ঝিলম করঞ্জাই মহেঞ্জোদাড়ো-হরপ্পায় প্রাক-বৈদিক সভ্যতা, সম্রাট অশোক বা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে বাদ দিয়ে কি লেখা সম্ভব ভারতবর্ষের ইতিহাস? গুপ্তযুগ, কুষাণ যুগকে বাদ দিয়ে সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠা থেকেই কি সূচনা হতে পারে কোনও ইতিহাস বই? উত্তর জানতে খুব শিগগিরই আদালতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ৷ তাদের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের নবম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে প্রাচীন যুগকে বাদ দিয়ে, সরাসরি ইসলামি যুগ থেকেই শুরু হচ্ছে পঠনপাঠন৷ সঙ্ঘের মত, ইতিহাসের বিকৃতি ঘটানো হচ্ছে মাদ্রাসাবোর্ডের সিলেবাসে৷ ভারতীয় সভ্যতার বিকাশের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে মাদ্রাসার পড়ুয়াদের৷ এই অভিযোগে আগামী সন্তাহেই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছে সঙ্ঘের একটি সহযোগী সংগঠন৷ নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই আরএসএস-এর নানা কর্মসূচি ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে৷ শিক্ষাক্ষেত্রে গৈরিকীকরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন অমর্ত্য সেনের মতো শিক্ষাবিদ৷ সঙ্ঘ পরিবারের ঘর ওয়াপসি কর্মসূচি উদ্বেগ বাড়িয়েছে সংখ্যালঘুদের৷ পুনের এফটিআইআইয়ের সঙ্ঘ পরিবারের পছন্দের গজেন্দ্র চৌহানকে চেয়ারম্যান করায় ছাত্রছাত্রীদের ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়লেও অনড় বিজেপি সরকার৷ এর মধ্যেই মাদ্রাসা বোর্ডের সিলেবাস নিয়ে সঙ্ঘ পরিবারের এই সিদ্ধান্তে প্রশ্ন জেগেছে নানা মহলে৷ সঙ্ঘের বক্তব্য, যে ইতিহাস দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পড়ানো হচ্ছে তা খণ্ডিত৷ এর পরিবর্তন দরকার৷ এই লক্ষ্যে শুধু মাদ্রাসার সিলেবাস পর্যালোচনা নয়, সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতির মানদণ্ড নিয়েও সরব হয়েছে তারা৷ তাদের দাবি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় পরিচালনাধীন হলেই কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এই স্বীকৃতি দেওয়ার চলতি সাংবিধানিক বিধানের পরিবর্তন দরকার৷ তাদের বক্তব্য, যে প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের সিংহভাগ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সেগুলিরই শুধুমাত্র এই স্বীকৃতি পাওয়া উচিত৷ এই দাবি নিয়ে আগামী মাসেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে আরএসএস-এর সহযোগী সংগঠন ভারতীয় শিক্ষণমণ্ডলী৷ মাদ্রাসার ইতিহাসের সিলেবাস নিয়ে কোন সংগঠন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে তা এখনও স্থির হয়নি৷ শুক্রবার আরএসএস-এর দক্ষিণবঙ্গের কার্যবহ জিষ্ণু বসু বলেন, 'মাদ্রাসায় যে ভাবে খণ্ডিত ইতিহাস পড়ানো হচ্ছে তা বিপজ্জনক৷ আমার মনে হয় দায়িত্বশীল নাগরিকদের উচিত আদালতের কাছে এ নিয়ে সুবিচার প্রার্থনা করা৷' সংবিধানের ৩০, ৩১ এ, ৩১ বি ও ৩১ সি ধারায় সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকার