প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি তূর্কিমিনিস্তানসফরে গিয়ে ইসলামি সংস্কৃতির মধ্যে থেকেও কিন্তু দুই হাত তুলে মোনাজাত ধরেননি।বরং তিনি গর্বিত হিন্দু হিসেবে বিরত ছিলেন।
আর অন্যদিকে মমতা বেগম তার সমস্ত মমতা দিয়ে ইফতারে বসে আল্লার দরবারে দুই হাত তুলে সমগ্র মুসলিম জাহানের জন্য দোয়া করলেন!
বাংলার ভবিষ্যত কি তাহলে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের দিকে?যেখানে ওপারে মসলমানরা হাসিনা জিতলে মসজিদে উলূ ধ্বনি হবে বলে সেখানে এপারে মমতা বেগম কোন সেকুলারিজমের দোহাই দিয়ে আল্লার দরবারে হাত তোলে?
না,পশ্চিমবঙ্গকেইসলামী শাসন কায়েম করার জন্য মসলমানের দরকার নাই।এই হিন্দু নামধারীরাই যথেষ্ট।আজ ঠিকই এই জামাতি ইমরান-সিদ্দিকূল্লারা বেগানা নারী মমতা বেগমের সাথে বসে ইফতার করবে।কিন্তু যখনই এরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে যাবে তখনই মমতা বেগমরা বেগানা নারী ঘোষিত হবে।মমতা বেগমরা কিন্তু তখন এই সাদা শাড়ি পড়ে আর ইফতারে বসতে পারবে না।তখন কালো বোরখা পড়ে পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীকে দেখা যাবে ইফতারে যেমনটা কিছু দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের সরকারী ওয়েবসাইট 'বাংলার মুখে' বোরখার বিজ্ঞাপন দেখেছেন।ওহ,ভুল বলছি আসলে তখন মমতা বেগমদের দুটো চোখ ছাড়া আর কিছু দেখতে পাবেন না।
তাই বাংলার 75% হিন্দু জনতা এখনই ঠিক করুন ছবির কোন অংশটাকে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যত দেখতে চান?-ত্রিপুরার বাঙালিরা প্রথমটা বেছে নিচ্ছে।পশ্চিমবঙ্গ কোনটা নিবে?
# RSS
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 13 July 2015
হিন্দু সংহতি
‘হিন্দু সংহতি’র মাননীয় প্রেসিডেন্ট হিন্দু নয়নমনি শ্রী তপন কুমার ঘোষ মহাশয়ের মাথার মুকুটে আরও একটি মহার্ঘ পালক সংযোজিত হল।
গত ১১ই জুলাই,২০১৫ পুনের সাভারকার স্মৃতি প্রতিষ্ঠান (Savarkar Memorial Trust) এবং পুনে নগর হিন্দু সভা কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত বিপ্লবী বীরসাভারকারের পুণ্য স্মৃতির উদ্দেশ্যে, পুনের কেশরি ভাদা লোকমান্য সভাগৃহে বিকাল ৫টা থেকে রাত্রি ৯টা পর্যন্ত হিন্দুত্ববিষয়ক একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হল। উক্ত অনুষ্ঠানে ভিড়ে ঠাসা সভাগৃহে সন্মানিত প্রধান অতিথি রূপে শ্রী ঘোষকে “হিন্দু সংগঠক সাভারকার সাহস পুরষ্কারে”(Courage Award) পুরস্কৃত করলেন অনুষ্ঠান কতৃপক্ষ।
হিন্দু সংহতির একজন সমর্থক হিসেবে তাঁর এই বিরল কৃতিত্বে আমরা সকলেই আজ গর্বিত। পাশাপাশি তাঁকে এই অনন্য সম্মানে সম্মানিত করার কারনে, সমগ্র হিন্দু সমাজের পক্ষ থেকে আয়োজক সংস্থাদ্বয়কে জানাই অকুন্ঠ অভিনন্দন।
..... গুণীজনেদের ভিড়ে লোকমান্য সভাগৃহে অনুষ্ঠানটি'র ফিরে দেখা কিছু দুর্লভ মুহূর্ত.....
