Friday, 10 July 2015

R.S.S CPIM আরএসএসের কর্মসূচিতে সিপিএমের বাধা দানে উত্তেজনা মেলাঘরে

আগরতলা, ৬ জুলাই৷৷ সিপিএম রাজ্য নেতৃত্ব প্ররোচনার ফাঁদে পা না দিতে বরাবরই দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসলেও নলছড় কেন্দ্রের দলীয় বিধায়ক তপন দাস সেই প্ররোচনার ফাঁদেই পা দিলেন৷ বিজেপির রাজ্য সভাপতির হুঙ্কারে গোটা রাজ্যেই সিপিএমের কর্মী সমর্থকরা ক্ষোভে ফঁুসছেন৷ এরই মধ্যে আরএসএসের বেশ কিছু সর্বক্ষণের স্বেচ্ছা সেবী রাজ্যে এসেছে৷ তারা রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছে৷ কার্যত সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে রাজ্যে বিজেপির ভিত শক্তিশালী করতে চাইছে তারা৷ এরই অঙ্গ হিসেবে আজ মেলাঘরের একটি সুকলে সকালে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা যোগা কর্মসূচী শুরু করে৷ এখবর পাওয়ার সাথে সাথেই বিধায়ক তপন চন্দ্র দাস নাকি তার কিছু অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছেন৷ আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকদের রীতিমত জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন৷ এনিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে৷ এমনকি আরএসএসের দুইজন সর্বক্ষণের স্বেচ্ছাসেবীকে বাইকে তুলে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়৷ শেষ পর্যন্ত খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে৷ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়৷ এব্যাপারে আরএসএস রাজ্য শাখার তরফে মেলাঘর থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়৷ অবশ্য এখনো পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি৷ এর জল বহুদূর পর্যন্ত প্রসারিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ কারণ, আরএসএস গোটা রাজ্যেই তাদের সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর যে প্রয়াস নিয়েছে তাতে শাসকদল রীতিমত বিপাকে পড়েছে৷ বিজেপির উত্থান ও আরএসএসের তৎপরতা বৃদ্ধি নেতাদের চোখের ঘুম কেড়ে নিচ্ছে৷ ২০১৮ সালকে টার্গেট করে বিজেপি এবং আরএসএস তৎপরতা শুরু করেছে বলে জানা গেছে৷ http://www.jagarantripura.com/news/2015/07/10034

Fake RSS FB page operated from Kolkata stumps Nagpur

A page on Facebook that claims to belong to the RSS has shaken Sangh Parivar leaders from Kolkata to Nagpur. It looks similar to the original RSS page on Facebook and regularly posts provoking comments and pictures about minorities in India and belligerent remarks about Bangladesh, its people and government. Advised by RSS leaders from Nagpur, the Sangh leaders in Bengal have lodged repeated complaints with Kolkata police, who they allege are dragging its feet on the issue despite repeated reminders. In early June, Bengal Sangh leaders first spotted the page, and then notified its Nagpur headquarters that expressed concern over the issue. The official RSS page in Facebook is operated from Nagpur. “I am sure that it is a planned initiative from our opposition, not only to malign us but also to tarnish us if the dangerous comments on that page leads to something untoward. We also fear that professionals might be employed to maintain this page. It has objectionable posts and contents. It regularly uploads provocative material against the minority community here and the life in Bangladesh,” said Jishnu Basu, Sangh general secretary, South Bengal. Kolkata Police cyber cell sources told HT that investigation is going on, but it will take time. His unofficial advice is that RSS would approach Facebook authorities to strike off the page. The look and feel of the Facebook page is such that even many Sangh followers mistook it for the real one. The fake page has got more than 35,000 likes including many RSS members. http://www.hindustantimes.com/india-news/fake-rss-fb-page-operated-from-kolkata-stumps-nagpur/article1-1362933.aspx

