বাস্তব জীবনে বা ফেসবুকে অনেককেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় ভগবান কী ? তাই এই প্রশ্নটির উওর জেনে নেওয়া ভুল নয়, চলো জানি------------------------------
ভগ; অর্থ ঐশ্বর্য্য এবং;বান; অর্থ অধিকারী , যার আছে । ঠিক যেভাবে যার সুন্দর রূপ আছে - আমরা তাকে বলি রূপবান, যার ধন আছে ধনবান , ঠিক তদ্রুপ যিনি ভগ অর্থাত্ ঐশ্বর্যের অধিকারী তাকে বলে ভগবান । পরাশর মুনি ভগবান শব্দের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন-
ঐশ্বর্য্যস্য সমগ্রস্য বীর্যস্য যশসঃ শ্রিয়ঃ । জ্ঞানবৈরাগ্যয়োশ্চৈব ষন্নত্ ভগ ইতিঙ্গনা ॥
যার মধ্যে এই ছয়টি গুন পূর্ণমাত্রায় বর্তমান, তিনি হচ্ছেন ভগবান - সমস্ত ঐশ্বর্য্য ,সমস্ত বীর্য্য ,সমস্ত যশ ,সমস্ত শ্রী ,সমস্ত জ্ঞান এবং সমস্ত বৈরাগ্য ।
এই জগতে কেউ বড় ধনী হতে পারে, কিন্তু কেউ দাবী করতে পারেনা আমি সমস্ত ধনের মালিক । এই জগতে কেউ জ্ঞানী হতে পারে ,কিন্তু সে দাবী করতে পারে না সমস্ত জ্ঞানের অধিকারী । কিন্তু ভগবান সমস্ত ধন ,সমস্ত জ্ঞান ,সমস্ত সৌন্দর্য্য ,সমস্ত যশ ,সমস্ত শক্তির অধিকারী , তাই তাকে বলা হয় ভগবান ।
পরম ব্রহ্ম ভগবান সর্ম্পকে বেদান্ত সূত্রের প্রথম শ্লোকে বলা হয়েছে ;
অথাতো ব্রহ্ম জিজ্ঞাসা ; সেই পরম ব্রহ্মটি কে ? তার উত্তরে দ্বিতীয় শ্লোকে বর্ননা করা হয়েছে ; জন্মদস্য যতঃ; এই সুত্রটি শ্রীমদ্ভাগবতের ব্যাসদেব তার শ্লোকে সংযোজন করেছেন
জন্মদস্য যতোহন্বয়াদিতরতশ্চার্থেষ্বভিজ্ঞ স্বরাট্ ;
জন্ম আদি অস্য যতঃ
-যা হতে এ দৃশ্যমান জগত অনন্তকোটি ব্রহ্মান্ড ,জন্ম আদি অর্থাত্ সৃষ্টি স্থিতি ও প্রলয় হয় তিনি হচ্ছেন পরম ব্রহ্ম ভগবান ।
অহং সর্বস্য প্রভবো মত্তঃ সর্বং প্রবর্ততে ।
ইতি মত্বা ভজন্তে মাং বুধা ভাবসমম্বিতাঃ ॥
ভগবদগীতাতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বর্ননা করেছেন আমি সমস্ত কিছুর উৎস ও সবকিছু আমার কাছ থেকে উৎপত্তি হয়েছে । অর্থাত্ ভগবান হচ্ছেন সবকিছুর স্রষ্টা , সবকিছুর পালন করেন এবং তিনি সবকিছু সংহার করতে পারেন । এভাবে ভগবান সর্বশক্তিমত্ত্বা সর্ম্পকে শাস্ত্রে বর্ননা করা হয়েছে । ভগবানকে কেউ ঈশ্বর বলে সম্বোধন করে থাকেন । তাই ঈশ্বর শব্দটির অর্থ আমাদের জেনে রাখা প্রয়োজন ।
শাস্ত্র বা শব্দকোষ অনুসারে ঈশ্বর শব্দের অর্থ হচ্ছে -নিয়ন্ত্রণ বা নিয়ন্ত্রণ কর্তা অর্থাত্ যিনি নিয়ন্ত্রণ করেন ।এই জগতের প্রতিটি জীবের সীমিতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রয়েছে , তাই তারা নিজেকে ঈশ্বর বলে মনে করতে পারে বা দেবতাদেরকে ঈশ্বর বলে গ্রহন করা যেতে পারে ।যেহেতু তারা এই ব্রহ্মান্ডের কোনও না কোন কার্যের নিয়ন্ত্রন করে থাকেন । কিন্তু ঈশ্বরকে যিনি নিয়ন্ত্রন করেন সেই পরমেশ্বরকে জানাই হচ্ছে জীবনের লক্ষ্য । পরমব্রহ্ম বা পরম ঈশ্বরকে নিয়ন্ত্রন করে থাকেন , তিনিই ভগবান । ভগবান শব্দটি সমাজে যেমন খুশি ব্যবহার হচ্ছে ,সেভাবে ব্যবহার করা উচিত নয় । বর্তমান সমাজ যেকোন যোগ- সিদ্ধি লাভ করা ব্যক্তির প্রতি এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় যা শাস্ত্রবিরোধী ।
সত্যের জয় হোক
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Monday, 13 July 2015
ভারতীয় সংস্কৃতি কে নিয়ে বাংলাদেশী কট্টরপন্থী ইসলামিক রা যে অপপ্রচার চালাচ্ছে ভারতীয় ফেসবুক পেজে তার জবাব
●●গরু হিন্দুদের মা,গরুর পেট থেকে তো গরুর বাচ্চা হয় মানুষের বাচ্চা তো হয়না তাহলে গরুকি করে মানুষের মা হয়?