IS শাসনের কালো থাবা
IS শাসনের কালো থাবার দিকে এগোচ্ছে আমাদের সাধের বাঙালি হিন্দুর হোমগ্রাউন্ড পশ্চিমবঙ্গ।যে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী একজন হিন্দু হয়ে(আসলে নামধারী) মসলমানদের সাথে বসে ঠিক ওদের মত আল্লার দরবারে হাত তুলে কাফের নিধনের জন্য দোয়া করতে পারে বুঝতে হবে সে রাজ্যের অন্ধকার যুগে প্রবেশের বেশি দেরি নেই।ছবির কথাগুলো 100% সত্য।বিশ্বাস না হয় কোন ইমাম বা মৌলবীদের নিকট গিয়ে শুনে আসুন।চ্যালেঞ্জ করছি ভুল প্রমাণ করতে পারবেন না আমাদের।
ছিঃ মমতা বেগম ছিঃ শেষ পর্যন্ত হিন্দুর রক্তে(প্রতীকী) ইফতার করতে বিবেকে বাধল না।এ রাজ্যের 75% জনগোষ্ঠীকে কাফের হিসেবে হত্যা করে আপনি কাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চান???
আপনার এই চক্রান্তকে আমরা ধূলিস্ম্যাৎ করে দেব।
# জয়শ্রীরাম
হিন্দু রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ কি-জয়।
# RSS
প্রতিটি হিন্দু প্রত্যেকে পরস্পরের বন্ধু
জয়শ্রীরাম।সমাজের প্রতিটি হিন্দু প্রত্যেকে পরস্পরের বন্ধু।আমরা হিন্দু সমাজের বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।হয়ত আমাদের মধ্যে অনেকেরই বিভিন্ন কারনে অনেক সময় বন্ধুত্ব থাকে না।পারিবারিক বা বিভিন্ন অর্থ-সম্পদের কারনে অনেক হিন্দুই আবার হিন্দুর শত্রু।এটা হতেই পারে।কিন্তু কাজ করে যাচ্ছি সমাজে হিন্দুদের মধ্যে এই বিভেদটাকে দূর করে সঙ্ঘবদ্ধ শক্তিশালী ভারতীয় সমাজ গড়ে তুলতে যেখানে কোন হিন্দু যদি বিপদে পড়ে ভিনজাতির হাতে তবে তার ঘোর শত্রুও যেন সব শত্রুতা ভুলে অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও নিজ হিন্দু সমাজের জন্য লাঠি ধরতে পারে।গুজরাটে যদি কোন হিন্দু আক্রান্ত হয় বাংলার হিন্দুরা লাঠি ধরবে আবার বাংলার হিন্দু যদি আক্রান্ত হয় গুজরাটের হিন্দুরা গর্জে উঠবে।এভাবে দেশের প্রতিটি রাজ্য পূর্ব থেকে পশ্চিম,উত্তর থেকে দক্ষিণ সব এক হিন্দুত্ববাদের ডাকে সাড়া দিবে।শুধুই ভারত নয়,ভারতের বাইরেও এই হিন্দু ব্রাদারহুড যেদিন ছড়িয়ে পড়বে সেদিন ভারত তো মহাপরাক্রমশালী হবেই সঙ্গে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের হিন্দু মাথা উচূ করে গর্বের সাথে বলবে-আমি হিন্দু।আর ঠিক এটাই ভারত মাতার অখন্ডতা রক্ষার একমাত্র চাবিকাঠি।এটা ছাড়া ভারতীয় সমাজ পাকিস্তানি সমাজে পরিণত হওয়ার দিকে ধাবিত হবে।
ভারতীয় হিন্দু সমাজকে এক করা যেমন আমাদের পবিত্র দায়িত্ব মনে করি ঠিক তেমনি এ সমাজে জোকের মত এঁটে থাকা হিন্দুর শত্রুদের চিনিয়ে দেওয়ায় আমাদের পবিত্র কর্তব্য জ্ঞান করি।তাই-
