''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Friday, 22 January 2016
After I said I am Hindu, they burnt me
"After I said I am #Hindu, they burnt me"
last words of a teen on deathbed Not in #Pakistan or #Saudi,
in Pune, #India ..
..No #AwardWapsi !!- silent #Presstitute Media
http://m.firstpost.com/india/after-i-said-i-am-hindu-they-burnt-me-pune-teens-last-words-on-deathbed-go-viral-2594198.html
নেতাজী সংক্রান্ত গোপন ফাইলের উন্মোচনের পালা...
আর কয়েক ঘন্টা পর ই ক্ষমতালোভী কংগ্রেস এবং বিশ্বের শ্রেষ্টতম ধোঁকাবাজি মতাদর্শ বামপন্থী দলের নিকৃষ্টতম কুকীর্তির পর্দা ফাঁস হতে চলছে...
নেতাজী সংক্রান্ত গোপন ফাইলের উন্মোচনের পালা.....
নেহেরু কলঙ্ক কোথায় লুকাবে কংগ্রেস..
শুধু তোজোর কুকুর নয় আর ও কী কী চক্রান্তে সামিল ছিলো কংগ্রেসের কুটুম্ব বামপন্থী রা.. বেরিয়ে আসবে...
পুলিশের হাতে ধরা পরে গেল আম আদমী পার্টির একজন কর্মী....।
➥আজ লখনউয়ের বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়েরছাত্র সেজে রোহিত ইস্যুতে নরেন্দ্র মোদিকে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পরে গেল আম আদমী পার্টির একজন কর্মী....।
➥আজ লখনউয়ের বাবাসাহের ভীমরাও আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়েরসমাবর্তনে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে আম আদমী পার্টির বিক্ষোভের মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে উদ্দেশ্য করে “গো ব্যাক স্লোগান” দেয় একজন পড়ুয়া,অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থিত অতিথি ও পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, হঠাৎ করেই দর্শকাসন থেকে তাঁকে উদ্দেশ্য করে স্লোগান দিতে শুরু এক পড়ুয়া। হায়দরাবাদে দলিত ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনার জেরেই প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে প্রতিবাদ দেখাতে যান সে । কিন্তু, উপস্থিত নিরাপত্তাকর্মীরা বিক্ষোভকারীদের অনুষ্ঠান হল থেকে বের করে নিয়ে যায়। নিরাপত্তা রক্ষীরা সেই ছাত্র কে আলাদা করে,বাইরে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে,কেন তিনি এই গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করছিলেন,সেই ব্যাপারে,জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত ব্যক্তি বলেন,তিনি বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়েরছাত্রই নন,তাকে আম আদমী পার্টির একজন নেতা ভয় দেখিয়ে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করার জন্যে চাপ দেন,ধৃত ব্যক্তি বলেন আমি যা করেছে আম আদমী পার্টির সেই নেতার কথা অনুযায়ী করেছি,নাহলে আমার জীবন সংশয় হতো,আমি মোদী জি কে পছন্দ করি।
➥এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পড়ুয়াদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের কখন কী করা উচিত, তা যদি আমাকে বলে দিতে হয়, তাহলে আপনাদের শিক্ষা অসম্পূর্ণ।” নিজের বক্তব্যে হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়েরগবেষক রোহিত ভেমুলার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশের কোনও যুবক আত্মহত্যা করেছেন শুনলে সত্যি কষ্ট হয়। তিনি বলেন, “কারণ যাই হোক। এটা মনে রাখতে হবে এক মা তাঁর সন্তানকে হারিয়েছেন।” আমিও একটা মায়ের সন্তান....!!
ভারতে স্কুল কলেজ থেকে ইতিহাস পড়ানো তুলে দিলেই ভালো হয়
ভারতে স্কুল কলেজ থেকে ইতিহাস পড়ানো তুলে দিলেই ভালো হয়, কিছু সত্যি ইতিহাস তো পড়ানো হয় না, যা কিছু পড়ানো হয় তার ৫০%ই মিথ্যা বানোয়াট.. মধ্যশিক্ষা পর্ষদ , উচ্চশিক্ষা পর্ষদের হাতে তৈরী মিথ্যা , বিকৃত ইতিহাস পড়ানো হয় স্কুল কলেজগুলিতে ।
মিথ্যা ইতিহাসের একটু উদারহন দিই..
