Sunday, 12 July 2015

আল্লাহ শব্দটি এসেছে কাবা শরিফের প্রধান মূর্তির নাম থেকে

লেখক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী থেমে নেই। ইসলাম, ধর্ম এবং পর্দা নিয়ে সম্প্রতি তার দেয়া বক্তব্যকে ঘিরে দেশ-বিদেশে যখন নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, ঠিক তখনই আবারো নতুন করে আগুনে তুষ ঢেলেছেন। এবার ইসলাম, ধর্ম, পর্দা, এমনকি রাসূলুল্লøাহ সা:-কে ছাড়িয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লøাহকে জড়িয়ে মন্তব্য করেছেন। বলেছেন, ‘আল্লøাহর যে ৯৯ নাম, এগুলো কাবা শরিফের দেবদেবীর নাম ছিল। একটি বড় প্রমাণ হলো যে, আমাদের রাসূল্লøাহ সা:-এর বাবার নাম ছিল আবদুল্লøাহ। আল্লøাহ শব্দটি আসছে কাবা শরিফের প্রধান যে মূর্তিটি ছিল তার নাম ইলাত, কেউ বলে ইলাহ, কেউ বলে ইলাত। এর থেকে আসছে। শুক্রবার নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক টাইম টেলিভিশনের এক সাক্ষাৎকারে তার পূর্ববর্তী আলোচিত-সমালোচিত বক্তব্যের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফের বিতর্কের ঝড় তুলেছেন তিনি। গেল ৩ জুলাই ম্যানহাটনের বাংলাদেশ মিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একক বক্তব্যে রাসূল ও পর্দা নিয়ে তার মন্তব্যের বিষয় সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি ওই দিন যে বক্তব্য দিয়েছি তা যথার্থ ছিল। এটাকে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে চিহ্নিত জামায়াত ও হেফাজতিরা। জাতিসঙ্ঘ মিশনে দেয়া বক্তব্য নিয়ে তারা রাজনৈতিক প্রপাগান্ডায় নেমেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার সে দিনের বক্তব্য ঘিরে ফুঁসে ওঠে প্রবাসী ধর্মপ্রাণ মানুষ। এর হাওয়া লেগেছে বাংলাদেশেও। পরবর্তী ৭ জুলাই রোববারের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিও পণ্ড হয়ে যায়। জ্যামাইকা থেকে ব্রুকলিনে গিয়েও শেষ রক্ষায় হয়নি আবদুল গাফফার চৌধুরীর। সেখানেও প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয় আয়োজকদের। তার ওই বক্তব্যকে ঘিরে শুক্রবারও সিটির বিভিন্ন মসজিদের খুতবায় নিন্দা জানানো হয়। এ ছাড়া ৮ জুলাই নিউ ইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে আলেম-ওলামারা গাফফার চৌধুরীকে প্রকাশ্যে তাওবাপূর্বক ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে মসজিদে বিশেষ খুতবা পাঠের হুঁশিয়ারিও দেন তারা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সফর প্রসঙ্গে বলেন, আমি নিউ ইয়র্কে এসেছি ব্যক্তিগত ব্যাপারে এবং কিছুটা আমন্ত্রিত হয়ে। এখানে আমাদের বাংলাদেশ মিশনে আমাদের মোমেন সাহেবের (জাতিসঙ্ঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি) আমন্ত্রণে একটি সিরিজ লেকচারে অংশগ্রহণ করার জন্য। এ লেকচারটি হয়ে গেছে। আর ব্যক্তিগতভাবে আমি এখানে এসেছি এই জন্য যে, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর একটি ডকুমেন্টারি করছি। এখানে কিছু বিখ্যাত লোকের তার সম্পর্কে মন্তব্য রেকর্ড করার জন্য। দুই কারণেই এসেছি। তিনি বলেন, আমি মিশনে বক্তব্য দিয়েছি বাংলাদেশের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ভাষাভিত্তিক আন্দোলন থেকে ভাষা আন্দোলন পর্যন্ত। আমাদের বাংলাকে বলা হতো হিন্দুর ভাষা, এটা ঠিক নয়। বাংলাতে ইসলাম প্রচার হয়েছে বাংলা ভাষাতেই। আরবে ইসলাম প্রচার হয়েছে আরবি ভাষাতেই। যদিও সে ভাষা এককালে কাফেরদের ভাষা ছিল। তাতে কিছু আসে যায় না। পরবর্তীকালে ইসলামের ভাষা হয়েছে। আমাদের নাম, আমাদের সংস্কৃতির কার্যকলাপ মিশ্রিত। আমাদের বিবাহ, আমাদের নামকরণ কোনোটাই ধর্মভিত্তিক নয়। আরবরা তাই করেছে। তাহলে আজকে যারা প্রতিবাদ করছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তাদের প্রতিবাদকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করছেনÑ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে চিহ্নিত জামায়াত-হেফাজতিরা। জাতিসঙ্ঘ মিশনে দেয়া আমার বক্তব্য নিয়ে তারা রাজনৈতিক প্রপাগান্ডায় নেমেছে। যোগ দিয়েছে কিছু সুবিধাবাদী। অসত্য বেশি দিন টিকবে না। কারো হুমকি-ধমকি ও অপপ্রচারে ভয় পান না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি। এ দিকে নিউ ইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের ব্যানারে ৭ জুলাইয়ের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি প্রবাসী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মুখে পণ্ড হয়ে যাওয়ার পর ওই দিন বাংলাদেশী অধ্যুষিত ব্রুকলিনে গিয়েও ব্যর্থ হন আয়োজকেরা।

