ধর্ষণ নিয়ে মুসলমানদের সাথে কথা হলে তারা চোরের মার বড় গলায় বলে যে বাংলাদেশে শরিয়া আইন কায়েম হলে আর ধর্ষণ হবে না, কারণ ইসলামে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
তখন তাদেরকে একটি প্রশ্ন করি--ধরেন বাংলাদেশে শরিয়া আইন আছে, এবং আপনার মা বা বোন বা মেয়ে বা বউকে চেয়ারম্যানের পোলা এসে ধর্ষণ করে গেলো। এইবার শরিয়া আইনে এই ধর্ষণের বিচারটা কিভাবে হবে--বিচার প্রক্রিয়াটা স্টেপ বাই স্টেপ বলেন।
"সৌদিতে ১০০% ছহিহ শরিয়া আইন চালু নাই"--এই টাইপের ত্যানা প্যাচানো বাদে এখন পর্যন্ত কোনো মুসলমানের বাচ্চা এই প্রশ্নের উত্তর অর্থাৎ শরিয়া আইনে ধর্ষণের বিচার প্রক্রিয়ার ধাপগুলো বলতে পারে নাই।
এখানে উল্লেখ্য, খোদ ইসলাম এবং শরিয়া আইনের দেশ সৌদিতে এক ইসলামিক স্কলার তার পাঁচ বছরের মেয়েটাকে ধর্ষণ করে মেরে ফেলে। শরিয়া আইনের বিচারে ঐ ইসলামিক স্কলারের কোনো শাস্তি হয় নাই।
তো এক মুসলমান বাপের বীর্যে পয়দা হইয়া থাকলে কোনো মুসলমানের বাচ্চা কি বলতে পারবেন শরিয়া আইনে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড থাকার পরেও কেন ঐ ইসলামিক স্কলারের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হলো না?
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 9 July 2015
Bloddy Islam ইসলাম শুধু ধর্ম নয়, একটা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
ইসলাম শুধু ধর্ম নয়, একটা রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। তাই অন্য যে কোন ধর্মের থেকে বেশি সমালোচনার অধিকার রাখে। যাদের মূল উদ্দেশ্য ইসলামিক শাসন কায়েম করা। আমি ইসলামের অনুরাগী নাহয়ে কি করে ইসলামিক শাসন বা ধর্মীয় শাসন ব্যবস্থা মেনে নিতে পারি। আজ যে শত শত ইসলামিক জঙ্গী গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে, তা কিন্তু ইসলামিক শাসন কায়েম করার উদ্দেশ্যেই। তাদের মধ্যে মত ও পার্থক্য কিন্তু সামান্যই, সেটা একান্তই তাদের আভ্যন্তরীণ ব্যাপার, লক্ষ্য কিন্তু এক। জঙ্গী সংগঠন গুলি কি করছে? বিধর্মীদের হত্যা, ধর্ষন, ধর্মান্তরিত করছে, ইসলামিক শাসন অনুযায়ী চলতে বাধ্য করছে, অন্যথায় হত্যা করছে। আর যা কিছু ঐতিহাসিক বা অন্য ধর্মের সংস্কৃতি বহন করে, তা স্মৃতি সৌধ, স্থাপত্য ভাস্কর্য যাইহোক ধ্বংস করছে। ধর্মান্ধরা যথারীতি সমর্থন জানাচ্ছে, সিককুলার এবং মডারেটরা তাকিয়া করে চলেছে জঙ্গীর কোন ধর্ম নেই বলে। অথচ আলজাজিরা টিভির সমক্ষায় উঠে আসছে আশি শতাংশ আরবিয়ান আইসিসকে সমর্থন জানাচ্ছে। বিশ্বের নানা দেশ, আমার-আপনার দেশ থেকে যারা আইসিস বা অন্য কোন জঙ্গী সংগঠনে যোগ দিতে যাচ্ছে তারাও মুসলমান, এমন কি এক একটা পুরো মুসলিম পরিবারও যোগ দিচ্ছে। এরা আর যাবে না বা দেশেই