আজ কেন আমি নিগ্রহের পাত্র?আমার দাদু আমাকে বলে এক সময় আমাদের গ্রামের মৌজা ছিল হিন্দুদের। এক সময় হিন্দুদের দ্বারা আমাদের ইউনিয়নের শাসন হত। এইরকম হিন্দুদের নানান ইতিহাস আমাকে বলেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন আগে ছিল এখন নাই কেন? আগে শাসন করত এখন কেন করে না।?দাদু চুপ হয়ে যায়।
আমি তো জানি শুধুই ইউনিয়ন পরিষদ নয় পুরো অখন্ড ভারত ভূমিই শাসন করত হিন্দুরা। আমি ইতিহাস পড়ে জেনেছি। কিন্তু এখন কি দেখছি আমরা কেন আজ আমাদের এ অবস্থা? একটা উদাহরন দিচ্ছি দেখেন আমি একটা সামান্য ছেলে যা মাথায় আসে তাই লেখি আমাকে ৮০টির উপর ধর্মীয় গ্রুপে মনে হয় এড করা হয়েছে। কত ফেসবুকে হিন্দুযোদ্ধা তার হিসাব আমার কাছে নাই? যত ধর্মীয় পেইজ বাংলাদেশে তত বোধয় ভারতেও নাই। বাংলাদেশে প্রায় তিনকোটির কাছাকাছি হিন্দু জনসংখ্যা। ফেসবুকে খোজ নেন অথবা বিভিন্নভাবে খোঁজ নেন আমাদের তিন হাজারের উপর হিন্দু সংগঠন আছে। সবাই হিন্দুদের অধিকারের পক্ষ নিয়ে কথা বলবে বলে সংগঠিত কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখেন এসব হিন্দু সংগঠন কি হিন্দুদের বিপদে পাশে দাড়াবে এরাই আমাদের বিপদের কারন হয়ে দাড়িয়েছে। একে অপরের বিরুদ্ধতা করে কথা বলছে। ঠিক যেমন গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচটা দূর্গাপূজা চারটে হরিবাসর ইত্যাদি হয়। একটি হিন্দু গ্রামে ঢুকে দেখুন কত সামাসামি কত ভাগে তারা বিভক্ত। এইভাবে বাংলাদেশের ফেসবুকের কিছু সংগঠন যেমন জাগো হিন্দু পরিষদ, শারদঅঞ্জলি ফোরাম, হিন্দু ডেভলপমেন্ট সোসাইটি ইত্যাদি একে অপরের কাজে সহায়তা না করে আলাদা আলাদা ভাবে কাজ করে যাচ্ছে কাজ করে গেলে অসুবিধে ছিল না তারা রীতিমত একে অপরের কুৎসা রটিয়ে বেড়াচ্ছে। আমাকে ইনবক্সে অনেক সংগঠনের লোক তাদের দলে ভিরানোর জন্য একে অপরের বিরুদ্ধে কথা বলছে। যা আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়েছে। তাদের সাহায্য করার মানসিকতা হারিয়ে গেছে না জানি আর কত লোকের সাহায্য করার মানসিকতা এভাবে হারিয়ে গেছে কে জানে। কত হিন্দু সহযোগীতা করা থেকে দূরে গেছে কে জানে?
যাই হোক বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও অবিশ্বাসের কারনে নিজে নেতা হওয়ার প্রবনতায় এসব ঘটেছে। আমরা হিন্দুরা নিজ স্বার্থ খুব বুঝি নিজের নাম ডাক চাই তাই তো আজ আমাদের এ অবস্থা।
হাজারো সংগঠন হাজারো লোক থেকেও পরে পরে মার খাই আর নিজেরা নিজেদের সংখ্যালঘু করে ফেলি এটাই আমাদের নিগ্রহের পাত্র বানিয়ে দিয়েছে দেশ শাসক থেকে বানিয়ে দিয়েছে দেশের কিছু স্বার্থান্ধ মানুষের বিশ্বাসী চাকর। Kartik Krishna Roy
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 9 July 2015
WIKI LEAKS
WIKI LEAKS Published 1st List of black money holders in SWISS bank...... The Top Most 24 members are.....(money is in CRORES)
1 - Sonia Gandhi (568000)
2 - A Raja(7800)
3 - Rahul Gandhi (158000)
4 - Sharad Pawar (82000)
5 - P. Chidambaram (15040)
6 - Digvijay Singh (28900)
7 - Ahmed Patel (9000)
8 - Jay Lalita (15000)
9 - Harish Rawat (75000)
10 - Kapil Sibbal (28000)
11 - Suresh Kalmadi (5900)
12 - Ashok Gahlot (220000)
13 - Ashok Chavhan (76888)
14- Shyam kampli (582114)
15- Rajeev Gandhi(19800)
16- Harshad Mehta(135800)
17- Ketan Parekh(8200)
18- HD Kumarswamy(14500)
19- Lalu Prasad Yadav(28900)
20 - J M Scindia(9000)
21- Kalanidi Maran(15000)
22- Karunanidi(35000)
23- Suresh Kalmadi(5900)
24- Raj foundation(189008)
25- Our Grp Admin
support the movement against Corruption
Fwdd msg please
Undigestible news: Indians black money in Swiss bank is Rs. 358,679,863,300,000 (estimated to be 1.3 trillion dollars) this money belongs to 2000 indians who have kept there to evade from tax, This money is enough for our india to become 10 america and become one of the most powerful developed country in the world for next 100yrs..Please raise your hand by forwarding this to all if you have free messages..As an INDIAN I am Forwarding...YOU???