এবং সেগুলি কী ভাবে পরিচালিত হবে তা উল্লেখ রয়েছে৷ জিষ্ণু প্রশ্ন তুলেছেন যে সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির জোরে কি বিকৃত ইতিহাস পড়ানো যায়? তবে পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা পর্ষদের সচিব সৈয়দ নুরুস সালাম বলেন, 'পঞ্চম শ্রেণি থেকেই প্রাচীন ভারতের ইতিহাস পড়ানো হয়৷ নবম-দশম শ্রেণিতে এই কারণে সমস্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি৷ পুরো সিলেবাস প্রথিতযশা ইতিহাসবিদ দিতে গঠিত এক্সপার্ট কমিটি প্রস্তুত করেছেন৷ কারও মতামত থাকলে আমরা তা গ্রহণ করতে প্রস্তুত৷ সে ক্ষেত্রে ফের এক্সপার্ট কমিটির সুপারিশ চাওয়া হবে৷' সঙ্ঘের এই সিদ্ধান্তে রাজ্যে শিক্ষাবিদদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে৷ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক সজ্জত আলম রিজভি বলেন, 'যে কোনও বিষয়কেই বস্তুনিষ্ঠ ভাবে পড়ানো উচিত৷ তবে ইতিহাসকে দেখার নানা আঙ্গিক রয়েছে৷ আরএসএস এক রকম ভাবে ইতিহাসকে ব্যাখ্যা করে৷ আবার উত্তর আধুনিক ঐতিহাসিকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন ভাবে৷ এ ক্ষেত্রে কোনও বিতর্ক হয়ে থাকলে সিলেবাস পুনর্বিন্যাস করার দরকার রয়েছে কি না সেটা ভেবে দেখা উচিত৷' রিজভির কথায়, তিনি উত্তরপ্রদেশের এক মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন৷ সেখানে ভারতে সুলতানি যুগের আগে কী ছিল সেটা একেবারে ছাত্রাবস্থা থেকেই পড়ানো হয়েছিল৷ ইতিহাসবিদ রজতকান্ত রায় বলেন, 'মাদ্রাসা বোর্ডের নিজস্ব স্বাধীনতা রয়েছে৷ তাতে কারও হস্তক্ষেপ করার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই৷ আরএসএসের এক্তিয়ারে এটা পড়ে না৷ ওখানকার বেশিরভাগ পড়ুয়ারাই তো মুসলমান সম্প্রদায়ভুক্ত৷ তাই তাদের কথা ভেবে যদি ইসলামি ইতিহাস বেশি গুরুত্ব পেয়ে থাকে, তাতে আপত্তি উঠবে কেন?' শিক্ষাবিদ মীরাতুন নাহার এ নিয়ে মতামত দিতে গিয়ে বলেন, 'ধর্ম আর দেশ সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়৷ যদি সত্যিই এ রকম সিলেবাস করা হয়ে থাকে তা হলে বলব এটা ধর্মের কথা ভেবেই করা হয়েছে৷ আবার এর উল্টোদিকে যারা বিরোধিতা করছে, তারাও কিন্তু ধর্মের কারণেই করছে৷ যে দেশে বহু ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন সেখানে ইতিহাসকে সামগ্রিকতার বিচারেই দেখতে হবে৷ আমি কোনও পক্ষকেই সমর্থন করছি না৷' অধ্যাপক-বিধায়ক তরুণ নস্করের বক্তব্য, 'আরএসএস-এর হাতে যদি দেশের ইতিহাস লেখার দায়িত্ব যায়, তা হলে দেখা যাবে ওরা আর্য যুগের মধ্যেই ইতিহাসকে আটকে রাখবে৷ কারণ ওরা মনে করে জ্ঞান-বিজ্ঞান-অর্থনীতি-সহ সব কিছু ঘুরপাক খায় কেবল ওই আর্যদের সময়েই৷ কিন্তু ইতিহাসকে সার্বিকভাবেই দেখা উচিত৷'
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 12 July 2015
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নীরব নির্যাতন চলছে:
গাফফার চৌধুরী
জুয়েল রাজ, যুক্তরাজ্য
Published : Friday, 29 May,
2015 at 4:37 PM
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন থামেনি,
নীরব নির্যাতন এখনো চলছে।