Saturday, 11 July 2015

Indian History -

Indian History - ভারতের ইতিহাস আরবি মানে আজ বিশ্বের মানুষ বুঝে ইসলামের ভাষা। আসলেই ইসলামের সর্বোচ্চ ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরীফ আরবি ভাষায় রচিত। কিন্তু আপনি কি জানেন ইসলাম-পূর্ব আরবে আরবি কবিতা বেদসংহিতার স্তুতি করছে। এখানে একটি কবিতা দেয়া হল আরবি কবি লাবি-বিন-ই-আখতাব-বিন-ই-তুরফার যিনি ইসলাম-পূর্ব আরবে বাস করতেন।দেখুন------------------ ॐ卐সত্যের জয়ॐ卐 http:// thebdtimes24.com / প্রাচীন-আরবের-কব িতায়-বে#.VaBpv TNw1bq

Oldest Dharma of the World? পৃথিবীর আদি ধর্ম কি?

ধর্ম নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক চলে আসছে অনেক বছর ধরে । পৃথিবীর আদি ধর্ম কিন্তু সনাতন হিন্দু ধর্ম । বাকি যে সব ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে সেই সব ধর্ম মানুষের দ্বারা সৃষ্টি ধর্ম । একবার ভাবুন স্বামী বিবেকানন্দ যদি বিবেক ধর্ম নামে একটা ধর্ম প্রচলন করত এবং সেই ধর্মে গোঁড়ামী কিছু প্রচলন করত তাহলে হয়তো অনেকই সেই ধর্মকে পালন করে নিজেকে বিবেক ধর্মের লোক বলে দাবী করত । হজরত মহম্মদের জন্মের আগে কি কোন মুসলিম পৃথিবীতে ছিল? নাকি যীশু খ্রীষ্টের জন্মের আগে কোন খ্রীষ্টান পৃথিবীতে ছিল? তাহলে এখান থেকেই স্পষ্ট পৃথিবীর আদি ধর্ম কি ।

মুসলমানদের এত বার বাড়ন্তের একটা বড় কারন

“মুসলমানদের এত বার বাড়ন্তের একটা বড় কারন হল হিন্দুদের সভ্যতা ও ন্যায় নীতির বোধ। যখন কোন বরবর শক্তির সঙ্গে সভ্য শক্তির সংঘর্ষ হয় বরবর শক্তি সর্বদাই সুবিধাজনক অবস্তায় থাকে। কারন তারা সবসময় অনৈতিক আঘাত করতে পারে। মুসলমানরা সমস্ত ন্যায়নীতির বিসরজন দিয়ে জেখানে-সেখানে খুন-ধর্ষণ-অপহরন-হত্যা করে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে। কারন তারা জানে হিন্দুশক্তি এর উত্তরে মুসলমান মহল্লায় ঝাপিয়ে পরবে না, কেবল্ মাত্র জেহাদি দুষ্কৃতি টাকেই খুঁজে বের করে বিচার করার চেষ্টা করবে। এবং মুসলমান জেহাদিরা প্রানপনে সেই দুষ্কৃতি কে আড়াল করার চেষ্টা করবে। মুসলমান জঙ্গিরা হিন্দু মন্দিরে দকান বাজারে বিস্ফোরণ ঘটায়, কারন তারা জানে এর জবাবে হিন্দুরা কখনই কোন মসজিদে বা মাদ্রাশায় বিস্ফোরণ ঘটাবে না। দৈবক্রমে কথাও কোন মুসল্মানের গায়ে হাত পরলে হিন্দু সমাজই তার প্রতিবাদ ও নিন্দায় ফেতে পড়বে।” আজ গাজি দের সাহস ঠিক এই জাইগা থেকেই আসে। কারন তারা জানে হিন্দু দের তরফ থেকে যথার্থ প্রতিরোধ/ আঘাত আসবে না, (তাই তারা ১৫ বছরের কিশোরী টুকটুকি কে ৬৪ দিন ধরে আটকে রেখে তার ওপর নির্যাতনের সাহস দেখায়।) যদিওবা কিছুটা হয় ওই রাস্তার আন্দলনেই সিমিত হয়ে থাকবে, আর সেটা সামাল দেবার জন্য বেগমের পুলিশ সহ গোটা govt mechenari হাজির আছে। লোহাকে লোহা দিয়ে কাটা জায়, কাঁচ কাটতে হিরে লাগে। ওদের পরাজিত করতে গেলে ওদের মত করেই ভাবতে হবে। ১ কা বদলা ১০।

