একটি পাত্রে জল নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে জল গরম করা শুরু করা হল ,,,।
জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটিও তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে
সহনীয় পর্যায়ে নিতে শুরু করল যদিও সে চাইলেই লাফ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারত
কিন্তু সে লাফ দেয় না,,, । সে সহ্য করতে থাকে,,, ।
আস্তে আস্তে তাপমাত্রা যখন আরও বাড়িয়ে ফুটন্ত গরম করা হয়
তখন ব্যাঙটি আর সহ্য করতে না পেরে সে সিদ্ধান্ত নেয় লাফ দেওয়ার
কিন্তু তখন আর তার লাফ দেওয়ার মত শক্তি তার থাকে না,,,।
জল আরও গরম হতে থাকে যার ফলে সে গরম জলে ফুটে একটা সময় মারা যায় ,,,।
এখন যদি প্রশ্ন করা হয় ব্যাঙটি কিভাবে মারা গেছে ??
তাহলে অধিকাংশ মানুষই বলবেন গরম জলের কারনে মারা গেছে,,, ।
কিন্তু না সে গরম জলের জন্য মারা যায়নি
সে মারা গেছে লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেরিতে নেওয়ার কারনে,,,।
ঠিক তেমনি প্রতিটি মানুষের স্থান কাল পাত্র ভেদে
একেকটা বিষয়ে সহ্য করার ক্ষমতা থাকে কিন্তু
আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখতে হবে ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও
আমাদের বুঝতে হবে কখন সরে যাওয়া উচিত অর্থাৎ
সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত সঠিক সময় নেওয়া উচিত ,,,।
আবেগ ভালবাসা দেখিয়ে দেরিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত না ,,,।
এর থেকে আমাদের একটা শিক্ষা নেওয়া জরুরী।
Arnab Dey
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 1 February 2016
অনলাইনে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মুম্বইয়ের মেয়েরা
আইএসের থেকে এবার আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মুম্বইয়ের মেয়েরা। তাও আবার অনলাইনে। সন্দেহভাজক আইএস জঙ্গিদের জেরা করে এমনই বিস্ফোরক তথ্য পেল মুম্বইয়ের সন্ত্রাস দমন শাখা ‘এটিএস’ (অ্যান্টি টেরর স্কোয়্যাড)।
এটিএস সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি কয়েকজন সন্দেহভাজক আইএস জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে আইএস। তাদের জেরা করেই জানা গিয়েছে, অনলাইনে প্রশিক্ষণ শিবির খুলেছে আইএস। অর্থাৎ অনলাইনেই আত্মঘাতী বোমারু দেওয়ার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আইএস নেতা আবু বাকর আল-বাঘাদি এই প্রশিক্ষণ শিবির খুলেছে এবং সে স্বয়ং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তবে আবু বাকর একা নয়, তার সঙ্গে আইএসের অন্যান্য শীর্ষস্তরীয় নেতারাও অনলাইনে আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আর এই প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মুম্বইয়ের যুব সম্প্রদায়। তবে কেবল পুরুষ নয়, মুম্বইয়ের মেয়েরাও অনলাইনে আত্মঘাতী বোমারু হওয়ার ক্লাস করছে বলে জানা গিয়েছে। আবু বাকর মূলত স্কাইপি এবং অন্যান্য ভিডিও কলিং সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে এটিএস সূত্রের খবর।
আইএস অনলাইনে প্রচার চালাচ্ছে এবং সদস্য সংগ্রহ করছে বলে এতদিন শোনা যেত। এবার অনলাইনে জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির চালানোর খবরে রীতিমত চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসনের কপালেও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কীভাবে এই শিবির বন্ধ করা যায়, তার জন্য অনলাইন জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরের বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেওয়া শুরু করেছে এটিএস। তবে কেবল মুম্বই নয়, দেশের অন্যান্য রাজ্যের ছেলে-মেয়েরাও আইএসের এই অনলাইন জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরে ক্লাস করছে বলে এটিএসের দাবি। http://www.bengali.kolkata24x7.com/isis-leader-abu-bakr-al-baghdadi-training-mumbai-girls-for-suicide-bombings-through-online-classes.html
‘বলাৎকারের প্রতিবাদ করায় খুন করা হয় মাদ্রাসা ছাত্র সালমানকে’
http://uttorpurbo24.com/news/details/Sylhet/9616?utm_campaign=shareaholic&utm_medium=facebook&utm_source=socialnetwork
