http://www.kalerkantho.com/print-edition/first-page/2015/08/10/254553
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 10 August 2015
ভারত সরকার কত নাটক দেখালো।
ভারত সরকার কত নাটক দেখালো।
৫০০মুমিনকে হিন্দু করল আর মুমিনরা করল
৩গুন!!
ছিঃছিঃ ভারত নাকি হিন্দু রাষ্টের
সপ্ন দেখে
ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের
হিসারের ১০০ দলিত পরিবার ইসলাম
ধর্ম গ্রহণ করেছে। জমি দখল এবং ধর্ষণের
ঘটনায় উচ্চবর্ণের প্রভাবশালীদের
বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার
প্রতিবাদে তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দিল্লির
যন্তর-মন্তরে ২০১৪ সালের ১৬ এপ্রিল
থেকে সুবিচার চেয়ে ধর্না দিচ্ছিল।
এক বছরের বেশি সময় ধরে আন্দোলনরত
পরিবারের সদস্যরা শুক্রবার ইসলাম ধর্ম
গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
অবশেষে গতকাল (শনিবার) তারা
ইসলাম গ্রহণ করেন।
আন্দোলনরতদের দাবি ছিল, ভাগানা
ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তদের দ্রুত
গ্রেফতার করতে হবে এবং শামলাত
ভূমি থেকে অবৈধ দখলদারি মুক্ত করতে
হবে। এ নিয়ে তারা শুক্রবার
হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল
খাট্টারের সঙ্গে দেখা করে দাবিও
জানিয়েছিলেন। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর
কাছ থেকে কোনো কঠোর পদক্ষেপ
নেয়ার আশ্বাস না পেয়ে তারা
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।
ভাগানা গ্রামের ক্ষতিগ্রস্তদের
অভিযোগ, সুবিচার পাওয়ার আশায়
তারা মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল
খাট্টারের সঙ্গে চারবার দেখা
করেছেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের
কাছেও অনেকবার দাবি জানানো
হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে
হিসার প্রশাসন নীরব থেকেছে।
প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ২১ মে
হরিয়ানার ভাগানা গ্রামে
উচ্চবর্ণের লোকদের সঙ্গে দলিতদের
বিবাদ শুরু হয়। এ সময় ৫২ টি পরিবারের
সদস্যরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যেতে
বাধ্য হয়। শামলাতে একটি জমি থেকে
অবৈধ দখলদারি মুক্ত করার দাবিকে
কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত হয়।
গ্রামবাসীরা দলিতদের একঘরে করে
দিলে তারা গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে
যেতে বাধ্য হন। পরে ভাগানা
গ্রামের ৪ দলিত নাবালিকাকে
অপহরণ করে গণধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে
আসে।
ভাগানা কাণ্ড সংঘর্ষ সমিতি বা
বিকেএসএস'র প্রেসিডেন্ট বীরেন্দর
বাগোরিয়া বলেছেন, উচ্চবর্ণের
লোকেরা আমাদের মানুষ বলেই মনে
করতে চায় না, তাই ওই ধর্মে থাকার
আর যৌক্তিকতা কোথায়? তিনি
বলেছেন, মৌলবি আব্দুল হানিফের
মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তারা
কলেমা পড়ে নামাজ পড়েছেন বলেও
জানান বীরেন্দর বাগোরিয়া
ঢাকায় ছাত্র ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক আটক - BBC বাংলা
http://www.bbc.com/bengali/news/2015/08/150810_aho_madrasa_rape
রুপা গাঙ্গুলী
১১ই জুলাইয়ের বর্তমানের রিপোর্ট অনুযায়ী রুপা গাঙ্গুলীকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভানেত্রী করতে সবুজ সংকেত দিয়েছিল RSS কিন্তু আজ, অর্থাৎ ঠিক একমাস পরে, এই সময়ের রিপোর্ট অনুযায়ী সভানেত্রী হওয়ার পরীক্ষায় নাকি সম্পূর্ণ অকৃতকার্য হয়েছেন রুপা গাঙ্গুলী।
এই একমাসে কি এমন ঘটলো যে RSS তার একমাস আগের স্ট্যান্ড থেকে ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে গেল?