☆-------গরু হিন্দুদের মা এটা কোন গ্রন্থে বলা আছে কী?
অতি সুপ্রাচীনকাল হতে ভারতবর্ষের অনেক রাজা-মহারাজার গোপালন করতেন। মহাভারতে বর্ণিত, বিরাট রাজার ষাট হাজার গাভী ছিল। কে কত বেশী ধনশালী ও সমৃদ্ধশালী তা ঐ রাজ্যের গোশালা ও গরুর সংখ্যার উপর নির্ভর করতো। আইন-ই-আকবরী পাঠে জানা যায়, মুঘল সম্রাট আকবরেরও শতশত গাভী ও বলদ ছিল। তিনি মুসলমান হয়েও ভারতবর্ষে গোহত্যা নিষিদ্ধ করেছিলেন। ছোট বেলায় বাড়ীর মা, ঠাকুরমাগন খুব ভোরে ঘুম থেকে গরু ঘরের গোবর ঘটিতে নিয়ে পরিস্কার জলে গুলে তা বাড়ী আঙ্গিনায় ছিটাতেন, পূজো কিংবা সন্ধ্যা আহ্নিকের জায়গা গোবর মিশানো জল ছিটানো কিংবা ঘরের ভিটি লেপন করতেন,আসলে গোবর জল ছেটাবার জন্যই পোকামাকড় এর উপদ্রব কম হয়।
প্রাচীন আর্যঋষিদের ভাবনা নির্দেশনা হলেও আধুনিক বিজ্ঞানে প্রমানিত সত্য হিসাবে প্রকাশ পাচ্ছে।
গাভী বিষ্ণুর বাহন, ষাড় শিবের বাহন এবং গোজাতি হত্যা মহাপাপ। পৃথিবীতে সম্ভবত গো-জাতিই একমাত্র প্রাণী যা খায় ঘাষ, দেয় দুধ, মল ও মুত্র ত্যাগের মাধ্যমে প্রকৃতিতে তথা আমাদেরকে দেয় জৈব সার ও জীবানু নাশক উপাদান। সম্ভবত একসঙ্গে এধরনের একাধিক উপযোগীতা পৃথিবীর অন্য কোন পশুকুলের মধ্যে দেখা যায় না। কৃষি সভ্যতার শুরু থেকে গরুই একমাত্র প্রানী যা মানুষকে কোটি কোটি বছর অবধি চাষের ভূমি কর্ষন করে সহজে অধিক ফসল ফলাতে সাহায্য করেছে।এত উপকারী একটি প্রাণী কে মা বলে সম্মান জানানো কেন যায়না এটাই বোধগম্য নয়।ॐ卐
●●গরু তাদের মা, তাই তারা দুধ খায়, গোশত খায়না। অথচ ঐ মায়ের চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে তা পায়ে দেয়। কেনো মায়ের এই অমর্যাদা?
☆--- গোহত্যা ও গোমাংস খাওয়া কখনই ভাবি না।কিন্তু স্বাভাবিকভাবে মৃত গরুর চামড়া ব্যবহারে নিষেধ আছে এমন উল্লেখ নেই। উদাহরণঃমানুষ হত্যা পাপ। কিন্তু মৃত ব্যাক্তির চোখ দান পাপ না। মনে রেখো প্রতিটা প্রাণীর অস্তিত্ব বর্তমান না থাকলে সৃষ্টির নিয়ম লঙ্ঘিত হবে। মাংস ভোজী প্রাণীদের মেরে ফেললে তৃণ ভোজী প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং তৃণ সংকটে বনাঞ্চল ধ্বংস হয়ে যাবে। এই কারনেই বাঘ ও সিংহ বাহন ধারণ করেছেন দেবীরা। দেবীর বাহন বলে সিংহ ও বাঘকে হত্যা করা যাবে না। সিংহ ও বাঘকে শক্তির প্রতিক হিসাবে ও দেখা হয়। আবার দেখুন ইঁদুর, গরু, প্যাঁচা, ঈগল, সাপ, ময়ূর, হাঁস, হাতি – সহ বিভিন্ন প্রাণীকে বাহন হিসাবে ধারণ অরেছেন বিভিন্ন দেবতারা। আবার শ্রী রামের কথা মনে করলেই বানর ও হনুমানের কথা মনে পরে। প্রজাপতির বিশাল স্থান আছে সনাতন দর্শনে। শুধু ইঁদুরের কথাই যদি বলি তবে বলতে হয়, মানবের কোন উপকারে এই প্রাণীটি তেমন কোন ভূমিকা রাখে না। তাহলে কেন ইঁদুরকে আমরা রক্ষা করবো? রক্ষা করবো এই কারনেই যে, ইঁদুরকে খেয়ে বেঁচে থাকে এমন প্রাণী মানব ও প্রকৃতির উপকারে আসে। তাই সব প্রাণীর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং রয়েছে বলেই এই প্রাণী গুলিকে দেবতাদের বাহন করে রক্ষা করার জন্য বলা হচ্ছে। ইকোসিস্টেমে এক প্রাণী অন্য প্রাণীর উপর নির্ভরশীল। খাদ্য চেইনের একটি বিচ্ছিন্ন হলে অনেক গুলি প্রাণী অস্তিত্ব হুমকিতে পরে। যেমন ধরুন গরুকে রক্ষা করতে যে টিকা দেওয়া হয় সেটা শকুনের জন্য বিষ। টিকা গ্রহণ কারি গরু মারাগেলে ঐ মৃত গরুকে শকুন খেলে শকুন মারা যায়। গরু মারাগেলে সেই গরুকে এখন নদীতে বা খালে ভাসিয়ে দেওয়া হয়, এতে জল দূষিত হয়। কিন্তু শকুন মৃত প্রাণীগুলিকে খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে প্রকৃতি দূষণ থেকে রক্ষা করতো। সুতরাং বলার অপেক্ষাই রাখেনা যে, আমাদের পৌরাণিক নিয়ম কানুন গুলি কালজয়ী ও বৈজ্ঞানিক। যে ইকোসিস্টেমের প্রোয়োজনীয়তার কথা আমরা আধুনিক যুগে জানি তা বৈদিক ঋষি রা খ্রীষ্টপূর্ব 7000 সালে উপলব্ধি করেছে।এতেও যদি মনে হয় তারা ভুল ছিল তাহলে তুমি মহা মূর্খ।ॐ卐
●●গরুর চামড়ার ঢোল না পিটালে তাদের পূজা হয়না, গরুকে হত্মা করে তার চামড়া দিয়ে ঢোল বানাতে হয়। কেনো মায়ের এই পরিনতি?
