Thursday, 9 July 2015

NDA

Now the world is very small with the help of Internet. A customer of a Bank's was identified as a customer of particular Branch of a Bank. Now with the help of on line Banking a customer is a customer of a Bank only. It means people want quicker service. For this our Government is responsible. They circulate the " fixed time " of every work. In the name of work culture authority talk in the doted link of the Government. Common people know everything. Simultaneously they want quick remedies from the Government side. But sorry to say here they are taking much time. How commom public will wait for a long time? Leaders of the Nation should think it seriously. Corrupt Congress leader Rohul Gandhi don't know 'ABCD' of politics. He has no knowledge and experience. Only he is a member of so called Gandhi Family. He is moving one part from another parts of India. Misguideing people against very sensible and experience leaders of NDA. We know our Prime Minister is trying his level best. Still there is lacuna. Blackmoney issue become very sensitive now a days. Without further delay Government should publicise the facts before the common people. They should not give any chance to Laloo, Mulayam, Nitish, Sonia, Mamata, Sitaram Yeachuri and Mayawati. It will definite a suicide to the NDA Government. Shyamal Hati

সনাতন ধর্মে কেন মৃতদেহ পোড়ানো হয়?

সনাতন ধর্মে মৃতদেহ পোড়াবার তিনটি কারন আছে। ১) আধ্যাত্মিক কারণঃ আমরাসনাতনধর্মেরঅনুসারিরা পুনর্জন্মেবিশ্বাসী।এই ত্রিতাপদগ্ধ সংসারে পুনরায়জন্মগ্রহনকরে মানুষদুঃখজ্বালাভোগকরুক এটা কেউ চাই না। যে দেহেতিনি এতদিন বাস করেছেন, তাকেসাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছেন, পৃথিবীরযাবতীয় সুখের স্বাদ তাকেদিয়েছেনসে দেহের প্রতি আকর্ষণ ও মায়াথাকা স্বাভাবিক। দেহের প্রতিআকর্ষণে পুনঃ দেহ ধারনে তারআকাঙ্ক্ষা জাগতে পারে, ঐআকাঙ্ক্ষা দূর করার উদ্দেশেইআকর্ষণেরবস্তু দেহটিকে পোড়ানো হয়। ২) সামাজিক কারণঃ আর্যঋষিদেরভবিষ্যৎ চিন্তা এতে প্রতিফলিতহয়েছে।মানুষ সৃষ্টি হবে এবংএমনএকদিন আসতে পারে যখনস্থানাভাবদেখা দেবে। মানুষের দেহ না পুড়িয়েমাটিতে পুঁতে রেখে দিলে ক্রমশমাটিতে রাখার জায়গার অভাবদেখা দিতে পারে। এই কারনেই দেহপোড়াবার বাবস্থা। ৩) বৈজ্ঞানিক কারণঃ মানুষবিভিন্নকারনে মৃত্যুবরণ করে। এর মধ্যরোগে মৃত্যুইসর্বাধিক। এই সকল মৃতদেহেপচন ধরলেপরিবেশে বিভিন্ন রোগ জীবাণুছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।এসবচিন্তা থেকেই আর্য ঋষিগণ শবপোড়াবার বিধি দিয়েছে। মুখাগ্নি করার কারণঃআমরা সনাতন ধর্মের অনুসারিবিশ্বাসকরি যে, মানুষ মৃত্যুর পরস্বর্গবাসী হয়অথ্যাৎ দেবলোকে যায়। কিন্তু,তিনিস্বর্গে বা দেবলোকে যাবেনকিভাবে? বৈদিক নিয়ম অনুসারেদেবলোকে বা স্বর্গলোকেপাঠাতেহলে দেবতাদের পুরোহিতঅগ্নিতেআহুতি দিতে হয়। অগ্নিদেবই সেঅর্চনাবা আহুতি দেবলোকে নিয়ে যান।তাইযিনি মৃত্যুবরণ করেছেন তারপ্রাণবায়ুঅগ্ নিদেবকে আহুতি না দিলে তিনিকি করে স্বর্গবাসী হবেন? প্রানবায়ু মুখদিয়ে বের হয় বলে মুখে অগ্নিসংযোগকরে মন্ত্র পাঠ করতে হয়-“ওঁ কৃত্বা তু দুষ্কৃতং কর্মংজানতা বাপ্যজানতা।মৃত্যুকাল বশং প্রাপ্য নরংপঞ্চত্বমাগতম্ধর্মাধর্ম সমাযুক্তং লোভ মোহসমাবৃতম্দহেয় ং সর্বগাত্রানি দিব্যান্লোকান্স গচ্ছতু”।অনুবাদঃতিনি জেনে বা না জেনেঅনেক দুষ্কর্ম করে থাকতেপারেন।কালবশে মানুষ মৃত্যুবরণ করেথাকে। এদেহ ধর্ম, অধর্ম, লোভ, মোহপ্রভৃতিদ্বারা আচ্ছাদিত ছিল। হেঅগ্নিদেব,আপনিতার সকল দেহ দগ্ধ করেদিব্যলোকে নিয়ে যান।

