Friday, 22 January 2016

২০২০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের দখল নিতে পারে আইসিস।

২০২০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের দখল নিতে পারে আইসিস। বহিরাগত ইসলামপন্থী জঙ্গিদের ঠেকাতে তাই প্রস্তুত হচ্ছে হিন্দু স্বাভিমান গোষ্ঠী। কড়া প্রশিক্ষণে তৈরি হচ্ছে মাতৃভূমির জন্য বলিপ্রদত্ত ধর্মসেনা। গত কয়েক মাসে রাজধানী দিল্লির শহরতলি থেকে উত্তরাখণ্ডের সীমান্ত বরাবর অঞ্চলে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে হিন্দু স্বাভিমান গোষ্ঠী। বর্তমানে মোট ১৫০০ 'যোদ্ধা' এই গোষ্ঠীতে অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি নেতাদের। এক সপ্তাহ ধরে গোষ্ঠীর ধর্মসেনা বাহিনীর চারটি শিবির ঘুরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জোগাড় করেছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া। জানা গিয়েছে, দুর্ধর্ষ ইসলামিক স্টেট-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তৈরি হচ্ছে ধর্মসেনা। সারা দেশে ৫০টি প্রশিক্ষণ শিবির খোলা হয়েছে। শুধুমাত্র মীরাট শহর ও মুজাফ্ফরনগর জেলাতেই রয়েছে ৩টি শিবির। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও বছর আটেকের শিশুও। যোদ্ধাদের প্রত্যেককে তরোয়াল ও আগ্নেয়াস্ত্র চালানোর তালিম দেওয়া হচ্ছে। গাজিয়াবাদের দাসনার এক মন্দিরে এই গোষ্ঠীর প্রধান দপ্তর। নেতাদের দাবি, প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে সদস্য সংখ্যা। সোমবার হিন্দু স্বাভিমানের অন্যতম শীর্ষ নেতা তথা ভিএইচপি-র দুর্গা বাহিনীর সদস্য চেতনা শর্মা টিওআই-কে জানিয়েছেন, 'আমাদের খুব সহজ লক্ষ্য- কমবয়সীদের ধর। আমাদের সদস্যদের বয়স ৮-৩০ বছর। তবে শিশুদের প্রথমেই অস্ত্র ধরানো হয় না। গোড়ার ৬ মাসে তাদের মানসিক ভাবে প্রস্তুত করা হয়। তাদের গীতার শ্লোক পড়ানো হয়। এখানে শিশুরা অকুতোভয়। হিন্দুদের মৃত্যু সম্পর্কে ভীতি থাকা উচিত নয় কারণ আমরা পুনর্জন্মে বিশ্বাসী।' ইদানীং ভারতে একাধিক সন্ত্রাস হানার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছে আইসিস। এই পরিস্থিতিতে নবীন প্রজন্মের মনে জায়গা করে নিচ্ছে ভিএইচপি, হিন্দু স্বাভিমানের মতো হিন্দুবাদী গোষ্ঠীগুলি। মোদীনগরের রোরি গ্রামে ধর্মসেনার এমনই এক গোষ্ঠীতে সিশুদের তালিম দেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাক্তন জওয়ান পরমিন্দর আর্য। তিনি জানিয়েছেন, 'আমাদের প্রশিক্ষণের পদ্ধতি খুব সহজ। দেশে ঘটে চলা একের পর এক নাশকতার ঘটনা সম্পর্কে ছোটদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।' গত ২ জানুয়ারি পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে জঙ্গি হানা নিয়ে এমনই আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। মজার