০২০ সালের মধ্যে তারা বাংলাদেশকে ইসলামি রাষ্ট্রে পরিণত করবে। ... এই কাজে কে সফল হবে.. সেটা ভবিষ্যতই বলবে।
বাংলাদেশের হিন্দুরা নিশ্চিত নয় যে তারা তাদের জন্মভূমিতে শেষ পর্যন্ত থাকতে পারবে কি না। ‘জননী-জন্মভূমি হিন্দুদের কাছে স্বর্গের-সমান হলেও চৌদ্দপুরুষের ভিটেমাটি থেকে হিন্দুরা প্রতিনিয়ত বিতাড়িত হচ্ছে, অত্যাচারীত হচ্ছে।।
** বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান দিনে দিনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। হিন্দুরা না থাকলে সহাবস্থান যেমন থাকবে না, তেমন শান্তিও থাকার কথা নয়। বাংলাদেশে বিরাট সংখ্যক মুসলিম মৌলবাদী মনোভাবাপন্ন, যারা অশান্তিতে থাকতেও রাজী, কিন্তু হিন্দুদের সাথে থাকতে রাজি নয়। কিন্তু রাষ্ট কি চায় তার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। রাষ্ট্রের সদিচ্ছা না থাকলে সেটা কখনোই সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানোর প্রয়োজন। সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি বেশির ভাগ সময় পরিচালিত হয়েছে ইসলামীক নীতি আর পাকিস্তানি ধ্যান-ধারণায়। তাই আজও হিন্দুরা বাংলাদেশে অবহেলিত এবং এখনো তারা উপেক্ষিত।
এই সমস্যার সমাধান হতো যদি কি না বাংলাদেশের 1971 এর স্বাধীনতার পরে 30% হিন্দু সংঘবদ্ধভাবে বসবাস করতো... তাহলে হয়তো আজ তারা 9% এ এসে দাড়াত না... হয়তো সঙ্ঘবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে নিজেদের দাবী দাওয়া আদায় করতে সমর্থ হতো..... কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে 90% মুসলমানের দেশে 8% হিন্দু সঙ্ঘবদ্ধ হয়েও কোনো সমাধান করতে পারবে বলে মনে হয় না।
*** বর্তমান পরিস্থিতিতে এই সমস্যার কোনো সমাধান আপাতদৃষ্টিতে নেই বললেই চলে। ভারতবর্ষই হচ্ছে হিন্দুদের চূড়ান্ত গন্তব্যস্থল। কবি শামসুর রাহমান যতই ‘সুধাংশু যাবে না’ কবিতা লিখুক না কেন ! সুধাংশুদের ভারতে আসা ছাড়া কোনো রাস্তা নেই, সুধাংশু তোমায় আসতেই হবে, আজ না হয় কাল। যদি না আমীর হোসেনের মতো উদারমনা মানুষ সাম্প্রদায়িকতারুখতে নিজের জীবন বিসর্জন দেন। কিন্তু আমীর হোসেনরা তো হারিয়ে গেছেন । হিন্দু রক্ষায় সর্বশেষ সমাধানের রাস্তা হলো হিন্দুদের ঘুম থেকে গা-ঝাড়া দিয়ে জেগে ওঠা। নিজেদের অধিকার আদায় আর হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় হওয়া.. এ ছাড়া আর কোনো রাস্তা নেই.........।
প্রশাসনে হিন্দুতোষণ এবং পাঠ্যপুস্তকে হিন্দু ও নাস্তিক লেখকদের প্রাধান্য প্রদান বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে পরিচিত ওলামা লীগসহ ১৩টি ইসলামপন্থী সংগঠন এ দাবি জানিয়েছে।
সরকার-সমর্থক এসব সংগঠন মোট ১৭ দফা দাবি আদায়ে শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনের আয়োজন করে। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মসূচির একটি প্রেস রিলিজও পাঠানো হয়।
প্রশাসনে হিন্দুতোষণ বন্ধ করার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘চাকরির ক্ষেত্রে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের নিয়োগ আনুপাতিকহারে করতে হবে। হিন্দুদেরকে মুসলমানদের চেয়ে বেশি নিয়োগ দিয়ে বৈষম্য করা যাবে না। প্রশাসনকে হিন্দুকরণ চলবে না।’
তারা দাবি করেন, ‘গত ২০১৩ সালের অক্টোবরে পুলিশের এসআই পদে নিয়োগে ১৫২০ জনের মধ্যে হিন্দু নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৩৩৪ জন যা মোটের ২১.৯৭ শতাংশ। গত ২০১১ সালে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইতে নিয়োগের ৯৩ জনের মধ্যে হিন্দু নিয়োগ করা হয়েছে ২৩ জন যা মোটের ২৪.৭৩ শতাংশ। সম্প্রতি ষষ্ঠ ব্যাচে সহকারী জজ পদে নিয়োগ দেয়া ১২৪ জনের মধ্যে ২২ জনই হিন্দু যা শতকরা হিসেবে ১৭ শতাংশ।’
সরকার সমর্থক সংগঠনের এ নেতারা মনে করেন, ‘এসব বিতর্কিত সিদ্ধান্তে মুসলমান দেশে মুসলমানদের প্রতি ব্যাপক বৈষম্যের দাবিই দৃঢ় হচ্ছে যাতে হেফাজতসহ বিরোধীরা সুযোগ পাচ্ছে।’