Future of Your Daughter আপনার কন্যার ভবিষ্যত কি? আপনার কন্যা কতটা সুরক্ষিত?
আপনার কন্যার ভবিষ্যত কি? আপনার কন্যা কতটা সুরক্ষিত? উওরটা আজও অজানা । পশ্চিমবঙ্গের বুকে যেভাবে ইসলামিক জিহাদের থাবা বসতে চলেছে তাতে হয়তো আপনার কন্যাও একদিন টুকটুকি মন্ডল হতে পারে । এইবার অনেকেই প্রশ্ন করবেন টুকটুকি মন্ডলটা কে? কই খবরে তো দেখিনি তাহলে আপনারা কি দাঙ্গা লাগাতে ভুলভাল খবর ছড়াচ্ছেন? টুকটুকি মন্ডল একটা গরীব হিন্দু ঘরের কন্যা তাই মিডিয়া এসব খবর দেখাবে না, যদি টাকাওয়ালা পরিবারের কন্যা হত কিংবা বোরখা পরা কেউ হত তাহলে লাইট,ক্যামেরা,অ্যাকশনে ভরে যেত সারা বাংলা । আজকে অনেকেই ভাবছেন যে টুকটুকিকে ধর্ষন করলে,খুন করলে আমাদের কি? আমাদের কন্যা তো দিব্যি বাড়িতে ফোন আর ফেসবুক নিয়ে ব্যাস্ত আছে । যদি এরকমটা ভেবে থাকেন তাহলে আপনাদের ভুল হবে মশাই । আপনার কন্যাও একদিন টুকটুকি মন্ডলের মতো কোনো মুসলিম জিহাদির হাতে হারিয়ে যাবে অন্ধকার জগতে,সেদিন বুঝবেন যন্ত্রনাটা কত গভীর । যদি আপনাদের শিরদাঁড়াটা এখনো শক্ত আছে তাহলে নিজেকেই প্রশ্ন করুন- আপনার কন্যা কি সুরক্ষিত দেখুন বিবেকের কাছে উওরটা পেয়ে যাবেন । আপনার কন্যার ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত করতে আগামীকাল JAM (জন অধিকার মঞ্চের) ডাকে প্রতিবাদ সভাতে সামিল হোন হাজরা মোড়ে ।
বৌদ্ধ পল্লীতে আগুন লাগানোর প্রতিবাদে ফ্রান্সে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা
দিপন বড়ুয়া-প্যারিস, ফ্রান্স ::- আগামী ১২ জুলাই ২০১৫ রবিবার, সময় ৩ ঘটিকায়। ফ্রান্সে প্যারিস শহরে মানবাধিকার চত্ত্বর, আইফেল টাওয়ারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ আয়োজন করেছে ফ্রান্স বৌদ্ধ প্রবাসীরা। গত ১৯ জুন শুক্রবার রাতে লোহাগাড়া উপজেলার মছদিয়া গ্রামের ডলুকুল বড়ুয়া পাড়ায় জামিনে বেরিয়ে এসেই ধর্ষন মামলার আসামী বৌদ্ধ পল্লীতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ৭/৮ টি বসত বাড়ি পুড়িয়ে ১০ লক্ষাধিক সম্পদ ভস্মে পরিনত করেছে। লোহাগাড়া উপজেলার মছদিয়া বড়ুয়া পাড়া ঘেঁষা সাতকানিয়ার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের গারাঙ্গিয়া বেপারী পাড়ার বাসিন্দা মফজল আহমদের পুত্র মোহাম্মদ হেলাল বিগত দুই বছর পূর্বে মছদিয়া ডলুকুল বড়ুয়া পাড়ার বাসিন্দা এক প্রবাসীর স্ত্রীকে রাতের অন্ধকারে ঘরে প্রবেশ করে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। ধর্ষিতা বাদি হয়ে হেলালের বিরুদ্ধে মামলা করলে পুলিশ আসামি হেলালকে গ্রেপ্তার করে। আদালত ধর্ষক হেলালকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। ধর্ষক হেলাল দীর্ঘদিন জেল খেটে দুই মাস আগে জামিনে বেরিয়ে আসে। ধর্ষণের শিকার ওই মহিলা জানান, হেলাল জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে নানাভাবে হুমকি প্রদান করে আসছিল। কয়েকদিন আগেও বসত ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়েছে। ধর্ষন মামলায় সে দীর্ঘদিন জেল খাটে। সে প্রতিশোধ নিতেই নিরীহদের বসত ঘরে আগুন দিয়েছে।