হ্যাঁ, এই এক মাসে এমনকিছু ঘটনা ঘটেছে যা বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দিয়েছে। আর এই ঘটনার সূচনা হয়েছে টুকটুকি মন্ডল অপহরণ কান্ড দিয়ে।
রাহুল সিনহার নেতৃত্বে রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু তোষণ নিয়ে এই রাজ্যের হিন্দুদের মধ্যে অনেকদিন ধরেই ক্ষোভ জমে উঠছিল কিন্তু সেটার বহি:প্রকাশ ঘটল গত ১০ জুলাই জন অধিকার মঞ্চের সভার পরে। গুজরাট দাঙ্গার মুখ কুতুবুদ্দিনের হাতে রাখী বেঁধে রুপা গাঙ্গুলী যে যাত্রা শুরু করেছিলেন, বিজেপিতে যোগদান করার পরেও সেই মানসিকতার কোন পরিবর্তন ঘটেনি। তাই তিনি পাড়ুইতে মুসলিম আক্রান্ত হলে ছুটে যান কিন্তু মল্লিকপুর, সমুদ্রগড় বা কালীগঞ্জ যান না।
গত ১০ই জুলাই টুকটুকি মন্ডলের উদ্ধারের দাবীতে জন অধিকার মঞ্চের সভায় উপস্থিত হবার জন্যে তাঁকে ও রাহুল সিনহাকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল কিন্তু তারা দুজনই সেই অনুরোধ এড়িয়ে যান। তাদের সেই রেকর্ড করা কথোপকথন জনসমক্ষে আসার পরেই রাজ্যবিজেপি প্রমাদ গোনে এবং তড়িঘড়ি ১৬ই জুলাই থেকে ধর্নায় বসেন। সেই ধর্নাও যে আন্তরিক ছিলনা সেটা প্রমান হয়ে যায় যখন গত ২০শে জুলাই পুলিশ টুকটুকিকে নিজেদের অফিসে হঠাৎ আবিষ্কার করে এবং সেটাকেই নিজেদের জয় হিসাবে চিহ্নিত করে বিজেপি নিজেদের ধর্না তুলে নেয়। যদিও পুলিশ আজ অবধি টুকটুকিকে তার মা-বাবার সাথে কথা বলতে দেয়নি।
এমতাবস্থায় রুপা গাঙ্গুলীকে সভানেত্রী করলে যে হিতে বিপরীত হবে সেটা রাজ্য RSS বিলক্ষন বুঝেছে আর তারই পরিণতিতে এই ১৮০ ডিগ্রী বদল। এই রাজ্যের হিন্দুরা একজোট হলে যে সেটা কতটা শক্তিশালী হতে পারে এই ঘটনা তার স্পষ্ট উদাহরণ।
Delhi Shahi Imam urges Muslims to vote for Cong
http://www.hindustantimes.com/state-of-the-states/shahi-imam-bukhari-extends-support-to-congress-party/article1-1204165.aspx
Mysore India's Cleanest City, Bengaluru Cleanest Capital, Filthy Delhi In Bottom 100 #SwachhBharat ranking | india | Indiatimes Mobile
http://m.indiatimes.com/news/india/mysore-indias-cleanest-city-bangaluru-cleanest-capital-filthy-delhi-in-bottom-100-swachhbharat-ranking-243958.html
অর্জুন (দেবনাগরী: अर्जुन) মহাভারত মহাকাব্যের একটি চরিত্র