ফিরে আসবে এবং দেশেই ইসলামিক শাসন কায়েমের চেষ্টা করবে বরঞ্চ বাইরের দেশ থেকে আসবে এবং আসছে। প্রয়োজন শুধু একটু উপযুক্ত পরিবেশ তৈরীর। তারপর ওয়েইসি, সিদ্দিকুল্লা, ইমরানরা তো তৈরীই আছে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। সিককুলাররা অত্যাচার নির্যাতনের তত্ব তোলে, ইসলামিক মৌলবাদ-জঙ্গীবাদকে পুষ্ট করতে। কিন্তু তা যে হাস্যকর যুক্তি, তা আমাদের প্রতিবেশি দুই রাষ্ট্র পাকিস্থান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুঁ মারলেই পরিস্কার হয়ে যায়। তাদের কে সেখানে কে অত্যাচার করে, তারাই তো অত্যাচারীর ভূমিকায়। অথচ যারা অত্যাচারিত সেই অমুসলীমদের এমন কোন সংগঠন আছে বলে আজ পর্যন্ত শুনি নাই। কোন দেশদ্রোহী কাজে তারা যুক্ত নয়, তারপরেও তাদের ওপর কি হয়, তা সকলেরই জানা। আর 100% মুসলিম রাষ্ট্র বানাতে কিই না করছে তারা, বিতাড়ন, ধর্ষন, ধর্মান্তকরন সব চালাচ্ছে। প্রশাসনের সদিচ্ছা থাকলেও কিছু করার নাই, ধর্মের নামে লাখ লাখ মানুষ পথে নামবে, তান্ডব করবে কিন্তু তাকে কাউণ্টার করার লোক কোথায়? আমাদর পশ্চিমবঙ্গেই দেখুন না, লাদেনে স্বপক্ষে মিছিল হয়েছে, তসলিমাকে বিতাড়ন করেছে, সিদ্দিকুল্লার জঙ্গী সমর্থনে সভা, মিছিল, তান্ডব কি দেখেন নাই, এই সেদিনে মালদহে মহিলা ফুটবল কি বন্ধ করল নাই? নাকি এসবই ছোট ঘটনা, জানিনা। সংখ্যাটা বেশি হলে আরও কি হবে ভাবুন, যদি ভাবেন ধর্মনিরপেক্ষ হবে, নাস্তিক হবে, ভুল করছেন। যে কয়জন হবে, ওরাই কেটে দেবে। কারন লক্ষ্য একটাই, ইসলামিক স্টেট। সংখ্যা কম থাকলে ধর্মনিরপেক্ষ শান্তির দূত, একটু বাড়লে বিশেষ অধিকার লাগবে( এখন যেমন পশ্চিমবঙ্গে) বেশি হলেই সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিমের দেশে মুসলিম ধর্মানুভূতিতে আঘাত! কেটে দিমু। কারন লক্ষ্য একটাই, ইসলামিক স্টেট। ঘুমাবেন না, যে কারনে ভারত ভাগ হয়েছে, বাংলা ভাগ হয়েছে, তার পুনারাবৃত্তি হলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না।
যে ধর্মের অপর নাম শুধু শান্তি আর শান্তি
আজ এমন একটা ধর্ম নিয়ে আলোচনা করব ।যে ধর্মের অপর নাম শুধু শান্তি আর শান্তি।
1. জিহাদের মাধ্যমে অন্য ধর্মের লোকজন হত্যা করা ।
2.অন্য ধর্মের মেয়েদের লাভ জিহাদের ফাদে ফেলে নিজ ধর্মে ধর্মান্তরীত করা ।
3.একজন পুরুষ একসঙ্গে চৌদ্দজন নারীকে বিবাহ করা (ধর্ষন করা )।
4. দত্তক নেওয়া ( পালিত কন্যা ) তেরো বছরের মেয়েকে বিবাহ করা । (ইরান ও আরবে আইনত বৈধ )
5. সাত বছরের নাবালিকা মেয়ে বিবাহ করা ( বৈধ ধর্ষন ) করা । (ইরাক ও আরবে আইনত বৈধ )
6. দত্তক নেওয়া ছেলের বৌ কে বিবাহ বা নিকাহ করা ।
7 . কাকাতো বোন , মামাতো বোন , ফুফাতো বোন , এমন কি প্রতিবেশী খালা , ফুফু, চাচী , মামী সবাইকে বিবাহ করা .