তারা অভিযোগ করেন, ‘বর্তমান পাঠ্যপুস্তকে কট্টর ইসলাম বিরোধী হিন্দু ও নাস্তিক লেখকদের লেখাকে নিরঙ্কুশ প্রাধান্য প্রদান করা হয়েছে। প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা বইয়ে অন্তর্ভুক্ত গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধসমূহের মধ্যে মুসলমান লেখকদের তুলনায় বিধর্মী হিন্দু লেখকদের লিখাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।’
বক্তাদের দাবি, ‘প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত গল্প ও কবিতার সংখ্যা ১৯৩টি। এর মধ্যে হিন্দু ও নাস্তিকদের লেখার সংখ্যা হলো ১৩৭টি যা সর্বনিম্ন শতকরা ৫৭ ভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৮২ ভাগ প্রাধান্য পেয়েছে।’
তারা বলেন, ‘ইসলামকে কটাক্ষ করে লেখালেখি করে এদেশের জাতীয় পর্যায়ে যেসব চিহ্নিত ইসলাম বিদ্বেষী লেখক রীতিমতো কুখ্যাতি অর্জন করেছে, তাদের লেখা পাঠ্যবইয়ের প্রত্যেক শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
‘কুখ্যাত ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক হুমায়ূন আজাদ, তসলিমা নাসরিনের স্বামী রুদ্র শহীদুল্লাহ, সেলিনা হোসেন, সনজীদা খাতুন, কবীর চৌধুরী এবং এ রকম আরো অনেকে যা এদেশের মুসলমানদের কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়’ যোগ করেন বক্তারা।
তারা বলেন, ‘আশ্চর্যের বিষয় হলো, বাংলাদেশে বহু ইসলামী ঐতিহ্যবাহী পুরাকীর্তি ও স্থাপত্য নিদর্শন থাকলেও তা নিয়ে কোনো অধ্যায় বা প্রবন্ধ সংযোজন করাতো দূরের কথা, তা নিয়ে কোনো প্রকার বর্ণনা দিতেও চরম কার্পণ্য করা হয়েছে। এসব বই দেখলে বোঝার উপায় নেই যে, এদেশে মুসলমানরা বসবাস করে।’
সরকার সমর্থক ইসলামপন্থী এ সব নেতারা বলেন, কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী বক্তব্য যুক্ত ও ষড়যন্ত্রমূলক এসব পাঠ্যপুস্তক অবিলম্বে বাজেয়াপ্ত করতে হবে। একই সঙ্গে ইসলাম বিরোধী প্রচলিত শিক্ষানীতি বাতিল করতে হবে এবং ৯৮ ভাগ মুসলমানের এদেশের শিক্ষানীতি সম্পূর্ণ ইসলামিক করতে হবে।’
এছাড়া মানববন্ধনে অবিলম্বে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি কার্যকর, ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ বন্ধ, কোরবানির পশুর হাট স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত বাতিল, সব ভারতীয় টিভি চ্যানেল ও পর্নোসাইট বন্ধ এবং মেয়েদের বিয়ের বয়স নির্দিষ্টকরণ বন্ধ করার দাবি জানানো হয়।
আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারীর সভাপতিত্বে এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি হাফেজ মুহম্মদ আবদুস সাত্তার, জাতীয় কুরআন শিক্ষা মিশনের লায়ন মাওলানা মুহম্মদ আবু বকর ছিদ্দীক্ব, বঙ্গবন্ধু ওলামা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফেয়ী প্রমুখ।
এখানে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাজী মাওলানা মো: আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি হুবহু প্রকাশ করা হলো।
বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩টি ইসলামিক দলের উদ্যোগে ১৭ দফা দাবীতে আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা ১৭টি বিষয়ে বিভিন্ন দাবী ও তথ্য তুলে ধরে জোড়ালো বক্তব্য রাখেন।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হাবীবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর; কার্টুন প্রদর্শনী, ছবি ছাপানো নিষিদ্ধ করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রণী ভুমিকা পালন করা এবং সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাস করা :