কথা, যে পুলিশকর্তার নাকের ডগায় এমন একাধিক শিবির চলেছে, মীরাটের সেই আইজি অলোক শর্মা স্বীকার করেছেন, 'এমন কিছু হচ্ছে বলে আমাদের কাছে কোনও খবর নেই। ব্যাপারটি সম্পর্কে অবশ্যই খোঁজ নেব।' গাজিয়াবাদের বামহেটা গ্রামে ধর্মসেনার শিবির পরিচালক তথা প্রাক্তন কুস্তিগির অনিল যাদবের সাফ কথা, 'এই সমস্ত শিবির আমরা কুস্তির আখড়ার আদলে গড়ে তুলেছে এবং তা কখনওই বেআইনি নয়। তবে প্রয়োজনের খাতিরে কিছু কিছু গোপন শিবিরও চালানো হয়। আমরা চাই না পুলিশ এগুলি বন্ধ করে দিক। শিবিরে অস্ত্র প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। যদি কোনও শিশু চায়, তাহলে তাকেও এই তালিম দেওয়া হয়। গত ২ বছরে প্রায় ১৫০০০ শিশুকে তালিম দেওয়া হয়েছে। ভেবে দেখুন, তাহলে আগামী ৫ বছরে কী হবে।' দাসানের মন্দিরেই ঘাঁটি গেড়েছেন স্বামী নরসিংহনন্দ সরস্বতী ওরফে দীপক ত্যাগী। ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি সমাজপাদী পার্টির সদস্য ছিলেন, মুলায়ম সিং যাদবকে গুরু মানতেন। মন্দিরের বাইরের ফলকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা রয়েছে: এই মন্দির হিন্দুদের পবিত্র ধর্মস্থান। এখানে মুসলমানদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। প্রধান পুরোহিত বাবা নরসিংহনন্দ সরস্বতীর অনুমতি অনুসারে। বছর ২০ আগে তাঁর সম্প্রদায়ের এক মহিলা শ্লীলতাহানির জেরে আত্মহত্যা করার পর তিনি গোষ্ঠীবদল করেন। সরস্বতীর বিশ্বাস, উত্তরপ্রদেশের দেওবাঁদের দারুল উলুম-ই এদেশে আইসিস-এর মূল সূত্র। তাঁর মতে, যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই এই হিন্দু গুরুর নিদান, 'আমার মতে, আইসিস-এর মোকাবিলা করতে গেলে হিন্দুদেরও একই রকম চরমপন্থীর প্রয়োজন। ইসলামিক স্টেট-এর একমাত্র জবাব হিন্দু রাজ্য। আমরা আগুনের জবাব আগুন দিয়েই দিতে চাই। এই ভাবেই আইসিস-ও বড় হয়েছে।' হিন্দু স্বাভিমান-এর অভিযোগের উত্তরে দেওবাঁদের দারুল উলুম-এর উপাচার্য মৌলানা আবুল কাশিম নোমানি জানিয়েছেন, 'সারাদিন আমাদের দরজা খোলা রয়েছে। যাঁর ইচ্ছে প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারেন। প্রতিটি পাঠ্যবিষয় ও পাঠ্যশৃঙ্খলা একটি খোলা বই ছাড়া কিছু নয়। আইবি ও পুলিশ কর্তারা, সরকারি আধিকারিকরা, গোয়েন্দা সংস্থার কর্তারা পর্যন্ত আমাদের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে এসেছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের১৫০ বছরের সুদীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। কখনও তা সমালোচনার মুখে পড়েনি। যে কোনও অনুসন্ধান অভিযানকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি। আমাদের কিছু লুকোনোর নেই। আইসিস সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আমরা সংবাদমাধ্যম সূত্রেই পেয়ে থাকি।'