বাংলাদেশ
জেনোসাইড আর্কাইভের 'বুরুঙ্গা
গণহত্যা দিবস'
স্মরণে আয়োজিত সভায় গাফফার
চৌধুরী বলেন
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি ও তাদের
দোসররা
বাংলাদেশে যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল
তাঁর
ধারাবাহিকতা শেষ হয়ে যায়নি।
বাংলাদেশে
এখনো প্রতিনিয়ত নীরবে সংখ্যালঘুদের
উপর
নির্যাতন চলছে আর তা আওয়ামী
লীগের
নামধারীরাই চালিয়ে যাচ্ছে এখন।
উদাহরণ হিসাবে সম্প্রতি সময়ে ঘটে
যাওয়া
বেশ কিছু ঘটনার উল্লেখ করেন তিনি।
গাফফার
চৌধুরী আরো বলেন, এর দায়িত্ব
আওয়ামী
লীগকেই নিতে হবে।
বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের আর যাবার
কোন
জায়গা নাই। ভারতের মতো হিন্দু
মহাসভা বা
ভারতের মুসলমান নেতৃত্বের মতো
কোন
শক্তিশালী নেতৃত্ব ও নেই। হিন্দু-
বৌদ্ধ-
খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নামে একটা
সংগঠন ছিল,
যা এখন একটা নপুংসক সংগঠনে পরিণত
হয়েছে।
১৯৭১ সালে হিন্দু-মুসলিম সবাই
নির্যাতিত
হয়েছে। কিন্তু তুলনামূলক ভাবে
হিন্দুদের উপর
অত্যাচার হয়েছে বেশি। দেশের স্বার্থে
হিন্দুদের টিকিয়ে রাখতে হবে। গাফফার
চৌধুরী
বলেন, সাধারণ মানুষের অনুভূতিকে
কাজে
লাগাতে দেশজুড়ে হিন্দু সম্পত্তি
মসজিদ
মাদ্রাসার নামে দখল করে নিচ্ছে
স্বার্থান্বেষী মহল। যারা আওয়ামী
লীগের
নাম ভাঙ্গিয়ে এসব করছে।
শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন,
মুক্তিযোদ্ধার তালিকা আছে।
প্রতিনিয়ত
সংযোজন-বিয়োজন হচ্ছে। কিন্তু
স্বাধীনতার
দীর্ঘ সময় পরেও রাজাকারের কোন
তালিকা
তৈরী করা হয়নি। এই সুযোগে এদের
উত্তরসূরীরা
আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করছে। তাই
রাজাকারের তালিকাও এখন
পর্যায়ক্রমে করা
হবে।
সভাপতি তাঁর সমাপনি বক্তব্যে
১৯৭১ সালের ২৬
মে গণহত্যার স্মৃতিচারণ করে বলেন,
আমি তখন
অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ছিলাম। আমার
চোখের
সামনে বুরুঙ্গার সেই বীভৎস ঘটনা
ঘটেছে।
আমার দুইজন শিক্ষকসহ গ্রামের প্রায়
একশত
লোককে সেদিন নির্মম ভাবে হত্যা করা
হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়,
ক্ষোভের বিষয়,
এই সব রাজাকার আলবদরের সন্তানরা
এখন
স্থানীয় আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব
দিচ্ছেন।
আগামী প্রজন্মের জন্য এবং আওয়ামী
লীগকে
টিকিয়ে রাখার জন্য এখনি শুদ্ধি
অভিযান
চালাতে হবে। বুরুঙ্গার মানুষ না হয়েও
আপনারা
আমার গ্রামের নিহত শহীদদের স্মৃতির
প্রতি যে
শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন আমি
আপনাদের কাছে
কৃতজ্ঞ।
২৮শে মে পূর্ব লন্ডনের হ্যানবারি
ষ্ট্রীটে
বাংলাদেশ জেনোসাইড আর্কাইভ এর
উদ্যেগে
পালন করা হয় বুরুঙ্গা গণহত্যা দিবস।
বুরুঙ্গা
গ্রামের সাবেক মেম্বার ও আওয়ামী
লীগ নেতা
সুরমান আলীর সভাপতিত্বে ও প্রজন্ম
৭১'র
সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসাইনের
পরিচালনায়
এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত
ছিলেন
বরেণ্য সাংবাদিক কলামিস্ট আব্দুল
গাফফার
চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন সিলেট
