Thursday, 2 July 2015

হিন্দু জনসংখ্যা

খেয়াল করবেন- আফগানিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা মাত্র এক থেকে দেড় হাজার । অথচ সেখানে একজন হিন্দু সাংসদ রয়েছে; যার নাম আনারকলি কাউর । __ অন্যদিকে পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা 1.5% আর সেখানে হিন্দু সাংসদ রয়েছে 6 জন । __ অন্যদিকে বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা প্রায় আট শতাংশ । অথচ এখানে হিন্দু সাংসদ মাত্র 25 জন । __ পাকিস্তানে হিন্দু 1.5% এর জন্য 6 জন হিন্দু সাংসদ থাকলে বাংলাদেশে হিন্দু 8% এর জন্য হিন্দু সাংসদ প্রয়োজন 60 জন । __ অথচ বাংলাদেশ তা মেনে নেয় না । এটা নাকি ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ । __ পাকিস্তানে পিপিপি'তে হিন্দু সাংসদ আছে । পাকিস্তান মুসলিম লীগে হিন্দু সাংসদ আছে । এবং ইমরান খানের তেহরিক_ই_ইনসাফ যে দলটি তালেবানকে সমর্থন করে সেই দলেও হিন্দু সাংসদ আছে । যার নাম লাল চাঁদ মালহি ।যিনি মুসলিম অধ্যষিত করাচি'র একটি আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয় ।

ইফতার ও ধর্মপ্রেম

গতবারের দূর্গা পূজার সপ্তমী পূজার দিনের মজার একটা ঘটনা শেয়ার করছি। দূর্গা পূজায় প্রতিমা দেখার জন্য আমার এক মুসলিম ক্লাসমেট প্রস্তাব করল বন্ধু এবার শহরের সব প্রতিমা আমাকে ঘুরে ঘুরে দেখাতে হবে আমিও রাজি হলাম। সপ্তমী পূজা পর বের হলাম প্রতিমা দর্শনে। শহরের পূজা কমেটির অধিকাংশ লোক পরিচিত হওয়ায় অন্যদের চেয়ে একটু খাতির সুবিধা বেশিই পেলাম। অধিকাংশ মন্দিরে প্রসাদের প্যাকেট হাতে ধরে দিল আবার কেউ বসে প্রসাদ পেতে বলল। যাইহোক সঙ্গে মুসলিম ক্লাসমেট তাই বসে প্রসাদ নিচ্ছি না কেননা সে আমাকে আগেই বলেছে প্রসাদ আমি খাব না পূজার প্রসাদ আমার ধর্মে হারাম খেলে গুনাহ হবে। আমিও প্রসাদ খেতেই হবে এটা বললাম না কেননা ওর ধর্মে ওটা হারাম। দুপুরবেলা অবাক করা কান্ড হয়ে গেলে এক মন্দিরে গিয়ে প্রতিমা দেখতেই পূজা কমেটির লোকেরা দুপুরের প্রসাদ পেতে বলল মানে দুজনকেই রীতিমত টেনে প্রসাদের প্যান্ডেলের নিয়ে গেল। এখন খেতেই হবে। আমি আমার মুসলিম ক্লাসমেটকে বললাম খেলে কিছুই হবে না খা এ খাবার পূজায় দেয়নি ভাত তরকারিই তো। সে বলল না আমি খাব না হারাম জিনিস খাব না। আমিও ওর ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আর খেতে বললাম না।তার ধর্মপ্রেম দেখে আমার খুব ভালো লাগল। ইদানিং ফেসবুকে আমার কিছু হিন্দু বন্ধু ইফতারের ছবি তোলে তা আপলোড করে স্টেস্টাস দিচ্ছে। এ দিয়ে সে কি বুঝাতে চাচ্ছে? সে সেকুলার? ইফতার যে সময়ে করা হয় সে সময় সন্ধ্যাকাল আর সন্ধ্যাবেলায় সনাতন ধর্মে খাওয়া দাওয়া করা নিষেধ রয়েছে। কিন্তু হর হামেসাই সবাই খাচ্ছে। আজ কোথায় গেল সেই হিন্দু সমাজ যারা মুসলিমদের হাতের রান্না করা খাবার খাওয়ার জন্য লালনকে সমাজচ্যুত ধর্মচ্যুত করেছিল? আজ সেই সমাজে লোকেরা সন্ধ্যাবেলায় বেলায় মুসলিমের সাথে বসে এক প্লেটে খাচ্ছে আবার দাম্ভিকতা দেখানোর কারনে সেই ছবি আপলোড করার সাহস করছে? এর কারন কি? এর কারন হল আমাদের ধর্মপ্রেমের অভাব আজ আমরা ধর্ম থেকে অনেক দূরে চলে গেছি। আজ আমাদের মধ্যে কোন ধর্মীয় রীতিনীতি নাই সব হারিয়ে বসে আছি। কোন কোন অবাঞ্ছিত হিন্দু আছে যারা নিজের বন্ধুত্ব রক্ষার খাতিরে বন্ধুর বাড়ি গিয়ে গরু খেয়ে আসে। আর আমাদের শুনতে বন্ধু গরু খা কত হিন্দু আমাদের বাড়িতে গরু খেল তুইও খা। আমার মুসলিম ক্লাসমেটের ধর্মপ্রেম দেখে তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা বোধ বেড়ে গেছে কিন্তু ইদানিং কালে যারা আমাদের ধর্মের নিষিদ্ধ সময়ে নিষিদ্ধ খাবার খাচ্ছে সেটা আবার ছবি পোষ্ট করেছে তাদের প্রতি আমার ততটাই ঘৃনা বেড়েছে। হিন্দু হয়ে ইফতার করে তারা হিন্দুধর্মকে আবমাননা করছে।। Kartik Krishna Roy