এই নিষ্ঠুর বর্বরোচিত ঘটনার ১৫/২০ দিন অতিক্রান্ত হলেও বৌদ্ধ নেতাদের টনক নড়েনি। কেউ কোন সহানুভূতি জানায়নি অভাগা মানুষগুলোকে। ওরা নেতাগিরি করছে বিহারে কিন্তু গ্রাম রক্ষা করতে পারেনা। সবাই যখন চুপ তখন প্রতিবাদের অগ্নি মশাল নিয়ে শিল্প সাহিত্যের স্বর্গভুমি ফ্রান্সের প্যারিসে প্রবাসী বৌদ্ধ যুবকরা আয়োজন করছে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার। ফ্রান্স, ইতালি, সুইজারল্যান্ডসহ পার্শ্ববর্তী দেশ সমুহের সকল বৌদ্ধ ভাই বোনদের এই প্রতিবাদ সভায় অংশ গ্রহণ করার আকুল আহবান জানানো হয়েছে। http://www.bimukti.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%a8/
B.S.F গরুচোর বাংলাদেশী মারল
গরুচোর বাংলাদেশী মারল BSF বাংলাদেশে লালমনিরহাটের আদিতমারী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফেরগুলিতে একজন বাংলাদেশি গরুচোর নিহত হয়েছেন।
আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিবিসিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত ব্যক্তির নাম আবু সায়েম।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ভোর ৪টার দিকে আবু সায়েম তার গ্রামের কয়েকজনের সাথে গরুচুরি করতে সীমান্তের ওপারে(ভারতে) গেলে লোহাকুঁচি সীমান্ত সংলগ্ন খুঁটির কাছে গুলির ঘটনা ঘটে।
সূত্রঃ BBC Bangla
শরীয়া আইন
আদিবাসী বাচ্চা ধর্ষণের নিউজটা শেয়ার করায় এক আপু কমেন্ট করছিলেন "এবার বুঝতে পারছি, ইসলামে ক্যান ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। " এই আপুটা সম্ভবত ইসলামি শাসন অর্থাৎ শরীয়া আইন সম্পর্কে জানেন না, তা না হলে তিনি শরীয়া আইনের গুনগান গাইতেন না, আমি আঁতকে উঠি যখন কেউ শরীয়া আইন কায়েমের দাবি করেন। তাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে সন্দিহান অথবা তিনি শরীয়া আইনের বর্বরতা সম্পর্কে অজ্ঞ। হ্যাঁ, ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ডই হওয়া উচিত তবে তা দেশিও আইনে, ছিলও তাই কিন্তু কিছু দিন পূর্বে তা কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয়েছে।
.
শরীয়া আইনে ধর্ষণের বিচার মৃত্যুদণ্ড হলেও বিচার না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, উল্টো ফেঁসে যেতে হতে পারে ধর্ষিতাকে।আসুন শরীয়া আইনে ধর্ষণের বিচার সম্পর্কে জেনে নেই। শরিয়া আইনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয় যথাঃ ১)হুদুদ, ২) কীসাস ও ৩) তাজির। যে সকল অপরাধের শাস্তি কোরআনে আসেনি সেগুলো শরীয়া আইনের তাজির অংশের অন্তর্ভুক্ত। সুতারং ধর্ষণের বিচার এর আওতা মুক্ত। ধর্ষণের বিচার হবে হুদুদ ও কীসাস অনুসারে।
.
হুদুদ অনুসারে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং মিথ্যে অভিযোগ হলে নারীকে দেয়া হবে আশিটি বেত্রাগাত। নারীকে প্রমাণ করতে হবে তিনি ধর্ষিত হয়েছেন এবং তার জন্য তাকে চারজন সাক্ষী নিয়ে আসতে হবে, অবশ্যই তাদের পুরুষ হতে হবে।যারা নারীর যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশ দেখেছে। অন্যথায় নারীর বিচার হবে মিথ্যে অভিযোগ আনার জন্য এবং যেনার জন্য। শরিয়া মোতাবেক যেনার শাস্তি অবিবাহিত হলে একশ বেত্রাঘাত এবং বিবাহিত হলে পাথর ছুড়ে হত্যা।
.