712 A.D ৭১২ খ্রীস্টাব্দ

৭১২ খ্রীস্টাব্দে মহম্মদ বিন কাসেম হিন্দুরাজা দাহির কে পরাজিত করে সিন্ধুপ্রদেশ দখল করেন। দাহিরের মৃত্যু ঘটলে রানী পরম বিক্রমে যুদ্ধ চালিয়ে জয়ের সম্ভাবনা না দেখে জলন্ত চিতায় প্রান বিসর্জন দেন। সিন্ধু জয়ের পর মহম্মদ বিন কাসেম, ইরাকের শাসনকর্তা হাজ্জাজকে লেখেন, " পৌত্তলিকদেরকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে নয়তো হত্যা করা হয়েছে। তাদের মন্দির গুলো ধ্বংস করা হয়েছে। ৬০০০ হিন্দুকে হত্যা করে ১লক্ষ হিন্দুকে ক্রীতদাসে পরিনত করা হয়েছে। ৩০ হাজার হিন্দু রমনীকে নৃশংসভাবে অত্যাচার করার পর ক্রীতদাসী হিসাবে বাগদাদে প্রেরন করা হয়েছে"। দাহিরের দুই কন্যা পরিমন দেবী ও সুরজ দেবী কে উপঢৌকন হিসাবে বাগদাদে হাজ্জাজের কাছে পাঠানো হয়।। চমকাবেন না, এটাই শান্তির ধর্ম ইসলাম।

