Wednesday, 13 January 2016

উত্তরপ্রদেশে উর্দু ভাষাভাষী লোকজনকে ভাষাশিক্ষা দিতে নিয়োগ দেওয়া হবে সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক।

উত্তরপ্রদেশে উর্দু ভাষাভাষী লোকজনকে ভাষাশিক্ষা দিতে নিয়োগ দেওয়া হবে সাড়ে তিন হাজার শিক্ষক। এ নিয়ে সম্প্রতি একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রাজ্য সরকার। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একাধিক স্ত্রী আছেন এমন মুসলিম লোকজন চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এমনকি একাধিক স্ত্রী আছে এমন পুরুষকে যেসব মুসলিম নারী বিয়ে করেছেন, তাঁরাও চাকরির জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার (টিওআই) খবরে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদবের নেতৃত্বাধীন সমাজবাদী পার্টির সরকারের এ বিজ্ঞপ্তিতে এরই মধ্যেই চটেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসলিমরা। ‘মুসলিম পারিবারিক আইন বোর্ড’ এ বিজ্ঞপ্তিকে মুসলমানদের অধিকারের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে। কর্মকর্তারা আরো বলেন, এ নির্দেশনা শুধু উর্দু শিক্ষকদের জন্য নয়। এটা রাজ্যের যেকোনো বিষয়ের শিক্ষকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

মানবতাই সবকিছুর উর্ধ্বে

*** মানবতাই সবকিছুর উর্ধ্বে *** লিখেছেন: নাহিদ এনাম (Nahid) যারা বলছে এবং ছবি দিয়ে প্রমান দেখাচ্ছে যে,'সারা ঘর আগুনে পুঁড়ে ছাই হয়ে গেলেও কোরআন শরিফ পোঁড়ে নাই,কোরআন শরিফ কেউ কখনো আগুনে পোঁড়াতে পারে না'! ঠিক তারাই আবার বলে 'অমুক হিন্দু,অমুক ইহুদী,অমুক নাস্তিক,অমুক অমুসলিম কোরআন শরিফ পুঁড়িয়েছে,তাদেরআক্রমন করো'! ঠিক এই শ্রেণীর কিছু প্রাণী গুজব তুলেছে রাজধানীর বাড্ডায় এক হিন্দু সাধু কোরআন পুঁঁড়িয়েছে!যারফলে তারা মিছিল করছে,বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার/গুজব চালিয়ে হিংস্র বর্বর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য পাগলা কুকুরের মতো লেগেছে! তাহলে বুঝুন এই স্ববিরোধী এরা মানুষ নাকি নির্বোধ বর্বর কোনো প্রাণী!!! তাছাড়া এদেশে কোনো অপরাধ না করেও এমনিতেই অনেক হিন্দুরা থাকতে পারছেনা,নির্যাতিত হতে হচ্ছে,সেখানে একজন হিন্দু সাধু কোরআন পোঁড়াবে,এটা জাত নির্বোধ ছাড়া কেউ ভাবতেও পারবে না। হিংসা একটি মানসিক রোগ,আর ধর্মীয় হিংসা একটি সামাজিক রোগ। মানসিক রোগ শুধুমাত্র ওই রোগাক্রান্ত ব্যক্তির সর্বনাশ করে,কিন্তু সেই অসুখ যখন ধর্মের ভারে উপচে পড়ে সমাজে মিশে যায়,তখন ওই রোগাক্রান্ত প্রাণী ছাড়াও সুস্থ মানুষদেরও সর্বনাশ হয়!কারন আমাদের সমাজ চলছে মানুষের অবয়বে রোগাক্রান্ত বর্বর প্রাণী এবং সুস্থ মানুষের সমন্বয়ে।সেই সমাজ জুড়ে যখন রোগের প্রভাব পড়ে তখন উভয় শ্রেনীই ক্ষতিগ্রস্ত হতে বাধ্য। আপনার মধ্য যদি বিন্দুমাত্র হুশ থাকে,বিবেক থাকে,বিবেচনা থাকে তাহলে খুব শান্তভাবে ভাবুন, কেউ একজন একটি কোরআন শরীফ,বাইবেল,গীত া,ত্রিপিটক কিনে এনে তা ঘরের মধ্যে গোপনে পুঁড়িয়ে দিলো,তাতে কি আপনার ধর্মের কোথাও খসে গেলো? ধর্ম কি কোনো একটি বস্তু? তার ক্ষয় হতে পারে? ধর্ম অদৃশ্য কিন্তু ধর্মীয় উপাদান দৃশ্যমান।ধর্মেরসে দৃশ্যমান উপাদানগুলোকে অপব্যবহার করে ধর্মকে ভারযুক্ত উপাদান হিসেবে ধারন করানো হয় বহু সংখ্যক মানুষের মস্তিস্কে।যে ভার বেশিরভাগ মানুষই বহন করতে পারেনা এবং তারাই মানুষ থেকে বর্বর প্রাণীতে পরিনত হয়!আর এই বর্বর প্রাণীর মুল কারিগর হলো ধর্মের গুরু শ্রেণীর কিছু উন্নত মস্তিস্কের শয়তান।সমাজে যত ধর্মীয় অশান্তি থাকবে ততোই ওই শয়তান শ্রেণির অস্তিত্ব শক্ত হবে এবং মুল্যায়িত হবে! *****HUMANITY *****