পঞ্চগ্রাম -

পঞ্চগ্রাম - দক্ষিন ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থানার অন্তর্গত একটি ছোট গ্রাম। গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দাই হিন্দু এবং শ্রমজীবী। গ্রামটির আশেপাশের গ্রামগুলি মুসলিম অধ্যুষিত হলেও এই গ্রামের লোকেরা তাদের উপস্থিতিতে কখনও আতঙ্কিত বোধ করেনি আর তাই আলাদা করে নিজেদের নিরাপত্তার কথা কখনও চিন্তাও করেনি। রাজ্যের অন্যান্য গ্রামের মত পঞ্চগ্রামের অধিবাসীদেরও বিশ্বাস ছিল যেকোন বিপদে পুলিশই তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। এই গ্রামেরই বাসিন্দা শঙ্কর ভূঁইয়া - শাসকদলের ডাকসাইটে নেতা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে বহু সভায় জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিয়েছেন। দিদির রাজত্বে হিন্দু-মুসলিমরাযে একসাথে শান্তিতে বসবাস করছে সে কথা মনেপ্রানে বিশ্বাস করতেন। আশেপাশের গ্রাম থেকে মুসলিম অত্যাচারের খবর টুকটাক কানে আসলেও তিনি সেগুলোকে বিরোধীদের অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দিতেন। গত ২৪শে জুন, শঙ্কর ভূঁইয়া ও গ্রামের অধিবাসীদের শান্ত জীবনযাত্রা মুহূর্তের মধ্যে ছারখার হয়ে গেল যখন এক মুসলিম অটোচালকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তাদের পাশের গ্রাম বাসুলডাঙ্গা থেকে হাজার হাজার মুসলিম এসে সারা গ্রাম জুড়ে তান্ডব শুরু করল। হত্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তির গ্রেপ্তারীর পরেও মুসলমানদের তান্ডবে কোন বিরাম দেখা গেলনা। তারা একের পর এক বাড়ি লুট করতে লাগলো এবং লুট শেষে সেগুলিতে আগুন ধরিয়ে দিল। বসতবাড়ি, ধানের গোলা, আসবাবপত্র, সঞ্চিত অর্থ, বাসনপত্র - কিছু লুট হল আর বাকি সব কিছুক্ষনের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখার গ্রাসে ছাইয়ে পরিনত হল। যে পুলিশের ভরসায় গ্রামবাসীরা নিজেদের নিরাপদ ভাবছিল,আক্রমনেরসময় সেই পুলিশের টিকিও খুঁজে পেলনা গ্রামবাসীরা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে এতদিন ধরে বক্তৃতা দিয়ে আসা শঙ্কর ভূঁইয়া ও তার আত্মীয়দের বাড়িগুলিও আক্রমণ থেকে রক্ষা পেলনা। দিদির পার্টির সদস্য হয়ে সে নীরবে দেখল যে তারই দলের বাসুলডাঙ্গার মুসলিম সদস্যরা, যাদের সাথে এতদিন ধরে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজনৈতিক আন্দোলন করে এসেছে, তারা তাকে বিন্দুমাত্র পরোয়া না করে তার সর্বস্ব লুটেপুটে নিল। এমনকি পার্টির পতাকাটার প্রতিও কোন রেয়াত করলনা, সেটাকেও ছুঁড়ে ফেলে দিল। বেলাশেষে যখন পুলিশ আসল, পঞ্চগ্রাম তখন প্রায় শ্মশানের রূপ নিয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ পুরুষই গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে। রাজনৈতিক ঝান্ডা বয়ে বয়ে বেঁকে যাওয়া শিরদাঁড়া মুসলিম আক্রমনের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে পারেনি। প্রতিটি গলির দুই পাশে আধপোড়া বাড়িগুলি যেন প্রশাসনের কর্তাদের দিকে তাকিয়ে ব্যঙ্গের ছলে হাসছে। আর গোটা গ্রামের নিস্তব্ধতা যেন চিৎকার করে জানিয়ে দিচ্ছে যে সম্মিলিত মুসলিম আক্রমনের সামনে রাজ্যের সর্বক্ষমতাসম্পন্ন স্বয়ং দিদিও কত অসহায়। .... Sri Prasun Maitra.....

