Monday, 10 August 2015

সাধারন মুসলমান বলতে কি বোঝায়?

সাধারন মুসলমান যারা জেহাদি নন বলে দাবি করেন ,তারা কি বলেন ? ***সাধারন মুসলমান বলতে কি বোঝায় ? যিনি সম্পূর্ণ ভাবে কোরাণ বিশ্বাস করেন , সুরা 4 আযাত 150 এ আছে >>>তিনি মুসলমান বা মমিন তাইনা ! তাহলে কোরাণ এ কি লেখা আছে ?সেটাই তবে দেখা যাক = সাধারণ মুসলমান কি বিশ্বাস করেন ? কি চর্চা করেন ? জেহাদি মুসলমানদের সাথে তাদের কোন তফাত্ আছে কিনা তাও বোঝায়বে ! অনেক পন্ডিত বলেন > ইসলাম শব্দটির অর্থ হলো শান্তি ! কোথা থেকে পাওয়া গেল এই অর্থ ? আরবি ভাষায় সলাম শব্দের মানে নাকি শান্তি আর ইসলাম শব্দের মধ্যে সলাম ধ্বনিটি রয়েছে ,অতএব ইসলাম মানে শান্তি ! এর থেকে বড় বৌধিক যোতচুরি আর কিছু হতে পারে কিনি সন্দেহো । ইসলাম ও সলাম কথা দুটির মধ্যে কিছু ধ্বনি গত সাদৃশ্য মাত্র রয়েছে । কিন্তু ইসলাম শব্দের সঙ্গে সলাম শব্দের কোন ধাতুগত বা অর্থগত কোন সম্পর্ক নেই । ঠিক যমন আম ও আমরা শব্দের মধ্যে ধ্বনিগত সাদৃশ্য থাকলেও দুটি শব্দের উত্পত্তি ও অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা , এও তাই ।ফুল আর ফুলরি কি এক জিনিস ,আলু আর আলুবখরা কি এক ,কাম আর কামরাঙ্গা কি এক ,চাল আর চালতা কি এক জিনিস ।ইসলাম শব্দের প্রকৃত অর্থ আল্লার ইচ্চার প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ । খুব ভাল কথা ।তাহলে দেখা যাক আল্লার ইচ্ছাটি কি ? কোরাণ গ্রন্থটির আর একটি নাম হলো "আলফুরকান" । ফুরকান শব্দটির মানে হলো যা বিভেদ সৃষ্টি করে ! কিসের বিভেদ ? মুসলমান ও অমুসলমানদের বিভেদ।উদ্দেশ্য খুব স্পষ্ট ব্যাখ্যা নিষপ্রযোজন।কোরাণে "কাফের শব্দটি শত শত বার ব্যবহৃত করা হয়েছে ।কাফের দের নির্বিচারে হত্যা করতে বলা হয়েছে ।তাদের গর্দানে আঘাত করতে বলা হয়েছে >সুরা 47 আযাত 4 এ ।তাদের ডান হাত ও বাম পা কিংবা বাম হাত ও ডান পা কেটে ফেলতে বলা হয়েছে > সুরা 5 আযাত 33 এ ।প্রশ্ন হলো কারা এই "কাফের" তাদের জন্য হাজার রকম শাস্তির ব্যবস্থাইবা কেনো ?আজকালকার দুর্বুদ্ধিজিবিরা বোঝাতে চান > কাফের মানে পাপি ,অন্যায় কারি বা অবিশ্বাসি ।সুতরাং পাপিকে শাস্তি দিলে আর কি খারাপ ।কিন্তু কাফের শব্দের আসল মানে হলো *যে কোরাণ মানেনা অর্থাৎ সমস্ত অমুসলমান ।কাফের শব্দের এই অর্থ কোরাণ এ পরিষ্কার করে বলা আছে > সুরা 5 আযাত 44 এ ।সুতরাং হিন্দু ,খৃষ্টান ,ইহুদি ,বৌদ্ধ ,শিখ ,জৈন্য ,পার্শি সবাই কাফের এবং মুসলমানের কাছে বদ্ধ যোগ্য । এর পরের অংশের জন্য আমার Post গুলি দেখুন । Shuvo Shaha| https://m.facebook.com/shuvo.winer?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C2271452069