নিউ ইয়র্কে গাফফার চৌধুরীর সমাবেশে বাধা

নিউ ইয়র্ক সিটির ব্রুকলিনে গাফ্ফার চৌধুরীর সমাবেশ স্থলের বাইরে বিক্ষোভ। জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে এক অনুষ্ঠানের বক্তব্যের জন্য একুশের গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরীরকে ‘নাস্তিক’ ও ‘মুরতাদ’ আখ্যা দিয়ে নিউ ইয়র্কে তার কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থকরা। Related Stories গাফফার চৌধুরীর নিন্দায় বিএনপি 2015-07-05 18:48:40.0 স্থানীয় সময় রোববার বিকালে জ্যামাইকার তাজমহল পার্টি সেন্টারে ‘আওয়ামী পরিবার’ ব্যানারে ওই সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। শেষ মুহূর্তে এই পার্টি সেন্টার কর্তৃপক্ষ সমাবেশ আয়োজনে উদ্যোক্তাদের কাছে অপারগতা প্রকাশ করেন। সমাবেশের আয়োজকদের অন্যতম শরাফ সরকার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “একাত্তরের ঘাতকদের বিচারের বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্কে ইতিপূর্বে যারা বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে, তাদের পক্ষ থেকে হুমকির কারণে তারা পার্টি হলে সমাবেশ করতে দিতে চাননি।” এর পর তাৎক্ষণিকভাবে ব্রুকলিনে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম লীগের মিলনায়তনে সমাবেশের প্রস্তুতি নেওয়া হলে এর সামনে একদল লোক জড়ো হয়ে গাফ্ফার চৌধুরীকে ‘মুরতাদ’, ‘নাস্তিক’ আখ্যা দিয়ে তার মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে বিক্ষোভ করে। এসময় অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা হেলালউদ্দিন, স্থানীয় বায়তুল জান্নাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ, বাংলাদেশি আমেরিকান প্রগ্রেসিভ ফোরামের সভাপতি মো. নূরুল ইসলাম, মো. শহীদুল্লাহ, মাওলানা সাফায়েত ও মাহবুবুর রহমান। ‘আজকের প্রতিবাদ কাদের বিরুদ্ধে- নাস্তিক গাফ্ফারের বিরুদ্ধে’, ‘গাফফারের চামড়া তোলে নেব আমরা,’ ‘যেখানে গাফফার-সেখানেই প্রতিরোধ’- এই স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা, তারা গাফ্ফার চৌধুরীর প্রতি জুতাও দেখান। সমাবেশের জন্যে নির্ধারিত মিলনায়তনের দরজা বাইরে থেকে আটকে দেন বিক্ষোভকারীরা। তখন ভেতরে থাকা লোকজনের কাছ থেকে মোবাইল ফোনে খরব পেয়ে আয়োজকদের অন্যতম নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জাকারিয়াকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। সেখান থেকে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিলে তার কাছের মসজিদে চলে যান। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ মিশনের এই অনুষ্ঠানে দেওয়া আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর বক্তব্যের সূত্র ধরেই প্রতিক্রিয়া হচ্ছে।ওই সময় নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরনবী কমান্ডার পুলিশকে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে গেলে কর্মকর্তার সামনেই বেশ কয়েকজন তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। পুলিশ উভয় পক্ষকেই শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে –এমন কিছু করতে নিষেধ করলে সেখানেও গাফ্ফার চৌধুরীর সমাবেশ আর করা যায়নি। পুলিশ চলে যাওয়ার পর সমাবেশের আয়োজকদের পক্ষে নূরনবী কমান্ডার বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দুয়েকজন নেতার আসকারা পেয়ে জামাত-শিবির এবং বিএনপির কট্টরপন্থিরা পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে। “নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের যে টানাপড়েন চলছে, তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের শক্তিশালী কলামনিস্ট গাফ্ফার চৌধুরীকে ‘ভিকটিম’ করা হচ্ছে। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কি হতে পারে।’ জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, “জামাত-শিবিরের দোসরদের যখন পুলিশ তাড়িয়ে দিচ্ছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের একজন নেতার লেলিয়ে দেওয়া কয়েকজন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন প্রবীন রাজনীতিক নূরনবী কমান্ডারকে।” এদিকে নিউ ইয়র্ক সিটির এস্টোরিয়ায় ‘মদিনার আলো’ নামের একটি সংস্থার আয়োজনে তারাবির নামাজ শেষে ইমাম মাওলানা অলিউল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নাস্তিক মোরতাদ গাফ্ফার চৌধুরীর শাস্তি চান আমাদের এখানকার সকল মুসল্লি এবং তাকে কোমর পর্যন্ত মাটিতে গেড়ে ঢিল ছুঁড়ে মেরে ফেলতে হবে।” যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সহসভাপতি গিয়াস আহমেদ বলেন, “অমার্জনীয় অপরাধ করেছেন গাফ্ফার চৌধুরী। এর শাস্তি তাকে ভোগ করতেই হবে।” আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী এখন নিউ ইয়র্কে অবস্থান করছেন। নিউ ইয়র্কে বেশ কটি মসজিদের ইমামসহ বিক্ষোভকারীরা ‘যেখানে গাফ্ফার চৌধুরী- সেখানেই প্রতিরোধ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। নিউ ইয়র্কে গাফ্ফার চৌধুরীর সমাবেশের অন্যতম আয়োজক নূরনবী কমান্ডারকে পুলিশের সামনেই লাঞ্ছিত করার চেষ্টা।শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে ‘বাংলাদেশ : অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যত’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির বিবর্তনের ইতিহাস বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার এক পর্যায়ে ভাষা ও ধর্মের ভিন্নতা তুলে ধরে গিয়ে কলামনিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘এখন যেটাকে আরবি ভাষা বলা হচ্ছে, সেই ভাষাতে কাফেররাও কথা বলতো। আজকে আরবি ভাষার যে সমস্ত শব্দ আমরা ব্যবহার করি, সবই কাফেরদের ব্যবহৃত ভাষা। “যেমন আমরা বলি, আল্লাহর ৯৯ নাম, সবগুলোই কিন্তু কাফেরদের দেবতাদের ভাষা ছিল। রাহমান, গাফ্ফার ও গফুর সবই কাফেরদের ব্যবহৃত নাম ছিল। এখন সেগুলো ইসলাম ‘এডপ্ট’ করেছে। আজকে বাংলা ভাষায় ‘এডপ্টিং’ শক্তি আছে যে, বাংলা ভাষাকে আজকে দেখতে পাই সবচেয়ে সমৃদ্ধ ভাষা। এবং এই ভাষায় আরবি, ফার্সি থেকে শুরু করে যে কোন প্রকার ভাষা ‘এডপ্ট’ করা যায়।” জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এ কে এ মোমেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “গাফ্ফার চৌধুরীর এ বক্তব্য বাংলাদেশের কোনো কোনো দৈনিকে যথাযথভাবে প্রকাশিত না হওয়ায় তা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।” এর মধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে আবদুল গাফফার চৌধুরীর ওই বক্তব্যে ‘আল্লাহকে কটাক্ষ’ করা হয়েছে দাবি করে এজন্য তার নিন্দা জানিয়ে দূতাবাস কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