8. লিঙ্গের মাথা কেটে বৈধ হওয়া (কাটার আগে অবৈধ ), এমনকি নারী যৌনাঙ্গে কাটা হয় আবব ও আফ্রিকান মুসলিম দেশে। ( খতনা করা)।
9. মৃত্যুর পর একজন পুরুষ বেস্তে 72 টি হূর (পতিতা ) পাওয়ার আশা করে।
10 যে ধর্মের অনুসারিরা 1400 বছরে প্রায় 270 মিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছে , যেটা প্রায় 528 জন/প্রতিদিন এবং 22 জন/প্রতি ঘন্টা ,,
উপরে উল্লেখিত চরম লাম্পট্য গুলো কোন ধর্মের হতে পারে তা এখন আপনাদের বলতে হবে ।
সেকুলারিজম মানবতাবাদ
আমাদের সমাজে যারা সেদিন ছুৎ মার্গ ও ব্রাহ্মন্যবাদকেপশ্রয় দিয়েছে এবং এখনো পশ্রয় দেয় তারাই সেকুলারিজম মানবতাবাদের বড়ো বড়ো ঠিকাদার হিসাবে নিজেদের ব্যক্ত করে থাকে।
ভেদাভেদ হীন হিন্দু সমাজের জন্য কোন ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীকে আমি আজ পর্যন্ত কথা বলতে দেখলাম না। দলিতদের মন্দিরে ঢোকার অধিকার এবং বনবাসী কল্যানের জন্য সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদীদেরই গলা ফাটাতে হয়।
ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীরা কেবল রাস্তার মোরে স্টেজ বানিয়ে মাইক লাগিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতা মানবতাবাদের ধ্বজা ওড়ায়। আর মন্দিরে যাওয়া মাত্রই বিচার করে কে কে মন্দিরে উঠবে আর কে কে উঠবে না।
অথচ খাঁকি চ্যাড্ডি ওয়ালা সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদী বলে যাদের রাত দিন গালিগালাজ করা হয় তারা নিঃশব্দে দলিত দের সংস্কৃত শেখান বনবাসীদের শৃজনশীল কাজ এবং ভারতীয়ত্ব পরিচিতি করায়।
ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদীদের সৃষ্ট ব্রাহ্মনত্যর অত্যাচারে যখন দলিতরা বিদ্রহ করে বা ধর্ম পরিবর্তন করার ফাঁদে পা দেয় তখন ধর্ম নিরপেক্ষ মানবতাবাদীরা কানে তুলো গুঁজে চোখে ঠুলি এঁটে ঘরে তালা মেরে গান্ধী মার্কা মৌন্য ব্রত রাখে। তখন দলিত উদ্ধারে সেই খাঁকি চ্যাড্ডি ওয়ালা সাম্প্রদায়িক ব্যক্তিদেরই মাঠে নামতে হয়। এ বিষয়ে একটা উদাহরণ দিই :-
1981 Meenakshipuram
conversion
The 1981 Meenakshipuram
conversion was a mass religious
conversion that took place in the
Indian village of
Meenakshipuram,in which
hundreds of Hindu Dalits
converted to Islam over caste
discrimination.This incident
sparked debate over conversion
in the country and the government
decided to introduce anti-
conversion legislation.