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রিয়ভাষিণীকে হত্যার হুমকি | Bangla | Banglamail24

http://www.banglamail24.com/news/2015/08/08/id/246017/

বগ্লার নীল হত্যা কান্ডের সময়

বগ্লার নীল হত্যা কান্ডের সময়, হত্যা কারীরা "আল্লাহ আকবর " বলে চেচাঁচ্ছিল বলে, জানান তারঁ কথিত স্ত্রী আশামনি। কিন্তু। ' এই উক্তিকে সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট উল্লেখ করে - বগ্লার নয়ন চ্যাটার্জী ওরফে কুত্তার বাচ্চা " লিখল হত্যাকারীরা "হরে কৃষ্ণ হরে রাম " বলে ধ্বনি দিচ্ছিল আর কোপাচ্ছিল। আর এখানে "আনসার আল ইসলাম" এর জায়গায় হবে আনসার আল হরে কৃষ্ণ।অযথা ইসলাম ও মুসলিমদের কলংকিত করতে এই নাটক করছে, আশামনি। , নয়ন চ্যাটার্জী ওরফে কুত্তার বাচ্চা হত্যা কান্ডের সময় দেখছিল, আর সে সত্যবাদি আর অসম্পদায়িক বিধায়, ঘটনার আসল রহস্য তুলে ধরেছে। , হত্যার দিন রাতে এক পোস্টে এই সত্য তুলে ধরেছে সে, তাহলে বুঝেন কি রকমের বেজম্মা হলে কলিকাতা থেকে ঢাকায় এসে সে ওই ফ্ল্যাটে আগে থেকেই লুকিয়ে ছিল। নিজ চোখে আসল সত্যিটা দেখার জন্য। , এই না হলে চুদির পুত, ওরে যে কয় দিন কয় রাত. চু ** পয়দা করছিল!! কে জানে !! তাই ওর এত আসমানী ক্ষমতা।

Tarakeswar Mole station ‬তারকেশ্বরের মহিলা পু্ণ্যার্থীদের শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত কলেজের জিএস সহ তৃণমূল ছাত্ররা

দিদির গুণধর ভাইয়েরা - তোলা বাজীতে আছে, শ্রীলতাহানিতে আছে আবার খুনখুনিতেও আছে। তারকেশ্বরের মহিলা পুণ্যার্থীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হরিপাল কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তিন ছাত্র। আর এক অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক পলাতক। গতকাল তারকেশ্বরের মহিলা পুণ্যার্থীদের শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ ওঠে হরিপাল কলেজের চার ছাত্রের বিরুদ্ধে। আজ সকালে শঙ্খদীপ চক্রবর্তী, শুভাশিস রায় ও সুমন্ত ঘোষ নামে তিন ছাত্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পলাতক হরিপাল কলেজের তৃণমূল ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সুমিত সরকার। ধৃত তিন ছাত্রকে আজ চন্দননগর আদালতে তোলা হয়েছে। http://abpananda.abplive.in/state/2015/08/10/article679869.ece/molestation-of-women-pilgrims-of-Tarakeshwar-allegation-against-4-TMCP-workers-along-with-GS-of-Haripal-college

এ বছর ৮৫ শতাংশেরও অধিক সহিংসতা ও হত্যা সংগঠিত হয়েছে মুসলিম ও ইসলামী জঙ্গীগ্রুপ

শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয় যদি সারা পৃথিবীর কথা ধরা হয়, তবে দেখা যাবে যে এ বছর ৮৫ শতাংশেরও অধিক সহিংসতা ও হত্যা সংগঠিত হয়েছে মুসলিম ও ইসলামী জঙ্গীগ্রুপ কতৃক। শুধু হত্যার মত বৃহৎ অপরাধকে এই হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। মুসলিম কতৃক সাধারন অত্যাচার যা অহরহ ঘটে চলেছে সেইসব ঘটনা গুলো এই হিসাবে ধরা হয়নি। মুসলিম যে নির্যাতিত হচ্ছে না তা নয়। মুসলিম নির্যাতন হচ্ছে মায়ানমারে,চীনেশ্রীলংকায় আফ্রিকার দু একটা দেশে। কিন্তু মুসলিম কোন দেশে ঝামেলা করছে না ? কোন দেশ ইসলামী ধর্মান্ধ দ্বারা আক্রান্ত হয়নি বা ঝুকিতে নেই ? সেই দেশগুলো খুঁজে বের করা খুবই কঠিন। এরা শতভাগ 100% মুসলমানদের দেশেও হামলা করে আবার যেখানে মুসলিমের প্রতি সামান্য বিদ্বেষ বা নির্যাতন নেই সেখানেও বোমা ফেলে। সংখ্যালঘু হলেও জঙ্গী সংগঠন করবে আবার সংখ্যাগুরু হলেও অরুচী নেই জঙ্গীবাদে। বিশ্বের ভয়ংকর জঙ্গী সংগঠন গুলোই চলে আল্লাহর নামে। এগুলো কি ধরনের ধর্ম প্রচার ? ঘৃনা কখনোই ধর্মের অংশ হতে না। এই সহজ সত্যিটা মূর্খেরা বোঝে না। মনে মনে জঙ্গীদের সাফল্য শোনার জন্য উদগ্রীব থাকে। ইসলাম কখনোই শান্তির বার্তা বয়ে আনেনি। ইসলামের ফলাফল যা হবার তা শুরু হয়েছে । বিবিসি বলছে ইউরোপ, ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ডের অনেক দেশে মুসলীমদের উপরে এট্যাক বেড়েছে। শুধু ইংল্যান্ডে বেড়েছে ৬০ শতাংশ। মুসলিমরা নির্যাতিত হয় নিজ দোষে, আর তারা আক্রমন করে ধর্মের দোষে।.... তাই এই পৃথিবীর মানব সভ্যতাকে বাচাতে এই উদ্ভট অমানবির (ইসলাম) নামের অসভ্য জাতিকে এই পৃথিবীর থেকে মুছে দেওয়া প্রয়োজন।

বলো কি নন্দলাল ...??