আজ আবার একটা হিন্দু-মুসলিম দের ঝামেলা হতে চলেছে সিউড়ীর কড়িধ্যার গ্রামে।

আজ আবার একটা হিন্দু-মুসলিম দের ঝামেলা হতে চলেছে সিউড়ীর কড়িধ্যার গ্রামে। সিউড়ী থেকে কড়িধ্যা হাইরোডের পাশে একটা পাথরচাপুড়ির বিশাল দাতা বাবার গেট হচ্ছে কারন কড়িধ্যার গ্রাম হতে পাথরচাপুড়ী ৫-৬ k.m হবে শুধু তাই নয় কড়িধ্যা থেকে বক্রেশ্বর 10-12K.M হবে। সেটা হচ্ছে ভোলা মহেশ্বর এ পীঠস্হান কথা ছিল ওই গেটে যেমন মুসলিমদের পাথরচাপুড়ীর মসজিদের কথা উল্লেখ থাকবে ঠিক তেমনি বক্রেশ্বর মন্দিরের কথাও থাকবে কিন্তু সেটা হবে না শুধু মাত্র পাথরচাপুড়ীর কথা দেওয়া হবে এই নিয়ে RSS এরা একটা আন্দোলন করার কথা আছে কিন্তু এখনো আনন্দোলন শুরু হয়নি আনন্দোলন সুষ্ঠু ভাবেই হবে যদি না মুসলিমরা ঝামেলা করে.... আমার মনে হয় এটাও কোন News চ্যানেলে দেখাবে না তাই আমি Highlight করলাম। ‪#‎ RSS‬

শেক্সপীয়ার ক্লাবে স্বামী বিবেকানন্দ প্রদত্ত ভাষণের অংশবিশেষ

১লা ফেব্রুয়ারি ১৯০০, ক্যালিফোর্নিয়ার শেক্সপীয়ার ক্লাবে স্বামী বিবেকানন্দ প্রদত্ত ভাষণের অংশবিশেষ - " মুসলমানরা ঈশ্বরের বিষয়ে সবচেয়ে স্থূলদৃষ্টিসম্পন্ন এবং সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন । তাদের একটাই সিদ্ধবাক্য : " ঈশ্বর মাত্র একজন এবং মহম্মদই তাঁর একমাত্র প্রেরিত পুরুষ । " তার বাইরে সব কিছুই নিকৃষ্ট, শুধু তাই নয় সেই সব কিছুকে অবিলম্বে ধবংস করতে হবে । যারা এই তত্বে বিশ্বাস করেনা, এমন সব নরনারীদের প্রত্যেককে এক মুহুর্তের হুঁশিয়ারি দিয়ে হত্যা করতে হবে । যা কিছু এই উপাসনার অন্তর্ভুক্ত নয়, তা সব এখনই ভেঙে ফেলতে হবে। যে সব বই অন্য কিছু শিক্ষা দেয়, সেই সব বই পুড়িয়ে ফেলতে হবে। প্রশান্ত মহাসাগর থেকে আটলান্টিক মহাসাগর পর্যন্ত সারা জগত জুড়ে রক্তের বন্যা বয়ে গেছে । এই হল ' ইসলাম ধর্ম ' । " ১১৫ বছর পরেও কথাগুলো অত্যন্ত বাস্তব লাগে । নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য ইসলামের এখন প্রয়োজন বিবর্তন , যুদ্ধ নয় । নাহলে অন্যকে ধবংস করতে গিয়ে একদিন সে নিজেই ধবংস হয়ে যাবে ...