জেলা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও
বালাগঞ্জ
বিশ্বনাথে আওয়ামী লীগের সাবেক
সংসদ সদস্য
শফিকুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি
ছিলেন
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি
বীর
মুক্তিযুদ্ধা সুলতান শরীফ।
বাংলাদেশ জেনোসাইড আর্কাইভ এর
পক্ষে
স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার
সুশান্ত দাস
গুপ্ত। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য
রাখেন ঘাতক
দালাল নির্মূল কমিটির পুষ্পিতা গুপ্তা,
আনহার
মিয়া ব্যারিষ্টার শওগাতুল আনোয়ার
খান সহ
আরো অনেকে।
১৯৭১ সালের ২৫মে পাকহানাদার
বাহিনীও
তাদের স্থানীয় দোসররা বুরুঙ্গায়
প্রবেশ করলে
চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময়
স্থানীয়
চেয়ারম্যান ইনজেদ আলী লোক মারফত
এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করেন
পাকবাহিনী
কারো ক্ষতি করতে আসেনি। ঐদিন
পাকবাহিনী
ও তাদের দোসররা মিলে এলাকায় বৈঠক
করে।
পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বৈঠকে
সিদ্ধান্ত নেয়
পরদিন (২৬মে) শান্তি কমিটি গঠনের
লক্ষ্যে
সভা করা হবে। সভায় সকলকে শান্তি
কার্ড
দেয়া হবে। আরো সিদ্ধান্ত হয় সভায়
সকলের
উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। সিদ্ধান্ত
মোতাবেক
স্বাধীনতাবিরোধীরা মিলে সভায়
উপস্থিতির
জন্য গ্রামে জোর প্রচারণা চালায়।
২৬ মে সকালে মৃত্যু ভয় নিয়েও
অনেকে বিদ্যালয়
মাঠে এসে উপস্থিত হয়। সকাল ৯টার
দিকে
রাজাকার আব্দুল আহাদ চৌধুরী (ছাদ
মিয়া),
গৌছ মিয়া ডা. আব্দুল খালিকসহ পাক
বাহিনীর
ক্যাপ্টেন নূর উদ্দিনের নেতৃত্বে
একদল
পাকিস্তানী সেনা জীপে চড়ে বুরুঙ্গা
উচ্চ
বিদ্যালয়ে (বর্তমান ইকবাল আহমদ
হাই স্কুল এন্ড
কলেজ) অবস্থান নেয়। প্রথমে তারা
তাদের
পূর্বকল্পিত নকশা অনুযায়ী সবার
উপস্থিতি
সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। এ সময় পাক
হানাদারদের
একটি দল গ্রামে ঢুকে পুরুষদের মিটিং-এ
আসার
তাগিদ দিতে থাকে।
সকাল ১০ টায় বিদ্যালয় মাঠে সমবেত
লোকদের
মধ্যে হিন্দু-মুসলমানকে আলাদা করা
হয়। এ সময়
পাক বাহিনী তাদের মধ্যে আলাপ
আলোচনা
করে কয়েকশ' মুসলমানকে কলেমা
পড়িয়ে এবং
পাকিস্তানের স্লোগান দিয়ে ছেড়ে দেয়।
হিন্দুদের বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ও
অবশিষ্ট
মুসলমানদের দক্ষিণ দিকের একটি
শ্রেণী কক্ষে
রাখা হয়। পাকবাহিনী তাদের জিম্মায়
থাকা
মুসলমাদের নির্দেশ করে ৪ জন করে
হিন্দুকে এক
সঙ্গে বাঁধার জন্য। এ সময় গ্রামের
প্রাক্তন
চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া ক্যাপ্টেনকে
উদ্দেশ্য
করে বলেন, এটা ইসলাম বিরোধী কাজ।
এখানে
হিন্দুদের দাওয়াত করে আনা হয়েছে।
ক্যাপ্টেন নূর উদ্দিন চেয়ারম্যানকে
ধমক দিলে
তিনি নিরব হয়ে যান। হিন্দুদের যে ঘরে
আটকে
রাখা হয়েছিল সেখানে একটি জানালা শ্রী
নিবাস চক্রবর্ত্তী কৌশলে খুলে
ফেলেন। তার
উদ্দেশ্য ছিল জানালা দিয়ে পালিয়ে
যাবেন,
কিন্তু পারেননি। এক সময় ঐ খোলা
জানালা
দিয়ে বুরুঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান
শিক্ষক
প্রীতি রঞ্জন চৌধুরী ও রানু মালাকার
নামের
এক যুবক পালানোর উদ্দেশ্যে লাফ দিয়ে
দৌড়াতে শুরু করেন।
এ সময় পাক সেনারা তাদের উপর
বৃষ্টির মতো
গুলি ছুঁড়ে। ভাগ্যক্রমে দু’জনই নিরাপদ
দুরত্বে চলে
যেতে সক্ষম হন। দুপুর ১২ টার দিকে
পাক সেনারা
প্রায় শতাধিক লোককে বাধা অবস্থায়
বিদ্যালয়ের মাঠে এনে ৩টি এলএমজির
সামনে
লাইনে দাঁড় করায়। ক্যাপ্টেন নূর
উদ্দিন উপস্থিত
সবাইকে মুজিব বাহিনীর দালাল
আখ্যায়িত
করে বলেন,
FaceBook Id Report রিপোর্ট
কাজী আনাম
বেশ কিছুদিন ভালই ছিলাম বাট আজ আবারও কারো কারো রোষানলে পড়ে গেছি। রিপোর্ট করা হচ্ছে, আমার লেখা পিক নাকি ন্যুডিটি কন্টেইন করে। কারা রিপোর্ট করছে যারা ৭২ নুড অল্প বয়সী মেয়ের চিন্তায় বিভোর থেকে দিন পার করে। যারা পোষাক পরিহিত নারী দেখলেও ভাবে এর নিচে একটা নুড যোনি আছে, দুইটা নুড স্তন আছে, এগুলা ভাবতেই উত্তেজিত হয়ে ঝাপাই পরে তাই রিপোর্ট করছে।
আমি কাউকে কমেন্ট করতে বলছি না, আপাতত ওটা দরকার নেই, তবে কি করে টিকে থাকা যায়? কেউ কেউ পেইজ খুলতে বলছেন, তবে আমার মত মানুষের ফ্যান পেইজ ভাবতেই লজ্জা পাই, রোজ ভাবি খুলে ফেলব, আবার লজ্জায় গুটিয়ে যাই।
কি করা উচিত? প্লীজ সাজেস্ট।
বিগত ৩৪+৪ বছরে আমরা কি পেলাম!
আসুন দেখি বিগত ৩৪+৪ বছরে আমরা কি পেলাম!
অবিশাস্ব হলেও সত্যি, বিগত ৩৮ বছরে আমাদের পাওনা শুধুই জল আর জল।
৩৪ বছর যারা শাষন করে গেলেন,
তারা এখন বলছেন "আমরা অনেক উন্নয়ন করেছি,"
কিন্তু কই সেই উন্নয়ন?
উন্নয়ন কি বাতাস এর মতন নাকি?
যে চোখে দেখা যায় না?
আর যে জিনিষ চোখে দেখা যায় না অথবা অনুভব করা যায়না, সেটা আপনারা করলেনই বা কি করে?
একটু বৃষ্টি হাটু জল হয় তাও খাস রাজধানী কলকাতাতে।
এটা তো আপনাদেরই লজ্জা,
কিন্তু তাও আপনাদের লজ্জা শরম বলতে কিছু নেই,
যদি থাকত তাহলে মিথ্যা উন্নয়নের ভাষন দিতেন না আর।
বাকি ৪ বছর টাও একটু দেখা যাক।
ইনি নাকি আবার কলকাতা কে লন্ডন বানাবেন,
আরে ম্যাডাম কলকাতা কে লন্ডন ফন্ডন না বানিয়ে,
মানুষের বাস যোগ্য করে তুলুন আগে।
আপনার খাতায় হয়ত লন্ডন বানানোর কাজ ৯৯% হয়ে গেছে,
কিন্তু আমাদের চোখে ১% ও হয়নি।
প্রাক্তন এবং বর্তমান মেয়রের এলাকার জল সরাতে পারেন নি উনি। আবার ইনিই নাকি উন্নয়ন করে উল্টে দিচ্ছেন।
আপনারা একটাইই কাজ পারেন সেটা হল "ভাওতা বাজি"
এসব উন্নয়ন আপনাদের দারা হবেনা।
যতদিন আছেন লুটে পুটে খেয়ে নেন।
কারন একবার গেলে আর ফিরতে পারবেন না।
Video Clip ভিডিও ক্লিপ
Farzana Kabir Khan
ফেসবুকে একটা ভিডিও ক্লিপ ঘুরছে। সিলেটের কোন এক অন্চ্ঞলে ১৩ বছরের এক কিশোরকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কিশোরটি সব্জী বিক্রেতা ছিল। মৃত্যুর আগে সে পানি খেতে চাইছিল, তাকে বলা হয়- ঘাম খা।
দেশে কয়েকদিন পর পর ব্লগার, এক্টিভিষ্ট লেখকদের খুন করে তাদের মগজ রাস্তায় ফেলে দেয়া হচ্ছে।
বোনের সঙ্গে বসে ছবি দিলে, সেই ছবিতে নোংরা কমেন্ট করে সারকাজম করা হচ্ছে।
পহেলা বৈশাখে নারীদের লান্চ্ঞিত করা হচ্ছে,- তাদের অপরাধ কেন তারা শাড়ী পরে রাস্তায় নামছে, উৎসবে অংশগ্রহণ করছে।
মৌলবাদীরা সুকৌশলে দেশটাকে দখল করে নিচ্ছে!!