Godhra Kanda Gujrat

গুজরাত দাঙ্গার কথার নিশ্চয় সকলের মনে আছে। তথাকথিত সেকুলারিস্টরা এই দাঙ্গার কথাটা যেখানে সেখানে প্রচার করে থাকে। তথাকথিত ভণ্ড ধর্মনিরপেক্ষ দল গুলির ও সি.পি.এম. গুজরাত দাঙ্গার কথা মনে করে কেঁদে ভাসায়। কিন্তু ঘটনার সূত্রপাত যে গোধরা ট্রেন পোড়ানোর কাণ্ড থেকে, সেটা তারা অনেকেই বলতে চান না বা স্বীকার করেন না। কিন্তু আমাদের সকলের মনে রাখা উচিত এর নেপথ্য কাহিনী । গুজরাতের দাঙ্গা শুরু হয়েছিল গোধরা স্টেশানে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের করসেবকদের বহনকারী সবরমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের কোচ S6 এ ৫৮জন করসেবককে পুড়িয়ে মারার মধ্য দিয়ে। ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারীর সকাল ৭-৪৩ মিনিটে ট্রেন পোড়ানোর ঘটনা থেকে সুত্রপাত ঘটে নিকৃষ্টতম দাঙ্গার যাতে প্রান হারায় ৭৯৪ জন মুসলমান এবং ২৫৪জন হিন্দু, ২২৩ জন নিঁখোজ, এবং ২৫০০ জন আহত হন। গোধরা এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ইতিহাসঃ- ভারতের গুজরাট রাজ্যের পাঁচমহল জেলার ছোট শহর। লোক সংখ্যা ১ লক্ষ ২১ হাজার(২০০১), হিন্দুদের কাছে পবিত্র স্থান। বেশ কিছু মন্দির আছে এখানে। জনসংখ্যার ১৩% ভাগ মুসলমান। মুসুলমানরা “ঘাচি” সম্প্রদায়ের। দেশ বিভাগের সময় তারা ছিল মুসলিম লীগের সমর্থক এবং পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে। উগ্র লড়াকু হিসেবে এদের খ্যাতি আছে। দেশ বিভাগের সময় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের হিন্দুরা এখানে এসে বসতি গড়ে। হিন্দু সিন্ধী এবং মুসলিম ঘাঞ্চি দের মধ্যে বৈরিতা চলে আসছে সেই সময় থেকেই।সাম্প্রদায়িক দাংগা হয়েছে -১৯৪৭-৪৮ সালে,১৯৫৩-৫৫ সালে, ১৯৬৫ সালে, ১৯৮০-৮১ সালে, ১৯৮৫ সালে। ১৯৮০ সালে দুই সম্প্রদায়ের কলা বিক্রেতার ঝগড়া থেকে দাঙ্গার সুত্রপাত ঘটে যাতে একই পরিবারের ৫ জন হিন্দু সিন্ধীকে পুড়িয়ে মারা হয়। গোধরায় সবরমতি এক্সপ্রেসে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের করসেবকদের পুরিয়ে মারার ঘটনা - ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারীর সকালে সবরমতি এক্সপ্রেস ট্রেন প্রায় ৪ ঘন্টা দেরী করে পৌছায় গোধরা স্টেশনে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের করসেবকেরা রাম জন্মভুমিতে তাদের সম্মেলন শেষে ঐ ট্রেনে ফিরছিলো। স্টেশানের হকারদের (যাদের অধিকাংশ মুসুলমান) বচসা হয় কর সেবকদের । এরপর শুরু হয় ট্রেনে ঢিল ছোড়া। এই সময় গুজব ছড়ানো হয় যে একজন মুসলমান তরুনিকে করসেবকেরা ট্রেনের কোচে ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষন করছে (পরবর্তীতে ভিত্তিহীন প্রমানিত), নির্দ্দিষ্ট ৫ মিনিট যাত্রা বিরতির পর ট্রেন যাত্রা শুরু করে। স্টেশান থেকে প্রায় ১ কিলো মিটার দূরে ফাদিয়া সিগন্যালের কাছে চেন টেনে থামানো হয়(আনোয়ার কালান্দার নামের এক ছেলে চেন টেনেছিল)। প্রায় ৫০০ জন মুসলিম এক যোগে হামলা চালায় ট্রেনে। তারপর করসেবকদের কোচে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মারা যায় ২৩ জন পুরুষ, ১৫জন মহিলা এবং ২০ জন ছেলেমেয়ে সর্বমোট ৫৮জন তীর্থযাত্রী। ২৫০ জন বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। তাদের একজনের দাবী প্রায় ২,০০০ মুসলমান হামলা করেছিল ফাদিয়া সিগন্যাল এ। দি ডেইলি ট্রিবিউন লিখেছিল “ চেন টেনে ট্রেন থামানোর পর ইটপাটকেল নিক্ষেপকারী বিপুল সংখ্যক লোক, পেট্রোল, পেট্রোল বোমা এবং কেরসিন ঢেলে ট্রেনের কামরায় আগুন ধরিয়ে দেয়।” সরকারী তদন্তঃ- “ইউ, সি ব্যানার্জী” তদন্ত কমিশন রিপোর্ট দেয় অগ্নিসংযোগের কোন ঘটনা ঘটে নি। সম্ভবতঃ ট্রেনের কামরার রান্না করার স্টোভ থেকেই অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত। গুজরাত হাই কোর্ট কমিশনের রিপোর্ট বাতিল করে দেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন” পেট্রোলে ভেজান জ্বলন্ত কাপড় ছুড়ে মারা হয়। নানাবতি কমিশনঃ-প্রত্যক্ষদর্শী দের সাক্ষ্য সহ নানা তথ্য উপাত্ত নিয়ে তারা রিপোর্টে অগ্নিসংযোগের ঘটনা সঠিক বলে রায় দেন। পরবর্তীতে “ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন” এবং ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলা কারীরা গোধরা হত্যা কান্ডের বদলা নিতে বোমা হামলা এবং হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে বলে দাবী করে। নেপথ্য কাহিনী -- ট্রেনে হামলার ঘটনা পুর্ব পরিকল্পিত । ট্রেন পোড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত জাবির বেহেরার স্বীকারক্তি অনুযায়ী গ্রেফতার করা হয় মৌলানা হুসেন ওমারজীকে। বেহেরা স্বীকারোক্তি দেয় যে “ ঘটনার আগের দিন রাত এগারোটায় মৌলানা উমরজী গেস্ট হাউস “ আমান”এ মিটিং করেন। গেস্ট হাউজের মালিক “রাজ্জাক কুরকুরে” ঐদিন পার্শবর্তী পেট্রোল পাম্প থেকে ১৪০ লিটার পেট্রোল সংগ্রহ করেন তারা। পেট্রোল পাম্পের মালিক “প্যাটেল “ ভ্রাতৃদ্বয় পেট্রোল কেনার ব্যাপার নিশ্চিত করেন। সেলিম পানওয়ালা স্টেশানে গিয়ে খবর নিয়ে জানেন যে সবরমতি এক্সপ্রেস প্রায় ৪ ঘন্টা দেরী করে আসছে। তারা সেই অনুযায়ী পরিকল্পনার সময় নির্ধারন করেন। ফাদিয়া সিগ্ন্যাল এলাকা মুসুলমান অধ্যুষিত।আমান গেস্টহাউজ সিগন্যাল ফাদিয়ার কাছেই। ওখানেই জমা রাখা হয়েছিলো প্রতিটি ২০ লিটারের জারিক্যান” এ ভরা পেট্রোল।বেহেরা সহ মোট ৬ জন ট্রেনের সংযোগ স্থল কেটে ট্রেন এ জারী ক্যান সহ ঢুকে পড়েন। তারপর জারীক্যান ঢেলে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দরজা খুলে লাফিয়ে পড়েন তারা। তাছারা ওই দিন সকালে গধরা স্টেশনে বেলা এত বেশী লোকের স্টেশানে উপস্থিত থাকা পুর্ব পরিকল্পনারই ইঙ্গিত দেয়। হামলা কারীরা জানতো ঐ ট্রেনে করসেবকরা ফিরছে এবং তারা নির্দ্দিষ্ট কামরাতেই আক্রমন চালায়। আর হকারদের সঙ্গে করসেবকদের বচসা ও অপহরনের গুজবও পূর্বপরিকল্পিত। ভারতে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরী করা অনেকেরই প্রয়োজন ছিল ।মুসলিম ভোট ব্যাংক কুক্ষিগত করতে ও দেশের তথাকথিত ধর্ম নিরপেক্ষতার ঝাণ্ডা উত্তোলন করতে গিয়ে এ কাণ্ডটি করে লালু-কংগ্রেসের জোট। ঘটনাটার কৌশলগত গুরুত্ব ছিল অপরিসীম । এক্ষেত্রে মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সংহতি তৈরী ছাড়াও তৎকালীন হিন্দু নেতৃত্বকে অর্বাচীন প্রমাণ করতে তাঁরা ভালভাবেই সফল হয়েছেন । ভারতীয় জনতা পার্টির যে রাজনৈতিক ক্ষতিটা হয়েছিল তা তাঁরা সহজে পূরণ করতে পারনি । ২০০৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি পরাজিত হয়, যে ঘটনাটি আজও তাদের পিছু করে বেড়ায়। ২০০৪ সালে লালু প্রসাধ রেল মন্ত্রী হয়ে একটি রাজনৈতিক তদন্ত কমিশন বসিয়ে ষরযন্ত্র তত্ত্বকে নাকচ করে ঘটনাটিকে নিছক দুর্ঘটনা বলে চাপিয়ে দেয়।