ভারতে হরিণ ও কচ্ছপের মাংস নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক আগেই। কেউ কোনো টু শব্দটি করেনি।
ভারতে হরিণ ও কচ্ছপের মাংস নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক আগেই। কেউ কোনো টু শব্দটি করেনি তখন। কেউ তখন প্রশ্ন করেনি, কে কি খাবে না খাবে তা রাষ্ট্র কেন ঠিক করে দেবে! হিন্দুরা আর্তনাদ করে বলেনি যে, মুসলিমরা কচ্ছপের মাংস খায় না বলে আমরা কেন কচ্ছপের মাংসের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হব? হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিষ্টান ভারতীয় মাত্রই রাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত কে সন্মানের সঙ্গে মেনে নিয়েছে। মেকি সেকুলার, দুর্বুদ্ধিজীবীরা রাস্তার মাথায় কচ্ছপ কিংবা হরিণের মাংসের কোনো পার্টি দিয়েছে কি না আমার জানা নেই। কচ্ছপ, হরিণের মাংস নিষিদ্ধ হলে যদি কারো অসুবিধা না থাকে তবে গোমাংস নিষিদ্ধ হলে কেন এত হাহাকার দেশজুড়ে? কচ্ছপের মাংস নিষিদ্ধ করা হলে কোনো হিন্দুর মনে হয়নি যে তাদের ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে তবে গরু নিষিদ্ধে কেন মুসলমানদের এত আপত্তি? কেন তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে অসহিষ্ণু পরিবেশ তৈরিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মুসলমান সহ দেশের অধিকাংশ মিডিয়া, রাজনৈতিক দল সহ মেকি সেকুলারবাদীরা? হিন্দুদের সেন্টিমেন্টে আঘাত করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে গোমাংস চেবানো এটা কেমন প্রতিবাদ? এটা কি প্রতিবাদ নাকি উসকানি?
Sunday, 31 January 2016
Dr Ambedkar Never Wanted Power, Quit Over Hindu Bill: Bihar Governor | Kolkata24x7 | ‘হিন্দু বিল খারিজ হওয়ায় মন্ত্রীত্বে ইস্তফা দেন আম্বেদকর’
পৈতৃক সম্পত্তিতে হিন্দু মেয়েদের অধিকার দেওয়ার কথা প্রথম বলেছিলেন সংবিধান প্রণেতা বি আর আম্বেদকর। কিন্তু তাঁর কথা মানেননি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু। তাই কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন আম্বেদকর। শনিবার গুজরাটে গিয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ করলেন বিহারের রাজ্যপাল রাম নাথ কোবিন্দ।
জানা গিয়েছে, এদিন সকালে গুজরাটের জাতীয় আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন বিহারের রাজ্যপাল রাম নাথ কোবিন্দ। ওই সেমিনারে দেশের আইনের প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাবাসাহেবের প্রসঙ্গ তোলেন রাম নাথ। ১৯৫১ সালে আচমকা আইন মন্ত্রীর পদ থেকে আম্বেদকরের পদত্যাগের জন্য পরোক্ষে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুকেই দায়ী করেন তিনি। বলেন, পৈতৃক সম্পত্তিতে হিন্দু মেয়েদের অধিকার দেওয়া নিয়ে বিল তৈরি করেছিলেন বি আর আম্বেদকর। কিন্তু সেই বিল খারিজ করে দেয় নেহেরু সরকার। জওহরলাল নেহেরুর উদ্ধৃতি তুলে বিহারের রাজ্যপাল বলেন, “জওহরলাল নেহেরু বাবাসাহেব আম্বেদকরকে বলেছিলেন যে, পৈতৃক সম্পত্তিতে হিন্দু মেয়েদের অধিকার দেওয়ার ইস্যুতে দেশবাসী তোমার আধুনিক চিন্তাধারা নিতে প্রস্তুত নয়।’’ এর জবাবে আম্বেদকরের উদ্ধৃতি তুলে কোবিন্দ বলেন, “আম্বেদকর বলেছিলেন যে, দেশ স্বাধীন হয়েছে, এবার আইনের মাধ্যমে এই ধরনের সচেতনতা তৈরি করা আমাদের কর্তব্য।’’ এরপরেও নেহেরু যখন বিলটি খারিজ করে দেন, তখন আম্বেদকর আইনমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন বলে জানান রাম নাথ।
এদিন বাবাসাহেবের আইনমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেওয়ার কারণ জানানোর পাশাপাশি আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কাছে তাঁর মতাদর্শও তুলে ধরেন বিহারের রাজ্যপাল। তিনি বলেন, নেহেরু, গান্ধী বা অন্যান্য নেতাদের মত ব্রিটিশদের থেকে রাজনৈতিক ক্ষমতা পাওয়া আম্বেদকরের লক্ষ্য ছিল না, দেশবাসীকে তুলে ধরাই তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল। রাম নাথ কোবিন্দের কথায়, “তিনি (আম্বেদকর) বিশ্বাস করতেন যে, সমাজের অশুভ শক্তিগুলি দূর করতে পারলে দেশ নিজে থেকেই উন্নতি করবে।’’ http://www.bengali.kolkata24x7.com/dr-ambedkar-never-wanted-power-quit-over-hindu-bill-bihar-governor.html
ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেক খারাপ; ইসলামবিদ্বেষী, রেসিস্ট। কেন?
ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেক খারাপ; ইসলামবিদ্বেষী, রেসিস্ট।
কেন?
কারণ, তিনি বলেছেন,'আমেরিকায় নতুনভাবে মুসলমানদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।'
তিনি বলেন নি আমেরিকা থেকে মুসলমানদেরকে বের করে দাও। সারা পৃথিবীতে মুসলমানেরা যে পরিমাণ সন্ত্রাস চালাচ্ছে তাতে পৃথিবীর প্রত্যেক দেশই মুসলমানদের বিরুদ্ধে সতর্ক হবে। এটাই তো স্বাভাবিক। সতর্ক না হলেই তো 'প্যারিস' দেখতে পাবেন।
ওদিকে সৌদি আরবে নাগরিক হতে হলেই মুসলমান হওয়া বাধ্যতামূলক। অমুসলিম কেউ সৌদি আরবের নাগরিক হতে পারবে না। সৌদি আরবে ইসলাম ছাড়া অন্য যেকোনো ধর্মের প্রচার, উপসানলয় প্রতিষ্ঠা নিষিদ্ধ।
অথচ, ট্রাম্প কিন্তু বলেন নি,'আমেরিকাতে নাগরিক হতে হলে খৃষ্টান হতে হবে সবাইকে।'
ট্রাম্প বলেন নি,'সৌদি আরব যেমন অমুসলিমদের ধর্ম প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে দেয় না, তেমনি আমেরিকাতে মুসলমানদের সব মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া উচিত।'
তবুও ট্রাম্প খারাপ আর সৌদি আরব ভালো। ট্রাম্পের সমালোচনা করা যায় সৌদি আরবের সমালোচনা করা যায় না। লাইক কমে যাবে তো!
ওদিকে আমেরিকান মুসলিমেরা বলছে,'তাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় তারা মুসলমান। তারপর তারা আমেরিকান।'
এখন আমেরিকান গভর্নমেন্ট যদি বলে,'আমরা সবার আগে আমেরিকান চাই, আমাদের দেশে থাকতে হলে সবাইকে সবার আগে আমেরিকান হতে হবে। তারপর অন্যকিছু।'
একটা দেশের নাগরিক হয়ে সেই পরিচয় সবার আগে না রাখাটা কি দেশদ্রোহীতা নয়?
আর সবার আগে আমি মুসলিম! তারপর আমি আমেরিকান!
তার মানে আমেরিকার সাথে কোন মুসলিম দেশের যুদ্ধ লাগলে এই মুসলমানেরা আমেরিকার বিপক্ষ নিয়ে সেই মুসলমান দেশের হয়েই যুদ্ধ করবে। তাহলে আমেরিকা কেন যারা নিজেদের আগে 'আমেরিকান' বলে পরিচয় দেবে না তাদের সে দেশে রাখবে? এই ঘরশত্রু 'বিভীষণ' খাইয়ে-দাইয়ে আমেরিকার লাভ কি?
ট্রাম্প খারাপ কি বলেছেন তাহলে?
ওদিকে পশ্চিমারা খুবই খারাপ।
কেন খারাপ?
কারণ তাদের জন্যই শিশু আইলান কুর্দির লাশ দেখতে হয়েছে। তারা যদি বিমান পাঠিয়ে দিয়ে সিরিয়ানদের নিয়ে আসতো তাহলে সিরিয়ানদেরকে সমুদ্র পথে ইউরোপ যেতে হতো না। আইলানকেও এভাবে সমুদ্রে ডুবতে হতো না।
খারাপ খারাপ, ইউরোপিয়ানরা ভীষণ খারাপ!
এখন প্রশ্ন সিরিয়ানরা কেন এমন ঝুঁকিপূর্ণ পথে সমুদ্র দিয়ে দূর দূরান্তের ইউরোপ যাচ্ছে? তারা তো নিরাপদে পায়ে হেঁটে মধ্যেপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে যেতে পারত। তারা সেসব দেশে যাচ্ছে না কেন?