অর্জুন (দেবনাগরী: अर्जुन) মহাভারত মহাকাব্যের একটি চরিত্র। তিনি পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম। 'অর্জুন' শব্দের অর্থ 'উজ্জ্বল', 'জ্বাজল্যমান', 'সাদা' অথবা 'রূপালি'। তিনি একজন অব্যর্থ ধনুর্বিদ। পাণ্ডব ভ্রাতৃগণের মধ্যে তাঁর স্থান তৃতীয়। অর্জুন পাণ্ডু ও তাঁর জ্যৈষ্ঠা মহিষী কুন্তীর পুত্র। অর্জুনকে নারায়ণের কনিষ্ঠ ভ্রাতা নর-নারায়ণের অবতার মনে করা হয়। মহাভারতে তাঁকে 'চতুর্থ কৃষ্ণ' বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। কৃষ্ণ ছিলেন তাঁর প্রিয় বন্ধু তথা শ্যালক। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সূচনাপর্বে কৃষ্ণ তাঁকে যে উপদেশাবলি প্রদান করেন তাই ভগবদ্গীতা নামে পরিচিত।
পাণ্ডু ও কুন্তির তৃতীয় পুত্র। দ্রুপদ-রাজের কন্যা কৃষ্ণা (দ্রৌপদী, যিনি পঞ্চপাণ্ডবের সবারই ভার্যা ছিলেন) ছাড়াও অর্জুনের আরও তিনজনকে বিবাহ করেছিলেন। এঁরা হলেন - কৌরব্যনাগের কন্যা উলুপী (ইনি পূর্ব-বিবাহিতা ছিলেন), মণিপুররাজ চিত্রবাহনের কন্যা চিত্রাঙ্গদা এবং কৃষ্ণ ভগিনী সুভদ্রা। ওঁর চার পুত্রের নাম শ্রুতকীর্তি (কৃষ্ণার গর্ভজাত),ইরাবান্ (উলুপীর গর্ভজাত), বভ্রুবাহন (চিত্রাঙ্গদার গর্ভজাত) ও অভিমন্যু (সুভদ্রার গর্ভজাত)। কিন্দম মুনির শাপে পাণ্ডুর পক্ষে পিতা হওয়া সম্ভব ছিল না। কুন্তির কাছে পাণ্ডু যখন জানতে পারলেন যে,দুর্বাসা মুনির বরে কুন্তি যে-কোনও দেবতার আশীর্বাদে পুত্র ধারণ করতে পারেন,তিনি কুন্তিকে প্রথমে ধর্ম ও পরে বায়ুদেবকে আহবান করতে বললেন। এইভাবেই যুধিষ্ঠির ও ভীমের জন্ম হল। কিন্তু দুই পুত্র লাভ করেও পাণ্ডু তৃপ্ত হলেন না। তখন পাণ্ডুর ইচ্ছায় কুন্তি দেবরাজ ইন্দ্রর নিকট প্রার্থনা করেন এবং অর্জুনের জন্ম হয়। অর্জুনের জন্মনাম ছিল কৃষ্ণ।
শুভ-কর্মে তাঁর রুচি ছিল বলে পরে তিনি অর্জুন নামে পরিচিত হন। অর্জুনের আরও অনেকগুলি নাম ছিল। পৃথার (কুন্তির জন্মনাম) পুত্র বলে তিনি ওঁকে অনেকে পার্থ বলে সম্বোধন করতেন। ওঁর অন্য নামগুলি হল - ধনঞ্জয়, বিজয়, শ্বেতবাহন, ফাল্গুন, কিরীটী, বিভৎসু, সব্যসাচী্, জিষ্ণু ও গুড়াকেশ। অর্জুন ছিলেন কৌরব ও পাণ্ডবদের অস্ত্রগুরু দ্রোণাচার্যের প্রিয়তম শিষ্য। গুরুদক্ষিণা স্বরূপ দ্রোণাচার্য যখন পাঞ্চালরাজ দ্রুপদের বন্দিত্ব চান,তখন মূলত অর্জুনের বীরত্বতেই তা সম্ভব হয়। ওঁদের শৌর্যবীর্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে ধৃতরাষ্ট্র ও তাঁর পুত্ররা ওঁদের হত্যার ষড়যন্ত্র করছেন জেনে পাণ্ডবরা বেশ কিছুদিন ছদ্মবেশে ছিলেন। এই সময় ব্রাহ্মণবেশে অর্জুন পাঞ্চালরাজ দ্রুপদের যজ্ঞবেদিসম্ভূত কন্যা কৃষ্ণার (দ্রৌপদী) স্বয়ংবর সভায় লক্ষ্যভেদ করে তাঁর বরমাল্য