আমির খানের ভাষায় আমির খানকে বেস্ট জবাব।
আমির খান বলেছিলেন " আমার দেশপ্রেম নিয়ে কারুর কোন সার্টিফিকেট এর দরকার নেই!!! "
আজ পরেশ রাওয়াল বললেন, " যদি আমির খানের দেশপ্রেমিক সার্টিফিকেট এর দরকার না পড়ে, তবে আমার মহান ভারত মাতার সহিষ্ণুতা নিয়ে কারুর সার্টিফিকেট এর দরকার নেই। "
কি আমির হুসেইন খান মহাশয় জবাব টা যথাযথ হলো???
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Friday, 27 November 2015
জি নিউজের. "তাল ঠোককের"
কাশ্মীরি পন্ডিত দের কাহিনী দেখে চোখে জল ধরে রাখতে পারলাম না, জি নিউজের. "তাল ঠোককের " অনুষ্ঠানে এই দুর্দশার ছবি চোখের সামনে জ্যান্ত হয়ে উঠল, ছি হিন্দু সমাজ ছি, কিভাবে সহ্য করলো তারা?? এতদিন পরেও তাদের কোন সুরাহা করতে পারলোনা কোন রাজনৈতিক দল, উল্টে কামড়াকামড়ি করছে নিজেদের মধ্যে, ধিক্কার জানাই, আর ভাল লাগছে না, এতদিন হিন্দুত্ববাদী লেখালেখি করে এটা বুঝতে পেরেছি হিন্দুদের এক করা অসম্ভব, নইলে ৯০ বছর ধরে হলো না আর হবে না, বিদায় বন্ধু রা, হিন্দুদের নিয়ে রাজনীতি হয়, তাদের সমস্যার সুরাহা কেউ করেনি, করবেও না, তার থেকে সমাজের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুজন গরীব হিন্দুদের পাশে দাড়ালে অনেক পুন্য হবে।
জয় শ্রীরাম।
আর্যরা বহিরাগত নয় 2
বর্তমানে ভারতে আর্য অনার্য নিয়ে ঝড় উঠছে, আমি ধারাবাহিক লেখায় প্রমাণ করে দেবো আর্যরা বহিরাগত নয়, এটা ইংরেজ দের ষড়যন্ত্র।
দ্বিতীয় পর্ব
( লেখক শামসুজ্জোহা মানিক এর থেকে সংগৃহীত)
বিশেষত ১৯২০-এর দশকে সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কারের পর থেকে ক্রমবর্ধমান প্রত্নতাত্ত্বিকআবিষ্কারসমূহ বহুকাল পূর্বে ব্রিটিশ এবং ইউরোপীয় পণ্ডিতদের দ্বারা বহু প্রচারিত ভারতবর্ষে আর্য আক্রমণ তত্ত্বকে সম্পূর্ণরূপে ধূলিসাৎ করলেও এখনও তারা যেমন এ কথা স্বীকার করতে প্রস্তুত নয় যে আর্যরা মোটেই ভারতবর্ষে বহিরাগত বা হানাদার জনগোষ্ঠী নয়, বরং এখানকারই স্থানীয় অধিবাসী, যাদের কাছে আর্য একটি গুণবাচক শব্দ মাত্র, তেমন তাদের অন্ধ অনুসারী উপমহাদেশীয় পণ্ডিতরাও সে কথা স্বীকারের সৎ সাহস রাখেন না।
সিন্ধু সভ্যতায় ব্যাপক প্রত্নতাত্ত্বিক, ভূতাত্ত্বিক, দেহতাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক ইত্যাদি গবেষণার মাধ্যমে বেশ কিছু কাল যাবৎ প্রত্নতাত্ত্বিকপণ্ডিতরা মূলত একমত হয়েছেন যে, সিন্ধু সভ্যতার মূলভূমি যে অঞ্চলে অবস্থিত অর্থাৎ বর্তমান সমগ্র পাকিস্তান এবং বর্তমান ভারতের উত্তর-পশ্চিমের বিশাল অঞ্চলে প্রায় দশ হাজার বৎসর পূর্বে যে জনগোষ্ঠীসমূহ বসতি স্থাপন করে তাদের ধারাবাহিকতা প্রায় খ্রীষ্টপূর্ব ৮ম শতাব্দী পর্যন্ত অব্যাহত থেকেছে। অর্থাৎ এই সুদীর্ঘ কালপর্বে এই বিশাল অঞ্চলে কোন ধরনের উল্লেখযোগ্য বহিরাগমন বা বহিরাক্রমণ ঘটে নাই। অথচ ইউরোপীয় পণ্ডিতদের মতে খ্রীষ্টপূর্ব ১২ শত থেকে খ্রীষ্টপূর্ব ১৫ শতকের মধ্যে কোন এক সময় ভারতবর্ষের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে ভারতবর্ষে আর্য আক্রমণ ও আবাসন ঘটে। এভাবে প্রত্নতত্ত্বের বিচারে ভারতবর্ষে আর্য আক্রমণতত্ত্ব সম্পূর্ণ রূপে বাতিল হয়ে যায়। এমন অবস্থায় ভারতবর্ষের ইতিহাস ও সমাজ বিকাশের ব্যাখ্যায় দেখা দেয় শূন্যতা।
এ শূন্যতা পূরণে এতকাল ইউরোপীয় ভ্রান্ত ইতিহাস ব্যাখ্যার জের টেনে গোঁজামিল দেওয়া হচ্ছিল। এই অবস্থায় আমি ঋগ্বেদের উপর অধ্যয়নের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে এটি কোন আক্রমণকারী পশুপালক ও যাযাবর জনগোষ্ঠীর গ্রন্থ নয়, বরং এটি সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের একাংশ দ্বারা সংগঠিত একটি ধর্ম সংস্কার আন্দোলনের সময় রচিত মন্ত্রসমূহের সমন্বয়ে গঠিত ধর্মগ্রন্থ। এই ধারণার ভিত্তিতে এবং মহাভারত ও প্রাচীন পার্সীদের ধর্মগ্রন্থ আবেস্তাসহ প্রাচীন আরও কিছু গ্রন্থ অধ্যয়নের পর ১৯৯০ সালে আমি ‘ভারত ইতিহাসের সূত্র সন্ধান’ নামে একটি গ্রন্থ রচনা করি। তবে এটি অপ্রকাশিত রয়ে যায়। পরে আমার সঙ্গে নূতন উপলব্ধি ভিত্তিক অনুসন্ধানে পণ্ডিত ও গবেষক শামসুল আলম চঞ্চল যোগ দেন। আমরা উভয়ে সিন্ধু সভ্যতার প্রত্নতাত্ত্বিকতথ্যসমূহের উপর ব্যাপক অধ্যয়ন করি এবং তার ভিত্তিতে সিন্ধু সভ্যতার সঙ্গে ঋগ্বেদ এবং আর্যদের সম্পর্কের বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত অধিকতর দৃঢ়বদ্ধ হয়।
আমরা উভয়ে সিন্ধু সভ্যতা ও আর্যদের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রত্নতত্ত্ববিদও ঐতিহাসিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করি। ১৯৯৪ সালে শামসুল আলম চঞ্চল আমার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে The Indus Civilization and the Aryans নামে একটি প্রবন্ধ তৈরী করে সিন্ধু সভ্যতার বিষয়ে বর্তমান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতত্ত্ববিদএবং পাকিস্তান সরকারের প্রত্নতত্ত্ব ও যাদুঘর বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি-এরপ্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত ডঃ রফিক মুগলের নিকট পাঠান। রফিক মুগল এই প্রবন্ধকে একটি সফল প্রয়াস হিসাবে উল্লেখ করে এটিকে যথাশীঘ্র প্রকাশের জন্য তাগিদ দিয়ে উত্তর দেন। এর পর আমরা উভয়ে ১৯৯৫ সালে The Aryans and the Indus Civilization নামে একটি ইংরাজী বই এবং ২০০৩ সালে ‘আর্যজন ও সিন্ধু সভ্যতা’ নামে একটি বাংলা বই প্রকাশ করি। এখানে প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা উচিত যে, আর্যরা যে সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসী আমাদের এই বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কিছু সংখ্যক প্রত্নতাত্ত্বিকএবং বেদ পণ্ডিতও তাদের মতৈক্যের কথা জানান। যেমন ভারতের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক ও প্রত্নত্ত্ববিদ ডঃ আর, এস, বিশ্ট্, সিন্ধু সভ্যতার উপর ভারতের বিখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদডঃ এস, আর, রাও এবং ভারতের বিখ্যাত বেদ পণ্ডিত ডঃ ভগবান সিং, ইত্যাদি।
আর্যরা বহিরাগত নয় 1
বর্তমানে ভারতে আর্য অনার্য নিয়ে ঝড় উঠছে, আমি ধারাবাহিক লেখায় প্রমাণ করে দেবো আর্যরা বহিরাগত নয়, এটা ইংরেজ দের ষড়যন্ত্র।
আজ প্রথম পর্ব
( লেখক শামসুজ্জোহা মানিক এর থেকে সংগৃহীত)
মানুষ সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরণা পায় তার অতীত ইতিহাসের ভিতরকার গৌরবময় ঐতিহ্য থেকে। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদীরাভারতবর্ষে তাদের উপনিবেশিক শাসনকালে ভারতবর্ষের জাতিসমূহ এবং জনগণকে এই গৌরবের ঐতিহ্যবোধ থেকে বঞ্চিত করে তাদেরকে চিরপদানত করে রাখার উদ্দেশ্যে ভারতবর্ষের এক মিথ্যা ইতিহাস রচনা করেছিল। এই মিথ্যা ইতিহাস আমাদেরকে শিখিয়েছিল যে, আর্যরা ভারতবর্ষে বহিরাগত ও আক্রমণকারী, তারা ছিল পশুপালক, যাযাবর এবং বর্বর। এবং তারা এও শিখিয়েছিল যে আর্যরা ছিল ইউরোপীয়দের মত শ্বেতাঙ্গ এবং উন্নত নাসা, ইত্যাদি।
আর্য তথা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর আদি গ্রন্থ ঋগ্বেদ, যা কিনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আদি ধর্মগ্রন্থ, তার ভ্রান্ত, বিকৃত ও প্রতারণাপূর্ণ এক ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে তারা এক নির্জলা মিথ্যাচারকে ইতিহাসের নামে চালিয়ে দিয়েছে। যেহেতু তারা শাসক এবং উন্নততর ও পরাক্রমশালী এক সভ্যতার অধিকারী সেহেতু পরাধীন ভারতীয় উপমহাদেশের আধুনিক শিক্ষিত মহল ও পণ্ডিতদের প্রায় সকলে এই মিথ্যাকে সত্য বলে মেনে প্রতারিত হয়েছিল। বিস্ময়ের ব্যাপার হল ১৯৪৭ সালে বিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শাসকরা এই উপমহাদেশ থেকে বিদায় নেবার ৬৬ বৎসর পরেও এই একই মিথ্যা তত্ত্ব বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ ভারতীয় উপমহাদেশে ইতিহাসের নামে চলছে।