মাকুতত্ত্ব ( ভারতের মার্ক্সবাদ ) অনুযায়ী ভারতের যে যে স্থানে জঙ্গীবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ আন্দোলন চলছে, সেই স্থান গুলিকে স্বাধীনতা দিয়ে দেওয়া দরকার। তারমানে ... তারা পরাধীন! প্রথমত: একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরাধীন কথাটা যুক্তিযুক্ত নয়। দ্বিতীয়ত: জঙ্গীরা, বিচ্ছিনতাবাদীরাশুধু মাত্র নিজ ধর্মালম্বীদের বাসস্থান বানাতেই অন্য ধর্মালম্বীদের মেরে কেটে জন্মস্থান থেকে তাড়িয়ে দিলেও, তা জায়েজ বা বৈধ হয় কোন যুক্তিতে? যেহেতু কোন আন্দোলনই পারফেক্ট হয় না, ... তাই কি এই সুড়সুড়ি?? ঠিক আছে, ... তাই যদি হয়, তবে.... উপরোক্ত তত্ত্ব অনুযায়ী হিন্দুরাও ভারতে থেকে অন্য ধর্মালম্বীদের বিশেষ করে দ্বিতীয় সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের সেবকদের মেরে কেটে তাড়িয়ে দিতে পারে। ভারতের অস্তিত্ব ও নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার অধিকার তাদের রয়েছে। কারন অন্য ধর্মালম্বীরা সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে ভারত ভেঙে নতুন নতুন ধর্মীয় রাষ্ট্রের জন্ম দিতে চাইছে। ঠিক যেমনটা পূর্বেও হয়েছে। কারনটা খুব সোজা ভারত মাতাকে তারা জন্মভূমিই মনে করে না, তাই ভাগ করে আনন্দ পায়। তাই মাকুতত্ত্ব অনুযায়ীই... হিন্দুরা তাদের দেশমাতা, সভ্যতা, সংস্কৃতি রক্ষার্থেই বিধর্মী হত্যা, বিতাড়নের অধিকারী। কারন নাহলে তাদের স্বাধীনতা বিপন্ন, অস্তিত্ত্ব বিপন্ন! এরপর মাকুরা ভেবে দেখুক তারা কোন আগুন নিয়ে খেলছে, দাঙ্গা, রক্তপাত, অস্থিরতা কারা চাইছে! আসলেই ভারতবর্ষে সেকু-মাকুর মুখোশ ধারীরাই সাম্প্রদায়িকতাটাকে বেশি লালন করে। কিন্তু তারা যেহেতু সংখ্যালঘু থুরি দ্বিতীয় সংখ্যাগরীষ্ঠ ধর্মগোষ্ঠীকে উস্কানি দেয়, সেহেতু তারা সেকুলার হয়ে যায়। এদের এই সেকুলারিজম তত্ত্ব এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে, যে এরা এখনও পাকিস্থান বা বাংলাদেশকেও সংখ্যালঘুর দেশ হিসাবে দেখে। কৃতজ্ঞতাঃ সুমন মন্ডল....

তৃণমূল বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার কারন কী???

তৃণমূল এতো খারাপ কাজ করার পরেও রাজ্যজুড়ে তৃণমূল বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার কারন কী??? ১)বুথ স্তরের তৃণমূল কর্মী যদি রাজ্যস্তরের নেতাদের ফোন করেন তাহলে তার ফোন রিসিভ করেন এবং পাশে থাকেন।। ২)তৃণমূল নেতারা কর্মীদের কোনো অহংকার দেখায় না।। ৩)সবচেয়ে নামজাদা ব্যক্তিত্বরা তৃণমূলের বিধায়ক সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও এলাকার অসুবিধাতে সেই এলাকাতে ছুটে যান।।হয়তো উপকার করতে পারে না সবসময় কিন্তু জনগন বলে এসেছিলো তো।। ৪)আমরা যেভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লিখি তাতে সিপিএম ক্ষমতায় থাকলে তাদের বিরুদ্ধে লিখলে আমাদের হাত কেটে নিতো।। ৫)সিপিএম এমনই সন্ত্রাস করেছে তাই মানুষ সেগুলো ভুলতে পারছে না এখনো।।তৃণমূলও সন্ত্রাস করছে তবে সব জায়গাতে নয়।।তৃণমূলের রাজত্বে বিরোধিরা প্রার্থী দিতে পারছে।।সিপিএম তো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হোতো।। বিদ্রঃকর্মীদের যোগ্য সম্মান দিলেই দল বাড়বে।। Subhadip Khan