ABP ananda

প্রেশ্যা এবিপি আনন্দর আজকের হেডলাইন- নদিয়ার চার্চে হামলাঃ-- অথচ রাজ্যের কত জায়গায় জেহাদি মুসলিমদের হাতে হিন্দুরা নির্যাতিত হল, সেদিন আবার একটা হিন্দু মেয়েকে আরবের জংলি জানোয়ার মহম্মদ গাজী কিডন্যাপ করল অথচ প্রেশ্যা আনন্দ তখন ঘন্টা খানেক সঙ্গে সুমনের বউএর সাথে হানিমুনে বিজি ছিল। জুতা মারি আরবের জংলির পোষা কুকুর প্রেশ্যা আনন্দর মুখে।। সেই প্রেশ্যা মিডিয়ার মুখে জুতে মারার উদ্দেশ্যে হাজরা মোড়ে, এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন হয়েছে। সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে চলে আসুন সবাই।। লিখেছেনঃ গনেশ মজুমদার.....অল্প পরিবর্তন করেছি।

Bihar Election

A very very good news to BJP and simultaneously a bad news to Corrupt Congress, Laloo and Nitish Kumar. The news is the result of Bihar Upper Chamber Election BJP got 14 seats and Corrupt Congress, Laloo and Nitish Kumar combined got 09 seats. Is it not Modi effect? What our media will say now?

Love Jehad লাভজিহাদ বা প্রতারনামূলক ধর্মান্তরকরণ?