Meenakshipuram is a village in
the Tirunelveli district of Tamil
Nadu, India. The dalits in the
village were segregated by the
caste Hindus, who referred to
them as untouchables on the basis
of Indian caste system . They were
discriminated against by not
being allowed access to public
properties such as temples and
wells which were used by the caste
Hindus. The district had a long
history of caste-related violence .
To avoid discrimination and
political suppression, the dalits
decided to embrace Islam. On
19 February 1981, around 800
dalits (300 families) were
converted to Islam by Ishaatul
Islam Sabha of South India in a
ceremony. After the incident, the
Tamil Nadu
government set up an inquiry
commission to investigate the
conversion. The commission in its
report suggested an anti-
conversion bill to be passed by the
state government, but government
put it on hold. Some
Hindu polities such as Arya
Samaj , Vishva Hindu Parishad,
Bharatiya Janata Party and its
leaders like A. B. Vajpayee
visited the village and asked them
to reconvert but were unable to
convince them. In later years, the
Hindu factions claimed a few of
them were converted back.
NDA
Now the world is very small with the help of Internet. A customer of a Bank's was identified as a customer of particular Branch of a Bank. Now with the help of on line Banking a customer is a customer of a Bank only. It means people want quicker service. For this our Government is responsible. They circulate the " fixed time " of every work. In the name of work culture authority talk in the doted link of the Government.
Common people know everything. Simultaneously they want quick remedies from the Government side. But sorry to say here they are taking much time. How commom public will wait for a long time? Leaders of the Nation should think it seriously.
Corrupt Congress leader Rohul Gandhi don't know 'ABCD' of politics. He has no knowledge and experience. Only he is a member of so called Gandhi Family. He is moving one part from another parts of India. Misguideing people against very sensible and experience leaders of NDA.
We know our Prime Minister is trying his level best. Still there is lacuna. Blackmoney issue become very sensitive now a days. Without further delay Government should publicise the facts before the common people. They should not give any chance to Laloo, Mulayam, Nitish, Sonia, Mamata, Sitaram Yeachuri and Mayawati. It will definite a suicide to the NDA Government. Shyamal Hati
সনাতন ধর্মে কেন মৃতদেহ পোড়ানো হয়?
সনাতন ধর্মে মৃতদেহ পোড়াবার
তিনটি কারন আছে।
১) আধ্যাত্মিক কারণঃ
আমরাসনাতনধর্মেরঅনুসারিরা
পুনর্জন্মেবিশ্বাসী।এই ত্রিতাপদগ্ধ
সংসারে পুনরায়জন্মগ্রহনকরে
মানুষদুঃখজ্বালাভোগকরুক এটা কেউ
চাই না। যে দেহেতিনি এতদিন বাস
করেছেন, তাকেসাজিয়ে গুছিয়ে
রেখেছেন, পৃথিবীরযাবতীয় সুখের
স্বাদ তাকেদিয়েছেনসে দেহের
প্রতি আকর্ষণ ও মায়াথাকা
স্বাভাবিক। দেহের প্রতিআকর্ষণে
পুনঃ দেহ ধারনে তারআকাঙ্ক্ষা
জাগতে পারে, ঐআকাঙ্ক্ষা দূর করার
উদ্দেশেইআকর্ষণেরবস্তু দেহটিকে
পোড়ানো হয়।
২) সামাজিক কারণঃ
আর্যঋষিদেরভবিষ্যৎ চিন্তা এতে
প্রতিফলিতহয়েছে।মানুষ সৃষ্টি হবে
এবংএমনএকদিন আসতে পারে
যখনস্থানাভাবদেখা দেবে। মানুষের
দেহ না পুড়িয়েমাটিতে পুঁতে রেখে
দিলে ক্রমশমাটিতে রাখার জায়গার
অভাবদেখা দিতে পারে। এই
কারনেই দেহপোড়াবার বাবস্থা।
৩) বৈজ্ঞানিক কারণঃ
মানুষবিভিন্নকারনে মৃত্যুবরণ করে। এর
মধ্যরোগে মৃত্যুইসর্বাধিক। এই সকল
মৃতদেহেপচন ধরলেপরিবেশে বিভিন্ন
রোগ জীবাণুছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা
থাকে।এসবচিন্তা থেকেই আর্য
ঋষিগণ শবপোড়াবার বিধি দিয়েছে।
মুখাগ্নি করার কারণঃআমরা সনাতন
ধর্মের অনুসারিবিশ্বাসকরি যে, মানুষ
মৃত্যুর পরস্বর্গবাসী হয়অথ্যাৎ
দেবলোকে যায়। কিন্তু,তিনিস্বর্গে
বা দেবলোকে যাবেনকিভাবে?