☆--------- একটু আগে আমাদের কশ্চেন করা হয়েছিল।কেন আমরা গোরুকে মা বলি? গোস্ত খায় না? অর্থাৎ পরোক্ষ ভাবে স্বীকার করা হয়েছিল হিন্দুরা গোরু মারে না।আবার এখন বলছেন ঢোল করতে হলে গোরুকে হত্যা করতে হয়।আচ্ছা মৃত গোরুর চামড়া দিয়ে কী ঢোল হয় না ? আসলে আপনাদের যুক্তির আধার একটা- হিন্দু সম্পর্কে মিথ্যা রটনা। গরুর চামড়া ছাড়া মহিষের চামড়ায় ও তো ঢোল হয়। আর দূর্গা পূজায় ঢাক বাজানো হয়।একটা মৃত গোরুর চামড়া এর মধ্যেও তার অস্তিত্ব নিহিত থাকে।সোজাভাবে বলতে গেলে ঐ ঢাক বা ঢোল উভয়েই দেবীর শুভ আগমনী বার্তা বহন করে।মৃত্যুর পরেও সে সম্মান পায় পূজা-অর্চনার দ্বারা।একটা পশু পাখি কে সম্মান জানায় এমন ধর্ম পৃথিবীতে আর আছে কী ? কারণ হিন্দু ধর্ম মানবতার ধর্ম।এই ধর্ম শেখায় আমরা সকলে সমান।একটা গাছের প্রান আছে এটা বৈজ্ঞানিক রা আধুনিক যুগে জেনেছে।আর বৈদিক যুগে এই গাছকেই দেবতা রূপে পূজো করা হত।কারন বৈদিক যুগ আমাদের শিখিয়েছে মানবতা-সত্য-অহিংসা।বৈদিক যুগ পৃথিবীকে সর্বপ্রথম উপলব্ধি করায় মানুষের মত বৃক্ষ দেরও প্রাণ আছে।আজ বিশ্বে সবাই শান্তি চায় এই শান্তির বাণী ও বৈদিক ঋষি দের শেখানো।ॐ卐
ॐ卐সত্যের জয় হোক ॐ卐ॐ卐
প্রাচীন আরবের কবিতায় বেদের বর্ণনা
আরবি মানে আজ বিশ্বের মানুষ বুঝে ইসলামের ভাষা। আসলেই ইসলামের সর্বোচ্চ ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরীফ আরবি ভাষায় রচিত। কিন্তু আপনি কি জানেন ইসলাম-পূর্ব আরবে আরবি কবিতা বেদসংহিতার স্তুতি করছে।
এখানে একটি কবিতা দেয়া হল আরবি কবি লাবি-বিন-ই-আখতাব-বিন-ই-তুরফার যিনি ইসলাম-পূর্ব আরবে বাস করতেন।
“Aya muwarekal araj yushaiya noha minar HIND-e Wa aradakallaha
manyonaifail jikaratun”
“Oh the divine land of HIND (India) (how) very blessed art thou!
Because thou art the chosen of God blessed with knowledge”
” হে হিন্দের (ভারত) পবিত্র ভূমি পরম আশীর্বাদ প্রাপ্ত
কারন ঈশ্বরের দ্বারা নির্বাচিত,জ্ঞানদারা আশীর্বাদ প্রাপ্ত ”
“Wahalatijali Yatun ainana sahabi akha-atun jikra Wahajayhi
yonajjalur -rasu minal HINDATUN “
“That celestial knowledge which like four lighthouses shone in such
brilliance – through the (utterances of) Indian sages in fourfold
abundance.”
” সেই স্বর্গীয় জ্ঞান যেটি চারটি বাতিঘরের মত মহিমায় দীপ্ত- ভারতীয় ঋষিদের দ্বারা অজস্রবার উচ্চারিত ”
“Yakuloonallaha ya ahal araf alameen kullahum Fattabe-u jikaratul
VEDA bukkun malam yonajjaylatun”
“God enjoins on all humans, follow with hands down The path the
Vedas with his divine precept lay down.”