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ প্রকাশিত সপ্তম শ্রেনীর ইতিহাস বইয়ে মহম্মদ বিন কাশিমের ভারত আক্রমন সম্পর্কে মাত্র ২-৩ লাইন লেখা হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে '৭১২সালে মহম্মদ বিন কাশিম সিন্ধু প্রদেশ আক্রমন করেন ঠিক যেমন অন্যান্য রাজারা রাজ্য বিস্তারের জন্য আক্রমন করেন তেমনি'...
অথচ ইতিহাস ঘেঁটে আমরা অন্য রকমের ইতিহাস জানতে পারি, যা কোনো স্কুল কলেজের পাঠ্য বইয়ে প্রকাশ করা হয়নি ।।
৭১১ সালে মহম্মদ বিন কাশিম দেবল বন্দর আক্রমন করে, দেবল দখল করার পর ইসলামী বিধি অনুয়ায়ী ১৭ বছরের উর্ধ্বে সঅকল সবল পুরুষকে হত্যা করেন..। তিনদিন ধরে টানা বন্দর লুঠপাঠের পর , স্ত্রী পুরুষ নির্বিশেষে সকল হিন্দুকে ধর্মান্তরিত করে মুসলমান বানালো হল ।
এরপর তিনি সিন্ধু প্রদেশের দিকে রওনা দিলেন, এবং অতর্কিতে সিন্ধু রাজা দাহিরের উপর আক্রমণ করেন । রাজা দাহিরের কাছে ৫০০ আবর মুসলমান কাজ করতেন, তাদের বিশ্বাসঘাতকায় রাজা দাহির পরাজিত ও নিহত হন । রাজা দাহিরের স্ত্রী রানীবাঈ নিজ পরিচারিকাগণের সাথে বিষপাণে মৃত্যু গ্রহন করবেন বলে ঠিক করেন । কিন্তু রাজা দাহিরের এক মন্ত্রী এসে বলেন যে মুসলমানরা মৃতদেহকেও ধর্ষন করে.. সেই শুনে রানী ও তার পরিচারিকাগণ আগুন জ্বালিয়ে তাতে আত্মহুতি দেন , যাতে মুসলমানেরা তাদের মৃতদেহকেও অপিবত্র না করতে পারে..
অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন ঠিক এই কারনেই ধীরে ধীরে সতীদাহ প্রথার উত্থান ঘটে । ইসলামী যুগে স্বামী মারা গেলে তার স্ত্রী যাতে মুসলমানদের হাতের যৌনদাসী না হয়ে যায়..
হিন্দুদের এই স্বাভিমান থেকেই পরবর্তীকালে বর্বর সতীদাহ প্রথার উদ্ভব ঘটে.. তাই বলার অপেক্ষা রাখে না, যৌনদাসী হওয়ার থেকে আত্মহুতি দেওয়া সমাজের পক্ষে মঙ্গলজনক ।
বিদ্রঃ বিশদ জানার জন্য 'নুস্রত জাহান আয়শা সিদ্দিকা'র লেখা 'ইসলামী শান্তি ও বিধর্মী সংহার' বইটি পড়তে পারেন
Link: http://www.mediafire.com/view/rkrw7y008m6k42s/islami-shanti-o-bidhormi- songhar.pdf
বা,
এম এ খানের লেখা 'জিহাদ' বইটিও পড়তে পারেন..
Link: http://www.mediafire.com/view/gd64et13288cbtk/jihad.pdf
আমরা CPIM আমরা SAKULAR
বিজেপি বলে দেশদ্রোহীদের ক্ষমা করবে না ।
তাই ইয়াকুব মেমনের মুক্তির জন্য লড়াই করলাম ।
বিজেপি বলে গরু খেওয়া,
তাই কলেজে গরুর মাংসের দোকান দিলাম ।
গরুর মাংস কি আর শুধু শুধু খাওয়া যায় ?