বৈদিক নিয়ম অনুসারেদেবলোকে বা
স্বর্গলোকেপাঠাতেহলে দেবতাদের
পুরোহিতঅগ্নিতেআহুতি দিতে হয়।
অগ্নিদেবই সেঅর্চনাবা আহুতি
দেবলোকে নিয়ে যান।তাইযিনি
মৃত্যুবরণ করেছেন তারপ্রাণবায়ুঅগ্
নিদেবকে আহুতি না দিলে
তিনিকি করে স্বর্গবাসী হবেন?
প্রানবায়ু মুখদিয়ে বের হয় বলে মুখে
অগ্নিসংযোগকরে মন্ত্র পাঠ করতে
হয়-“ওঁ কৃত্বা তু দুষ্কৃতং কর্মংজানতা
বাপ্যজানতা।মৃত্যুকাল বশং প্রাপ্য
নরংপঞ্চত্বমাগতম্ধর্মাধর্ম সমাযুক্তং
লোভ মোহসমাবৃতম্দহেয়
ং সর্বগাত্রানি দিব্যান্লোকান্স
গচ্ছতু”।অনুবাদঃতিনি জেনে বা না
জেনেঅনেক দুষ্কর্ম করে
থাকতেপারেন।কালবশে মানুষ মৃত্যুবরণ
করেথাকে। এদেহ ধর্ম, অধর্ম, লোভ,
মোহপ্রভৃতিদ্বারা আচ্ছাদিত ছিল।
হেঅগ্নিদেব,আপনিতার সকল দেহ দগ্ধ
করেদিব্যলোকে নিয়ে যান।
712 A.D ৭১২ খ্রীস্টাব্দ
৭১২ খ্রীস্টাব্দে মহম্মদ বিন কাসেম হিন্দুরাজা দাহির কে পরাজিত করে সিন্ধুপ্রদেশ দখল করেন। দাহিরের মৃত্যু ঘটলে রানী পরম বিক্রমে যুদ্ধ চালিয়ে জয়ের সম্ভাবনা না দেখে জলন্ত চিতায় প্রান বিসর্জন দেন। সিন্ধু জয়ের পর মহম্মদ বিন কাসেম, ইরাকের শাসনকর্তা হাজ্জাজকে লেখেন, " পৌত্তলিকদেরকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে নয়তো হত্যা করা হয়েছে। তাদের মন্দির গুলো ধ্বংস করা হয়েছে। ৬০০০ হিন্দুকে হত্যা করে ১লক্ষ হিন্দুকে ক্রীতদাসে পরিনত করা হয়েছে। ৩০ হাজার হিন্দু রমনীকে নৃশংসভাবে অত্যাচার করার পর ক্রীতদাসী হিসাবে বাগদাদে প্রেরন করা হয়েছে"। দাহিরের দুই কন্যা পরিমন দেবী ও সুরজ দেবী কে উপঢৌকন হিসাবে বাগদাদে হাজ্জাজের কাছে পাঠানো হয়।।
চমকাবেন না, এটাই শান্তির ধর্ম ইসলাম।
Subscribe to:
Posts (Atom)