অথচ মুক্তমন নিয়ে ঋগ্বেদ পাঠ করলে যে কোন পাঠকের ব্রিটিশ তথা পাশ্চাত্য পণ্ডিতবর্গের বেদ ব্যাখ্যার এই অন্তঃসারশূন্যতাকে ধরতে পারার কথা। ঋগ্বেদের কোথায়ও এ কথা বলা নাই যে, তার রচয়িতা আর্যরা সপ্তসিন্ধু অঞ্চল তথা ভারতবর্ষে বহিরাগত। বরং ঋগ্বেদ রচয়িতা ঋষিরা বারবার সপ্তসিন্ধুকে নিজেদের আবাসভূমি বলেছেন। শুধু তাই নয় ঋগ্বেদ থেকে বেরিয়ে আসে উন্নত নগর সভ্যতার চিত্র। ঋগ্বেদের ঋষিদের দ্বারা বর্ণিত আর্যদের বিশাল বিশাল ভবন, নগর, লাঙ্গল ও জলসেচ নির্ভর উন্নত কৃষি ব্যবস্থা, বস্ত্র বয়ন, ধাতু শিল্প, সমুদ্র বাণিজ্য ইত্যাদি কোনটিই যাযাবর পশুপালক অথবা অসভ্য আর্য সমাজের চিত্র অঙ্কন করে না।
এটাও উল্লেখযোগ্য যে, ঋগ্বেদসহ প্রাচীন সকল ভারতীয় সাহিত্যে আর্য শব্দটি কোন জাতিকে নির্দেশ করে না। বরং এটি একটি গুণবাচক শব্দ মাত্র। স্মরণাতীত কাল থেকে প্রাচীন ভারতবর্ষে সভ্য, ভদ্র, মহৎ, উন্নত, শ্রেষ্ঠ ইত্যাদি গুণ বাচক শব্দের সমার্থক হিসাবে এটি সর্বদা ব্যবহৃত হত। মর্যাদা সূচক সম্বোধন হিসাবেও আর্য শব্দ ব্যবহৃত হত। ইউরোপীয় পণ্ডিতরা যেভাবে জাতিবাচক শব্দ হিসাবে আর্য শব্দকে ব্যবহার করেছেন প্রকৃত ঘটনা মোটেই তা ছিল না। কাজেই যাযাবর ও বহিরাগত হিসাবে ভারতবর্ষে আর্য জাতির আক্রমণ ইউরোপীয় পণ্ডিতদের দ্বারা তৈরী ইতিহাসের নামে একটি কল্পকথা মাত্র।
(চলবে)
সহিষ্ণু দেশের কথা
যে দেশে থেকে মুসলিমরা ধর্মের নামে ৩৭% সরকারি সংরক্ষন পায়, হজে গেলে অনুদান পায়, মাদ্রাসা খুলে আরবি ভাষায় জেহাদি শিক্ষা দেওয়ার অনুমোদন পায়, মুসলিম হয়েও হিন্দুদের মতই ধর্মীয় স্বাধীনতা পায়, প্রধান বিচারপতি,রাষ্ঠ্রপতি,উপ রাষ্ঠ্রপতি হতে পারে, হিন্দু প্রধান দেশে হিন্দুদের গো মাতা হত্যা করাতে পায়, মাথায় সাদা টুপি চাপিয়ে ট্রাফিক রুল কে বুড়ো আঙ্গুল দেখাতে পায়, কাশ্মীরি পন্ডিতদের মেরে তাড়িয়ে তাদের বাড়ি দখল করতে পায়, হিন্দু পুন্যার্থিদের ট্রেন সমেত জ্বালিয়ে দিতে পায়, ১১-১২ টা সন্তান নিতে পায়, এদেশে পাকিস্তানের পতাকা তুলতে পায়, হিন্দুদের পুজা বন্ধ করে দিতে পায়.... এত কিছুর পরও রাজনৈতিক নেতাদের এদের প্রতি অবাধ দরদ !! তবুও নাকি এদেশ এদের কাছে অসহিষ্ণু !!
এবারে তবে দেখে নেওয়া যাক কিছু সহিষ্ণু দেশের কথা... যেখানে আমির-কিরন জুটি সুখে থাকতে পারবে ৷
Muslim fundamentalists target Kerala female journalist after she exposed abuse of children in a Madrasa-INews - IBNLive Mobile
Muslim fundamentalists target Kerala female journalist after she exposed abuse of children in a Madrasa-INews - IBNLive Mobile http://m.ibnlive.com/news/india/muslim-fundamentalists-target-kerala-female-journalist-after-she-exposed-abuse-of-children-in-a-madrasa-1168936.html
মাদ্রাসাতে ঘটা যৌন নির্যাতন ফাঁস করে বিপাকে
মাদ্রাসাতে ঘটা যৌন নির্যাতন ফাঁস করে বিপাকে http://www.bbc.com/bengali/news/2015/11/151126_sg_kerala_journo_madrassa_abuse_trolled?SThisFB
Subscribe to:
Posts (Atom)