যে মুমিন বান্দারা বাটি চালান দিয়ে দুই চারটা শান্তির হাদিস আর কোরানের আয়াত উপস্থাপন করছে,তার চেয়ে ঢের বেশি পাওয়া যায় ভায়োলেন্ট আয়াত ও হাদিস।এই যে ধরেন,অমুসলিমদেরসাথে কিরকম ব্যবহার করতে হবে,তার পরিষ্কার উল্লেখ কোরানে আছে–
মুমিনগণ যেন অন্য মুমিনকে ছেড়ে কোনো অমুসলিম/কাফেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করে।যারা এরূপ করবে আল্লাহর সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক থাকবে না(কূরান-৩:২৮)।
এখন কেউ যদি উপরের এই আয়াতের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অমুসলিমদের বন্ধু হিসেবে না গ্রহণ করেন তাইলে কাকে দোষ দেয়া যায়,বলেন তো?
কিংবা কি বলবেন,কেউ যদি সুরা আল বাকারা থেকে আয়াত তুলে দেখায়–তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরজ করা হয়েছে,অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়।পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোনো একটা বিষয় পছন্দসই নয়,অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর(কূরান-২:২১৬)।
অথবা সুরা আন নিসা থেকে উদ্ধৃত করা যাক–আল্লাহর জন্য যুদ্ধ করতে থাকুন,আপনি নিজের সত্তা ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ের জিম্মাদার নন!আর আপনি অন্য মুসলমানদেরকেও উৎসাহিত করতে থাকুন।শীঘ্রই আল্লাহ কাফেরদের শক্তি-সামর্থ্য খর্ব করে দেবেন।আর আল্লাহ শক্তি-সামর্থ্যের দিক দিয়ে অত্যন্ত কঠোর এবং কঠিন শাস্তিদাতা (৪:৮৪)।
যারা কোরান আগাগোড়া পড়েছেন তারা সকলেই জানেন,পবিত্র কোরানের বেশ অনেকটা জুড়েই রয়েছে উত্তেজক নির্দেশাবলী।এবার আপনারাই বলুন-আমি আমার সন্তানকে কিভাবে একজন মুসলমানের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে বলব যারা নিজেরাই সবসময়ই আমাদের শত্রু ভাবে???
[অনেকেই বলবেন তারা আসল মসলমান নয়।আমরা বলব আপনি ভুল।তারাই নকল মসলমান যারা হিন্দু দের বন্ধু ভাবে।কারন কূরান যে মানে সে মসলমান কখনো হিন্দুকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করতে পারে না।]
# RSS
Sunday, 12 July 2015
হাওড়ার ব্রীজের মাঝেই বাস দাঁড় করিয়ে নমাজ পড়তে লাগল ড্রাইভার
সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য
হাওড়া থেকে বাস ছেড়েছে হঠাৎ জ্যামের মাঝেই আচমকা ব্রেক কষে হাওড়া ব্রীজের মাঝে দাঁড়িয়ে গেল খিদিরপুরগামী মিনিবাস । অবাক হয়ে জানলার দিকে মুখ বের করে দেখলে হাওড়ার ব্রীজের মাঝেই বাস দাঁড় করিয়ে নমাজ পড়তে লাগল ড্রাইভার। এমনই ঘটনার সাক্ষী হল অনেক পথচারী। প্রশ্ন শুধু একটাই যদি কোন হিন্দু এই ঘটনা ঘটাতেন তাহলে তার যাবজ্জীবন সাজা ঘোষনা করে দিত প্রশাসন । মিডিয়া আজ কোথায়? কোথায় চিত্র সাংবাদিকরা? কেউ নেই আজ কারন আমরা আজ মুসলিমদের কাছে পরাধীন । আজকে হাওড়া ব্রীজে নমাজ পড়ছে প্রশাসন চুপ, কাল বাড়ীতে ঢুকে ধর্ষন করবে তখনও প্রশাসন চুপ । এবার ভাবুন হাতে অস্ত্র তুলবেন নাকি মাথাতে টুপি? https://m.facebook.com/photo.php?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C5115802996