কেন মুসলিম দেশগুলো কোন শরণার্থী নিচ্ছে না? তাদের তো টাকা পয়সার অভাব নেই। তারা শরণার্থী নিলেই তো সিরিয়ানদের সমুদ্রে ডুবে মরতে হতো না।
এসব প্রশ্ন কোনদিন গোঁড়া মুসলমান থেকে মডরেট মুসলমানদের লিখাতে উঠে আসবে না। দোষ শুধু আমেরিকা আর পশ্চিমের!
সবচেয়ে বড় প্রতারক ওই জোচ্চোর লেখকগুলো যারা জনপ্রিয়তা হারানোর আশায় ট্রাম্পের সমালোচনা করে কিন্তু সৌদি আরব আর ইসলামী দেশগুলোর উগ্র গোঁড়ামির সমালোচনা করে না।
যে গোঁড়ামি আর অসম্মান অন্য ধর্মকে ইসলামী দেশগুলো করে একই আচরণ ইউরোপ আর আমেরিকা করলে সারাজীবন মধ্যেপ্রাচ্যে বসে বোমা খেয়ে মরা ছাড়া মুসলমানদের আর কোনো গতি থাকতো না।
ভাগ্য ভালো যে ইউরোপ-আমেরিকা সৌদি আরবের নীতি অনুসরণ করে নাগরিক হতে হলে খৃষ্টান হওয়া বাধ্যতামূলক করে নি। এতো এতো সন্ত্রাসী হামলার পরেও মুসলমানদের গ্রহণ করছে।
নিজেদের মগজ এক চিলতে পরিমাণ ব্যবহার করে সামান্য পরিমাণে হলেও কৃতজ্ঞতা অন্তত দেখান তাদের প্রতি। Thx to Juliyas Caesar
৫ বছর ধরে সাইবাবার মন্দিরে ভিখিরি সেজে তথ্য পাচার করত ISI চর !!!
৫ বছর ধরে সাইবাবার মন্দিরে ভিখিরি সেজে তথ্য পাচার করত ISI চর !!!
জাতীয় সড়কের ওপর মন্দিরের আশেপাশে রোজই ভিড় করে ভিখিরির দল। ভক্তদের দয়া-দাক্ষিণ্যে তাদের দিন গুজরান হয়। কিন্তু সেই দলেই মিশে গিয়েছিল আইএসআই গুপ্তচর। টানা ৫ বছরে পুলিশ তার হদিশই পায়নি।
সম্প্রতি হরিয়ানার অম্বালা জেলা থেকে ধরা পড়েছে কুখ্যাত পাক চর আসলাম। জেরায় গোয়েন্দার জানতে পেরেছেন, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে রাজকোট-জামনগর জাতীয় সড়কের ওপর সাঁইবাবার মন্দিরে ভিখিরিদের দলের সঙ্গে মিশে গা-ঢাকা দিয়েছিল এই দুষ্কৃতী। ছদ্মবেশ ধরে ভিক্ষে করার ছলে আসলে নানান গোপন তথ্য জোগাড় করাই তার কাজ ছিল। পুলিশ আধিকারিকদের দাবি, এই কয়েক বছরে বেশ কয়েক বার সে রাজকোট, আহমেদাবাদ ও জামনগরে যাতায়াত করেছিল। আসলামের কাছ থেকে জামনগরে বায়ুসেনার বিমানঘাঁটি এবং সেনা শিবিরের নকশা উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া পাওয়া গিয়েছে চিনের তৈরি দূরবীন ও টর্চ। ধৃত পাক চর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জোগাড় করতে গুজরাট এটিএস-কে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
গুজরাট এটিএস-এর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ২০১৫ সাল পর্যন্ত রেলওেয়ে স্টেশনে আসনাম সংবাদপত্র বিক্রির কাজও করত। স্টেশনের আশেপাশের দোকানদাররা ছবি দেখে আসলামকে শনাক্ত করেছেন। ভিখিরির ভেক ধরায় তাকে কেউই সন্দেহ করেনি। জানা গিয়েছে, সকালে সংবাদপত্র বিক্রি করার পর সাঁইবাবার মন্দিরে সারা দিন সে ভিক্ষে করত। রাতে মন্দিরের কাছে ফুটপাথের ওপরই সে ঘুমোত।
পুলিশের হাতে রাজকোট বায়ুসেনা ঘাঁটির কাছে আসলামের নমাজ পড়ার ছবি এসেছে। গোয়েন্দাদের দাবি, ছবির আলোকচিত্রীও আইএসআই-এর সঙ্গে জড়িত। আপাতত সেই সম্পর্কে অনুসন্ধান করছে পুলিশ।
সৌজন্যে : এই সময়
Subscribe to:
Posts (Atom)