হিন্দুর সহিত মিলন করিতে চাই

"বস্তুতঃ মুসলমান যদি কখনও বলে - হিন্দুর সহিত মিলন করিতে চাই, সে যে ছলনা ছাড়া আর কিছু হইতে পারে, তাহা ভাবিয়া পাওয়া কঠিন | একদিন মুসলমান লুন্ঠনের জন্যই ভারতবর্ষে প্রবেশ করিয়াছিল | সেদিন কেবল লুঠ করিয়া সে ক্ষান্ত হয় নাই, মন্দির ধ্বংস করিয়াছে, প্রতিমা চূর্ণ করিয়াছে, নারীর সতীত্ব হানি করিয়াছে, বস্তুত অপরের ধর্ম ও মনুষ্যত্বের উপরে যতখানি আঘাত ও অপমান করা যায়, তা করিতে কোথাও কোনো সঙ্কোচ করে নাই "………… শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |

স্বামী বিবেকানন্দ জীর ইংরাজি/ গ্রেগারিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে জন্ম তিথী।

আজ স্বামী বিবেকানন্দ জীর ইংরাজি/ গ্রেগারিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে জন্ম তিথী। স্বামীজি সেই ১০০+ বতসর পূর্বে শিকাগো মহাসভায় দাড়িয়ে বিশ্বের কাছে আহ্বান জানায় সম্প্রীতির জন্য। দিনটি ছিলো ১১ সেপ্টম্বর। ঠিক ১০৮ বতসর পর এই দিন, ২০ শতকের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুসলিম ব্যাক্তি অসামা বিন লাদেন আহ্বান জানায় বিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য হিংসার পথ অবলম্বন করে। দুই সময়, দুই ব্যাক্তি, দুই ধর্মের নিজ নিজ যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রতিক। একই দেশ, একই দিন একই মাস, ১০৮ বৎসরের ফারাক। আমরা কি এগোচ্ছি না পিছিয়ে পড়ছি? কাকে আপনি করবেন সমর্থন, কে আপনার শিক্ষাগুরু?

পাকিস্তানের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করেন কোন লজ্জায়?

"পাকিস্তানের সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করেন কোন লজ্জায়? মনে নেই আজ আপনারা সুরক্ষিত আছেন, সেদিন আমার ২৩ বছরের ছেলের দুই চোখ উপড়ে গরম লোহার রড দিয়ে কানের পর্দা ফাটিয়ে, ব্লেড দিয়ে ঠোট কেটে নেওয়া সত্ত্বেও একটি খবর -২ ডিগ্রির প্রিসন সেলে প্রকাশ করেনি বলে?" এমনি ভাবে পাকিস্তানের প্রেমিদের প্রতি কটাক্ষ করলেন কার্গিল যুদ্ধে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী আইন ভেঙ্গে নৃশংস ভাবে মৃত ২৩ বছরের শহিদ ক্যাপ্টেন সৌরভ কালিয়ার মাতা ও পিতা ডঃ কালীয়া। পাকিস্তানি গজল গায়কের আগমন, ভারত পাক ক্রিকেট ও একাধিক ক্ষেত্রে যখন পাকিস্তানের সাথে "আমান কি আশা"র উদ্যোগ নিচ্ছে ভারতের বিভিন্ন সংস্থা, তখন ১৭ বছর ধরে ছেলের জন্য আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়া ক্যাপ্টেনের মাতা পিতার এই একটিই অভিযোগ "সৌরভকে ওরা অমানুষুএর মত সারাদিন ধরে মারত, তাঁর লাশে মাথার খুলির একটি হাড়ও আস্ত রাখে নি, পায়ের নখ তুলে নিয়েছিলো স্কেলিন দিয়ে, গোটা গায়ে সিগারেটের ছ্যাকা- এই দেখে কোন মার্কিন বা ইজ্রাইলে সরকার থাকলে গোটা পাকিস্তানটাকে নষ্ট করে দিত, আর সেই পাকিস্তান যখন একটা অনুতাপ প্রকাশ করছেনা তাঁর জন্য যে আপনাদের জন্য প্রাণ দিলো, তখন আপনারা কোন লজ্জায় তাদের সাথে গলা মেলান? কি বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন আগামী প্রজন্মের সৌরভদের কাছে আপনারা?" ১৯৯৯ থেকে আজও লড়ছেন ডঃ ও মিসেস কালিয়া একটি পাকিস্তানের কাছ থেকে অনুতাপের জন্য, গড়িয়েছে দিন, হইয়েছে প্রোটেস্ট, উঠা নামা নানা ঘটনা, কিন্তু হয়নি ইনসাফ। ঠিক কি বলেছিলেন সৌরভের লাশ দেখে প্রথমবার তাঁর মা ও দাদা, দেখে নিন এখানে- https://www.youtube.com/watch?v=iJPRHsU2j7I