Save Tuktuki From Gazi

আজ টুকটুকি মন্ডলকে বাবুসোনা গাজীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য যে প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল "জন জাগরন মঞ্চের" পক্ষ থেকে হাজরা মোড়ে । প্রতিবাদ সভা চালু করা মাত্রই কলকাতা পুলিশ প্রসূন মৈত্র,অর্পিতা মৈত্র,দেবদত্ত মাজী,অর্নিবান বিশ্বাস,সুমন্ত্র মাইতি সহ একাধিক জন জাগরন মঞ্চের কর্মীদের গ্রেফতার করে । অবাক হওয়ার কিছু নেই বাংলার বুকে দাঁড়িয়ে হিন্দুদের হয়ে লড়াই করলেই গ্রেফতার হতে হবে কারন আমরা এখন ইসলামিক শাসনে আছি । একটা হিন্দু গরীব মেয়েকে যারা নতুন জীবন দেওয়ার জন্য প্রতিবাদ করছে তাদের আজ গ্রেফতার করছে পুলিশ অথচ কোন হিন্দু মেয়েকে যখন ধর্ষন করা হচ্ছে তখন পুলিশ কেন চুপ? বাংলা বাংলাদেশে পরিনত হয়েছে এটাই তার প্রমান হিসাবে সাক্ষী রইল ।