” ঈশ্বর সমগ্র মানবজাতিকে নির্দেশ দিয়েছেন, বেদের পথ অনুসরণ করতে তার স্বর্গীয় নির্দেশাবলী সহ। ”
“Wahowa alamus SAMA wal YAJUR minallahay Tanajeelan Fa-enoma
ya akhigo mutiabay-an Yobassheriyona jatun”
“Bursting with (Divine) knowledge are SAM &YAJUR bestowed on
creation, Hence brothers respect and follow the Vedas, guides to
salvation”
” জ্ঞানের বিস্ফোরণে সাম এবং যজুর সৃষ্টির উপর অবতীর্ণ, তাই ভাইরা বেদকে সম্মান করে এবং অনুসরণ করেন এবং মুক্তির পথ দেখান। ”
“Wa-isa nain huma RIG ATHAR nasayhin Ka-a-Khuwatun Wa asant
Ala-udan wabowa masha -e-ratun”
“Two others, the Rig and Athar teach us fraternity, Sheltering under
their lustre dispels darkness till eternity”
” বাকি দুই, ঋগ এবং অথর্ব আমাদের শিক্ষা দেয় ঐক্য, তাদের জ্যোতির নিচে আশ্রয় দেয় এবং অনন্তকাল পর্যন্ত অন্ধকার দূরীভূত করে। ”
এই কবিতাটি লাবি-বিন-ই-আখতাব-বিন-ই-তুরফার রচিত। তিনি আরবে থাকতেন ১৮৫০ খৃস্টপূর্বে । এটা ছিল মহানবীর জন্মের ২৩০০ বছর আগে।
এটা সার-উল-অকুলে পাওয়া গিয়েছে। ১৭৪২ সালে অটোম্যান তুর্কি রাজা সুলতান সালিমের আদেশে সংকলন করা হয়।
( সূত্রঃ “Vedic History of Pre-Islamic Mecca” by Shrimati Aditi Chaturvedi )
- See more at: http://bangalihindupost.blogspot.in/2011/12/blog-post_31.html#sthash.ZGeVYWrX.dpuf
Read more: http://sonatonvabona.blogspot.com/2015/04/blog-post_99.html#ixzz3fTrgYyXN
Indian National Song জাতীয় সঙ্গীত সম্পর্কে একটু জেনে নিই------
♡♡♡♡♡জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে♡♡ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ভারতের জাতীয় সংগীত। রচনাকাল -অজ্ঞাত। ১৯১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর কলকাতায় আয়োজিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ২৬তম অধিবেশনে প্রথম গীত হয়। গানটি গাওয়া হয়েছিল সমবেতকণ্ঠে। দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর নেতৃত্বে গানের রিহার্সাল হয়েছিল ডক্টর নীলরতন সরকারের হ্যারিসন রোডস্থ (বর্তমানে মহাত্মা গান্ধী রোড) বাসভবনে। পরদিন দ্য বেঙ্গলি পত্রিকায় গানটির ইংরেজি অনুবাদসহ এই সংবাদের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
১৯১২ সালের জানুয়ারি মাসের (মাঘ, ১৩১৮) তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় ব্রহ্মসংগীত আখ্যায় গানটি প্রকাশিত হয়। ১৯৪৩ সালের ৫ জুলাই গানটি আজাদ হিন্দ ফৌজের জাতীয় সংগীত রূপে গৃহীত হয়। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি গানটি সদ্যস্বাধীন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সংগীত রূপে গৃহীত হয়। গানটি ইমন রাগে কাহারবা তালে নিবদ্ধ। স্বরলিপিকার দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর। স্বরলিপি মুদ্রিত রয়েছে স্বরবিতান ১৬-এ। মোট পাঁচটি স্তবকের মধ্যে প্রথম স্তবকটিই জাতীয় সংগীতরূপে গীত হয়।
জাতীয় সঙ্গীতের অর্থ বোঝাবার চেষ্টা করছি ভালো/খারাপ লাগলে জানিও-------
●জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা--- ☆ জনগনের কর্মকান্ডে দেশের ভাগ্যের উন্নতি হবে।
●পঞ্জাব সিন্ধু গুজরাট মরাঠা দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ-----☆পাঞ্জাব,সিন্ধু,গুজরাট,মারাঠা,দক্ষিনভারত,উড়িষ্যা,বঙ্গ প্রদেশ এর মানুষদের হৃদয়ে এই ধ্বনি জাগ্রত হবে।
●বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গা উচ্ছলজলধিতরঙ্গ-------☆বিন্ধ্য,হিমাচল পাহাড়ে এর প্রতিধ্বনি শোনা যাবে।যমুনা-গঙ্গার প্রবাহের সাথেও মিশ্রিত হবে এই ধ্বনি।সমুদ্রের জল এই ধ্বনির আওয়াজে উদ্বেলিত হবে ।
● তব শুভ নামে জাগে, তব শুভ আশিষ মাগে,-----------☆তোমার(ভারতমাতা) আর্শীর্বাদে এ জাগরণ শুভ হবে।
● গাহে তব জয়গাথা।--------☆তোমার জয়গান তারা গাইবে ।
● জনগণমঙ্গলদায়ক জয় হে ভারতভাগ্যবিধাতা!-----------☆জনগনের মঙ্গলময় চিন্তার জন্য ভারতের ভাগ্যের উন্নতি হবে।