আসল কথা ৭৮৭ বার আবার বলি।

তাহলে এই নিয়ে সেই আসল কথা ৭৮৭ বার আবার বলি। 'আমরা' এই সংজ্ঞা টা কিন্তু খুবই এনিগ্ম্যাটিক! কারণ বলি, আমি যখন আমরা বোঝায় তখন ইন্ডিয়ার বাংলাদেশী হিন্দুদের বাচানোর জন্য ২.৫ লক্ষ পাকিস্তানি মেরে ১৯৭১ বোঝায়। আমরা বলতে বিশ্বে কোথাও হিন্দু নির্জাতন হলে তার পাশে দাঁড়ানো বোঝায়। কিন্তু টমাদের ক্ষেত্রে এটা খাটে না। কারণ বলি, কিছু মনে করো না, কিন্তু তোমাদের ইতিহাসটা সকলে জানে। মুসলমান আরব রা এদেশে এসে নিজেদের সুবিদার্থে একদল মানুষকে নিজের গোলাম বানানোর জন্য ধর্মান্তরিত করে যার বংশধর তোমরা। তুমি জিন্নাহর হিন্দু ইতিহাস ইকবাল আল্লামার হিন্দু ইতিহাস দেখে নাও। আমি এই জন্য বলছি কারণ আজও তোমাদের 'ম্লেচ্ছ' বা জাতহীনের চোখে দেখে। তুমী হয়তো ভাববে যে আমি এমনি বলছি জাস্ট অপমান করতে কিন্তু তাই নয়। উদাহরন কিন্তু আরোবি দিয়েছে। ১৯৪৮ এ বিশ্বের অন্যতম ধনী মানুষ ছিলেন হাইদ্রাবাদের নবাব। তিনি পাকিস্তানে নিজের রাজত্ব নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁদেরকে ২০ কোটি রুপি সেই আমোলে বাজেটে দেন। তার ওয়াজিরের আশা হাইদ্রাবাদের আক্রমণ হলে তোমার আশার মতন সমগ্র ইসলামি দুনিয়া বাঁচাতে আসবে। কিন্তু কি হোল জানো? একোদা ১০০ হিন্দু মেরে ১০ লক্ষ্য হিন্দু মারবো ঘোষণা করা ওয়াজির কে গ্রেফতার করে ফুটন্ত জলে জ্যান্ত সিদ্ধ করে পুরো গাঁয়ের চামড়া তুলে তুলে নিয়ে তার সামনে আর্মির এলশেসিয়ান ডগ দিয়ে খাওয়ানো হয়। এইরকম জুনাগাড়ের নবাবের হাল হয় যে প্রাণভয়ে পাকিস্তানে যাওয়ার চুক্তি সই করে শেষ মেস নিজের পোষা কুকুর নিয়ে করাচি পালান। বাইরে দেখো, তোমরা পাকিস্তানকে চেনো, এটা জানো না যে ১০০ জন কে ওরা মারলে ওদের দেশের বিশ্বকাপ ভেনু কেড়ে ৩৬৫ দিন ১২,০০০ লোক মেরে বোমের পর বোম মেরে উলটে ওদেরী টেড়োরিস্ট সাজিয়ে দিয়ে বদলা নেয় র'। তোমাদের ক্ষমতা দেখ, সবাই তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে কিন্তু ১৯৪৮ থেকে আজও প্যালেস্তাইন নিতে পারোনি। তোমরা ইরান ইরাক যুদ্ধ করছো, জর্ডান আমিরশাহি কোলাহল করছ। তোমাদের মত ছোট ছোট মুসলিম দেশের ক্ষমতাহিন মানুষের কি ধারোনা জানো? তোমাদের বাঁচাতে "দাদারা" আসবে, কিন্তু কেউ আসে না, কারণ তারা তোমাদেরকে ভাই মানে না। আমার কথা বিশ্বাস না হলে আরব দেশে বিশেষ করে মক্কায় যে ভাবে উপমহাদেশী মুসলিমদের পেটানো হয় গুগলে দেখে নাও।আর একটা চেন বোঝাবো তেতো সত্য, নিজে একজন পাকিস্তানি মহিলার ব্যয়ফ্রেন্ড হয়ে আর করাচি ঘুরে এসে। আমেরিকা কে তেল মারে সৌদি< সোউদি কে তেল মারে পাকিস্তান জাতে উঠার জন্য< আর কালো, নিরোক্ষর "বাঙ্গালান" বলে দিন রাত গাল দিলেও সেই বাঙালি মুসলমান পা চাটে পাকিস্তানের!! হিসাবটা কিন্তু আজব, আর এক ফিলিস্তিন তো বোলেই দিয়েছিল আমি মরলে আমার অঙ্গ গোরীবকে দিও শুধু আমার মিডীল ফিঙ্গার আরোব দুনিয়া কে দিও! শেষে এক বিখ্যাত লাইন দিয়ে বোলব তোমাদের অবস্তা- "বাংলার ম্লেচ্ছ বলে পাশের হিন্দুকে, ভাই বলে ডাকো যদি দেব গলা টিপে। হেনকালে আরবেতে ধন দেখালেন ওয়াদা, লাথ মারলেও সালামে জানিয়ে ম্লেচ্ছ বলে আ'ছা'লাম অয়ালিকুম মোর দাদা!"