লাভজিহাদ বা প্রতারনামূলক ধর্মান্তরকরণ ? যা আজ সনাতন ধর্মে দেখা দিয়েছে মহামারি রুপে । আসুন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই ভয়াল থাবার হাত থেকে রক্ষাকরি, আমাদের ভাই বোনদের । ছেলেদের থেকে মেয়েরাই প্রতারনারর শিকার বেশী হচ্ছে । অনেক মেয়ে বয়সন্ধিক্ষনের রঙ্গিন সময়ে মেয়েরা এই ফাঁদে পড়ে এবং সারা জীবন এই প্রতারণার কষ্ট বয়ে বেড়াতে হয় । একটা কথা মনে রাখতে হবে, লাভ জিহাদের পরে কে লাভবান হয় ? অবশ্যই মুসলিম ছেলেরা । একটা মেয়েকে ধর্মান্তরিত করে তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী যে পুণ্য সে তার পরিবার আর আশেপাশের মানুষেরা পায় তাতেই নাকি তাদের স্বর্গ নিশ্চিত হয়ে যায়। একপাশে স্বর্গ (বেহেশত) লাভ অন্যপাশে সুন্দরী নারী; এমন সহজ আর লোভাতুর সুযোগ কে হাতছাড়া করতে চায় ??? অন্যদিকে মেয়ের কি লাভ হয় ??? তার পরিবার, বাবা মা স্বজন সবাইকে ছাড়তে হয় । কিছুদিন যেতে না যেতেই ঐ সব মেয়েদের রঙ্গিন চশমা নামতে শুরু করে । পরিবারে তার অবস্থান শুধু শয্যাসঙ্গিনী, রাঁধুনি আর সন্তান উৎপাদনের মেশিন । "মানে থ্রি ইন ওয়ান" তাদের জন্য বলাই আছে মেয়েরা শস্যক্ষেত্রের মত বা যেখানে একাধিক স্ত্রী রাখা বৈধ, তার সাথে অসংখ্য যৌনদাসী বৈধ, যখন তখন তালাক দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়া যায় । যে সমাজে মেয়েদের কে নুন্যতম সম্মান প্রদর্শন করা হয় না সেই নরকে তার বাস করতে হয় । অনেক মেয়ে মুখ বুজে সহ্য করে মেনে নেয় অনেকে মানতে না পেরে পালিয়ে আসে । পালিয়ে আসার পর যদি তার পিতামাতা তাকে আশ্রয় না দেয় তাহলে তাদের স্থান হয় আস্তাকুড়ে, পতিতালয়ে যেখানে সারা জীবন ছিরে ছিরে খায় তাদেরকে নরপশুরা । লাভ জিহাদ প্রতিরোধ করবেন কি করেঃ লাভ জিহাদের কালো থাবায় পিষ্ট হচ্ছে মেয়েরা,কিন্তু এই দায় কি শুধু মেয়েদের একার ??? মেয়েরা ধর্মান্তরিত হচ্ছে এই দায় শুধু মেয়েদের একার নয় । কেন নয় উত্তরঃ ★ ভাই হয়ে কি আমরা বোনের বন্ধু হতে পেরেছি ? ★ বাবা, দাদা বা কাকারা কি বন্ধুর মত আচরণ করে আমাদের ঘড়ের মেয়েদের সাথে ? ★ মেয়েরা যদি সাপোর্ট পেত তবে এই সমস্যা মহামারী আকারে দেখা যেত না । ছেলেরা ফেইসবুক ব্যবহার করছে গন হারে, কিন্তু মেয়েরা কি পারছে ব্যবহার করতে ? তাহলে তাঁরা সচেতন হবে কি করে ? ★ ছেলেরা বাইরে অবাধ বিচরণ করে বলে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে বন্ধু বা বড় ভাইদের সাথে কিন্তু মেয়েরা কি পারছে সেটা করতে ? গৃহ বন্ধি হয়ে কি জ্ঞান অর্জন করা যায় ? ★ পারিবারিক ধর্ম শিক্ষার অভাব আছে এটাও কিন্তু মেয়েদের দোষ নয়, পরিবারের কর্তা নির্ধারণ করে দিলে পারিবারিক ধর্ম চর্চা সবাই করবে এটাই স্বাভাবিক । তাই এই দায়ও ছেলেদের । ★ এখানে কিছু ব্যতিক্রম থাকে যা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন বোধ করছি না । এই ব্যতিক্রমের মুল উপাদান হলো লোভ । এই ব্যতিক্রমের হার খুব বেশি নয় । এরা বিপথে যাবে বলে জন্ম নিয়েছে তাই তাঁদের কথা ভেবে লাভ নেয় । ★ কোন মেয়ে লাভ জিহাদের পাল্লায় পড়লে সাথে সাথে তার বাবা-মা, আত্মীয়- স্বজনকে জানান (দরকার হলে নিজের পরিচয় গোপন করে হলেও) সর্বপরি এ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল সচেতনতা তৈরি করতে হবে হিন্দু মেয়েদের মাঝে । এ বিষয়ে জীবনের শুরুতেই (অর্থাৎ বয়সন্ধি কালের শুরুতেই, বাড়ি থেকে যখন বের হয়ে গেল অর্থাৎ স্কুল, কলেজ ভার্সিটির জন্য বাইরের সাথে যোগাযোগ হল) তখনই ভাই হিসেবে বোনকে, বাবা হিসেবে মেয়েকে, বন্ধু হিসেবে বন্ধুকে খোলাখুলি বলুন, আলোচনা করুণ । সমস্যার উৎস গুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে ঠিক আছে, যে সব স্থানে আমরা মানে ছেলেরা সচেতন হলে মেয়েরা ঐ কালো থাবা থেকে বেঁচে যেত সেগুলিকে আগে ঠিক করে পরে অন্য কিছু ভাবা দরকার । প্রায় দেখি পোষ্ট এ ঢালাও ভাবে মেয়েদের দোষী করা হয়, হয়তো অনেক ক্ষেত্রে দোষ দেওয়া যুক্তি যুক্ত । ধরে নিলাম দোষ আছে মেয়েদের তবুও কি সব দোষ সব সময় সবার সামনে উল্লেখ করতে হবে ? মেয়ে সম্প্রদায়কে যদি ঢালাও ভাবে দোষ দেওয়া হয় এটা হবে চরম অন্যায় । এই লাভ জিহাদ ঠেকাতে হলে মেয়েদের কি করতে হবে, তার চাইতে ছেলেদের সচেতন হতে হবে বেশি করে । ছেলেদেরকে মেয়েদের বন্ধু হতে হবে, ভাইকে বোনের বন্ধু হতে হবে, বোনকে জানাতে হবে, পিতা হয়ে নিজের মেয়েকে এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে, বোনকে তথ্য দিতে হবে, আপনি বোনদের সাথে শেয়ার করতে লজ্জা পেলে আপনার বোন জানবে কি করে এই বিষয়ে ? অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর থেকে নিজের ভূমিকা পালন করা উত্তম বলে আমি মনে করি । হয়তো আপনার একটি শেয়ার একজনকে হলেও সচেতন করবে । সচেতনতার স্বার্থে শেয়ার করুন ।