আমরা যখন এসব দেখে বলি বর্বর জাতিগুলো অনুসরণ করে বাঙলাদেশের মানুষ শুধু বর্বর হতে শিখেছে, তখন আমাদের বলা হয় বিদেশে বসে দেশের বদনাম করি। প্রিয় পাঠক, বলবেন কি, এ ধরনের মধ্যযুগীয় বর্বরতা এখনো এই আধুনিক বিশ্বে আর কোথায় হয়ে থাকে। বিদেশের প্রসংশা করবো না কেন? এখানে গালি দিলেও মানুষের জরিমানা হয়ে যায়, আর কারো গায়ে হাত তুললে তো সেই শাস্তির হিসেব দিয়ে শেষ করা যাবে না।
সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে দেশে এত সমস্যা, অথচ অনলাইনে আমরা একে অন্যকে কামড়ে চলছি। আমাদের নিজেদের মধ্যকার ছিদ্রগুলো ক্রমশ বেড়েই চলছে এবং বাড়তেই থাকবে। এই দেশ একদিন বর্বর জাহিলদের দেশ হিসেবে পরিণত হবে আর তখনো আমরা মারামারিই করে যাবো। আমাদের আর এক হওয়া হবে না।
Furfura And Political Leaders
রাজনৈতিক নেতাদের এখন - উঠলো বাইতো চল ফুরফুরার দরবারে যাই - অবস্থা।বলি ফুরফুরা কি সমগ্র মুসলিম সমাজের ঠিকা নিয়ে রেখেছে??? রাজনীতি আজ এতটাই দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে, বোঝাই যাচ্ছে যে, মাথায় একটা ফেজ টুপি পরা ছাড়া নিজেকে মুসলিম দরদী সেকুল্যার প্রমাণ করার অন্য কোন উপায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা আর।প্রথমে সমস্ত মুসলিমদেরকে টুপি পরাও, তারপর নিজের মাথায় একটা ওই টুপি পরে নাও, ব্যাস হয়ে গেলে মুসলিম দরদী, পেয়ে গেলে মুসলিম ভোট! আবার পাঁচ বছর টুপি পরানোর সুযোগ! শালা মাকু, সেকু, চাড্ডি, তিনু, ভাম কেউই এই সুযোগ হাতছাড়া করতে রাজি নয় দেখছি।কোন শালা হারামি বলেছিল যেন - ধর্ম হলো আফিম? কাল দেখলাম বিমান বসু, গৌতম দেবেরা সব ফুরফুরায় বসে সযত্নে মানুষকে আফিম খাওয়াচ্ছেন। আর আমরাও আফিমের নেশায় চুর হয়ে ভুলে যাই বাকি বছরটাতে এদের কর্মকান্ডের কথা।কাল দেখলাম - এনারা এই সরকারের মুসলিম বঞ্চনার বিষয়ে কথা বলে বলে গলায় ইন্টারনাল জুগুলার ভেন একেবারে ফুলিয়ে ফেলছেন। নিতান্ত রেট্রোগ্রেড আ্যমনেশিয়া না হয়ে থাকলে বিমান বাবুরা পিছনের কথা একটু স্মরণ করে দেখতে পারেন।আর আমাদের মুসলিম লোকেদেরও বলিহারি! গ্রে ম্যাটার এরা সব ফুরফুরাতেই বন্ধক রেখে আসে। বাড়ির পাশে প্রতিবেশীর খাওয়া হচ্ছেনা, তবুও তাকে কোন সাহায্য না করে, ফুরফুরায় হুজুরের পাক হাতে হাত দিয়ে অন্তত পঞ্চাশ টা টাকা ছুঁইয়ে একটু 'মোসাওহা 'না করলে এর জান্নাত যে হাত গলে ফস্কে যায়!