তাই একটু মদও খেলাম আর কি ।
আমরা কিন্তু স্বাধীন মত প্রকাশে বিশ্বাষি , কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে কেউ মত প্রকাশ করলে ঐ ABVP সদষ্যের মত মেরে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেব ।
কে নেতাজী আর কে স্বামিজী ? আমাদের আদর্শ হল ইয়াকুব আর আফজল গুরুর মত সন্ত্রাসবাদী ।
ইয়াকুব মেমন বল , আফজল গুরু বল , আফমল কাসব বল আর মঃ আফরোজ বল সন্ত্রাসবাদিরা যখনই বিপদে পরিবে আমরা সর্বদা প্রস্তুত থাকবো তাদের রক্ষার্তে ।
আর আফরোজের মত ধর্ষনকারিকেতো আমরা পুরস্কৃত করি ।
আর আমরা যখন ফেসে যাব তখন সেই ডিভাড এন্ড রুল ফর্মুলা , আমরা দলিত আপরা সংখ্যালঘু । আমরা শত অন্যায় করলেও আমাদের কেউ কিছু বলতে পারবে না । বিশেষ করে বিজেপির মত সাম্প্রদায়িক দল তো মুখ খোলাই উচিৎ নয় ।
আমরা দলিত প্রেমী তাই পলিটব্যুরুতে কোন দলিতকে স্হান দেই নি , তাই সরকারি দপ্তরের উচ্চপদে দলিত নিযুক্তির আমরা বিরুধীতা করি ।
২০২০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের দখল নিতে পারে আইসিস।
২০২০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের দখল নিতে পারে আইসিস। বহিরাগত ইসলামপন্থী জঙ্গিদের ঠেকাতে তাই প্রস্তুত হচ্ছে হিন্দু স্বাভিমান গোষ্ঠী। কড়া প্রশিক্ষণে তৈরি হচ্ছে মাতৃভূমির জন্য বলিপ্রদত্ত ধর্মসেনা।
গত কয়েক মাসে রাজধানী দিল্লির শহরতলি থেকে উত্তরাখণ্ডের সীমান্ত বরাবর অঞ্চলে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে হিন্দু স্বাভিমান গোষ্ঠী। বর্তমানে মোট ১৫০০ 'যোদ্ধা' এই গোষ্ঠীতে অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি নেতাদের। এক সপ্তাহ ধরে গোষ্ঠীর ধর্মসেনা বাহিনীর চারটি শিবির ঘুরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জোগাড় করেছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া।
জানা গিয়েছে, দুর্ধর্ষ ইসলামিক স্টেট-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তৈরি হচ্ছে ধর্মসেনা। সারা দেশে ৫০টি প্রশিক্ষণ শিবির খোলা হয়েছে। শুধুমাত্র মীরাট শহর ও মুজাফ্ফরনগর জেলাতেই রয়েছে ৩টি শিবির। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও বছর আটেকের শিশুও। যোদ্ধাদের প্রত্যেককে তরোয়াল ও আগ্নেয়াস্ত্র চালানোর তালিম দেওয়া হচ্ছে। গাজিয়াবাদের দাসনার এক মন্দিরে এই গোষ্ঠীর প্রধান দপ্তর। নেতাদের দাবি, প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে সদস্য সংখ্যা।
সোমবার হিন্দু স্বাভিমানের অন্যতম শীর্ষ নেতা তথা ভিএইচপি-র দুর্গা বাহিনীর সদস্য চেতনা শর্মা টিওআই-কে জানিয়েছেন, 'আমাদের খুব সহজ লক্ষ্য- কমবয়সীদের ধর। আমাদের সদস্যদের বয়স ৮-৩০ বছর। তবে শিশুদের প্রথমেই অস্ত্র ধরানো হয় না। গোড়ার ৬ মাসে তাদের মানসিক ভাবে প্রস্তুত করা হয়। তাদের গীতার শ্লোক পড়ানো হয়। এখানে শিশুরা অকুতোভয়। হিন্দুদের মৃত্যু সম্পর্কে ভীতি থাকা উচিত নয় কারণ আমরা পুনর্জন্মে বিশ্বাসী।'