Dada দাদাদের অসাম্প্রদায়িক অনুভূতি

ক্রিকেটার সৌম্য সরকার আর লিটন দাসকে মালাউন বলে গালি দিয়েছে। এতে দাদাদের অসাম্প্রদায়িক অনুভূতিতে চরম লেগেছে। দাদারা প্রতিবাদের এনড্রয়েড মিসাইলখানা হাতে নিয়ে নেমেছেন। একের পর প্রতিবাদী স্ট্যাটাস প্রসব করে দিয়েছেন। দাদারা সুবিধামতো এক একটা বিশাল অসাম্প্রদায়িক যোদ্ধা তাল পাতার সেপাই! অমুক জায়গায় সংখ্যালঘুর ভিটেমাটি দখল, বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, মেয়ে অপহরণ করেছে, মন্দির ভেঙে দিয়েছে, একের পর এক সংখ্যালগু পরিবার দেশছাড়া....... দাদারা তখন নীরব থাকেন। আমি-তুমি প্রেমের কবিতা লিখেন ফেসবুকে। "আকাশে চাঁদ উঠেছে, বাগানে ব্যাঙ ডাকছে" --টাইপের প্রেমের কবিতা। দাদারা সাম্প্রদায়িক নির্যাতন নিয়ে লিখতে লজ্জা পান। পাছে আবার সাম্প্রদায়িক ট্যাগ খান। মান ইজ্জত চলে যাবে তো। দাদারা শহুরে মানুষ। গায়ে যদি কাঁদা লাগে! আজ সৌম্য আর লিটনকে নিয়ে সবাই বলছে। দাদারাও চান্সে ফর্মে ফিরে এলেন। বাতাসে একের পর এক তরবারি চালচ্ছেন। আচ্ছা বাংলাদেশের কোন অমুসলিমটি জীবনে মালাউন গালি শুনেনি? সৌম্য সরকার গালি খাওয়ায় দাদারা এত কষ্ট পেয়ে গেলেন? ক্রিকেটে ভালো লাইক পড়ে যে! একদম সেইফটি জোনের স্ট্যাটাস। ওহ হ্যাঁ, দাদারা আবার ভীষণ মানবতাবাদী। দাদারা নিজ সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন নিয়ে কিছু লিখবেন না। কিন্তু ফিলিস্তিন নিয়ে ঠিকই হ্যাশট্যাগ দিয়ে দেবে। এতে দাদাদের সামাজিক স্ট্যাটাস ১০ হাত উপরে উঠে যায় একলাফে। এই দাদারা শহরে থাকেন। বিশাল টাকা পয়সাওয়ালা লোক। দাদাদের এক ট্যাং ভারতে দেওয়া। জায়গা সম্পত্তি ভারতে কেনা আছে সব। দাদারা হালকা পায়খানা ছুটলেও ভারত চলে যান চিকিৎসা করাতে। দাদাদের ছেলেমেয়েরা আবার ভীষণ দেশপ্রেমিক! ক্রিকেট আসলে তারা ইন্ডিয়ানদের মা বোন ধরে গালাগালি করে। ওদিকে তলে তলে ইন্ডিয়াতে বাড়ি নির্মাণ হয়ে যাচ্ছে। ওহ হ্যাঁ, দাদারা পূজাও করেন। এই পূজা মন্ডপের দেবী দূর্গার সাথে ঐ মন্ডপের দেবী দূর্গার প্রতিযোগিতা চলে। এই মন্ডপে দূর্গা মা হাঁটলে ঐ মন্ডপে পাতাল ফাইটা উঠে। দাদারা আত্মরক্ষায় চাপাতির ব্যবহার না জানলেও দাদাদের দূর্গা মা চাপাতির ব্যবহার জানেন। কোন কোন মন্ডপে মা দূর্গা চাপাতির ওল্ড ভার্সন খড়গ দিয়ে অসুরের মাথা কাটে। এই দূর্গাকে হাঁটাতে গিয়ে, পাতাল থেকে তুলতে গিয়ে কিংবা অসুরের মাথা কাটাতে গিয়ে দাদারা তিন দিনে লাখ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেন। কিন্তু নির্যাতিত হিন্দুদের জন্য কিছু করতে বলেন। দাদারা আমতা আমতা করেন;- হুম....