Thursday, 21 January 2016

'একজন মুসলিম পুরুষ চারবার বিয়ে করতে পারেন

দেবাঞ্জন হালদার আল্লার আল্লা :-মহাদেব ইরাকে একটা বই লেখা হয়েছিল'যাকে ইরাক সরকার ছেপেছিল নাম রেখেছিল, সেওরুল আকুল ইনস ।বইতে ইসলামের জন্মের আগের কথা আরব জগতের কথা লেখা হয়েছিল, বইটিতে লেখা হয়েছে মক্কায় প্রথমে বিশাল মক্কেস্বর মহাদেব মন্দির ছিল, যার ভিতর বিরাট শিবলিঙ্গ ছিল'যা আজও মক্কার কাবাঘরে ভিতরে বিরাজমান, শিবরাত্রির দিন মন্দিরের সামনে শিবের গাজন বা আরাধনা , বা কবিতা পাঠ করা হতো ।অনেকে ভালো কবিতা সোনার প্লেটে করে লিখে মক্কেস্বরের সামনে টাঙ্গিয়ে রাখতো , ওই সব প্লেট আরবের সংগ্রহ সালায় জমা থাকতো , ওইরকম কবিতা মহম্মদের চাচা ও লিখে ছিল, আজও আরবের সংগ্রহ সালায় জমা আছে 'চাচা গেয়ে লিখে ছিল, আল্লাহ কে আল্লাহ দেব দেবীর দেবতা মহাদেব আপনার শরনে এসেছি আমার ইচ্ছা একবার ভারতের রামকৃষ্ণ গঙ্গা জমুনা দেবতাদের দেব ভূমির মাটি চুম্বন করে মাথায় লাগাতে পারি । দিল্লির বিড়লা মন্দিরে আজও এই বই আরব থেকে নিয়ে এসে রাখা আছে যার হিন্দিতে অনুবাদ করা হয়েছে । (সংগৃহীত)

ইসরো এই বছরের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন সফল


ইসরো এই বছরের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন সফল। PSLV -C31 রকেটে চড়ে ভারতীয় নেভিগেশন সিস্টেমের পঞ্চম স্যাটেলাইট IRNSS-1E মহাকাশে সফল ভাবে পৌঁছে গেছে। উৎক্ষেপনের 6 মিনিট পর PSLV-C31 এর গতি ছিল ২৭ ম্যাক অর্থাৎ ঘন্টায় 33048 কিলোমিটার

শুয়োর চেনার সহজ উপায়ঃ

শুয়োর চেনার সহজ উপায়ঃ আমাদের চারিপাশে মানুষের বেশে বহু শুয়োর ঘুরে বেড়ায় , এই মনুষ্যবেশী শুয়োর চেনা সহজ নয় .. কিন্তু তাও উপায় আছে, সবথেকে সহজ উপায় হল খাদ্যাভ্যাস দেখে, যেমন- কাক, কাকের মাংস খায় না, ঠিক তেমনি মনুষ্যবেশী শুয়োরগুলো শুয়োরের মাংস খায় না.. শালারা ফ্রীতে খাওয়ার আমন্ত্রন দিলেও আসেনা।

