লাভজিহাদ বা প্রতারনামূলক
ধর্মান্তরকরণ ?
যা আজ সনাতন ধর্মে দেখা দিয়েছে মহামারি রুপে ।
আসুন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই ভয়াল থাবার হাত
থেকে রক্ষাকরি, আমাদের ভাই বোনদের ।
ছেলেদের থেকে মেয়েরাই
প্রতারনারর শিকার
বেশী হচ্ছে । অনেক মেয়ে বয়সন্ধিক্ষনের রঙ্গিন সময়ে
মেয়েরা এই
ফাঁদে পড়ে এবং সারা জীবন এই প্রতারণার কষ্ট
বয়ে বেড়াতে হয় ।
একটা কথা মনে রাখতে হবে, লাভ জিহাদের পরে কে
লাভবান হয় ? অবশ্যই মুসলিম ছেলেরা । একটা মেয়েকে
ধর্মান্তরিত
করে তাদের বিশ্বাস
অনুযায়ী যে পুণ্য সে তার
পরিবার আর আশেপাশের
মানুষেরা পায় তাতেই নাকি তাদের স্বর্গ নিশ্চিত হয়ে
যায়। একপাশে স্বর্গ (বেহেশত) লাভ
অন্যপাশে সুন্দরী নারী;
এমন সহজ আর লোভাতুর সুযোগ কে হাতছাড়া করতে
চায় ???
অন্যদিকে মেয়ের কি লাভ হয় ??? তার পরিবার, বাবা
মা স্বজন সবাইকে ছাড়তে হয় । কিছুদিন যেতে না
যেতেই ঐ সব মেয়েদের
রঙ্গিন চশমা নামতে শুরু
করে । পরিবারে তার অবস্থান শুধু
শয্যাসঙ্গিনী, রাঁধুনি আর সন্তান উৎপাদনের মেশিন ।
"মানে থ্রি ইন ওয়ান"
তাদের জন্য বলাই আছে মেয়েরা শস্যক্ষেত্রের
মত বা যেখানে একাধিক
স্ত্রী রাখা বৈধ, তার সাথে অসংখ্য যৌনদাসী বৈধ,
যখন তখন তালাক দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়া যায় ।
যে সমাজে মেয়েদের কে নুন্যতম সম্মান প্রদর্শন করা হয়
না সেই নরকে তার বাস করতে হয় ।
অনেক মেয়ে মুখ বুজে সহ্য করে মেনে নেয়
অনেকে মানতে না পেরে পালিয়ে আসে । পালিয়ে
আসার পর যদি তার পিতামাতা তাকে আশ্রয়
না দেয় তাহলে তাদের
স্থান হয় আস্তাকুড়ে,
পতিতালয়ে যেখানে সারা জীবন ছিরে ছিরে খায়
তাদেরকে নরপশুরা ।
লাভ জিহাদ প্রতিরোধ করবেন কি করেঃ লাভ
জিহাদের কালো থাবায় পিষ্ট হচ্ছে মেয়েরা,কিন্তু এই
দায় কি শুধু মেয়েদের
একার ??? মেয়েরা ধর্মান্তরিত হচ্ছে এই দায় শুধু
মেয়েদের একার
নয় । কেন নয় উত্তরঃ
★ ভাই হয়ে কি আমরা বোনের বন্ধু হতে পেরেছি ?
★ বাবা, দাদা বা কাকারা কি বন্ধুর মত আচরণ
করে আমাদের ঘড়ের
মেয়েদের সাথে ?
★ মেয়েরা যদি সাপোর্ট
পেত তবে এই সমস্যা মহামারী আকারে দেখা যেত না ।
ছেলেরা ফেইসবুক
ব্যবহার করছে গন হারে, কিন্তু মেয়েরা কি পারছে
ব্যবহার করতে ?
তাহলে তাঁরা সচেতন
হবে কি করে ?