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আগামী মাসে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ইসলাম বিরোধী নাস্তিক গোষ্ঠী লন্ডনে মহানবী হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কার্টুন প্রদর্শনীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে (নাউযুবিল্লাহ)।তাছাড়া ফ্রান্স, ডেনমার্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকর ব্যঙ্গচিত্র, কার্টুন বের করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। সুতরাং মানবাধিকার সনদ অনুযায়ী মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দেয়ার বিপরীতে এসব দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ তৈরীতে বিশ্বের ২য় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেঅগ্রণী ভুমিকা পালন করতে হবে এবং সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাস করতে হবে। এতে দেশে-বিদেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাবমর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং জনগণ সরকারকে ধর্মপ্রাণদের সরকার হিসেবে গণ্য করবে।
দেশে ২০ লাখ মসজিদে গরু যবেহ করে মীলাদ শরীফ এর মাধ্যমে ১৫ আগস্ট ব্যাপকভাবে পালন করা এবং শোকের মাসে টিভি চ্যানেলে নাচ-গানসহ সব ধরনের বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা এবং ১৫ আগষ্ট মিথ্যা জন্মদিন পালনকারী খালেদা জিয়াকে মুনাফিক হিসেবে ঘোষণা করা :
কমিউনিজম আর নাস্তিক ইদানীং আমাদের দেশের কমিউনিস্ট নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দিচ্ছে।
যদিও তারা আদৌ নাস্তিকতার মানে বলতে কি বোঝে তা আমাদের অজানা।
আমরা নাস্তিক মানে বুঝি "যে কোনো ধর্মেই বিশ্বাসি নয়"
আর কমরেড দের নাস্তিকতা মানে "ইসলাম বাদে কোনো ধর্মে বিশ্বাসি নয়"
বেশ কিছু কাল ধরেই তারা যখন নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে পরিচয় দিতে দিতে বিরক্ত হয়ে গেছে, তখন তারা এই "নাস্তিক" কথাটি আবিস্কার করেছে।
কিন্তু তারা সত্যি কি নাস্তিক না নাস্তিক হওয়ার ভান করে? আসুন দেখে নিই।
হিন্দু কমরেড নিজেকে নাস্তিক বলে,
কিন্তু তারা ধর্ম মেনে সংস্কৃত এ মন্ত্র পরেই কিন্ত বিবাহ সম্পন্ন করে।
তাদের বাড়ির কেও মরলে, হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী সব প্রথা মেনে তার অন্তিম সংস্কার করে। তারপর কেও ১৪ দিন আর কেও বেশি ধার্মিক হলে ৩০ দিন গুরুদশা পালন করে, আর মৃত ব্যাক্তির আত্নার শান্তি কামনার জন্য,
স্রাদ্ধ করে তাও মন্ত্র পরে, আবার নিজের মাথা নেড়া করতেও ভোলেনা।
আবার সেই নাস্তিক এর বাড়ি তে কোনো সন্তান জন্মালে, ধর্ম মেনে অন্নপ্রাশন, তারপর বিদ্যার দেবী এর কাছে অঞ্জলী দিয়ে তার সন্তান দের হাতেখড়ি দেয়।আবার বাড়ির কোনো গুরুজন মারা গেলে, তারা বাড়িতে অন্তত এক বছর ঘটা করে একাদশী পালন করে, দূর্গাপূজায় নতুন জামা প্যান্ট পরে মা দূর্গা কে দর্শন করতে মন্ডপে মন্ডপে ভিড় জমায়। আবার তারাই দেবী দূর্গার কাছে পার্থনা করে,সপ্তমী আর অষ্টমী তে যেন বৃষ্টি না পরে।তারপর তাদের সন্তান রা যখন ধীরে ধীরে বড় হয় এবং বিয়ের যোগ্য হয়, তখন তারাই ভাল পাত্র খোজ করে নিজের জাতের মধ্যে, এবং ধর্ম মেনেই বিয়ে দেয়।
তাও এরা নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেয়।
এবার বলি কিছু ইসলামি নাস্তিক দের কথা, যদিও এই ধর্ম টা সমন্ধে আমার তেমন কিছু জ্ঞ্যান নেই, তাও দু একটা কথা বলি।
এরা নিজের ধর্ম মেনে তিন বার "কবুল হে" বলে আর কিছু সম্পত্তির হিসেব টেনে "নিকাহ" করে।
এদের বাড়িতে কেও মারা গেলে নিজের ধর্ম মেনেই তার সৎ কাজ করে গেরোস্থানে মাটি দেয়।
এরা পশ্চিম দিকে মানে মক্কা যেদিকে সেদিকে মুত্র বিসর্জন করেনা। এরা ঈদ এ খুব তৃপ্তির সাথে সপরিবারে "গো" মাংস খায়, কারন একটা ধর্মের অপমান না করে খুশির ঈদ এরা পালন করতে পারেনা।
আর এরা সব থেকে বেশি যেটা করে সেটা হল, নিজের ধর্ম কে সেরা মনে করে অন্য ধর্ম কে ছোট করার।
আবার এদের ধর্ম কে কেও অপমান করলে, এরা সদলবলে এসে তাদের মা মাসি উদ্ধার করে দিয়ে যায়।
হিন্দু নাস্তিক রা যেমন কথায় কথায়
"জয় মা" "মা তারা " বলে, তেমনই এরা সব সময় "ইনশাল্লাহ" আর "সেলাম ওয়ালেকুম" বলে থাকে।
তার পরেও এরা নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেয়।
তবে আমরা এদের মন থেকে ধন্যবাদ জানাই, যে এরা ভোট এর খাতিরে আমাদের কিন্তু "নাস্তিকতার" আসল রুপ টা শিখিয়ে দিল।
এই পোস্ট টা পরে অনেক কমরেডই অনেক যুক্তি দেবে, তাদের কাছে আবার যুক্তির অভাব নেই, কিন্তু মানবিকতার অভাব টা অনেক.....
Subscribe to:
Posts (Atom)