● জয় হে, জয় হে, জয় হে, জয় জয় জয় জয় হে।।--------☆জয়হবে,জয় হবে,জয় হবে,জয় জয় জয় জয় হবেই।
■■■■■উল্লেখ্য এটি বাংলা ভাষায় রচিত।অর্থকে হিন্দীর সাথে মেশানো ভুল হবে।জনগনমন অর্থে কবি জনগনের জাগরন আর অধিনায়ক অর্থে অধীনতা থেকে এক হওয়া বা স্বাধীন হওয়া কে বুঝিয়েছেন।
■■■■■■রটনা■■■■■■■■■■■■■■প্রকৃতপক্ষে গানটি লেখা হয়েছিল ১৯১১ সালের ডিসেম্বর মাসে রাজা পঞ্চম জর্জের দিল্লি দরবারের কিছুদিন আগে। এই গানটি প্রথম গীত হয়েছিল সেই বছরের ২৭ ডিসেম্বর ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে। সেই দিনের এজেন্ডা ছিল রাজা পঞ্চম জর্জকে একটু আনুগত্যমূলক স্বাগত জানানোর প্রস্তাবনা। রাজার সম্মানে সেদিন হিন্দিতে রামভূজ চৌধুরীর একটি গান গাওয়া হয়। আবার সেই দিনই রবীন্দ্রনাথের মত এক বিশিষ্ট ব্যক্তির গান অনুষ্ঠানে গীত হওয়ায় সংবাদমাধ্যমের ভুলে একটি ভ্রান্ত খবর প্রচারিত হয় যে রবীন্দ্রনাথের গানটিও সম্রাটের প্রতি সম্মানার্থে রচিত হয়েছে। পরদিনের ইংরেজি সংবাদপত্রগুলিতেএই সংবাদ প্রচারিতও হয়ঃ “বাঙালি কবি বাবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশেষত সম্রাটকে স্বাগত জানিয়ে একটি গান রচনা করেছেন।”স্বাভাবিকভাবেই রবীন্দ্রবিরোধীগণ প্রচার করতে থাকেন যে গানটি আসলে সম্রাটের বন্দনাগান। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই সংবাদপত্রগুলির একটি কয়েকটি বন্দেমাতরম রবীন্দ্রনাথের রচিত ও জনগণমন -কে হিন্দি গান আখ্যাও দিয়েছিল।
সত্যতা•••••••••••••• প্রকৃত ঘটনা জানা যায় ১৯৩৭ সালের ২০ নভেম্বর বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী পুলিনবিহারী সেনকে লেখা রবীন্দ্রনাথের একটি চিঠি থেকেঃ------- “ “...সে বৎসর ভারতসম্রাটের আগমনের আয়োজন চলছিল। রাজসরকারে প্রতিষ্ঠাবান আমার কোনও বন্ধু সম্রাটের জয়গান রচনার জন্যে আমাকে বিশেষ করে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শুনে বিস্মিত হয়েছিলুম, সেই বিস্ময়ের সঙ্গে মনে উত্তাপেরও সঞ্চার হয়েছিল। তারই প্রবল প্রতিক্রিয়ার ধাক্কায় আমি জনগণমন-অধিনায়কগানে সেই ভারতভাগ্যবিধাতার জয় ঘোষণা করেছি, পতন-অভ্যুদয়-বন্ধুর পন্থায় যুগ যুগ ধাবিত যাত্রীদের যিনি চিরসারথি, যিনি জনগণের অন্তর্যামী পথপরিচায়ক, সেই যুগযুগান্তরের মানবভাগ্যরথচালকযে পঞ্চম বা ষষ্ঠ কোনো জর্জই কোনক্রমেই হতে পারেন না সে কথা রাজভক্ত বন্ধুও অনুভব করেছিলেন।..."------
●●●■■■■■■■■■জাতীয় সঙ্গীত সম্পর্কে মন্তব্য--------
ॐॐনেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (আরজি হুকুমৎ-এ-হিন্দ-এর নির্দেশনামা) “ রবীন্দ্রনাথের গান জয়-হে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হল।卐卐
●●আনন্দমোহন সহায়, সেক্রেটারি, আরজি হুকুমৎ-এ-হিন্দ --------“ অনেক উচ্চশিক্ষিত জাপানি স্বীকার করেন যে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত মানুষকে অনুপ্রাণিত করার ক্ষেত্রে তাঁদের জাতীয় সংগীতকেও পিছনে ফেলে দেয়। বিভিন্ন সময়ে জনসমক্ষেই তাঁরা একথা বলেছেন। নেতাজি আমাকে বলেছিলেন, জার্মানরা, যারা তাদের নিজেদের জাতীয় সংগীতকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতীয় সঙ্গীত মনে করত, তারাও বেশি কিছু না হলেও, তাঁর কাছে মুক্তকণ্ঠেই স্বীকার করেছিল যে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত তাদেরটির মতোই উদ্দীপক।
●● জেমস এইচ কাজিনস ---------“ আমার প্রস্তাব হল, ডক্টর রবীন্দ্রনাথের গভীর দেশাত্মবোধক, আদর্শ প্রণোদিত এবং একই সঙ্গে বিশ্বাত্মবোধক মর্নিং সং অব ইন্ডিয়া ( জনগণমন ), যা বিগত কুড়ি বছর বেসরকারিভাবে ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত, তাকেই সরকারিভাবে অনুমোদন করা হোক।
●● মহাত্মা গান্ধী------------- “ জনগণমন শুধু একটি গানমাত্র নয়, এটি একটি “দিব্য স্তোত্র”। এটি চরিত্রে স্বতন্ত্রভাবেই জাতীয়। এর “গায়নযোগ্যতা”-ও আছে।
ॐ卐সত্যের জয় হোকॐ卐
বন্দে মাতরম্ (সংস্কৃত : वन्दे मातरम्)
বন্দে মাতরম্ ( সংস্কৃত : वन्दे मातरम् ) বঙ্কিমচন্দ্র
চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক ১৮৮২ সালে
রচিত আনন্দমঠ উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত
একটি গান। সংস্কৃত - বাংলা
মিশ্রভাষায় লিখিত। এই গানটি
দেবী দুর্গা র বন্দনাগীতি হিসাবে প্রচার করা হয় এবং
বঙ্গদেশের একটি জাতীয় মূর্তিকল্প।
শ্রীঅরবিন্দ বন্দে মাতরম্ গানটিকে
"বঙ্গদেশের জাতীয়
সংগীত" ("National Anthem of Bengal")
বলে উল্লেখ করেন। ভারতের
স্বাধীনতা আন্দোলনে এই গানটি
বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ
করেছিল।
১৮৯৬ সালে ভারতীয় জাতীয়
কংগ্রেসের অধিবেশনে সর্বপ্রথম
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গীত হয়
বন্দে মাতরম্ ; উক্ত অধিবেশনে
গানটি পরিবেশন করেছিলেন স্বয়ং
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।১৯৫০ সালে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে জনগণমন-
অধিনায়ক জয় হে ভারতের জাতীয়
সংগীতের মর্যাদা লাভ করলে বন্দে
মাতরম্ গানটিকে ভারতীয়
প্রজাতন্ত্রের জাতীয় স্তোত্রের
মর্যাদা দেওয়া হয়।
১৯০৯ সালে শ্রীঅরবিন্দ Mother, I bow
to thee! শিরোনামে বন্দে মাতরম্
গানটির ইংরেজি অনুবাদ করেন।
ইংরেজি ভাষায় এই অনুবাদটি বহুল
প্রচলিত।একাধিকবার এই
গানটিতে সুরারোপ করা হয়। বন্দে
মাতরম্ সঙ্গীতের প্রাচীনতম প্রাপ্ত
অডিও রেকর্ডিংটি ১৯০৭ সালের।
সমগ্র বিংশ শতাব্দীতে গানটি
প্রায় একশোটি ভিন্ন সুরে রেকর্ড
করা হয়েছিল।
২০০২ সালে বিবিসি
ওয়ার্ল্ড সার্ভিস সর্বকালের
সর্বশ্রেষ্ঠ দশটি জনপ্রিয় গান
নির্বাচনের একটি আন্তর্জাতিক
সমীক্ষা চালায়। এই সমীক্ষায় ৭০০০
গানের মধ্যে থেকে এ আর রহমান
সুরারোপিত বন্দে মাতরম্ গানটি
বিশ্বের দ্বিতীয় জনপ্রিয়তম গান
নির্বাচিত হয়।
ॐ卐
বন্দে মাতরম্♡♡♡♡
সুজলাং সুফলাং♡♡♡
মলয়জশীতলাং♡♡♡
শস্যশ্যামলাং
মাতরম্।♡♡♡♡
শুভ্র-জ্যোৎস্না-পুলকিত-যামিনীম্♡♡♡
ফুল্লকুসুমিত-দ্রুমদলশোভিনীম্,♡♡♡
সুহাসিনীং সুমধুরভাষিণীম্♡♡♡♡
সুখদাং বরদাং মাতরম্।♡♡♡♡
সপ্তকোটীকণ্ঠকলকলনিনাদকরালে♡♡♡♡♡
দ্বিসপ্তকোটীভুজৈর্ধৃতখর-
করবালে,♡♡♡♡
অবলা কেন মা এত বলে।♡♡♡♡
বহুবলধারিণীং♡♡♡
নমামি তারিণীং♡♡
রিপুদলবারিণীং
মাতরম্।♡♡♡♡
ত্বং হি দুর্গা দশপ্রহরণধারিনী♡♡♡
কমলা কমল-দলবিহারিণী♡♡
বাণী বিদ্যাদায়িনী♡♡♡♡
নমামি ত্বাং♡♡♡
নমামি কমলাম্♡♡♡
অমলাং অতুলাম্♡♡
সুজলাং সুফলাম্♡♡
মাতরম্♡
বন্দে মাতরম্♡♡
শ্যামলাং সরলাং♡♡
সুস্মিতাং ভূষিতাম্♡♡
ধরণীং ভরণীম্
মাতরম্।♡♡♡
বন্দেমাতরম্ এর অর্থ ভারতমায়ের বন্দনা করি।ভারতমাতাকে এখানে শক্তিরূপা- দুষ্টের বিনাশকারী দেবী ॐ卐 দূর্গার ॐ卐 সাথে তুলনা করা হয়েছে।
●●ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
১৯০৭ সালে ভিখাজি কামা (১৮৬১– ১৯৩৬) ভারতের প্রথম জাতীয় পতাকার যে রূপদান করেছিলেন, তার মাঝের ব্যান্ডে দেবনাগরী হরফে "বন্দে মাতরম্ " ধ্বনিটি খোদিত ছিল।"বন্দেমাতরম" ব্রিটিশ শাসনের হাত থেকে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের জাতীয় ধ্বনিতে পরিণত হয়। প্রথমে কলকাতা মহানগরীতে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক সমাবেশে "বন্দেমাতরম " ধ্বনি দেওয়া শুরু হয়। এই ধ্বনির তীব্র প্রতিক্রিয়ায় ভীত হয়ে একবার ব্রিটিশ সরকার জনসমক্ষে এই ধ্বনি উচ্চারণ নিষিদ্ধ করে দেয়; এই সময় বহু স্বাধীনতা সংগ্রামী "বন্দেমাতরম " ধ্বনি দেওয়ার অপরাধে গ্রেফতার হয়েছিলেন। ১৮৯৬ সালে বিডন স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত জাতীয় কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে গানটি পরিবেশন করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। পাঁচ বছর বাদে ১৯০১ সালের কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে গানটি পরিবেশন করেন দক্ষিণাচরণ সেন। ১৯০৫ সালে কংগ্রেসের বারাণসী অধিবেশনে গানটি পরিবেশন করেছিলেন সরলা দেবী চৌধুরাণী । লালা লাজপত রাই লাহোর থেকে বন্দে মাতরম নামক একটি সাময়িকপত্র প্রকাশ করতেন।১৯০৫ সালে হীরালাল সেন ভারতের প্রথম রাজনৈতিক চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছিলেন; এই চলচ্চিত্রের সমাপ্তি হয়েছিল গানটির মাধ্যমে। ব্রিটিশ পুলিশের হাতে নিহত হওয়ার আগে মাতঙ্গিনী হাজরার শেষ উচ্চারিত শব্দ ছিল "বন্দেমাতরম "।