বাড়ির পাশে শিশু না খেতে পেয়ে কেঁদে মরুক, ঈদে তার নতুন জামা না জুটুক, শিক্ষার সবরকম সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে পেটের দায়ে সে মুনিশ খাটা শুরু করুক, আর কাজ না জুটলে চুরি করতে শুরু করুক, তারপর আস্তে আস্তে সমাজবিরোধী তৈরি হয়ে মুসলিম সমাজের নাম উজ্জ্বল করুক, আর তোমরা টাকা জুগিয়ে যাও হুজুরের পাক এসি এস ইউ ভির।পাড়ার মসজিদের ইমাম না খেয়ে মরুক, সরকারের কাছে মাত্র আড়াই হাজার টাকা করুণাভাতা পাক, আর সেই ভাতা নিয়ে আমরাও অন্য ধর্মাবলম্বী মানুষদের কাছে দিনরাত হাজারো গঞ্জনা শুনে দুর্বল ডিফেন্স করি - আর তুমি এদিকে দুই ঈদ আর রোজা ছাড়া জীবনে কখনো নামাজ না পড়া বান্দা, পাড়ার ইমামকে উপেক্ষা করে এতটা পথ পাড়ি দিয়ে চলে যাও ফুরফুরাতে জানতে- হুজুর তারাবীহ আট না কুড়ি রাকাত, ভাত খাওয়ার আগে কোন দু আ পড়তে হবে? হুজুরই যে এসব উপদেশ দেওয়ার একমাত্র ঠিকা নিয়ে রেখেছে।রাজনৈতিকনেতারা ভালই বুঝে গিয়েছে যে ফুরফুরার হুজুরের পাক মুখ থেকে একবার প্রশংসা বাক্য নিঃসৃত করাতে পারলেই হল, ব্যাস! মুসলিমরা পিল পিল করে এদের ভোট দিতে চলে যাবে তাতে সারা বছর এদের যত বাঁশই দিইনা কেন।সবচেয়ে দুঃখের বিষয়টা হলো, এদেরকে বঞ্চনা করা হল কিনা সেই জিনিসটা আ্যসেস করার ক্ষমতাও এরা হারিয়ে ফেলেছে আজ শিক্ষার অভাবে। হুজুর যদি বলেন - তোমরা ভাল আছো, তো আছি, যদি বলেন নেই - তো নেই। তাই শুধুমাত্র হুজুরদের সন্তুষ্ট রাখলেই যে বাকি মুসলিম সমাজকে চুপ রাখা যাবে এই সারসত্য বুঝে যাওয়াতেই রাজনৈতিক লোকেদের এত ফুরফুরা গমন।ফুরফুরাতে গিয়ে এদের ইফতার পার্টি আ্যটেন্ড করার বহর দেখে মনে হচ্ছে -"কেবা আগে প্রাণ, করিবেক দান, তারি লাগি হুড়োহুড়ি!" Kamrul Islam Molla
এ কেমন ধর্মনিরপেক্ষতা?
এ কেমন ধর্মনিরপেক্ষতা?
যেখানে ঈদে এক সম্প্রদায় আরেক সম্প্রদায়ের দেবতা কে বলি দিয়ে খুশি মানায়,আর তাতে সামিল হয়, নেতা নেত্রি অভিনেতা পুলিশ কর্তা।
কিন্তু আরেক সম্প্রদায় " শুয়োর " নিধন করার কথা বললেই তাদের সাম্প্রদায়িক বলে আখ্যা দেয়।
এগুলো কি সত্যি কোনো ধর্মনিরপেক্ষতারমধ্যে পরে?
নাকি সব ভন্ডামি?
আমাদের চোখের সামনে আমাদের গোমাতার হত্যা হলে আমরা কি করে ধর্মনিরপেক্ষতা পালন করি?
আমি একটা কথা বলে দিচ্ছি।
"তোমরা আমার গো মাতা কে সন্মান দাও,
মায়ের দিব্বি দিয়ে বলছি
আমি তোমাদের ভাই বলে বুকে টেনে নেব।
যতক্ষন পর্যন্ত না তোমারা আমাদের ধর্ম কে সন্মান দিচ্ছ,
ততক্ষন আমার কাছ থেকে ভাইচারার আশা কোরোনা।
আমি মানব,
কিন্তু আমার ধর্মে আঘাত লাগলে দানব হতে ১সেকেন্ড সময় নেব না।"
জয় শ্রী রাম।
Subscribe to:
Posts (Atom)