★ ছেলেরা বাইরে অবাধ
বিচরণ করে বলে বিভিন্ন
অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে বন্ধু বা বড় ভাইদের
সাথে কিন্তু
মেয়েরা কি পারছে সেটা করতে ?
গৃহ বন্ধি হয়ে কি জ্ঞান
অর্জন করা যায় ?
★ পারিবারিক ধর্ম
শিক্ষার অভাব আছে এটাও কিন্তু মেয়েদের দোষ নয়,
পরিবারের কর্তা নির্ধারণ করে দিলে পারিবারিক ধর্ম
চর্চা সবাই করবে এটাই
স্বাভাবিক । তাই এই দায়ও ছেলেদের ।
★ এখানে কিছু ব্যতিক্রম
থাকে যা নিয়ে আলোচনার
প্রয়োজন বোধ করছি না । এই ব্যতিক্রমের মুল উপাদান
হলো লোভ । এই
ব্যতিক্রমের হার খুব বেশি নয় । এরা বিপথে যাবে বলে
জন্ম নিয়েছে তাই তাঁদের কথা ভেবে লাভ নেয় ।
★ কোন মেয়ে লাভ জিহাদের
পাল্লায় পড়লে সাথে সাথে তার বাবা-মা, আত্মীয়-
স্বজনকে জানান (দরকার হলে নিজের
পরিচয় গোপন করে হলেও) সর্বপরি এ থেকে বাঁচার
একমাত্র উপায় হল সচেতনতা তৈরি করতে
হবে হিন্দু মেয়েদের মাঝে । এ বিষয়ে জীবনের
শুরুতেই (অর্থাৎ বয়সন্ধি কালের শুরুতেই,
বাড়ি থেকে যখন বের হয়ে গেল অর্থাৎ স্কুল, কলেজ
ভার্সিটির জন্য
বাইরের সাথে যোগাযোগ হল) তখনই ভাই হিসেবে
বোনকে, বাবা হিসেবে মেয়েকে, বন্ধু হিসেবে বন্ধুকে
খোলাখুলি বলুন,
আলোচনা করুণ ।
সমস্যার উৎস গুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে ঠিক
আছে, যে সব স্থানে আমরা মানে ছেলেরা সচেতন হলে
মেয়েরা ঐ কালো থাবা থেকে
বেঁচে যেত সেগুলিকে আগে ঠিক করে পরে অন্য কিছু
ভাবা দরকার ।
প্রায় দেখি পোষ্ট এ ঢালাও ভাবে মেয়েদের দোষী
করা হয়, হয়তো অনেক
ক্ষেত্রে দোষ দেওয়া যুক্তি যুক্ত । ধরে নিলাম দোষ
আছে মেয়েদের তবুও কি সব দোষ সব সময় সবার সামনে
উল্লেখ করতে হবে ? মেয়ে সম্প্রদায়কে যদি ঢালাও
ভাবে দোষ দেওয়া হয় এটা হবে চরম অন্যায় ।
এই লাভ জিহাদ ঠেকাতে হলে মেয়েদের কি করতে হবে,
তার চাইতে ছেলেদের
সচেতন হতে হবে বেশি করে । ছেলেদেরকে মেয়েদের
বন্ধু হতে হবে, ভাইকে বোনের বন্ধু হতে হবে,
বোনকে জানাতে হবে, পিতা হয়ে নিজের মেয়েকে এই
বিষয়ে সচেতন করতে হবে, বোনকে তথ্য দিতে হবে,
আপনি বোনদের সাথে শেয়ার করতে লজ্জা পেলে
আপনার বোন জানবে কি করে এই বিষয়ে ?
অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর
থেকে নিজের ভূমিকা পালন
করা উত্তম বলে আমি মনে করি ।
হয়তো আপনার একটি শেয়ার একজনকে হলেও
সচেতন করবে ।
সচেতনতার স্বার্থে শেয়ার করুন ।
No comments:
Post a Comment