2016 w.b Election

আগামী বছরের বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে বিজেপি-কে পোক্ত জায়গায় নিয়ে যেতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে (আরএসএস) সামিল করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিলেন দলীয় সভাপতি অমিত শাহ। তারই অঙ্গ হিসেবে গত মঙ্গলবার প্রায় মধ্যরাতে সঙ্ঘের সদর দফতর কেশব ভবনে যান তিনি। বিজেপি সভাপতির সঙ্গে ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সংগঠন সম্পাদক রামলাল এবং সহ-সংগঠন সম্পাদক শিবপ্রকাশ। বিডন স্ট্রিটের সঙ্ঘ কার্যালয়ে বিজেপি সভাপতির যাওয়া এবং দীর্ঘ বৈঠকের ব্যাপারটি কাকপক্ষীতেও টের পায়নি! এমনকী সে দিন বিজেপির আরও কয়েক জন সর্বভারতীয় নেতা কলকাতায় থাকলেও তাঁদেরও এই বৈঠকের ব্যাপারে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছিল! সঙ্ঘ সূত্রের খবর, সে দিনের বৈঠকে সামিল হতে কলকাতায় এসেছিলেন আরএসএসের সহ-সম্পাদক ভাগাইয়াজি। ছিলেন সঙ্ঘের পূর্ব ক্ষেত্রের (পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি) প্রচারক প্রদীপ জোশীও। এক সময় অরুণাচল প্রদেশের দায়িত্বে থাকা এই নেতা বর্তমানে কলকাতা থেকে কয়েকটি রাজ্যের দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, মাস কয়েক আগেই পশ্চিমবঙ্গে সঙ্ঘ পরিবারের কাজের বিস্তৃতির জন্য সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত সংগঠনে বেশ কিছু পরিবর্তন করেছেন। অন্ধ্রপ্রদেশের ভাগাইয়াজি এখন কলকাতাকে কেন্দ্র করেই তাঁর কাজকর্ম চালাচ্ছেন। এ ছাড়াও দীর্ঘদিন পর এ রাজ্যের এক প্রচারক অদ্বৈত দত্তকে সর্বভারতীয় স্তরে তুলে নিয়ে গিয়েছেন সঙ্ঘপ্রধান। তিনিও মূলত কলকাতায় থেকেই কাজ করছেন। আর বেশ কিছু দিন তাঁর নিজের সচিব থাকা বিদ্যুৎ মুখোপাধ্যায়কে এখন দক্ষিণবঙ্গের প্রান্ত প্রচারকের দায়িত্ব দিয়েছেন মোহন ভাগবত। রাজ্যস্তরে সংগঠনের এই পরিবর্তনের পর কেশব ভবনও এখন রাজ্যে সঙ্ঘ পরিবারের সক্রিয়তা বাড়ানোর উপরে বিশেষ জোর দিয়েছে। রাজ্য বিজেপির এক নেতার কথায়, ‘‘এক সময় সঙ্ঘের প্রবীণ প্রচারকরা এ রাজ্যে শাখার সংখ্যা বৃদ্ধি আর কোন তিথিতে কী খাওয়া উচিত আর কী উচিত নয়, তা নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকতেন! রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির দিকে খেয়ালই ছিল না তাঁদের!’’ কিন্তু এখন মোহন ভাগবতের নেতৃত্বে সঙ্ঘ পরিবারের সমস্ত সংগঠনের কাজকর্মের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ এসেছে জানিয়ে ওই নেতা বলেন, ‘‘শুধু বিজেপিতেই সঙ্ঘের ৪২ জন রাজ্য স্তরের প্রচারক সারা দেশে সংগঠন বাড়ানোর কাজ করছেন। গত মাসের শেষে তাঁদের নিয়ে মুম্বইয়ে তিন দিনের শিবিরও করেছে আরএসএস।’’ সঙ্ঘ সূত্রের খবর, মুম্বইয়ে ওই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক সুরেশ (ভাইয়াজি) জোশী। সেই শিবিরেই বলে দেওয়া হয়েছে, সঙ্ঘের মূল আদর্শের সঙ্গে কোথাও আপস না করে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব আরও বাড়াতে হবে। পাশাপাশি বাংলার মাটিতে রাজনৈতিক শক্তিবৃদ্ধিও যে জরুরি, তা-ও উপলব্ধি করেছে সঙ্ঘ। ওই নেতার কথায়, ‘‘সেই কারণে অমিত শাহও তাঁর পরিকল্পনার ব্যাপারে সঙ্ঘের অনুমোদন নিতে গিয়েছিলেন।’’ দলের সভাপতি হওয়ার পর অমিত শাহ চার বার কলকাতায় এসেছেন। প্রথম বার এসেছিলেন গত বছর সেপ্টেম্বরে। তার পর ফের নভেম্বরে। দু’দফাতেই কলকাতায় সভা করেছিলেন তিনি। আর এ বছর জানুয়ারিতে এসে বর্ধমানে গিয়েছিলেন সভা করতে। প্রতি সফরেই কলকাতায় রাত্রিবাস করলেও এক বারও সঙ্ঘ দফতরে যাননি তিনি। ব্যতিক্রম হল এ বারে। বিজেপির এক সূত্রের দাবি, অমিত শাহ দিল্লিতে কেশব কু়ঞ্জে মাঝে মধ্যেই যান। আমদাবাদে সঙ্ঘ দফতরেও তাঁর নিয়মিত যাতায়াত। কিন্তু অন্য রাজ্যে সঙ্ঘ কার্যালয়ে তিনি সাধারণত যান না। ফলে কলকাতায় এসে সঙ্ঘ কার্যালয়ে যাওয়ার মধ্যে বাড়তি গুরুত্ব রয়েছে বলেই জানাচ্ছে ওই সূত্রটি। কী আলোচনা হয়েছে সে দিনের বৈঠকে? সঙ্ঘ সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, কোথায় কোথায় দুর্বলতা, কী ভাবে তার মোকাবিলা করা হবে, সে সবের একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা হাতে নিয়েই সঙ্ঘ নেতাদের কাছে যান অমিত। প্রায় দু’ঘণ্টার ওই বৈঠকের পরে বিজেপি সভাপতির পরিকল্পনার সঙ্গে সহমত হয়েছে সঙ্ঘ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে হঠাতে সঙ্ঘ পরিবার সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে অমিতকে। তবে তার জন্য বেশ কিছু শর্তও দিয়েছে সঙ্ঘ। কী সেই শর্ত? সঙ্ঘের তরফে বিজেপি সভাপতিকে বলা হয়েছে, রাজ্যের মানুষ তৃণমূলের অপশাসন থেকে মুক্তি চায়। এ জন্য ক্ষয়িষ্ণু বামের তুলনায় বিজেপির উপরেই ভরসা রাখতে চান একটা বড় সংখ্যক মানুষ। এই অবস্থায় লড়াইয়ে থাকতে গেলে রাজ্য বিজেপির এক জন উপযুক্ত নেতা দরকার। যিনি তৃণমূলের অপশাসন নিয়ে মাঠে নেমে দলকে ভাল জায়গায় নিয়ে যেতে পারবেন। সঙ্ঘের এক সূত্রের বক্তব্য, ‘‘যোগ্য নেতৃত্বের হাতে কর্তৃত্ব দেওয়ার অর্থ, রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বে বদল। সঙ্ঘেরএই পরামর্শ বিজেপি সভাপতি মেনে নিয়েছেন। ফলে কিছু দিনের মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে ব্যাপক রদবদল হতে পারে। সিদ্ধার্থনাথ সিংহকে সরিয়ে এ রাজ্যে দলের দায়িত্ব কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের হাতে তুলে দেওয়া তারই ইঙ্গিত।’’ বিজেপিরই একটি শীর্ষ সূত্রের দাবি, বুধবার সকালে কলকাতা ছাড়ার আগে www.anandabazar .com/state/ amit-shah- meets- rss-leader-of-b engal-1.173337#

Rohinga Muslim

মায়নামারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবীতে কলকাতা পার্কসার্কাসে উড়ল পাকিস্তানের পতাকা । মিডিয়া নীরব, প্রশাসনও নীরব । ধর্মনিরপেক্ষতারকথা বলার জন্য আজ বাংলাতে পাকিস্তানের পতকা উড়ল কালকে বাংলা পাকিস্তান হবে তৈরী থাকুন সবাই ।