উম...গভর্নমেন্ট তো আছে! তারা দেবে! ব্যবসার অবস্থা ভালো না। সামনের মাসে একবার ইন্ডিয়া যেতে হবে! দাদারা পলিটিক্স করেন না তা কিন্তু নয়! দাদাদেরও কিন্তু সংগঠন আছে। কি কি উদযাপন পরিষদ! কি কি ঐক্য পরিষদ। যাদের কাজ হচ্ছে দালালি করা এবং প্রচার করা;- "আওয়ামিলীগের আমলে হিন্দুরা ভালো ছিল, আছে এবং ভালো থাকে। বিএনপি জামাতের আমলে নির্যাতিত হয়।" আরো একটা কাজ এই সংগঠনগুলো করে সেটা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়(সেলাম ঠুকা)। ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি তাঁদের ব্যস্ত দিনের একটি হিন্দুদের জন্য বরাদ্ধ রেখেছেন। কি সুন্দর সুন্দর পোশাক পড়া দাদা দিদিরা প্রধানমন্ত্রীর সামনে গিয়ে হাসি হাসি মুখে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। বাইরের দেশের মানুষ টেলিভিশনে এই দৃশ্য দেখছেন। আহা বাংলাদেশ কত অসাম্প্রদায়িক দেশ! আমি জীবনে কোনদিন সার্কাস দেখিনি। ক্লাউন বা, ভাঁড়ও দেখিনি। এই সৌহার্দ্য আর শুভেচ্ছা বিনিময় দেখে আমার সার্কাস আর ভাঁড় দেখতে না পারার অতৃপ্তি মুছে যায়। ওহ হ্যাঁ, দাদারা পরিষ্কার পরিছন্ন মানুষ। নিচু(!) গোত্রের যেমন জেলে, হাঁড়ি, কুমার এসব মানুষ হলে দাদারা একপাতে বসে খেতে পারেন না। জাইল্লা আবার কোন জাত হলো! ছে ছে ছে! অথচ কোন মুসলিম আওয়ামিলীগ, বিএনপি কিংবা জামাত শিবিরের নেতা আসুক দাদারা অমনি গলে যান। দাদাদের বিনয় গলে গলে পড়ে। নমষ্কার দাদা নমষ্কার! সালাম দাদা! দাদারা নিজ হাতে তুলে খাবার খাওয়ান। সম্ভব হলে নিজ হাতেই খাইয়ে দিতেন। কিন্তু নেতারা বুড়ো, ব্যাপারটা অড দেখাবে। দাদারা গিরগিটির মতো রং পাল্টায়। তারা নিজেদের চালাক মনে করে। আদতে সব এক একটা খচ্চরের বাচ্চা। বাড়িঘর পোড়ানো দেখে না, দেশ ছাড়া করা দেখে না। ক্রিকেটারকে গালি দিয়েছে আর সাথে সাথে দাদারা গোসসা করেছেন পরিস্থিতি বুঝে। যেদিকে বৃষ্টি, সেদিকে ছাতা! দাদারা আবার আমাকে উপদেশ দিতে আসেন। এসব লিখে সাম্প্রদায়িকতা ছড়াবেন না। মুসলিম দেশে একটু রয়েসয়ে থাকতে হয়। এসব লিখে কেন মহাভারত অশুদ্ধ করছেন? চেপে যান, ভালো থাকেন। ভুলে যাবেন না হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই! ভাই ভাই হলেই ভালো হতো। কিন্তু সেটা হয় না। আর আমিও কিছু ভুলি না। আমার সবই মনে থাকে। এই স্ট্যাটাস তাদের জন্য যারা সব মনে রেখেও নিজে ভুলে যাওয়ার ভান করে।