পান। পুত্র ঘরে কি এনেছে না দেখে মাতা কুন্তি, সবাই মিলিত ভাবে ভোগ কর, বলায় পঞ্চপাণ্ডবের সঙ্গেই দ্রৌপদীর বিবাহ হয়। দেবর্ষি নারদের উপদেশে পাণ্ডবরা নিয়ম করেছিলেন যে, কৃষ্ণা যে সময়ে এক ভ্রাতার সঙ্গে থাকছেন, সেই সময় অন্য কোনও ভ্রাতা তাঁদের শয়ন-গৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না। করলে তাঁকে বারো বৎসর ব্রহ্মচর্য অবলম্বন করে বনবাস করতে হবে। ঘটনাচক্রে এক ব্রাহ্মণের গোধন রক্ষা করার জন্য অস্ত্র আনতে অর্জুন যুধিষ্ঠির ও কৃষ্ণার শয়ন-গৃহে ঢুকতে বাধ্য হলেন। যুধিষ্ঠির এতে নিয়ম ভঙ্গ হয় নি বললেও, অর্জুন বনবাসে চলে যান।
অগ্নিদেবের হিতার্থে খাণ্ডব অরণ্য যাতে কৃষ্ণ ও অর্জুন দহনে করতে পারেন,তারজন্য বরুণদেব অর্জুনকে একটি রথ আর সেই সঙ্গে বিখ্যাত গাণ্ডীবধনু ও অক্ষয় তূণ দিয়েছিলেন। এই অস্ত্র পেয়ে অর্জুন বিশেষভাবে বলশালী হন। দ্যূতক্রীড়ায় পরাজিত হয়ে পাণ্ডবরা যখন বনবাস করছিলেন, তখন যুধিষ্ঠিরের আদেশে দিব্যাস্ত্রলাভের জন্য অর্জুন ইন্দ্রলোকে যান। ইন্দ্র তাঁকে মহাদেবের আরাধনা করতে বলেন। তাই করে অর্জুন মহাদেবের কাছ থেকে পাশুপত অস্ত্র পান। এরপর ইন্দ্র নিজেও অর্জুনকে নানাবিধ দিব্যাস্ত্রে শিক্ষা দেন। ইন্দ্রের নির্দেশে ইন্দ্রসখা চিত্রসেন অর্জুনকে গীত ও নৃত্যে পারদর্শী করেন। সেইখানে নৃত্যরতা অপ্সরাদের মধ্যে উর্বশীর দিকে অর্জুন বারংবার দৃষ্টি নিক্ষেপ করছেন দেখে, ইন্দ্র উর্বশীকে অর্জুনের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। অর্জুন কামনা বসে ওঁর দিকে তাকান নি, উর্বশীকে পুরু বংশের জননী হিসেবে দেখছিলেন। কিন্তু অর্জুন ওঁকে প্রত্যাখ্যান করায় উর্বশী অপমানিত হয়ে অর্জুনকে অভিশাপ দিলেন যে, অর্জুনকে নর্তকরূপে স্ত্রীলোকদের মধ্যে নপুংশক হয়ে থাকবেন। উর্বশীর এই অভিশাপ পাণ্ডবরা যখন বিরাটরাজের সভায় অজ্ঞাতবাস করছিলেন,তখন খুব কাজে লেগেছিল। সেখানে অর্জুন বৃহন্নলা সেজে বিরাটরাজের অন্তঃপুরচারিণীগনকে নৃত্য, গীত ইত্যাদি শিক্ষা দিয়েছেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে পাণ্ডবদের জয়ের অন্যতম কারণ হল অর্জুনের রণনৈপুন্য। কৌরবদের বহু বীর যুদ্ধকালে ওঁর হস্তে নিহত হয়েছেন। সন্মুখ সমরে ভগদত্ত, জয়দ্রথ, কর্ণকে তিনি বধ করেছেন। কিন্তু ভীষ্মকে শরশয্যায় নিপাতিত করতে তাঁকে শিখণ্ডীকে সামনে রাখতে হয়েছে। এই অন্যায় যুদ্ধের জন্য বসু দেবতাগণ অর্জুনকে নরকবাসের অভিশাপ দিয়েছিলেন। পরে যুধিষ্ঠিরের অশ্বমেধ যজ্ঞের সময় যজ্
Subscribe to:
Posts (Atom)