●●●●উল্লেখ্য--------- একাধিক ভারতীয় মুসলিম সংগঠন বন্দে মাতরম্ গাওয়ার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেছে। তাদের মতে, ভারতমাতার বন্দনাগীতি এই গানটির মূলভাবনা ইসলাম-নিষিদ্ধ পৌত্তলিকতার অনুসারী।তৎকালীনঅবিভক্ত ভারতে তাদের কাছে ভারত মাতার বন্দনার চেয়েও বেশী গুরুত্ব পেত নিজের ধর্ম ও ভারত ভাগ।
●●২০০২ সালে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ দশটি জনপ্রিয় গান নির্বাচনের একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষা চালায় ৭০০০ গানের মধ্যে থেকে এ আর রহমান সুরারোপিত বন্দে মাতরম্ গানটি বিশ্বের দ্বিতীয় জনপ্রিয়তম গান নির্বাচিত হয়।বাংলাদেশী ইসলামপন্থী পেজে এ আর রহমান কে "পথভ্রষ্ট মুসলিম" আখ্যা দেওয়া হয়।
ॐ卐সত্যের জয় হবেॐ卐
হারিয়ে গেল প্রতিবাদের মুখ,কাঁদছে সারা বাংলা
হারিয়ে গেল প্রতিবাদের মুখ,কাঁদছে সারা বাংলা । ছোট ঘটনা বলে থামানো যায়না প্রতিবাদীর গলা ।। প্রতিবাদ করে মৃত্যু প্রতিবাদীর,পেলনা আজও বিচার । প্রতিবাদীর জয় ঠিকই হল,আইনের হল হার ।। ধর্ষন আজ ছোট ঘটনা,এই আমাদের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী । পার্কষ্ট্রীট কান্ডের হল না বিচার,দিদি যে ষড়যন্ত্রী ।। মহিলাদের আজ নেই নিরাপত্তা,নির্বাক প্রশাসন । পুলিশের সামনে চলছে আজ অবিরত ধর্ষন ।। কামদুনী থেকে পার্কষ্ট্রীটে কান্না,মহিলারা হচ্ছে ধর্ষন । ধর্ষনকে ছোট ঘটনা বলে দিদি করেছে উন্নয়ন ।। ধর্ষিতার আজ মৃত্যু হল,পেল না কোন বিচার । বাংলার মহিলাদের সন্মান আজ পুড়ে হল ছারখার ।। written by-sabyasachi প্রতিদিন কবিতা পড়তে www.facebook.co m/ namosabyasachiপেজটি লাইক করুন । —
ভারতের জাতীয় প্রতীক এবং তাদের অর্থ
ভারতের জাতীয় প্রতীকগুলি দেশের
ভাবমূর্তির বর্ণনা দেয় এবং এগুলি খুবই
যত্ন সহকারে মনোনীত হয়েছে।
● জাতীয়
পশু বাঘ – ক্ষমতার প্রতীকস্বরূপ,
● জাতীয়
ফুল পদ্ম – শুদ্ধতার প্রতীকস্বরূপ,
● জাতীয়
বৃক্ষ বট – চিরন্তনতার প্রতীকস্বরূপ,
●জাতীয় পাখি ময়ূর – কমনীয়তার
প্রতীকস্বরূপ
এবং ●জাতীয় ফল আম –
ভারতের ক্রান্তীয় জলবায়ুর
প্রতীকস্বরূপ।
তেমনভাবেই, আমাদের
জাতীয় সঙ্গীত এবং জাতীয় গীত হল
স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় থেকেই
প্রেরণার উৎস।
●ভারতের জাতীয়
স্তম্ভটি চারটি সিংহের চার দিকে মুখ
করে দন্ডায়মান অবস্থায় রচিত, যেগুলি
ক্ষমতা, সাহস, গর্ব ও আস্থার
প্রতীকস্বরূপ।
●হকি যখন তার চরম শিখরে
ছিল তখন এটি ভারতের জাতীয় খেলা
হিসাবে গৃহীত হয়। এখানে ভারতের
জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে আরোও বেশ
কিছু তথ্য বর্ণনা করা হয়েছে।
ॐ卐
ভারতের জাতীয় প্রতীকের তালিকা▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪▪
■ভারতের জাতীয় পাখি :•••••••••••••••••••••••••
১৯৬৩ সালে ময়ূর, ভারতের জাতীয়
পাখি হিসাবে ঘোষিত হয়, কারণ এটি
সামগ্রিকরূপে ভারতের প্রচলিত
রীতিনীতি ও সংস্কৃতির এক অংশ
ছিল। ময়ূর হল লাবণ্য ও সৌন্দর্য্যের
প্রতীক। ময়ৃরকে জাতীয় পাখি রূপে
মনোনীত করার আরেকটি কারণ হল
সারা দেশ জুড়ে তার উপস্থিতি।
এমনকি সাধারণ মানুষও পাখির সঙ্গে
খুব বেশিই পরিচিত। তাছাড়াও, এখনও
পর্যন্ত আর অন্য কোনও দেশে তাদের
জাতীয় পাখি হিসাবে ময়ূর ছিল না।
ময়ূর এই সমস্ত কিছুকে পরিপূর্ণ করেছে,
অতঃপর ভারতের জাতীয় পাখি হয়ে
উঠেছে।
●ভারতের জাতীয় পশু :••••••••••••••
বাঘ, জঙ্গলের রাজা হিসাবে পরিচিত
এবং ভারতের বন্যপ্রাণী সম্পদকে
প্রদর্শিত করে। এছাড়াও, শক্তি, দ্রুততা
ও ক্ষমতা বাঘের মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গি।
১৯৭৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারতে
বাঘেদের সংরক্ষণে, ব্যার্ঘ্র প্রকল্পের
প্রবৃত্তির সঙ্গে বেঙ্গল টাইগার (পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন)