BRAKING_NEWS‬

মহারাস্ট্রে সব মাদ্রাসাকে স্কুলশ্রেণীর বাইরে ঘোষনা করল মহারাস্ট্র সরকার....

তসলিমা নাসরিন

মাদ্রাসা-টাদ্রাসা সব বন্ধ করে দেওয়া উচিত। মাদ্রাসাগুলোয় সন্ত্রাসী তৈরী করা হয়, শিশুদের ধর্ষণ করা হয়, আর মগজধোলাই করে মানুষকে এক একেকটা মূর্খ, মিথ্যুক, হিংসুক, লোভী, নারীবিদ্বেষী, ধর্ষক বানানো হয়। বুধবার এভাবেই নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। http://www.thebengalitimes.com/politics/2015/07/02/1856

সামনা বাংলা

লেডি লাদেনের হাত থেকে রাজ্যেকে রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন: শান্তি রঞ্জন দত্ত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি আর রাজ্যলুটপাটের অভিযোগ এনে ‘দেশ ও হিন্দু জনগণকে রক্ষায়’ সব রাজনৈতিক দলের হিন্দু নেতা নেত্রী দের একসঙ্গে বসার আহ্বান জানিয়েছেন শিবসেনা রাজ্য সভাপতি শান্তি রঞ্জন দত্ত । তিনি বলেন, ‘ হিন্দু দের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য আসুন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে বসি।’ ‘কে বড়, কে ছোট আমরা বিচার করব না। যারা রাজনীতি করছি, তাদের চাওয়া যাওয়ার কিছু নেই।রাজ্যের মানুষের কাছে আমরা অনেক সম্মান পেয়েছি। হিন্দুদেরকে বিপদ থেকে রক্ষা করি। লেডি লাদেনের হাত থেকে তাদের বাঁচাই।’ বর্তমান সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না, এ দাবি করে শিবসেনা রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘যারা রাজ্য শাসন করছে, তারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না, হিন্দু দের প্রতিনিধিত্ব করে না। তাই আজ দেশের এই দুরবস্থায় জনগণের প্রতি তাদের কোনো দায়িত্ব নেই। তারা শুধু লুটপাটে ব্যস্ত। সেজন্য হিন্দু দের কে রক্ষার জন্য হিন্দুদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে।’ শাসক দলের নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে শান্তি বাবু বলেন, ‘বিদেশি ব্যাংকে তাদের টাকার অভাব নেই। সুইস ব্যাংকে টাকা বাড়ছে, অন্যদিকে মানুষ গরিব থেকে গরিব হচ্ছে।’ রাজ্য সরকারের ব্যর্থতায় কোলকাতা সহ সারা রাজ্যে রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন শিবসেনা রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, ‘তাদের ( বতর্মান সরকার ) দুর্নীতির কথা বলে শেষ করা যাবে না। ধর্ষণকাণ্ড, সারদা কেলেঙ্কারি, মূল্যবৃদ্ধি , হিন্দু হেনস্তা ও মুসলিম তোযন হচ্ছে। বড় বড় কাজ টেন্ডার ছাড়াই করা হচ্ছে। তারা ঙ্কোন প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করবে না। কিন্তু কমিশন ভাগাভাগি করে নিয়ে যাবে।’

বেদ ও গীতার মীমাংসা

বেদ এর চারটি ভাগ। সংহিতা, ব্রাহ্মন, আরণ্যক, উপনিষদ। সংহিতা ও ব্রাহ্মন ভাগ লইয়া কর্মকান্ড আর আরণ্যক ও উপনিষদ ভাগ লইয়া জ্ঞানকান্ড। কর্মাকান্ডে নিষ্কাম কর্মের পাশাপাশি সাংসারিক ব্যক্তিবর্গ এর জন্য সকাম কর্মের ব্যবস্থ্যাও রয়েছে। এসব কাম্য কর্ম যথাযথ পালন করলে সে স্বর্গ প্রাপ্ত হবে এবং সুখেই জীবন অতিবাহিত করবে। আর জ্ঞানকান্ড মানুষ কে অমৃতের সন্ধান দেয় এবং মোক্ষ প্রাপ্তি এর ব্যবস্থা করিয়া দেয়। গীতা ২/৪২-৪৪ এ ভগবান বললেন, হে পার্থ অল্পবুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিগন বেদের কর্মকান্ডের স্বর্গ ফলাদি প্রাপ্ত প্রীতীকর বাক্যে অনুরক্ত, তাহারা মনে করে বেদ এর কাম্য কর্মই ধর্ম এছাড়া আর কিছু নেই। এরূপ ব্যক্তি কামনা কলুষিত, স্বর্গ প্রাপ্তির মোহে ও ভোগৈশ্বর্য তে আসক্ত হয়ে আপাতমনে এই মনোরম বেদবাক্য বলিয়া থাকে। কারন এরূপ সকামী ব্যক্তিগন নির্বুদ্ধিতার জন্য একাগ্র ঈশ্বর যুক্ত হতে পারে না। ★★ আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনিত হলাম যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এখানে বেদ পাঠে নিরুৎসাহিত কিংবা বেদ নিন্দা করেন নি। তিনি ঐ সকল নির্বোধ দের উদ্দ্যেশ্য করেই এই উক্তি করেছেন। এখানে সেই সকাম ব্যক্তিদের কথা বলেছেন যারা মোক্ষ কি তা না জেনে স্বর্গ প্রাপ্তিকেই মুখ্য ভাবে। আর একথা সত্য যে সকামী ব্যক্তির মন নানাদিকে ধাবমান হয় এবং ঈশ্বর এ স্থির না হয়ে ভোগ বাসনায় ব্যস্ত থাকে। কেবল নিষ্কাম কর্মেই ঈশ্বর প্রীতি আসে। ওঁ শান্তি শান্তি