Name of the Poem কবিতার নাম- 'ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি'
মাথায় টুপি পরে ইফতারে সবাই,ভর্ত্তি চারিদিক । তিলক লাগালেই অমনি আমি সাম্প্রদায়িক ।। গো হত্যার প্রতিবাদ করলে আমি দাঙ্গাবাজ । কসাই খানা খুলছে যারা,করছে মহৎ কাজ ।। ভেকধারী সব হিন্দু সেজে ছুটে যায় মাদ্রাসায় । টুকটুকি আজও ফেরেনি ঘরে,পথে চেয়ে আছি আশায় ।। মুসলিমদের জন্য ছুটে যায় সবাই,হিন্দুর কেউ নাই । ভোটের জন্য সন্ত্রাসবাদীরা আজকে ওদের ভাই ।। হিন্দু মরুক,মন্দির ভাঙ্গুক,আসবেনা ওরা কেউ । চার্চে যেই ঢিল পড়বে করবে ওরা ঘেউ ঘেউ ।। ইফতারে আজ ব্যাস্ত ওরা,শক্ত করছে হাত । বলতে পারো দুর্গাপুজোতে কেউ হিন্দুকে দাও ভাত ।। রোহিঙ্গাদের জন্য আন্দোলন করলে মুসলিমদের কিছু হয়না । টুকটুকির জন্য প্রতিবাদ মিছিল কেন আজ করা যায়না ।। রাজনীতির কোপে শেষ হতে চলেছি, আমরা বিন্দু বিন্দু । ধর্মনিরপেক্ষতা শুধু মুসলিমদের জন্য,আমরা নাকি হিন্দু ।। written by-sabyasachi www.facebook.com/namosabyasachi পেজটি লাইক করুন ।
সাম্প্রদায়িকতা
সাম্প্রদায়িকতাহলো সকল সম্প্রদায়ককে বাদ দিয়ে কোন নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতি অধিক সহানুভূতি দেখানো বা সুযোগ সুবিধা দেয়া!!
এরকম সাম্প্রদায়িকতাচলছে ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে!!!!!!!
তেলেঙ্গানায় পূজা,দিওয়ালী, বৌদ্ধ পূর্ণিমা বা ক্রিসমাসের কোন হিন্দু,বৌদ্ধ বা খ্রিস্টানকে উপহার না দেয়া হলেও আজ তেলেঙ্গানার সাম্প্রদায়িক রাজ্য সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে শুধুমাত্র ঈদে মুসলিম সম্প্রদায়কে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উপহার দেয়া হচ্ছে!!!!!!!
আজ সুশীলদের কাছে জানতে চাই এটা কেমন সাম্প্রদায়িকতা?????
যেখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কাউকেও উপহার দেয়া হয় না,সেখানে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে উপহার দিয়ে কোন সাম্প্রদায়িকতার খেলায় মেতেছে তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকার?????
সত্যি বড় বিচিত্র এ দেশ!!!!যেখানে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে সকল সুযোগ সুবিধা দিলেই অসাম্প্রদায়িক,সেকুলার ট্যাগ পাওয়া যায়!!!!!!!
আমরা হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান,শিখরা কি আয়কর দেই না?????
তবে কেন আমাদের প্রতি এ অবহেলা????
সংগৃহীত
Subscribe to:
Posts (Atom)