Thursday, 9 July 2015

আজ কেন আমি নিগ্রহের পাত্র?আমার দাদু আমাকে বলে এক সময় আমাদের গ্রামের মৌজা ছিল হিন্দুদের। এক সময় হিন্দুদের দ্বারা আমাদের ইউনিয়নের শাসন হত। এইরকম হিন্দুদের নানান ইতিহাস আমাকে বলেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন আগে ছিল এখন নাই কেন? আগে শাসন করত এখন কেন করে না।?দাদু চুপ হয়ে যায়। আমি তো জানি শুধুই ইউনিয়ন পরিষদ নয় পুরো অখন্ড ভারত ভূমিই শাসন করত হিন্দুরা। আমি ইতিহাস পড়ে জেনেছি। কিন্তু এখন কি দেখছি আমরা কেন আজ আমাদের এ অবস্থা? একটা উদাহরন দিচ্ছি দেখেন আমি একটা সামান্য ছেলে যা মাথায় আসে তাই লেখি আমাকে ৮০টির উপর ধর্মীয় গ্রুপে মনে হয় এড করা হয়েছে। কত ফেসবুকে হিন্দুযোদ্ধা তার হিসাব আমার কাছে নাই? যত ধর্মীয় পেইজ বাংলাদেশে তত বোধয় ভারতেও নাই। বাংলাদেশে প্রায় তিনকোটির কাছাকাছি হিন্দু জনসংখ্যা। ফেসবুকে খোজ নেন অথবা বিভিন্নভাবে খোঁজ নেন আমাদের তিন হাজারের উপর হিন্দু সংগঠন আছে। সবাই হিন্দুদের অধিকারের পক্ষ নিয়ে কথা বলবে বলে সংগঠিত কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখেন এসব হিন্দু সংগঠন কি হিন্দুদের বিপদে পাশে দাড়াবে এরাই আমাদের বিপদের কারন হয়ে দাড়িয়েছে। একে অপরের বিরুদ্ধতা করে কথা বলছে। ঠিক যেমন গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচটা দূর্গাপূজা চারটে হরিবাসর ইত্যাদি হয়। একটি হিন্দু গ্রামে ঢুকে দেখুন কত সামাসামি কত ভাগে তারা বিভক্ত। এইভাবে বাংলাদেশের ফেসবুকের কিছু সংগঠন যেমন জাগো হিন্দু পরিষদ, শারদঅঞ্জলি ফোরাম, হিন্দু ডেভলপমেন্ট সোসাইটি ইত্যাদি একে অপরের কাজে সহায়তা না করে আলাদা আলাদা ভাবে কাজ করে যাচ্ছে কাজ করে গেলে অসুবিধে ছিল না তারা রীতিমত একে অপরের কুৎসা রটিয়ে বেড়াচ্ছে। আমাকে ইনবক্সে অনেক সংগঠনের লোক তাদের দলে ভিরানোর জন্য একে অপরের বিরুদ্ধে কথা বলছে। যা আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়েছে। তাদের সাহায্য করার মানসিকতা হারিয়ে গেছে না জানি আর কত লোকের সাহায্য করার মানসিকতা এভাবে হারিয়ে গেছে কে জানে। কত হিন্দু সহযোগীতা করা থেকে দূরে গেছে কে জানে? যাই হোক বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও অবিশ্বাসের কারনে নিজে নেতা হওয়ার প্রবনতায় এসব ঘটেছে। আমরা হিন্দুরা নিজ স্বার্থ খুব বুঝি নিজের নাম ডাক চাই তাই তো আজ আমাদের এ অবস্থা। হাজারো সংগঠন হাজারো লোক থেকেও পরে পরে মার খাই আর নিজেরা নিজেদের সংখ্যালঘু করে ফেলি এটাই আমাদের নিগ্রহের পাত্র বানিয়ে দিয়েছে দেশ শাসক থেকে বানিয়ে দিয়েছে দেশের কিছু স্বার্থান্ধ মানুষের বিশ্বাসী চাকর। Kartik Krishna Roy

No comments:

Post a Comment