ভারতের জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষিত
হয়। এর আগে, সিংহ ভারতের জাতীয়
পশু ছিল।
ভারতের জাতীয় সঙ্গীত :•••••••••••• ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হল একটি স্তোত্রের হিন্দি সংস্করণ, যা প্রকৃতপক্ষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলায় রচনা করেছিলেন। এটি ১৯৫০ সালের ২৪- শে জানুয়ারী ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হয়। যেহেতু সমাজের অ- হিন্দু সম্প্রদায় থেকে বাংলা গীত “বন্দে মাতরম”-এর বিরোধিতা করা হয়েছিল সেহেতু “জন গণ মন” ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হয়েছিল।
ভারতের জাতীয় ফুল :•••••••••••• ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনীতে পদ্ম ফুল একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রয়েছে। এটি দেবী লক্ষীর পুষ্প এবং ধন- সম্পদ, সমৃদ্ধি ও উদ্ভাবনশীলতার প্রতীকস্বরূপ। এছাড়াও, এটি খুব অনন্যভাবে জলের অনেক উপর পর্যন্ত দীর্ঘ বৃন্তের সঙ্গে মলিন জলে বেড়ে ওঠে এবং বৃন্তের শীর্ষ-ডগায় ফুলটি প্রস্ফুটিত হয়। পদ্ম ফুল অপবিত্রতা- অশুদ্ধতা থেকে অস্পর্শিত থাকে। এটি বিশুদ্ধতা, কৃতিত্ব, দীর্ঘ আয়ু ও সৌভাগ্যের প্রতীকস্বরূপ।
ভারতের জাতীয় ফল :••••••••••••• আম ভারতে প্রকৃতিজাত এবং এইভাবে যথার্থরূপে ভারতীয়তার সঙ্গে জড়িত। আদি-অনাদিকাল থেকেই, ভারতে আমের ফলন হয়। পাশাপাশি প্রাচীনকাল থেকেই অনেক প্রখ্যাত কবি আমের মাধুর্যতা সম্পর্কে সংজ্ঞায়িত করেছেন। বিখ্যাত মুঘল সম্রাট আকবর দ্বারভাঙ্গার লক্ষী বাগে প্রায় ১০০,০০০ আম গাছের চারা রোপণ করেছিলেন।
ভারতের জাতীয় গীতি :•••••••• ভারতের জাতীয় গীতিটি সংস্কৃত ভাষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বারা নিবন্ধিত হয়েছিল। এটি স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বহু মুক্তি যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল। প্রাথমিকভাবে “বন্দে মাতরম্” ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ছিল, তবে স্বাধীনতার পর “জন গণ মন” জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হয়। এটি করা হয়েছিল কারণ ভারতের অ-হিন্দু সম্প্রদায় “বন্দে মাতরম”-কে পক্ষপাতিত্ব হিসাবে বিবেচিত করেন। এই সম্প্রদায়গুলি উপলব্ধি করেছিল যে গানটিতে দেশ “মা দূর্গা”-র দ্বারা প্রতিরূপিত হয়। অর্থাৎ এই কারণেই, এটিকে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত না করে জাতীয় গীতি হিসাবে গড়ে তোলা হয়।
ভারতের জাতীয় খেলা :•••••••••• ভারতে ক্রিকেটের বিপুল জনপ্রিয়তা স্বত্ত্বেও, এখনও হকি ভারতের জাতীয় খেলা। যখন হকি জাতীয় খেলা হিসাবে ঘোষিত হয় তখন এটি খুবই জনপ্রিয় ছিল। ১৯২৮-১৯৫৬ সাল পর্যন্ত খেলাটির স্বর্ণযুগ ছিল, যখন ভারত ওলিম্পিকে পরপর ৬-টি স্বর্ণ পদক জিতেছিল। হকি জাতীয় খেলা হিসাবে বিবেচিত হয়েছিল কারণ সেইসময় তার অপ্রতিম স্বাতন্ত্র্যতা ও অনুপম প্রতিভার দরুণ। সেই সময় ভারত ২৪-টি ওলিম্পিক ম্যাচ খেলেছিল এবং তার সবকটিই জিতেছিল।
ভারতের জাতীয় বৃক্ষ : বট গাছ অনন্ত জীবনের প্রতিনিধিত্ব করে, কারণ তার সদা-প্রসারিত শাখা- প্রশাখা। গাছের বিশাল কাঠামো ও তার গভীর শিকড় দেশের ঐক্যতার প্রতীকস্বরূপ। বৃক্ষটি কল্পবৃক্ষ নামে পরিচিত, যার অর্থ হল ‘ইচ্ছা পূরণের বৃক্ষ’। বট বৃক্ষ নামেও অভিহিত কারণ বট বৃক্ষের অপরিমেয় ঔষধি বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং দীর্ঘায়ুর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। এছাড়াও বট বৃক্ষ বিভিন্ন ধরনের পশু ও পাখিদের আশ্রয় প্রদান করে, যা ভারত এবং তার বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষদের
প্রতিনিধিত্ব করে।
■●●ভারতের জাতীয় স্তম্ভ :•••••
সারনাথে অবস্থিত অশোক স্তম্ভ
(সিংহ রাজধানী) হল ভারতের জাতীয়
স্তম্ভ। এটি একটি বৃত্তাকার
স্তম্ভশীর্ষফলকের উপর চারদিকে মুখ
করে দাঁড়িয়ে থাকা চারটি এশীয়
সিংহের সমন্বয়ে গঠিত।
Subscribe to:
Posts (Atom)