ইদানীং ভারতে একাধিক সন্ত্রাস হানার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়েছে আইসিস। এই পরিস্থিতিতে নবীন প্রজন্মের মনে জায়গা করে নিচ্ছে ভিএইচপি, হিন্দু স্বাভিমানের মতো হিন্দুবাদী গোষ্ঠীগুলি। মোদীনগরের রোরি গ্রামে ধর্মসেনার এমনই এক গোষ্ঠীতে সিশুদের তালিম দেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাক্তন জওয়ান পরমিন্দর আর্য। তিনি জানিয়েছেন, 'আমাদের প্রশিক্ষণের পদ্ধতি খুব সহজ। দেশে ঘটে চলা একের পর এক নাশকতার ঘটনা সম্পর্কে ছোটদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।' গত ২ জানুয়ারি পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে জঙ্গি হানা নিয়ে এমনই আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
মজার কথা, যে পুলিশকর্তার নাকের ডগায় এমন একাধিক শিবির চলেছে, মীরাটের সেই আইজি অলোক শর্মা স্বীকার করেছেন, 'এমন কিছু হচ্ছে বলে আমাদের কাছে কোনও খবর নেই। ব্যাপারটি সম্পর্কে অবশ্যই খোঁজ নেব।'
গাজিয়াবাদের বামহেটা গ্রামে ধর্মসেনার শিবির পরিচালক তথা প্রাক্তন কুস্তিগির অনিল যাদবের সাফ কথা, 'এই সমস্ত শিবির আমরা কুস্তির আখড়ার আদলে গড়ে তুলেছে এবং তা কখনওই বেআইনি নয়। তবে প্রয়োজনের খাতিরে কিছু কিছু গোপন শিবিরও চালানো হয়। আমরা চাই না পুলিশ এগুলি বন্ধ করে দিক। শিবিরে অস্ত্র প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। যদি কোনও শিশু চায়, তাহলে তাকেও এই তালিম দেওয়া হয়। গত ২ বছরে প্রায় ১৫০০০ শিশুকে তালিম দেওয়া হয়েছে। ভেবে দেখুন, তাহলে আগামী ৫ বছরে কী হবে।'
দাসানের মন্দিরেই ঘাঁটি গেড়েছেন স্বামী নরসিংহনন্দ সরস্বতী ওরফে দীপক ত্যাগী। ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি সমাজপাদী পার্টির সদস্য ছিলেন, মুলায়ম সিং যাদবকে গুরু মানতেন। মন্দিরের বাইরের ফলকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা রয়েছে: এই মন্দির হিন্দুদের পবিত্র ধর্মস্থান। এখানে মুসলমানদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। প্রধান পুরোহিত বাবা নরসিংহনন্দ সরস্বতীর অনুমতি অনুসারে। বছর ২০ আগে তাঁর সম্প্রদায়ের এক মহিলা শ্লীলতাহানির জেরে আত্মহত্যা করার পর তিনি গোষ্ঠীবদল করেন। সরস্বতীর বিশ্বাস, উত্তরপ্রদেশের দেওবাঁদের দারুল উলুম-ই এদেশে আইসিস-এর মূল সূত্র। তাঁর মতে, যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই এই হিন্দু গুরুর নিদান, 'আমার মতে, আইসিস-এর মোকাবিলা করতে গেলে হিন্দুদেরও একই রকম চরমপন্থীর প্রয়োজন। ইসলামিক স্টেট-এর একমাত্র জবাব হিন্দু রাজ্য। আমরা আগুনের জবাব আগুন দিয়েই দিতে চাই। এই ভাবেই আইসিস-ও বড় হয়েছে।'
হিন্দু স্বাভিমান-এর অভিযোগের উত্তরে দেওবাঁদের দারুল উলুম-এর উপাচার্য মৌলানা আবুল কাশিম নোমানি জানিয়েছেন, 'সারাদিন আমাদের দরজা খোলা রয়েছে। যাঁর ইচ্ছে প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারেন। প্রতিটি পাঠ্যবিষয় ও পাঠ্যশৃঙ্খলা একটি খোলা বই ছাড়া কিছু নয়। আইবি ও পুলিশ কর্তারা, সরকারি আধিকারিকরা, গোয়েন্দা সংস্থার কর্তারা পর্যন্ত আমাদের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে এসেছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের১৫০ বছরের সুদীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। কখনও তা সমালোচনার মুখে পড়েনি। যে কোনও অনুসন্ধান অভিযানকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি। আমাদের কিছু লুকোনোর নেই। আইসিস সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আমরা সংবাদমাধ্যম সূত্রেই পেয়ে থাকি।'
Subscribe to:
Posts (Atom)