RSS নিয়ে তথাকথিত মানবতাবাদীদের মুখোশ উন্মোচন

***RSS নিয়ে তথাকথিত মানবতাবাদীদের মুখোশ উন্মোচন*** আমি একজন ধর্ম নিরপেক্ষ মানবতাবাতী ব্যক্তি।আমি ধর্ম নিরপেক্ষ মানবতাবাদী রাজনৈতিক আদর্শই আমার আদর্শ।দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য আসুন আমরা আরএসএস কে খতম করি!!! যারা মনে প্রানে আরএসএস করে তারা বড় একগুঁয়ে টাইপের আদর্শবাদী।কোন রকম প্রলভন টলভোনে পা দেয় না।আর এখানেই তো আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীদের হয়েছে মহা মুশকিল।আসুন আমরা আরএসএসকে খতম করি!ওদের কবজা করতে হলে বাঁকাপথ নিতে হবে আমাদের। যেমন ধরুন মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট রায় দিয়েছিল গান্ধী হত্যায় আরএসএস যুক্ত নয়। -কিন্তু ওসব আমাদের দেখার দরকার নেই দিবারাত্র বলুন আরএসএসই গান্ধী হত্যা করেছিল! ইন্দিরা গান্ধীর রাজত্বকালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তদন্তের জন্য 21টি তদন্ত কমিশন বসিয়েছিল,একটাতেও আরএসএস যোগ প্রমানিত হয় নি। -আরে ওসব ছাড়ুন তো মশাই,চোখ বন্ধ করে বলুন সমস্ত দাঙ্গার জন্যই আরএসএস দায়ী! জামশেদপুর দাঙ্গার জন্য তদন্ত কমিশন বসিয়ে চিৎকার করেও ঠিক জমাতে পারলাম না,তো কি হয়েছে?? -আরে ভাই নির্দিধায় বলুনজামশেদপুর দাঙ্গায়আরএসএসই যুক্ত! আজকাল আমাদের বিবৃতি খুবএকটা সংবাদ পত্র গুলোছাপছে না,কেবল আরএসএস এর কথাই লিখছে,ওদিকে আপনার নজর দেবার দরকার নেই।আরএসএস বেআইনী নয়। -তো কি হয়েছে তাও বলুন আরএসএস বেআইনী।ওতে কেউ যাবেন না।বলুন আরএসএস করলে পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে!আরো বলবেন আরএসএস করলে চাকরী হবে না!কিন্তু খুব সাবধান এগুলো যেখানে সেখানে বলবেন না।সারা দেশ জুড়েআরএসএস এর শাখা চলছে।হাজার হাজার সরকারী কর্মচারী সংঘের সাথে যুক্ত।এমন কোন সরকারী দপ্তর নেই যে সেখানে সংঘের লোক নেই। দেখুন না,নানা রকমঅপরাধমূলক কাজের জন্যআমাদের ধর্মনিরপেক্ষমানবতাবাদীদের যুব সংগঠনছাত্র সংগঠনদের দিকে আঙুলওঠে কিন্তু আরএসএস এর দিকে ওঠে না।সুতরাং খুব সাবধানে এগুলো বলবেন।যেখানে সংঘের শাখা নেই সেখানেই এসব বলবেন।মুসলিম পট্টি গুলোতে আরোআতঙ্ক সৃষ্টি করুন যে আরএসএস আসলে সব ফিনিশ!!এতে একটা কাজ হবে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলের কর্মী হলে মুসলিম ভোট গুলো পাওয়া যাবে।মুসলিমলীগ ও মুসলিম সংগঠন গুলকেসব সময় হাতে রাখার চেষ্টাকরবেন।জানি মুসলিম লীগ 13লক্ষ হিন্দু হত্যা করে দেশভাগ করেছিল,তথাপি ওদের কোন দোষ নেই ওরা সর্বদাই ধর্মনিরপেক্ষ!আরযারা মুসলীম লীগের বিরুদ্ধে বা মুসলিম সংগঠন গুলীরভারতবর্ষকেইসলামীকরণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রশ্ন তুলবেতাদের প্রতি চিৎকার করে সাম্প্রদায়িক তকমা লাগিয়ে দেবেন!কারণ হিন্দুরা এসব বিশ্বাস করে। এত দিন মানবতাবাদী সেজে আমরা বুঝেছি যে হিন্দুতে আর ছাগলেতে বিশেষ কোনপার্থক্য নেই!আমি এক ধর্মনিরপেক্ষমানবতাবাদীর পূজারী।কোথাও হিন্দু আক্রান্ত হলো?? -চোখে ঠুলি আর মুখেনিকোপ্লাষ্টলাগিয়ে ঘরে দরজায় তালা দি।কারণ হিন্দুর হয়ে বলা বা হিন্দুকেসার্পোটকরা মানব ধর্মেরমধ্যে পরে না!গোধরায়ট্রেনেকেউ আগুন লাগালে,সেখানে কত জন মরল বা কারা মরল সে বিষয়ে আমারপ্রশ্ন করাটা পাপ,আমিএকটা মানবতাবাদী। কীগোধরা কাণ্ডের জেরেউত্তেজিত জনতা পুরো গুজরাত জুরে প্রতিবাদ হিংশা ছরাচ্ছে???হায় হায়হায় এ কী হলো??মানবতাধ্বংশ হয়ে গেল!!! আসুন আমরা জলদিআরএসএসকে খতম করি।-আল্লা হূয়াকবর।আমরা সেকুলার তথা মানবতাবাদী।(!) ‪#RSS

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম ভোট

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম ভোট ৩০%. এই ৩০%মুসলিম ভোটি কিন্তু এখনো টিক করে কার হাতে থাকবে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি খমটাই যাদরে রাজনৈতিক দাপট, তাদের আর কেনো বলা হয়ে সংখালঘু? কোন তাদরে বলা যাবে না তারা " ২য় সংখাগুরু "

আমরা কোন জাতটার সাথে পাশাপাশি বাস করছি

মিত্রগণ,দেখুন।কিছু বলার ভাষা নেই!লাইক নয়,পোস্টটি দেখামাত্রই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।সবাই দেখুক আমরা কোন জাতটার সাথে পাশাপাশি বাস করছি।নবী হযরতের খাটি উম্মত এরাই।ন না আবার বলবেন না যেন,ইহা সহিহ ইসলাম নয়! প্রচুর শেয়ার করে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে ছড়িয়ে দিন।হয়ত এরপরও সেকুদের বোধদয় হবে না কিন্তু যেদিন নিজের মা-বোন ইসলামি গণিমতের মাল হবে সেদিন আমাদের এই সতর্কবাণী যদি একটুও স্মরণে আসে তবে নিজেদের একেবারে অসফল মনে করব না!!! জয় সহিহ ইসলাম! এসো আমাদের হিন্দু মা-বোনকে ধর্ষণ করে সেকুদের বোধদয় ঘটাও!!! ‪#‎ RSS