ফের গরু নিয়ে পালানোর চেষ্টা

ফের গরু নিয়ে পালানোর চেষ্টা, ধরা পড়া, মার, রোগা লিকলিকে শরিরে কথায় ঝাঁজ যত কাজে ১% ও নয়, তাই মৃত্যু! ফের গরু চুরি শুরু করতে চেষ্টা করছে ওপার বাংলার মুসলমানেরা। প্রত্যেক মানুষের একটু আত্মসম্মান থাকে, কিন্তু যখন সে হয় 'বাংলাদেশী মুসলমান', তখন মনে হয় না, "মান+হুষ" দিয়ে সংজ্ঞা করা শব্দটি তাদের ক্ষেত্রে খাটে। সাথে থাকে জেহাদ ছড়ানোর চক্র। তাই মালদার ঘটনার পর আর সহ্যের সীমা হারিয়ে এদের জায়গাটি বুঝিয়ে দিল বি এস এফ। শত শহস্র লাথ মারলেও যখন ল্যাংটাল্মান মাছুদের শীক্ষা হচ্ছিল না, তখন বিনা ভিসা, পাস্পোর্টে পাশের গ্রাম মনে করে ঢোকা গরু পাচারকারিকে বেদম মার মেরে আল্লাহর প্যারে বানিয়ে দিল ৩ জন সেনা। মৃতের নাম আব্দুল, অপর আরেকজনকে মেরে আদমরা অবস্থায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁর হালত দেখে এবার কিছুটা শীক্ষা নেয়। আহতের নাম আলাউদ্দিন। তাঁর চিকিৎসা চলছে ওপারের সরকারি রংপুর হাসপাতালে। বিস্তারিত খবর দেখুন নিচের লিঙ্কে। আপনার কাছে তবে প্রশ্ন দাদা, ক্রমাগত শুধু পাচার নয়, সাথে জেহাদি কার্জকলাপ ছড়ানো, এই সব ভিখিরী দালাল গুলোকে বার বার সিমান্তের নিয়ম ভাঙ্গার রীতি কি আপনি সমর্থন করেন? খবর http://www.somoyerkonthosor.com/archives/339059

১ ঘণ্টার জন্য 'বিয়ে' তারপর 'সার্ভিস'।

হ্যাঁ, ঠিকই দেখছেন। ১ ঘণ্টার জন্য 'বিয়ে' তারপর 'সার্ভিস'। যাতে জান্নাতের সিট টাও পাকা থাকে, আর টাকাউ আসে! গাছেরও খাবো তলারও কুড়বো! ছোট থেকে মনের মধ্যে বিচ হয়ে থাকা ধর্মের ভয় আর বড় হয়ে টাকার লালসা কোন পর্জায়ে নিয়ে যেতে পারে মানুষকে তার এক উদাহরন আজকের এই মুসলিম যৌনকর্মী ফাইরুজা। "হ্যাঁ আমার বেশীর ভাগ ক্লাইন্টি মুসলিম পুরুষ আর সকলেই এতে রাজী, কারণ ইসলামি মু'তাহ তে সকলেই সুরক্ষিত!" তবে, 'কন্ডোমের' ব্যবহার করেন ইসলামি কানুনের বিরুদ্ধে গিয়ে ফাইরুজা, যিনি নিজেকে একজন ত্বনি, সুন্দরি, 'জুসি' মুমিনা সঙ্গিনি রুপে বর্ননা করেছেন। তার বেশির ভাগ খদ্দেরই ধনী আরবি মুসলিম, কিছু পাকিস্তানি মুসলিম খদ্দের আসেন, কিন্তু তার 'রেট' জোগানোর সাধ্য হয় নি তাদের! আর কি কি বললেন ফাইরুজা দেখে নিন, ইউরোপের বিনোদনের শ্রেষ্ঠ খবর নিঞ্জাপিকের পাতায় http://naijapicks.com/posts/959/muslim-prostitute-marries-her-clients-for-an-hour-in-order-to-have-sin-free-relations