পাকিস্তানের ইসলামি আইনে ধর্ষণ নিয়ে সংবিধানের ধারাটি হল “Proof of zina liable to hadd shall be in one of the following forms, namely:-
(a) the accused makes before a Court of competent jurisdiction a confession of the commission of the offence; or
(b) at least four Muslim adult male witnesses... give evidence as eye-witnesses of the act of penetration necessary to the offence:
Provided that, if the accused is a non-Muslim, the eye-witnesses may be non-Muslims.”
(Article 8 of The Offence of Zina (Enforcement Of Hudood) Ordinance, 1979, Ordinance No. VII of 1979)"
.
এতক্ষণ আইন দেখলাম এবার প্রয়োগ দেখা যাকঃ সোমালিয়ার মেয়ে আয়শা, হেঁটে নানী বাড়ি যাচ্ছিল। পথিমধ্যে তিনজনে মেয়েটাকে ধর্ষণ করে। মেয়েটা বিচার জানালে, চারজন সাক্ষী হাজির করতে পারেনি ফলাফল স্বরুপ মেয়েটাকে জেনার দায়ে (যেহেতু সে স্বীকার করছে) ও মিথ্যে অভিযোগ আনার দায়ে অভিযুক্ত হতে হয়। মেয়েটাকে পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়। (লিংক কমেন্টে)
.
কীসাস হল খুনের বদলে খুন টাইপের আইন। এখানে সব থেকে বড় সুবিদা হল ব্লাড মানি দিয়ে ওভিযোগ থেকে মুক্তি। এই আইনে অনার কিলিং বৈধ। মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে, পালিয়ে বিয়ে করছে, বিয়েতে সম্মত হয়নি অনার কিলিং এর নামে মেরে ফেলুন। আইন বাধা দিবে না। এমনকি জিজ্ঞেসও করবে না।
.
এইত দুই একদিন আগে সৌদির এক ধর্মপ্রচারক ফায়ান আল গামাদি নিজের ৫ বছরের মেয়ে লামাকে ধর্ষণ করার পর শারীরিক নির্যাতন করে মেরে ফেলে। সৌদির আইন শাস্তি স্বরুপ ৩৭ লাখ টাকা ব্লাড মানি নির্ধারণ করে দিয়ে তাকে মুক্তি দিয়েছে। এও বলে দিয়েছে লামা ছেলে হলে এর দ্বিগুণ ব্লাড মানি দেয়া হত। ব্লাড মানি পাবে মেয়ের মা।
.
“ফাবিয়াইয়েয়ালা ই রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান!” অর্থাৎ “অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে? " আসুন দলে দলে শরীয়া নামক হিংস্র শুওরদের শাসন ব্যাবস্থা কায়েমের জন্য বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ তুলি। কাজী আনাম
নাস্তিক ও আস্তিক
ভগবান সম্বন্ধে বর্তমান পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ বিভ্রান্ত। এই পৃথিবীতে ২প্রকার মানুষ বাস করে নাস্তিক ও আস্তিক। যারা ভগবানকে মানে না তাদের নাস্তিক বলা হয়। এরা সব মূর্খ ও অভাগা।
অবজান্তি মাং মূঢ়া মানুষীং তনুমাশ্রিতম্।
পরং ভাবমজানন্তো মম ভূতমহেশ্বরম্।। গীতাঃ ৯/১১
আমি যখন মনুষ্যরুপে অবতীর্ণ হই তখন মূর্খেরা আমাকে অবজ্ঞা করে। তারা আমার পরম ভাব সম্বন্ধে অবগত নয় এবং তারা আমাকে সর্বভূতের মহেশ্বর বলে জানে না।
অনেক সময় দেখা যায় কিছু লোক সগর্বে বলে আমি ভগবান টগবান মানি না। তারা মানবেই বা কি করে? তারা তো মূর্খ। তাদের ভগবানকে জানা বা মানার বুদ্ধিমত্তার অভাব রয়েছে। ভগবান বলেছেন চারপ্রকার মানুষ আমার শরনাগত হয় না।
ন মাং দুস্কৃতিনো মূঢ়া প্রপদন্তে নরাধমাঃ।
মায়য়াপহৃতজ্ঞানাআসুরং ভাবমাশ্রিতাঃ।।
গীতাঃ ৭/১৫
মূঢ়, নরাধম , মায়ার দ্বারা যাদের জ্ঞান অপহৃত হয়েছে এবং যারা আসুরিক ভাবাপন্ন সেই দুস্কৃতিকারীরা কখনও আমার শরনাগত হয় না।
তাই আসুন মানুষকে ভগবানের অবতার না বলে কৃষ্ণের শরনাগত হই।
Subscribe to:
Posts (Atom)